Connect with us

অর্থনীতি

পণ্যবাহী ট্রাকে চাঁদাবাজি বন্ধের দাবি ব্যবসায়ীদের

Published

on

পর্ষদ সভা

পবিত্র রমজান মাসে মরিচ, আলু, শসা, বেগুনসহ প্রয়োজনীয় কাঁচা পণ্যের সরবরাহ ও দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে পণ্যবাহী ট্রাকে চাঁদাবাজি বন্ধের দাবি জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। তাঁরা বলেছেন, চাঁদাবাজি বন্ধ হলে পণ্যের দাম এমনিতেই নিয়ন্ত্রণে থাকবে। পাশাপাশি পণ্যের সরবরাহ ও মূল্য নিয়ন্ত্রণে পথে ঘাটে চাঁদাবাজি বন্ধের কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান তারা।

আজ রোববার ‘কাঁচামাল আড়তদার, বিপণন ও সরবরাহ’ বিষয়ক এফবিসিসিআই স্ট্যান্ডিং কমিটির সভায় অংশ নিয়ে এ খাতের ব্যবসায়ীরা এ দাবি জানান। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চ্যুয়ালি যোগ দেন এফবিসিসিআই সভাপতি মাহবুবুল আলম। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কমিটির চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ কাঁচামাল আড়ত মালিক সমিতির সভাপতি মো. এমরান মাস্টার।

উন্মুক্ত আলোচনায় অংশ নিয়ে কাঁচা পণ্যের ব্যবসায়ীরা বলেন, দেশের কোন জেলায় কী পরিমাণ ফসল ও শাকসবজি উৎপাদিত হচ্ছে, সে বিষয়ে সঠিক তথ্য ও পরিসংখ্যান থাকা জরুরি। এ জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষকে তথ্য সংগ্রহ ও তা প্রকাশের অনুরোধ জানিয়েছেন তাঁরা।

সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাহবুবুল আলম বলেন, পবিত্র রমজান মাসকে কেন্দ্র করে অতিপ্রয়োজনীয় পণ্য ও সবজি যেমন বেগুন, মরিচ, আলু, শসা ইত্যাদির সরবরাহ ও মূল্য যেন স্বাভাবিক থাকে, এ জন্য সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। সাধারণ মানুষকে বিপদে ফেলে কেউ যেন কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করতে না পারে, সে জন্য এই খাতের ব্যবসায়ীদের আরও সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে।

সবজি সংরক্ষণের প্রতি জোর দিয়ে এফবিসিসিআইয়ের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি মো. আমিন হেলালী বলেন, দেশে প্রতিবছর প্রায় ২ কোটি ২০ লাখ মেট্রিক টন সবজি উৎপাদিত হয়। যার মধ্যে প্রায় ৫০ ভাগই সঠিকভাবে সংরক্ষণের অভাবে নষ্ট হয়। এ অবস্থা পরিবর্তনে সঠিক পরিসংখ্যান ও সংরক্ষণ ব্যবস্থা জরুরি।

এ ছাড়া পণ্যের সরবরাহ ও দাম নিয়ন্ত্রণে পথেঘাটে চাঁদাবাজি বন্ধের জন্য কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান তিনি।

স্ট্যান্ডিং কমিটির পরিচালক হাজী আবুল হাসেম বলেন, রমজান মাস এলে কাঁচা পণ্যের গুরুত্ব আরও বেড়ে যায়। মানুষ যেন এই ব্যবসায়ীদের নিয়ে কটু কথা বলার সুযোগ না পায়, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।

কমিটির চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ কাঁচামাল আড়ত মালিক সমিতির সভাপতি মো. এমরান মাস্টার বলেন, বাজারে মূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখা বা সংকট এড়াতে সুষ্ঠু বিপণন ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। এ জন্য আড়তদারদের সমন্বয়ে একটি প্রতিনিধিদল গঠন ও সুষ্ঠু নীতিমালা প্রণয়ন করা প্রয়োজন।

অনুষ্ঠানে এফবিসিসিআইর পরিচালক হাফেজ হাজী হারুন অর রশীদ, সৈয়দ মোহাম্মদ বখতিয়ার, শহিদুল হক মোল্লা, আমির হোসেন নূরানী, তপন কুমার মজুমদার, এফবিসিসিআইর সাবেক পরিচালকবৃন্দ, কমিটির কো-চেয়ারম্যান ও সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

অর্থসংবাদ/এমআই

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

অর্থনীতি

কমোডিটি এক্সচেঞ্জ ও সুকুকে বিনিয়োগে আগ্রহী কাতার: সালমান এফ রহমান

Published

on

পর্ষদ সভা

বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে সম্প্রতি চালু হওয়া কমোডিটি এক্সচেঞ্জ ও শরিয়াহভিত্তিক ইসলামি বন্ড বা সুকুকে বিনিয়োগ নিয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছে কাতার প্রতিনিধি দল। বিষয়টি নিয়ে তারা পরবর্তীতে আরও বিস্তারিত জেনে এ খাতে বিনিয়োগ করবেন। বাংলাদেশ ও কাতারের ব্যবসায়ী প্রতিনিধি দলের মধ্যকার বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এমনটাই জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান।

সোমবার (২২ এপ্রিল) সন্ধ্যায় রাজধানীর একটি হোটেলে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে বাংলাদেশের ব্যবসায়ী প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন সালমান এফ রহমান। আর কাতারের ব্যবসায়ী নেতৃত্ব দেন দেশটির শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী আহমেদ বিন জসিম আল থানি।

সালমান এফ রহমান বলেন, বৈঠকে এফ‌টিএর বিষয়ে প্রস্তাব দিলে কাতারের মন্ত্রী আগ্রহ প্রকাশ করেন। এ প্রস্তাবে তারা খুবই আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। তারা বলেছেন যে, বিশ্বের অনেকগুলো দেশের সঙ্গে তাদের এফটিএ আছে, সম্প্রতি দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গেও করেছেন। পাকিস্তানের সঙ্গে এ চুক্তি করার শেষ পর্যায়ে রয়েছে। বাংলাদেশের সঙ্গেও এফটিএ করতে তারা আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।

তিনি বলেন, কমোডিটি এক্সচেঞ্জ এবং সুকুকে (শরিয়াহভিত্তিক ইসলামি বন্ড) বিনিয়োগ নিয়েও তারা আমাদের সঙ্গে কথা বলবেন বলে জানিয়েছেন। এছাড়া, দুই দেশের বেসরকারি খাত উন্নয়নে কাজ করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা বলেন, পৃথিবীর অনেক দেশ থেকে কাতার খাদ্যপণ্য আমদানি করে। বাংলাদেশ মাংসসহ বিভিন্ন খাদ্যপণ্য দেশটিতে রপ্তানি করতে চায়। তবে, কাতারের প্রতিনিধি দল বলেছে— এ আমদানি-রপ্তানি পুরোটাই হয় বেসরকারি খাতের হাত ধরে। তাই দুই দেশের সরকার এক্ষেত্রে অনুকূল পরিবেশ তৈরি করে এসব ক্ষেত্রে ব্যবসা–বাণিজ্যের উন্নয়নে কাজ করবে।

তিনি বলেন, দুই দেশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়নে এফ‌বি‌সি‌সিআই সভাপতি একটি প্রতিনিধি দল নিয়ে কাতার সফরের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। কাতার চেম্বারের প্রেসিডেন্ট এ প্রস্তাবে স্বাগত জানিয়েছেন। আমি মনে করি এ বিষয়ে পরবর্তী সময়ে ফলোআপ করলে উভয় দেশে ব্যবসা-বাণিজ্যের দিক থেকে লাভবান হবে।

বাংলাদেশের বন্দর অবকাঠামোতে বিনিয়োগ করতে কাতার আগ্রহী বলে শোনা যাচ্ছিল। এ বিষয়ে কোনো আলোচনা হয়েছে কি-না, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে সালমান এফ রহমান বলেন, কাতারে একটি বড় বন্দর রয়েছে। কিন্তু সেটি সেভাবে ব্যবহার হচ্ছে না। তাই তারা আমাদের বন্দরের বিষয়ে আরও জেনে তাদের বন্দরের সঙ্গে ট্রেডিং করিডোর তৈরির আগ্রহ প্রকাশ করেছে। এ বিষয়টি নিয়েও আগামীতে কাজ হবে।

বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষে বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী ও এফবিসিসিআই সভাপতি ছাড়াও সরকারের বেশ কয়েকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।

এমআই

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

অর্থনীতি

বাংলাদেশ থেকে জনশক্তি নিতে চায় কিরগিজস্তান

Published

on

পর্ষদ সভা

বাংলাদেশ থেকে দক্ষ জনশক্তি নিতে চায় মধ্য এশিয়ার মুসলিম অধ্যুষিত দেশ কিরগিজ রিপাবলিক। পাশাপাশি বাংলাদেশের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্কও জোরদার করতে চায় দেশটি।

সোমবার (২২ এপ্রিল) বিকেলে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ বিনিয়োগ ভবনে প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানের সঙ্গে বৈঠক শেষে এ কথা জানান ঢাকা সফররত কিরগিজ রিপাবলিকের ডেপুটি পররাষ্ট্রমন্ত্রী আভাজবেক আতাখানভ।

প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা বলেন, তৈরি পোশাক শিল্প, শিক্ষাসহ নানা খাতে দুদেশের সহযোগিতা বৃদ্ধির সুযোগ আছে। দুদেশই এসব সুযোগ কাজে লাগাতে চায়। এছাড়াও কৃষি ও প্রযুক্তি খাতেও কাজ করতে পারে দুই দেশ।

সালমান এফ রহমান বলেন, দুই দেশের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বৃদ্ধির অনেক সুযোগ রয়েছে। বাংলাদেশি প্রায় এক হাজার মেডিকেল শিক্ষার্থী দেশটিতে অধ্যয়ন করছে। বাংলাদেশ থেকে আরও বেশি সংখ্যক শিক্ষার্থী প্রত্যাশা করে দেশটি।

কোভিড সময়কালীন ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে জোড়ালোভাবে সক্ষমতা তৈরি করে কিরগিজ রিপাবলিক। তারপর থেকেই ইউরোপীয় ইউনিয়নে তৈরি পোশাক শিল্প রপ্তানি করছে দেশটি। এবার বাংলাদেশের সঙ্গে যৌথভাবে ইউরোপীয় ইউনিয়নে পোশাক রপ্তানি করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশে সফররত কিরগিজ রিপাবলিকের ডেপুটি পররাষ্ট্রমন্ত্রী আভাজবেক আতাখানভ।

ব্রিফিংয়ে বাংলাদেশের চলমান আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের ভূয়সী প্রশংসা করে কিরগিজ মন্ত্রী জানান, কিরগিজ প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ সফর করতে চান এবং উৎপাদনমুখী শিল্প কারখানায় বাংলাদেশ থেকে কর্মী নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

অর্থনীতি

বিদেশি ঋণের অর্থছাড়ে শীর্ষে এডিবি

Published

on

পর্ষদ সভা

বাংলাদেশেকে দেওয়া বিদেশি ঋণের অর্থছাড়ের তালিকার শীর্ষে রয়েছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। চলতি অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসে (জুলাই-মার্চ) ১৪০ কোটি ডলার ছাড় করেছে এশিয়া অঞ্চলের এই ঋণদাতা সংস্থাটি। গতকাল রোববার প্রকাশিত দেশের বৈদেশিক ঋণের হালনাগাদ পরিস্থিতি নিয়ে সরকারের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) তৈরি করা সর্বশেষ প্রতিবেদনে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

প্রতিবেদন অনুসারে, ঋণের অর্থছাড়ে দ্বিতীয় স্থানে আছে জাপান। বাংলাদেশের অন্যতম বড় দ্বিপক্ষীয় দাতা দেশটি দিয়েছে ১৩৫ কোটি ৮০ লাখ ডলার। তৃতীয় স্থানে থাকা বিশ্বব্যাংক ছাড় করেছে ৯৬ কোটি ৭৩ লাখ ডলার। চতুর্থ ও পঞ্চম স্থানে আছে যথাক্রমে রাশিয়া ও চীন। এই দুটি দেশ ছাড় করেছে যথাক্রমে ৮০ কোটি ৭০ লাখ ডলার ও ৩৬ কোটি ডলার।

অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসের হিসাবে সার্বিকভাবে ঋণের ছাড় আগের তুলনায় খুব একটা বাড়েনি। ইআরডি সূত্র বলছে, জুলাই-মার্চ সময়ে সব মিলিয়ে ৫৬৩ কোটি ডলার এসেছে। গত অর্থবছরের একই সময়ে এর পরিমাণ ছিল ৫৩৬ কোটি ডলার।

তবে বিদেশি ঋণ ও সহায়তার প্রতিশ্রুতি বেড়েছে দ্বিগুণেরও বেশি। গত ৯ মাসে ঋণদাতা সংস্থা ও দেশগুলো ঋণ ও অনুদান মিলিয়ে ৭২৪ কোটি ডলারের সমপরিমাণ অর্থঋণ ও অনুদান দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। আগের বছর একই সময়ে এর পরিমাণ ছিল মাত্র ৩০৭ কোটি ডলার। বেশ অনেক বছর ধরে বাংলাদেশ খুব বেশি অনুদান পায় না। তবে এ বছর হঠাৎ করে অনুদানের প্রতিশ্রুতি বেড়েছে। গত ৯ মাসে অনুদানের প্রতিশ্রুতি এসেছে ৫০ কোটি ডলার, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ।

এমআই

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

অর্থনীতি

৯ মাসে বিদেশি ঋণের সুদ পরিশোধ ১০৫ কোটি ডলার

Published

on

পর্ষদ সভা

বিদেশি ঋণ পরিশোধের চাপ আরও বেড়েছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসেই ঋণের সুদ বাবদ পরিশোধ করা হয়েছে ১০০ কোটি ডলারের বেশি। গত জুলাই-মার্চ সময়ে বিদেশি ঋণের বিপরীতে ১০৫ কোটি ডলার পরিশোধ করতে হয়েছে, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় দ্বিগুণের বেশি। একই সময়ে গত অর্থবছরে সুদ বাবদ ৪৮ কোটি ডলার পরিশোধ করেছিল বাংলাদেশ।

রবিবার (২১ এপ্রিল) দেশের বৈদেশিক ঋণের হালনাগাদ পরিস্থিতি নিয়ে প্রকাশিত সরকারের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) তৈরি করা সর্বশেষ প্রতিবেদনে এ চিত্র উঠে এসেছে।

ইআরডি সূত্রে জানা গেছে, চলতি অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসে বিদেশি ঋণের সুদাসল পরিশোধ বাবদ খরচ বেড়েছে। যা পরিমাণ আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ৮৯ কোটি ডলার। গত ৯ মাসে ২৫৭ কোটি ডলারের বেশি সুদ ও আসল পরিশোধ করা হয়েছে। গত বছর একই সময়ে এর পরিমাণ ছিল ১৭৩ কোটি ডলার।

বিদেশি ঋণ পরিশোধের চাপ এসেছে এমন সময়ে, যখন দেশে কয়েক মাস ধরে বৈদেশিক মুদ্রার সংকট চলছে। বিশ্লেষকেরা বলছেন, ডলার-সংকটের এ সময়ে বিদেশি ঋণ পরিশোধের জন্য অতিরিক্ত অর্থ ব্যয়ের কারণে রিজার্ভ ও বাজেটের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি হচ্ছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, চীন ও রাশিয়ার স্বল্প মেয়াদের ঋণের কারণে ঋণ পরিশোধের চাপ বাড়ছে। ইতিমধ্যে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পের ঋণ পরিশোধ শুরু হয়েছে। মেট্রোরেল প্রকল্পের ঋণ পরিশোধের কিস্তিও শুরু হয়েছে। এ ছাড়া কর্ণফুলী টানেল প্রকল্পের ঋণ পরিশোধও শিগগিরই শুরু হবে।

আগামী দু-তিন বছরের মধ্যে অন্য মেগা প্রকল্পের ঋণ পরিশোধ শুরু হলে চাপ আরও বাড়বে। অন্যদিকে ঋণের ছাড় আগের তুলনায় তেমন বাড়েনি।

ইআরডি সূত্র বলছে, জুলাই-মার্চ সময়ে সব মিলিয়ে এসেছে ৫৬৩ কোটি ডলার। গত অর্থবছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ৫৩৬ কোটি ডলার।

এসএম

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

অর্থনীতি

মেলায় এসএমই উদ্যোক্তাদের অংশগ্রহণ চায় এফবিসিসিআই

Published

on

পর্ষদ সভা

দেশের সম্ভাবনাময় পণ্যগুলো বিদেশে রফতানি ও রফতানিপণ্যের নিত্যনতুন বাজার সৃষ্টিতে জাতীয় পর্যায়ের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও দেশের এসএমই তথা প্রান্তিক, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের অংশগ্রহণ জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন এফবিসিসিআই’র সভাপতি মাহবুবুল আলম।

রোববার (২১ এপ্রিল) বিকালে এফবিসিসিআই’র জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা এবং বৈদেশিক প্রতিনিধি দল বিষয়ক স্ট্যান্ডিং কমিটির প্রথম সভায় এ মন্তব্য করেন মাহবুবুল আলম।

তিনি বলেন, দেশের সম্ভাবনাময় পণ্যগুলো বিশ্ববাজারে তুলে ধরতে বিদেশের বাণিজ্যমেলাগুলোয় দেশের প্রান্তিক, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের অংশগ্রহণ আরো বাড়াতে হবে। তারা যাতে পণ্য প্রদর্শনের জন্য প্রয়োজনীয় জায়গা পায় সে ব্যবস্থা করতে হবে। তবে এ ব্যাপারে এফবিসিসিআইর পক্ষ থেকে সরকারের সাথে আলাপ আলোচনা ও কাজ হচ্ছে বলে জানান এফবিসিসিআই সভাপতি।

দেশে হস্তশিল্পের বিপ্লব ফিরিয়ে আনা ও পণ্যের রফতানি বাড়াতে ইউরোপসহ পার্শ্ববর্তী দেশে রোড-শো করার পরামর্শ দেন মাহবুবুল আলম।

কমিটির ডিরেক্টর ইন-চার্জ আলী হোসেন শিশির বলেন, সারাবিশ্বে চলমান অর্থনৈতিক মন্দার মধ্যেও প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে এগিয়ে যাচ্ছে দেশ। দেশী পণ্য বহির্বিশ্বে তুলে ধরতে ও পণ্যকে বহুমুখী পণ্য হিসেবে রফতানি করতে এই কমিটি কাজ করবে বলে জানান তিনি।

সভায় সভাপতিত্ব করেন কমিটির চেয়ারম্যান নুরুজ্জামান। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ছোট দেশ হলেও এর সম্ভাবনা অনেক। দেশের ৩০ থেকে ৪০ ভাগই তরুণ। শুধু তৈরি পোশাক খাতে সীমাবদ্ধ না থেকে পণ্য বৈচিত্র্যকরণ ও নতুন বাজার সৃষ্টিতে কাজ করবো আমরা। তবে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি), পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও বিডার আরো সহযোগিতা দরকার এ ক্ষেত্রে।

সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এফবিসিসিআইর সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. আমিন হেলালী বলেন, বিদেশে মেলায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে দেশীয় পণ্য প্রদর্শন ও বিদেশে পণ্যের রফতানি বাড়াতে প্রয়োজনীয় সহায়তা করবে এফবিসিসিআই।

উন্মুক্ত আলোচনায় অংশ নিয়ে এফবিসিসিআইর অধীনে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অনুষ্ঠিত বিভিন্ন খাতভিত্তিক মেলা আয়োজন ও সেখানে অংশগ্রহণের আগ্রহের কথা জানান বক্তারা।

সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন এফবিসিসিআইর সহ-সভাপতি মোহাম্মদ আনোয়ার সাদাত সরকার, মো. মুনির হোসেন, পরিচালক হাফেজ হাজী হারুন অর রশীদ, ইসহাকুল ইসলাম সুইট, আমির হোসেন নূরানী, মহাসচিব মো. আলমগীর, কমিটির কো-চেয়ারেম্যানবৃন্দ ও সদস্যরা।

এমআই

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন
পর্ষদ সভা
পুঁজিবাজার3 mins ago

পর্ষদ সভা করবে আরএকে সিরামিকস

পর্ষদ সভা
পুঁজিবাজার12 mins ago

পর্ষদ সভার তারিখ জানালো সিলকো ফার্মা

পর্ষদ সভা
পুঁজিবাজার15 mins ago

এমজেএল বিডির পর্ষদ সভার তারিখ নির্ধারণ

পর্ষদ সভা
পুঁজিবাজার18 mins ago

নাহি অ্যালুমিনিয়ামের পর্ষদ সভা ২৯ এপ্রিল

পর্ষদ সভা
পুঁজিবাজার30 mins ago

পর্ষদ সভার তারিখ জানালো ডাচ-বাংলা ব্যাংক

পর্ষদ সভা
জাতীয়30 mins ago

বাংলাদেশ-কাতারের মধ্যে ১০ চুক্তি ও সমঝোতা সই

পর্ষদ সভা
পুঁজিবাজার35 mins ago

পর্ষদ সভা করবে মোজাফফর হোসেন স্পিনিং

পর্ষদ সভা
পুঁজিবাজার36 mins ago

মালেক স্পিনিংয়ের পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা

পর্ষদ সভা
পুঁজিবাজার39 mins ago

পর্ষদ সভা করবে বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবল

পর্ষদ সভা
পুঁজিবাজার41 mins ago

পর্ষদ সভার তারিখ জানালো কেডিএস এক্সেসরিজ

Delta Spinners
পুঁজিবাজার45 mins ago

ডেল্টা স্পিনার্সের পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা

পর্ষদ সভা
পুঁজিবাজার50 mins ago

পর্ষদ সভা করবে ক্রাউন সিমেন্ট

পর্ষদ সভা
পুঁজিবাজার1 hour ago

আড়াই ঘণ্টায় লেনদেন ৩১১ কোটি টাকা

পর্ষদ সভা
পুঁজিবাজার1 hour ago

এডিএন টেলিকমের পর্ষদ সভার তারিখ নির্ধারণ

পর্ষদ সভা
পুঁজিবাজার1 hour ago

বিএসআরএম লিমিটেডের পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা

পর্ষদ সভা
পুঁজিবাজার1 hour ago

পর্ষদ সভা করবে সাভার রিফ্র্যাক্টরিজ

পর্ষদ সভা
পুঁজিবাজার2 hours ago

পর্ষদ সভার তারিখ জানালো বিএসআরএম স্টিলস

পর্ষদ সভা
পুঁজিবাজার2 hours ago

পর্ষদ সভার তারিখ জানালো পেনিনসুলা

পর্ষদ সভা
পুঁজিবাজার2 hours ago

সিভিও পেট্রোকেমিক্যালের পর্ষদ সভা ৩০ এপ্রিল

পর্ষদ সভা
পুঁজিবাজার2 hours ago

রিপাবলিক ইন্স্যুরেন্সের পর্ষদ সভা ২৯ এপ্রিল

পর্ষদ সভা
পুঁজিবাজার2 hours ago

পর্ষদ সভার তারিখ জানালো রানার অটোমোবাইলস

পর্ষদ সভা
অর্থনীতি2 hours ago

কমোডিটি এক্সচেঞ্জ ও সুকুকে বিনিয়োগে আগ্রহী কাতার: সালমান এফ রহমান

পর্ষদ সভা
পুঁজিবাজার2 hours ago

সায়হাম টেক্সটাইলের পর্ষদ সভার তারিখ নির্ধারণ

পর্ষদ সভা
ব্যাংক2 hours ago

উপজেলা নির্বাচনে প্রার্থীদের ঋণের তথ্য জানতে চায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক

Saiham cotton
পুঁজিবাজার2 hours ago

সায়হাম কটনের পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা

ফেসবুকে অর্থসংবাদ

২০১৮ সাল থেকে ২০২৩

অর্থসংবাদ আর্কাইভ

তারিখ অনুযায়ী সংবাদ

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০