Connect with us

জাতীয়

ধান-চাল ফলিয়ে খাদ্য উৎপাদন বাড়াতে হবে: কৃষিমন্ত্রী

Published

on

শেয়ারবাজার

কৃষিমন্ত্রী আব্দুস শহীদ বলেছেন, বেশি করে ধান-চাল ফলিয়ে খাদ্য উৎপাদন বাড়াতে হবে। ২০৪১ সালের উন্নত-সমৃদ্ধ, স্মার্ট বাংলাদেশ গঠনে কৃষকরা বড় ভূমিকা পালন করতে পারে। এজন্য সরকার সব ধরনের সহযোগিতা করবে।

মঙ্গলবার (২ এপ্রিল) দুপুরে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল সদর ইউনিয়নে ঈদ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে অসহায়, গরিব ও দুস্থদের মাঝে ভিজিএফ চাল বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে কৃষিমন্ত্রী এ কথা বলেন।

দুই ইউনিয়েন মিলিয়ে প্রায় ৩৩০০ অসহায়, গরিব ও দুস্থদের মাঝে মঙ্গলবার ভিজিএফ চাল বিতরণ করা হয়।

এ সময় কৃষিমন্ত্রী বলেন, দরিদ্র মানুষেরা যেন ভালো করে ঈদ করতে পারে, সেজন্য প্রধানমন্ত্রী ঈদ উপহার হিসেবে প্রতিটি ঈদের আগে ভিজিএফ চাল দিচ্ছেন। এটা মানবিক উদ্যোগ।

নিঃস্বার্থভাবে কাজের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এলাকার চেয়ারম্যান, মেম্বার, এমপি, মন্ত্রী সবাই জনগণের। তাই জনগণের স্বার্থ রক্ষায় সবাইকে নিঃস্বার্থভাবে কাজ করলে শেখ হাসিনার সরকার দীর্ঘদিন মানুষের সেবা করার সুযোগ পাবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন শ্রীমঙ্গল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবু তালেব, উপজেলা আওযামী লীগ সভাপতি অর্ধেন্দু কুমার দেব বেবুল, শ্রীমঙ্গল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিনয় ভূষণ রায়সহ আওয়ামী লীগ নেতারা এবং জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। এর সভাপতিত্ব করেন শ্রীমঙ্গল সদর ইউপি চেয়ারম্যান মো. দুদু মিয়া।

পরে মন্ত্রী রাজঘাট ইউনিয়নে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে অসহায়, গরিব ও দুস্থদের মাঝে ভিজিএফের চাল বিতরণ করেন।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

জাতীয়

চৈত্র সংক্রান্তি আজ

Published

on

শেয়ারবাজার

চৈত্র সংক্রান্তি বা চৈত্র মাসের শেষদিন আজ শনিবার (১৩ এপ্রিল)। বাংলা মাসের সর্বশেষ দিনটিকে সংক্রান্তির দিন বলা হয়। আর আগামী রোববার (১৪ এপ্রিল) পহেলা বৈশাখ, নতুন বাংলা বর্ষ ১৪৩১।

আবহমান বাংলার চিরায়িত বিভিন্ন ঐতিহ্যকে ধারণ করে আসছে এই চৈত্র সংক্রান্তি। বছরের শেষ দিন হিসেবে পুরাতনকে বিদায় ও নতুন বর্ষকে বরণ করার জন্য প্রতিবছর চৈত্র সংক্রান্তিকে ঘিরে থাকে বিভিন্ন অনুষ্ঠান-উৎসবের আয়োজন।

মনে করা হয়, চৈত্র সংক্রান্তিকে অনুসরণ করেই পহেলা বৈশাখ উদযাপনের এত আয়োজন। তাই চৈত্র সংক্রান্তি হচ্ছে বাঙালির আরেক বড় অসাম্প্রদায়িক উৎসব।

জানা গেছে, চৈত্রসংক্রান্তির দিন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা শাস্ত্র মেনে স্নান, দান, ব্রত, উপবাস করে থাকেন। নিজ নিজ বিশ্বাস অনুযায়ী, অন্য ধর্মাবলম্বীরাও নানা আচার-অনুষ্ঠান পালন করেন। এছাড়াও চৈত্র সংক্রান্তি উপলক্ষ্যে দেশের বিভিন্ন গ্রামগঞ্জে নানা ধরনের মেলা ও উৎসব হয়। হালখাতার জন্য ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান সাজানো, লাঠিখেলা, গান, সংযাত্রা, রায়বেশে নৃত্য, শোভাযাত্রাসহ নানা অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে উদযাপিত হয় চৈত্র সংক্রান্তি। চৈত্র সংক্রান্তির প্রধান উৎসব চড়ক। চড়ক গাজন উৎসবের একটি প্রধান অঙ্গ। এ উপলক্ষ্যে গ্রামের শিবতলা থেকে শোভাযাত্রা শুরু করে অন্য গ্রামের শিবতলায় নিয়ে যাওয়া হয়। একজন শিব ও একজন গৌরী সেজে নৃত্য করে এবং অন্য ভক্তরা নন্দি, ভৃঙ্গী, ভূত-প্রেত, দৈত্য-দানব সেজে শিব-গৌরীর সঙ্গে নেচে চলে।

চৈত্র সংক্রান্তির মাধ্যমে পুরোনো বছরকে বিদায় জানিয়ে রোববার (১৪ এপ্রিল) সফলতা ও সমৃদ্ধির প্রত্যাশায় দেখা দেবে নতুন ভোর। পুরোনো বছরের সব জরাজীর্ণতা মুছে ফেলে রোববার বাঙালি মিলিত হবে পহেলা বৈশাখের সর্বজনীন উৎসবে। জরাজীর্ণতা, ক্লেশ ও বেদনার সবকিছুকে বিদায় জানানোর পাশাপাশি সব অন্ধকারকে বিদায় জানিয়ে আলোর পথে এগিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার থাকবে গোটা জাতির।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

জাতীয়

দুদিন বন্ধের পর আজ থেকে চলছে মেট্রোরেল

Published

on

শেয়ারবাজার

ঈদ উপলক্ষে টানা দুই দিনের ছুটি শেষে আজ শনিবার থেকে চালু হয়েছে মেট্রোরেল। সকাল ৭টা ১০ মিনিটে দিনের প্রথম থেকে উত্তরা উত্তর স্টেশন থেকে মতিঝিলের উদ্দেশে ছেড়ে যায়। আর মতিঝিল স্টেশন থেকে সকাল সাড়ে ৭টায় উত্তরা উত্তর স্টেশনের উদ্দেশে যায়।

এর আগে মেট্রোরেল পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক এমএএন ছিদ্দিক জানান, ঈদের জন্য মেট্রো রেল শুধু ঈদের দিন (১১ এপ্রিল) বন্ধ থাকবে।

এ ছাড়া পরের দিন শুক্রবার (১২ এপ্রিল) সাপ্তাহিক বন্ধ যথারীতি কার্যকর থাকবে। সে হিসেবে মেট্রো রেল টানা দুদিন বন্ধ থাকবে। পরে শনিবার (১৩ এপ্রিল) সকাল থেকে আবারও যথানিয়মে মেট্রো রেল চলাচল করবে।

জানা যায়, রমজানের প্রথমার্ধে প্রতিদিন গড়ে মেট্রো রেলে ২ লাখ ৪৬ হাজার যাত্রী চলাচল করেছে।

রমজানের আগে সংখ্যাটা ছিল ২ লাখ ৯৫ হাজারের মতো। ১৬ রমজান থেকে মেট্রো রেলের চলাচল এক ঘণ্টা বাড়ানোর পর যাত্রী আরও বেড়েছে। গত পাঁচ দিনে গড়ে ২ লাখ ৯০ হাজার করে যাত্রী চলাচল করেছে।

প্রসঙ্গত, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০২২ সালের ২৮ ডিসেম্বর মেট্রোরেলের উত্তরা স্টেশন থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত অংশে ট্রেন চলাচল উদ্বোধন করেন।

২৯ ডিসেম্বর থেকে সর্বসাধারণ মেট্রোরেলে যাতায়াত করছেন।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

জাতীয়

রেলে স্বস্তির ঈদযাত্রা, টিকিট কালোবাজারি হয়নি: মন্ত্রী

Published

on

শেয়ারবাজার

রেলপথ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী জিল্লুল হাকিম বলেছেন, এবারই প্রথম রেলে স্বস্তিতে মানুষ ঈদযাত্রা করেছে। টিকিটে কোনো কালোবাজারি হয়নি। সিন্ডিকেটের অনেকেই ধরা পড়েছে।

শুক্রবার (১২ এপ্রিল) বিকেলে গাংনী উপজেলার ষোলটাকা গ্রাম পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি। এটি মন্ত্রীর রণাঙ্গনের স্মৃতি বিজড়িত গ্রাম।

মেহেরপুরে রেলসংযোগ নির্মাণে ধীরগতি প্রসঙ্গে রেলমন্ত্রী বলেন, মুজিবনগর রেললাইন প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুত প্রকল্প। এর কাজ চলমান। একটি প্রকল্প বাস্তবায়নে অনেকগুলো প্রক্রিয়া আছে। দ্রুতসম্ভব চেষ্টা করা হবে।

রেলসংযোগ মেহেরপুর শহর হয়ে গাংনী উপজেলা থেকে ভেড়ামারা বা মিরপুর পর্যন্ত বাড়ানো যায় কি না, স্থানীয় সংসদ সদস্যকে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করব। রেলপথ সচিব, ডিজিসহ বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে বসে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এ সময় তিনি স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত এলাকা নিয়ে কথা বলেন।

এ সময় মেহেরপুর-২ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য এ এস এম নাজমুল হক সাগর, মেহেরপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও গাংনী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এম এ খালেক, গাংনী পৌরসভার মেয়র আহম্মেদ আলী, গাংনী উপজেলা নির্বাহী অফিসার প্রীতম সাহাসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে মন্ত্রী দুপুর ১২টার দিকে মেহেরপুর সার্কিট হাউজে পৌঁছালে জেলা প্রশাসক শামীম হাসান ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।

জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে মন্ত্রীকে গার্ড অব অনার দেওয়া হয়। পরে মন্ত্রী জিল্লুল হাকিম মুজিবনগর স্মৃতি সৌধে পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

অর্থনীতি

শিক্ষার্থীদের ব্যাংক হিসাবে বেড়েছে আমানত

Published

on

শেয়ারবাজার

গত বছরের শেষ প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর) শিক্ষার্থীদের ব্যাংক হিসাবে আমানত বেড়েছে ২০৫ কোটি টাকা। আর একই সময়ে পোশাককর্মীরা ব্যাংকে থাকা তাদের আমানত থেকে ১৮ কোটি টাকা তুলে নিয়েছেন।

সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংকের এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য পাওয়া গেছে।

জানা গেছে, এই সময়ে কৃষকেরা সঞ্চয় ভেঙেছেন ৯১ কোটি টাকা। আর মুক্তিযোদ্ধাদের হিসাব থেকে আমানত তুলে নেয়া হয়েছে ১৪৬ কোটি টাকা। তার বিপরীতে শিক্ষার্থীদের ব্যাংক হিসাবে সঞ্চয়ের পরিমাণ বেড়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, ২০২৩ খ্রিষ্টাব্দের জুলাই-সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে পোশাকশ্রমিকদের ৯ লাখ ৩ হাজার ব্যাংক হিসাবে সব মিলিয়ে ৩০০ কোটি টাকা সঞ্চয় ছিলো। কিন্তু অক্টোবর-ডিসেম্বর প্রান্তিক শেষে সেই সঞ্চয় কমে দাঁড়িয়েছে ২৮২ কোটি টাকায়। যদিও এ সময়ে পোশাকশ্রমিকদের ব্যাংক হিসাবের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৯ লাখ ৩৯ হাজার। সেই হিসাবে তিন মাসের ব্যবধানে পোশাকশ্রমিকদের ব্যাংক হিসাব বাড়লেও সঞ্চয়ের পরিমাণ ১৮ কোটি টাকা বা ৬ শতাংশ কমে গেছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, একই ঘটনা ঘটেছে কৃষক ও মুক্তিযোদ্ধাদের সঞ্চয় বা আমানতের ক্ষেত্রেও। গত অক্টোবর-ডিসেম্বর প্রান্তিকে কৃষকদের ব্যাংক হিসাবে থাকা আমানতের পরিমাণ কমে দাঁড়িয়েছে ৫৯২ কোটি টাকায়। কৃষকদের দেড় কোটির মতো ব্যাংক হিসাব রয়েছে। আমানত কমলেও কৃষকের ব্যাংক হিসাবের সংখ্যা আগের প্রান্তিকের চেয়ে কিছুটা বেড়েছে। কৃষকের চেয়ে আমানত বেশি কমেছে মুক্তিযোদ্ধাদের ব্যাংক হিসাবে। তিন মাসে মুক্তিযোদ্ধাদের হিসাবে থাকা আমানত ১৪৬ কোটি টাকা কমে দাঁড়িয়েছে ৮৬৩ কোটি টাকায়। যদিও এই সময়ে মুক্তিযোদ্ধাদের ব্যাংক হিসাব বেড়েছে।

দেশের বিভিন্ন ব্যাংকে কৃষক ও মুক্তিযোদ্ধাদের যেসব হিসাব রয়েছে, সেখানে সরকারের দেয়া নানা সুবিধার টাকাও জমা হয়। সরকারের আর্থিক সহায়তার অর্থ জমা হওয়ার পরপরই তা অনেকে তুলে নেন। এ কারণে কয়েক মাস পরপর কৃষক ও মুক্তিযোদ্ধাদের ব্যাংক হিসাবে জমা অর্থের কমবেশি হয়।

পোশাককর্মী, কৃষক ও মুক্তিযোদ্ধাদের ব্যাংক হিসাবে জমা অর্থের পরিমাণ কমলেও শিক্ষার্থীদের ব্যাংক হিসাবে আমানত বা সঞ্চয় করা অর্থের পরিমাণ বেশ বেড়েছে। গত অক্টোবর-ডিসেম্বর প্রান্তিক শেষে শিক্ষার্থীদের ব্যাংক হিসাবে জমা অর্থের পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৪৯৮ কোটি টাকা।

গত বছরের জুলাই-সেপ্টেম্বর প্রান্তিক শেষে শিক্ষার্থীদের ব্যাংক হিসাবে জমা অর্থের পরিমাণ ছিলো ২ হাজার ২৯৩ কোটি টাকা। সেই হিসাবে তিন মাসের ব্যবধানে শিক্ষার্থীদের জমানো অর্থের পরিমাণ বেড়েছে ২০৫ কোটি টাকা। এ সময়ের ব্যবধানে শিক্ষার্থীদের ব্যাংক হিসাবের সংখ্যা বেড়েছে প্রায় পৌনে দুই লাখ।

কৃষক, শ্রমিক ও মুক্তিযোদ্ধাদের ব্যাংক হিসাবে সঞ্চয় কমে যাওয়ার জন্য উচ্চ মূল্যস্ফীতিকেই দায়ী করছেন অর্থনীতিবিদেরা। তারা বলছেন, জীবনযাত্রার ব্যয় যেভাবে বেড়েছে, তা সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছেন সীমিত আয়ের মানুষ। তাই বাধ্য হয়ে অনেকে সঞ্চয় ভাঙছেন।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

জাতীয়

ঈদের ছুটি শেষে মেট্রোরেল চালু আগামীকাল

Published

on

শেয়ারবাজার

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে মেট্রোরেল ঈদের দিন এবং এর পরেরদিন বন্ধ থাকার পর ফের চালু আগামীকাল শনিবার (১৩ এপ্রিল)। তবে রমজান মাস উপলক্ষে চলাচলে যে এক ঘণ্টা বাড়ানো হয়েছিল, সেটি আর থাকছে না। আগের সময়সূচিতে চলবে মেট্রোরেল। ঢাকা ম্যাস র‌্যাপিড ট্রানজিট ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্টের উপপ্রকল্প পরিচালক তরফদার মাহমুদুর রহমান এ তথ্য জানান।

মেট্রোরেল সংশ্লিষ্টরা বলেছেন, মেট্রোরেল পরিচালনার ক্ষেত্রে কর্মীর অভাব রয়েছে। আর ঈদের দিন যাত্রীও তেমন হবে না। তাই ঈদের দিন মেট্রোরেল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

জানা গেছে, ঈদুল ফিতর উপলক্ষে মেট্রোরেল চলাচল গত ২৭ মার্চ থেকে এক ঘণ্টা বাড়িয়ে ছিল। রাত ১০টা ১৪ মিনিট পর্যন্ত মেট্রোরেল চলাচল করে। আর সকাল ৭টা ১০ মিনিটে উত্তরা উত্তর প্রান্ত থেকে প্রথম মতিঝিলের উদ্দেশে ছেড়ে আসে। অন্যদিকে মতিঝিল প্রান্ত থেকে প্রথম ট্রেন ছাড়ে সকাল ৭টা ৩০ মিনিটে।

এদিকে, ৪ মার্চ জাতীয় সংসদের অধিবেশনে সংসদ সদস্য এম আবদুল লতিফের এক প্রশ্নের জবাবে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের জানান, মেট্রোরেল চালুর প্রথম ৬ মাসে ১৮ কোটি ২৮ লাখ ৬ হাজার ৫১৪ টাকা আয় হয়েছে। অডিট ফার্মের নিরীক্ষা করা ২০২২-২৩ অর্থবছরের হিসাব অনুযায়ী এ তথ্য দেন তিনি।

২০২২ সালের ২৮ ডিসেম্বর মেট্রোরেলের উত্তরা থেকে আগারগাঁও এবং গত বছরের ৪ নভেম্বর আগারগাঁও থেকে মতিঝিল পর্যন্ত অংশ উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পরে গত বছরের ৪ নভেম্বর আগারগাঁও থেকে মতিঝিল অংশের উদ্বোধন করেন তিনি।

এরপর গত ৩১ ডিসেম্বর সর্বশেষ মেট্রোরেলের শাহবাগ ও কারওয়ানবাজার স্টেশন চালু করা হয়। এখন শুক্রবার ছাড়া প্রতিদিন বাণিজ্যিকভাবে নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী নিয়মিত মেট্রোরেল চলাচল করছে। বর্তমানে ১৬টি স্টেশনে চলাচল করছে মেট্রোরেল এগুলো হচ্ছে-উত্তরা উত্তর, উত্তরা সেন্টার, উত্তরা দক্ষিণ, পল্লবী, মিরপুর-১১, মিরপুর-১০, কাজীপাড়া, শেওড়াপাড়া, আগারগাঁও, বিজয় সরণি, ফার্মগেট, কারওয়ান বাজার, শাহবাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ সচিবালয় এবং মতিঝিল।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

ফেসবুকে অর্থসংবাদ

২০১৮ সাল থেকে ২০২৩

অর্থসংবাদ আর্কাইভ

তারিখ অনুযায়ী সংবাদ

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০