Connect with us

লাইফস্টাইল

নাক বন্ধের ঘরোয়া সমাধান

Published

on

ওষুধ

শীত এলেই আমাদের শরীরে কিছু সমস্যাও দেখা দিতে শুরু করে। ঠাণ্ডা লেগে নাক বন্ধ হয়ে যাওয়ার সমস্যায় কম-বেশি সবারই ভুগতে হয়। বন্ধ নাকে কোনো কাজেই মন বসে না। নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে আসে, অস্বস্তি বোধ হয়। এই সমস্যার সঙ্গে সর্দি দেখা দিতে পারে, নাও পারে।

বাড়িতেই হাতের কাছে থাকা কিছু উপাদান দিয়ে বন্ধ নাকের সহজ চিকিৎসা হতে পারে। আসুন দেখে নেই কয়েকটি ঘরোয়া সমাধান:

লবণ-পানি

কুসুম গরম পানিতে কয়েক চামচ লবণ গুলিয়ে নিন। কয়েক ফোঁটা পানি ড্রপার দিয়ে নাকে ঢুকান। এতে জমে থাকা ধূলিকণা দূর হবে, কফ তরল হয়ে শ্বাসকষ্ট কমবে।

রসুন

রসুনের ওষুধি গুণ সম্পর্কে বলার অপেক্ষা রাখে না। এর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বন্ধ নাকের জন্যেও কার্যকরী। রসুনের স্যুপ বা একটি কোয়াই বন্ধ নাকের সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে পারে।

পেঁয়াজ

পেঁয়াজের ঝাঁঝালো গন্ধে থাকা উপাদান নাক ও চোখের পানি বের করে দেয়। হ্যাঁ, এতেই কাজ হবে। ৫ মিনিট পেঁয়াজের গন্ধ নিন। বন্ধ নাক খুলে যাবে।

লেবু

লেবু ভিটামিন ‘সি’, অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর। দু’চামচ লেবুর রসের সঙ্গে এক চিমটি গোলমরিচ ও লবণের মিশ্রণ নাকে দিয়ে কয়েক মিনিট রাখুন। তারপর দেখুন যাদু।

তুলসী

চিকিৎসা শাস্ত্রে তুলসী পাতার কদর বহুগুণ। কয়েকটি তাজা পাতা সকালের নাস্তার আগে চিবোলে বন্ধ নাক খুলে যাবে। সকালে তুলসী চাও সমাধান হতে পারে।

আদা

প্রদাহবিরোধী উপাদান থাকায় আদা সর্দি কমাতে পারে। ভালো ফল পেতে আদা চা বা আদার টুকরা চিবানো যেতে পারে। বন্ধ নাকের চিকিৎসায় আদার ব্যবহার সব থেকে কার্যকরী।

তবে সমস্যা তীব্র হলে অ্যালার্জির ওষুধ ও চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নাকের স্প্রে ব্যবহার করতে পারেন।

অর্থসংবাদ/এমআই

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

লাইফস্টাইল

হার্ট ভালো রাখতে খাবেন যেসব মসলা

Published

on

ওষুধ

সুস্থ থাকার জন্য হার্ট ভালো রাখার বিকল্প নেই। সেজন্য নিজের প্রতি হতে হবে বাড়তি যত্নশীল। নয়তো হার্টের অসুখ একবার দেখা দিলে তা মারাত্মক আকার ধারন করতে পারে। ঠিক কোন নিয়মগুলো মেনে চললে হার্ট ভালো রাখা সহজ হবে সেকথা অনেকেই বুঝতে পারেন না। এক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ থাকে প্রথমেই তেলযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলার। এর বদলে খেতে হবে পর্যাপ্ত সবুজ শাক ও সবজি। সেইসঙ্গে প্রতিদিনের খাবারের সঙ্গে যুক্ত করতে হবে একটি বিশেষ মসলা। নাম তার মৌরি। এতে উপকার পাওয়া যাবে দ্রুতই।

ছোট্ট একটি মসলা মৌরি। এটি সুগন্ধযুক্ত মসলা। তবে এর গন্ধ কেউ পছন্দ করেন, কেউ করেন না। তাতে অবশ্য এই মসলার গুণ একটুও কমে না। বরং আপনার হার্ট ভালো রাখার ক্ষেত্রে এটি কাজ করে দুর্দান্তভাবে। তাই হার্ট ভালো রাখতে এর উপকারিতা ও কার্যকারিতা আগে জেনে নিয়ে এরপর প্রতিদিনের খাবারে যোগ করতে হবে উপকারী মসলা মৌরি। তাই হার্টের অসুখ তো দূরে থাকবেই সেইসঙ্গে আরও অনেক অসুখ কাছে ঘেঁষতে পারবে না।

কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করে
আমাদের রক্তে জমা থাকে কোলেস্টেরল নামক মোম জাতীয় একটি উপাদান। কিন্তু কোনো কারণে যদি রক্তে এই মোম জাতীয় উপাদান স্বাভাবিক মাত্রা ছাড়িয়ে যায় তাহলে তা হার্টের রক্তনালীর ভেতরে জমে যেতে পারে। যেখান থেকে ঘটতে পারে হার্ট অ্যাটাকের মতো প্রাণঘাতী সমস্যা। তাই যেভাবেই হোক সবার আগে কোলেস্টেলরকে নিয়ন্ত্রণে আনা জরুরি। বাড়তি কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে আনতে আপনাকে সাহায্য করবে ফাইবার সমৃদ্ধ মৌরি। বিশেষজ্ঞরা হাইপারলিপিডিমিয়ায় আক্রান্তদের নিয়মিত মৌরি খাওয়ার পরামর্শ দেন।

হার্ট ভালো রাখে
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মৌরিতে থাকে পর্যাপ্ত ম্যাগনেশিয়াম, পটাশিয়াম এবং ক্যালসিয়াম। আমাদের হার্টকে ভালো রাখতে বেশ কার্যকরী এসব উপাদান। যে কারণে নিয়মিত মৌরি খেলে তা হার্টের বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে কাজ করবে। যাদের উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা রয়েছে তারাও নিয়মিত মৌরি খেতে পারেন। কারণ এটি উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণেও মূখ্য ভূমিকা রাখে। নিয়মিত এই মসলা খাবারের পাতে রাখলে দূরে থাকতে পারবেন অনেক রোগ থেকেই। হার্ট ভালো রাখা ছাড়াও এটি পেটের সমস্যা দূর করা, ক্যান্সার দূরে রাখাসহ আরও অনেক কাজ করে। বুঝতেই পারছেন, কেন প্রতিদিন মৌরি খাওয়া জরুরি?

যেভাবে খাবেন
এখন নিশ্চয়ই আপনার মনে প্রশ্ন এসেছে যে, হার্ট ভালো রাখা এবং সুস্থ থাকার জন্য মৌরি কীভাবে খাবেন? এক্ষেত্রে সবচেয়ে সহজ উপায় হলো প্রতিবেলার মূল খাবার খাওয়ার পর এক চা চামচ মুখে পুরে খেয়ে নেওয়া। এর পাশাপাশি আরেকটি উপায় হলো মৌরি ভেজানো পানি পান করা। সেজন্য প্রতি রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে মনে করে এক গ্লাস পরিষ্কার পানিতে এক চা চামচ মৌরি মিশিয়ে ভিজতে দিন। গ্লাসটি ঢেকে রাখুন। সকালে উঠে পানিটুকু ছেঁকে খেয়ে নিন। এভাবে নিয়মিত খেলেই উপকার পাবেন।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

লাইফস্টাইল

হার্ট ভালো রাখতে যে মসলা খাবেন

Published

on

ওষুধ

সুস্থ থাকার জন্য হার্ট ভালো রাখার বিকল্প নেই। সেজন্য নিজের প্রতি হতে হবে বাড়তি যত্নশীল। নয়তো হার্টের অসুখ একবার দেখা দিলে তা মারাত্মক আকার ধারন করতে পারে। ঠিক কোন নিয়মগুলো মেনে চললে হার্ট ভালো রাখা সহজ হবে সেকথা অনেকেই বুঝতে পারেন না। এক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ থাকে প্রথমেই তেলযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলার। এর বদলে খেতে হবে পর্যাপ্ত সবুজ শাক ও সবজি। সেইসঙ্গে প্রতিদিনের খাবারের সঙ্গে যুক্ত করতে হবে একটি বিশেষ মসলা। নাম তার মৌরি। এতে উপকার পাওয়া যাবে দ্রুতই।

ছোট্ট একটি মসলা মৌরি। এটি সুগন্ধযুক্ত মসলা। তবে এর গন্ধ কেউ পছন্দ করেন, কেউ করেন না। তাতে অবশ্য এই মসলার গুণ একটুও কমে না। বরং আপনার হার্ট ভালো রাখার ক্ষেত্রে এটি কাজ করে দুর্দান্তভাবে। তাই হার্ট ভালো রাখতে এর উপকারিতা ও কার্যকারিতা আগে জেনে নিয়ে এরপর প্রতিদিনের খাবারে যোগ করতে হবে উপকারী মসলা মৌরি। তাই হার্টের অসুখ তো দূরে থাকবেই সেইসঙ্গে আরও অনেক অসুখ কাছে ঘেঁষতে পারবে না।

কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করে
আমাদের রক্তে জমা থাকে কোলেস্টেরল নামক মোম জাতীয় একটি উপাদান। কিন্তু কোনো কারণে যদি রক্তে এই মোম জাতীয় উপাদান স্বাভাবিক মাত্রা ছাড়িয়ে যায় তাহলে তা হার্টের রক্তনালীর ভেতরে জমে যেতে পারে। যেখান থেকে ঘটতে পারে হার্ট অ্যাটাকের মতো প্রাণঘাতী সমস্যা। তাই যেভাবেই হোক সবার আগে কোলেস্টেলরকে নিয়ন্ত্রণে আনা জরুরি। বাড়তি কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে আনতে আপনাকে সাহায্য করবে ফাইবার সমৃদ্ধ মৌরি। বিশেষজ্ঞরা হাইপারলিপিডিমিয়ায় আক্রান্তদের নিয়মিত মৌরি খাওয়ার পরামর্শ দেন।

হার্ট ভালো রাখে
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মৌরিতে থাকে পর্যাপ্ত ম্যাগনেশিয়াম, পটাশিয়াম এবং ক্যালসিয়াম। আমাদের হার্টকে ভালো রাখতে বেশ কার্যকরী এসব উপাদান। যে কারণে নিয়মিত মৌরি খেলে তা হার্টের বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে কাজ করবে। যাদের উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা রয়েছে তারাও নিয়মিত মৌরি খেতে পারেন। কারণ এটি উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণেও মূখ্য ভূমিকা রাখে। নিয়মিত এই মসলা খাবারের পাতে রাখলে দূরে থাকতে পারবেন অনেক রোগ থেকেই। হার্ট ভালো রাখা ছাড়াও এটি পেটের সমস্যা দূর করা, ক্যান্সার দূরে রাখাসহ আরও অনেক কাজ করে। বুঝতেই পারছেন, কেন প্রতিদিন মৌরি খাওয়া জরুরি?

যেভাবে খাবেন
এখন নিশ্চয়ই আপনার মনে প্রশ্ন এসেছে যে, হার্ট ভালো রাখা এবং সুস্থ থাকার জন্য মৌরি কীভাবে খাবেন? এক্ষেত্রে সবচেয়ে সহজ উপায় হলো প্রতিবেলার মূল খাবার খাওয়ার পর এক চা চামচ মুখে পুরে খেয়ে নেওয়া। এর পাশাপাশি আরেকটি উপায় হলো মৌরি ভেজানো পানি পান করা। সেজন্য প্রতি রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে মনে করে এক গ্লাস পরিষ্কার পানিতে এক চা চামচ মৌরি মিশিয়ে ভিজতে দিন। গ্লাসটি ঢেকে রাখুন। সকালে উঠে পানিটুকু ছেঁকে খেয়ে নিন। এভাবে নিয়মিত খেলেই উপকার পাবেন।

কাফি

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

লাইফস্টাইল

গরমে হতে পারে যেসব চর্মরোগ

Published

on

ওষুধ

বাড়তে শুরু করেছে গরম। আর গরম পড়তেই ত্বকের সমস্যা বেড়ে যায়। এই সময় ত্বকের বেশ কিছু চর্মরোগের সমস্যা দেখা দেয় যেমন- ঘামাচি, ব্রণ, একজিমা ইত্যাদি। তাই এ সময় সাবধান থাকা জরুরি। চলুন জেনে নেওয়া যাক গরমে কোন কোন চর্মরোগ বাড়ে-

ঘামাচি

গরমে ঘামাচির সমস্যা বাড়ে। এমনিতে সবারই ঘামাচি হতে পারে। তবে সবার সামনে এটি অস্বস্তিদায়কই বটে।

ব্রণ

ব্রণের সমস্যায় অনেকেই ভোগেন। তবে গরমে এই সমস্যা বাড়ে। কারণ ঘাম ও ধুলো মিলেমিশে ত্বকের ছিদ্রে জমতে থাকে।

একজিমা

তাপমাত্রার পারদ যত বাড়তে থাকে, ততই একজিমার সমস্যা বেড়ে যায়। একজিমা এই সময় নতুন করে বাড়তে পারে।

শুষ্ক ত্বকের সমস্যা

গরমে ডিহাইড্রেশন বেশি হয়। তাই যাদের ত্বক শুষ্ক, তাদের ত্বক আরও শুকিয়ে যাওয়ার ভয় থাকে। এজন্য এ সময় পর্যাপ্ত পানি পান করতে হবে।

সান এলার্জি-সানবার্ন

অনেকেরই এই সমস্যা রয়েছে। গ্রীষ্মের সূর্যের তাপে তা আরও বেড়ে যায়। আবার সানবার্ন হলে ত্বকে ট্য়ান পড়ে। এক্ষেত্রে ত্বকের খোলা অংশ কালচে হয়ে পড়ে। তাই রেদে যাওয়ার আগে সান স্ক্রিন ব্যবহার করা মাস্ট।

ত্বকের ক্যানসার

শুনতে অবাক লাগলেও এটি সত্যি। কারণ ক্রান্তীয় অঞ্চলে রোদের তীব্রতা অনেকটাই। যে কারণে অবিরত গায়ে রোদ লাগলে স্কিন ক্যানসারের ভয় আছে।

কাফি

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

লাইফস্টাইল

গরমে ঠাণ্ডা পানি খেলে যেসব ঝুঁকি থাকে

Published

on

ওষুধ

গরম থেকে প্রশান্তি পেতে অনেকেই একটু পর পর ফ্রিজ খুলে ঠান্ডা পানি খান। এতে সাময়িক স্বস্তি মিললেও দীর্ঘমেয়াদে স্বাস্থ্যহানীর কারণ হতে পারে। আয়ুর্বেদশাস্ত্রে গরমের সময় ঠান্ডা পানি খাওয়ার বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে।

জানুন গরমের নিয়মিত ঠান্ডা পানি পান করার কয়েকটি ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে।

হজমের সমস্যা হয়

আমাদের মধ্যে অনেকেই খাবার খাওয়ার সময় ঢক ঢক করে ঠান্ডা পানি পান করেন। আর এই ভুলটা করেন বলেই তাদের হজমক্রিয়া ব্যাহত হয়। শুধু তাই নয়, নিয়মিত ঠান্ডা পানিতে চুমুক দিলে খাবারে থাকা নানা পুষ্টিগুণও গ্রহণ করতে পারে না শরীর। তাই এইসব সমস্যার থেকে দূরত্ব বজায় রাখতে চাইলে আজ থেকেই ঠান্ডা পানি খাওয়ার ভুলটা শুধরে নিন। আশা করছি, এই নিয়মটা মেনে চললেই আপনাকে আর বিপদের ফাঁদে পড়ে কষ্ট পেতে হবে না।

গলা ব্যথা হয়

তীব্র গরম থেকে ঘরে ফিরেই ফ্রিজের ঠান্ডা পানিতে চুমুক দেন নাকি? এই প্রশ্নের উত্তর যদি হ্যা হয়, তাহলে যে দ্রুত নিজেকে শুধরে নিতে হবে। কেননা, এভাবে ঠান্ডা পানিতে চুমুক দিলে গলায় ব্যথা হওয়ার আশঙ্কা বাড়ে। এমনকি বুকে এবং মাথায় জমে যেতে পারে কফ। সেই সঙ্গে পিছু নিতে পারে নাছোড়বান্দা কাশি। তাই এই সময় কথায় কথায় ঠান্ডা পানি খেতে বারণ করেন বিশেষজ্ঞরা।

ফ্যাট বাড়ে

ওজন বেশি থাকলে তা কমাতে হবে। নইলে যে সঙ্গী হবে একাধিক জটিল-কুটিল অসুখ। কিন্তু মুশকিল হল, নিয়মিত ঠান্ডা পানি খেলে কিন্তু শরীর থেকে মেদের বহর কমাতে পারবেন না। কারণ গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে, ঠান্ডা পানির কারসাজিতে শরীরের ফ্যাট মেটাবোলিজম ধীর হয়ে যায়। ফলে বাড়তে শুরু করে ওজন। তাই ঝটপট ওজন কমানোর ইচ্ছে থাকলে আজ থেকেই ঠান্ডা পানি খাওয়ার লোভ সামলে নিন।

​বদলে যাবে হার্টরেট​

হার্ট হল আমাদের শরীরের রক্ত পাম্প করার যন্ত্র। তাই এই অঙ্গটির স্বাস্থ্যের দিকে বিশেষ নজর দিতেই হবে। তবে দুর্ভাগ্যের বিষয় হল, নিয়মিত ঠান্ডা পানি পান করলে কিন্তু হৃদগতি যেতে পারে কমে। আর সেই সুবাদে পিছু নিতে পারে একাধিক প্রাণঘাতী সমস্যা। তাই যতই গরম পড়ুক না কেন, কথায় কথায় ঠান্ডা পানি খাওয়ার ভুলটা কিন্তু শুধরে নিতে হবে। নইলে যে সমস্যার শেষ থাকবে না।

​শরীরের লাগবে ‘শক’​

আজকাল অনেকেই শরীরচর্চা করার পর হুট করে ঠান্ডা পানি খেয়ে নেন। আর এই কাজটা করেন বলেই দেহের তাপমাত্রা হুট করে বদলে যায়। আর তাপমাত্রাজনিত এমন তারতম্যের সঙ্গে শরীর ঠিক মানিয়ে নিতে পারে না। আর সেই কারণেই পেটের সমস্যা থেকে শুরু করে ক্রনিক ব্যথা সহ একাধিক রোগের ফাঁদে পড়ার আশঙ্কা বাড়ে। তাই সুস্থ থাকতে আজ থেকেই নিজের ভুল শুধরে নিন।

কাফি

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

লাইফস্টাইল

গরমে সুস্থ থাকতে খেতে পারেন যে ৫ খাবার

Published

on

ওষুধ

গরমের সময় শুরু হয়েছে। এখন সময় এসেছে আমাদের খাবারের তালিকা ও জীবনযাপনের ধরনে পরিবর্তন আনার। তাপমাত্রা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে আমাদের এমন খাবার খাওয়া উচিত যেগুলো শরীরকে ঠান্ডা এবং হাইড্রেটেড রাখে। প্রতিদিন পর্যাপ্ত পানি পান করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এসময় আমাদের ঘাম এবং প্রস্রাবের মাধ্যমে অনেকটা পানি বের হয়ে যায়। যে কারণে শরীরে পানির ঘাটতি তৈরি হতে পারে।

গরমের সময়ে আমরা অন্যান্য সময়ের চেয়ে বেশি তৃষ্ণার্ত থাকি। তাই এসময় এমন খাবার খেতে হবে যাতে পানির পরিমাণ থাকে বেশি। এই গরমে আপনাকে নিজের প্রতি আরেকটু বেশি যত্নশীল হতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে খাবারের তালিকার প্রতি। চলুন জেনে নেওয়া যাক এমন খাবার সম্পর্কে যেগুলো আমাদের এই গরমেও সুস্থ রাখতে সাহায্য করবে।

গরমে সুস্থ থাকতে যেসব খাবার খাবেন

শশা

গরমের সময়ে একটি উপকারী খাবার হলো শশা। এতে ক্যালোরি থাকে কম এবং এটি হাইড্রেটিং একটি খাবার। আপনার প্রতিদিনের সালাদ, স্মুদি কিংবা অন্যান্য ডিশ তৈরিতে রাখতে পারেন শশা। এতে পানির পরিমাণ বেশি থাকার কারণে তা আপনাকে গরমেও হাইড্রেটেড থাকতে সাহায্য করবে। তাই গরমের সময়ে শশা থাকুক আপনার খাবারের তালিকায়।

তরমুজ

গ্রীষ্মকালীন একটি সুস্বাদু ফল হলো তরমুজ। মিষ্টি স্বাদের এই ফল সবার কাছেই একটি পছন্দের খাবার। এটি গরমের সময়ের জন্য বেশ উপযুক্ত। কারণ এই ফলের প্রায় নব্বই শতাংশই পানি। এতে থাকে ইলেক্ট্রোলাইট, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, প্রয়োজনীয় ভিটামিন এবং খনিজ। যে কারণে তরমুজ খেলে তা শরীরের অনেক ঘাটতি পূরণে কাজ করে। তাই খাবারের তালিকায় প্রতিদিন তরমুজ রাখুন।

ফুটি

গরমের আরেকটি সুস্বাদু ফল হলো ফুটি। এটে যেমন মিষ্টি তেমনই হাইড্রেটিং। ফুটি খেলে তা আপনাকে দিনভর সতেজ রাখতে কাজ করবে। সেইসঙ্গে বাড়বে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও। হার্ট ভালো রাখতে, দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে, ওজন কমাতে এবং পেটের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে ফুটির জুড়ি মেলা ভার। তাই গরমের সময়ে খাবারের তালিকায় যোগ করে নিন সুস্বাদু ও স্বাস্থ্যকর ফুটি।

টমেটো

গরমের সময়ে একটি উপকারী সবজি হলো টমেটো। লাল টুকটুকে টমটো দিয়ে তৈরি করা যায় নানা পদের খাবার। এটি লাইকোপেন সমৃদ্ধ। লাইকোপেন হলো একটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা শরীরকে ফ্রি র‌্যাডিক্যাল ক্ষতির বিরুদ্ধে লড়াই করতে সাহায্য করে। টমেটোতে প্রচুর পানি থাকে। সেইসঙ্গে থাকে ভিটামিন এ এবং সি। তাই গরমের সময়ে নিয়মিত টমেটো খেতে হবে।

দই

গরমে সুস্থ থাকতে চাইলে নিয়মিত পাতে রাখুন দই। এটি এক ধরনের প্রয়োবায়োটিক যা এই গরমে আপনাকে সতেজ রাখতে কাজ করবে। সেইসঙ্গে পেটের স্বাস্থ্য ঠিক রাখতেও কাজ করবে এটি। দই খেলে তা শরীর ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে। তাই গরমের সময়ে প্রতিদিন এক বাটি দই খাওয়ার অভ্যাস করুন।

এমআই

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন
ওষুধ
টেলিকম ও প্রযুক্তি5 hours ago

বাংলাদেশে প্রায় সাত লাখ আইটি ফ্রিল্যান্সার রয়েছে: পলক

ওষুধ
লাইফস্টাইল5 hours ago

হার্ট ভালো রাখতে খাবেন যেসব মসলা

ওষুধ
জাতীয়6 hours ago

বজ্রপাতে তিন জেলায় ৪ জনের মৃত্যু

ওষুধ
ধর্ম ও জীবন6 hours ago

শাওয়ালের ছয় রোজা কি ধারাবাহিকভাবে রাখা জরুরি?

ওষুধ
অর্থনীতি6 hours ago

সাত ধরনের মোটরযানের কর মওকুফ

ওষুধ
আন্তর্জাতিক6 hours ago

পাকিস্তান-আফগানিস্তানে ঝড়ের আঘাতে শতাধিক প্রাণহানি

ওষুধ
বিনোদন7 hours ago

বর্ষবরণ দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে সোলসের কনসার্ট শুরু

ওষুধ
পুঁজিবাজার7 hours ago

নগদ লভ্যাংশ দেবে মার্কেন্টাইল ব্যাংক

ওষুধ
জাতীয়7 hours ago

থাইল্যান্ড, সৌদি ও গাম্বিয়া সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

ওষুধ
জাতীয়7 hours ago

কৃতি শিক্ষার্থীরাই স্মার্ট বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ: স্পিকার

ফেসবুকে অর্থসংবাদ

২০১৮ সাল থেকে ২০২৩

অর্থসংবাদ আর্কাইভ

তারিখ অনুযায়ী সংবাদ

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০