Connect with us

অর্থনীতি

শুল্কমুক্ত সুবিধা অব্যাহত রাখতে আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার পরামর্শ

Published

on

অগ্নিঝুঁকি

বাংলাদেশসহ উত্তরণকারী দেশগুলো স্বল্পোন্নত দেশ বা এলডিসি থেকে বের হওয়ার পর কত বছর উন্নত এবং উন্নয়নশীল দেশে শুল্কমুক্ত বাজার সুবিধা পাবে, সে বিষয়ে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার ( ডব্লিউটিও) সম্মেলনে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে এলডিসি থেকে উত্তরণের পর কয়েক বছরের জন্য শুল্কমুক্ত সুবিধা পেতে নেগোসিয়েশন বা আলোচনা চালিয়ে চালিয়ে যেতে হবে।

রোববার ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশ (আইসিএবি) আয়োজিত ‘ডব্লিউটিও এর ১৩তম মন্ত্রী পর্যায়ের সম্মেলনের ফলাফল’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনার বক্তারা এমন পরামর্শ দেন। আলোচনায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মানীয় ফেলো অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান। আইসিএবির প্রেসিডেন্ট মুহাম্মদ ফোরকান উদ্দীন এফসিএ স্বাগত বক্তব্য রাখেন। সঞ্চালনা করেন আইসিএবির সাবেক সভাপতি হুমায়ুন কবির এফসিএ। সূচনা বক্তব্য দেন আইসিএবির সিইও শুভাশীষ বসু।

অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, সব কিছু ঠিক থাকলে ২০২৬ সালের নভেম্বরে বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশের ক্যাটাগরিতে আসবে। ফলে এলডিসি হিসেবে শুল্ক ও কোটামুক্ত সুবিধা আরও কিছুটা সময় ধরে অব্যাহত রাখার জন্য জোর আলাপ-আলোচনা চালিয়ে যেতে হবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশকে তিনটি বিষয় মাথায় রাখতে হবে। বাংলাদেশ এখন এলডিসিভুক্ত দেশ। অন্যদিকে এলডিসি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়ায় রয়েছে। শেষত, বাংলাদেশ আড়াই বছর পর উন্নয়ন দেশে উন্নীত হবে। উন্নয়নশীল দেশ হিসেবেও ডব্লিউটিওর অধীনে বাণিজ্য অগ্রাধিকারের কিছু বিষয় রয়েছে। বাংলাদেশকে সেদিকটাও মাথায় রাখতে হবে। উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হলে অনেক বাজারে হয়তো এখনকার মতো সহজ শুল্কমুক্ত সুবিধা থাকবে না। বাংলাদেশকে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার জন্য পণ্য বহুমুখীকরণ করতে হবে। রপ্তানি বাণিজ্য বহুমুখীকরণ করতে হবে। আমাদেরকে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি করতে হবে। তুলনামূলক সুবিধাকে প্রতিযোগিতামুলক সুবিধায় রূপান্তরের জন্য কাজ করতে হবে।

প্রতিযোগিতা কমিশনের সদস্য হাফিজুর রহমান বলেন, বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে জরুরি হলো- ওষুধ সম্পর্কিত মেধাস্বত্বের বিধিবিধান পরিপালনের অব্যাহতি যাতে এলডিসি থেকে উত্তরণের পরও কয়েক বছর থাকে সে বিষয়ে নেগোসিয়েশন অব্যাহত রাখা।

ট্যারিফ কমিশনের সাবেক সদস্য মোস্তফা আবিদ খান বলেন, এলডিসি থেকে উত্তরণের পর তিন বছরের বেশি শুল্কমুক্ত সুবিধা পাওয়া কঠিন হবে। তিন বছরের জন্য হলেও বাংলাদেশকে চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে।

আলোচনায় আরও বক্তব্য রাখেন এফবিসিসিআইয়ের উপদেষ্টা মঞ্জুর আহমেদ, জেনেভায় বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনের ইকনোমিক মিনিস্টার মোহাম্মদ মাশুকুর রহমান সিকদার, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সাবেক যুগ্ম সচিব নেসার আহমেদ, বিল্ডির সিইও ফেরদৌস আরা বেগম প্রমুখ।

অর্থসংবাদ/এমআই

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

অর্থনীতি

মুরগির দাম কমেনি, চড়া সবজির বাজার

Published

on

অগ্নিঝুঁকি

ঈদের আগে বেড়ে যাওয়া ব্রয়লার মুরগির দাম এখনো কমেনি। এরমধ্যে নতুন করে বাড়ছে আলু, পেঁয়াজের দাম। সঙ্গে বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম চার টাকা বাড়ানোর ঘোষণা এসেছে গতকাল বৃহস্পতিবার।

যদিও ঢাকার বাজারগুলোতে এখনো কেনাবেচা ঠিক আগের মতো জমে ওঠেনি। ঈদের ছুটি শেষ হলেও রাজধানীতে এখনো ফেরেনি অনেক মানুষ। রাজধানীর বিভিন্ন বাজার এখনো কিছুটা ফাঁকা।

খুচরা ব্যবসায়ীদের দাবি, পণ্যের সরবারহ ঠিক থাকলেও পাইকারি বাজারে দাম বাড়ার কারণে খুচরায় এর প্রভাব পড়েছে। বেচা-বিক্রি কিছুটা কম হলেও বাড়তি পণ্যের চাপ নেই।

শুক্রবার (১৯ এপ্রিল) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ঈদের আগে বেড়ে যাওয়া মুরগির দাম এখনো বেশি। প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ২৩০ থেকে ২৪০ এবং সোনালি জাতের মুরগি ৩৩০ থেকে ৩৪০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। সাধারণত অন্য সময়ে এ ব্রয়লার মুরগির দাম ২০০ টাকা ও সোনালি মুরগির দাম ৩০০ থেকে ৩২০ টাকার মধ্যে থাকে।

এদিকে, বাজারে প্রতি কেজি আলু বিক্রি হচ্ছে ৫০-৫৫ টাকা দরে। কোথাও কোথাও কেজি ৬০ টাকায়ও বিক্রি হচ্ছে। ঈদের চার-পাঁচ দিন আগে আলুর কেজি ছিল ৪৫ টাকার আশপাশে। সেই হিসেবে দুই সপ্তাহের ব্যবধানে আলুর কেজিতে বেড়েছে ১০ টাকার বেশি।

অন্যদিকে, ঈদের আগে দেশি পেঁয়াজের কেজি নেমেছিল ৫০ টাকার ঘরে। কেজি কেনা গেছে ৫০ থেকে ৫২ টাকার মধ্যে। কিন্তু ঈদের পর চড়া হতে থাকে দাম। কয়েক দফায় বেড়ে এখন কেজি প্রতি বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৬৫ টাকায়।

রামপুরা বাজারে আলু ও পেঁয়াজের দাম প্রসঙ্গে বিক্রেতা মাজেদ হোসেন বলেন, আলু পেঁয়াজ আমদানি ছাড়া কোনো উপায় নেই। এবার শুরু থেকে দাম চড়া। বাজার এই বাড়ে, এই কমে। কিন্তু নাগালের মধ্যে আসেনি।

পেঁয়াজের মতো দর বেড়েছে আদা-রসুনেরও। বাজারে এখন আমদানি করা প্রতি কেজি চায়না রসুন ২২০ থেকে ২৩০ এবং দেশি রসুন ১৫০ থেকে ১৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ঈদের আগে চায়না রসুন ১৯০ থেকে ২১০ টাকা এবং দেশি রসুন ১২০ থেকে ১৩০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। অন্যদিকে, চায়না আদার কেজিতে ২০ টাকার মতো বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ২২০ থেকে ২৩০ টাকা দরে।

এর আগে, বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু সয়াবিন তেলের নতুন দাম ঘোষণা করেন। তাতে প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম চার টাকা বাড়ানো হয়েছে। তবে খোলা সয়াবিনের লিটারে কমানো হয়েছে দুই টাকা। এছাড়া পাঁচ লিটারের বোতলে দর বেড়েছে ১৮ টাকা।

ফলে সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেলের নতুন দাম হবে ১৬৭, পাঁচ লিটারের দর হবে ৮১৮ এবং খোলা সয়াবিনের লিটার হবে ১৪৭ টাকা। অন্যদিকে, সুপার পামওয়েলের লিটার নির্ধারণ করা হয়েছে ১৩৫ টাকা। তবে সুপার পামওয়েল বাজারে এর চেয়ে বেশি অর্থাৎ লিটার বিক্রি হচ্ছে ১৪০ থেকে ১৪৫ টাকা দরে।

ঘোষণা হলেও বাজারে নতুন দামের তেল এখনো আসেনি। অর্থাৎ আগের দামে চার টাকা কমে তেল কেনা যাচ্ছে। বিক্রেতারা জানিয়েছেন, দু-একদিনের মধ্যেই নতুন দামের তেল সরবরাহ করবে কোম্পানিগুলো।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

অর্থনীতি

পোশাক আমদানিতে শুল্ক বাড়াতে চায় যুক্তরাষ্ট্র, বিপক্ষে ব্যবসায়ীরা

Published

on

অগ্নিঝুঁকি

বাংলাদেশ, ভারতসহ ৫ দেশ থেকে তৈরি পোশাক আমদানিতে শুল্ক বাড়াতে চায় যুক্তরাষ্ট্র। যদিও মার্কিন সরকারের ওই প্রস্তাবের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে দেশটির ৪ শীর্ষ বাণিজ্যিক সংগঠন।

তৈরি পোশাক আমদানিতে শুল্ক না বাড়িয়ে, বাইডেন প্রশাসনকে জনগণের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়ে ইউএস ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড কমিশনে চিঠি দিয়েছেন ব্যবসায়িক নেতারা। বাংলাদেশ, ভারতসহ ৫ দেশ থেকে তৈরি পোশাক আমদানিতে শুল্ক বাড়ানোর বিরুদ্ধে এই চিঠি দিয়েছেন দেশটির ৪ শীর্ষ বাণিজ্যিক সংগঠনের নেতারা। তাদের যুক্তি, শুল্ক বাড়লে তার মাশুল গুনতে হবে ভোক্তাদেরই।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি পোশাক রফতানিকারক দেশগুলোর তালিকায় চীন ও ভিয়েতনামের পরই অবস্থান বাংলাদেশের। আর বাংলাদেশি তৈরি পোশাক রফতানির দ্বিতীয় শীর্ষ বাজার যুক্তরাষ্ট্র। গেল অর্থবছরে মার্কিন বাজারে গেছে ৮৫১ কোটি ৬৯ লাখ ডলারের পোশাক, যা মোট রফতানির ১৮ শতাংশের বেশি।

২০১৩ সালে রানাপ্লাজা ধ্বসের পর থেকেই মার্কিন বাজারে প্রতিযোগিতা সক্ষমতা ধরে রাখতে বাংলাদেশকে মোকাবিলা করতে হচ্ছে বাড়তি চাপ। গত ১১ মার্চ ইউএস ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড কমিশনে বাংলাদেশ, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, কম্বোডিয়া ও পাকিস্তান থেকে মার্কিন বাজারে পোশাকের আকস্মিক দাম বৃদ্ধির বিষয়ে তদন্ত চলাকালে এমন সিদ্ধান্তের পথে হাঁটার কথা জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

গত ২৫ মার্চ, আমেরিকান অ্যাপারেল অ্যান্ড ফুটওয়্যার অ্যাসোসিয়েশন, ন্যাশনাল রিটেইল ফেডারেশন, রিটেইল ইন্ডাস্ট্রি লিডার্স অ্যাসোসিয়েশন ও ইউনাইটেড স্টেটস ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রি অ্যাসোসিয়েশন যৌথভাবে ইউএস ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড কমিশনে চিঠি দিয়ে তাদের অবস্থান পরিষ্কার করেছে। সংগঠনগুলোর দাবি, শুল্ক বাড়ানো হলে, দিনশেষে ওই বোঝা বহন করতে হবে ক্রেতাকেই। চড়া শুল্কে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন নিম্ন ও মধ্যম আয়ের ক্রেতারা।

ওই চিঠিতে আরও বলা হয়, জেনারেলাইজড স্কিম অব প্রিফারেন্সেস (জিএসপি) সুবিধা না পাওয়ার পরও মার্কিন বাজারে তীব্র প্রতিযোগিতামূলক দামে তৈরি পোশাক সরবরাহ করছে বাংলাদেশ, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, কম্বোডিয়া ও পাকিস্তান। যা ওই দেশের পোশাক বাজারে পণ্যের বৈচিত্র্যকরণে অনেকটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

কাফি

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

অর্থনীতি

চিনির চাহিদা ১৮ লাখ টন, উৎপাদন ৮০ হাজার টন: ধর্মমন্ত্রী

Published

on

অগ্নিঝুঁকি

ধর্মমন্ত্রী মো. ফরিদুল হক খান বলেছেন, বছরে আমাদের চিনির চাহিদা প্রায় ১৮ লাখ মেট্রিক টন। এর মধ্যে আমরা উৎপাদন করতে পারি মাত্র ৮০ হাজার মেট্রিক টন। চিনি উৎপাদনের এই চিত্রটি আমাদের জন্য নিতান্তই হতাশাব্যঞ্জক।

বৃহস্পতিবার (১৮ এপ্রিল) ঢাকায় চিনি শিল্প ভবনের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ চিনিকল আখচাষি ফেডারেশনের পক্ষ থেকে সংবর্ধনা ও আলোচনা সভায় মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, বিশ্বজুড়ে জনসংখ্যা বৃদ্ধির পাশাপাশি প্রক্রিয়াজাত খাদ্য গ্রহণের প্রবণতা বাড়ছে। চিনির ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণ এবং বাজার স্থিতিশীল রাখার জন্য চিনির উৎপাদন বৃদ্ধি এখন সময়ের দাবি।

ধর্মমন্ত্রী বলেন, সারা পৃথিবীতেই চিনির চাহিদা ক্রমশ বাড়ছে। অধিকাংশ দেশেই যতটুকু চিনি খেতে বলা হয় তার চেয়ে বেশি চিনি খাওয়া হচ্ছে। ইন্টারন্যাশনাল সুগার অর্গানাইজেশন (আইএসও) এর তথ্য মতে, ২০০১ সালে বিশ্বব্যাপী চিনি খাওয়ার পরিমাণ ছিল ১২৩ দশমিক ৪ মিলিয়ন টন, যা বৃদ্ধি পেয়ে ২০১৮ সালে দাঁড়ায় ১৭২ দশমিক ৪ মিলিয়ন টনে। গত পাঁচ দশকে প্রক্রিয়াজাত খাদ্য গ্রহণের প্রবণতা বৃদ্ধির কারণে চিনি গ্রহণের পরিমাণও বৃদ্ধি পেয়েছে।

ধর্মমন্ত্রী আরও বলেন, বছরে আমাদের চিনির চাহিদা প্রায় ১৮ লাখ মেট্রিক টন। এর মধ্যে আমরা উৎপাদন করতে পারি মাত্র ৮০ হাজার মেট্রিক টন। চিনি উৎপাদনের এই চিত্রটি আমাদের জন্য নিতান্তই হতাশাব্যঞ্জক। এদেশের চিনি শিল্প ও আখচাষিদের বাঁচাতে হলে আমাদের এখনই প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিতে হবে।

তিনি এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে আলোচনা করবেন বলে আশ্বস্ত করেন।

কাফি

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

অর্থনীতি

ফের ২০ বিলিয়নের নিচে নামল রিজার্ভ

Published

on

অগ্নিঝুঁকি

দেশে দীর্ঘদিন ধরে চলছে ডলার সংকট। সম্প্রতি সার্বিক রপ্তানি ও ঈদের আগে রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়ার কারণে রিজার্ভ কিছুটা বেড়েছিল। ঈদের ছুটির আগে শেষ কর্মদিবসে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ছিল ২০ বিলিয়ন ডলার বা ২ হাজার কোটি ডলারের উপরে। ঈদের ছুটিসহ এক সপ্তাহে বিভিন্ন প্রয়োজন মেটাতে ২১ কোটি ১১ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার খরচ করতে হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৮ এপ্রিল) এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাবায়ন পদ্ধতি অনুসারে বর্তমানে দেশে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ এক হাজার ৯৮৯ কোটি ৪৭ লাখ মার্কিন ডলার (বিপিএম-৬)। এক সপ্তাহ আগে এ রিজার্ভ ছিল দুই হাজার ১০ কোটি ৫৮ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার (বিপিএম-৬)।

বর্তমানে বৈদেশিক মুদ্রায় গঠিত বিভিন্ন তহবিলসহ গ্রস রিজার্ভের পরিমাণ দুই হাজার ৫৩০ কোটি ৩ লাখ ২০ হাজার মার্কিন ডলার। এক সপ্তাহ আগে মোট রিজার্ভের পরিমাণ ছিল দুই হাজার ৫৩৮ কোটি ৫২ লাখ মার্কিন ডলার। এক সপ্তাহে গ্রস রিজার্ভ কমল ৮ কোটি ৪৮ লাখ ৮০ হাজার ডলার।

২০২৩-২৪ অর্থবছরের শুরুতে গ্রস রিজার্ভ ছিল ২৯ দশমিক ৭৩ বিলিয়ন ডলার। আর বিপিএম-৬ অনুযায়ী তা দাঁড়ায় ২৩ দশমিক ৩৭ বিলিয়ন ডলারে।

গত ২০ মার্চ বিপিএম-৬ অনুযায়ী, রিজার্ভ ছিল ১৯.৯৮ বিলিয়ন বা ১ হাজার ৯৯৮ কোটি ডলার। গত ৬ থেকে ২০ মার্চ পর্যন্ত দুই সপ্তাহে গ্রস রিজার্ভ কমে ১.০৯ বিলিয়ন ডলার এবং বিপিএম-৬ অনুযায়ী, কমে ১.১৬ বিলিয়ন ডলার।

কাফি

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

অর্থনীতি

আবারও রেকর্ড দামে সোনা, ভরিতে বেড়েছে ২ হাজারের বেশি

Published

on

অগ্নিঝুঁকি

আবারও সোনার দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন জুয়েলারি ব্যবসায়ীদের সংগঠন বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। প্রতি ভরিতে বেড়েছে সর্বোচ্চ ২ হাজার ৬৫ টাকা। ফলে ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম দাঁড়াচ্ছে ১ লাখ ১৯ হাজার ৬৩৮ টাকা। দেশের বাজারে এটাই সোনার সর্বোচ্চ দাম। এর আগে দাম ছিল ১ লাখ ১৭ হাজার ৫৭৩ টাকা।

আজ বৃহস্পতিবার (১৮ এপ্রিল) বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বাজুস) মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান মাসুদুর রহমানের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বাজুস জানায়, স্থানীয় বাজারে তেজাবী সোনার দাম বেড়েছে। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। আজ সন্ধ্যা ৭টা থেকেই নতুন দাম কার্যকর করা হবে।

কাফি

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন
অগ্নিঝুঁকি
আন্তর্জাতিক10 hours ago

চ্যালেঞ্জের মুখে ইন্দোনেশিয়ার পাম অয়েল উৎপাদন ও রফতানি

অগ্নিঝুঁকি
খেলাধুলা10 hours ago

আর্জেন্টাইন গোলরক্ষককে ১১ ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা

অগ্নিঝুঁকি
জাতীয়10 hours ago

পালিয়ে আসা ২৮৫ জনকে ফেরত নিচ্ছে মিয়ানমার

অগ্নিঝুঁকি
আবহাওয়া10 hours ago

দেশব্যাপী তিনদিনের হিট অ্যালার্ট জারি

অগ্নিঝুঁকি
পুঁজিবাজার10 hours ago

ডিএসইর বাজার মূলধন বাড়লো সাড়ে ২১ হাজার কোটি টাকা

অগ্নিঝুঁকি
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার10 hours ago

রোজা-ঈদের ছুটি শেষে রবিবার খুলছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

অগ্নিঝুঁকি
জাতীয়11 hours ago

শিশু হাসপাতালে আগুনের ঘটনায় ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি

অগ্নিঝুঁকি
আন্তর্জাতিক11 hours ago

এশিয়ার মুদ্রা শক্তিশালী করতে সমন্বিত পদক্ষেপের ইঙ্গিত

অগ্নিঝুঁকি
আবহাওয়া12 hours ago

দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা চুয়াডাঙ্গায়, হিট এলার্ট জারি 

অগ্নিঝুঁকি
জাতীয়12 hours ago

ভাষানটেক পুনর্বাসন প্রকল্পের কাজ দ্রুত শুরুর তাগিদ

ফেসবুকে অর্থসংবাদ

২০১৮ সাল থেকে ২০২৩

অর্থসংবাদ আর্কাইভ

তারিখ অনুযায়ী সংবাদ

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০