Connect with us

লাইফস্টাইল

ত্বকের যত্নে তরমুজের ৩ স্কিনকেয়ার প্যাক

Published

on

শেয়ারবাজার

গরমে ত্বকের বাড়তি যত্ন প্রয়োজন। তার জন্য শুধু প্রসাধনী ব্যবহার করলে চলবে না। গরমে বাজারে প্রচুর মৌসুমি ফল পাওয়া যায়। তরমুজ তার মধ্যে অন্যতম। শুধু পেটের খেয়াল রাখতে নয়, গরমে ত্বকের যত্ন নিতেও তরমুজ বেশ উপকারী। জেনে নেওয়া যাক, ত্বকের যত্নে তরমুজের ৩ স্কিনকেয়ার প্যাক।

১) গরমে শরীর ঠান্ডা রাখতে দই এবং তরমুজ খুবই উপকারী। এ দুটি জিনিস দিয়েই বানিয়ে নিতে পারেন ফেসপ্যাক। ফেটানো টক দইয়ের মধ্যে তরমুজ আর অল্প মধু মিশিয়ে একটি ঘন মিশ্রণ বানিয়ে নিন। ত্বকে লাগিয়ে ১০-১৫ মিনিট রাখলেই ত্বক হবে উজ্জ্বল।

২) ত্বকের ছিদ্র মুখ থেকে ময়লা পরিষ্কার করতে টমেটোর জুড়ি মেলা ভার। তরমুজ যদি জুটি বাঁধে টমেটোর সঙ্গে তাহলে বাড়তি সুফল পাওয়া যায়। বিশেষ করে তৈলাক্ত ত্বকের ক্ষেত্রে এই মিশ্রণ সত্যিই দারুণ কাজ করে। তরমুজের কাথের সঙ্গে টমেটোর রস মিশিয়ে প্যাক বানাতে পারে। কয়েক মুহূর্তে ত্বকে আসবে দারুণ জেল্লা।

৩) ত্বক ভালো রাখতে কলার ভূমিকা অনবদ্য। তরমুজ এবং কলা দুই-ই যদি ত্বকের যত্নে কাজে লাগান, সুফল পাবেন। এক কাপ তরমুজ এবং দুটি পাকা কলা— একসঙ্গে মেখে একটি মিশ্রণ বানিয়ে নিন। বাইরে থেকে ফিরে এই প্যাকটি ত্বকে মাখতে পারেন। ২০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। ত্বক হবে টানটান এবং মসৃণ।

এমআই

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

লাইফস্টাইল

ঈদে বদহজম থেকে বাঁচার উপায়

Published

on

শেয়ারবাজার

একমাস রোজা রাখার পর আসে খুশির ঈদ। উৎসবের এই দিনে সবার বাড়িতেই বিভিন্ন মজাদার খাবার রান্না করা হয়। আত্মীয়তা ও সম্প্রীতি রক্ষায় একে অন্যের বাড়িতে যাওয়া হয়, খাওয়া হয় নানা পদের খাবার। এক মাস রোজার পরে হঠাৎ সারাদিন মুখরোচক নানা খাবার খাওয়ার ফলে হজমপ্রক্রিয়ায় তা প্রভাব ফেলতে পারে। যে কারণে ঈদের দিন বা এর পরে অনেকেরই বদ হজমের মতো সমস্যা দেখা দেয়। তাই ঈদের পরে বদ হজম এড়াতে আপনাকে কিছু কাজ করতে হবে। চলুন জেনে নেওয়া যাক-

পরিমিত খান
ঈদের পরে নানা পদের খাবার আপনার সামনে থাকলেও খেতে হবে পরিমিত। অনেকে লোভ সামলাতে না পেরে মজাদার সব খাবার বেশি বেশি খেয়ে ফেলেন। এরপর সেসব খাবার পেটের ভেতরে গিয়ে গোলমাল বাঁধিয়ে দেয়। তাই মজার সব খাবার আপনার খেতে ইচ্ছা করলেও তা খেতে হবে পরিমিত। অল্প করে খেলে পেটে সমস্যা বাঁধার ভয় থাকবে না। এতে আপনার খাওয়ার ইচ্ছাও পূরণ হবে আবার বদ হজমও এড়ানো সম্ভব হবে। তাই এদিকে খেয়াল রাখুন।

হালকা খাবার খান
ঈদে ও ঈদের পরে যতটা সম্ভব হালকা খাবার খান। ভারী ও মুখরোচক খাবার খাওয়ার জন্য সারা বছর তো রয়েছেই। তাই পেটের স্বাস্থ্য ঠিক করার জন্য দুই-তিন দিন কিছুটা হালকা ধরনের খাবার খাওয়ার চেষ্টা করুন। যেমন একবেলা পোলাও, কোর্মা খেলে পরের দুই বেলা সবজি, ছোট মাছ ইত্যাদি ধরনের খাবার খাওয়ার চেষ্টা করুন। এতে হজম ভালো হবে আবার আপনার শরীর সব ধরনের পুষ্টিও পাবে। মূল খাবারের সঙ্গে সালাদ, লেবু ইত্যাদি রাখার চেষ্টা করুন। এতে সুস্থ থাকা সহজ হবে।

পর্যাপ্ত পানি পান
এখন গরমের সময়। সারা মাস রোজা থাকার কারণে আমাদের শরীরে কিছুটা পানির ঘাটতি তৈরি হতে পারে। তাই এখন পর্যাপ্ত পানি পান করতে হবে। তবে মূল খাবার খাওয়ার মাঝে খুব বেশি পানি পান করবেন না। পানি পান করতে হবে খাবার খাওয়ার আধা ঘণ্টা আগে বা পরে। এতে হজমে গোলমাল বাঁধার ভয় থাকবে না। কারণ খাবারের সঙ্গে প্রচুর পানি পান করলে তা শরীরকে পুষ্টি শোষণে বাধা দেয় এবং হজমপ্রক্রিয়াও ভালোভাবে কাজ করতে পারে না। পানি ছাড়াও ডাবের পানি, স্যালাইন, ফলের রস, আস্ত ফল ইত্যাদি খেতে পারেন। এতেও উপকার পাবেন।

হজমে সহায়ক খাবার খান
খাবারের সঙ্গে হজমে সহায়ক বিভিন্ন খাবার খেতে হবে। যেমন খাবার খাওয়ার পরে এক বাটি টক দই, জিরা পানি বা বোরহানি খেতে পারেন। এ ধরনের খাবার আপনার হজমে সাহায্য করবে। অনেকে হজম সহজ হবে মনে করে কোমল পানীয় পান করে থাকেন। এমনটা একেবারেই করা যাবে না। কারণ কোমল পানীয় আপনাকে সাময়িক স্বস্তি দিলেও দীর্ঘস্থায়ীভাবে শরীরের ক্ষতি করতে পারে। এতে থাকা অতিরিক্ত চিনি শরীরে মারাত্মক প্রভাব ফেলতে পারে। তাই এ ধরনের পানীয় এড়িয়ে চলুন।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

লাইফস্টাইল

ঈদে খাবারদাবারে সতর্কতা

Published

on

শেয়ারবাজার

রোজার ঈদে খুশির দিনে মজার মজার খাবারতো সবারই চাই, একদিন না হয় নিয়ম না মেনেই ভোজন চলুক, তবে কিছু বিষয় খেয়াল রেখে খেলেই শরীরের জন্য ভালো হয়। খাবার নিয়ে সমস্যা শুরু হয় মূলত ৪০ এরপর থেকেই।

অপেক্ষাকৃত তরুণদের মেনে বেছে খাওয়ার তেমন প্রয়োজন পড়ে না যদিও এখন বলা হচ্ছে তরুণদেরও খাবার নিয়ে সচেতন হতে।

সকালের খাবার
টানা এক মাস একই নিয়মে রোজা রাখার পর ঈদের সকালে প্রথম খেতে হচ্ছে, তাই হঠাৎ করে বেশি খাবার খাওয়া ঠিক নয়। এতে বদহজমসহ বিভিন্ন সমস্যা হতে পারে। তাই একটু হালকা খাবার খাওয়াই ভালো। এতে দুধ, চাল ও গুড় দিয়ে ঘরে তৈরি করে নিতে পারেন ফিরনি, যা থেকে প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট ও মিনারেল পাওয়া যায়। ফলের জুস বা ফলও থাকতে পারে সকালের খাবারে। এছাড়া পাতলা পরোটা আর সবজিও খাওয়া যেতে পারে। তবে ঈদের দিন ডিম না খাওয়াই ভালো। কেননা এই উৎসবে মাংস খাওয়া হয় বেশি। তাই ডিম না খেলে পুষ্টির একটা ভারসাম্য থাকে।

দুপুরের খাবার
দুপুরে খাবারের তালিকায় বেশি পদ না রাখাই ভালো; বরং দুই থেকে তিনটি খাবার ভালোভাবে রান্না করলে পুষ্টি, তৃপ্তি, ক্যালরি—সবই পূরণ সম্ভব। এজন্য থাকতে পারে মাছের পদ। কার্বোহাইড্রেটের চাহিদা মেটাতে দুপুরের খাদ্যতালিকায় রাখতে পারেন সাদা পোলাও বা খিচুড়ি। সবুজ সালাদ বা টক দই অবশ্যই রাখুন।

রাতের খাবার
অনেকেই সারা দিনের অনেক পদের খাবার খাওয়ার পর রাতে তেমন খেতে পারেন না। আবার যা খেতে পছন্দ করেন, তাও ঠিকমতো খেতে পারেন না। তাই রাতের খাদ্যতালিকায় খুব বেশি পদ রাখবেন না। রুটি বা সাদা ভাতের সঙ্গে মুরগি বা গরুর কাবাব, সবজি বা মাংসের অন্য কোনো পদ থাকতে পারে। আবার একটু ভিন্নধর্মী খাবারের স্বাদ নিতে চাইলে চায়নিজ ফুডও ঘরে তৈরি করে নিতে পারেন। কেননা এ জাতীয় খাবারে তেল-মসলা কম থাকে।

যা খেয়াল রাখবেন
প্রচণ্ড গরমে হজমে সমস্যা হতে পারে, তাই খাবারের পাশাপাশি পর্যাপ্ত পানি, শরবত, ফলের রস ও অন্য তরল খাবার বেশি করে খেতে হবে। এতে গুরুপাক খাবারের জন্য পেটে স্থান কমে যাবে। লেবুর রস, চিনি ও লবণ দিয়ে শরবত খাওয়ার পাশাপাশি খেতে পারেন ডাব, মাল্টা, আনারস, লাচ্ছি ইত্যাদি।

ঈদের সময় খাবারে এক-আধটু এদিক-সেদিক হতেই পারে, দুই একদিন ভারী খাবার চলতেই পারে। মূল কথা হচ্ছে খেতে হবে নিজের শরীর ও বয়সের গুরুত্ব বুঝে। সুস্থ দেহে সতেজ মনে উৎসবের আমেজে মাতুন পরিবারের সবাইকে নিয়ে।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

লাইফস্টাইল

বজ্রপাত থেকে নিজেকে রক্ষা করবেন যেভাবে

Published

on

শেয়ারবাজার

গত বেশ কয়েক বছর ধরে বজ্রপাতে অনেক প্রাণহানি ঘটেছে। ফলে দেশের কোথাও ঝড়-বৃষ্টি হলেই মানুষকে আতঙ্কে থাকতে হচ্ছে বজ্রপাতের কারণে। পরিসংখ্যান বলছে, ২০১০ থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে বজ্রপাতে মারা গেছেন অন্তত ৬৩৫ জন। আর শুধুমাত্র ২০১৬ সালেই ১৪২ জনের জীবন নিয়েছিল বজ্রপাত।

মূলত, দেশে এপ্রিল থেকে জুনে বজ্রপাত বেশি হয়। তবে এ থেকে বাঁচতে কিছু সতর্কতার কথা বলেছে সরকারের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয় বলছে, বজ্রপাত থেকে নিরাপদ থাকতে বিষয়টি নিজে জানুন, অন্যকে জানান।

বজ্রপাতের সময়সীমা সাধারণত ৩০ থেকে ৪৫ মিনিট স্থায়ী হয়। এ সময়টুকু ঘরে অবস্থান করুন। ঘন কালো মেঘ দেখা দিলে ঘরের বাইরে যাবেন না; অতি জরুরি প্রয়োজনে রাবারের জুতা পরে বাইরে বের হবেন। বজ্রপাতের সময় খোলা জায়গা, খোলা মাঠ অথবা উঁচু স্থানে থাকবেন না। ধানখেত বা খোলা মাঠে থাকলে বজ্রপাতের সময় তাড়াতাড়ি পায়ের আঙুলের ওপর ভর দিয়ে এবং কানে আঙুল দিয়ে মাথা নিচু করে বসে থাকুন।

যত দ্রুত সম্ভব দালান বা কংক্রিটের ছাউনির নিচে আশ্রয় নিন। টিনের চালা যথাসম্ভব এড়িয়ে চলুন। উঁচু গাছপালা, বৈদ্যুতিক খুঁটি ও তার বা ধাতব খুঁটি, মুঠোফোনের টাওয়ার ইত্যাদি থেকে দূরে থাকুন। কালো মেঘ দেখা দিলে নদী, পুকুর, ডোবা বা জলাশয় থেকে দূরে থাকুন। বজ্রপাতের সময় গাড়ির ভেতর অবস্থান করলে, গাড়ির ধাতব অংশের সঙ্গে শরীরের সংযোগ ঘটাবেন না। সম্ভব হলে গাড়িটি নিয়ে কোনো কংক্রিটের ছাউনির নিচে আশ্রয় নিন। বজ্রপাতের সময় বাড়িতে থাকলে জানালার কাছাকাছি ও বারান্দায় থাকবেন না। জানালা বন্ধ করে রাখুন এবং ঘরের ভেতরে বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম থেকে দূরে থাকুন।

বজ্রপাতের সময় মোবাইল, ল্যাপটপ, কম্পিউটার, ল্যান্ডফোন, টিভি, ফ্রিজসহ সকল বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন এবং এগুলো বন্ধ রাখুন। বজ্রপাতের সময় ধাতব হাতলযুক্ত ছাতা ব্যবহার করবেন না। জরুরি প্রয়োজনে প্লাস্টিক বা কাঠের হাতলযুক্ত ছাতা ব্যবহার করতে পারেন। বজ্রপাতের সময় শিশুদের খোলা মাঠে খেলাধুলা থেকে বিরত রাখুন এবং নিজেরাও বিরত থাকুন। বজ্রপাতের সময় ছাউনি বিহীন নৌকায় মাছ ধরতে যাবেন না, তবে এ সময় সমুদ্র বা নদীতে থাকলে মাছ ধরা বন্ধ রেখে নৌকার ছাউনির নিচে অবস্থান করুন।

বজ্রপাত ও ঝঢ়ের সময় বাড়ির ধাতব কল, সিঁড়ির ধাতব রেলিং, পাইপ ইত্যাদি স্পর্শ করবেন না। প্রতিটি বিল্ডিং-এ বজ্র নিরোধক দণ্ড স্থাপন নিশ্চিত করুন। খোলাস্থানে অনেকে একত্রে থাকাকালীন বজ্রপাত শুরু হলে প্রত্যেকে ৫০ থেকে ১০০ ফুট দূরে দূরে সরে যান। কোন বাড়িতে যদি পর্যাপ্ত নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা না থাকে তাহলে সবাই এক কক্ষে না থেকে আলাদা আলাদা কক্ষে যান।

বজ্রপাতে কেউ আহত হলে বৈদ্যুতিক শকে আহত ব্যক্তিদের মতো করেই চিকিৎসা করতে হবে। প্রয়োজনে দ্রুত চিকিৎসককে ডাকতে হবে বা হাসপাতালে নিতে হবে। বজ্রপাতে আহত ব্যক্তির শ্বাসপ্রশ্বাস ও হৃৎস্পন্দন ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে।

কাফি

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

লাইফস্টাইল

ঈদের কতদিন আগে চুল কাটানো উচিত?

Published

on

শেয়ারবাজার

চাঁদ দেখার উপর নির্ভর করে আগামী ১০ বা ১১ এপ্রিল ঈদুল ফিতর অনুষ্ঠিত হবে। ঈদের আগে সবাই নিজেকে পরিচ্ছন্ন করে তুলতে ভালোবাসেন। এজন্য ছেলে-মেয়ে উভয়ই নিজের চুল, দাড়ি, গোঁফ ঈদের আঘে ছাঁটাই করেন। কিন্তু ঈদের কতদিন আগে চুল কাটানো উচিত? এমন প্রশ্ন সবার মনেই থাকে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ঈদে অন্তত এক সপ্তাহ আগে হেয়ার কাটিং করা উচিত। এতে করে কাটিংটা মুখের সঙ্গে মানিয়ে যাবে। হেয়ার কাটিংয়ের পাশাপাশি হেয়ার ট্রিটমেন্টটা করে নিতে পারেন। তাহলে ঈদের দিন চুল থাকবে হেলদি ও দেখাবে উজ্জ্বল।

ছেলেদের আরামদায়ক ৪ হেয়ার কাট

আন্ডারকাট: এই স্টইলে মাথার দুই পাশের ও পেছনের চুল ক্লিপার মেশিন দিয়ে ছোট করে ফেলা হয়। এমনকি ক্ষুর দিয়ে কামিয়ে ফেলা যায়। মাথার ওপরের চুল তুলনামূলকভাবে বেশ বড় রাখা হয়। কেউ সেই চুল পেছনের দিকে আঁচড়িয়ে কম্ভ-ওভার করে। কেউ পাশে সিঁথি করে আবার কেউ মেসি স্টাইল করে রাখে।

ক্লাসিককাট: এটি একসময়ের পুরোনো একটি স্টাইল। কিন্তু মাঝেমধ্যে আমাদের চোখের সামনে আদিযুগের অনেক কিছুই আবার নতুন মাত্রা যোগ করে অত্যাধুনিক হয়ে ওঠে, যেমন ক্ল্যাসিককাট। এই স্টাইলটি মূলত ক্লিপার মেশিনের ৩-৪ নম্বর ক্লিপ দিয়ে মাথার দুপাশ ও পেছনের সাইট ছোট করে কাটা হয়। দুই পাশের জুলফি সামান্য মোটা ও মাঝারি সাইজের রাখা হয়। সামনের চুলগুলো তুলনামূলকভাবে একটু বড় রাখা হয়। যাতে করে দুই পাশে নিজের ইচ্ছেমতে সিঁথি বা ব্যাক ব্রাশ করেও স্টাইল করা যায়।

স্পাইককাট: এটিও একটি কমন হেয়ার স্টাইল। কিন্তু আপনি এর সঙ্গে আরো ভালো কিছু মাত্রা যোগ করে নতুন একটি রূপ দিতে পারেন। এই স্টইলটি করতে মূলত মাথার দুই পাশ ও পেছনের চুল তুলনামূলকভাবে ক্লিপার মেশিনের ২-৩ নম্বর ক্লিপ দিয়ে ছোট করতে হয়। সামনের চুল হালকা বড় রাখতে হয়। সে সঙ্গে কেউ চাইলে ডান বা বাম পাশের কান থেকে ঠিক একট-ওপরে ক্ষুর দিয়ে লম্বা করে ২ ইঞ্চির মতো কেটে সুন্দর সেড অ্যাড করতে পারে। এই স্টাইলটি মূলত হার্ড জেল, হেয়ার ওয়াক্স বা স্প্র্রে দিয়ে সেট করতে হয়। যাদের বয়স ১৫-৩০ তাদের মধ্যে স্টাইলটি বেশ মানানসই।

ফেডকাট: এই স্টাইলটি এবার বেশি দেখা যাচ্ছে। মাথার দুই পাশের চুল কান পর্যন্ত ক্রমাগতভাবে ক্লিপার মেশিন দিয়ে ছোট করতে হয় ও পেছনের চুল তুলনামূলকভাবে একটু বড় রাখতে হয়। এটাকে বলে ফেডকাট। কিন্তু সব ফেডকাট একই রকম নয়। চুলের দৈর্ঘ্যরে ওপর নির্ভর করে এর বৈচিত্র্য। যেমন : ফেড, হাইফেড, ভলিউম ফেড, ট্যাপার ফেড ইত্যাদি।

মেয়েদের যুগোপযোগী ৪ হেয়ার কাট

ফরোয়ার্ড গ্রাজুয়েশন লেয়ার: ঢেউ খেলানো চুল এবং স্ট্রেইট চুলের জন্য এ কাট উপযোগী। নিচ থেকে চুলের আগা পর্যন্ত সামনের দিকে লেয়ার করে কাটা হয় এ স্টাইলে। তবে যাদের গলা ছোট ও উচ্চতা কম তারা এ স্টাইলটি করবেন না। গোলমুখ এবং লম্বা চুলের জন্য এ কাটটি মানানসই।

লেয়ার শ্যাগ: লম্বাটে বা ডিম্বাকার মুখের গড়নে এবং ভালো মানায় এ হেয়ার কাট। ষাটের দশকে খুব জনপ্রিয় ছিল এ হেয়ার স্টাইলটি। শ্যাগে অনেক লেয়ার করে কাটা হচ্ছে চুল। এতে চুলের ভলিউম বেশি দেখায়। এ স্টাইলে চুল কমপক্ষে কাঁধ পর্যন্ত কিংবা এর থেকে বেশিও রাখা যায়।

ব্যাংস কাট: এ গরমে ব্যাংস কাট বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। ফ্রন্ট ব্যাং, বেবি ব্যাং, রঙিন ব্যাংগুলো এখন ফ্যাশন। মুখের আকৃতি, চুলের দৈর্ঘ্য এবং টেক্সচারের ভিত্তিতে বেছে নিতে পারেন হেয়ার ব্যাং। মনোযোগ আকর্ষণ করতে এটি হতে পারে একটি স্টাইলিশ হেয়ার কাট।

ব্লো ড্রাই: ৯০ দশকের ব্লো ড্রাই ইতোমধ্যে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। যদিও কেউ কেউ মনে করতে পারে যে, এ স্টাইল পাওয়া চ্যালেঞ্জিং। কিন্তু সহজেই হেয়ারড্রাই দিয়ে চুলে ব্লো-ড্রাই তৈরি করতে পারেন। এ হেয়ার স্টাইলে আপনার চুল উজ্জ্বলতায় পূর্ণ থাকবে।

এমআই

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

লাইফস্টাইল

সূর্যগ্রহণ সম্পর্কে যত ‘ভুল ধারণা’

Published

on

শেয়ারবাজার

সূর্য ও পৃথিবীর মধ্যকার কক্ষপথে চাঁদ এসে পড়লে পৃথিবীর একটা অংশ সম্পূর্ণ ঢেকে যায় সেই ছায়ায়। আর এ কারণেই অন্ধকারে দিন হয়ে যায় রাতের মতো। মহাজাগতিক এ ঘটনাকে বলে পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ। আজ সোমবার (৮ এপ্রিল) এমনই এক বিরল পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণের সাক্ষী হতে যাচ্ছে বিশ্ব।

সোমবারের মহাজাগতিক এই দৃশ্য সরাসরি দেখা যাবে শুধুমাত্র যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং মেক্সিকো থেকে। স্থানীয় সময় ১১টা ৭ মিনিটে মেক্সিকোর প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকূলে দেখা যাবে প্রথম সূর্যগ্রহণ। এরপর চাঁদের ছায়া আস্তে আস্তে সরে যাওয়ার কারণে যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে স্থানীয় সময় দুপুর ১টা ২৭ মিনিটে দৃশ্যমান হবে সূর্যগ্রহণ।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে আজ যেভাবে পূর্ণ সূর্যগ্রহণ দেখা যাবে ২০৪৪ সালের মধ্যে এমনটি আর দেখা যাবে না। মহাজাগতিক এ ঘটনা ঘিরে যুগ যুগ ধরে বাংলাদেশসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের মানুষের মাঝে নানারকম ‘ভুল ধারণা’ আছে। চলুন সেগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিই-

সূর্যগ্রহণ দেখা বিপজ্জনক

যতক্ষণ আপনি সঠিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা অনুসরণ করে চলবেন ততক্ষণ সূর্যগ্রহণ দেখা সম্পূর্ণ নিরাপদ। সূর্যকে পর্যবেক্ষণ করার সময় আপনার প্রতিরক্ষামূলক চশমা পরা উচিত, অর্থাৎ গ্রহণের শুরু থেকে আংশিক পর্যায় এবং সম্পূর্ণতা পর্যন্ত। এছাড়া অনেকে মাঝে চশমা খুলে পরে আবার পরে। এটি না করে চেষ্টা করুন পুরো সময় চশমা পরিধান করার।

রান্না করা

এরকম একটি কুসংস্কার প্রচলিত রয়েছে যে, সূর্যগ্রহণের সময় কোনো ধরণের খাবার বা পানীয় গ্রহণ করলে তা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। অনেক জায়গায় এরকমও ধারণা রয়েছে যে, সূর্যগ্রহণের সময় রান্না করা হলে ক্ষতিকর সূর্য রশ্মি এক ধরণের বিকিরণ তৈরি করে যা খাবারের ক্ষতি করে। তবে এ বিষয়ে বৈজ্ঞানিক ভিত্তি বিজ্ঞানীরা কখনোই পাননি।

গর্ভবতী নারীদের বাইরে বের হওয়া

গর্ভবতী নারীদের সূর্যগ্রহণ এড়ানো উচিত, কেননা এটি তার অনাগত সন্তানের জন্য ঝুঁকি তৈরি করে। অনেকেই মনে করেন, সূর্যগ্রহণের সময় গর্ভবতী নারীরা ঘরের বাইরে বের হলে গর্ভের সন্তানের শরীরে বিশেষ ধরণের জন্মদাগ থাকতে পারে। এমনকি হৃৎপিণ্ডে ছিদ্র থাকা বা বিকলঙ্গতা নিয়েও সন্তান জন্ম নিতে পারে। তাই ‘কুসংস্কার’ আছে, সূর্যগ্রহণের সময়ে গর্ভবতী নারীদের ঘরের বাইরে যাওয়া ঠিক হবে না। তবে নাসা বলছে, এই ধারণার কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই।

ভ্রমণ না করা

সূর্যগ্রহণ চলাকালীন ভ্রমণ করলে তা অমঙ্গলজনক- এমন একটি ধারণা প্রচলিত রয়েছে। আরেকটি ধারণা রয়েছে যে, সূর্যগ্রহণের সময় ভ্রমণ করলে গ্রহণের সময় সূর্য থেকে নিঃসৃত ক্ষতিকর রশ্মি গায়ে লেগে ত্বকের ক্ষতি করতে পারে।

সূর্যগ্রহণের সময় গাছ রোপণে ফুল প্রাণবন্ত হয়

কিছু ইউরোপীয় জাতির মধ্যে একটি প্রচলিত ধারণা আছে যে, সূর্যগ্রহণের সময় লাগানো ফুল অন্য সময়ে লাগানো ফুলের চেয়ে বেশি প্রাণবন্ত হয়ে ফুটে। সূর্যগ্রহণের সময় উদ্ভিদ কীভাবে প্রতিক্রিয়া জানায় সে সম্পর্কে যথেষ্ট তথ্য রয়েছে। এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞরা বলছেন যে, গাছপালা সূর্যগ্রহণের প্রতি অনেকটা সাড়া দেয়। মূলত গাছ দিনে কম পানি গ্রহণ করতে পারে এবং সালোকসংশ্লেষণ যা মূলত সূর্যালোকের উপর নির্ভর করে তা হ্রাস পেতে পারে।

গ্রহণের পর গোসল করা

সূর্যগ্রহণের ফলে তথাকথিত যেসব ক্ষতিকর রশ্মি শরীরের সংষ্পর্শে আসে, সেসব রশ্মির ক্ষতিকর প্রভাব থেকে ত্বককে রক্ষা করতে গ্রহণের শেষে গোসল করার উপদেশ দেয়া হয়ে থাকে কিছু ক্ষেত্রে। এটির কোনো ভিত্তি নেই।

বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যাহত

অনেকে বিশ্বাস করেন, সূর্যগ্রহণের সময় বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যাহত করতে পারে। আসল বিষয়টি হল- এটি বিদ্যুৎ সরবরাহকে প্রভাবিত করবে না। এমনকি সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে মিনিটের ব্যবধান বিদ্যুত গ্রিডের জন্য কোনো হুমকি সৃষ্টি করে না।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

ফেসবুকে অর্থসংবাদ

২০১৮ সাল থেকে ২০২৩

অর্থসংবাদ আর্কাইভ

তারিখ অনুযায়ী সংবাদ

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০