Connect with us

ধর্ম ও জীবন

ইতেকাফ শুরুর আগে যেসব মাসআলা ও তথ্য জানা জরুরি

Published

on

শেয়ারবাজার

রমজানের শেষ দশকের ফজিলত ও বরকত পাওয়ার অন্যতম মাধ্যম হলো ইতিকাফ। ইতিকাফের সময় একজন মানুষ দুনিয়ার অন্যসব ব্যস্ততা ছেড়ে নিজেকে আল্লাহর জন্য সপে দেন আল্লাহর ঘর মসজিদে। এখানে পুরোটা সময় তিনি ইবাদত বন্দেগিতে কাটিয়ে দেন।

ইতিকাফ একটি আরবি শব্দ। আভিধানিক অর্থ হল অবস্থান করা, সাধনা করা আবদ্ধ করা। শরীয়তের পরিভাষায়, ইতিকাফের নিয়তে আল্লাহর নৈকট্য লাভের আশায় মসজিদে অথবা ঘরের নির্দিষ্ট স্থানে নির্দিষ্ট সময়ে অবস্থান করাকে ইতিকাফ বলে।

রমজানের শেষ দশকে ইতিকাফ করা সুন্নতে মুয়াক্কাদা আলাল কিফায়া। মহল্লার কিছু মানুষ ইতিকাফ করলে সকলেই দায়মুক্ত হয়ে যাবে আর কেউ না করলে সকলেই এর দায়ভার বহন করবে।

ইতিকাফের শর্ত

১. মুসলমান হওয়া ২. পাগল না হওয়া ৩. বুঝমান হওয়া, প্রাপ্ত বয়ষ্ক হওয়া শর্ত নয়। তাই অপ্রাপ্ত বয়স্ক বুঝমান হলেও তার ইতিকাফ সহীহ হবে।

৪. শরয়ী মসজিদ হওয়া। যে মসজিদে ইতিকাফ করবে সেখানে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ জামাতে হওয়া জরুরি, চাই তা পাঞ্জেগান মসজিদ হোক বা জুমার মসজিদ হোক।

৫.ওয়াজিব বা সুন্নত ইতিকাফের জন্য রোজা রাখা। ৬. মাসিক পিরিয়ড ও বাচ্চা প্রসব পরবর্তী পিরিয়ড থেকে মুক্ত থাকা।

উল্লেখ্য, ইতিকাফ অবস্থায় গোসল ফরজ হলে ইতিকাফ ভঙ্গ হবে না তবে খুব দ্রুত পবিত্র হওয়া আবশ্যক এবং এ অবস্থায় থাকা তার জন্য হারাম। (ফতওয়া শামী -৪৩০)।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

ধর্ম ও জীবন

জুমার দিনের শ্রেষ্ঠ তিন আমল

Published

on

শেয়ারবাজার

রসুলুল্লাহ সা. বলেন, ‘জুমার দিন দিবসসমূহের মধ্যে শ্রেষ্ঠ, তা আল্লাহর নিকট অধিক সম্মানিত।’ (ইবনে মাজাহ: হাদিস ১০৮৪) সপ্তাহের অন্যান্য দিনের তুলনায় জুমার দিনের আমল অনেক বেশি ও গুরুত্বপূর্ণ। এ দিনের বিশেষ মর্যাদার কথা জানা যায় কোরআন-হাদিসের বিভিন্ন ব্যাখ্যায়। সপ্তাহের অন্যান্য দিনের তুলনায় জুমার দিনের আমল অনেক বেশি ও গুরুত্ত্বপূর্ণ। এ দিনের বিশেষ মর্যাদার কথা জানা যায় কুরআন-হাদিসের বিভিন্ন ব্যাখ্যায়।

সপ্তাহের অন্যান্য দিনের তুলনায় জুমার দিনের আমল অনেক বেশি ও গুরুত্ত্বপূর্ণ। এ দিনের বিশেষ মর্যাদার কথা জানা যায় কুরআন-হাদিসের বিভিন্ন ব্যাখ্যায়।মুফতি আবদুল্লাহ তামিম

জুমার দিন পরিস্কার পরিচ্ছন্নতার গুরুত্ব
হযরত সালমান ফারসি থেকে বর্ণিত, রসুল সা. বলেন, যে ব্যক্তি জুমার দিন গোসল করল, সাধ্যমতো পবিত্র হলো, তেল ব্যবহার করল, ঘর থেকে সুগন্ধি ব্যবহার করল, অতঃপর মসজিদে এলো, সেখানে দুজন মুসল্লির মধ্যে ফাঁক করে সামনে এগিয়ে যায় না, নির্দিষ্ট পরিমাণ নামাজ পড়ল, অতঃপর ইমাম কথা শুরু করলে চুপ থাকল; তাহলে আল্লাহ তাআলা তাঁর দুই জুমার মধ্যবর্তী সময়ের গুনাহ মাফ করবেন। (সহিহ বুখারি ৮৮৩)

জুমার দিন গোসল করা ও আগে আগে মসজিদে যাওয়া অত্যন্ত সওয়াবের কাজ। আউস বিন আউস সাকাফি রা. থেকে বর্ণিত, রসুল সা. বলেছেন, যে ব্যক্তি জুমার দিন ভালো করে গোসল করল, দ্রুততর সময়ে মসজিদে গেল ও (ইমামের) কাছাকাছি বসে মনোযোগসহ (খুতবা) শুনল, তাঁর জন্য প্রতি কদমের বদলে এক বছরের রোজা ও নামাজের সওয়াব থাকবে। (আবু দাউদ ৩৪৫)

জুমার দিন সবার আগে মসজিদে যাওয়া
শুক্রবারের একটি গুরুত্বপূর্ণ আমল হচ্ছে আগে মসজিদে যাওয়া। আল্লাহ তাআলা বলেন, হে মুমিনগণ! জুমার দিনে যখন নামাজের আজান দেওয়া হয়, তখন তোমরা আল্লাহর স্মরণে দ্রুত ছুটে যাও এবং বেচাকেনা বন্ধ করো। এটা তোমাদের জন্য উত্তম যদি তোমরা বোঝো। (সুরা জুমা ০৯)

হাদিসে রসুল সা. আরও বলেছেন, জুমার দিন মসজিদের দরজায় ফেরেশতারা অবস্থান করেন। ক্রমানুসারে আগে আগমনকারীদের নাম লিখতে থাকেন। যে সবার আগে আসে সে ওই ব্যক্তির মতো যে একটি মোটাতাজা উট কোরবানি করে। এরপর যে আসে সে ওই ব্যক্তি যে একটি গাভী কোরবানি করে। এরপর আগমনকারী ব্যক্তি মুরগি দানকারীর ন্যায়। তারপর ইমাম যখন বের হন, তখন ফেরেশতাগণ তাদের লেখা বন্ধ করে দেন এবং মনোযোগ সহকারে খুতবা শুনতে থাকেন। (বুখারি ৯২৯)

সুরা কাহফ তেলাওয়াত ও দরুদ পড়া
মর্যাদপূর্ণ এই দিনের বিশেষ একটি আমল হচ্ছে সুরা কাহফ তিলওয়াত করা। আবু সাঈদ খুদরি রা. থেকে বর্ণিত, রসুল সা. বলেন, যে ব্যক্তি জুমার দিন সুরা কাহফ পাঠ করবে তার জন্য দুই জুমা পর্যন্ত নূর উজ্জ্বল করা হবে। (আমালুল ইয়াওমি ওয়াল লাইল ৯৫২)

রসুল সা. বলেন, দিনসমূহের মধ্যে জুমার দিনই সর্বোত্তম। এই দিনে আদম আ.-কে সৃষ্টি করা হয়েছে। এই দিনে তিনি ইন্তেকাল করেছেন। এই দিনে শিঙ্গায় ফুঁ দেওয়া হবে। এই দিনে সমস্ত সৃষ্টিকে বেহুশ করা হবে। অতএব তোমরা এই দিনে আমার ওপর অধিক পরিমাণে দরুদ পাঠ করো। কেননা তোমাদের দরুদ আমার সম্মুখে পেশ করা হয়ে থাকে। (আবু দাউদ ১০৪৭)

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

ধর্ম ও জীবন

ঈদের দিন কোলাকুলি করা কী বিদআত?

Published

on

ঈদের দিন কোলাকুলি করা কী বিদআত?

মুয়ানাকা বা কোলাকুলি ভালোবাসা প্রকাশের শ্রেষ্ঠ পন্থা ও স্নেহের নিদর্শন। আমাদের সমাজে এটি ঈদের দিনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ। তবে এটি ঈদের দিনের জন্য খাস কোনো আমল নয়। বরং দীর্ঘদিন পর একে অন্যের সঙ্গে সাক্ষাৎ হলে কোলাকুলি করা সুন্নত। তবে ঈদের দিন কোলাকুলি করাকে ধর্মীয়ভাবে আবশ্যক মনে করা বিদআত।

আনাস (রা.) বলেন, সাহাবায়ে কেরাম একে অন্যের সঙ্গে সাক্ষাৎ হলে মুসাফাহা করতেন। আর সফর থেকে প্রত্যাবর্তন করলে মুয়ানাকা করতেন। (তাবারানি কাবির: ৯৭; মুসান্নাফ ইবনে আবি শাইবা: ২৬২৩৪; মাজমাউজ জাওয়ায়েদ: ১২৭৬৫)

হজরত আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন- ‘জায়েদ বিন হারেসা (রা.) মদিনায় এলেন। তখন রাসুল (স.) আমার গৃহে ছিলেন। জায়েদ এসে রাসুল (স.)-এর দরজায় কড়া নাড়লেন। রাসুল (স.) তখন বেরিয়ে গেলেন খালি গায়েই। আল্লাহর কসম আমি এর আগে কখনো রাসুল (স.)-কে খালি গায়ে দেখিনি। তারপর তিনি তার সাথে কোলাকুলি করলেন এবং তাকে চুমু খেলেন। (তাহাবি: ৬৯০৫, সুনানে তিরমিজি: ২৭৩২, শরহুস সুন্নাহ: ৩৩২৭)

ঈদের দিন কোলাকুলির বিধান

ঈদের জামাতের পর সবার সঙ্গে কুলাকুলি শুরু করে দেওয়া একটি প্রথা মাত্র; সুন্নত বা মোস্তাহাব কিছুই নয়। তবে ঈদের দিন যদি কোনো কাছের মানুষের সঙ্গে দীর্ঘদিন পর দেখা হয়, তাহলে সালাম বিনিময়ের পর মুসাফাহা ও মুয়ানাকা করতে সমস্যা নেই। কিন্তু এটিকে ঈদের নামাজের পরের সুন্নত মনে করলে বিদআত হবে। (রদ্দুল মুহতার: ৬/৩৮১; আসসিআয়াহ: ২/২৬৪, ২৬৫)

রাসুলুল্লাহ (স.) ইরশাদ করেছেন- مَنْ أَحْدَثَ فِي أَمْرِنَا هَذَا مَا لَيْسَ مِنْهُ فَهُوَ رَدٌّ ‘যে ব্যক্তি আমাদের দ্বীনের মাঝে এমন বিষয়ের নতুন কিছু চালু করে, যা এর অন্তর্ভুক্ত ছিল না, তাহলে সে কাজটি বর্জনীয়।’ (সহিহ মুসলিম: ১৭১৮; সহিহ বুখারি: ২৬৯৭ ইবনে মাজাহ: ১৪ সহিহ ইবনে হিব্বান: ২৭)

এমআই

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

ধর্ম ও জীবন

ঈদুল ফিতরের নামাজ পড়ার নিয়ম

Published

on

শেয়ারবাজার

মুসলমানদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল ফিতর। প্রতি বছর মুসলমানরা দুটি ঈদ উদ্‌যাপন করে থাকেন। যে কারণে অনেকেই ঈদের নামাজের নিয়ত, নিয়ম এবং তাকবির ভুলে যান।

কেননা তাকবির হলো ঈদের দিনের প্রথম কাজ। মুসলিম উম্মাহর জন্য ঈদের নামাজ পড়া ওয়াজিব। ঈদের দিন যথাযথভাবে ঈদের নামাজ পড়ার জন্য নিয়ত, নিয়ম এবং তাকবির তুলে ধরা হলো-

ঈদের নামাজের নিয়ত-نَوَيْتُ أنْ أصَلِّي للهِ تَعَالىَ رَكْعَتَيْنِ صَلَاةِ الْعِيْدِ الْفِطْرِ مَعَ سِتِّ التَكْبِيْرَاتِ وَاجِبُ اللهِ تَعَالَى اِقْتَضَيْتُ بِهَذَا الْاِمَامِ مُتَوَجِّهًا اِلَى جِهَةِ الْكَعْبَةِ الشَّرِيْفَةِ اللهُ اَكْبَرْ
উচ্চারণ: ‘নাওয়াইতু আন উসাল্লিয়া লিল্লাহি তাআলা রাকাআতাইন সালাতিল ইদিল ফিতরি মাআ সিত্তাতিত তাকবিরাতি ওয়াঝিবুল্লাহি তাআলা ইকতাদাইতু বিহাজাল ইমামি মুতাওয়াঝঝিহান ইলা ঝিহাতিল কাবাতিশ শারিফাতি ‘আল্লাহু আকবার’।’

অর্থ: আমি ঈদুল ফিতরের দুই রাকাত ওয়াজিব নামাজ অতিরিক্ত ৬ তাকবিরের সঙ্গে এ ইমামের পেছনে কেবলামুখী হয়ে আল্লাহর জন্য আদায় করছি- ‘আল্লাহু আকবার’।

ঈদের নামাজ পড়ার নিয়ম

প্রথম রাকাত
১. ইমামের সঙ্গে তাকবিরে তাহরিমা ‘আল্লাহু আকবার’ বলে উভয় হাত বাঁধা।
২. তাকবিরে তাহরিমার পর ছানা পড়া-
‘সুবহানাকা আল্লাহুম্মা ওয়া বিহামদিকা ওয়া তাবারাকাসমুকা ওয়াতাআলা যাদ্দুকা ওয়া লা ইলাহা গাইরুকা।
৩. এরপর অতিরিক্ত ৩ তাকবির দেয়া।
৪. এক তাকবির থেকে আরেক তাকবিরের মধ্যে তিন তাসবিহ পরিমাণ সময় বিরত থাকা।
৫. প্রথম ও দ্বিতীয় তাকবিরে উভয় হাত উঠিয়ে তা ছেড়ে দেয়া।
৬. তৃতীয় তাকবির দিয়ে উভয় হাত তাকবিরে তাহরিমার মতো বেঁধে নিতে হয়।
৭. আউজুবিল্লাহ-বিসমিল্লাহ পড়া
৮. সুরা ফাতেহা পড়া
৯. সুরা মিলানো। এরপর নিয়মিত নামাজের মতো রুকু ও সেজদার মাধ্যমে প্রথম রাকাত শেষ করা।

দ্বিতীয় রাকাত
১. বিসমিল্লাহ পড়া
২. সুরা ফাতেহা পড়া
৩. সুরা মেলানো।
৪. সুরা মিলানোর পর অতিরিক্ত ৩ তাকবির দেয়া।
৫. প্রথম ও দ্বিতীয় তাকবিরে উভয় হাত উঠিয়ে তা ছেড়ে দেয়া।
৬. তৃতীয় তাকবির দিয়ে উভয় হাত তাকবিরে তাহরিমার মতো বেঁধে নিতে হয়।
৭. এরপর রুকুর তাকবির দিয়ে রুকুতে যাওয়া।
৮. সেজদা আদায় করে-
৯. বৈঠকে বসা; তাশাহহুদ, দরুদ, দোয়া মাসুরা পড়ে সালাম ফেরানোর মাধ্যমে নামাজ সম্পন্ন করা।
১০. নামাজের সালাম ফেরানোর পর তাকবির পড়া-
اَللهُ اَكْبَر اَللهُ اَكْبَر لَا اِلَهَ اِلَّا اللهُ وَاللهُ اَكْبَر اَللهُ اَكْبَروَلِلهِ الْحَمْد
উচ্চারণ : ‘আল্লাহু আকবর, আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবর ওয়া লিল্লাহিল হামদ।’
১১. নামাজের পর ইমাম সাহেবের দুটি খুতবা দেয়া।

ঈদের নামাজ পড়ার পর ইমাম খুতবা দেবে আর মুসল্লিরা খুতবা মনোযোগের সঙ্গে শুনবেন। অবশ্য অনেকেই খুতবা না দেয়ার ব্যাপারে শিথিলতার কথা বলেছেন। খুতবা না দিলেও ঈদের নামাজ আদায় হয়ে যাবে বলে মত দিয়েছেন।

অতিরিক্ত তাকবির

অতিরিক্ত তাকবিরের ক্ষেত্রে অন্যান্য মাজহাবসহ অনেকেই প্রথম রাকাতে তাকবিরে তাহরিমাসহ ৭ তাকবির আর দ্বিতীয় রাকাআতে ৫ তাকবির দিয়ে থাকেন। যদি কেউ অতিরিক্ত ৬ তাকবির দেয় কিংবা অতিরিক্ত এগারো তাকবির দেয় তাতে নামাজের অসুবিধা হবে না বরং নামাজ হয়ে যাবে।

ঈদের নামাজের তাকবির পড়া

ঈদের চাঁদ দেখার পর থেকে অর্থাৎ ৩০ রমজান ইফতারের পর প্রথম কাজই হচ্ছে তাকবির তথা আল্লাহর কৃতজ্ঞতাজ্ঞাপন করা। আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করে তাকবির পড়া। এটিই ঈদের প্রথম কাজ। আল্লাহ তাআলা কোরআনুল কারিমেও তাকবির পড়ার নির্দেশ দিয়েছেন এভাবে-
وَلِتُكْمِلُواْ الْعِدَّةَ وَلِتُكَبِّرُواْ اللّهَ عَلَى مَا هَدَاكُمْ وَلَعَلَّكُمْ تَشْكُرُونَ
‘আর তোমাদের আল্লাহ তাআলার মহত্ত্ব বর্ণনা কর, যাতে তোমরা কৃতজ্ঞতা স্বীকার কর।’( সুরা বাকারা : আয়াত ১৮৫)

তাকবির হলো-
اَللهُ اَكْبَر اَللهُ اَكْبَر لَا اِلَهَ اِلَّا اللهُ وَاللهُ اَكْبَر اَللهُ اَكْبَروَلِلهِ الْحَمْد
উচ্চারণ : ‘আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার ওয়া লিল্লাহিল হামদ।’

আল্লাহ তাআলা রোজাদার মুমিন মুসলমানকে ঈদের নামাজ পড়ার তাওফিক দান করুন। আমিন। তথ্য সংগৃহীত।

এমআই

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

ধর্ম ও জীবন

ঝিনাইদহে শতাধিক মুসল্লির ঈদুল ফিতর উদযাপন

Published

on

শেয়ারবাজার

সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্গে মিল রেখে ঝিনাইদহের কয়েকটি গ্রামের মানুষ আজ পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করেছেন। বুধবার (১০ এপ্রিল) সকাল ৮টায় হরিণাকুন্ডু উপজেলা মোড়ের গোলাম হযরতের মিল চত্বরসহ কয়েকটি এলাকায় ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশ নেন বিভিন্ন এলাকার প্রায় শতাধিক মুসল্লি।

ঈদ জামাতের আয়োজকরা জানান, সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে তারা কয়েক বছর ধরে ঈদ জামাতের আয়োজন করে থাকেন। ঝিনাইদহ সদর উপজেলার বংকিরা, হরিণাকুন্ডু উপজেলার কুলবাড়ীয়া, নারায়নকান্দি, বৈঠাপাড়া, বোয়ালিয়া, চটকাবাড়ীয়া, ফলসী, পায়রাডাঙ্গা, নিত্যানন্দরপুর, শৈলকুপা উপজেলার ভাটই ও চুয়াডাঙ্গা জেলার আলমডাঙ্গা উপজেলা থেকে মুসল্লিরা আসেন ঈদের নামাজ পড়তে। এ ছাড়া হরিণাকুন্ডুর ভালকী বাজার ও চরপাড়া পুড়াহাটি এলাকায় ইদের নামাজ আদায় করেছেন মুসল্লিরা।

রাজশাহীর থেকে ঈদের নামাজ পড়তে আসা ওয়াজেদ বলেন, চাঁদ উঠার ওপর নির্ভর করেই রোজা রাখা এবং ঈদ উদযাপন করা হয়। পৃথিবীর আকাশে চাঁদ দেখা গেছে, শুধু বাংলাদেশ ছাড়া সৌদি আরবসহ সকল মুসলিম দেশে আজ ঈদ উদযাপিত হচ্ছে। এ কারণে আমরা তাদের সঙ্গে মিল রেখে ঈদ উদযাপন করছি।

ঈদের জামাতের সাধারণ সম্পাদক বলেন, দীর্ঘ ২১ বছর ধরে সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে রোজা ও ঈদের নামাজ আদায় করছি। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। আমরা রাসুল (সা.) এর সুন্নাহ অনুসরণ করার জন্যই এই ঈদ জামাতের আয়োজন করেছি।

ঈদ জামাতের ইমাম রেজাউল ইসলাম বলেন, পৃথিবীর যেকোনো জায়গায় চাঁদ দেখা গেলেই আমরা রোজা ও ঈদ উদযাপন করি। যদি কোনো মুসলিম চাঁদ দেখতে পাই তাহলে রোজা রাখতে হবে এবং একই নিয়মে ঈদের নামাজ আদায় করতে হবে। যেহেতু পৃথিবীর আকাশে শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা গেছে এজন্য আজ ঈদ উদযাপন করা হয়েছে।

এমআই

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

ধর্ম ও জীবন

জাহান্নাম থেকে মুক্তির সাত আমল

Published

on

শেয়ারবাজার

বিশ্বাসী মাত্রই পরকালে অনন্ত সুখের জীবন চায়। দৈনন্দিন জীবনে এমন কিছু আমল আছে, যা জাহান্নাম থেকে মুক্তি পাওয়ার মাধ্যম হবে বলে জানিয়েছেন মহানবী (সা.)। এখানে তেমনই সাতটি আমলের কথা তুলে ধরা হলো

১. পরচর্চা না করা:
নবী (সা.) বলেন, যে ব্যক্তি তার ভাইয়ের সম্ভ্রম রক্ষা করে, কিয়ামতের দিন আল্লাহ তাআলা তাকে জাহান্নাম থেকে রক্ষা করবেন। (তিরমিজি: ১৯৩১)

২. দান-সদকা করা:
রাসুল (সা.) বলেন, তোমরা জাহান্নাম থেকে বাঁচো—যদিও একটুকরো খেজুর সদকা করে হয়। (বুখারি: ১৪১৭)

৩. সদাচার করা:
রাসুল (সা.) বলেন, আমি কি তোমাদের জানিয়ে দেব না—কোন ব্যক্তির জন্য জাহান্নাম হারাম এবং জাহান্নামের জন্য কোন ব্যক্তি হারাম? যে ব্যক্তি মানুষের প্রিয়, সহজ-সরল, নম্রভাষী ও সদাচারী। (তিরমিজি: ২৪৮৮)

৪. আল্লাহর ভয়ে কান্না করা:
রাসুল (সা.) বলেন, জাহান্নামের আগুন দুটি চোখ স্পর্শ করবে না। এক. আল্লাহ তাআলার ভয়ে যে চোখ কাঁদে এবং দুই. আল্লাহর পথে যে চোখ পাহারা দিয়ে রাত কাটায়। (তিরমিজি: ১৬৩৯)

৫. রোজা রাখা:
নবী (সা.) বলেন, রোজা (জাহান্নামের আগুন থেকে বাঁচার জন্য) ঢালস্বরূপ। (বুখারি: ১৮৯৪)

৬. জোহরের আগে-পরের সুন্নত নামাজ আদায় করা:
রাসুল (সা.) বলেন, যে ব্যক্তি জোহরের আগে চার রাকাত এবং পরে চার রাকাত নামাজ আদায় করবে, মহান আল্লাহ তার জন্য জাহান্নাম হারাম করে দেবেন। (ইবনে মাজাহ: ১১৬০)

৭. তাকবিরে উলার সঙ্গে নামাজ আদায় করা:
হাদিসে এসেছে, যে ব্যক্তি আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য একাধারে ৪০ দিন তাকবিরে উলার সঙ্গে জামাতে নামাজ আদায় করবে, আল্লাহ তাকে দুটি জিনিস থেকে মুক্তি দেবেন। এক. জাহান্নাম থেকে মুক্তি ও দুই. মুনাফিকি থেকে মুক্তি। (তিরমিজি: ২৪১)

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন
শেয়ারবাজার
জাতীয়8 mins ago

আজ থেকে আবার চলবে মেট্রোরেল

শেয়ারবাজার
জাতীয়10 hours ago

রেলে স্বস্তির ঈদযাত্রা, টিকিট কালোবাজারি হয়নি: মন্ত্রী

শেয়ারবাজার
অর্থনীতি10 hours ago

শিক্ষার্থীদের ব্যাংক হিসাবে বেড়েছে আমানত

শেয়ারবাজার
জাতীয়10 hours ago

ঈদের ছুটি শেষে মেট্রোরেল চালু আগামীকাল

শেয়ারবাজার
জাতীয়11 hours ago

ঢাকা ওয়াসার সেবা সহজীকরণের নির্দেশ

শেয়ারবাজার
আন্তর্জাতিক12 hours ago

ভূমধ্যসাগরে নৌকাডুবি, নিহত ৯

শেয়ারবাজার
আন্তর্জাতিক12 hours ago

কলম্বিয়ায় সাধারণ মানুষকে গোসল না করার আহ্বান

মূল্যস্ফীতি
জাতীয়12 hours ago

আসুন সুন্দর ভবিষ্যৎ বিনির্মাণে একযোগে কাজ করি: প্রধানমন্ত্রী

শেয়ারবাজার
রাজনীতি12 hours ago

ফেসবুকে ভালোবাসার বার্তা দিলেন ওবায়দুল কাদের

শেয়ারবাজার
অর্থনীতি13 hours ago

ক্রেডিট কার্ডে বাংলাদেশিদের বেশি খরচ ভারত ও থাইল্যান্ডে

ফেসবুকে অর্থসংবাদ

২০১৮ সাল থেকে ২০২৩

অর্থসংবাদ আর্কাইভ

তারিখ অনুযায়ী সংবাদ

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০