Connect with us

লাইফস্টাইল

রোজার মাসে যেভাবে ত্বকের যত্ন করবেন

Published

on

একমি

রোজায় আমাদের খাদ্যাভ্যাসে বড় পরিবর্তন আসে। তাই এর প্রভাবও পড়ে শরীরে। যে কারণে এসময় শরীরের জন্য সর্বোচ্চ উপকারী খাবার বেছে নিতে পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। রোজায় পানি কম পান করা হলে এবং ভাজাপোড়া ও মসলাদার খাবার বেশি খাওয়া হলে তার প্রভাব পড়ে আমাদের ত্বকেও। এসময় ত্বক নির্জীব ও শুষ্ক হয়ে যেতে পারে। তাই রোজায়ও ত্বকের যত্ন নেওয়া জরুরি।

চলুন জেনে নেওয়া যাক, রোজায় ত্বক ভালো রাখতে কী করবেন-

ক্লিনজিং
আমাদের ত্বকের উপর মরা চামড়া জমে লোমকূপ বন্ধ করে দিতে পারে। তাই ত্বক সব সময় পরিষ্কার রাখতে হবে। বাইরে থেকে ফিরে ক্লিনজিং ব্যবহার করুন। ভালো মানের ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ পরিষ্কার করে নেবেন। মুখে বারবার পানির ঝাপটা দেওয়ার চেষ্টা করুন। এতে ত্বক আরাম পাবে।

বরফ ব্যবহার
সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর একটি পরিষ্কার সুতির কাপড়ে এক টুকরা বরফ নিয়ে মুখে ঘষতে পারেন। তবে বরফ কখনোই সরাসরি মুখে লাগাবেন না। এতে ত্বকের ক্ষতি হতে পারে। এভাবে বরফ ব্যবহারের ফলে মুখের ফোলাভাব অনেকটাই কমে যাবে। চোখের নিচের ফোলাভাব দূর করার জন্য ফ্রিজে একটি চা চামচ রেখে দিতে পারেন। এরপর সেই ঠান্ডা চামচ বের করে চোখের নিচে ধরে থাকলে আরাম পাবেন এবং চোখের ফোলাভাবও অনেকটাই দূর হবে।

স্ক্র্যাব করুন
সপ্তাহে দুইদিন ব্যবহার করতে পারেন স্ক্র্যাব। নিয়মিত ক্লিনজিং এর পরও অনেক সময় ত্বক ভালোভাবে পরিষ্কার হয় না। এক্ষেত্রে আপনাকে সাহায্য করতে পারে স্ক্র্যাব। বাইরে থেকে না কিনে ঘরেই তৈরি করতে পারেন স্ক্র্যাব। যেমন ধরুন কফি আর মধু দিয়েই আপনি একটি স্ক্যাব তৈরি করে নিতে পারেন। অথবা চালের গুড়া, দুধের সর আর মধু দিয়েও হতে পারে স্ক্র্যাব। তবে এটি বেছে নিতে হবে আপনার ত্বকের ধরন বুঝে।

পাকা পেঁপের প্যাক
রোজায় ইফতারের সময় অনেকেই পাকা পেঁপে খেতে পছন্দ করেন। এটি কিন্তু এসময় আপনার ত্বক ভালো রাখতেও কাজ করবে। সেজন্য আপনার প্রয়োজন হবে দুই চা চামচ পাকা পেঁপের পেস্ট এবং দুই চা চামচ মধু। এবার এই দুই উপকরণ একসঙ্গে ভালো করে মিশিয়ে নিতে হবে। মিশ্রণটি ত্বকে ব্যবহার করতে হবে মিনিট পনেরো। এরপর শুকিয়ে গেলে ধুয়ে নিতে হবে। এতে উপকার পাবেন।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

লাইফস্টাইল

গরমে মেঝেতে ঘুমানোর ৪ উপকারিতা

Published

on

একমি

তীব্র গরমে প্রাণ অতিষ্ঠ। এমন দিনে একটুর স্বস্তির জন্য আমরা কত কী করি। আরামের নরম বিছানা এই সময়ে অসহ্য মনে হয়। কারণ তীব্র তাপের কারণে বিছানায় ঘুমানো যে মুশকিল হয়ে যায়! তখন ঘুমের জন্য অনেকে বেছে নেন মেঝেকে। মেঝের উপর বালিশ দিয়ে দিব্যি ঘুমিয়ে যান। মেঝের ঠান্ডায় একটু হলেও শরীর জুড়ায়। কিন্তু এতে কি উপকার হয় নাকি ক্ষতি হয়? চলুন জেনে নেওয়া যাক মেঝেতে ঘুমালে শরীরে কী ঘটে-

পিঠে ব্যথা কমে

মেঝেতে ঘুমালে মেরুদণ্ড ভালোভাবে সোজা হয়ে থাকে। এর ফলে যাদের পিঠে ব্যথার মতো সমস্যা আছে, তাদের ক্ষেত্রে উপকার মিলতে পারে। কারণ মেরুদণ্ড সোজা হয়ে থাকলে পিঠে আরাম পাওয়া যায় আর সমস্যাও অনেকটা কমে আসে। সেইসঙ্গে এই অভ্যাসের ফলে কমতে পারে কোমরের ব্যথাও। তাই মেঝেতে ঘুমানোকে মোটেই ক্ষতিকর অভ্যাস বলা যাচ্ছে না।

ঘুমের সমস্যা দূর হয়

গরমের সময়ে অনেকেই অনিদ্রার সমস্যায় ভোগেন। গরমের ফলে বারবার ঘুম ভেঙে যেতে পারে বা ভালোভাবে ঘুম না-ও হতে পারে। এক্ষেত্রে মেঝেতে ঘুমালে আরামে ঘুমানো সম্ভব। ফলে অনিদ্রা বা ঘুম না হওয়ার সমস্যা অনেকটাই দূর হয়। তাই গরমের সময়ে আপনি মেঝেতে ঘুমাতেই পারেন।

ঘাড়ে ব্যথা কমে

ঘুমের সময় ঘাড় সোজা করে না রাখলে ঘাড় ও পিঠে ব্যথার সৃষ্টি হতে পারে। বিশেষ করে আপনি যদি আকাবাঁকা হয়ে ঘুমান তাহলে ঘাড়ে ব্যথা হতে পারে। তবে মেঝেতে ঘুমালে এ ধরনের এই সমস্যা এড়ানো যায়। কারণ এক্ষেত্রে ঘাড় সোজা রাখা সহজ হয়।

রক্ত সঞ্চালন ভালো হয়

শরীর সুস্থ রাখার জন্য রক্ত সঞ্চালন ভালো হওয়া জরুরি। আপনি যদি মেঝে বা শক্ত জায়গায় ঘুমান তাহলে রক্ত সঞ্চালন ভালো হবে। তাই মেঝেতে ঘুমালে এমন উপকার পাওয়া যাবে। তবে আপনার যদি ঠান্ডা লেগে যাওয়ার সমস্যা থাকে, তাহলে মেঝেতে না ঘুমানোই ভালো। আবার অ্যালার্জির সমস্যা থাকলে সেক্ষেত্রে মেঝে ভালোভাবে পরিষ্কার করে তারপরই ঘুমাবেন।

এমআই

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

লাইফস্টাইল

তীব্র গরমে যেভাবে ঠান্ডা থাকতে পারেন

Published

on

একমি

গ্রীষ্মকাল অনেকের কাছে পছন্দের হতে পারে, কিন্তু তাপপ্রবাহ আমাদের শরীরের জন্য অনেক সময় ক্ষতির কারণও হতে পারে। বাংলাদেশে এই মূহুর্তে চলছে গ্রীষ্মের খরতাপ, স্বাভাবিকভাবেই জনজীবনে চলছে হাসফাঁস অবস্থা। আপাতত আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাসেও নেই তীব্র গরম কমার কোন খবর। আর এই গরমে রোগ-বালাই এড়িয়ে সুস্থ থাকা বেশ কষ্টসাধ্য একটি ব্যাপার।

চিকিৎসক ও পুষ্টিবিদেরা এ সময়ে সুস্থ থাকার জন্য নানা পরামর্শ দেন। যুক্তরাজ্যের স্বাস্থ্য বিষয়ক লেখক এবং পুষ্টিবিদ কেরি টরেন্স জানিয়েছেন যে কিভাবে তাপকে পরাস্ত করে গ্রীষ্মেও ঠান্ডা থাকা যায়। আমরা অনেকেই হয়তো সূর্য্যের আলো পছন্দ করি, কিন্তু অতি উচ্চ তাপমাত্রা আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।

তাপপ্রবাহ কারো কারো জন্য একটু বেশি ক্লান্তিকর এবং হিট ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ার আশংকাও থাকে অনেকের। যাদের শারীরিক ওজন বেশি, বয়স্ক কিংবা অপ্রাপ্তবয়স্ক, নিয়মিত কোন রোগের ওষুধ সেবন করছেন কিংবা যারা কোন দীর্ঘমেয়াদি অসুখে ভুগছেন তাদের ক্ষেত্রে এ ঝুঁকি অনেকটাই বেড়ে যায়।

গরমে করনীয়

যাদের আগে থেকেই কোন স্বাস্থ্য ঝুঁকি আছে যেমন হৃদরোগ বা বক্ষব্যাধী রয়েছে, এই গরম আবহাওয়ায় তাদের শরীরে উপসর্গ আরো খারাপ হতে পারে, ফলে তাদের সচেতন থাকাটা জরুরী। কারণ গরম আবহওয়ার সাথে মানিয়ে নিতে আমাদের হৃদপিন্ড ও শ্বাসযন্ত্রের কাজ বেড়ে যায়। এই চরম আবহাওয়ায় আপনার নিজেকে এবং অন্যদের নিরাপদে রাখাটা গুরুত্বপূর্ণ।

তাই আপনি যখন বাইরে থাকেন কিংবা বাইরে বের হওয়ার চিন্তা করছেন বা জনসমাগম রয়েছে এমন কোথাও রয়েছেন তখন নিজেকে নিরাপদে রাখার চেষ্টা করুন। এটা জানা জরুরী যে সব এয়ার কন্ডিশনিং ব্যবস্থাই একটানা বিরামহীনভাবে চালানোর জন্য অনুমোদিত। কিন্তু আপনার যদি কোন ধরণের সন্দেহ থাকে তাহলে ব্যক্তিগত নিরাপত্তার স্বার্থে অবশ্যই সেটি পরীক্ষা করিয়ে নেয়া উচিত।

তীব্র গরমে ঠান্ডা থাকার ৮ উপায়

পর্যাপ্ত তরল গ্রহণ করুন

গরমের সময় আপনার দেহে তরলের চাহিদা বেড়ে যায় কারণ ঘামের জন্য আপনার দেহ থেকে যে তরল বের হয়ে যায় তার ঘাটতি পূরণের জন্য অতিরিক্ত তরল পানের দরকার হয়। যে কারোরই পানিশূন্যতা দেখা দিতে পারে তবে বয়স্ক ব্যক্তি, শিশু এবং নবজাতকরা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে থাকেন। পানিশূন্যতা দূর করার জন্য পানি পান করাটাই সবচেয়ে ভাল উপায়। এছাড়া কম চর্বিযুক্ত দুধ, চা এবং কফিও খাওয়া যেতে পারে। তবে অতিরিক্ত অ্যালকোহল গ্রহণ থেকে বিরত থাকতে হবে।

হালকা ও তাজা খাবার

হালকা এবং তাজা খাবার বেশি পরিমাণে হাওয়ার চেষ্টা করুন। দেহে পানিশূন্যতা দূর করার একটি সহজ উপায় হচ্ছে তাজা ফলমূল এবং শাকসবজি খাওয়া। যেমন স্ট্রবেরি, তরমুজ, শশা, লাউ ইত্যাদি।

যথাসময়ে আহার

ব্যস্ত জীবনে সবসময় খাওয়া আর ঘুমের সময় ঠিক রাখা অনেকের জন্য কেবল কঠিনই নয়, কারো কারো জন্য সেটি প্রায় অসম্ভব একটি ব্যাপার। কিন্তু চিকিৎসক ও পুষ্টিবিদেরা বলেন সুস্থতার জন্য সেটি জরুরী। আর অন্য যেকোন সময়ের মত গরমেও ঠিক সময়ে খাওয়া এবং ঠিক সময়ে ঘুমাতে যাওয়ার বিষয়টিকে গুরুত্ব দিন।

হালকা, ঢিলেঢালা এবং অনুজ্জ্বল কাপড়

এ সময়ে সম্ভব হলে হালকা, ঢিলেঢালা এবং উজ্জ্বল রঙের নয়- এমন কাপড় পরার চেষ্টা করুন। গরমে আরাম পেতে সুতি বা লিনেন কাপড় বেছে নিতে পারেন। এসব কাপড় ঘাম শোষণ করে এবং বায়ু চলাচলও স্বাভাবিক রাখে।

নির্দিষ্ট সময়ে ছায়ায় থাকুন

দিনের যে সময়টাতে সবচেয়ে বেশি সূর্য্যের তাপ বেশি থাকে, যেমন সকাল ১১টা থেকে বিকেল তিনটা- এ সময়টাতে সরাসরি তাপ এড়িয়ে চলুন। শারীরিক ব্যায়াম, ঘরের কোন ভারী কাজ যখন বাইরে আবহাওয়া তুলনামূলক ঠান্ডা থাকবে তখন করুন।

নিয়মিত খবর রাখুন

আবহাওয়ার খবরাখবর নিয়মিত রাখুন, এতে সরাসরি আপনার শরীরে শীতল অনুভূতি আসবে না তা সত্যি। কিন্তু মনে রাখবেন, পূর্বাভাস জানলে আগাম প্রস্তুতি নিতে পারবেন আপনি। এছাড়া গরম আবহাওয়ার কারণে বায়ু দূষণ বেড়ে যায়। তাই আপনার পরিবারে যদি কেউ শ্বাসযন্ত্রের কোন রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকে তাহলে তার বাইরে থাকার পরিমাণ কমিয়ে দিন।

ছাতা ভুলবেন না

বাড়ির বাইরে যাওয়ার দরকার হলে ছাতা ব্যবহার করুন। যেখানে সম্ভব সানগ্লাস বা হ্যাট পড়ুন। আর সানস্ক্রিন ব্যবহারের চেষ্টা করুন, এতে আপনার ত্বক সরাসরি রোদে পোড়ার হাত থেকে কিছুটা হলেও রেহাই পাবে।

শোবার ঘরটি ঠান্ডা রাখুন

আপনার শোয়ার ঘরটি ঠান্ডা রাখার চেষ্টা করুন, যাতে আপনার ঘুমে কোন ব্যাঘাত না ঘটে। তীব্র রোদের সময়টুকুতে ঘরে যাতে সরাসরি তাপ প্রবেশ না করে, খেয়াল রাখুন। দিনের নির্দিষ্ট একটি সময়ে ঘরের পর্দা টেনে রাখুন। এছাড়া ঘরের মেঝে ঠান্ডা রাখার চেষ্টা করতে পারেন।

এমআই

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

লাইফস্টাইল

যেসব খাবার ভুলেও ফ্রিজে রাখবেন না

Published

on

একমি

ফ্রিজ থাকার সুবিধার কথা কতভাবেই তো বর্ণনা করা যায়! বাড়িতে একটা ফ্রিজ থাকলে নিত্যকার অনেক ধরনের ঝামেলা থেকে রেহাই পাওয়া অনেকটাই সহজ হয়ে যায়। ফ্রিজ থাকা মানে অপচয় রোধও। অনেক খাবারই নষ্ট হওয়ার হাত থেকে বাঁচায় ফ্রিজ। বারবার বাজার করার ঝামেলা থাকে না বলে বাঁচে সময়, খরচ আর পরিশ্রমও। কিন্তু আমরা অনেক সময় না বুঝেই ফ্রিজে এমন কিছু খাবার রেখে দিই যা আসলে ফ্রিজে রাখা ক্ষতিকর। চলুন জেনে নেওয়া যাক ফ্রিজে কোন খাবারগুলো রাখা যাবে না-

আস্ত মসলা
রান্নার প্রয়োজনে আপনাকে নানা ধরনের মসলা কিনে আনতে হবে। কিন্তু সেসব মসলা দীর্ঘদিন ভালো রাখার জন্য আবার ফ্রিজে সংরক্ষণ করতে যাবেন না। কারণ ফ্রিজে আস্ত মসলা রাখা হলে তার শক্তি এবং স্বাদ কমতে থাকে। মসলা ফ্রিজের আর্দ্রতাও শোষণ করতে পারে। তাই এ জাতীয় খাবার ফ্রিজে রাখবেন না।

শুকনো ফল
শুকনো ফল এমনিতেই অনেকদিন ভালো থাকে। এটি আলাদা করে ফ্রিজে রাখার প্রয়োজন নেই। কারণ আপনি যদি শুকনো ফল ফ্রিজে রাখেন তাহলে তা আরও বেশি শক্ত হয়ে যেতে পারে। তখন এর স্বাদও পরিবর্তন হয়ে যেতে পারে। ফ্রিজের শীতল তাপমাত্রা শুকনো ফলের প্রাকৃতিক শর্করা এবং স্বাদকে প্রভাবিত করে। তাই এদিকে খেয়াল রাখুন।

জাফরান
জাফরান বেশ দামি মসলা। এর সুগন্ধ পৃথিবীবিখ্যাত। অল্প একটু জাফরান বেশ দাম দিয়ে কিনতে হয়। তাই এটি সংরক্ষণেও বেশ যত্নবান হন সবাই। কিন্তু আপনি যদি বেশিদিন ভালো রাখার আশায় ফ্রিজে জাফরান রাখেন তাহলে এর স্বাদ ও সুগন্ধ দুটোই নষ্ট হবে। ফ্রিজের তাপমাত্রা জাফরানের গুণমানও নষ্ট করে দেয়।

বাদাম এবং বীজ
ফ্রিজে বাদাম এবং বীজ জাতীয় খাবার রাখলে তা দ্রুত বাসি হয়ে যায়। সেইসঙ্গে এ ধরনের খাবারের মুচমুচে ভাবও নষ্ট হয়ে যায়। ঠান্ডা তাপমাত্রা বাদাম এবং বীজের প্রাকৃতিক তেলকে পরিবর্তন করে দেয়, যে কারণে স্বাদেও আসে পরিবর্তন। তাই এ ধরনের খাবার ফ্রিজে রাখা থেকে বিরত থাকুন।

রুটি এবং কলা
রুটি খাওয়ার পর বাকি রুটি অনেকেই ফ্রিজে রেখে দেন। কিন্তু এটি না করাই ভালো। কারণ রুটি ফ্রিজে রাখলে তা শুকিয়ে যেতে পারে এবং আরও দ্রুত বাসি হয়ে যেতে পারে। সেইসঙ্গে ফ্রিজে কলা রাখা হতেও বিরত থাকুন। কারণ কলা ফ্রিজে রাখলে তা কালচে হয়ে যায় এবং স্বাদও পরিবর্তন হয়ে যায়।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

লাইফস্টাইল

তরমুজের সঙ্গে বিচি খেয়ে ফেললে কিছু হবে?

Published

on

একমি

গরমের আদর্শ ফল তরমুজ। এ ফলে প্রায় ৯০ শতাংশ পানি রয়েছে। যার কারণে খেলে এটি সহজেই শরীরের পানিশূন্যতা দূর করে। এ ফলের বিচি খেলেও রয়েছে উপকারিতা। তরমুজের বিচি খেলে কী-কী উপকারিতা মেলে, দেখে নিন এক নজরে।

এতে প্রোটিন, ম্যাগনেশিয়াম, জিঙ্ক, আয়রন, স্বাস্থ্যকর ফ্যাট রয়েছে। এসব উপাদানগুলো দেহে পুষ্টির ঘাটতি পূরণ করার পাশাপাশি একাধিক উপকারিতা প্রদান করে। ইমিউনিটি বাড়িয়ে তোলে এবং একাধিক রোগের ঝুঁকি কমায় তরমুজের বিচি।

ভিটামিন সি, অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর তরমুজের বিচি। এটি ত্বককে পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে। পাশাপাশি অকাল বার্ধক্য প্রতিরোধে সাহায্য করে। শুষ্ক ত্বক ও চুলকানির সমস্যা থেকেও মুক্তি দেবে। তরমুজের বিচি ত্বকের ওপর ময়েশ্চারাইজার হিসেবে কাজ করে।

প্রোটিন থেকে শুরু করে আয়রন, জিঙ্ক, ম্যাগনেসিয়াম এই সব উপাদান চুলের স্বাস্থ্য উন্নত করতে সাহায্য করে। তরমুজের বিচি চুল পড়া কমায়। পাশাপাশি চুলকে ক্ষয়ের হাত থেকে রক্ষা করে।

তরমুজের বিচির মধ্যে মনোআনস্যাচুরেটেড ও পলিআনস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড রয়েছে। এই স্বাস্থ্যকর ফ্যাট খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়। এর জেরে হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকি কমে। এছাড়া তরমুজের বিচিতে থাকা ম্যাগনেসিয়াম রক্তচাপকে নিয়ন্ত্রণে রাখে। তার সঙ্গে শারীরিক প্রদাহ কমায় এটি।

রক্তে শর্করার মাত্রা ঘন ঘন ওঠা-নামা করে? অবশ্যই ডায়েটে রাখুন তরমুজের বিচিকে। ডায়াবেটিসেও খেতে পারেন এটি। তরমুজের দানায় থাকা ম্যাগনেসিয়াম কার্বোহাইড্রেটের মেটাবলিজমে সাহায্য করে, যা রক্তে শর্করার মাত্রার উপর প্রভাব ফেলে। টাইপ-২ ডায়াবেটিস প্রতিরোধে সক্ষম তরমুজের বিচি।

বিভিন্ন ধরনের খনিজ পদার্থে ভরপুর তরমুজের বিচি। এছাড়াও ভিটামিন বি কমপ্লেক্স রয়েছে এতে। এতে দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। অস্টিওপোরসিসের ঝুঁকি এড়াতে সাহায্য করে তরমুজের বিচি। এছাড়া স্নায়ুতন্ত্রের কার্যকারিতা সচল রাখে। মেটাবলিজম বাড়িয়ে তোলার পাশাপাশি কাজ করার এনার্জি বাড়ায় তরমুজের বিচি।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

লাইফস্টাইল

তীব্র গরমে আরাম দেবে যে ৫ পানীয়

Published

on

একমি

সারাদেশেই বেড়ে চলেছে তাপমাত্রা। এই তীব্র গরমে সুস্থ থাকার জন্য আপনাকে নিজের প্রতি বাড়তি যত্নশীল হতে হবে। নয়তো অল্পতেই অসুস্থ হয়ে যাওয়ার ভয় রয়েছে। এই গরমে বাইরে যাওয়া যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলতে হবে। বিশেষজ্ঞরা এসময় সবাইকে হাইড্রেটেড থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন। কারণ শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দিলে তা আরও অনেক অসুখ ডেকে আনতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গরমের সময়ে আমিষ-নিরামিষ খাবার খাওয়া সীমিত করা উচিত এবং এর পরিবর্তে ফল, শাক-সবজি এবং পানীয় বেছে নেওয়া উচিত। যা ডিহাইড্রেশন এড়াতে এবং শরীরের তাপমাত্রা কমাতে সাহায্য করে। তাই খাবার নির্বাচনের সময় এদিকে খেয়াল রাখুন।

ইলেক্ট্রোলাইট সমৃদ্ধ তরল শরীরকে হাইড্রেটেড রাখতে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি গরমের অসুস্থতা থেকে নিজেকে সুরক্ষিত রাখতে আপনার খাদ্যতালিকায় এই পাঁচটি শীতল পানীয় যোগ করুন-

লেবুর শরবত

ভিটামিন সি-এর মতো অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে পূর্ণ লেবুর শরবত তাপপ্রবাহের সময় হাইড্রেশনের একটি চমৎকার উৎস। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এসময় চা এবং কফির মতো পানীয় এড়িয়ে চলা উচিত কারণ এগুলো ডিহাইড্রেশন এবং প্রদাহ সৃষ্টি করে। লেবুর শরবত চা এবং কফির মতো গরম পানীয়ের ভালো বিকল্প হতে পারে। কারণ এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়াতে কাজ করে।

বাটারমিল্ক

বিশেষজ্ঞরা এসময় বাটার মিল্ক খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন কারণ এটি শরীরকে ভালোভাবে হাইড্রেট করে। হঠাৎ তাপপ্রবাহের সময়ে কার্বনেটেড কোমল পানীয়ের বদলে বাটারমিল্ক পান করুন। কারণ এটি শরীরে ইলেক্ট্রোলাইটের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। অপরদিকে কোমল পানীয় শরীরে ডিহাইড্রেশনের সৃষ্টি করতে পারে।

শসা এবং পুদিনার পানি

গরমের সময়ে আরেকটি সতেজ পানীয় হতে পারে শসা এবং পুদিনার পানি। এটি আপনাকে ডিহাইড্রেশনের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সাহায্য করবে। পরিষ্কার পানিতে কিছু পুদিনা পাতা ও শসার টুকরা কেটে মিশিয়ে দিন। এরপর সেই পানি অল্প অল্প করে পান করুন। এতে স্বস্তি পাবেন।

ডাবের পানি

ডাবের পানি শরীরের ইলেক্ট্রোলাইটের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। এটি গরমের সময়ে সবচেয়ে উপকারী পানীয়ের মধ্যে একটি। এটি শুধুমাত্র শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় ইলেক্ট্রোলাইট ধারণ করে না, সেইসঙ্গে আমাদের হাইড্রেটেড রাখতেও কাজ করে। বিশেষজ্ঞরা প্রতিদিন এক গ্লাস ডাবের পানি পান করার পরামর্শ দেন।

সবজির রস

শরীর সুস্থ রাখতে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে এবং রোগ থেকে নিরাপদ থাকতে আপনার খাদ্যতালিকায় সবজির রস যোগ করার পরামর্শও দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। এক্ষেত্রে গাজর, বিটরুটের মতো সবজির রস পান করতে পারেন। এতে উপকার পাবেন।

এমআই

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন
একমি
পুঁজিবাজার3 mins ago

একমি ল্যাবরেটরিজের পর্ষদ সভার তারিখ নির্ধারণ

একমি
পুঁজিবাজার13 mins ago

এপেক্স স্পিনিংয়ের পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা

অ্যাপেক্স ফুডসের লভ্যাংশ ঘোষণা
পুঁজিবাজার13 mins ago

এপেক্স ফুডসের পর্ষদ সভা ২৯ এপ্রিল

একমি
পুঁজিবাজার17 mins ago

পর্ষদ সভার তারিখ জানালো এনার্জিপ্যাক

একমি
পুঁজিবাজার20 mins ago

পর্ষদ সভা করবে গ্লোবাল হেভি কেমিক্যালস

একমি
পুঁজিবাজার23 mins ago

বেস্ট হোল্ডিংসের পর্ষদ সভা ২৯ এপ্রিল

একমি
পুঁজিবাজার27 mins ago

জেমিনি সি ফুডের পর্ষদ সভার তারিখ নির্ধারণ

একমি
পুঁজিবাজার27 mins ago

রহিম টেক্সটাইলের পর্ষদ সভা ২৯ এপ্রিল

একমি
পুঁজিবাজার32 mins ago

আইটিসির পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা

একমি
পুঁজিবাজার36 mins ago

পর্ষদ সভা করবে আরএকে সিরামিকস

একমি
পুঁজিবাজার45 mins ago

পর্ষদ সভার তারিখ জানালো সিলকো ফার্মা

একমি
পুঁজিবাজার49 mins ago

এমজেএল বিডির পর্ষদ সভার তারিখ নির্ধারণ

একমি
পুঁজিবাজার51 mins ago

নাহি অ্যালুমিনিয়ামের পর্ষদ সভা ২৯ এপ্রিল

একমি
পুঁজিবাজার1 hour ago

পর্ষদ সভার তারিখ জানালো ডাচ-বাংলা ব্যাংক

একমি
জাতীয়1 hour ago

বাংলাদেশ-কাতারের মধ্যে ১০ চুক্তি ও সমঝোতা সই

একমি
পুঁজিবাজার1 hour ago

পর্ষদ সভা করবে মোজাফফর হোসেন স্পিনিং

একমি
পুঁজিবাজার1 hour ago

মালেক স্পিনিংয়ের পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা

একমি
পুঁজিবাজার1 hour ago

পর্ষদ সভা করবে বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবল

একমি
পুঁজিবাজার1 hour ago

পর্ষদ সভার তারিখ জানালো কেডিএস এক্সেসরিজ

Delta Spinners
পুঁজিবাজার1 hour ago

ডেল্টা স্পিনার্সের পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা

একমি
পুঁজিবাজার1 hour ago

পর্ষদ সভা করবে ক্রাউন সিমেন্ট

একমি
পুঁজিবাজার2 hours ago

আড়াই ঘণ্টায় লেনদেন ৩১১ কোটি টাকা

একমি
পুঁজিবাজার2 hours ago

এডিএন টেলিকমের পর্ষদ সভার তারিখ নির্ধারণ

একমি
পুঁজিবাজার2 hours ago

বিএসআরএম লিমিটেডের পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা

একমি
পুঁজিবাজার2 hours ago

পর্ষদ সভা করবে সাভার রিফ্র্যাক্টরিজ

ফেসবুকে অর্থসংবাদ

২০১৮ সাল থেকে ২০২৩

অর্থসংবাদ আর্কাইভ

তারিখ অনুযায়ী সংবাদ

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০