Connect with us

স্বাস্থ্য

দেশে বছরে প্রায় আড়াই লাখ মানুষ হৃদরোগে মারা যায়

Published

on

পর্ষদ সভা

দেশে উচ্চ রক্তচাপ এবং উচ্চ রক্তচাপজনিত অন্যান্য অসংক্রামক রোগের প্রকোপ দ্রুত বাড়ছে। এধরনের রোগের বোঝা কমাতে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার মাধ্যমে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ এবং এজন্য প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ নিশ্চিত করা অপরিহার্য।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশে বছরে দুই লাখ ৪০ হাজরের বেশি মানুষ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যায়, যার অন্যতম প্রধান কারণ উচ্চ রক্তচাপ। হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক ও কিডনি রোগের জন্য দায়ী এ উচ্চ রক্তচাপ প্রতিরোধযোগ্য। প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা শক্তিশালীকরণ এবং স্বাস্থ্যখাতে বাজেট বরাদ্দ বৃদ্ধির মাধ্যমে এটি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।

আজ শনিবার রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে আয়োজিত ‘ইম্প্রুভিং কার্ডিওভাসকুলার হেলথ ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক মিট দ্য প্রেস অনুষ্ঠানে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়।

রিজলভ টু সেভ লাইভস-এর প্রেসিডেন্ট ও সিইও এবং যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টারস ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (সিডিসি) এর প্রাক্তন পরিচালক ডা. টম ফ্রিইডেন বলেন, ‘বাংলাদেশে প্রতি চারজনে একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ উচ্চ রক্তচাপে ভুগছে। সংক্রামক রোগজনিত মৃত্যু প্রতিরোধে বাংলাদেশ দ্রুত অগ্রগতি সাধন করেছে। হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোক প্রতিরোধেও বিশ্বে অনুকরণীয় হতে পারে দেশটি।
বাংলাদেশ এরই মধ্যে উচ্চ রক্তচাপের চিকিৎসা গ্রহণকারীর সংখ্যা ২০ গুণ এবং চিকিৎসাসেবার মান দ্বিগুণ করতে সক্ষম হয়েছে। উচ্চ রক্তচাপের চিকিৎসা প্রদানে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা শক্তিশালী করা হলে হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোক প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে এবং বাঁচানো যাবে অসংখ্য জীবন।’

বক্তারা বলেন, বয়স্ক জনসংখ্যা বৃদ্ধি, দ্রুত নগরায়ণ, কায়িক পরিশ্রমের অভাব, প্রক্রিয়াজাত খাদ্য গ্রহণ এবং অন্যান্য আর্থ-সামাজিক ও জীবনযাত্রা সম্পর্কিত সোডিয়ামকে (লবণ) উচ্চ রক্তচাপের অন্যতম প্রধান ঝুঁকি হিসেবে উল্লেখ করে ডা. ফ্রিইডেন বলেন, ‘সরকারের নীতি পদক্ষেপ সোডিয়ামের ব্যবহার কমাতে এবং উচ্চ রক্তচাপ প্রতিরোধ করতে পারে। অতিরিক্ত সোডিয়াম গ্রহণের ফলে বিশ্বে বছরে প্রায় ২০ লাখ মানুষ মৃত্যুবরণ করে এবং প্রতি পাঁচটি মৃত্যুর চারটিই ঘটে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোতে।’

ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতাল অ্যান্ড রিসার্চ ইন্সটিটিউটের ইপিডেমিওলজি অ্যান্ড রিসার্চ বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক সোহেল রেজা চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশে উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচি গ্রহণের ফলে বিগত কয়েক বছরে এ ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। এটি এখন ১৭১টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চালু রয়েছে এবং রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের হার বেড়ে দ্বিগুণ অর্থাৎ ২৬ শতাংশ থেকে ৫২ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। এটি সম্প্রসারিত হলে দেশব্যাপী আরও অধিকসংখ্যক জীবন বাঁচানো যাবে।

কাফি

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

জাতীয়

ইন্টার্ন চিকিৎসকদের ভাতা বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন

Published

on

পর্ষদ সভা

ইন্টার্ন চিকিৎসকদের ভাতা ৫ হাজার টাকা বাড়িয়ে ২০ হাজার করেছে সরকার। এতদিন তাদের মাসিক ১৫ হাজার টাকা ভাতা দেয়া হতো। বর্ধিত এ ভাতা চলতি এপ্রিলের ১ তারিখ থেকে কার্যকর হবে এবং এ তারিখের আগের বকেয়া ভাতা নির্ধারিত হারে প্রাপ্য হবেন ইন্টার্ন চিকিৎসকরা।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সেবা বিভাগের বাজেট-১ শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব সুশীল কুমার পাল স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে সোমবার (৮ এপ্রিল) এ কথা জানানো হয়।

এতে বলা হয়েছে, উপরিউক্ত বিষয় ও সূত্রের পরিপ্রেক্ষিতে চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ সচিবালয় অংশে সাধারণ থোক বরাদ্দ খাতে বরাদ্দকৃত ৯৬ কোটি ২১ লাখ ১ হাজার টাকার অব্যয়িত অর্থ থেকে ভর্তীকৃত ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা বিবেচনায় সর্বশেষ ইন্টার্ন চিকিৎসকের সংখ্যা ৪ হাজার ৭০০ জন হিসাবে মাসিক ভাতা ৫ হাজার টাকা বৃদ্ধি করে ২০ হাজার টাকায় উন্নীতকরণের ফলে অতিরিক্ত ৩১ কোটি ৮০ লাখ টাকা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অনুকূলে নির্দেশক্রমে বরাদ্দ প্রদান করা হলো।

এসএম

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

জাতীয়

ঈদের ছুটিতে কোনো হাসপাতালে স্বাস্থ্যসেবায় ব্যাঘাত ঘটেনি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

Published

on

পর্ষদ সভা

এ বছর ঈদের ছুটিতেও দেশে স্বাস্থ্যসেবায় কোনো ব্যাঘাত ঘটেনি বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন। তিনি বলেছেন, মন্ত্রী হিসেবে এটা আমার প্রথম ঈদ। আমি আশা করছি দেশের মানুষ খুব সুন্দরভাবে ঈদ উদযাপন করছেন। ঈদে লম্বা ছুটির কবলে দেশ। এর মধ্যেও দেশের কোনো হাসপাতালে স্বাস্থ্যসেবার ব্যাঘাত ঘটেনি।

বৃহস্পতিবার (১১ এপ্রিল) সকালে গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে আকস্মিকভাবে রাজধানীর মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউট পরিদর্শন করেন। ঈদের ছুটিতে স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতেই মূলত তিনি হাসপাতালগুলো পরিদর্শন করছেন।

দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিদর্শনকালে ডা. স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আমি গতকালও (বুধবার) কয়েকটা হাসপাতালে গিয়েছিলাম। আজকে আরও কয়েকটি হাসপাতালে যাবো। গতকাল দুটি হাসপাতালে গিয়েছি, দুই জায়গাতেই আমি পর্যাপ্ত ডাক্তার, নার্স পেয়েছি। আমি সন্তুষ্ট।

তিনি বলেন, রোগীদের সঙ্গেও আমি কথা বলেছি। কেউ কোনো অভিযোগ করেননি। সকালে দেশের সব হাসপাতালের পরিচালকদের মেসেজ পাঠিয়েছি৷ আমি এখন পর্যন্ত যতটুকু জানি, সব জায়গায় চিকিৎসাসেবা নিরবচ্ছিন্নভাবে চলছে। কোথাও ব্যত্যয় ঘটেনি।

মন্ত্রীর এ আকস্মিক পরিদর্শনের সময় স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. জাহাঙ্গীর আলম, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম, স্বাস্থ্যমন্ত্রীর একান্ত সচিব কমল কুমার ঘোষসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

জাতীয়

ঈদের ছুটিতে হাসপাতাল পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী

Published

on

পর্ষদ সভা

ঈদের ছুটিতে হাসপাতালে স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম সঠিকভাবে পরিচালনা হচ্ছে কি না, তা দেখতে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে হঠাৎ পরিদর্শনে যান স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন।

বুধবার (১০ এপ্রিল) সকালে ঈদ ছুটিকে কেন্দ্র করে দেশের স্বাস্থ্যসেবা যাতে বিঘ্নিত না হয়, সেজন্য অপ্রত্যাশিতভাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী হাসপাতাল দুটি পরিদর্শন করেন।

এ সময় ডা. সামন্ত লাল সেন সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি সেবা বিভাগ, বিভিন্ন ওয়ার্ড এবং কিচেনসহ জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের সিসিইউ (করোনারি কেয়ার ইউনিট) পরিদর্শন করেন। পাশাপাশি হাসপাতালে সেবা নিতে আসা ও চিকিৎসারত রোগী এবং তাদের আপনজনদের সঙ্গে কথা বলেন। তাদের চিকিৎসা পেতে কোন প্রকারের অসুবিধা হচ্ছে কি না জানতে চান। কোন অভিযোগ থাকলে নির্ভয়ে জানাতে বলেন। স্বাস্থ্যসেবা নিতে আসা রোগীরা হাসপাতাল দুটির চিকিৎসা সেবা নিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন।

সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট পরিদর্শনকালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী হাসপাতাল দুটিতে দায়িত্বরত চিকিৎসক, নার্স এবং স্বাস্থ্যসেবার সঙ্গে জড়িত কর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন।

তাদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, প্রতি ঈদের ছুটিতে একটা অভিযোগ প্রায়ই শোনা যায় যে, হাসপাতালে ডাক্তার থাকে না, নার্স থাকে না। সেবা নিতে আসা রোগীরা চিকিৎসা পায় না৷ এবার এটা হতে দেওয়া যাবে না৷ গতকাল সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সময়ও আমি নিশ্চিত করে বলেছি, এই ঈদ ছুটিতে স্বাস্থ্য সেবার কোন ব্যত্যয় ঘটবে না। আপনাদের দায়িত্বশীল হয়ে কাজ করতে হবে। চিকিৎসক রোগীদের মধ্যে সম্পর্ক মজবুত করতে হবে। আপনারা নিষ্ঠার সঙ্গে সেবা দিয়ে যান, আপনাদের বিষয়গুলোও আমি দেখবো।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

স্বাস্থ্য

ক্যানসারের টিকা সম্ভব করতে পারে নতুন প্রযুক্তি

Published

on

পর্ষদ সভা

বায়োনটেকের মতো কোম্পানির টিকা কোভিড মহামারির মোকাবিলা করতে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছে৷ সেই প্রযুক্তির আরো উন্নতি ঘটিয়ে নানা ধরনের ক্যানসার নিরাময়ের চেষ্টা চলছে।

কোভিড-১৯ ভাইরাস প্রতিরোধ করতে প্রথমবার মেসেঞ্জার আরএনএ টিকা অনুমোদন পেয়েছিল। গোটা বিশ্বে এই রোগ ছড়িয়ে পড়ার পর এক বছরেরও কম সময়ের মধ্যে করোনার টিকা আবিষ্কার করা হয়েছিল। আসলে সেই অণু নিয়ে বেশ কয়েক দশকের কাজের দৌলতেই সেটা সম্ভব হয়েছিল। তবে সেই গবেষণার ক্ষেত্র ছিল ক্যানসার নিরাময়৷ কোভিডের দৌলতে এমআরএনএ প্রযুক্তি লোকচক্ষুর আড়াল থেকে জনসমক্ষে এসেছে।

এমআরএনএ-কে প্রায়ই মেডিকাল সফ্টওয়্যার হিসেবে বর্ণনা করা হয়৷ কারণ, সেটি সরাসরি শরীরের উপর কোনো প্রভাব ফেলে না। বরং এমন নির্দেশ বহন করে, যা পালন করলে তবেই সেই প্রভাব দেখা যায়।

এমআরএনএ টিকা শরীরের ইমিউন সিস্টেমকে সম্ভাব্য বিপদ সম্পর্কে আগেভাগেই প্রশিক্ষণ দেয়৷ সেগুলির মধ্যে সুনির্দিষ্ট জেনেটিক তথ্যের স্ট্র্যান্ডের অনেক কপি থাকে, যা হলো মেসেঞ্জার আরএনএ৷ সেগুলি এমনভাবে প্রোগ্রাম করা থাকে, যার মাধ্যমে কোষগুলিকে সুনির্দিষ্ট প্রোটিন সৃষ্টি করতে উৎসাহ দেয়া হয়। যেমন টিউমার সেলে পাওয়া অস্বাভাবিক প্রোটিন, যা শরীরের ইমিউন সিস্টেমের চোখ এড়িয়ে গেছে।

জার্মান ক্যানসার গবেষণা কেন্দ্রের নিল্স হালামা বলেন,এই নজরদারির প্রণালী ভিতরে থেকেই আমাদের সুরক্ষা দেয়৷ কিন্তু কিছু ত্রুটি থাকে এবং নির্দিষ্ট পরিবেশে প্রদাহ দেখা দিতে পারে। যেমন ক্রনিক ইনফ্লেমাশন শরীরের কাঠামোয় পরিবর্তন আনতে পারে এবং তখন টিউমার ইমিউন সিস্টেমের নজর এড়িয়ে যেতে পারে।

এমন অদৃশ্য’ ক্যানসারের কোষ ধ্বংস করতে হলে ইমিউন সিস্টেমকে সবার আগে সেটি দেখার ক্ষমতা আয়ত্ত করতে হবে। মেসেঞ্জার আরএনএ সেই কোষ দৃশ্যমান করে তোলে।

কিন্তু সমস্যা হলো, সব রোগীর ক্যানসারের ধরন ভিন্ন৷ ফলে সবার জন্য একই এমআরএনএ থেরাপির কোনো সুযোগ নেই। কিন্তু ইনফরমেশন মলিকিউল নতুন করে লেখা সম্ভব, যাতে প্রয়োজনীয় প্রোটিন উৎপাদন করা যায়৷ বড় আকারে এমন ব্যক্তিগত চিকিৎসার যুগ ধীরে ধীরে বাস্তব হয়ে উঠছে।

নিল্স হালামা বলেন,আগামী ১২, ২৪ বা ৩৬ মাসের মধ্যেই এমন ক্যানসার চিকিৎসা অনুমোদন পাবে বলে আমাদের প্রত্যাশা রয়েছে৷ কিন্তু বড় আকারে এমন চিকিৎসা প্রয়োগ করতে অনেক সময় লাগবে। এমন অণু উৎপাদনের ক্ষমতা এবং তার মূল্যের উপরেও বিষয়টি অবশ্যই নির্ভর করবে।

এখনো পর্যন্ত সামান্য কয়েকটি ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ অনুমোদন পেলেও গোটা বিশ্ব জুড়ে নানা ধরনের ক্যানসারের চিকিৎসার জন্য বেশ কিছু এমআরএনএ প্রযুক্তি-ভিত্তিক চিকিৎসা পদ্ধতি নিয়ে পরীক্ষা চলছে।

চিকিৎসার ধারাবাহিক উন্নতি ঘটে চলেছে৷ তবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সূত্র অনুযায়ী কোনো না কোনো ধরনের ক্যানসার বছরে প্রায় এক কোটি মানুষের মৃত্যুর কারণ হয়ে রয়েছে।

মহামারির সময় খ্যাতি অর্জন করা প্রযু্ক্তি এবার ক্যানসারের চিকিৎসার ক্ষেত্রেও প্রয়োগের প্রস্তুতি চলছে।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

স্বাস্থ্য

বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস আজ

Published

on

পর্ষদ সভা

আজ ৭ এপ্রিল; বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্ধারিত প্রতিপাদ্যের আলোকে দিবসটি উদযাপন করছে বাংলাদেশও। এবারের প্রতিপাদ্য ‘স্বাস্থ্যের অধিকার নিশ্চিতে: কাজ করি একসাথে’।

দিবসটি উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য অধিদফতর এবং স্বাস্থ্য বিষয়ে কাজ করে এমন বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থাগুলো।

এ বছর দিবসটি উদযাপন উপলক্ষে গৃহীত কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে সেমিনার আয়োজন, স্যুভেনির প্রকাশ, স্বাস্থ্য শিক্ষা প্রদর্শনী, জাতীয় পত্রিকায় ক্রোড়পত্র প্রকাশ, সড়কদ্বীপ সজ্জিতকরণ, চলচ্চিত্র প্রদর্শনী, সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার উদ্যোগে স্বাস্থ্য সমস্যা নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠানসহ অন্যান্য কার্যক্রম।

১৯৪৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে সম্মেলন ডাকার সিদ্ধান্ত নেয় জাতিসংঘ অর্থনীতি ও সমাজ পরিষদ। একই বছরের জুন ও জুলাই মাসে অনুষ্ঠিত হয় আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য সম্মেলন। সেইসঙ্গে গৃহীত হয় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সাংগঠনিক আইন। ১৯৪৮ সালের ৭ এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হয় এই আইন। একইসঙ্গে বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস হিসেবে নির্ধারিত হয় দিনটি।

দিবসটি ঘিরে প্রতিবছর সংস্থাটি এমন একটি স্বাস্থ্য ইস্যু বেছে নেয়, যা বিশেষ করে সারা পৃথিবীর জন্যই গুরুত্বপূর্ণ। এ দিন স্থানীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে পালিত হয় এ দিবসটি।

দিবসটি উপলক্ষে পৃথক বাণী দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

কাফি

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন
পর্ষদ সভা
পুঁজিবাজার9 mins ago

তিন কোম্পানির পর্ষদ সভা কাল

পর্ষদ সভা
খেলাধুলা24 mins ago

রাতে মাঠে নামছে চেন্নাই, একাদশে থাকবেন মুস্তাফিজ?

পর্ষদ সভা
জাতীয়46 mins ago

দস্যুমুক্ত এমভি আবদুল্লাহ দুবাই পৌঁছাবে যেদিন

পর্ষদ সভা
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার1 hour ago

আনোয়ার খান হাসপাতালে চাকরির সুযোগ

পর্ষদ সভা
আন্তর্জাতিক2 hours ago

ভারতের রিজার্ভ বেড়ে সর্বকালের সর্বোচ্চ

পর্ষদ সভা
জাতীয়2 hours ago

জাহাজ ও নাবিকদের এত দ্রুত মুক্তির ঘটনা নজিরবিহীন: নৌ প্রতিমন্ত্রী

পর্ষদ সভা
আন্তর্জাতিক2 hours ago

আমি প্রেসিডেন্ট থাকলে ইসরায়েলে হামলা হতো না: ট্রাম্প

পর্ষদ সভা
জাতীয়3 hours ago

রমনার বটমূলে শেষ হলো বর্ষবরণ অনুষ্ঠান

পর্ষদ সভা
আন্তর্জাতিক3 hours ago

জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের জরুরি বৈঠক

পর্ষদ সভা
জাতীয়3 hours ago

গাবতলীতে ঢাকায় ফেরা মানুষের চাপ কম

ফেসবুকে অর্থসংবাদ

২০১৮ সাল থেকে ২০২৩

অর্থসংবাদ আর্কাইভ

তারিখ অনুযায়ী সংবাদ

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০