Connect with us

লাইফস্টাইল

অগ্নিকাণ্ডে ধোঁয়া থেকে নিজেকে রক্ষা করবেন যেভাবে

Published

on

ট্রাম্পে

ভয়াবহ এক আতঙ্গের নাম আগুন। যেকোনো সময় ঘটে যায় ভয়াবহ এ দুর্ঘটনা। যেকোনো অগ্নিকাণ্ডে আগুনে পুড়ে যতটা মৃত্যু হয়, তার চেয়ে বেশি মৃত্যু হয় ধোঁয়ার কারণে শ্বাস বন্ধ হয়ে। আগুন লাগার বিভিন্ন কারণ রয়েছে। অনেক সময় দেখা যায় আমাদের অবহেলা জনিত কারণে ঘটে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা। তবে বেশিরভাগ অগ্নিকাণ্ড ঘটছে বৈদ্যুতিক ত্রুটি কিংবা গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণের কারণে। তাই অগ্নিকাণ্ড থেকে বাঁচতে এখন সবার আগে যেটা প্রয়োজন, সেটা হলো আমাদের সচেতনতা।

চলুন জেনে নিই আগুন লাগলে নিজেকে ধোঁয়া থেকে রক্ষা করবেন কিভাবে-

কোথাও আগুন লাগলে প্রথমেই সেখান থেকে নিরাপদ দূরত্বে যেতে চেষ্টা করুন। আগুন লাগা ভবনে ইমারজেন্সি ডোর থাকলে সেটা দিয়ে বের হওয়ার চেষ্টা করুন। সিঁড়ি দিয়ে নিচে নামুন। ভুলেও লিফট ব্যবহার করবেন না।

আতঙ্কিত হওয়া চলবে না- আগুন লাগলে ভয় না পেয়ে স্বাভাবিক থাকার চেষ্টা করুন। কারণ ভয়ে আতঙ্কিত হয়ে গেলে হার্টবিট বেড়ে যায়। যা থেকে হার্টফেল হওয়ার আশঙ্কা থাকে। অন্য দিকে জোরে জোরে শ্বাস নেয়ার ফলে আগুন থেকে বর্জিত নাইট্রোজেন ডাই অক্সাইড আমাদের নিশ্বাসে অতিরিক্ত মাত্রায় মিশে যায়। যা থেকে শ্বাসরোধ হয়ে মারা যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

ধোঁয়া থেকে দূরে যান- আগুনের ধোঁয়ার ভেতরে আটকা পড়লে মুখ না ঢেকে বের হতে যাবেন না। আবার হেঁটেও বের হবেন না। ধোঁয়ার ভেতর থেকে নিচু হয়ে বা হামাগুড়ি দিয়ে কিংবা গড়াতে গড়াতে বের হতে হবে। তা না হলে ধোঁয়ার বিষাক্ত গ্যাস চোখে-মুখে গিয়ে বিপদ বাড়াতে পারে। আগুনের ধোঁয়া থেকে নির্গত নাইট্রোজেন ডাই অক্সাইড গ্যাস বিষাক্ত তাই যতটা সম্ভব ধোঁয়া থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করুন। এটি চোখে মুখে গেলে প্রাণহানির আশঙ্কা থাকে।

ভেজা কাপড়ে মুখ ঢাকুন- আগুনে আটকা পড়লে শুধু নাক দিয়ে নিঃশ্বাস নিন। মুখ দিয়ে শ্বাস নেবেন না। এ সময় কাপড় বা তোয়ালে ভিজিয়ে তা দিয়ে মুখ ঢেকে রাখুন। প্রয়োজনে তোয়ালে দাঁত ও ঠোঁট দিয়ে চেপে রাখুন। এটি আপনাকে নাক দিয়ে শ্বাস নিতে সাহায্য করবে।

জানালা খুলে দিন- ধোঁয়া দেখা গেলে জানালা ভেঙ্গে দেবেন না। যদি দেখেন জানালার দিকে আগুন বা ধোঁয়া নেই তাহলে তা খুলে তাজা বাতাস নেয়ার চেষ্টা করুন শ্বাস নেওয়ার জন্য।

আপনার কাপড়ে যদি আগুন লেগে যায়- এমন পরিস্থিতিতে সঙ্গে সঙ্গে মেঝেতে শুয়ে পড়ুন। এবার মেঝেতে সারা শরীর গড়াগড়ি করতে থাকুন যতক্ষণ না আগুন নিভে যায়। এরকম করলে আগুন দ্রুত নিভে যাবে। গড়াগড়ি খাওয়ার সময় হাত দিয়ে মুখ ঢেকে নেবেন যেন আগুনের আভা মুখে এসে না লাগে। আগুন লাগলে লাফালাফি করবেন না। এতে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে যায়।

রুম বন্ধ- আগুনের ধোঁয়া রুমে সহজে ছড়িয়ে পড়তে পারবে না সেজন্য রুমের দরজা বন্ধ করে দিন। দরজার নিচে ও উপরে কাপড় ভিজিয়ে তা দিয়ে দরজার ফাঁকা অংশ বন্ধ করে দিন।

হামাগুড়ি দিন- বের হওয়ার কোনো পথ পেলে হামাগুড়ি দিয়ে বেরোনোর চেষ্টা করুন। এতে মেঝের সতেজ বাতাস আপনাকে শ্বাস নিতে সাহায্য করবে। দরজা খোলার আগে হাত দিয়ে তা ধরে দেখুন। গরম লাগলে খুলবেন না। বুঝবেন দরজার ওপাশে আগুন আছে।

কাফি

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

লাইফস্টাইল

ভাত খেলেও বাড়বে না ওজন

Published

on

ট্রাম্পে

ভাত বাঙালির প্রিয় খাবার। অনেকেই ওজন কমানোর জন্য ভাত খাওয়া পুরোপুরি বন্ধ করে দেন। পুষ্টিবিদের মতে, সঠিক পদ্ধতিতে ভাত খেলে ওজনও বাড়বে না পাশাপাশি স্বাস্থ্যও থাকবে ভালো।

রান্নার পদ্ধতি
ভাত রান্নার সময় যদি শুধুমাত্র চাল ধুয়ে চুলায় বসানো হয়, তবে স্টার্চ বের হয় না।

কিন্তু যদি চাল আধা ঘণ্টা ভিজিয়ে রেখে, সেই পানি ফেলে নতুন পানিতে ভাত রান্না করা হয়, তাহলে প্রথমেই কিছু পরিমাণ স্টার্চ বের হয়ে যায়। এর ফলে কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণ কমে যায়। প্রেশার কুকারে রান্না করা ভাত কম স্বাস্থ্যকর।

খাওয়ার পদ্ধতি
ভাতকে ডাল, ভাজি, তরকারি, সালাদ ইত্যাদির সঙ্গে মেশালে এর গ্লাইসেমিক ইনডেক্স (জিআই) কমে যায়।

কারণ এসব খাবারে প্রচুর ফাইবার ও প্রোটিন থাকে। শুধু লবণ দিয়ে ফ্যান-ভাত খেলে জিআই কমবে না।

খাওয়ার সময়
ভাত খাওয়ার সেরা সময় দুপুর। রাতে ভাত কম খাওয়াই ভালো।

কারণ রাতে শরীরের নড়াচড়া কম থাকে এবং কার্বোহাইড্রেটের বিপাক কম হয়। তবে সবচেয়ে ভালো সময় হলো জিম বা শরীরচর্চার পর ভাত খাওয়া। কারণ তখন শরীর আরো বেশি ক্যালোরি বার্ন করে।

কত পরিমাণ খেতে হবে
ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে চাইলে দিনে ৩০ গ্রাম চালের ভাত রান্না করা উচিত, যা এক কাপের সমান। এতে প্রায় ১৫০-১৭০ কিলোক্যালোরি থাকে।

ভাতের উপকারিতা
ভাত ভিটামিন বি, ফলিক অ্যাসিড ও ম্যাগনেশিয়ামের ভালো উৎস। এটি অন্ত্র ও ত্বকের জন্য উপকারী। বাজারে বিভিন্ন ধরনের চাল পাওয়া যায় অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টে ভরপুর কালো চাল। বাদামি চাল যা ফাইবারে সমৃদ্ধ এবং লাল চাল যার প্রদাহবিরোধী বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এসব চাল ক্যানসার প্রতিরোধে সাহায্য করতে পারে। ভাত খেতে হবে কিন্তু সঠিক পদ্ধতিতে, তবেই তা শরীরের জন্য উপকারী।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

লাইফস্টাইল

কাঁচা আম খাওয়ার উপকারিতা

Published

on

ট্রাম্পে

কাঁচা আম গ্রীষ্মকালের একটি অতি জনপ্রিয় ফল। আমাদের শৈশবের স্মৃতি মনে করিয়ে দেয় যখন আমরা এই টাটকা, রসালো ফলটিকে মরিচ ও লবণ দিয়ে খাই। কাঁচা আমের নাম শুনলেই মুখে পানি চলে আসে। কাঁচা আম যে শুধু মজার তাই নয়, বেশ পুষ্টি সমৃদ্ধও।

বাজারে এখন কাঁচা আম পাওয়া যাচ্ছে। দামও নাগালেই। তাই আজকে আমরা কাঁচা আমের উপকারিতা জেনে নিব।
শরীর শীতল রাখতে সহায়ক

গ্রীষ্মে গরমের তীব্রতা কমাতে এবং শরীরকে ঠান্ডা রাখতে কাঁচা আমের রস দারুণ কাজ করে।

এটি শরীরের প্রয়োজনীয় মিনারেল এবং সোডিয়ামের ভারসাম্য বজায় রাখে, যা ঘাম ঝরানোর ফলে হারিয়ে যায়। তাই এটি শরীরকে শীতল রাখতে সহায়ক।

হজম সমস্যা নিরাময়
কাঁচা আম হজম সমস্যা সমাধানে কার্যকরী। এটি হজম রসের উৎপাদন বাড়ায় এবং কোষ্ঠকাঠিন্য, অজীর্ণতা, অ্যাসিডিটি, গ্যাস্ট্রিক এবং বমি বমি ভাবের মতো সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে।

হৃদরোগ প্রতিরোধে সহায়ক
কাঁচা আমে থাকা বিটা-ক্যারোটিন এবং ফাইবার হৃদরোগ প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটি কোলেস্টেরল কমাতে, রক্ত সঞ্চালন উন্নত করতে এবং হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে সহায়ক।

যকৃৎ (লিভার) স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী
কাঁচা আম যকৃৎ পরিষ্কার করতে সহায়ক এবং এটি তেল শোষণের ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। এটি গোপন বাইল অ্যাসিডের স্রাব বৃদ্ধিতে সহায়তা করে যা টক্সিন পরিষ্কার করতে সাহায্য করে।

মুখের স্বাস্থ্য
কাঁচা আম মুখগহ্বরের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে কার্যকর।

এটি দাঁতের মাড়ি থেকে রক্ত পড়া কমাতে এবং দাঁতের ক্ষয় প্রতিরোধে সহায়ক। পাশাপাশি খাওয়া থেকে দুর্গন্ধ দূর করতেও সাহায্য করে।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়
কাঁচা আমে প্রচুর ভিটামিন সি ও এ থাকে, যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সহায়ক। এটি ত্বক ও চুলের স্বাস্থ্যও উন্নত করে এবং শরীরকে নানা ধরণের সংক্রমণ থেকে রক্ষা করে।

অতিরিক্ত খাওয়ার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
পরিমিত পরিমাণে কাঁচা আম বেশিরভাগ প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য উপকারী। তবে বেশি পরিমাণে কাঁচা আম খেলে বদহজম, পেটে ব্যথা, আমাশয় এবং গলা জ্বালা হতে পারে। মনে রাখবেন, কাঁচা আম খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ঠান্ডা পানি পান করবেন না কারণ এটি জ্বালা বাড়ায়।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

লাইফস্টাইল

গরমে খেজুর খাওয়া কি উপকারী?

Published

on

ট্রাম্পে

খেজুরকে বলা হয় প্রাকৃতিক মিষ্টি। এর সুস্বাদু স্বাদের পাশাপাশি, খেজুর প্রয়োজনীয় ভিটামিন এবং খনিজ পদার্থে ভরপুর যা একাধিক স্বাস্থ্য উপকারিতা দেয়। তবে অনেকে মনে করে যে খেজুর শীতের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত, তাদের ধারণা এটি তাপ উৎপন্ন করে এবং শরীরকে উষ্ণ করে। কিন্তু এটা কি সত্য?

খেজুর কি শরীরের ওপর উষ্ণতার প্রভাব ফেলে?

আসলে তা নয়। খেজুর আসলে প্রকৃতিতে শীতল, যা গ্রীষ্মের খাবারের জন্য এটি একটি দুর্দান্ত সংযোজন। এটি ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, কপার, আয়রন, ভিটামিন বি৬ এবং ফলিক অ্যাসিড সমৃদ্ধ, যা সাপ্লিমেন্টের প্রয়োজন ছাড়াই পুষ্টির বৃদ্ধি করে। খেজুর খাওয়ার পরে যদি কেউ উষ্ণতা অনুভব করে তা এর শুষ্ক, ডিহাইড্রেটেড প্রকৃতির কারণে।

খেজুর খাওয়ার পরে ডিহাইড্রেশন কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করবেন

খেজুর খাওয়ার পরে যদি আপনি তৃষ্ণার্ত বা ডিহাইড্রেশন অনুভব করেন, তাহলে মাখনের সঙ্গে এটি মিশিয়ে খেতে পারেন। খেজুর কেটে সামান্য মাখন যোগ করে খাবেন। এই মিশ্রণটি বাত এবং পিত্তের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে, যা অতিরিক্ত রক্তপাত, অর্শ এবং তৃষ্ণার মতো সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে।

গরমে খেজুর খাওয়ার সবচেয়ে ভালো উপায় কী?

মাল্টার রসের সঙ্গে খেজুর খেতে পারেন। মাল্টার ভিটামিন সি এবং খেজুরের আয়রনের মিশ্রণ পুষ্টির শোষণ বাড়াতে কাজ করবে। উষ্ণ আবহাওয়ায় খেজুর উপভোগ করার আরেকটি উপায় হলো কয়েক ঘণ্টা ভিজিয়ে রেখে সকালে প্রথমে খাওয়া।

খেজুরের প্রাকৃতিক মিষ্টিতার কারণে এটি দিয়ে সহজেই শেক তৈরি করা যায়। স্বাস্থ্যকর, চিনি-মুক্ত পানীয় তৈরি করতে আপনার প্রিয় ফলের সঙ্গে মিশিয়ে খেজুরের শেক তৈরি করে খান। এতে গরমে পানিশূন্যতাও অনেকটা দূর হবে।

খেজুর কেক, রুটি, কুকিজ এবং পাইতে প্রাকৃতিক মিষ্টি যোগ করে। বেক করার আগে এগুলো কেটে নিন এবং আপনার ব্যাটারে মিশিয়ে নিন। এতে খেতে যেমন সুস্বাদু হবে তেমনই বাড়তি পুষ্টিও যোগ হবে।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

লাইফস্টাইল

অ্যাসিডিটি থেকে মুক্তি পাওয়ার ঘরোয়া উপায়

Published

on

ট্রাম্পে

গ্রীষ্মকাল মানেই আম, আইসক্রিম এবং সতেজ পানীয়। তবে এটি এমন একটি ঋতু যখন অ্যাসিডিটির সমস্যা আরও বেড়ে যেতে পারে। অসহ্য তাপ, একাধিক কাপ চা এবং লোভনীয় মসলাদার খাবার আপনার বুকে জ্বালাপোড়া সৃষ্টি করতে পারে। গরম আবহাওয়ায় অ্যাসিডিটি বেড়ে যায়। কারণ ডিহাইড্রেশন, অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস এবং ভারী খাবার হজমের ওপর প্রভাব ফেলে। অ্যান্টাসিড দ্রুত উপশম দিতে পারে, তবে এটি দীর্ঘমেয়াদী সমাধান নয়। অ্যাসিডিটি কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে জীবনযাপনে কিছু পরিবর্তন আনতে হবে-

১. ঘন ঘন খাবার খান
সারাদিন ছোট অংশে ঘন ঘন খাবার খেলে তা অ্যাসিডিটি নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করতে পারে। এই অভ্যাস অতিরিক্ত পেটের অ্যাসিড উৎপাদন রোধ করে এবং অতিরিক্ত খাওয়ার সম্ভাবনা কমায়, যা অ্যাসিড রিফ্লাক্সের কারণ হতে পারে।

২. ভাজা খাবার এড়িয়ে চলুন
ভাজা খাবার হজমের ওপর ভারী প্রভাব ফেলতে পারে এবং অ্যাসিড রিফ্লাক্সের ঝুঁকি বাড়ায়। এ ধরনের খাবার এড়িয়ে চললে অস্বস্তি রোধ করা যায়, এতে খাবারের পরে পেট ফাঁপা কম হয়।

৩. মসলাদার খাবার সীমিত করুন
যদি ঘন ঘন অ্যাসিডিটি হয় তাহলে মসলাদার খাবার খাওয়া কমাতে হবে। বিশেষজ্ঞের মতে, মসলাদার খাবার পেটের আস্তরণ এবং খাদ্যনালীতে জ্বালাপোড়া করতে পারে, যা উভয়ই অ্যাসিডিটিতে অবদান রাখে। খাদ্যতালিকা থেকে এ ধরনের খাবার বাদ দিলে এই সমস্যা অনেকটাই কমে আসবে।

৪. খাবারের পরে সোজা থাকুন
খাওয়ার পরপরই শুয়ে পড়লে অ্যাসিডটি আরও বেড়ে যেতে পারে। বিশেষজ্ঞরা খাওয়ার পর সোজা থাকার পরামর্শ দেন যাতে মাধ্যাকর্ষণ শক্তি পেটের অ্যাসিডকে সঠিক স্থানে রাখতে পারে, যা অ্যাসিডিটির সম্ভাবনা হ্রাস করে।

৫. ৮০ শতাংশ পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত খান
অতিরিক্ত খাওয়ার পরিবর্তে, ৮০ শতাংশ পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত খাওয়ার চেষ্টা করুন। এই অভ্যাস গ্যাস্ট্রিকের চাপ কমাতে সাহায্য করে এবং অ্যাসিডটি কমায়।

৬. খাবারের পরপরই পানি পান করা এড়িয়ে চলুন
খাওয়ার পরপরই পানি পান করলে পাকস্থলীর অ্যাসিড পাতলা হতে পারে, যা হজমে প্রভাব ফেলে। পানি পান করার আগে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করলে তা সঠিক হজমের জন্য প্রয়োজনীয় অ্যাসিড ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

লাইফস্টাইল

ঈদে বেশি খেয়ে অস্বস্তি হলে করনীয়

Published

on

ট্রাম্পে

স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে উৎসব-আয়োজনে খাবার বেশি খাওয়া হয়। তবে খাবার অতিরিক্ত খাওয়া হলেই পোহাতে হয় ভোগান্তি। অতিরিক্ত খাওয়ার ফলে শারীরিক বিভিন্ন অসুস্থতা দেখা দিতে পারে। যেমন- পেট ফুলে থাকা, নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া, পেটে ব্যথাসহ বিভিন্ন সমস্যা ইত্যাদি। তাই ঈদে অতিরিক্ত খেলে ফেললেও কয়েকটি কাজের মাধ্যমে আপনি শারীরিক সমস্যা এড়াতে পারবেন-

>> বেশি খেয়ে ফেললে ঠান্ডা জায়গায় থাকার চেষ্টা করুন। এরপর আস্তে আস্তে হাঁটহাঁটি করুন। এতে আপনার পাচনক্রিয়া দ্রুত কাজ করবে।

>> অতিরিক্ত খাওয়ার ফলে অস্বস্তির সঙ্গে অ্যাসিডিটি বা পেটে গ্যাসের সমস্যায় ভোগেন, তবে খাওয়ার আধঘণ্টা পর একটি গ্যাসের ট্যাবলেট খেয়ে নিতে পারেন।

>> একটু পর পর অল্প অল্প করে পানি পান করুন। এতে খাবারের মাধ্যমে শরীরে জমা হওয়া অতিরিক্ত লবণের মাত্রা কমবে। ফলে কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্তি পাবেন ও শরীর আর্দ্র থাকবে।

>> অতিরিক্ত খাওয়ার পর কখনো কোমল পানীয় পান করবেন না। এর ফলে গ্যাস্ট্রিক আরও বেড়ে যাবে। ফলে পেট আরও ভরা ভরা ও অস্বস্তি লাগবে।

>> অনেকেরই অতিরিক্ত খাওয়ার পর বমি বমি ভাবসহ নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হয়। এমন হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

পুঁজিবাজারের সর্বশেষ

ট্রাম্পে ট্রাম্পে
আন্তর্জাতিক6 hours ago

ট্রাম্পের পাল্টা শুল্কের ঘোষণায় বিশ্ব পুঁজিবাজারে ধস

অর্থসংবাদ whatsapp চ্যানেল ফলো করুন ২ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্রের ‘স্বাধীনতা দিবস’ হিসেবে আগেই ঘোষণা দিয়ে রেখেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। অর্থাৎ...

ট্রাম্পে ট্রাম্পে
পুঁজিবাজার5 days ago

কলম্বো ও পাকিস্তান স্টক এক্সচেঞ্জের সঙ্গে ডিএসইর সমঝোতা

অর্থসংবাদ whatsapp চ্যানেল ফলো করুন দক্ষিণ এশিয়ার এক্সচেঞ্জগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদার করার জন্য একটি কার্যকরী পদক্ষেপ হিসেবে ঢাকা স্টক...

ট্রাম্পে ট্রাম্পে
পুঁজিবাজার6 days ago

সাপ্তাহিক দরপতনের শীর্ষে ইবিএল ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড

অর্থসংবাদ whatsapp চ্যানেল ফলো করুন বিদায়ী সপ্তাহে (২৩ মার্চ-২৮ মার্চ) দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর...

ট্রাম্পে ট্রাম্পে
পুঁজিবাজার6 days ago

সাপ্তাহিক দরবৃদ্ধির শীর্ষে এবি ব্যাংক ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড

অর্থসংবাদ whatsapp চ্যানেল ফলো করুন বিদায়ী সপ্তাহে (২৩ মার্চ-২৭ মার্চ) দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেনে অংশ নেয়া...

Orion Infusion Orion Infusion
পুঁজিবাজার6 days ago

সাপ্তাহিক লেনদেনের শীর্ষে ওরিয়ন ইনফিউশন

অর্থসংবাদ whatsapp চ্যানেল ফলো করুন বিদায়ী সপ্তাহে (২৩ মার্চ থেকে ২৭ মার্চ) দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেনে...

ট্রাম্পে ট্রাম্পে
অন্যান্য7 days ago

বাজার মূলধন বেড়েছে ২৩৪৯ কোটি টাকা, কমেছে লেনদেন

অর্থসংবাদ whatsapp চ্যানেল ফলো করুন বিদায়ী সপ্তাহে (২৩ মার্চ থেকে ২৭ মার্চ) দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূচকের...

ট্রাম্পে ট্রাম্পে
পুঁজিবাজার1 week ago

গ্রীন ডেল্টা ইন্স্যুরেন্সের ২৫ শতাংশ লভ্যাংশ অনুমোদন

অর্থসংবাদ whatsapp চ্যানেল ফলো করুন গ্রীন ডেল্টা ইন্স্যুরেন্স পিএলসির ৩৯তম বার্ষিক সাধারণ সভা আজ বৃহস্পতিবার (২৭ মার্চ) অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনলাইন...

Advertisement
Advertisement

Advertisement

সোশ্যাল মিডিয়া

২০১৮ সাল থেকে ২০২৩

অর্থসংবাদ আর্কাইভ

তারিখ অনুযায়ী সংবাদ

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০১১
১৩১৫১৬১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭৩০