Connect with us

শিল্প-বাণিজ্য

উন্নত দেশ গঠনে লজিস্টিক খাতের উন্নয়ন অপরিহার্য: এফবিসিসিআই

Published

on

পর্ষদ সভা

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের সঙ্গে সঙ্গে পণ্য পরিবহন, সংরক্ষণ ও গুণগত মান বজায় রেখে স্বল্প সময়ে ও সাশ্রয়ী মূল্যে সেটি ভোক্তাদের কাছে পৌঁছে দিতে আধুনিক ও মানসম্মত লজিস্টিক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা জরুরি। এছাড়া প্রতিযোগিতামূলক বিশ্ব বাজারে টিকে থাকতে আমদানি রপ্তানি সহজ করার ক্ষেত্রে লজিস্টিক খাতের উন্নয়ন খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

শনিবার (২ মার্চ) সকালে এফবিসিসিআই স্ট্যান্ডিং কমিটি অন লজিস্টিকস, কুরিয়ার সার্ভিস এবং ফ্রেইট ফরওয়ার্ডিংয়ের সভায় এসব কথা বলেন উদ্যোক্তারা।

সভায় ভার্চুয়ালি অংশ নিয়ে এফবিসিসিআই সভাপতি মাহবুবুল আলম বলেন, আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের সঙ্গে তাল মিলিয়ে দেশের দক্ষ লজিস্টিকস খাতের উন্নয়ন করতেই হবে। নতুবা আমরা বিশ্ব প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে যাবো। শিল্প নীতির আলোকে ২১টি উপ-খাতে সমানভাবে গুরুত্ব দিতে হবে।

জাতীয় লজিস্টিকস উন্নয়ন নীতি-২০২৪ এর খসড়ার ওপর আলোচনায় তিনি বলেন, আগামীতে দক্ষ লজিস্টিকস সেবা খাতের উন্নয়নে আকাশপথ, সড়ক ও রেল যোগাযোগের পাশাপাশি নৌপথে যোগাযোগ বাড়াতে হবে। ব্যবসার খরচ কমাতে এবং ইজ অব ডুয়িং বিজনেসের জন্য এক জায়গা থেকে সব ধরনের লাইসেন্স প্রাপ্তি এবং নবায়ন চান তিনি। পাশাপাশি অটোমেশনের ওপর জোর দেন তিনি।

লজিস্টিক খাতের উন্নয়নে সরকার কাজ করছে উল্লেখ করে যথাযথ আইন ও বিধি-বিধান মেনে এবং স্বচ্ছতার সঙ্গে ব্যবসা পরিচালনার আহ্বান জানান এফবিসিসিআইর সিনিয়র সহসভাপতি মো. আমিন হেলালী।

কমিটির ডিরেক্টর ইনচার্জ সৈয়দ মোহাম্মদ বখতিয়ার বলেন, পণ্যের সাপ্লাই চেইন ঠিক রাখা এবং পণ্য উৎপাদন থেকে ভোক্তার কাছে যত দ্রুত পৌছানো যায় ব্যবসার খরচ তত কমে। পণ্যের দামও কমে। ২০৪১ সালে আমাদের উন্নত দেশ গড়তে হলে পণ্য পরিবহনে সময় ও খরচ কমাতে হবে।

তিনি উল্লেখ করেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সড়ক ও রেল যোগাযোগের বিস্তৃতি, স্থল, নৌ, সমুদ্র ও বিমানবন্দর এবং অর্থনৈতিক অঞ্চল উন্নয়নের ফলে লজিস্টিক খাতের প্রাথমিক অবকাঠামোগত সক্ষমতা অর্জিত হচ্ছে। তবে বাংলাদেশের ভিশন ২০৪১ এর প্রক্ষেপণ অনুযায়ী ২০২১ সালের তুলনায় ২০৪১ সালে বিভিন্ন নির্দেশক যেমন প্যাসেঞ্জার ট্রাফিক ২৯ গুণ, ফ্রেইট ট্রাফিক ১০ গুণ, পোর্ট কন্টেইনার ট্রাফিক ১৩ গুণ, সমুদ্রগামী কার্গো ট্রাফিক ২২ গুণ বাড়বে। তাই লজিস্টিক খাতের উন্নয়নে এখনই সবাইকে প্রস্তুত হতে হবে।

সভায় সভাপতিত্ব করেন স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান ও কুরিয়ার সার্ভিসেস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশেল সভাপতি হাফিজুর রহমান পুলক। তিনি জানান, ঢাকার কেরানীগঞ্জ, মিরপুরসহ দেশের বেশকিছু স্থানে হাব তৈরি করা গেলে লজিস্টিক খাতের গাড়িগুলো নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় রাখা যাবে এবং কম সময়ে পণ্য পরিবহনে সহায়ক হবে।

উম্মুক্ত আলোচনায় অংশ নিয়ে উদ্যোক্তারা বলেন, লজিস্টিক খাত সরবরাহ শৃঙ্খলের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। পণ্য উৎপাদন থেকে শুরু করে ভোক্তার কাছে পৌছে দিয়ে অর্থনীতিতে বিরাট অবদান রাখছে এ খাত। কিন্তু প্রতিযোগী দেশগুলোর তুলনায় বাংলাদেশ এ খাতে এখনও অনেক পিছিয়ে। এ খাতে সবাইকে বিশেষ নজর দিতে হবে।

এসময় হাব নির্মাণের জন্য পাট মন্ত্রণালয়, রেল মন্ত্রণালয়সহ সরকারের অব্যবহৃত জমিতে সরকার নির্ধারিত হারে জমি পাওয়া, লজিস্টিক খাতে পরিবহন চালকদের প্রশিক্ষণ, লাইসেন্স সহজীকরণ, ক্রসবর্ডার ই-কমার্স ইত্যাদি সুবিধা চান ব্যবসায়ীরা। এছাড়া শিল্পনীতি ২০২২ এ উল্লেখিত লজিস্টিক খাতের ২১টি উপখাতসমূহ যেমন, সড়ক পরিবহন ও যোগাযোগ সেবা, অ্যাভিয়েশন সেবা, সমুদ্র বন্দর সেবা, তথ্য ও প্রযুক্তিগত লজিস্টিক সেবা, ফাইনান্সিয়াল লজিস্টিক সেবা, ইকমার্স লজিস্টিক সেবা ইত্যাদির সঠিক বাস্তবায়ন চান তারা।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন এফবিসিসিআইর পরিচালক হারুন অর রশীদ, ইসহাকুল ইসলাম সুইট, মহাসচিব মো. আলমগীর, কমিটির কো-চেয়ারম্যান ও সদস্যরা।

এসএম

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

অর্থনীতি

নয় মাসে পান রপ্তা‌নি আয় ২০০ কো‌টি টাকা

Published

on

পর্ষদ সভা

গ্রামগঞ্জ থেকে শুরু করে শহরে পর্যন্ত রয়েছে পানের জনপ্রিয়তা। বাঙালি সংস্কৃতি আর আভিজাত্যের অন্যতম একটি অংশ পান। বিয়ে কিংবা দাওয়াত; এক খিলি পান ছাড়া যেন কোনো আচার-অনুষ্ঠান চলেই না। শিল্পির কণ্ঠে গান ‘যদি সুন্দর একটা মুখ পাইতাম মহেশখালীর পানের খিলি তারে বানাই খাওয়াইতাম’, ‘পান খাইলে সুপারি লাগে, আরো লাগে চুন, ঘষিয়া ঘষিয়া জ্বলে পীরিতের আগুন’। পান নিয়ে এমন অনেক গান, কবিতা, প্রবাদ আছে, যা আমাদের সাহিত্যকে করেছে সমৃদ্ধ। বাঙালি সাহিত্য-সংস্কৃতির সঙ্গে অর্থনীতিকেও সমৃদ্ধ করছে পান। অলি-গলির দোকান পেরিয়ে পান যাচ্ছে বিদেশে। রপ্তানিতে আয় করছে কোটি কোটি টাকার বৈদেশিক মুদ্রা।

কক্সবাজারের মহেশখালী, রাজশাহী, দিনাজপুর, রাজবাড়ী, কুষ্টিয়াসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় পান চাষ হয়। দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদা মিটিয়ে এখন বিদেশে রপ্তানি হচ্ছে অর্থকরী এ ফসল।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) সবশেষ প্রকাশিত পরিসংখ্যানের তথ্যানুযায়ী, চলতি অর্থবছরের (জুলাই-মার্চ) ৯ মাসে পান রপ্তানি করে বাংলাদেশ আয় করেছে এক কোটি ৮২ লাখ মার্কিন ডলার। যা দেশীয় মুদ্রায় ২০০ কোটি টাকার বেশি (প্র‌তি ডলার ১১০ টাকা ধরে)।

ইপিবির তথ্য বলছে, গত ২০২২-২৩ অর্থবছরে পান রপ্তানি করে বাংলাদেশ আয় করেছিল এক কোটি ২৭ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার। রপ্তানির লক্ষ্য বাড়িয়ে চলতি অর্থবছরে ঠিক করা হয় এক কোটি ৪০ লাখ ডলার। তবে গত ৯ মাসে লক্ষ্যের চেয়ে ৭৪ শতাংশ বেশি পান রপ্তানি হয়েছে। অর্থবছর শেষে পান রপ্তানির এ অংক আরো বাড়বে বলে সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা।

পান রপ্তানির বিষয় জানতে চাইলে কৃষি মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব ড. মো. মাহমুদুর রহমান বলেন, পান রপ্তানি বাড়াতে সরকার জোর দিয়েছে। রপ্তানিকারকদের নগদ সহায়তার পাশাপাশি কোল্ড স্টোরেজের সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া কৃষি মন্ত্রণালয় নিয়মিত মনিটরিং করছে। কোনো সমস্যা দেখা দিলে সঙ্গে সঙ্গে তা সমাধানের উদ্যোগ নিচ্ছে। যার ফলে এবার পান রপ্তানি লক্ষ্যের চেয়ে বেশি হয়েছে। আগামীতে রপ্তানি আরো বাড়ছে বলে প্রত্যাশা করেন এ কর্মকর্তা।

খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পান পাতা বাজারে বিক্রি হয় পণ বা বিড়া হিসেবে। প্রতি পণে ৮০টি পাতা থাকে। স্থানীয় বাজারে প্রতি পণ পানের দাম পাওয়া যায় ৪০ থেকে ১২০ টাকা। অর্থাৎ আকারভেদে প্রতিটি পাতা ৫০ পয়সা থেকে দেড় টাকায় বিক্রি হয়। দেশের বাজারে দুই ধরনের পানের (দেশি পাতা ও মিঠা পাতা) চাহিদা থাকলেও শুধু মিষ্টি পানই বিদেশে রপ্তানি হয়। রপ্তানির জন্য বাছাই করা ভালোমানের পান পাতা প্রতিটি ২ থেকে ৪ টাকা করে বা প্রতি পণ ১৬০ থেকে ৩২০ টাকা দরে বিক্রি হয়।

ইপিবির তথ্য অনুযায়ী, গত ২০২২-২৩ অর্থবছরে সার্বিক ৫ হাজার ৫৫৬ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছিল বাংলাদেশ। ওই সময় প্রবৃদ্ধি হয়েছিল ৬ দশমিক ৬৭ শতাংশ। চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরে রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৬ হাজার ২০০ কোটি ডলার। অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসে (জুলাই-মার্চ) ৪ হাজার ৩৫৫ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছে। এই আয় গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ৪ দশমিক ৩৯ শতাংশ বেশি। তবে নয় মাসে রপ্তানি আয়ে প্রবৃদ্ধি হলেও লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৫ দশমিক ৮৬ শতাংশ পিছিয়ে আছে বাংলাদেশ।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

শিল্প-বাণিজ্য

পোশাকপণ্য রফতানি লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১.৮ বিলিয়ন ডলার কম

Published

on

পর্ষদ সভা

চলতি অর্থবছরের প্রথম নয় মাসে (জুলাই-মার্চ) পোশাকপণ্য রফতানি হয়েছে লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় ১ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলার কম। বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রফতানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) পক্ষ থেকে বুধবার এ তথ্য জানানো হয়।

বিজিএমইএ জানায়, চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরের জুলাই-মার্চ সময়সীমায় বাংলাদেশ থেকে পোশাক রফতানি হয়েছে ৩৭ দশমিক ২০ বিলিয়ন ডলারের। যদিও এ সময়ের মধ্যে রফতানির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ৩৯ বিলিয়ন ডলার। সে অনুযায়ী, অর্থবছরের প্রথম নয় মাসে পোশাকপণ্য রফতানি হয়েছে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলার কম।

এর আগে গত অর্থবছরের একই সময়সীমায় বাংলাদেশ থেকে পোশাক রফতানি হয়েছিল ৩৫ দশমিক ২৫ বিলিয়ন ডলারের। সে অনুযায়ী অর্থবছরের প্রথম নয় মাসে পোশাক রফতানিতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৫ দশমিক ৫৩ শতাংশ।

বিশেষ করে জানুয়ারি-মার্চ প্রান্তিকের বিক্রি এ প্রবৃদ্ধিতে বড় ভূমিকা রেখেছে বলে বিজিএমইএর দেয়া পরিসংখ্যানে উঠে এসেছে। এতে দেখা যায়, জানুয়ারি-মার্চ প্রান্তিকে পোশাক পণ্য রফতানিতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১২ দশমিক ৬৯ শতাংশ। বিশ্বব্যাপী মূল্যস্ফীতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসার পাশাপাশি খুচরা বিক্রি বাড়ায় এ পোশাকপণ্য রফতানিতে এ প্রবৃদ্ধি অর্জন হয়েছে বলে জানিয়েছে বিজিএমইএ।

তবে পোশাক শিল্প মালিকরা মনে করছেন, রফতানিতে প্রবৃদ্ধি অর্জন হলেও এতে আত্মতুষ্টির সুযোগ নেই। গত সাত মাসে বাংলাদেশের প্রধান তিনটি রফতানি পণ্যের দাম কমেছে। এর মধ্যে টি-শার্টের দাম কমেছে ১২ থেকে ১৭ শতাংশ। ট্রাউজারের দাম কমেছে সাড়ে ৭ শতাংশ পর্যন্ত। আর সোয়েটারের মূল্য কমেছে ১০ থেকে ১৪ শতাংশ পর্যন্ত।

পোশাক শিল্প মালিকরা বলছেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি খাতটিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। গত পাঁচ বছরে পোশাকপণ্যের উৎপাদন খরচ বেড়েছে ৫০ শতাংশ। একই সময়ে গ্যাসের মূল্য ২৮৬ দশমিক ৫ ও বিদ্যুতের মূল্য ২১ দশমিক ৪৭ বেড়েছে। ডিজেলের মূল্য বেড়েছে ৬৮ শতাংশ। এর সঙ্গে সঙ্গে পরিবহন খরচও। গত জানুয়ারি থেকে ন্যূনতম মজুরি বেড়েছে ৫৬ শতাংশ।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

শিল্প-বাণিজ্য

আখাউড়া স্থলবন্দরে পাঁচ দিন আমদানি-রপ্তানি বন্ধ

Published

on

পর্ষদ সভা

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে আজ ১০ এপ্রিল থেকে ১৪ এপ্রিল পাঁচদিনের ছুটি শুরু হয়েছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া স্থলবন্দরে।

ফলে বুধবার (১০ এপ্রিল) সকাল থেকে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের আগরতলার সঙ্গে পণ্য আমদানি-রপ্তানি বন্ধ রয়েছে। তবে উভয়দেশের বৈধ পাসপোর্টধারী যাত্রীরা স্বাভাবিকভাবে পারাপার করছেন।

এসব তথ্য জানিয়েছেন আখাউড়া স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানিকারক অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, দুদেশের ব্যবসায়ীদের সিদ্ধান্তে ঈদুল ফিতর উপলক্ষে আজ ১০ এপ্রিল থেকে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত পাঁচদিন এ স্থলবন্দর দিয়ে ভারতের সঙ্গে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকবে।

প্রসঙ্গত, দেশের অন্যতম বৃহৎ ও রপ্তানিমুখী আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে প্রতিদিন হিমায়িত মাছ, প্লাস্টিক, রড, সিমেন্ট ও বিভিন্ন খাদ্যসামগ্রী রপ্তানি হয়।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

শিল্প-বাণিজ্য

বেনাপোল বন্দরে পাঁচ দিন আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য বন্ধ

Published

on

পর্ষদ সভা

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বেনাপোল-পেট্রোপোল বন্দরের মধ্যে পাঁচদিন আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য বন্ধ থাকবে। তবে এ সময় দুদেশের মধ্যে পাসপোর্টধারী যাত্রীদের যাতায়াত স্বাভাবিক থাকবে।

মঙ্গলবার (৯ এপ্রিল) রাতে বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সাজেদুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, মুসলিম সম্প্রদায়ের বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতর উপলক্ষে আগামী বুধবার (১০ এপ্রিল) থেকে রোববার (১৪ এপ্রিল) পর্যন্ত সরকারি ছুটি থাকায় দুদেশের মধ্যে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য বন্ধ থাকবে। আগামী সোমবার (১৫ এপ্রিল) থেকে পুনরায় বেনাপোল-পেট্রোপোল বন্দরের মধ্যে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য সচল হবে।

বেনাপোল বন্দরের পরিচালক করিম জানান, এ সময় বন্দরের মধ্যে যাতে কোনো প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে সেজন্য নিরাপত্তা জোর দার করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

শিল্প-বাণিজ্য

চট্টগ্রামে বেড়েছে পাম অয়েলের দাম

Published

on

পর্ষদ সভা

চট্টগ্রামে পাইকারি পর্যায়ে পাম অয়েলের দাম বেড়েছে মণে ৫০০ টাকা। গ্রীষ্ম মৌসুমে ভোজ্যতেলের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় দামে প্রভাব পড়েছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। দেশে ভোগ্যপণ্যের সবচেয়ে বড় পাইকারি বাজার খাতুনগঞ্জের বিভিন্ন আড়তে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রোজার আগেও মণপ্রতি (৩৭ দশমিক ৩২ কেজি) পাম অয়েল লেনদেন হয়েছে ৫ হাজার টাকার মধ্যে। রোজার শুরুতে খুচরা ও পাইকারি বাজারে চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় দাম বাড়তে থাকে।

বাজারসংশ্লিষ্টরা বলছেন, দুই সপ্তাহ আগে আন্তর্জাতিক বাজারে পাম অয়েলের বুকিং দর কিছুটা বেড়ে যাওয়ায় দেশের বাজারে হঠাৎ উল্লম্ফন দেখা দিয়েছে। গত দুই সপ্তাহে এরই মধ্যে পণ্যটির মণপ্রতি দাম বেড়েছে প্রায় ২৫০ টাকা। তবে পাম অয়েলের দাম বাড়লেও সয়াবিনের দাম আগের মতোই মণপ্রতি ৬ হাজার থেকে ৬ হাজার ২০০ টাকার মধ্যে লেনদেন হচ্ছে।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, দেশে সয়াবিনের তুলনায় পাম অয়েলের চাহিদা বেশি থাকে। শীত মৌসুমে পাম অয়েল জমে যাওয়ায় সয়াবিনের চাহিদা বাড়ে। তবে গ্রীষ্মকালে পাম অয়েল দেখতে অনেকটা সয়াবিনের মতো হয়ে যাওয়ায় খুচরা খোলা ভোজ্যতেল বিক্রির ক্ষেত্রে পাম অয়েলের ব্যবহার বেশি হয়। অনেক ক্ষেত্রে প্রত্যন্ত এলাকাগুলোয় পাম অয়েল কিংবা অধিক পরিশোধিত পাম অয়েলকে সয়াবিন নাম দিয়ে বিক্রির প্রবণতা বেশি। এ কারণে বাড়তি চাহিদাকে পুঁজি করে বাজারে পাম অয়েলের দাম বাড়ছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, বর্তমানে ব্যাংকগুলোয় এলসি (ঋণপত্র) খুলতে সমস্যা নেই। ডলারের দাম কমে ব্যাংকের প্রকৃত দরের কাছাকাছি পর্যায়ে এলসি খোলার সুযোগ পাচ্ছেন আমদানিকারকরা। এর পরও দর বৃদ্ধির অযুহাত দেখিয়ে পাম অয়েলের দাম বাড়িয়ে অতিরিক্ত মুনাফা করতে চাইছে মিল মালিকরা।

দেশে ভোজ্যতেলের বার্ষিক চাহিদা ২৪ লাখ টনের কাছাকাছি। এর মধ্যে প্রায় ৩ লাখ টন পাওয়া যায় দেশীয় উৎস থেকে। আমদানি হওয়া ২০-২১ লাখ টন ভোজ্য তেলের দুই-তৃতীয়াংশ পাম অয়েল মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়া থেকে আমদানি হয়। অন্যদিকে আমদানি চাহিদার এক-তৃতীয়াংশ সয়াবিন আসে আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল থেকে। বাসা-বাড়িতে রান্নার কাজে সয়াবিনের চাহিদা থাকলেও দেশে খাদ্যপণ্য তৈরিতে হোটেল-রেস্তোরাঁয় পাম অয়েলের ব্যবহার বেশি হয়।

ইনডেক্সমুন্ডি ডটকমের তথ্যমতে, জানুয়ারিতে অপরিশোধিত পাম অয়েলের টনপ্রতি বুকিং দর ছিল ৮৪৫ ডলার। ফেব্রুয়ারিতে দাম আরো কিছুটা বেড়ে গড়ে লেনদেন হয়েছে ৮৫৭ ডলারে। যদিও মার্চে এসে দাম এক লাফে ৯০ ডলারের মতো বেড়ে ৯৪৩ ডলার হয়ে যায়। বিশ্ববাজারে পাম অয়েলের এ দাম বাড়ার ঘটনায় দেশের বাজারেও এর প্রভাব পড়ছে বলে জানিয়েছেন পাইকারি ব্যবসায়ীরা।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন
পর্ষদ সভা
জাতীয়2 mins ago

মুক্তি পাওয়া নাবিকদের পরিবারে আনন্দের বন্যা

পর্ষদ সভা
পুঁজিবাজার58 mins ago

তিন কোম্পানির পর্ষদ সভা কাল

পর্ষদ সভা
খেলাধুলা1 hour ago

রাতে মাঠে নামছে চেন্নাই, একাদশে থাকবেন মুস্তাফিজ?

পর্ষদ সভা
জাতীয়2 hours ago

দস্যুমুক্ত এমভি আবদুল্লাহ দুবাই পৌঁছাবে যেদিন

পর্ষদ সভা
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার2 hours ago

আনোয়ার খান হাসপাতালে চাকরির সুযোগ

পর্ষদ সভা
আন্তর্জাতিক2 hours ago

ভারতের রিজার্ভ বেড়ে সর্বকালের সর্বোচ্চ

পর্ষদ সভা
জাতীয়3 hours ago

জাহাজ ও নাবিকদের এত দ্রুত মুক্তির ঘটনা নজিরবিহীন: নৌ প্রতিমন্ত্রী

পর্ষদ সভা
আন্তর্জাতিক3 hours ago

আমি প্রেসিডেন্ট থাকলে ইসরায়েলে হামলা হতো না: ট্রাম্প

পর্ষদ সভা
জাতীয়4 hours ago

রমনার বটমূলে শেষ হলো বর্ষবরণ অনুষ্ঠান

পর্ষদ সভা
আন্তর্জাতিক4 hours ago

জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের জরুরি বৈঠক

ফেসবুকে অর্থসংবাদ

২০১৮ সাল থেকে ২০২৩

অর্থসংবাদ আর্কাইভ

তারিখ অনুযায়ী সংবাদ

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০