Connect with us

শিল্প-বাণিজ্য

১৩ শতাংশ পোশাকশ্রমিকের আয় কমেছে

Published

on

বেস্ট

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ভুগছেন ৫০ শতাংশ পোশাক শ্রমিক। এর ফলে ১৩ শতাংশ তৈরি পোশাক কর্মীর আয় কমেছে এবং চাকরির নিরাপত্তাহীনতা বেড়েছে। ছুটি ও অনুপস্থিতি বেড়েছে ২৩ শতাংশ শ্রমিকের। এ ছাড়া দক্ষতা কমেছে ৮ শতাংশ শ্রমিকের।

গতকাল বুধবার (৬ মার্চ) পোশাক শ্রমিকদের জীবনে জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশগত বিষয়গুলোর প্রভাব নিরূপণ এবং ট্রেড ইউনিয়নের করণীয় নির্ধারণ শীর্ষক জরিপে এ ফলাফল উঠে এসেছে। জরিপটি চালিয়েছে বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব লেবার স্টাডিজ (বিলস)।

আয় কমেছে ১৩শতাংশ পোশাককর্মীর রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এই সংলাপে আরো বলা হয়, জলবায়ুর প্রভাবে পোশাক শ্রমিকদের প্রায় শতভাগ রোগে আক্রান্ত। গরমে দুর্ভোগ বেড়েছে শতকরা ৬৫ ভাগের, বৃষ্টিপাত ও জলাবদ্ধতায় নাকাল শতকরা ৪২ ভাগ এবং ঘূর্ণিঝড় ও বন্যায় দুর্ভোগের শিকার শতকরা ২০ ভাগ।

গবেষণা ও জাতীয় সংলাপের মূল উদ্দেশ্য ছিল তৈরি পোশাক শিল্পে সবুজ সামাজিক সংলাপ উন্নয়নে ট্রেড ইউনিয়নের সক্ষমতা বৃদ্ধি। বিলসের উপপরিচালক ও প্রধান গবেষক মনিরুল ইসলাম প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন।

প্রতিবেদনটি তৈরিতে টঙ্গী ও গাজীপুর এলাকার ১৬০টি তৈরি পোশাক কারখানার ৪০২ জন শ্রমিকের ওপর এই জরিপ পরিচালনা করা হয়। সরকার, মালিকপক্ষ, ট্রেড ইউনিয়ন ও তৈরি পোশাক শ্রমিকরা এ সংলাপে অংশগ্রহণ করেন।

এতে আরো দেখা যায়, পোশাক অঞ্চলগুলোতে কাজ করেন এমন শ্রমিকদের প্রায় ৯৯ শতাংশ দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে স্থানান্তরিত হয়ে এসেছেন। এর মধ্যে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে শতকরা ৩৬ শতাংশ স্থানান্তরিত হয়েছেন বলে জানা গেছে। তাঁরা মূলত বন্যা, খরা, ঘূর্ণিঝড়, ফসল উৎপাদন না হওয়া, কীটপতঙ্গের আক্রমণ বৃদ্ধি, উৎপাদনশীলতা হ্রাস ইত্যাদি কারণে স্থানান্তরিত হন। এ ছাড়া ৭ শতাংশ নদীভাঙনের কারণে স্থানান্তরিত হয়েছেন।

পরিবেশদূষণের অবস্থা পর্যালোচনায় দেখা যায়, পোশাক শ্রমিকদের মতে পানিদূষণ শতকরা প্রায় ১৮ ভাগ বৃদ্ধি পেয়েছে, বায়ুদূষণ বেড়েছে শতকরা প্রায় ৬৪ ভাগ। এর ফলে তাঁদের শতকরা ২১ ভাগের মাথা ব্যথা, শতকরা ১৪ ভাগের মাথা ঘোরা, শতকরা ২০ ভাগের ক্লান্তি এবং শতকরা ২৫ ভাগের শ্বাসকষ্ট বেড়েছে বলে জানা যায়।

জাতীয় সংলাপে বক্তারা জানান, তৈরি পোশাক শিল্পে পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব নিরসনে সরকার, স্থানীয় সরকার, মালিকপক্ষ ও ট্রেড ইউনিয়নকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। তাঁরা শ্রমিকদের সামাজিক ও পরিবেশগত মানদণ্ড তৈরি করতে নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে কাজ করার প্রয়োজন রয়েছে বলে উল্লেখ করেন। বিলসের নির্বাহী পরিচালক সৈয়দ সুলতান উদ্দিন আহম্মেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সম্মানিত সদস্য অধ্যাপক আবু তাহের।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. রাজা মিয়া, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব নাজমুল হক, পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. মির্জা আসাদুল কিবরীয়া, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের সহকারী মহাপরিদর্শক ডা. বিশ্বজিত রায়, জি আই জেড স্টাইল প্রকল্পের কমিশন ম্যানেজার ড. মাইকেল ক্লদে, আন্তর্জাতিক জলবায়ু অর্থ বিশেষজ্ঞ মো. জাকির হোসেন খান প্রমুখ।

এসএম

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

শিল্প-বাণিজ্য

বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে সম্পর্ক জোরদারের তাগিদ

Published

on

বেস্ট

বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে বিপুল বাণিজ্য সম্ভাবনা রয়েছে। দুই দেশের এই বাণিজ্য সম্ভাবনা কাজে লাগাতে উভয় দেশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধি ও বাণিজ্যিক সম্ভাবনাগুলো তুলে ধরার বিকল্প নেই। দুই দেশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে সম্পর্ক জোরদারে একসঙ্গে কাজ করবে শীর্ষ বাণিজ্য সংগঠন ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই) ও বাংলাদেশে অবস্থিত অস্ট্রেলিয়ান হাইকমিশন।

আজ সোমবার (২২ ফেব্রুয়ারি) অস্ট্রেলিয়ান হাইকমিশনের সিনিয়র বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বিষয়ক কমিশনার (দক্ষিণ এশিয়া) ক্যাথরিন গ্যালাঘের নেতৃত্বে অস্ট্রেলিয়ান হাইকমিশনের প্রতিনিধিদল এফবিসিসিআই সভাপতি মাহবুবুল আলমের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে উভয়পক্ষ এ বিষয়ে নিজেদের আগ্রহের কথা জানায়।

এফবিসিসিআই সভাপতি মাহবুবুল আলম বলেন, বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণ হতে যাচ্ছে। বাংলাদেশ থেকে কানাডা, ইউরোপীয়ান ইউনিয়নে পণ্য রফতানির যথেষ্ট সুযোগ পাওয়া গেলেও অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে বিরাট বাণিজ্য ঘাটতি রয়েছে। এসময় জমি, বিদ্যুৎ, গ্যাসের যথেষ্ট সরবরাহসহ বাংলাদেশে ১০০টি ইকোনমিক জোন, ওয়ান স্টপ সার্ভিস ও অন্যান্য সুবিধার কথা তুলে ধরে অস্ট্রেলিয়ার ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে কারখানা স্থাপনসহ বিনিয়োগের আহ্বান জানান এফবিসিসিআই সভাপতি।

এ সময় বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদারে গুরুত্বারোপ করেন অস্ট্রেলিয়ান হাইকমিশনের সিনিয়র বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বিষয়ক কমিশনার (দক্ষিণ এশিয়া) ক্যাথরিন গ্যালাঘের। বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান উন্নয়নের প্রশংসা করে তিনি বলেন, জিডিপিসহ অন্যান্য ক্ষেত্রে বাংলাদেশের চমৎকার উন্নয়ন হয়েছে। দুই দেশের বাণিজ্য সম্পর্ক বাড়াতে ব্যবসায়ীদের পারস্পরিক যোগাযোগ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। দুই দেশের খাতভিক্তিক উন্নয়নে অস্ট্রেলিয়া থেকে ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদল বাংলাদেশে আসবে বলে জানান তিনি। কৃষি এবং শিক্ষা খাতে দুদেশের মধ্যে ভালো কাজ হয়েছে এবং অন্যান্য খাতেও কাজ হচ্ছে বলে জানান ক্যাথরিন গ্যালাঘের।

অস্ট্রেলিয়া-বাংলাদেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক বৃদ্ধিতে শিগগিরই যৌথভাবে সেমিনার আয়োজনের বিষয়েও আলোচনা হয় এসময়।

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন এফবিসিসিআইর সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. আমিন হেলালী, সহ-সভাপতি মো. খায়রুল হুদা চপল, মোহাম্মদ আনোয়ার সাদাত সরকার, মো. মুনির হোসেন, মহাসচিব মো. আলমগীর। অস্ট্রেলিয়ান হাইকমিশনের প্রতিনিধিদলে ছিলেন ডেপুটি হাইকমিশনার ক্লিনটন পোবকে, ট্রেড কমিশনার জন সাউথওয়েল, ডেনিস ইটন, সেকেন্ড সেক্রেটারি জশয়া গ্যাকুটান, সিনিয়র ডিরেক্টর মিনহাজ চৌধুরী প্রমুখ।

এমআই

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

শিল্প-বাণিজ্য

রাজস্ব ফাঁকি রোধে ক্যাশলেস পদ্ধতিতে যাচ্ছে এনবিআর

Published

on

বেস্ট

কাস্টমস, ভ্যাট ও ট্যাক্সের অর্থ ই-পেমেন্ট ব্যবস্থায় নিয়ে যেতে করদাতাদের উদ্বুদ্ধ করে ক্যাশলেস পদ্ধতির দিকে যাবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। ২০৩১ সালের মধ্যে ৭৫ শতাংশ এবং ২০৪১ সালের মধ্যে শতভাগ রাজস্ব সংগ্রহের অর্থ ক্যাশলেস করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে প্রতিষ্ঠানটি। অর্থাৎ আগামী ১৭ বছরের মধ্যে শতভাগ ক্যাশলেস পদ্ধতিতে যেতে চায় এনবিআর। এতে তাত্ক্ষণিক অর্থ জমা হওয়া ও রাজস্ব ফাঁকি রোধ করা সম্ভব হবে বলে মনে করে প্রতিষ্ঠানটি।

গত বুধবার এনবিআরের পক্ষে ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ বিনির্মাণে এনবিআরের বোর্ড প্রশাসন বিভাগের সদস্য মোহাম্মাদ মফিজুর রহমান এবং বোর্ড প্রশাসন-১-এর দ্বিতীয় সচিব সুচিন্তা রানী সরকার স্বাক্ষরিত একগুচ্ছ কর্মপরিকল্পনা প্রকাশ করা হয়।

এনবিআর প্রকাশিত সাত দফা কর্মপরিকল্পনায় দেখা যায়, আগামী ২০৪১ সাল পর্যন্ত ধাপে ধাপে এসব বাস্তবায়ন করা হবে। কর্মপরিকল্পনাগুলোর মধ্যে করদাতাদের ক্যাশলেস পদ্ধতিতে নিয়ে যাওয়া একটি। বাকিগুলো হলো : এনবিআরে বিদ্যমান সব সিস্টেমের সঙ্গে তৃতীয় পক্ষের সিস্টেমের আন্ত সংযোগ স্থাপন করা।

এর মধ্যে রয়েছে বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান, বিআরটিএ, এনটিএমসি, বিডাম বেপজা, বেজা, বিজিএমইএ, বিকেএমইএ, বাংলাদেশ ব্যাংক, আইবাস, বিভিন্ন তফসিলি ব্যাংক, সিটি করপোরেশন, ভূমি মন্ত্রণালয়, বিটিআরসি, সিসিআইঅ্যান্ডই; উৎপাদন ডিস্ট্রিবিউটর ও পাইকারি বিক্রি পর্যায়ের, ই-ইনভয়েসিং সিস্টেম চালু করা; টিআরপি সিস্টেম প্রস্তুতকরণের মাধ্যমে কার্যকর কর্মদক্ষতা বৃদ্ধির ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা; রাজস্ববিষয়ক মামলার কার্যক্রম নিষ্পত্তির জন্য ডাটাবেইস তৈরি করা; এনবিআর ও এর আওতাধীন মাঠ পর্যায়ে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রযুক্তি-পেশাগত দক্ষতা বাড়াতে বিভিন্ন সেমিনার ও প্রশিক্ষণের আয়োজন এবং ট্রেনিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম প্রস্তুত করা; স্মার্ট কনটেন্ট প্রস্তুত ও ৩৬০ ডিগ্রি প্রচার কৌশল নেওয়া।

২০২৫ সালের মধ্যে এসব পরিকল্পনার পাঁচটি ২৫ শতাংশ, একটি ৫০ শতাংশ ও আরেকটি ৭৫ শতাংশ বাস্তবায়নের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। আর ২০৩১ সালের মধ্যে চারটি পরিকল্পনার ৫০ শতাংশ, দুটির ৭৫ শতাংশ এবং একটি শতভাগ বাস্তবায়ন কর হবে। আর সাতটি পরিকল্পনা শতভাগ শেষ করতে সময় নেওয়া হবে ২০৪১ সাল পর্যন্ত।

এনবিআর জানিয়েছে, কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে আয়কর, মূসক, আমদানি-রপ্তানি ও আবগারি শুল্ক আহরণের কার্যক্রম প্রযুক্তিনির্ভর, পরিবীক্ষণ, মূল্যায়ন ও নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে। ভ্যাট আহরণ-ব্যবস্থাপনায় প্রযুক্তিগত উন্নয়ন হবে, রাজস্ব আহরণ প্রসারিত হবে, রাজস্ববিষয়ক মামলায় প্রযুক্তির ব্যবহার করা যাবে, এনবিআরের মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে, রাজস্ব বৃদ্ধি পাবে, রাজস্ব আহরণে ক্যাশলেস, উদ্যোক্তামুখী, জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতি বিনির্মাণে জনমানুষের সর্বোচ্চ অংশগ্রহণ নিশ্চিত হবে।

এসব কর্মপরিকল্পনার বিষয়ে এনবিআরের সাবেক চেয়ারম্যান ড. আবদুল মজিদ বলেন, ১৯৯০ সাল থেকে এখন পর্যন্ত অন্তত ২৪টি এ রকম নতুন নামে-শিরোনামে প্রকল্প ও পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। কিন্তু এনবিআর সেই আগের মতোই আছে। এগুলো নতুন না।

এগুলো আইওয়াশ। যারা এনবিআরের সংস্কার করবে ও যাদের জন্য করবে তারা কেউই চায় না সংস্কার করা হোক। এনবিআরের সংস্কার তৃতীয় পক্ষ বা রাষ্ট্রকে করতে হবে, চাপ প্রয়োগ করতে হবে। এখানে রাজনৈতিক সদিচ্ছা থাকতে হবে, তাহলেই এগুলো বাস্তবায়ন সম্ভব।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

শিল্প-বাণিজ্য

কর্মপরিকল্পনা দ্রুত বাস্তবায়নে শিল্পমন্ত্রীর আহবান

Published

on

বেস্ট

বর্তমান সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার ২০২৪ এর আলোকে প্রণীত কর্মপরিকল্পনা দ্রুত বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ ও কর্মপন্থা নির্ধারণে কর্মকর্তাদের প্রতি আহবান জানিয়েছেন শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন। তিনি বলেন, শিল্প মন্ত্রণালয়কে একটি আধুনিক, যুগোপযোগী ও গতিশীল মন্ত্রণালয় হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।

মঙ্গলবার (১৬ এপ্রিল) রাজধানীর মতিঝিলে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে শিল্প মন্ত্রণালয় আয়োজিত ঈদ পুনর্মিলনী ও নববর্ষের শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ আহবান জানান।

মন্ত্রী বলেন, সার্বিক বিবেচনায় শিল্প মন্ত্রণালয়ের পারফরম্যান্স খুব ভালো। এটিকে আরো এগিয়ে নিতে প্রধানমন্ত্রী আমার ওপর আস্থা রেখে দ্বিতীয় বারের মতো এ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দিয়েছেন।

তিনি বলেন, শিল্প মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত প্রধানমন্ত্রীর দিক নির্দেশনাসমূহ ও চলমান প্রকল্পসমূহ দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে। মন্ত্রী এ সময় সততা, দেশপ্রেম, দায়িত্ববোধ ও টিমওয়ার্কের সঙ্গে কাজ করার জন্য কর্মকর্তাদের প্রতি আহবান জানান।

শিল্প মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব জাকিয়া সুলতানার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাবৃন্দ ও আওতাধীন দপ্তর-সংস্থার প্রধানগণ মন্ত্রীর সঙ্গে তাদের ঈদ ও নববর্ষের শুভেচ্ছা বিনিময় ও উদযাপনের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেন।

সিনিয়র সচিব জাকিয়া সুলতানা এ সময় বলেন, এবারের ঈদ যাত্রা বেশ নির্বিঘ্ন ছিল। সাধারণ জনগণকে কোন ভোগান্তি পোহাতে হয়নি।

অনুষ্ঠানে মন্ত্রী বর্তমান সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার ২০২৪ এর আলোকে শিল্প মন্ত্রণালয় প্রণীত ‘কর্মপরিকল্পনা ২০২৪-২০২৮’ শীর্ষক পুস্তিকার মোড়ক উন্মোচন করেন।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

শিল্প-বাণিজ্য

পণ্যের দাম ঠিক রাখতে বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে: প্রতিমন্ত্রী

Published

on

বেস্ট

ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যকার চলমান উত্তেজনার জেরে দেশে বিভিন্ন পণ্যের দাম যাতে না বাড়ে সেজন্য বিকল্প দেশ থেকে পণ্য আমদানি এবং সরবরাহ ব্যবস্থা ঠিক রাখার চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু।

মঙ্গলবার (১৬ এপ্রিল) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে মিট দ্য প্রেসে তিনি এ তথ্য জানান। এসময় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি শুক্কুর আলী শুভ এতে সভাপতিত্ব‌ করেন।

এসময় বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, ইরান ও ইসরায়েল হঠাৎ করে হামলা করেছে। এটা আমাদের জানা ছিল না। মধ্যপ্রাচ্য থেকে জ্বালানি তেলসহ অন্যান্য পণ্য আসে। এখন ইসরায়েল ইরানে পাল্টা হামলা চালাবে কি-না জানি না। তারপর সব বিষয় মাথায় রেখে পণ্যের দাম যেন না বাড়ে, সেজন্য আমরা বিকল্পভাবে পণ্য আনার চেষ্টা করছি।

তিনি আরও বলেন, টিসিবির পণ্যকে দোকানের মধ্যে নিয়ে আসার পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়া, টিসিবি কার্ড পাওয়া ব্যক্তিদের তালিকা হালনাগাদ করা হবে।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

অর্থনীতি

নয় মাসে পান রপ্তা‌নি আয় ২০০ কো‌টি টাকা

Published

on

বেস্ট

গ্রামগঞ্জ থেকে শুরু করে শহরে পর্যন্ত রয়েছে পানের জনপ্রিয়তা। বাঙালি সংস্কৃতি আর আভিজাত্যের অন্যতম একটি অংশ পান। বিয়ে কিংবা দাওয়াত; এক খিলি পান ছাড়া যেন কোনো আচার-অনুষ্ঠান চলেই না। শিল্পির কণ্ঠে গান ‘যদি সুন্দর একটা মুখ পাইতাম মহেশখালীর পানের খিলি তারে বানাই খাওয়াইতাম’, ‘পান খাইলে সুপারি লাগে, আরো লাগে চুন, ঘষিয়া ঘষিয়া জ্বলে পীরিতের আগুন’। পান নিয়ে এমন অনেক গান, কবিতা, প্রবাদ আছে, যা আমাদের সাহিত্যকে করেছে সমৃদ্ধ। বাঙালি সাহিত্য-সংস্কৃতির সঙ্গে অর্থনীতিকেও সমৃদ্ধ করছে পান। অলি-গলির দোকান পেরিয়ে পান যাচ্ছে বিদেশে। রপ্তানিতে আয় করছে কোটি কোটি টাকার বৈদেশিক মুদ্রা।

কক্সবাজারের মহেশখালী, রাজশাহী, দিনাজপুর, রাজবাড়ী, কুষ্টিয়াসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় পান চাষ হয়। দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদা মিটিয়ে এখন বিদেশে রপ্তানি হচ্ছে অর্থকরী এ ফসল।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) সবশেষ প্রকাশিত পরিসংখ্যানের তথ্যানুযায়ী, চলতি অর্থবছরের (জুলাই-মার্চ) ৯ মাসে পান রপ্তানি করে বাংলাদেশ আয় করেছে এক কোটি ৮২ লাখ মার্কিন ডলার। যা দেশীয় মুদ্রায় ২০০ কোটি টাকার বেশি (প্র‌তি ডলার ১১০ টাকা ধরে)।

ইপিবির তথ্য বলছে, গত ২০২২-২৩ অর্থবছরে পান রপ্তানি করে বাংলাদেশ আয় করেছিল এক কোটি ২৭ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার। রপ্তানির লক্ষ্য বাড়িয়ে চলতি অর্থবছরে ঠিক করা হয় এক কোটি ৪০ লাখ ডলার। তবে গত ৯ মাসে লক্ষ্যের চেয়ে ৭৪ শতাংশ বেশি পান রপ্তানি হয়েছে। অর্থবছর শেষে পান রপ্তানির এ অংক আরো বাড়বে বলে সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা।

পান রপ্তানির বিষয় জানতে চাইলে কৃষি মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব ড. মো. মাহমুদুর রহমান বলেন, পান রপ্তানি বাড়াতে সরকার জোর দিয়েছে। রপ্তানিকারকদের নগদ সহায়তার পাশাপাশি কোল্ড স্টোরেজের সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া কৃষি মন্ত্রণালয় নিয়মিত মনিটরিং করছে। কোনো সমস্যা দেখা দিলে সঙ্গে সঙ্গে তা সমাধানের উদ্যোগ নিচ্ছে। যার ফলে এবার পান রপ্তানি লক্ষ্যের চেয়ে বেশি হয়েছে। আগামীতে রপ্তানি আরো বাড়ছে বলে প্রত্যাশা করেন এ কর্মকর্তা।

খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পান পাতা বাজারে বিক্রি হয় পণ বা বিড়া হিসেবে। প্রতি পণে ৮০টি পাতা থাকে। স্থানীয় বাজারে প্রতি পণ পানের দাম পাওয়া যায় ৪০ থেকে ১২০ টাকা। অর্থাৎ আকারভেদে প্রতিটি পাতা ৫০ পয়সা থেকে দেড় টাকায় বিক্রি হয়। দেশের বাজারে দুই ধরনের পানের (দেশি পাতা ও মিঠা পাতা) চাহিদা থাকলেও শুধু মিষ্টি পানই বিদেশে রপ্তানি হয়। রপ্তানির জন্য বাছাই করা ভালোমানের পান পাতা প্রতিটি ২ থেকে ৪ টাকা করে বা প্রতি পণ ১৬০ থেকে ৩২০ টাকা দরে বিক্রি হয়।

ইপিবির তথ্য অনুযায়ী, গত ২০২২-২৩ অর্থবছরে সার্বিক ৫ হাজার ৫৫৬ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছিল বাংলাদেশ। ওই সময় প্রবৃদ্ধি হয়েছিল ৬ দশমিক ৬৭ শতাংশ। চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরে রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৬ হাজার ২০০ কোটি ডলার। অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসে (জুলাই-মার্চ) ৪ হাজার ৩৫৫ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছে। এই আয় গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ৪ দশমিক ৩৯ শতাংশ বেশি। তবে নয় মাসে রপ্তানি আয়ে প্রবৃদ্ধি হলেও লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৫ দশমিক ৮৬ শতাংশ পিছিয়ে আছে বাংলাদেশ।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন
বেস্ট
পুঁজিবাজার3 mins ago

বেস্ট হোল্ডিংসের পর্ষদ সভা ২৯ এপ্রিল

বেস্ট
পুঁজিবাজার7 mins ago

জেমিনি সি ফুডের পর্ষদ সভার তারিখ নির্ধারণ

বেস্ট
পুঁজিবাজার7 mins ago

রহিম টেক্সটাইলের পর্ষদ সভা ২৯ এপ্রিল

বেস্ট
পুঁজিবাজার12 mins ago

আইটিসির পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা

বেস্ট
পুঁজিবাজার16 mins ago

পর্ষদ সভা করবে আরএকে সিরামিকস

বেস্ট
পুঁজিবাজার25 mins ago

পর্ষদ সভার তারিখ জানালো সিলকো ফার্মা

বেস্ট
পুঁজিবাজার29 mins ago

এমজেএল বিডির পর্ষদ সভার তারিখ নির্ধারণ

বেস্ট
পুঁজিবাজার31 mins ago

নাহি অ্যালুমিনিয়ামের পর্ষদ সভা ২৯ এপ্রিল

বেস্ট
পুঁজিবাজার43 mins ago

পর্ষদ সভার তারিখ জানালো ডাচ-বাংলা ব্যাংক

বেস্ট
জাতীয়43 mins ago

বাংলাদেশ-কাতারের মধ্যে ১০ চুক্তি ও সমঝোতা সই

বেস্ট
পুঁজিবাজার48 mins ago

পর্ষদ সভা করবে মোজাফফর হোসেন স্পিনিং

বেস্ট
পুঁজিবাজার50 mins ago

মালেক স্পিনিংয়ের পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা

বেস্ট
পুঁজিবাজার53 mins ago

পর্ষদ সভা করবে বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবল

বেস্ট
পুঁজিবাজার55 mins ago

পর্ষদ সভার তারিখ জানালো কেডিএস এক্সেসরিজ

Delta Spinners
পুঁজিবাজার59 mins ago

ডেল্টা স্পিনার্সের পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা

বেস্ট
পুঁজিবাজার1 hour ago

পর্ষদ সভা করবে ক্রাউন সিমেন্ট

বেস্ট
পুঁজিবাজার1 hour ago

আড়াই ঘণ্টায় লেনদেন ৩১১ কোটি টাকা

বেস্ট
পুঁজিবাজার1 hour ago

এডিএন টেলিকমের পর্ষদ সভার তারিখ নির্ধারণ

বেস্ট
পুঁজিবাজার2 hours ago

বিএসআরএম লিমিটেডের পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা

বেস্ট
পুঁজিবাজার2 hours ago

পর্ষদ সভা করবে সাভার রিফ্র্যাক্টরিজ

বেস্ট
পুঁজিবাজার2 hours ago

পর্ষদ সভার তারিখ জানালো বিএসআরএম স্টিলস

বেস্ট
পুঁজিবাজার2 hours ago

পর্ষদ সভার তারিখ জানালো পেনিনসুলা

বেস্ট
পুঁজিবাজার2 hours ago

সিভিও পেট্রোকেমিক্যালের পর্ষদ সভা ৩০ এপ্রিল

বেস্ট
পুঁজিবাজার2 hours ago

রিপাবলিক ইন্স্যুরেন্সের পর্ষদ সভা ২৯ এপ্রিল

বেস্ট
পুঁজিবাজার2 hours ago

পর্ষদ সভার তারিখ জানালো রানার অটোমোবাইলস

ফেসবুকে অর্থসংবাদ

২০১৮ সাল থেকে ২০২৩

অর্থসংবাদ আর্কাইভ

তারিখ অনুযায়ী সংবাদ

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০