Connect with us

কর্পোরেট সংবাদ

ব্র্যাক ব্যাংকের ‘আস্থা’ অ্যাপে রেকর্ড লেনদেন

Published

on

শেয়ারবাজার

ব্র্যাক ব্যাংকের মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাপ ‘আস্থা’ এক মাসে ১০ হাজার কোটি টাকা লেনদেনের মাইলফলক অতিক্রম করেছে। ব্যাংকিং অ্যাপে এমন রেকর্ড পরিমাণ লেনদেন দৈনন্দিন ডিজিটাল ব্যাংকিং প্ল্যাটফর্ম হিসেবে গ্রাহকদের কাছে অ্যাপটির ব্যাপক জনপ্রিয়তারই বহিঃপ্রকাশ।

মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাপটি ২০২৪ সালের মার্চে ডিজিটাল লেনদেনের এই মাইলফলকটি অর্জন করে, যা দেশের ব্যাংকিং খাতে মাসিক অ্যাপভিত্তিক লেনদেনের এক অনন্য রেকর্ড। ঐ মাসে ব্যাংকের ২.৩৮ লাখ গ্রাহক অ্যাপটি ব্যবহার করে ২১ লাখেরও বেশি ট্রানজ্যাকশন সম্পন্ন করেন।

লেনদেনের এই মাইলফলকটি ২০২৩ সালের দুটি বড় অর্জনের পরপরই আসে, যেখানে একটি ছিল ৭১ হাজার কোটি টাকা লেনদেনের মাইলফলক অর্জন এবং আরেকটি ছিল ‘আস্থা’ অ্যাপে ৫ লাখ ব্যবহারকারীর মাইলফলক অর্জন। মোবাইল অ্যাপ আস্থা বহুমুখী সক্ষমতা সমৃদ্ধ, ব্যবহারে সহজ, নিরাপদ এবং সুরক্ষিত। এটি গ্রাহকদেরকে মাত্র কয়েকটি ক্লিকে ব্যাঙ্কিং লেনদেন সম্পন্ন করার সুবিধা দেয়। আস্থা পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবা এবং এনগেজমেন্ট টুলস দ্বারা সমৃদ্ধ, যা গ্রাহকদের আনন্দদায়ক ব্যাংকিং অভিজ্ঞতা দেয়। অধিক সংখ্যক গ্রাহককে সেবা দিতে সক্ষম এবং বাজারে প্রভাব সৃষ্টি করতে পারে।

‘আস্থা’ অ্যাপ ব্যবহারকারীরা এনপিএসবি (NPSB), বিইএফটিএন (BEFTN) এবং আরটিজিএস (RTGS) অপশনগুলো থেকে নিজের সুবিধামতো অপশন বেছে নিয়ে কোনোপ্রকার খরচ ছাড়াই অন্য ব্যাংকে ফান্ড ট্রান্সফার করতে পারেন। এনপিএসবি (NPSB) এবং আরটিজিএস (RTGS) সেবা ব্যবহার করে গ্রাহকরা মুহূর্তেই বাংলাদেশের যেকোনো ব্যাংকে ফান্ড ট্রান্সফার করতে পারছেন। অ্যাপটির মোবাইল ওয়ালেট ফান্ড ট্রান্সফার, কিউআর (QR) কোডভিত্তিক ‘স্ক্যান অ্যান্ড পে’, ইউটিলিটি বিল পেমেন্ট এবং মোবাইল রিচার্জ সুবিধা গ্রাহকদের জীবনকে করে তুলেছে আরও সহজ।

ফান্ড ট্রান্সফার ছাড়াও ‘আস্থা’ অ্যাপ নিয়ে এসেছে গ্রাহকদের জন্য ডিপিএস ও এফডিআর খোলা, নতুন পিন তৈরি, বিদ্যমান পিন পরিবর্তন, ভুলে যাওয়া পিন পুনরায় তৈরি, অস্থায়ী কার্ড ব্লকসহ নানান সুযোগ-সুবিধা। প্রতিটি লেনদেনের ক্ষেত্রে গ্রাহকের নিবন্ধিত মোবাইল নম্বর/ইমেইল ঠিকানায় ওটিপি পাঠানো হয়। লেনদেনের এমন পদ্ধতি গ্রাহকদের জন্য আরও বেশি নিরাপত্তা নিশ্চিত করছে। ‘আস্থা’ অ্যাপটি ডিজিটাল ব্যাংকিং দুনিয়ায় আস্থা লাইফস্টাইল, চার্জ-ফ্রি ব্যাংকিং এবং ডিজিটাল রিওয়ার্ড পয়েন্টসহ অনেক নতুনত্বের সূচনার মাধ্যমে এক নবদিগন্তের দ্বার উন্মোচন করেছে।

অ্যাপটির এমন মাইলফলক অর্জন সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে ব্র্যাক ব্যাংকের ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড সিইও সেলিম আর. এফ. হোসেন বলেন, ব্র্যাক ব্যাংকের ডিজিটাল রূপান্তর যাত্রার কেন্দ্রবিন্দু হচ্ছে ‘আস্থা’। ডিজিটাল উদ্ভাবনের মাধ্যমে গ্রাহকদের ব্যাংকিং সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির ওপর আমাদের নিবেদিত প্রচেষ্টার বহিঃপ্রকাশ এটি। মাত্র এক মাসে ১০ হাজার কোটি টাকা লেনদেনের এমন রেকর্ড অর্জন এটিই প্রমাণ করে যে, আমাদের অ্যাপটি গ্রাহকদের পছন্দের শীর্ষে এবং এটি গ্রাহকদের দৈনন্দিন জীবনের একটি অংশে পরিণত হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, পুরো ব্যাংকিং সেবা নিয়ে ‘আস্থা’ এখন গ্রাহকদের নখদর্পণে। ‘ব্যাংক স্মার্ট’ ট্যাগলাইনকে সাথে নিয়ে অ্যাপটি গ্রাহকদের স্মার্ট ব্যাংকিং সল্যুশনস প্রদানের পাশাপাশি বাংলাদেশে ক্যাশলেস কালচার গড়ে তুলতে ভূমিকা রেখে যাচ্ছে। গ্রাহকদের ভিন্ন ভিন্ন ব্যাংকিং প্রয়োজন মেটাতে আমরা ‘আস্থা’ অ্যাপে নতুন নতুন ফিচার যুক্ত করার প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখব।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

কর্পোরেট সংবাদ

ইটস হিউম্যানিটি ফাউন্ডেশনের যাকাত ক্যাম্পেইন

Published

on

শেয়ারবাজার

প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরও ইটস হিউম্যানিটি ফাউন্ডেশন যাকাত ক্যাম্পেইনের আয়োজন করেছে। উক্ত ক্যাম্পেইনটি পুরো রমজান মাসব্যাপী চলেছে যার সমাপনী ও বিতরণী কার্যক্রম ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে।

মঙ্গলবার (৯ এপ্রিল) সৈয়দপুরের আল ফারুক একাডেমীতে ক্যাম্পেইনের সমাপনী ও বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রায় ৩০০ জন সুবিধাভোগী উপস্থিত হয়। প্রায় ৫০ জন মানুষের মাঝে তুলে দেওয়া হয়েছে রিকশা, ভ্যান, সেলাই মেশিন, হুইলচেয়ার, বাইসাইকেলসহ জীবনজাপনের মান উন্নয়নে সহায়ক আরও নানা জিনিস। এছাড়াও প্রায় ২৫০ জন মানুষের মাঝে তুলে দেওয়া হয়েছে ঈদ উপলক্ষে খাদ্য সামগ্রী এবং নতুন পোষাক।

অনুষ্ঠানে ইটস হিউম্যানিটি ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক মো. আদনান হোসেন সভাপতিত্ব করেন এবং প্রতিষ্ঠানের নানা কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরেন। এছাড়াও সৈয়দপুর উপজেলা চেয়ারম্যান সহ অনন্য প্রতিনিধি এ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।

প্রসঙ্গত, আইএইচএফ এর যাকাত ক্যাম্পেইনটি ৩ ভাগে ভাগ করে পরিচালিত হয়েছে। শিক্ষার জন্য যাকাত, জীবিকা নির্ভরশীলতার জন্য যাকাত এবং হতদরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের মধ্যে রমজান মাসে খাদ্য বিতরণ কর্মসূচি।

ইট্স হিউম্যানিটি ফাউন্ডেশন একটি নিবন্ধিত অলাভজনক প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর শিশুদের বিনামূল্যে মানসম্পন্ন শিক্ষা প্রদানের মাধ্যমে তাদের ভবিষ্যৎকে উন্নত করার জন্য কাজ করে যাচ্ছে। বর্তমানে সারা বাংলাদেশে আইএইচএফ এর ১২টি স্কুল রয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে ‘লার্নিং ডিসএবল’ শিশুদের জন্য একটি বিশেষ স্কুল এবং পথশিশুদের জন্য দুটি ডিজিটাল মোবাইল স্কুল। ২০১০ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে আইএইচএফ বাংলাদেশে প্রায় তিন হাজার পাঁচশত জনেরও বেশি শিশুর জন্য বিনামূল্যে শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ তৈরি করেছে।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

কর্পোরেট সংবাদ

বিকাশে সালামি বিনিময়ে বর্ণিল ঈদ উৎসব

Published

on

শেয়ারবাজার

ঈদের বার্তা, খুশির বার্তা নিয়ে আসে নতুন চাঁদ। নতুন জামা, নামাজ, মজাদার খাবার, প্রিয়জনের সান্নিধ্যসহ আরো নানান অনুষঙ্গের সাথে ঈদের আনন্দ পরিপূর্ণ হয় সালামি বিনিময়ের মধ্য দিয়ে। সময়ের সাথে সাথে প্রযুক্তির কল্যাণে সালামিও এখন ডিজিটাল। ঈদ সালামি নিতে এবং দিতে বিকাশ হয়ে উঠেছে অন্যতম মাধ্যম। ‘ঈদের চাঁদ আকাশে, সালামি দিন বিকাশ-এ’ স্লোগানে মুখরিত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেশে ডিজিটাল সালামির জনপ্রিয়তা জানান দেয়।

বেসরকারি বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানে কর্মরত নাইমুল করিম বলেন, “ঈদ আনন্দের একটি বড় অংশ জুড়েই থাকে সালামি, বিশেষ করে ছোটদের জন্য। আর এই যুগে সালামি দেওয়া বা চাওয়ার ধরণে পরিবর্তন এসেছে প্রযুক্তির কল্যাণে। ঈদের সময় সহকর্মী বা আত্মীয়-স্বজন সবার সঙ্গে দেখা হওয়াটা কঠিনই বটে। তাই বলে তো আর ছোটদের সালামি থেকে বঞ্চিত করতে পারি না। গত কয়েক বছরের মতো এবারও তাই সবাইকে মজার ম্যাসেজসহ সালামি পাঠিয়ে দিবো বিকাশে।”

নাইমুলের মত লাখ লাখ মানুষ স্নেহভাজনদের ঈদ সালামি পাঠাতে এবছরও ব্যবহার করবেন বিকাশের সেন্ড মানি সেবা। সাথে বিকাশ অ্যাপে থাকা ডিফল্ট গ্রিটিংস কার্ড অথবা গ্রাহক চাইলে নিজের পছন্দমতো সেই কার্ডে নতুন ম্যাসেজ লিখে দিতে পারবেন বিনামূল্যে। বাংলা ও ইংরেজি উভয় ভাষাতেই মেসেজ লেখার সুযোগ রয়েছে।

এদিকে রমজানের দুই সপ্তাহ পার না হতেই কার কার কাছ থেকে সালামি পাওয়া যাবে তার একটি লিস্ট করে ফেলেছেন সদ্য বিশ্ববিদ্যালয়ে পা রাখা তাসনুভা ও তার স্কুলপড়ুয়া ছোট ভাই ফাহিম। চট্টগ্রাম নিবাসী এই তরুণী বলেন, “চাচা-মামা-ফুপু-খালা, কাজিনদের অনেকেই বাস করেন অন্যান্য জেলায়। ঈদের সময় তাদের অনেকের সঙ্গেই দেখা হওয়ার সুযোগ কম। তাই ঈদের আগেই কল করে বা ম্যাসেজ দিয়ে তাদের বিকাশে সালামি পাঠিয়ে দেয়ার আবদার জানাচ্ছি!”

বড় শহর থেকে শুরু করে গ্রাম-গঞ্জে সব শ্রেণির মানুষের মধ্যেই সাড়া ফেলেছে বিকাশ অ্যাপের সেন্ড মানি থেকে সালামি পাঠানোর এই উদ্ভাবনী ফিচার। টাকা পাঠানোর সাথে সাথে মজার ম্যাসেজসহ ডিজিটাল ঈদ সালামি হয়ে উঠেছে ঈদের অন্যতম অনুষঙ্গ। আর এবার ‘গ্রুপ সেন্ড মানি’ ফিচারের কল্যাণে একসঙ্গে অনেককে সালামি দেওয়ার সুযোগ যোগ করেছে বাড়তি আনন্দ।

এমআই

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

কর্পোরেট সংবাদ

মুক্তিযুদ্ধের কবিতা নিয়ে ব্র্যাক ব্যাংক রিডিং ক্যাফের সাহিত্য আড্ডা

Published

on

শেয়ারবাজার

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক কবিতা নিয়ে আলোচনা করতে ব্র্যাক ব্যাংক রিডিং ক্যাফের সদস্যদের সাথে এবার সাহিত্য আড্ডায় যোগ দিয়েছিল স্বনামধন্য প্রকাশনা ও আবৃত্তি সংগঠন ‘আজব প্রকাশ’।

সৈয়দ মাজহারুল পারভেজের সম্পাদিত ‘নির্বাচিত মুক্তিযুদ্ধের কবিতা’ সংকলনটি নিয়ে হয়েছিল এবারের আলোচনা। যেখানে কেবল কবিতার শিল্পগুণ নিয়েই নয়, বরং আলোচনা হয়েছিল কবিতার বিষয়বস্তু ও বিভিন্ন সময়ে লেখা এসব কবিতার এই সংকলনে স্থান পাওয়া নিয়েও।

গত ২৭ মার্চ সাহিত্যসভায় রিডিং ক্যাফে এবং আজব প্রকাশের সদস্যরা বইটির বেশ কয়েকটি কবিতা আবৃত্তি করেন। আলোচকরা কবিতার বিভিন্ন দিক নিয়ে নিজেদের সমালোচনামূলক দৃষ্টিভঙ্গিও ব্যক্ত করতে ভুল করেননি। সম্পাদকের কবিতা নির্বাচন নিয়ে অনেকে বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন যে, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক আরও অনেক উল্লেখযোগ্য কবিতা রয়েছে, যেগুলো এই সংকলনে যুক্ত হতে পারতো।

সাহিত্য আড্ডার গুরুত্ব নিয়ে নিজের মতামত ব্যক্ত করে ব্র্যাক ব্যাংকের ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড সিইও সেলিম আর. এফ. হোসেন বলেন, সাহিত্য, বিশেষ করে কবিতা, আমাদের মাঝে ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাগুলোর চেতনা জাগিয়ে তুলতে সাহায্য করে। ব্র্যাক ব্যাংক রিডিং ক্যাফের মাধ্যমে আমাদের লক্ষ্য হলো, প্রতিষ্ঠানে পড়ার সংস্কৃতি গড়ে তোলা, যা আমাদের জ্ঞান এবং বিনোদন দানের পাশাপাশি ক্ষমতায়ন করতেও ভূমিকা রাখবে। এই ধরনের সাহিত্য আলোচনা আমাদের মুক্তিযুদ্ধের বহুমুখী বর্ণনার সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়, যা আমাদের ঐতিহ্যের গভীরতাকে পরিপূর্ণভাবে উপলব্ধি করতে সক্ষম করে তোলে।

এপ্রিল মাসের আলোচনার জন্য ব্র্যাক ব্যাংক রিডিং ক্যাফে নির্বাচন করেছে প্রখ্যাত উর্দু লেখক সাদাত হাসান মান্টোর ছোটগল্পের সংকলন। পরবর্তী আলোচনাও উপভোগ্য হতে চলেছে বলে বিশ্বাস এই পাঠচক্রের সদস্যদের। আজব প্রকাশকে সাথে নিয়ে ব্র্যাক ব্যাংক রিডিং ক্যাফের এই উদ্যোগটি ইতিহাসের জটিলতা এবং মানবিক অবস্থাকে অনুধাবন করতে সাহিত্যের প্রয়োজনীয়তাকে তুলে ধরে। পড়ার যে একটা শক্তি আছে, এই উদ্যোগটি আমাদের সমষ্টিগত এবং ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতাগুলোকে সংজ্ঞায়িত করার মাধ্যমে প্রতিনিয়ত তার-ই প্রমাণ রেখে যাচ্ছে।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

কর্পোরেট সংবাদ

কৃষকদের মাঝে ফলন ফাউন্ডেশনের ঈদ সামগ্রী বিতরণ

Published

on

শেয়ারবাজার

বরিশালের ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলার অসহায় ও আর্থিকভাবে অসচ্ছল কৃষক পরিবারের মাঝে ঈদের আনন্দ ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য বিনামূল্যে খাদ্য পণ্য সামগ্রী বিতরণ করেছে এক ঝাক তরুণদের গড়া সংগঠন ফলন ফাউন্ডেশন।

শুক্রবার (৫ এপ্রিল ) ফলন ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে প্রজেক্ট ‘কৃষকের ঈদ খুশি- ২০২৪’ এর আওতায় উপজেলার ২টি স্থানে (হাজারীগঞ্জ ও জিন্নাগড় ইউনিয়ন) সুবিধাবঞ্চিত কৃষক পরিবারের মাঝে অন্যান্য বছরের ন্যায় এই ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ করা হয়। দুই শতাধিক কৃষক পরিবার ঈদ উপহার সামগ্রী পেয়ে দারুণ উচ্ছ্বসিত।

শেয়ারবাজার

একেকটি কৃষক পরিবারের জন্য একেকটি খুশির ব্যাগ প্রদান করা হয়। যে ব্যাগে নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্য পণ্যসামগ্রী পোলাও চাল, সেমাই, পেঁয়াজ, আলু, চিনি ইত্যাদি দেওয়া হয়।

এই বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা করেন ফলন ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা তরুণ উদীয়মান উদ্যোক্তা মো. হিজবুর রহমান এবং সহ-প্রতিষ্ঠাতা মো. মেহেদী হাসান সহ ১০ জন তরুণ সংগঠক ও স্বেচ্ছাসেবী।

বিতরণ অনুষ্ঠান শেষে ফলন ফাউন্ডেশনের স্বপ্নদ্রষ্টা হিজবুর রহমান বলেন, স্বেচ্ছাসেবা-মূলক কাজে আমরা অনেক আগে থেকেই নিয়োজিত ছিলাম। কিন্তু ফলন ফাউন্ডেশন নামে আনুষ্ঠানিক ভাবে আমরা গত বছর থেকে আমাদের কার্যক্রম শুরু করি। গত বছর আমরা ‘কৃষকের ঈদ খুশি- ২০২৩’ এ প্রায় ৫০ জন কৃষককে ঈদ উপহার দিয়েছিলাম। এ বছর আমরা প্রায় দুই শতাধিক কৃষক পরিবারকে ঈদ উপহার সামগ্রী দিতে পেরেছি। কেবল ঈদ খুশী নয় আমরা সারা বাংলাদেশে কৃষকদের নিয়ে নানা ধরনের কর্মকাণ্ড এবং কর্মসূচি পরিচালনা করছি যার মাধ্যমে কৃষকরা এবং কৃষিখাত আরো স্বাবলম্বী হবে।

তিনি আরও বলেন, ফলন ফাউন্ডেশন মূলত একটি তরুণদের সংগঠন। যা দেশের এবং কৃষির উন্নয়নে কাজ করছে। ইনশাল্লাহ আমরা আগামী দিনগুলোতে আরো বেশি সংখ্যক কৃষকদেরকে আমাদের সেবার আওতায় অন্তর্ভুক্ত করতে পারবো এবং আরো বেশি তরুণ কৃষি এবং কৃষকদের উন্নয়নে ফলন ফাউন্ডেশনে যোগদান করবে। আমি সকল তরুণদের কাছে আহ্বান জানাই, যে যার যার অবস্থান থেকে দেশের কৃষি এবং অর্থনীতির সমৃদ্ধির জন্য কাজ করুন। তাহলেই আমরা দেশকে সমৃদ্ধির পথে স্মার্ট বাংলাদেশ বাস্তবায়নের দিকে নিয়ে যেতে পারবো।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

কর্পোরেট সংবাদ

ব্র্যাক ব্যাংকের ডিএমডি হলেন শেখ মোহাম্মদ আশফাক

Published

on

শেয়ারবাজার

পদোন্নতি পেয়ে ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর (ডিএমডি) হলেন ব্র্যাক ব্যাংকের হেড অব ব্রাঞ্চেস শেখ মোহাম্মদ আশফাক। গত ১ এপ্রিল থেকে তাঁর এই পদোন্নতি কার্যকর হয়েছে।

আশফাক ১৮৭টি ব্রাঞ্চ এবং ৪০টি সাব-ব্রাঞ্চের সমন্বয়ে গড়ে ওঠা ব্র্যাক ব্যাংকের বিস্তৃত ডিস্ট্রিবিউশন নেটওয়ার্কের নেতৃত্বে রয়েছেন। এছাড়া তিনি প্রিমিয়াম ব্যাংকিং, ব্রাঞ্চ কর্পোরেট ও গভর্মেন্ট রিলেশন্স সেগমেন্টের দায়িত্বে আছেন।

ব্যাংকের ডিস্ট্রিবিউশন নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণে প্রধান ভূমিকা পালন করার পাশাপাশি তিনি চ্যালেঞ্জিং সময়ে ডিপোজিট বৃদ্ধিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।

শেখ মোহাম্মদ আশফাক ব্র্যাক ব্যাংকে গড়ে ওঠা একজন প্রতিভাবান কর্মকর্তা। তিনি ২০০৬ সালে ব্র্যাক ব্যাংকের সাথে যাত্রা শুরু করেন। ব্রাঞ্চ, কর্পোরেট এবং রিটেইল ব্যাংকিংয়ে তাঁর ব্যাপক অভিজ্ঞতা ব্যাংকে কৌশলগত পরিকল্পনা প্রণয়নের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি থেকে এমবিএ ডিগ্রিসহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক সম্পন্ন করা আশফাকের রয়েছে এমআইটি স্লোন স্কুল অব ম্যানেজমেন্ট থেকে প্রফেশনাল ট্রেনিংও।

জিএবিভি সদস্য দেশগুলো থেকে লিডারশিপ ট্রেনিং গ্রহণের পাশাপাশি তিনি জিএবিভি অ্যালামনি হিসেবে বৈশ্বিক বিভিন্ন ইভেন্টে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছেন। যার ফলে, তিনি ব্র্যাক ব্যাংকের মূলধারার চ্যানেলগুলোকে গ্লোবাল স্ট্যান্ডার্ডে সফলতার সাথে নেতৃত্ব দিয়েছেন।

তাঁর পদোন্নতি সম্পর্কে ব্র্যাক ব্যাংকের ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড সিইও সেলিম আর. এফ. হোসেন বলেন, “ব্যাংকে আশফাকের অতীত রেকর্ড তাঁর নিবেদিত উদ্যোগ ও অর্জনের প্রতিচ্ছবি। আমরা বিশ্বাস করি, ডিএমডি হিসেবে তিনি ডিস্ট্রিবিউশন নেটওয়ার্ক বিজনেসকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবেন এবং ব্যাংককে মার্কেট লিডারে পরিণত করবেন।”

এমআই

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

ফেসবুকে অর্থসংবাদ

২০১৮ সাল থেকে ২০২৩

অর্থসংবাদ আর্কাইভ

তারিখ অনুযায়ী সংবাদ

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০