Connect with us

সারাদেশ

হিজড়া জনগোষ্ঠীর জন্য দেশের প্রথম মসজিদ ময়মনসিংহে

Published

on

শেয়ারবাজার

ধর্মের প্রতি অনুরাগ থেকে হিজড়ারা একটি মসজিদ নির্মাণের জন্য প্রশাসনের কাছে আবেদন করেও সাড়া পাচ্ছিলেন না। অবশেষে ময়মনসিংহের ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে সরকারের জমিতে হিজড়াদের উদ্যোগে মসজিদ স্থাপিত হয়েছে। সেখানে কোনো ধরনের সংকোচ ছাড়াই নিয়মিত ধর্মীয় শিক্ষাসহ নামাজ আদায় করছেন তারা। তাদের সঙ্গে নামাজ পড়ছেন স্থানীয়রাও। এতে প্রশংসায় ভাসছেন হিজড়া জনগোষ্ঠীর লোকজন। এ মসজিদটি বিশ্বে প্রথম হিজড়াদের মসজিদ বলে দাবি হিজড়া নেতাদের।

ময়মনসিংহ নগরীর ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ চরকালিবাড়ি ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে বসবাস হিজড়াদের। সরকারের ৩৩টি আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘরে বসবাস করেন ৪০ জন হিজড়া। গত ২৬ জানুয়ারি আশ্রয়ণ প্রকল্পের পাশেই হিজড়াদের জন্য ৩৩ শতাংশ জায়গায় মসজিদ ও কবরস্থানের উদ্বোধন করেন বিভাগীয় কমিশনার উম্মে সালমা তানজিয়া। পরে হিজড়ারা নিজেদের শ্রম ও অর্থে স্থাপন করেন টিনশেড মসজিদ। মসজিদের পুরো কাজ এখনো সম্পন্ন না হলেও রোজার তিন দিন আগে উদ্বোধন করা হয়। হিজড়া কল্যাণ সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা ও ঢাকার দাওয়াতুল কোরআন তৃতীয় লিঙ্গের মাদ্রাসার মুফতি আবদুর রহমান আজাদ মসজিদটির উদ্বোধন করেন। সেখানে এখন নিয়মিত নামাজ, রমজানে তারাবিহ এবং ধর্মীয় শিক্ষাগ্রহণের জন্য হিজড়াদের পাশাপাশি মসজিদে আসছেন স্থানীয় মুসল্লিরাও।

সেতু বন্ধন কল্যাণ সংঘের সভাপতি তনু হিজড়া বলেন, আবাসনে একটি মসজিদ থাকলেও সেখানে গিয়ে নামাজ পড়তে আমাদের নিষেধ করা হয়। নিজেদের নির্মিত মসজিদে আমরা ধর্মীয় শিক্ষাসহ নামাজ আদায় করব এটা আমাদের স্বপ্ন ছিল। বিষয়টি বিভাগীয় কমিশনারকে জানালে তিনি কবরস্থান ও মসজিদের জন্য জমি দেন। এছাড়াও হিজড়া কল্যাণ সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা মুফতি আবদুর রহমান আজাদ এবং স্থানীয়দের সহযোগিতায় এগিয়ে যাচ্ছি।

তিনি আরও বলেন, এখানে সম্প্রীতির মেলবন্ধন সৃষ্টি হয়েছে। মসজিদের পাঁচ লাইনে কমপক্ষে ৬০ জন মানুষ হয়। তারাবি নামাজের পর আমরা হুজুরের কাছে আরবি শিক্ষাগ্রহণ করি। আমরা আমাদের মসজিদের নাম দিয়েছি দক্ষিণ চর কালীবাড়ি আশ্রয়ণ জামে মসজিদ। মসজিদটির কাজ এখনো পুরোপুরি শেষ হয়নি। তবে এটিকে মডেল মসজিদে রূপান্তর করার জন্য সরকারের কাছে দাবি জানান তিনি।

তনু হিজড়া বলেন, হিজড়াদের জন্য এমন মসজিদ শুধু বাংলাদেশে নয়, বিশ্বে প্রথম।

হিজড়া কল্যাণ সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা মুফতি আবদুর রহমান আজাদ জানান, দেশে এমন মসজিদ এই প্রথম। আগেও একটি শহরে মসজিদ তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল, তবে স্থানীয়দের প্রতিবাদে তা আর হয়ে ওঠেনি।

দক্ষিণ চর কালীবাড়ি মসজিদের ইমাম আবদুল মোতালেব বলেন, আমরা সবাই আল্লাহর সৃষ্টি। কারো সঙ্গে বৈষম্যমূলক আচরণ ধর্মে নেই। আর দশজনের মতো হিজড়ারাও মানুষ। তারা যেহেতু ধর্মীয় শিক্ষার পাশাপাশি নামাজ আদায় করতে চায় তাই তাদেরকে সহযোগিতা করা উচিত। তারা খুব আন্তরিক। এলাকাবাসীও তাদের পছন্দ করে।

স্থানীয় বাসিন্দা আজহারুল ইসলাম বলেন, হিজড়াদের আচার-আচরণে অনেকে বিরক্ত হন। কিন্তু অনেক দিন ধরে আমাদের এখানে বসবাসকারী হিজড়াদের আচার-আচরণে এমনটি লক্ষ্য করা যায়নি। তারা সামাজিকভাবে সকলের সঙ্গে বসবাস করছে। তাদের নির্মিত মসজিদে নামাজ আদায় করারও সুযোগ হয়েছে। ধর্মের প্রতি তাদের এমন আগ্রহ প্রশংসার দাবি রাখে।

ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনার উম্মে সালমা তানজিয়া বলেন, আমি যোগদানের পর হিজড়াদের একটি অনুষ্ঠানে গিয়ে জানতে পারি তাদের মরদেহ দাফন করতে বাধা দেওয়া হয়। মসজিদে নামাজ পড়তে দেওয়া হয় না। বিষয়টি জানার পর খুব খারাপ লাগে। এর আগে হিজড়ারা মসজিদের জন্য আবেদন করলেও তা অগ্রগতি হয়নি। পরে ডিসি, ইউএনওসহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বসে হিজড়াদের কবরস্থান ও মসজিদের জন্য জায়গার ব্যবস্থা করে দেই।

তিনি আরও বলেন, পরে হিজড়ারা রমজানের আগে এসে একটি টিনশেড মসজিদের জন্য আবদার করে। তখন তারও ব্যবস্থা হয়। ধর্মের প্রতি হিজড়াদের আগ্রহ এবং স্থানীয় বাসিন্দাসহ ইমামদের সর্বাত্মক সহযোগিতার কারণে কাজটি সহজেই সম্পন্ন করা গেছে।

উম্মে সালমা তানজিয়া বলেন, সমাজের মূল স্লোতে ফেরাতেই এমন উদ্যোগ। হিজড়ারা এলাকাটিতে একটি প্রথামিক বিদ্যালয় স্থাপনের দাবি জানিয়েছিল সেটিও অনুমোদন হচ্ছে যোগ করেন এই কর্মকর্তা।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

সারাদেশ

পদ্মা সেতুতে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় একজন নিহত

Published

on

শেয়ারবাজার

পদ্মা সেতুতে দ্রুতগতির একটি মোটরসাইকেলের ধাক্কায় এক মাইক্রোবাস চালক নিহত হয়েছেন। পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সেতুর ওপর পেছনের চাকা বিস্ফোরিত হলে মাইক্রোবাসের চালক মোহাম্মদ তৈয়ব আলী (৩৪) গাড়ি থামিয়ে সেটি পরীক্ষা করার জন্য নামেন। তখন দ্রুতগতির ওই মোটরসাইকেলটি এসে তাকে ধাক্কা দিলে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান।

পুলিশ জানায়, সকালে মুন্সিগঞ্জ সদরের সিপাহীপাড়া এলাকা থেকে যাত্রী নিয়ে একটি মাইক্রোবাস গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীর দিকে যাচ্ছিল। শুক্রবার (১২ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সেতুর মুন্সিগঞ্জের মাওয়া প্রান্তের ১১ ও ১২ নাম্বার পিলারের মাঝামাঝি বিকট শব্দে মাইক্রোবাসটির পিছনের চাকা বিস্ফোরিত হয়। পরে তৈয়ব আলী গাড়ি থেকে নেমে চাকা মেরামতের চেষ্টা চালানোর সময় মোটরসাইকেলটি তাকে ধাক্কা দেয়।

এরপর খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযুক্ত মোটরসাইকেল চালক আজমীর হোসেন (২৮) ও তার স্ত্রী শ্রাবণী ইসলামকে (২৭) আটক করে পুলিশ ও সেতু নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কর্মীরা। আটকের কথা নিশ্চিত করেন মাওয়া ট্রাফিক পুলিশের ইন্সপেক্টর এএসএম জিয়াউল হায়দার। তিনি বলেন, পদ্মা সেতু উত্তর থানা পুলিশের সদস্যরা তাদের আটক করেছেন।

পুলিশ আরো জানায়, নিহত তৈয়ব আলী গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী থানার বাগিয়া এলাকার মো. বেলায়েত শেখের ছেলে। তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশি হেফাজতে রাখা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

মোটরসাইকেলের অতিরিকত গতিকে দুর্ঘটনার প্রাথমিক কারণ মনে করছে পুলিশ। সিসিটিভি ফুটেজ দেখে বিষয়টি পর্যালোচনা করছেন তারা।

এদিকে পদ্মা সেতুর মাওয়া প্রান্তের টোল ম্যানেজার আহামেদ হক জানান, দুর্ঘটনার পর ঘটনাস্থল থেকে মাইক্রোবাস ও মোটরসাইকেলসহ মরদেহ সরিয়ে নিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় সেতুতে যানবাহন চলাচলে কোনো বিঘ্ন সৃষ্টি হয়নি। যান চলাচল পুরোপুরি স্বাভাবিক রয়েছে।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

সারাদেশ

ঈদের দিনে বেপরোয়া মোটরসাইকেলে প্রাণ গেলো তিনজনের

Published

on

শেয়ারবাজার

নেত্রকোনার কলমাকান্দা সীমান্ত এলাকায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে এক মোটরসাইকেলের তিনজন আরোহীই নিহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (১১ এপ্রিল) ঈদের দিন বিকালে উপজেলার লেঙ্গুড়া ইউনিয়নের লেঙ্গুরা চেংনী বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- হৃদয় নিয়া (২২), হালিম হোসেন (১৮) ও নবী হোসেন (৩৫)। তারা সবাই কলমাকান্দা উপজেলার নাজিরপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানের বাসিন্দা।

কলমাকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ লুৎফুল হক সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, খালি সীমান্ত সড়কে একটি মোটরসাইকেলে তিনজন বেপরোয়া গতিতে যাচ্ছিল। এসময় চেংনী বাজারের কাছে পৌঁছতেই মোটরসাইকেলের সামনের চাকা পাংচার হয়। এতে মোটরসাইকেলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তিন আরোহী নিহত হন।

ওসি আরও জানান, এ ব্যাপারে আইনি পদক্ষেপ নিয়ে লাশ হস্তান্তর করা হবে। খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে কলমাকান্দা থানায় নিয়ে আসে।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

সারাদেশ

ঈদের দিন পোশাক কারখানায় আগুনে পুড়ল ৭০ লাখ টাকার যন্ত্রপাতি

Published

on

শেয়ারবাজার

ঈদের দিন সাভারে ওয়েক্স ফ্যাশন নামে একটি পোশাক কারখানায় আগুন লেগেছে। এতে কারখানাটির প্রায় ৭০ লাখ টাকার যন্ত্রপাতি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস। বৃহস্পতিবার (১১ এপ্রিল) দুপুর ১২টার দিকে সাভারের তেঁতুলঝড়া ইউনিয়নের রাজফুলববাড়ী এলাকায় এ অগ্নিকাণ্ড ঘটে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

স্থানীয়রা জানান, দুপুর ১২টার দিকে ট্রান্সমিটার বিস্ফোরণে রাজফুলবাড়িয়া এলাকার ওয়েক্স ফ্যাশন পোশাক কারখানায় আগুন লাগে। পরে স্থানীয়রা ট্যানারি ফায়ার স্টেশনে খবর দেন।

সাভার চামড়া শিল্পনগরী (ট্যানারি) ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের ফায়ার ফাইটার আশরাফুল ইসলাম রনি জানান, দুপুর ১২টা ২০ মিনিটে আমাদের কাছে অগ্নিকাণ্ডের খবর আসে। পরে আমাদের ফায়ার সার্ভিস থেকে দুটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণের জন্য ঘটনাস্থলে যায়।

সাভার ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন ম্যানেজার নুরুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে ট্যানারি ফায়ার স্টেশনের দুটি ইউনিট, সাভার ফায়ার স্টেশনের দুটি ও ঢাকা থেকে একটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণের কাজে যোগ দেয়। প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টায় ফায়ার সার্ভিসের পাঁচটি ইউনিট কাজ করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। মূলত ট্রান্সমিটার বিস্ফোরণের কারণে ওই কারখানার আগুন লাগে। প্রাথমিকভাবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ৭০ লাখ টাকা বলে জানান তিনি।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

সারাদেশ

ভুল ট্রেনে উঠে নামতে গিয়ে শ্রমিকের মৃত্যু

Published

on

শেয়ারবাজার

যশোরে ভুল ট্রেনে ওঠার পর নামতে গিয়ে পা ফসকে কাটা পড়ে জাবেদ আলী (৫৫) নামের এক শ্রমিক মারা গেছেন। তিনি কুষ্টিয়া সদরের দহকুলা গ্রামের মুন্দির মণ্ডলের ছেলে। বুধবার (১০ এপ্রিল) বিকেল ৩টার দিকে যশোর রেলগেট এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, জাবেদ আলী কুষ্টিয়ায় যাওয়ার জন্যে মহানন্দা এক্সপ্রেসে চড়তে চেয়েছিলেন। এর আগে বেনাপোলগামী বেতনা ট্রেন স্টেশনে আসেন তিনি। দ্রুত এসে তিনি ভুল ট্রেনে চড়ে বসেন। ওঠার পর বুঝতে পারেন এটি তার গন্তব্যের ট্রেন নয়। ততক্ষণে ট্রেন প্লাটফর্ম ছেড়েছে। তিনি চলন্ত ট্রেন থেকে রেলগেট এলাকায় (প্লাটফর্ম থেকে ৬০/৭০ গজ দূরে) নামার জন্য লাফ দেন। এ সময় পা পিছলে ট্রেনের চাকার নিচে চলে গেলে তার শরীর দ্বিখণ্ডিত হয়ে ঘটনাস্থলে মারা যান।

এ সময় রেল পুলিশ তার কাছে থাকা জাতীয় পরিচয়পত্র পেয়ে নিহতকে জাবেদ আলী হিসেবে শনাক্ত করেন। আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্যে তার মরদেহ রেল পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

যশোর রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির এসআই মনিতোষ বিশ্বাস জানিয়েছেন, ভুল ট্রেনে চড়ার পর তিনি নামার চেষ্টা করেছিলেন। এ সময় কাটা পড়ে ওই ব্যক্তির মৃত্যু হয়।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

সারাদেশ

বরিশালে ঈদ উদযাপন করছে ৫ হাজার পরিবার

Published

on

শেয়ারবাজার

বরিশাল মহানগরসহ জেলার বিভিন্ন উপজেলায় আজ ঈদুল ফিতর উদযাপন করছে প্রায় পাঁচ হাজার পরিবার। বুধবার (১০ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৮টা থেকে ৯টার মধ্যে জেলার প্রায় অর্ধশত মসজিদে পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বরিশাল নগরের ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের তাজকাঠীর হাজী বাড়ির জাহাগিরিয়া শাহসুফী মমতাজিয়া জামে মসজিদে সকাল ৯টায় ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হয়।

সকাল ৮টার পর থেকেই এ মসজিদে মুসল্লিরা আসতে শুরু করেন। বয়ান, খুতবা পাঠের মধ্য দিয়ে ঈদের নামাজ আদায় শেষে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা একে অপরকে জড়িয়ে কোলাকুলি করেন। মসজিদে ঘিরে আলাদা এক উৎসবের আমেজ বিরাজ করে।

এ মসজিদ কমিটির সভাপতি আমীর হোসেন জানান, নগরের ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ সাগরদী, তাজকাঠীসহ আশপাশের প্রায় ৫০০ পরিবার সোমবার ঈদ পালন করছেন।

বরিশাল ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব হরিনাফুলিয়া চৌধুরীবাড়ি শাহসুফী মমতাজিয়া জামে মসজিদের সভাপতি মমিন উদ্দিন কালু জানান, আমাদের ওয়ার্ডে ঈদ পালন করছে প্রায় এক হাজার পরিবার।

মূলত, বুধবার যারা ঈদ পালন করছেন তারা চট্টগ্রামের চন্দনাইশের জাহাগীরিয়া শাহসূফি মমতাজিয়া দরবার শরীফের অনুসারী। পৃথিবীর কোনো প্রান্তে চাঁদ দেখা গেলে তার সঙ্গে তাল মিলিয়ে তারা রোজা, ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহাসহ যাবতীয় ধর্মীয় আচার পালন করেন। আর যেহেতু সৌদি আরবে চাঁদ দেখা গেছে, তাই সেখানকার সঙ্গে মিল রেখে তারাও ঈদ পালন করছেন।

এদিকে, বরিশাল জেলার বাবুগঞ্জ উপজেলার খানপুরা, কেদারপুর, মাধবপাশাসহ ৫-৬টি গ্রামের এক হাজারের বেশি পরিবারে বুধবার ঈদ উদযাপন হচ্ছে। জেলার মুলাদী, হিজলা, মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলায় এবং সদর উপজেলার চন্দ্রমোহন, পতাং, লাহারহাট গ্রামের জাহাগিরি সুফী দরবারের প্রায় দুই হাজার অনুসারী রয়েছেন।

পটুয়াখালীর পাঁচ উপজেলায় ঈদ

পটুয়াখালীর পাঁচ উপজেলার মোট ২৮ গ্রামেও আজ বুধবার (১০ এপ্রিল) ঈদুল ফিতর উদযাপিত হয়েছে। ওইসব গ্রামের অন্তত ১৪ হাজার পরিবার এই উদযাপনে অংশ নেয়।

সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে পটুয়াখালী সদর উপজেলার বদরপুর ও বড় বিঘাই, গলাচিপা উপজেলার সেনের হাওলা ও পশুরিবুনিয়া, রাঙ্গাবালী উপজেলার নিজ হাওলা ও কানকুনি পাড়া, বাউফল উপজেলার মদনপুরা, শাপলাখালী, রাজনগর, বগা, ধাউরাভাঙ্গা, সুরদী, চন্দ্রপাড়া, দ্বিপাশা, কনকদিয়া, কনকদিয়া, সাবুপুরা, বামনিকাঠি, বানাজোড়া ও আমিরাবাদ এবং কলাপাড়া উপজেলার দক্ষিণ দেবপুর, পাটুয়া, মরিচবুনিয়া, নাইয়া পট্টি, নিশানবাড়িয়া, শাখাখালী, তেগাছিয়া, ছোনখোলা ও বাদুরতলী গ্রামের মানুষ ঈদ উদযাপন করছেন।

এসব গ্রামের ঈদের প্রধান জামায়াত অনুষ্ঠিত হয় জেলার সদর উপজেলার বদুরপুর এলাকায়। গ্রামের বাসিন্দারা সবাই বদরপুর দরবার শরীফ, চট্টগ্রামের সাতকানিয়া ও এলাহাবাদ পীরের অনুসারী বলে জানা গেছে।

বদরপুর দরবার শরীফের পরিচালক নাজমুস সাহাদাত জানান, বুধবার সকাল ৯টায় জেলার সদর উপজেলার বদরপুর দরবার শরীফে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। ইমামতি করেছেন বদরপুর দরবার শরীফ জামে মসজিদের খতিব মাওলানা মো. শফিকুল ইসলাম আব্দুল গনি।

এমআই

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

ফেসবুকে অর্থসংবাদ

২০১৮ সাল থেকে ২০২৩

অর্থসংবাদ আর্কাইভ

তারিখ অনুযায়ী সংবাদ

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০