Connect with us

শিল্প-বাণিজ্য

এক মাস পর হিলি দিয়ে আলু আমদানি শুরু

Published

on

লাভেলো

ভরা মৌসুমেও ক্রমেই বাড়ছে আলুর দাম। তাই এক মাস বন্ধের পর দিনাজপুরের হিলি বন্দর দিয়ে আবারও ভারত থেকে আলু আমদানি শুরু হয়েছে।

শনিবার (৯ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ভারতীয় আলু বোঝাই ট্রাক হিলি স্থলবন্দরে প্রবেশ করে। এর আগে ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহ থেকে লোকসানের আশঙ্কায় আলু আমদানি বন্ধ রাখেন ব্যবসায়ীরা।

হিলি স্থলবন্দর দিয়ে প্রথম দিনে ভারতীয় তিনটি ট্রাকে ৬৯ টন আলু আমদানি হয়েছে বলে জানা গেছে।

হিলি স্থলবন্দরের আলু আমদানিকারক কবির হোসেন বাবু বলেন, ভারত থেকে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ৩ ফেব্রুয়ারি থেকে ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আলু আমদানি করা হয়। কিন্তু আলু আমদানিতে লোকসান দেখা দেওয়ায় এক মাস আলু আমদানি বন্ধ রাখি। বর্তমানে দেশি আলুর বাজারদর একটু বেশি হওয়ায় বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য আবারও আলু আমদানি শুরু করেছি। প্রথম দিনে আমরা ৬৯ টন আলু আমদানি করেছি।

হিলি উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের উপ-সহকারী ইউসুফ আলী বলেন, দেশে আলুর বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখতে গত মাসের ১ ফেব্রুয়ারি ভারত থেকে আলু আমদানির অনুমতি দেয় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। হিলি বন্দরের ৫২ জন আমদানিকারক ৩৫ হাজার টন আলু আমদানির অনুমতি পায়। এরপর ৩ ফেব্রুয়ারি ভারত থেকে আলু আমদানি শুরু করেন আমদানিকারকরা। মাত্র ৪ দিন (৭ ফেব্রুয়ারি) পর্যন্ত আলু আমদানি হয়। এরপর আর কোনো আলু আমদানি হয়নি এ বন্দর দিয়ে। আবার নতুন করে ৫৬ জন আমদানিকারক ১ হাজার ৩৮০ টন আলু আমদানির অনুমতি পেয়েছে।

এ ছাড়াও আমদানিকারক এবং আলু আমদানির সংখ্যা বৃদ্ধি পেতে পারে বলেও জানান তিনি।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

অর্থনীতি

নয় মাসে পান রপ্তা‌নি আয় ২০০ কো‌টি টাকা

Published

on

লাভেলো

গ্রামগঞ্জ থেকে শুরু করে শহরে পর্যন্ত রয়েছে পানের জনপ্রিয়তা। বাঙালি সংস্কৃতি আর আভিজাত্যের অন্যতম একটি অংশ পান। বিয়ে কিংবা দাওয়াত; এক খিলি পান ছাড়া যেন কোনো আচার-অনুষ্ঠান চলেই না। শিল্পির কণ্ঠে গান ‘যদি সুন্দর একটা মুখ পাইতাম মহেশখালীর পানের খিলি তারে বানাই খাওয়াইতাম’, ‘পান খাইলে সুপারি লাগে, আরো লাগে চুন, ঘষিয়া ঘষিয়া জ্বলে পীরিতের আগুন’। পান নিয়ে এমন অনেক গান, কবিতা, প্রবাদ আছে, যা আমাদের সাহিত্যকে করেছে সমৃদ্ধ। বাঙালি সাহিত্য-সংস্কৃতির সঙ্গে অর্থনীতিকেও সমৃদ্ধ করছে পান। অলি-গলির দোকান পেরিয়ে পান যাচ্ছে বিদেশে। রপ্তানিতে আয় করছে কোটি কোটি টাকার বৈদেশিক মুদ্রা।

কক্সবাজারের মহেশখালী, রাজশাহী, দিনাজপুর, রাজবাড়ী, কুষ্টিয়াসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় পান চাষ হয়। দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদা মিটিয়ে এখন বিদেশে রপ্তানি হচ্ছে অর্থকরী এ ফসল।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) সবশেষ প্রকাশিত পরিসংখ্যানের তথ্যানুযায়ী, চলতি অর্থবছরের (জুলাই-মার্চ) ৯ মাসে পান রপ্তানি করে বাংলাদেশ আয় করেছে এক কোটি ৮২ লাখ মার্কিন ডলার। যা দেশীয় মুদ্রায় ২০০ কোটি টাকার বেশি (প্র‌তি ডলার ১১০ টাকা ধরে)।

ইপিবির তথ্য বলছে, গত ২০২২-২৩ অর্থবছরে পান রপ্তানি করে বাংলাদেশ আয় করেছিল এক কোটি ২৭ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার। রপ্তানির লক্ষ্য বাড়িয়ে চলতি অর্থবছরে ঠিক করা হয় এক কোটি ৪০ লাখ ডলার। তবে গত ৯ মাসে লক্ষ্যের চেয়ে ৭৪ শতাংশ বেশি পান রপ্তানি হয়েছে। অর্থবছর শেষে পান রপ্তানির এ অংক আরো বাড়বে বলে সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা।

পান রপ্তানির বিষয় জানতে চাইলে কৃষি মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব ড. মো. মাহমুদুর রহমান বলেন, পান রপ্তানি বাড়াতে সরকার জোর দিয়েছে। রপ্তানিকারকদের নগদ সহায়তার পাশাপাশি কোল্ড স্টোরেজের সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া কৃষি মন্ত্রণালয় নিয়মিত মনিটরিং করছে। কোনো সমস্যা দেখা দিলে সঙ্গে সঙ্গে তা সমাধানের উদ্যোগ নিচ্ছে। যার ফলে এবার পান রপ্তানি লক্ষ্যের চেয়ে বেশি হয়েছে। আগামীতে রপ্তানি আরো বাড়ছে বলে প্রত্যাশা করেন এ কর্মকর্তা।

খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পান পাতা বাজারে বিক্রি হয় পণ বা বিড়া হিসেবে। প্রতি পণে ৮০টি পাতা থাকে। স্থানীয় বাজারে প্রতি পণ পানের দাম পাওয়া যায় ৪০ থেকে ১২০ টাকা। অর্থাৎ আকারভেদে প্রতিটি পাতা ৫০ পয়সা থেকে দেড় টাকায় বিক্রি হয়। দেশের বাজারে দুই ধরনের পানের (দেশি পাতা ও মিঠা পাতা) চাহিদা থাকলেও শুধু মিষ্টি পানই বিদেশে রপ্তানি হয়। রপ্তানির জন্য বাছাই করা ভালোমানের পান পাতা প্রতিটি ২ থেকে ৪ টাকা করে বা প্রতি পণ ১৬০ থেকে ৩২০ টাকা দরে বিক্রি হয়।

ইপিবির তথ্য অনুযায়ী, গত ২০২২-২৩ অর্থবছরে সার্বিক ৫ হাজার ৫৫৬ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছিল বাংলাদেশ। ওই সময় প্রবৃদ্ধি হয়েছিল ৬ দশমিক ৬৭ শতাংশ। চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরে রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৬ হাজার ২০০ কোটি ডলার। অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসে (জুলাই-মার্চ) ৪ হাজার ৩৫৫ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছে। এই আয় গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ৪ দশমিক ৩৯ শতাংশ বেশি। তবে নয় মাসে রপ্তানি আয়ে প্রবৃদ্ধি হলেও লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৫ দশমিক ৮৬ শতাংশ পিছিয়ে আছে বাংলাদেশ।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

শিল্প-বাণিজ্য

পোশাকপণ্য রফতানি লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১.৮ বিলিয়ন ডলার কম

Published

on

লাভেলো

চলতি অর্থবছরের প্রথম নয় মাসে (জুলাই-মার্চ) পোশাকপণ্য রফতানি হয়েছে লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় ১ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলার কম। বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রফতানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) পক্ষ থেকে বুধবার এ তথ্য জানানো হয়।

বিজিএমইএ জানায়, চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরের জুলাই-মার্চ সময়সীমায় বাংলাদেশ থেকে পোশাক রফতানি হয়েছে ৩৭ দশমিক ২০ বিলিয়ন ডলারের। যদিও এ সময়ের মধ্যে রফতানির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ৩৯ বিলিয়ন ডলার। সে অনুযায়ী, অর্থবছরের প্রথম নয় মাসে পোশাকপণ্য রফতানি হয়েছে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলার কম।

এর আগে গত অর্থবছরের একই সময়সীমায় বাংলাদেশ থেকে পোশাক রফতানি হয়েছিল ৩৫ দশমিক ২৫ বিলিয়ন ডলারের। সে অনুযায়ী অর্থবছরের প্রথম নয় মাসে পোশাক রফতানিতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৫ দশমিক ৫৩ শতাংশ।

বিশেষ করে জানুয়ারি-মার্চ প্রান্তিকের বিক্রি এ প্রবৃদ্ধিতে বড় ভূমিকা রেখেছে বলে বিজিএমইএর দেয়া পরিসংখ্যানে উঠে এসেছে। এতে দেখা যায়, জানুয়ারি-মার্চ প্রান্তিকে পোশাক পণ্য রফতানিতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১২ দশমিক ৬৯ শতাংশ। বিশ্বব্যাপী মূল্যস্ফীতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসার পাশাপাশি খুচরা বিক্রি বাড়ায় এ পোশাকপণ্য রফতানিতে এ প্রবৃদ্ধি অর্জন হয়েছে বলে জানিয়েছে বিজিএমইএ।

তবে পোশাক শিল্প মালিকরা মনে করছেন, রফতানিতে প্রবৃদ্ধি অর্জন হলেও এতে আত্মতুষ্টির সুযোগ নেই। গত সাত মাসে বাংলাদেশের প্রধান তিনটি রফতানি পণ্যের দাম কমেছে। এর মধ্যে টি-শার্টের দাম কমেছে ১২ থেকে ১৭ শতাংশ। ট্রাউজারের দাম কমেছে সাড়ে ৭ শতাংশ পর্যন্ত। আর সোয়েটারের মূল্য কমেছে ১০ থেকে ১৪ শতাংশ পর্যন্ত।

পোশাক শিল্প মালিকরা বলছেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি খাতটিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। গত পাঁচ বছরে পোশাকপণ্যের উৎপাদন খরচ বেড়েছে ৫০ শতাংশ। একই সময়ে গ্যাসের মূল্য ২৮৬ দশমিক ৫ ও বিদ্যুতের মূল্য ২১ দশমিক ৪৭ বেড়েছে। ডিজেলের মূল্য বেড়েছে ৬৮ শতাংশ। এর সঙ্গে সঙ্গে পরিবহন খরচও। গত জানুয়ারি থেকে ন্যূনতম মজুরি বেড়েছে ৫৬ শতাংশ।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

শিল্প-বাণিজ্য

আখাউড়া স্থলবন্দরে পাঁচ দিন আমদানি-রপ্তানি বন্ধ

Published

on

লাভেলো

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে আজ ১০ এপ্রিল থেকে ১৪ এপ্রিল পাঁচদিনের ছুটি শুরু হয়েছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া স্থলবন্দরে।

ফলে বুধবার (১০ এপ্রিল) সকাল থেকে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের আগরতলার সঙ্গে পণ্য আমদানি-রপ্তানি বন্ধ রয়েছে। তবে উভয়দেশের বৈধ পাসপোর্টধারী যাত্রীরা স্বাভাবিকভাবে পারাপার করছেন।

এসব তথ্য জানিয়েছেন আখাউড়া স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানিকারক অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, দুদেশের ব্যবসায়ীদের সিদ্ধান্তে ঈদুল ফিতর উপলক্ষে আজ ১০ এপ্রিল থেকে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত পাঁচদিন এ স্থলবন্দর দিয়ে ভারতের সঙ্গে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকবে।

প্রসঙ্গত, দেশের অন্যতম বৃহৎ ও রপ্তানিমুখী আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে প্রতিদিন হিমায়িত মাছ, প্লাস্টিক, রড, সিমেন্ট ও বিভিন্ন খাদ্যসামগ্রী রপ্তানি হয়।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

শিল্প-বাণিজ্য

বেনাপোল বন্দরে পাঁচ দিন আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য বন্ধ

Published

on

লাভেলো

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বেনাপোল-পেট্রোপোল বন্দরের মধ্যে পাঁচদিন আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য বন্ধ থাকবে। তবে এ সময় দুদেশের মধ্যে পাসপোর্টধারী যাত্রীদের যাতায়াত স্বাভাবিক থাকবে।

মঙ্গলবার (৯ এপ্রিল) রাতে বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সাজেদুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, মুসলিম সম্প্রদায়ের বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতর উপলক্ষে আগামী বুধবার (১০ এপ্রিল) থেকে রোববার (১৪ এপ্রিল) পর্যন্ত সরকারি ছুটি থাকায় দুদেশের মধ্যে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য বন্ধ থাকবে। আগামী সোমবার (১৫ এপ্রিল) থেকে পুনরায় বেনাপোল-পেট্রোপোল বন্দরের মধ্যে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য সচল হবে।

বেনাপোল বন্দরের পরিচালক করিম জানান, এ সময় বন্দরের মধ্যে যাতে কোনো প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে সেজন্য নিরাপত্তা জোর দার করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

শিল্প-বাণিজ্য

চট্টগ্রামে বেড়েছে পাম অয়েলের দাম

Published

on

লাভেলো

চট্টগ্রামে পাইকারি পর্যায়ে পাম অয়েলের দাম বেড়েছে মণে ৫০০ টাকা। গ্রীষ্ম মৌসুমে ভোজ্যতেলের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় দামে প্রভাব পড়েছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। দেশে ভোগ্যপণ্যের সবচেয়ে বড় পাইকারি বাজার খাতুনগঞ্জের বিভিন্ন আড়তে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রোজার আগেও মণপ্রতি (৩৭ দশমিক ৩২ কেজি) পাম অয়েল লেনদেন হয়েছে ৫ হাজার টাকার মধ্যে। রোজার শুরুতে খুচরা ও পাইকারি বাজারে চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় দাম বাড়তে থাকে।

বাজারসংশ্লিষ্টরা বলছেন, দুই সপ্তাহ আগে আন্তর্জাতিক বাজারে পাম অয়েলের বুকিং দর কিছুটা বেড়ে যাওয়ায় দেশের বাজারে হঠাৎ উল্লম্ফন দেখা দিয়েছে। গত দুই সপ্তাহে এরই মধ্যে পণ্যটির মণপ্রতি দাম বেড়েছে প্রায় ২৫০ টাকা। তবে পাম অয়েলের দাম বাড়লেও সয়াবিনের দাম আগের মতোই মণপ্রতি ৬ হাজার থেকে ৬ হাজার ২০০ টাকার মধ্যে লেনদেন হচ্ছে।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, দেশে সয়াবিনের তুলনায় পাম অয়েলের চাহিদা বেশি থাকে। শীত মৌসুমে পাম অয়েল জমে যাওয়ায় সয়াবিনের চাহিদা বাড়ে। তবে গ্রীষ্মকালে পাম অয়েল দেখতে অনেকটা সয়াবিনের মতো হয়ে যাওয়ায় খুচরা খোলা ভোজ্যতেল বিক্রির ক্ষেত্রে পাম অয়েলের ব্যবহার বেশি হয়। অনেক ক্ষেত্রে প্রত্যন্ত এলাকাগুলোয় পাম অয়েল কিংবা অধিক পরিশোধিত পাম অয়েলকে সয়াবিন নাম দিয়ে বিক্রির প্রবণতা বেশি। এ কারণে বাড়তি চাহিদাকে পুঁজি করে বাজারে পাম অয়েলের দাম বাড়ছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, বর্তমানে ব্যাংকগুলোয় এলসি (ঋণপত্র) খুলতে সমস্যা নেই। ডলারের দাম কমে ব্যাংকের প্রকৃত দরের কাছাকাছি পর্যায়ে এলসি খোলার সুযোগ পাচ্ছেন আমদানিকারকরা। এর পরও দর বৃদ্ধির অযুহাত দেখিয়ে পাম অয়েলের দাম বাড়িয়ে অতিরিক্ত মুনাফা করতে চাইছে মিল মালিকরা।

দেশে ভোজ্যতেলের বার্ষিক চাহিদা ২৪ লাখ টনের কাছাকাছি। এর মধ্যে প্রায় ৩ লাখ টন পাওয়া যায় দেশীয় উৎস থেকে। আমদানি হওয়া ২০-২১ লাখ টন ভোজ্য তেলের দুই-তৃতীয়াংশ পাম অয়েল মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়া থেকে আমদানি হয়। অন্যদিকে আমদানি চাহিদার এক-তৃতীয়াংশ সয়াবিন আসে আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল থেকে। বাসা-বাড়িতে রান্নার কাজে সয়াবিনের চাহিদা থাকলেও দেশে খাদ্যপণ্য তৈরিতে হোটেল-রেস্তোরাঁয় পাম অয়েলের ব্যবহার বেশি হয়।

ইনডেক্সমুন্ডি ডটকমের তথ্যমতে, জানুয়ারিতে অপরিশোধিত পাম অয়েলের টনপ্রতি বুকিং দর ছিল ৮৪৫ ডলার। ফেব্রুয়ারিতে দাম আরো কিছুটা বেড়ে গড়ে লেনদেন হয়েছে ৮৫৭ ডলারে। যদিও মার্চে এসে দাম এক লাফে ৯০ ডলারের মতো বেড়ে ৯৪৩ ডলার হয়ে যায়। বিশ্ববাজারে পাম অয়েলের এ দাম বাড়ার ঘটনায় দেশের বাজারেও এর প্রভাব পড়ছে বলে জানিয়েছেন পাইকারি ব্যবসায়ীরা।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন
লাভেলো
জাতীয়7 hours ago

জানা গেল ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ

লাভেলো
লাইফস্টাইল7 hours ago

হার্ট ভালো রাখতে যে মসলা খাবেন

লাভেলো
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার8 hours ago

চাকরি দেবে প্রাণ গ্রুপ, নেবে ১০০ জন

লাভেলো
জাতীয়9 hours ago

মিয়ানমার থেকে পালিয়ে এলো আরও দুই সেনা সদস্য

লাভেলো
জাতীয়9 hours ago

রাতেই যেসব এলাকায় ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ের আভাস

লাভেলো
আন্তর্জাতিক10 hours ago

ওমরাহ ভিসার মেয়াদ নিয়ে সৌদির নতুন নির্দেশনা

লাভেলো
জাতীয়10 hours ago

দুই যুদ্ধজাহাজের পাহারায় দুবাইয়ের পথে এমভি আবদুল্লাহ

লাভেলো
জাতীয়11 hours ago

সরকারের নির্দেশনা উপেক্ষা করে উদীচীর অনুষ্ঠান দুঃখজনক: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

লাভেলো
অর্থনীতি11 hours ago

১২ দিনে রেমিট্যান্স এলো ৯ হাজার ৬০৪ কোটি টাকা

লাভেলো
কর্পোরেট সংবাদ11 hours ago

এসইভিপি পদে পদোন্নতি পেলেন ব্র্যাক ব্যাংকের তিন কর্মকর্তা

ফেসবুকে অর্থসংবাদ

২০১৮ সাল থেকে ২০২৩

অর্থসংবাদ আর্কাইভ

তারিখ অনুযায়ী সংবাদ

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০