Connect with us

আইন-আদালত

যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান বিচারপতিকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ

Published

on

শেয়ারবাজার

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান বিচারপতি জন জি রবার্টসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান। বুধবার সকালে আমেরিকার সুপ্রিম কোর্টে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

সাক্ষাৎ শেষে বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান বিচারপতিকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। তাতে সাড়া দিয়ে সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফর করার কথা জানিয়েছেন আমেরিকার প্রধান বিচারপতি।

বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টের এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানে হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান বিচারপতির আদালতের কার্যপ্রণালি পর্যবেক্ষণ করেন। এ সময় হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ উপস্থিত ছিলেন। প্রায় ২০ মিনিটেরও বেশি সময় ধরে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান উভয় দেশের বিচারবিভাগের দ্বিপক্ষীয় ও পারস্পরিক সহযোগিতার ওপর গুরুত্বারোপ করলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান বিচারপতিও এতে সমর্থন জানান।

কাফি

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

আইন-আদালত

গরমে ড্রেসকোড পরিবর্তন চেয়ে প্রধান বিচারপতির কাছে আবেদন

Published

on

শেয়ারবাজার

বাংলাদেশের তাপমাত্রা ক্রমে বেড়ে জনজীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। এমন পরিস্থিতিতে কালো কোটের কারণে আইনজীবীদের অসহনীয় গরম সহ্য করতে হয়। তাই উচ্চ তাপমাত্রার প্রেক্ষাপটে আইনজীবী ও বিচারকদের জন্য গ্রীষ্ম ও শীতকালীন ভিন্ন ড্রেসকোড নির্ধারণের জন্য প্রধান বিচারপতি বরাবর আবেদন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৪ এপ্রিল) ই-মেইলের মাধ্যমে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার মোহাম্মদ হুমায়ন কবির পল্লব, অ্যাডভোকেট বায়েজীদ হোসাইন, অ্যাডভোকেট নাঈম সর্দার, ব্যারিস্টার সোলায়মান তুষার এবং ল অ্যান্ড লাইফ ফাউন্ডেশন ট্রাস্টের পক্ষে এ আবেদন করা হয়।

আবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশ মূলত একটি গ্রীষ্মপ্রধান দেশ। বছরের প্রায় আট মাস উচ্চ তাপমাত্রা বিরাজমান থাকে। আদালতে আইনজীবীদের পরিধানের জন্য সিভিল রুলস অ্যান্ড অর্ডারস, ক্রিমিনাল রুলস অ্যান্ড অর্ডারস, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ রুলস ১৯৭৩ এবং আপিল বিভাগের রুলস ১৯৮৮-তে শীত ও গ্রীষ্মকালে একই ধরনের পোশাক পরিধানের কথা বলা হয়েছে।

এতে বলা হয়, বর্তমানে প্রচলিত আইনজীবীদের পোশাকটি মূলত ব্রিটিশ ভাবধারা এবং আবহাওয়া বিবেচনায় নির্ধারণ করা হয়েছিল। সময়ের পরিবর্তনে এ অঞ্চলের আবহাওয়ার ব্যাপক পরিবর্তন হওয়ায় বর্তমানে বাংলাদেশ একটি গ্রীষ্মপ্রধান দেশ হিসেবে পরিগণিত। কিন্তু আইনজীবীদের কল্যাণ এবং পেশাগত দায়িত্ব পালনের সুবিবেচনায় পোশাকের কোনো পরিবর্তন করা হয়নি।

আবেদনে আরও বলা হয়, এর ফলে সারাদেশের হাজার হাজার আইনজীবী প্রতি বছর মার্চ থেকে অক্টোবর পর্যন্ত উচ্চমাত্রার গরমে অসহনীয়, অবর্ণনীয় কষ্ট সহ্য করে পেশাগত দায়িত্ব পালন করেন। একই সঙ্গে নিম্ন এবং উচ্চ আদালতের বিচারকরা একই ধরনের পোশাক পরায় অবর্ণনীয় কষ্ট সহ্য করে যাচ্ছেন।

সেখানে বলা হয়, করোনা মহামারির সময় প্রধান বিচারপতির নির্দেশনা অনুসারে ড্রেসকোড পরিবর্তন করা হয়েছিল এবং তাতে আদালতের বিচারকার্য বা আইনজীবীদের পেশাগত কোনো অসুবিধা হয়নি। বিষয়টি সুবিবেচনায় নিয়ে আইনজীবী এবং বিচারকদের জন্য গ্রীষ্ম ও শীতকালীন ভিন্ন ড্রেসকোড নির্ধারণের আবেদন জানানো হয়।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

আইন-আদালত

অনির্দিষ্টকালের জন্য আগাম জামিন দেয়া উচিত নয়: আপিল বিভাগ

Published

on

শেয়ারবাজার

তদন্তের স্বার্থে কোনো মামলার প্রতিবেদন দিতে সময় নিতে পারে তদন্তকারী সংস্থা। তাই বলে কোনো ব্যক্তি বা ব্যক্তিবিশেষকে অনির্দিষ্টকালের জন্য আগাম জামিন দেয়া উচিত নয়। গত বছরের ২৮ অক্টোবরকে কেন্দ্র করে রমনা থানার নাশকতার মামলায় বিএনপির দুই নেতার জামিন প্রশ্নে এক আদেশে এমন অভিমত দিয়েছেন আপিল বিভাগ।

গত ৬ মার্চ প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বাধীন তিন বিচারপতির আপিল বেঞ্চের ওই আদেশ শনিবার (২৩ মার্চ) সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।

আপিল বিভাগের আগের দেয়া কয়েকটি রায়ের রেফারেন্স দিয়ে আদেশে জানানো হয়, এইসব রায়ের নীতি অনুসারে ব্যক্তি/ব্যক্তিদের অনির্দিষ্টকালের জন্য আগাম জামিনে থাকতে দেয়া উচিত নয়। পুলিশ রিপোর্ট পর্যন্ত বিবাদীদের আগাম জামিন দিয়ে হাইকোর্ট বিভাগ আপিল বিভাগের রায়ের নীতি বিবেচনা করতে ব্যর্থ হয়েছে। কারণ মাঝেমধ্যে যথাযথ তদন্তের স্বার্থে কোনো মামলার প্রতিবেদন দিতে বেশি সময় নিতে পারে তদন্তকারী সংস্থা। এই পরিস্থিতিতে, অভিযুক্ত পুলিশ রিপোর্ট দাখিল না করা পর্যন্ত আগাম জামিনের সুবিধা উপভোগ করার অধিকারী নয়।

‘রাষ্ট্র বনাম মো. কবির বিশ্বাস’, ‘রাষ্ট্র বনাম অধ্যাপক ড. মোরশেদ হাসান খান এবং অন্যান্য, ‘রাষ্ট্র বনাম আবদুল ওয়াহাদ শাহ চৌধুরী’ মামলার রায় এ আদেশে উদ্বৃত করা হয়।

সরকার পতনের এক দফা দাবিতে গত বছর ২৮ অক্টোবর সমাবেশ ডাকে বিএনপি। ২০ শর্তে তাদের সমাবেশের অনুমতি দেয় ঢাকা মহানগর পুলিশ। ওই দিন আনুষ্ঠানিকভাবে সমাবেশ শুরুর আগেই পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে বিএনপির নেতাকর্মীরা। সংঘর্ষের এক পর্যায়ে প্রধান বিচারপতির বাসভবনে হামলার ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে আহত এক পুলিশ সদস্যেরও মৃত্যু হয় সেদিন। সংঘর্ষের এ ঘটনায় রমনা, পল্টনসহ রাজধানীর বিভিন্ন থানায় ৩৯টি মামলা করে পুলিশ।

এসব মামলার মধ্যে রমনা থানায় এক মামলায় গত বছর ৮ নভেম্বর হাইকোর্ট থেকে আগাম জামিন পান বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জয়নুল আবদীন ও যুগ্ম মহাসচিব এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন।

হাইকোর্ট বিভাগ তাদের পুলিশ প্রতিবেদন দাখিল পর্যন্ত জামিন দেন। হাইকোর্টের এ আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করার অনুমতি চেয়ে (লিভ টু আপিল) আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ।

আদালতে আবেদনের পক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল এম আমিন উদ্দিন। জামিন আবেদনকারীর পক্ষে ছিলেন আইনজীবী সগীর হোসেন লিয়ন।

কাফি

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

আইন-আদালত

হলমার্কের এমডি তানভীর ও তার স্ত্রীসহ ৯ জনের যাবজ্জীবন

Published

on

শেয়ারবাজার

প্রতারণা ও জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে কয়েক হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের ঘটনায় দুদকের দায়ের করা একটি মামলায় হলমার্ক গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. তানভীর মাহমুদ এবং তার স্ত্রী গ্রুপের চেয়ারম্যান জেসমিন ইসলামসহ ৯ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তাদেরকে ৫ কোটি টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৯ মার্চ) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১-এর বিচারক মো. আবুল কাশেম এ রায় দেন।

যে নয়জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে, তারা হলেন- তানভীর মাহমুদ, তানভীরের স্ত্রী জেসমিন ইসলাম, তানভীরের ভায়রা ও হলমার্ক গ্রুপের মহাব্যবস্থাপক তুষার আহমেদ, প্যারাগন গ্রুপের এমডি সাইফুল ইসলাম রাজা, ম্যাক্স স্পিনিং মিলসের মালিক মীর জাকারিয়া, টি অ্যান্ড ব্রাদার্সের পরিচালক তসলিম হাসান, নকশী নিটের এমডি মো. আবদুল মালেক, আবদুল মতিন এবং তসলিম হাসান।

এর পাশাপাশি সোনালী ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক হুমায়ুন কবিরসহ ৮ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

২০১২ সালের ৪ অক্টোবর সোনালী ব্যাংকের হোটেল শেরাটন শাখা থেকে ১৩৫,৪৪,৯,৪৮৪ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের প্রধান কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক নাজমুছ ছাদাত রমনা থানায় মামলাটি করেন।

মামলায় হলমার্ক গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তানভীর মাহমুদ ওরফে তাফসির, চেয়ারম্যান জেসমিন ইসলাম ও মহাব্যবস্থাপক তুষার আহমেদ এবং সোনালী ব্যাংকের একাধিক কর্মকর্তাসহ ১৮ জনকে আসামি করা হয়।

কাফি

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

আইন-আদালত

মেট্রোরেলে ঢিল: শনাক্ত হয়নি আসামি, চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল

Published

on

শেয়ারবাজার

মেট্রোরেলে ঢিল ছুড়ে কাচ ভাঙার ঘটনার পর পেরিয়ে গেছে প্রায় এক বছর। ওই ঘটনায় মামলা হয়েছে, ঘটনার সত্যতাও মিলেছে। তবে প্রকৃত আসামিদের শনাক্ত করা যায়নি। তাই মামলাটি নিষ্পত্তির লক্ষ্যে চূড়ান্ত তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (১৯ মার্চ) আদালতে কাফরুল থানার সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা পুলিশের উপ-পরিদর্শক রয়েল জিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, গতকাল সোমবার (১৮ মার্চ) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মঈনুল ইসলামের আদালত তদন্ত কর্মকর্তা কাফরুল থানার পরিদর্শক (অপারেশন) আব্দুল বাতেলের দেয়া চূড়ান্ত প্রতিবেদনটি গ্রহণ করেন।

চূড়ান্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মামলার অভিযোগে অজ্ঞাতনামা আসামির বিরুদ্ধে মেট্রোরেল আইন-২০১৫ এর ৩৫ ও ৪৩ ধারাসহ দণ্ডবিধি ৪২৭ ধারায় অপরাধ প্রাথমিকভাবে সত্য প্রতীয়মান হয়েছে। কিন্তু মামলা হওয়ার পর থেকে বিভিন্ন কলাকৌশলে তদন্ত অনুসন্ধান করা এবং সংঘটিত ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত রেলে স্থাপন করা সিসি ক্যামেরা পর্যবেক্ষণসহ ঘটনাস্থলের আশপাশের বিভিন্ন সিসি ক্যামেরার ভিডিও ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করে ঘটনার সঙ্গে জড়িত প্রকৃত আসামি শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। সেহেতু মামলাটি আরও তদন্ত করে ভবিষ্যতে সুফল পাওয়ার সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ। সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া গেলে মামলা পুনরুজ্জীবিত করা হবে।

উল্লেখ্য, গত বছরের ৩০ এপ্রিল বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মেট্রোরেলে ঢিল ছোড়ার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় মেট্রোরেল আইন-২০১৫ এর ৩৫ ও ৪৩ ধারাসহ দণ্ডবিধি ৪২৭ ধারায় মামলা করেন মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ। মেট্রোরেলের লাইন অপারেশন শাখার সহকারী ব্যবস্থাপক সামিউল কাদের বাদী হয়ে রাজধানীর কাফরুল থানায় মামলাটি দায়ের করেন। এতে একাধিক অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আসামি করা হয়। এ ঘটনায় মেট্রোরেলের প্রায় দশ লাখ টাকা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

কাফি

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

আইন-আদালত

রেস্তোরাঁয় অভিযানে গ্রেপ্তার শ্রমিকের তালিকা চাইলেন হাইকোর্ট

Published

on

শেয়ারবাজার

রাজধানীর বেইলি রোডে অগ্নিকাণ্ডের পরিপ্রেক্ষিতে বিভিন্ন রেস্তোরাঁয় অভিযান পরিচালনা করে যেসব শ্রমিক ও কর্মচারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে তাদের নাম ও সংখ্যা দাখিল করতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সুপ্রিম কোর্টের দুই আইনজীবীর করা এক রিটের প্রাথমিক শুনানি শেষে বুধবার (১৩ মার্চ) বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি মো. আতাবুল্লাহর হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলসহ এ আদেশ দেন।

রুলে রেস্তোরাঁর বিরুদ্ধে অভিযানের সময় ঢাকার বিভিন্ন স্থান হতে শ্রমিকদের গ্রেপ্তার কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়েছে রুলে।

স্বরাষ্ট্র সচিব, শ্রম ও কর্মসংস্থান সচিব, আইন সচিব, পুলিশের মহাপরিদর্শক ও রাজউক চেয়ারম্যানসহ বিবাদীদের রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

গত ২৯ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর বেইলি রোডের গ্রিন কোজি কটেজ নামের ভবনে আগুনে ৪৬ জন নিহত হন।

এরপর সরকারের বিভিন্ন সংস্থা রাজধানীর অননুমোদিত রেস্তোরাঁর বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করে আসছে। এ অভিযানে বিভিন্ন রেস্তোরাঁর শ্রমিক-কর্মীদের গ্রেপ্তারের বৈধতা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মাসুদ আর সোবহান ও ফাতেমা এস চৌধুরী এ রিটটি করেন।

আদালতে রিটের পক্ষে আইনজীবী মাসুদ আর সোবহান নিজেই শুনানি করেন। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল তুষার কান্তি রায় ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল সেলিম আযাদ।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

ফেসবুকে অর্থসংবাদ

২০১৮ সাল থেকে ২০২৩

অর্থসংবাদ আর্কাইভ

তারিখ অনুযায়ী সংবাদ

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০