Connect with us

লাইফস্টাইল

রমজানে শরীর সুস্থ রাখতে ১২ টিপস

Published

on

বাজার মূলধন

রোজা পালনে প্রয়োজন সুস্থ শরীর। তাই, নিয়মিত ব্যায়ামের পাশাপাশি প্রয়োজন পুষ্টিকর খাবারের রুটিন। এছাড়া রোজায় সুস্থতা বজায় রাখতে প্রয়োজন রুটিন মেনে চলার একনিষ্ঠতা।

সুস্থ-সবল দেহ নিয়ে রোজা পালনের জন্য রইলো কিছু টিপস:

১. রোজায় সুস্থতা পালনে শরীর চর্চার সঠিক সময় হচ্ছে ইফতারের ঠিক আগে। তাই, ইফতারের ঘণ্টা দুয়েক আগে নিজের শরীর চাঙা রাখতে করুন হালকা ব্যায়াম বা যোগ ব্যায়াম।

২. কম শারীরিক পরিশ্রম লাগে, কিন্তু উপকারী- এমন অ্যাকটিভিটিস বেছে নিন। যেমন, আধা ঘণ্টা করে নিয়মিত সময়ে হাঁটাহাঁটি করা।

৩. রোজায় ভারী ব্যায়ামের প্রয়োজন নেই। এতে করে আপনার শরীর দুর্বল হয়ে যেতে পারে এবং পরবর্তী কিছু দিনের রুটিন ব্যায়ামে ব্যাঘাত ঘটতে পারে। রুটিন বজায় রাখার জন্য যতটুকু ব্যায়াম করা যায়, তা করে যান।

৪. যদি ব্যায়ামরত অবস্থায় মাথা ব্যথা করে, অথবা দুর্বল অনুভব করতে থাকেন, তবে সাথে সাথে ব্যায়াম থেকে সেদিনের জন্য বিরতি নিন।

৫. আপনি শারীরিকভাবে পারফেক্ট থাকলেও মনে রাখবেন, রোজা আপনার দেহকে কিছুটা দুর্বল করে দিতে পারে। আর তাই, সুস্থতা বজায় রাখতে পুষ্টিকর খাবারের মেন্যু তৈরি করবেন।

৬. রোজায় সুস্থতা রক্ষার্থে সেহরি করবেন নিয়মিত। সেহরিতে আমিষ জাতীয় খাবারের চেয়ে শর্করা জাতীয় খাবার বেশি থাকলে সারাদিনের জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি পাবেন। অতিরিক্ত পেট ভরে খাবেন না। যথেষ্ট পরিমাণ পানি পান করবেন। সম্ভব হলে ২/১টা ফল রাখবেন সেহরির মেন্যুতে।

৭. দাবদাহের দিনগুলোয় দুপুরে যতটা সম্ভব বাইরে না থাকার চেষ্টা করবেন। বৃষ্টি হলে অবশ্যই ছাতা নিয়ে বের হবেন। ঘামে ভিজে সর্দি-কাশি হলে তা রোজা রাখার অন্তরায় হতে পারে।

৮. রোজায় সুস্থতা বজায় রাখার গুরুত্বপূর্ণ টিপস যেটি তা হলো- ইফতারে গোগ্রাসে খাবার না খাওয়া। হালকা খাবার দিয়ে শুরু করুন, পানি জাতীয় খাবার বেশি করে খান। ঘণ্টাখানেক সময় নিয়ে ইফতার করবেন না। অতিরিক্ত খাবার থেকে বিরত থাকুন। ভাজা-পোড়া খাবার যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলুন।

৯. চা-কফি পান না করাই মঙ্গল। এতে করে দেহে পানিশূন্যতা দেখা দিতে পারে। চা-কফির স্থলে বিভিন্ন ধরনের ঠাণ্ডা পানীয় পান করুন।

১০. গরমে রোজা হলে আম, কাঁঠাল, লিচুসহ বাহারি ফল খেতে পারেন।

১১. পানির কোনো বিকল্প নেই। ঘুমানোর আগে অন্তত ৮ গ্লাস পানি পান করবেন, যেন পানিস্বল্পতা দেখা না দেয়।

১২. ইফতারের পর ১৫-২০ মিনিটের জন্য বাইরে হেঁটে আসতে পারেন।

কাফি

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

লাইফস্টাইল

মোবাইল ফোন পানিতে পড়ে গেলে করণীয়

Published

on

বাজার মূলধন

দৈনন্দিন জীবনে অনেকেই স্মার্টফোনের ওপর নির্ভরশীল। বিভিন্ন কাজে আমরা ফোনের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করি। তবে একটু অসতর্ক থাকলে যেকোনো সময় ঘটতে পারে দুর্ঘটনা। এসব দুর্ঘটনার মধ্যে একটি হলো ফোন পানিতে পড়ে যাওয়া বা বৃষ্টিতে ভিজে যাওয়া।

যে কারণেই হোক না কেন, পানিতে ভিজে গেলে ফোনটি পুনরায় ব্যবহারের সময় পড়তে হয় নানা বিড়ম্বনায়। তবে একটু সতর্কতা অবলম্বন করলেই কিন্তু প্রিয় ফোনটির ক্ষতি অনেকটাই কমিয়ে আনা সম্ভব।

বিশেষ করে গ্রীষ্মের এই সময় পানির মাধ্যমে ফোনের ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি। যার প্রধান কারণ সমুদ্র সৈকত বা সুইমিং পুল। অনেকেই সুইমিংয়ের মধ্যে বা আশেপাশে সেলফি তোলেন। এই সময় সতর্কতার সঙ্গে ছবি ও সেলফি তুলতে হবে। কেউ যদি সাঁতার কাটার সময় ফোনে গান শুনতে চান, তাহলে ওয়াটারপ্রুফ ব্লুটুথ ইয়ারবাড ব্যবহার করতে পারেন এবং ফোনটি পানি থেকে দূরে রেখে পারেন।

বৃষ্টিতে ফোন

বৃষ্টির মৌসুমে সব সময়ই মোবাইল ফোনের জন্য আলাদা করে প্লাস্টিক জিপার ব্যাগ ব্যবহার করতে পারেন, যা অনেকটাই সুরক্ষিত করবে ফোনটিকে। যাত্রাপথে ফোনে কথা বলার প্রয়োজন হলে শুকনো জায়গায় কথা বলা উচিত। ইয়ারফোনের ব্যবহার এ ক্ষেত্রে সুবিধাজনক। যদি জিপার ব্যাগ সঙ্গে রাখার কথা মনে না থাকে। সে ক্ষেত্রে দ্রুত সমাধান হিসেবে পলিব্যাগ কাজে আসবে। তবে ফোন পলিব্যাগে ভরে রাখার আগে ভেতরটা শুকনো কি না, তা দেখে নিতে হবে।

ফোন বাথরুমের বাইরে রাখুন

টয়লেট বা বাথরুমে ফোন ব্যবহারের ফলে ডিভাইসের ক্ষতি হতে পারে। বাথরুমে ই-মেইল চেক করা, গেম খেলা বা মেসেজ পাঠানোর জন্য একটু অতিরিক্ত সময় ব্যয় করা অনেকের কাছে সাধারণ ব্যাপার হয়ে উঠেছে। তবে কেউ যদি নিজেদের ফোনকে পানি থেকে রক্ষা করতে চান, তবে এটিকে বাথরুমের বাইরে রাখা উচিত হবে।

খাবার সময় ফোন দূরে রাখুন

খাবারের সময় টেবিলে নিজেদের ফোন রাখা এড়িয়ে চলা উচিত, মোবাইল ডিভাইস এবং পানির গ্লাসের মধ্যে একটি নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখুন।

ভিজে গেলে যা করবেন

হঠাৎ ফোনটি পানিতে পড়ে গেলে চালু করতে সময় নিন। সঙ্গে সঙ্গে চালু করা যাবে না। ফোনের ভেতরে পানি ঢুকে গেলে প্রথমেই ফোনের ব্যাটারিটি খুলতে হবে। এরপর ব্যাটারি মুছে সেটি শুকাতে দিতে হবে। ভিজে যাওয়া অংশ দ্রুত শুকানোর জন্য পেছনের কভার খুলে রাখতে হবে। যে-সব ফোনের ব্যাটারি খোলা যায় না সেগুলো নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা বেশি। ভিজে যাওয়া ফোন ফ্যানের বাতাসে শুকাতে দিন। হেয়ার ড্রায়ার, তীব্র রোদ কিংবা আগুনের তাপ দিয়ে ফোন শুকাতে যাবেন না। এতে বিস্ফোরণ ঘটার আশঙ্কা থাকে। এছাড়াও মোবাইলে শর্টসার্কিট ঘটতে পারে। ফোন পুরোপুরি না শুকানো পর্যন্ত সেটি চার্জে দেওয়া যাবে না। আগে নিশ্চিত হতে হবে ফোনটি শুকিয়েছে কি না। শুকিয়ে গেলে ব্যাটারি সংযুক্ত করে ফোন চালু করুন। অন না হলে ব্যাটারি চার্জ করে দেখুন। তাতে কাজ না হলে সার্ভিসিং সেন্টারে যান।

কাফি

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

লাইফস্টাইল

সকালে লেবুপানি খেলে মিলবে পাঁচ উপকার

Published

on

বাজার মূলধন

সকালে ঘুম থেকে ওঠার পরেই এক গ্লাস লেবুপানি শরীরের জন্য উপকারী, এটা অনেকেই জানেন। শরীরের বাড়তি ওজন কমাতেও সাহায্য করে এই পানীয়। লেবুপানির এমন আরও নানা গুণ আছে। এখানে জেনে নিন লেবুপানির পাঁচটি গুণের কথা।

১. সকাল সকাল শরীরে হজমপ্রক্রিয়া ঠিক করতে পারে লেবুপানি। এক গ্লাস লেবুপানিতে বদহজম কিংবা অম্বলের মতো সমস্যাও দূর হবে। একই সঙ্গে লেবুপানি পানের অভ্যাস গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা তৈরিতে বাধা দেয়।

২. লেবুপানি আপনার রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে সাহায্য করে। লেবুর রসে থাকা উচ্চমাত্রার ভিটামিন সি এই ক্ষমতা তৈরিতে বিশেষ ভূমিকা রাখে। একই সঙ্গে লেবু ভিটামিন বি, আয়রন, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, পটাশিয়াম ও এনজাইমসমৃদ্ধ খাবার।

৩. লেবুপানি ত্বকের জন্য দারুণ উপকালী। কারণ, লেবুতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা আপনার ত্বকের চামড়া কুঁচকে যাওয়ার বদলে সতেজ রাখতে সাহায্য করে।

৪. লেবুতে অ্যান্টিইনফ্লেমারি বৈশিষ্ট্য আছে, যা ব্যথা দূর করতে সাহায্য করে। তাই যাঁদের দাঁতে ব্যথা আছে, তাঁরা অর্ধেক লেবুর রসের সঙ্গে পানি মিশিয়ে তাতে একটু লবণ যোগ করে দাঁতে লাগালে উপকার পাবেন। প্রতিদিন ৩ থেকে ৪ বার ব্যবহারে আপনার দাঁতের ব্যথা কমে আসবে।

৫. একটি লেবু থেকে প্রায় ৩১ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি পাওয়া যায়, যা দৈনিক সি গ্রহণের অর্ধেকেরও বেশি (৫১ শতাংশ)। গবেষণা বলছে, ভিটামিন সি–সমৃদ্ধ ফল ও শাকসবজি খেলে হৃদ্‌রোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি কমে। শুধু ভিটামিন সির কারণে নয়, লেবুতে থাকা আঁশ ও উদ্ভিদ উপাদানের জন্যও হার্ট ভালো থাকে।

সূত্র: ভোগ ও হেলথ লাইন

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

লাইফস্টাইল

হার্ট ভালো রাখতে খাবেন যেসব মসলা

Published

on

বাজার মূলধন

সুস্থ থাকার জন্য হার্ট ভালো রাখার বিকল্প নেই। সেজন্য নিজের প্রতি হতে হবে বাড়তি যত্নশীল। নয়তো হার্টের অসুখ একবার দেখা দিলে তা মারাত্মক আকার ধারন করতে পারে। ঠিক কোন নিয়মগুলো মেনে চললে হার্ট ভালো রাখা সহজ হবে সেকথা অনেকেই বুঝতে পারেন না। এক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ থাকে প্রথমেই তেলযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলার। এর বদলে খেতে হবে পর্যাপ্ত সবুজ শাক ও সবজি। সেইসঙ্গে প্রতিদিনের খাবারের সঙ্গে যুক্ত করতে হবে একটি বিশেষ মসলা। নাম তার মৌরি। এতে উপকার পাওয়া যাবে দ্রুতই।

ছোট্ট একটি মসলা মৌরি। এটি সুগন্ধযুক্ত মসলা। তবে এর গন্ধ কেউ পছন্দ করেন, কেউ করেন না। তাতে অবশ্য এই মসলার গুণ একটুও কমে না। বরং আপনার হার্ট ভালো রাখার ক্ষেত্রে এটি কাজ করে দুর্দান্তভাবে। তাই হার্ট ভালো রাখতে এর উপকারিতা ও কার্যকারিতা আগে জেনে নিয়ে এরপর প্রতিদিনের খাবারে যোগ করতে হবে উপকারী মসলা মৌরি। তাই হার্টের অসুখ তো দূরে থাকবেই সেইসঙ্গে আরও অনেক অসুখ কাছে ঘেঁষতে পারবে না।

কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করে
আমাদের রক্তে জমা থাকে কোলেস্টেরল নামক মোম জাতীয় একটি উপাদান। কিন্তু কোনো কারণে যদি রক্তে এই মোম জাতীয় উপাদান স্বাভাবিক মাত্রা ছাড়িয়ে যায় তাহলে তা হার্টের রক্তনালীর ভেতরে জমে যেতে পারে। যেখান থেকে ঘটতে পারে হার্ট অ্যাটাকের মতো প্রাণঘাতী সমস্যা। তাই যেভাবেই হোক সবার আগে কোলেস্টেলরকে নিয়ন্ত্রণে আনা জরুরি। বাড়তি কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে আনতে আপনাকে সাহায্য করবে ফাইবার সমৃদ্ধ মৌরি। বিশেষজ্ঞরা হাইপারলিপিডিমিয়ায় আক্রান্তদের নিয়মিত মৌরি খাওয়ার পরামর্শ দেন।

হার্ট ভালো রাখে
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মৌরিতে থাকে পর্যাপ্ত ম্যাগনেশিয়াম, পটাশিয়াম এবং ক্যালসিয়াম। আমাদের হার্টকে ভালো রাখতে বেশ কার্যকরী এসব উপাদান। যে কারণে নিয়মিত মৌরি খেলে তা হার্টের বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে কাজ করবে। যাদের উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা রয়েছে তারাও নিয়মিত মৌরি খেতে পারেন। কারণ এটি উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণেও মূখ্য ভূমিকা রাখে। নিয়মিত এই মসলা খাবারের পাতে রাখলে দূরে থাকতে পারবেন অনেক রোগ থেকেই। হার্ট ভালো রাখা ছাড়াও এটি পেটের সমস্যা দূর করা, ক্যান্সার দূরে রাখাসহ আরও অনেক কাজ করে। বুঝতেই পারছেন, কেন প্রতিদিন মৌরি খাওয়া জরুরি?

যেভাবে খাবেন
এখন নিশ্চয়ই আপনার মনে প্রশ্ন এসেছে যে, হার্ট ভালো রাখা এবং সুস্থ থাকার জন্য মৌরি কীভাবে খাবেন? এক্ষেত্রে সবচেয়ে সহজ উপায় হলো প্রতিবেলার মূল খাবার খাওয়ার পর এক চা চামচ মুখে পুরে খেয়ে নেওয়া। এর পাশাপাশি আরেকটি উপায় হলো মৌরি ভেজানো পানি পান করা। সেজন্য প্রতি রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে মনে করে এক গ্লাস পরিষ্কার পানিতে এক চা চামচ মৌরি মিশিয়ে ভিজতে দিন। গ্লাসটি ঢেকে রাখুন। সকালে উঠে পানিটুকু ছেঁকে খেয়ে নিন। এভাবে নিয়মিত খেলেই উপকার পাবেন।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

লাইফস্টাইল

হার্ট ভালো রাখতে যে মসলা খাবেন

Published

on

বাজার মূলধন

সুস্থ থাকার জন্য হার্ট ভালো রাখার বিকল্প নেই। সেজন্য নিজের প্রতি হতে হবে বাড়তি যত্নশীল। নয়তো হার্টের অসুখ একবার দেখা দিলে তা মারাত্মক আকার ধারন করতে পারে। ঠিক কোন নিয়মগুলো মেনে চললে হার্ট ভালো রাখা সহজ হবে সেকথা অনেকেই বুঝতে পারেন না। এক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ থাকে প্রথমেই তেলযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলার। এর বদলে খেতে হবে পর্যাপ্ত সবুজ শাক ও সবজি। সেইসঙ্গে প্রতিদিনের খাবারের সঙ্গে যুক্ত করতে হবে একটি বিশেষ মসলা। নাম তার মৌরি। এতে উপকার পাওয়া যাবে দ্রুতই।

ছোট্ট একটি মসলা মৌরি। এটি সুগন্ধযুক্ত মসলা। তবে এর গন্ধ কেউ পছন্দ করেন, কেউ করেন না। তাতে অবশ্য এই মসলার গুণ একটুও কমে না। বরং আপনার হার্ট ভালো রাখার ক্ষেত্রে এটি কাজ করে দুর্দান্তভাবে। তাই হার্ট ভালো রাখতে এর উপকারিতা ও কার্যকারিতা আগে জেনে নিয়ে এরপর প্রতিদিনের খাবারে যোগ করতে হবে উপকারী মসলা মৌরি। তাই হার্টের অসুখ তো দূরে থাকবেই সেইসঙ্গে আরও অনেক অসুখ কাছে ঘেঁষতে পারবে না।

কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করে
আমাদের রক্তে জমা থাকে কোলেস্টেরল নামক মোম জাতীয় একটি উপাদান। কিন্তু কোনো কারণে যদি রক্তে এই মোম জাতীয় উপাদান স্বাভাবিক মাত্রা ছাড়িয়ে যায় তাহলে তা হার্টের রক্তনালীর ভেতরে জমে যেতে পারে। যেখান থেকে ঘটতে পারে হার্ট অ্যাটাকের মতো প্রাণঘাতী সমস্যা। তাই যেভাবেই হোক সবার আগে কোলেস্টেলরকে নিয়ন্ত্রণে আনা জরুরি। বাড়তি কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে আনতে আপনাকে সাহায্য করবে ফাইবার সমৃদ্ধ মৌরি। বিশেষজ্ঞরা হাইপারলিপিডিমিয়ায় আক্রান্তদের নিয়মিত মৌরি খাওয়ার পরামর্শ দেন।

হার্ট ভালো রাখে
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মৌরিতে থাকে পর্যাপ্ত ম্যাগনেশিয়াম, পটাশিয়াম এবং ক্যালসিয়াম। আমাদের হার্টকে ভালো রাখতে বেশ কার্যকরী এসব উপাদান। যে কারণে নিয়মিত মৌরি খেলে তা হার্টের বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে কাজ করবে। যাদের উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা রয়েছে তারাও নিয়মিত মৌরি খেতে পারেন। কারণ এটি উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণেও মূখ্য ভূমিকা রাখে। নিয়মিত এই মসলা খাবারের পাতে রাখলে দূরে থাকতে পারবেন অনেক রোগ থেকেই। হার্ট ভালো রাখা ছাড়াও এটি পেটের সমস্যা দূর করা, ক্যান্সার দূরে রাখাসহ আরও অনেক কাজ করে। বুঝতেই পারছেন, কেন প্রতিদিন মৌরি খাওয়া জরুরি?

যেভাবে খাবেন
এখন নিশ্চয়ই আপনার মনে প্রশ্ন এসেছে যে, হার্ট ভালো রাখা এবং সুস্থ থাকার জন্য মৌরি কীভাবে খাবেন? এক্ষেত্রে সবচেয়ে সহজ উপায় হলো প্রতিবেলার মূল খাবার খাওয়ার পর এক চা চামচ মুখে পুরে খেয়ে নেওয়া। এর পাশাপাশি আরেকটি উপায় হলো মৌরি ভেজানো পানি পান করা। সেজন্য প্রতি রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে মনে করে এক গ্লাস পরিষ্কার পানিতে এক চা চামচ মৌরি মিশিয়ে ভিজতে দিন। গ্লাসটি ঢেকে রাখুন। সকালে উঠে পানিটুকু ছেঁকে খেয়ে নিন। এভাবে নিয়মিত খেলেই উপকার পাবেন।

কাফি

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

লাইফস্টাইল

গরমে হতে পারে যেসব চর্মরোগ

Published

on

বাজার মূলধন

বাড়তে শুরু করেছে গরম। আর গরম পড়তেই ত্বকের সমস্যা বেড়ে যায়। এই সময় ত্বকের বেশ কিছু চর্মরোগের সমস্যা দেখা দেয় যেমন- ঘামাচি, ব্রণ, একজিমা ইত্যাদি। তাই এ সময় সাবধান থাকা জরুরি। চলুন জেনে নেওয়া যাক গরমে কোন কোন চর্মরোগ বাড়ে-

ঘামাচি

গরমে ঘামাচির সমস্যা বাড়ে। এমনিতে সবারই ঘামাচি হতে পারে। তবে সবার সামনে এটি অস্বস্তিদায়কই বটে।

ব্রণ

ব্রণের সমস্যায় অনেকেই ভোগেন। তবে গরমে এই সমস্যা বাড়ে। কারণ ঘাম ও ধুলো মিলেমিশে ত্বকের ছিদ্রে জমতে থাকে।

একজিমা

তাপমাত্রার পারদ যত বাড়তে থাকে, ততই একজিমার সমস্যা বেড়ে যায়। একজিমা এই সময় নতুন করে বাড়তে পারে।

শুষ্ক ত্বকের সমস্যা

গরমে ডিহাইড্রেশন বেশি হয়। তাই যাদের ত্বক শুষ্ক, তাদের ত্বক আরও শুকিয়ে যাওয়ার ভয় থাকে। এজন্য এ সময় পর্যাপ্ত পানি পান করতে হবে।

সান এলার্জি-সানবার্ন

অনেকেরই এই সমস্যা রয়েছে। গ্রীষ্মের সূর্যের তাপে তা আরও বেড়ে যায়। আবার সানবার্ন হলে ত্বকে ট্য়ান পড়ে। এক্ষেত্রে ত্বকের খোলা অংশ কালচে হয়ে পড়ে। তাই রেদে যাওয়ার আগে সান স্ক্রিন ব্যবহার করা মাস্ট।

ত্বকের ক্যানসার

শুনতে অবাক লাগলেও এটি সত্যি। কারণ ক্রান্তীয় অঞ্চলে রোদের তীব্রতা অনেকটাই। যে কারণে অবিরত গায়ে রোদ লাগলে স্কিন ক্যানসারের ভয় আছে।

কাফি

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন
বাজার মূলধন
আন্তর্জাতিক11 hours ago

চ্যালেঞ্জের মুখে ইন্দোনেশিয়ার পাম অয়েল উৎপাদন ও রফতানি

বাজার মূলধন
খেলাধুলা11 hours ago

আর্জেন্টাইন গোলরক্ষককে ১১ ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা

বাজার মূলধন
জাতীয়11 hours ago

পালিয়ে আসা ২৮৫ জনকে ফেরত নিচ্ছে মিয়ানমার

বাজার মূলধন
আবহাওয়া11 hours ago

দেশব্যাপী তিনদিনের হিট অ্যালার্ট জারি

বাজার মূলধন
পুঁজিবাজার11 hours ago

ডিএসইর বাজার মূলধন বাড়লো সাড়ে ২১ হাজার কোটি টাকা

বাজার মূলধন
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার11 hours ago

রোজা-ঈদের ছুটি শেষে রবিবার খুলছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

বাজার মূলধন
জাতীয়12 hours ago

শিশু হাসপাতালে আগুনের ঘটনায় ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি

বাজার মূলধন
আন্তর্জাতিক12 hours ago

এশিয়ার মুদ্রা শক্তিশালী করতে সমন্বিত পদক্ষেপের ইঙ্গিত

বাজার মূলধন
আবহাওয়া13 hours ago

দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা চুয়াডাঙ্গায়, হিট এলার্ট জারি 

বাজার মূলধন
জাতীয়13 hours ago

ভাষানটেক পুনর্বাসন প্রকল্পের কাজ দ্রুত শুরুর তাগিদ

ফেসবুকে অর্থসংবাদ

২০১৮ সাল থেকে ২০২৩

অর্থসংবাদ আর্কাইভ

তারিখ অনুযায়ী সংবাদ

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০