Connect with us

ব্যাংক

আর্থিক প্রতিষ্ঠানের এমডি নিয়োগে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্যানেল গঠন

Published

on

দেশে মূল্যস্ফীতি কমাতে নীতি সুদহার বৃদ্ধি

দীর্ঘদিন যাবত দেশের প্রায় এক ডজন ব্যাংক-বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান চলছে ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) বা প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ছাড়া। দীর্ঘদিন ধরে এসব প্রতিষ্ঠান এমডি খুঁজে পাচ্ছে না। তাই এখন বাংলাদেশ ব্যাংক এসব প্রতিষ্ঠানে এমডি নিয়োগের জন্য একটি প্যানেল গঠন করেছে।

এখন থেকে প্রতিষ্ঠান এই প্যানেল থেকে তাদের পছন্দমতো এমডি নিয়োগ করতে পারবে। পাশাপাশি এই প্যানেল থেকে স্বতন্ত্র পরিচালকও নিয়োগ করা যাবে। ইতোমধ্যে অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংক কর্মকর্তা ও অভিজ্ঞ ব্যাংকারের খোঁজে কয়েকটি বাণিজ্যিক ব্যাংককে চিঠিও দিয়েছে আর্থিক খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি। কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্রে এই তথ্য জানা যায়।

বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, গত এক থেকে দুই বছর যাবত বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান এমডি ছাড়াই চলছে। আবার কিছু প্রতিষ্ঠান কয়েক মাস ধরে চলছে এমডি ছাড়া। এসব প্রতিষ্ঠান চলাচ্ছেন অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এএমডি), উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) এবং অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। তারা ভারপ্রাপ্ত এমডি বা সিইও হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

অভিযোগ রয়েছে বোর্ডের পছন্দমতো কাজ না করলে কিছু প্রতিষ্ঠান এমডিদের বিদায় করে দিচ্ছে। আবার নিজস্ব লোক নিয়োগ দেয়ার জন্য বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান যোগ্য এমডি পেলেও নিয়োগ দিচ্ছে না।

এমডি ছাড়া চলছে ইউনিয়ন ক্যাপিটাল, ফাস ফাইন্যান্স, বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স কোম্পানি (বিআইএফএস), দি ইউনাইটেড আরব আমিরাত-বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড, জিএসপি ফাইন্যান্স কোম্পানি (বাংলাদেশ), আভিভা ফাইন্যান্স, বে লিজিং, ফার্স্ট ফাইন্যান্স, ফিনিক্স ফাইন্যান্স, এসএফআইএল, আইপিডিসি ফাইন্যান্স এবং অগ্রণী এসএমই ফাইন্যান্স।

এই বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন কর্মকর্তা জানায়, বিভিন্ন ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও অভিজ্ঞ ব্যাংকার দ্বারা প্যানেল তৈরি করার কাজ শুরু করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। প্যানেল তৈরির জন্য সরকারি-বেসরকারি ৭-৮টি ব্যাংককে অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের তালিকা পাঠাতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে চিঠিও দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে-সোনালী ব্যাংক, রূপালী ব্যাংক, অগ্রণী ব্যাংক, জনতা ব্যাংক, উত্তরা ব্যাংক ও পূবালী ব্যাংক। ব্যাংকগুলোকে অবসরপ্রাপ্ত জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) থেকে তার ঊর্ধ্বতন ব্যাংক কর্মকর্তাদের তালিকা পাঠাতে বলা হয়, যাদের বয়সসীমা হবে সর্বোচ্চ ৬৫ বছর। পাশাপাশি কর্মজীবনে স্বচ্ছ ও ভাবমূর্তি এবং যোগ্য লোকের তালিকা পাঠাতে বলা হয়েছে। ইতোমধ্যে একটি ব্যাংক ২০ থেকে ২৫ জনের তালিকা পাঠিয়েছে। সব মিলিয়ে বিভিন্ন ব্যাংক থেকে এখন পর্যন্ত ৩০ থেকে ৪০ জনের তালিকা এসেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হাতে। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মেজবাউল হক এই বিষয়ে সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান এমডি নিয়োগে ব্যর্থ হচ্ছে। এসব প্রতিষ্ঠান দীর্ঘদিন ধরে এমডি ছাড়াই চলছে। তাই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের উদ্যোগে প্যানেল করা হচ্ছে। কোনো প্রতিষ্ঠান এমডি না পেলে এই প্যানেল থেকে নিতে পারবে। ইতোমধ্যে অভিজ্ঞ ব্যাংকারদের কাছ থেকে কিছু সিভি পেয়েছি, যারা এসব প্রতিষ্ঠানে এমডি হিসেবে নেতৃত্ব দিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

জাতীয়

ঋণখেলাপিদের চিহ্নিত করতে প্রার্থীদের তথ্য চেয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক

Published

on

মার্কেন্টাইল

আসন্ন ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদের নির্বাচন উপলক্ষ্যে প্রার্থীদের তথ্য চেয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। প্রার্থীদের মধ্যে ঋণ খেলাপি চিহিৃত করতেই সব রিটার্নিং কর্মকতার কাছে তথ্য চেয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

সম্প্রতি রিটার্নিং কর্মকর্তাদের এ সংক্রান্ত চিঠি দিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের ক্রেডিট ইনফরমেশন ব্যুরোর অতিরিক্ত পরিচালক মো. আনিচুর রহমান। এর আগে, ঋণ খেলাপিদের তথ্য দিতে বাংলাদেশ ব্যাংককে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলেছিল নির্বাচন কমিশন।

চিঠিতে জানানো হয়, উপজেলা পরিষদের প্রথম ধাপের নির্বাচনে মনোনয়নপত্র দাখিলকারী প্রার্থীদের ঋণ খেলাপ সংক্রান্ত তথ্য প্রদানের লক্ষ্যে সকল প্রার্থীর পূর্ণনাম, পিতার নাম, মাতার নাম, স্বামীর নাম (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) বাংলা ও ইংরেজিতে, জাতীয় পরিচয় পত্র নম্বর, করদাতা শনাক্তকরণ সংখ্যা (টিআইএন), জন্ম তারিখ, স্থায়ী ও বর্তমান ঠিকানা সম্বলিত তথ্য সংযুক্ত ছক অনুযায়ী যথাযথভাবে পূরণ করে রিটার্নিং অফিসার/সহকারী রিটার্নিং অফিসারের নামসহ সিল, স্বাক্ষর ও ফোন (মোবাইল) নম্বর প্রদানপূর্বক তা ই-মেইল এর মাধ্যমে অত্র ব্যুরোতে প্রেরণ করতে হবে।

উপজেলা নির্বাচনের প্রথম ধাপের তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ তারিখ ১৫ এপ্রিল। মনোনয়নপত্র বাছাই ১৭ এপ্রিল। রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল ১৮ থেকে ২০ এপ্রিল। আপিল নিষ্পত্তি ২১ এপ্রিল, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ২২ এপ্রিল। প্রতীক বরাদ্দ ২৩ এপ্রিল, আর ১৫২ উপজেলায় ভোটগ্রহণ হবে ৮ মে।

কাফি

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

অর্থনীতি

টাকার অংক না বাড়িয়ে ‘ঋণের কিস্তি’ বাড়াতে পারবে ব্যাংক

Published

on

মার্কেন্টাইল

বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে দেশেও বাড়ছে সুদহার। এতে করে ব্যাংক থেকে নেওয়া ঋণের কিস্তির টাকার পরিমাণও বাড়ছে। ফলে অনেক গ্রাহক সময়মত ঋণের কিস্তি পরিশোধে হিমশিম খাচ্ছেন। এ অবস্থায় ঋণের কিস্তির টাকার অংক না বাড়িয়ে ব্যাংকগুলো বাড়তি সুদ আদায়ের জন্য কিস্তির সংখ্যা বাড়াতে পারবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক গত ৮ এপ্রিল এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে পাঠিয়েছে।

খাতসংশ্লিষ্টা বলছেন, নতুন সুদহারের কারণে মেয়াদি শিল্প ঋণ ও ব্যক্তি পর্যায়ের গৃহঋণের কিস্তির টাকার অংক বেড়ে যাচ্ছে। কিন্তু সেই তুলনায় ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের আয় বাড়ছে না। এতে করে ঋণের কিস্তি পরিশোধ করতে গিয়ে গ্রাহকদের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি হচ্ছে। তাই বাংলাদেশ ব্যাংক কিস্তির টাকার পরিমাণ না বাড়িয়ে কিস্তির সংখ্যা বাড়ানোর নির্দেশনা দিয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনায় বলছে, গত বছরের ১ জুলাইয়ের আগে ব্যাংকগুলো যে সুদহারে কিস্তির পরিমাণ নির্ধারণ করেছিল, সেটি অপরিবর্তিত রাখতে হবে। নতুন সুদহারের কারণে কোনো গ্রাহকের কিস্তির পরিমাণ বেড়ে গেলে অতিরিক্ত অর্থ স্থানান্তর করতে হবে সুদ বিহীন আলাদা ব্লকড হিসাবে। শিল্প ও গৃহঋণের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর নতুন সুদহারের কারণে অতিরিক্ত যে অর্থ আলাদা হিসাবে যোগ হবে, তা আগের সমপরিমাণ কিস্তিতে পরিশোধের ব্যবস্থা করতে হবে। এ জন্য বাড়তি যে সময় লাগবে, সেই সময়ের মধ্যে বাড়তি সুদ পরিশোধ করা যাবে কিস্তিতে। এ ক্ষেত্রে চলতি বছরের ৩১ মার্চ পর্যন্ত ঋণ স্থিতি বিবেচনায় নিতে হবে।

উদাহরণ হিসেবে ধরা যাক, কোনো ব্যক্তির গৃহঋণের ক্ষেত্রে গত বছরের ১ জুলাইয়ের আগে সুদাসলে মাসিক কিস্তির পরিমাণ ছিল ১০ হাজার টাকা। ওই সময় ১০ শতাংশ সুদহারে এ কিস্তি আদায় করা হতো। এখন সুদহার বেড়ে হয়েছে ১৫ শতাংশ। তাতে ওই ঋণগ্রহীতার কিস্তির পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০ হাজার ৫০০ টাকা। নতুন সুদহারের কারণে কিস্তি বাবদ বাড়তি যে ৫০০ টাকা বেড়েছে, সেটি প্রতি মাসের কিস্তির মাধ্যমে আদায় করা যাবে না। বাড়তি এই ৫০০ টাকা আলাদা একটি ব্লকড হিসাবে স্থানান্তর করে গ্রাহকের ঋণের মেয়াদ পূর্তির পর তা আদায়ের উদ্যোগ নিতে হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, ব্যাংকগুলো তাদের নিয়মিত গ্রাহকদেরই এই সুবিধা দিতে পারবে। প্রচলিত ব্যাংকিং ধারার পাশাপাশি ইসলামি শরিয়াহ ব্যাংকের গ্রাহকেরাও একই ধরনের সুবিধা পাবেন। কিন্তু আদালতের স্থগিতাদেশের কারণে অশ্রেণিকৃত ঋণের ক্ষেত্রে এই সুবিধা দেওয়া যাবে না। আবার রূপান্তরিত মেয়াদি ঋণের ক্ষেত্রেও এ সুবিধা প্রযোজ্য হবে না। পাশাপাশি ঋণ খেলাপি ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান বা কোনো কোম্পানিকে এই সুবিধা দেওয়া হবে না। বাংলাদেশ ব্যাংক বা সরকার গঠিত প্রণোদনা বা বিশেষ তহবিলের আওতায় প্রদত্ত ঋণের ক্ষেত্রেও এই সুবিধা কার্যকর হবে না।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বলছে, চলতি বছরের তৃতীয় মাস মার্চে ঋণের সুদহার হবে ১৩ দশমিক ১১ শতাংশ আর ভোক্তা ঋণের সুদহার পড়বে ১৪ দশমিক ১১ শতাংশ। যা ফেব্রুয়ারিতে ছিল ১২ দশমিক ৪৩ শতাংশ এবং ১৩ দশমিক ৪৩ শতাংশ আর জানুয়ারিতে ছিল ১১ দশমিক ৮৯ শতাংশ এবং ভোক্তা ঋণের সুদহার ১২ দশমিক ৮৯ শতাংশ ছিল। এভাবে ধারাবাহিক ঋণের সুদহার বাড়ছে। এতে গ্রাহকের কিস্তির অঙ্কও বেড়ে যাচ্ছে। তাই ঋণগ্রহীতার ঋণ পরিশোধের সুবিধার্থে ঋণের কিস্তির টাকার পরিমাণ না বাড়িয়ে কিস্তির সংখ্যা বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

ব্যাংক

একীভূত হচ্ছে না কোন শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংক

Published

on

মার্কেন্টাইল

দেশের দুর্বল ব্যাংকগুলোকে সবল ব্যাংকের সঙ্গে একীভূত করার তালিকা চূড়ান্ত করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। তবে এই তালিকায় কোনো ইসলামি ব্যাংকের নাম নেই। অর্থাৎ শরিয়াহভিত্তিক কোন ব্যাংক আপাতত একীভূত হচ্ছে না।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ইসলামি ধারার যেসব দুর্বল ব্যাংক রয়েছে এসব ব্যাংক মালিকরা নিজেদের উদ্যোগেই ব্যাংকগুলোর আর্থিক অবস্থান ভালো করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংকে গভর্নরের সঙ্গে বিভিন্ন ব্যাংকের মালিকানায় থাকা পরিচালক ও চেয়ারম্যানরা বৈঠক করেন। বৈঠকে ১০টি দুর্বল ব্যাংককে বিভিন্ন সবল ব্যাংকের সঙ্গে একীভূত করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এ তালিকায় রয়েছে পদ্মা ব্যাংক, এবি ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক, ওয়ান ব্যাংক, বিডিবিএল, বেসিক, ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তানি, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক, সাউথ বাংলা এগ্রিকালচার এবং আইসিবি ইসলামি ব্যাংক। এর মধ্যে শুধু পদ্মা ব্যাংকের একীভূতকরণ আনুষ্ঠানিকভাবে চূড়ান্ত হয়েছে।

তবে আইসিবি ইসলামি ব্যাংকের একীভূত হওয়ার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। কারণ আইসিবি ইসলামি ব্যাংকের শেয়ার ওরিয়ন গ্রুপ কিনে নেয়ার বিষয়ে কথা হচ্ছে বলে সূত্র জানিয়েছে। এর আগে আইসিবি ইসলামি ব্যাংকটির নাম ছিল দ্য ওরিয়েন্টাল ব্যাংক। সে সময় ব্যাংকটি ওরিয়ন গ্রুপের মালিকানায় ছিল। তবে দেউলিয়াপ্রায় অবস্থায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হস্তক্ষেপে তা মালয়েশিয়াভিত্তিক আইসিবি ইসলামি গ্রুপ ব্যাংকটির অধিকাংশ শেয়ার কিনে নেয়। তবে নাম, মালিকানা ও ব্যবস্থাপনায় পরিবর্তন আনলেও আইসিবি ইসলামি ব্যাংক আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি।

এদিকে ইসলামি ধারার কয়েকটি ব্যাংকের আর্থিক স্বাস্থ্য নিয়ে বিভিন্ন সময় আলোচনা হয়েছে। বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে এসব ব্যাংক নিয়ে নিউজও হয়। তবে এসব ব্যাংক এখনই একীভূত হচ্ছে না বলেই জানা গেছে।

সূত্র মতে, গত মার্চ মাসে এক্সিম ব্যাংকের সঙ্গে একীভূত হতে চুক্তি করেছে পদ্মা ব্যাংক। এর মধ্য দিয়ে ব্যাংক একীভূত করার ধারা শুরু হয়। এছাড়া রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংককে (রাকাব) কৃষি ব্যাংকের সঙ্গে এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংককে (বিডিবিএল) সোনালী ব্যাংকের সঙ্গে একীভূত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এছাড়া বেসরকারি খাতের সিটি ব্যাংকের সঙ্গে একীভূত হচ্ছে সরকারি মালিকানাধীন সমস্যাগ্রস্ত বেসিক ব্যাংক।

এ প্রক্রিয়ার সঙ্গে সম্পৃক্ত সূত্র জানায়, সম্প্রতি আর্থিক খাতের নীতিনির্ধারকদের এক বৈঠকে ব্যাংক একীভূতকরণ নিয়ে আলোচনা হয়। কোন ব্যাংক কার সঙ্গে একীভূত করা যায়, তা নিয়ে সেখানে অনানুষ্ঠানিক কথাবার্তার একটি খবরের পর আলোচনা ব্যাপক মাত্রা পেয়েছে।

এর আগে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে সমঝোতার ভিত্তিতে ব্যাংকগুলোকে একীভূত হওয়ার কথা বলা হয়েছে। স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় কেউ একীভূত না হলে আগামী বছর মার্চ থেকে বাধ্যতামূলকভাবে ভালো ব্যাংকের সঙ্গে দুর্বল ব্যাংককে মিলিয়ে দেয়া হবে।

গত ৪ এপ্রিল স্বেচ্ছায় একীভূত হওয়ার একটি নীতিমালা জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এতে বলা হয়েছে, ‘একীভূতকরণের পর যে ব্যাংক বিলীন হয়ে যাবে, সেই ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের তিন বছরের আগে ছাঁটাই করা যাবে না। তবে ওই ব্যাংকের বড় কর্মকর্তারা (এমডি, ডিএমডি) থাকতে পারবেন না।’

এমআই

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

ব্যাংক

ইউসিবির সঙ্গে একীভূত হচ্ছে ন্যাশনাল ব্যাংক

Published

on

মার্কেন্টাইল

বেসরকারি খাতের ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক (ইউসিবি) পিএলসির সঙ্গে একীভূত হচ্ছে ন্যাশনাল ব্যাংক। আজ মঙ্গলবার (৯ এপ্রিল) বাংলাদেশ ব্যাংকে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদারের উপস্থিতিতে বৈঠকে দুই ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের কয়েকজন সদস্য ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

জানা গেছে, বাংলাদেশ ব্যাংকের উদ্যোগে এর আগে একীভূতকরণ ইস্যুতে ইউসিবি এবং এনবিএল’র ঊর্ধ্বতন পর্যায়ে আলোচনা হয়েছে। ন্যাশনাল ব্যাংকের আর্থিক ভিত্তি দুর্বল। অপরদিকে ইউসিবির আর্থিক ভিত্তি সবল। এর আগে দেশের দুর্বল ব্যাংক ও সবল ব্যাংকের স্বেচ্ছায় একীভূত হওয়ার সিদ্ধান্ত জানায় বাংলাদেশ ব্যাংক। কোনো ব্যাংক স্বেচ্ছায় না হলে, তাদের জোরপূর্বক একীভূত করা হবে বলে জানানো হয়। তবে যে প্রক্রিয়ায়ই একীভূত হোক না কেন, এতে আমানতকারীদের স্বার্থের কোনো হানি হবে না বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এই সিদ্ধান্তে গত ১৮ মার্চ প্রথমবারের মতো একীভূত হয় পদ্মা ব্যাংক ও এক্সিম ব্যাংক।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মধ্যস্থতায় এরই মধ্যে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বেসিক ব্যাংক বেসরকারি খাতের সিটি ব্যাংকের সঙ্গে একীভূত হওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এছাড়া বেসরকারি খাতের এক্সিমের সঙ্গে পদ্মা একীভূত হওয়ার বিষয়ে এমওইউ সই করেছে। আর গত সপ্তাহে বাংলাদেশ ব্যাংকে অনুষ্ঠিত এক বৈঠক থেকে রাষ্ট্রীয় মালিকানার সোনালীর সঙ্গে বিডিবিএল এবং বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সঙ্গে রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের একীভূত হওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

এসএম

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

ব্যাংক

মুজিবনগরে ব্যাংক বন্ধ থাকবে ১৭ এপ্রিল

Published

on

মার্কেন্টাইল

ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস উদযাপন উপলক্ষে মেহেরপুরের মুজিবনগর উপজেলায় ১৭ এপ্রিল (বুধবার) সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়ে‌ছে। এ কারণে ওই উপজেলার সব ব্যাংকের শাখা বুধবার বন্ধ থাকবে।

সোমবার (৮ এপ্রিল) বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিপার্টমেন্ট অব অব-সাইট সুপারভিশন বিভাগ থে‌কে এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি ক‌রে‌ছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সার্কুলারে বলা হয়েছে, সরকারি ছুটি ঘোষিত হওয়ায় মুজিবনগর দিবস উদযাপন উপলক্ষে মুজিবনগর উপজেলায় ব্যাংকের সব শাখা, উপশাখা ১৭ এপ্রিল বুধবার বন্ধ থাকবে।

মুজিবনগর উপজেলায় ব্যাংক বন্ধ থাক‌লেও দেশের অন্যান্য জেলা-উপজেলায় ব্যাংকের শাখা যথারীতি চালু থাকবে।

এমআই

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন
মার্কেন্টাইল
টেলিকম ও প্রযুক্তি5 hours ago

বাংলাদেশে প্রায় সাত লাখ আইটি ফ্রিল্যান্সার রয়েছে: পলক

মার্কেন্টাইল
লাইফস্টাইল5 hours ago

হার্ট ভালো রাখতে খাবেন যেসব মসলা

মার্কেন্টাইল
জাতীয়5 hours ago

বজ্রপাতে তিন জেলায় ৪ জনের মৃত্যু

মার্কেন্টাইল
ধর্ম ও জীবন5 hours ago

শাওয়ালের ছয় রোজা কি ধারাবাহিকভাবে রাখা জরুরি?

মার্কেন্টাইল
অর্থনীতি6 hours ago

সাত ধরনের মোটরযানের কর মওকুফ

মার্কেন্টাইল
আন্তর্জাতিক6 hours ago

পাকিস্তান-আফগানিস্তানে ঝড়ের আঘাতে শতাধিক প্রাণহানি

মার্কেন্টাইল
বিনোদন6 hours ago

বর্ষবরণ দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে সোলসের কনসার্ট শুরু

মার্কেন্টাইল
পুঁজিবাজার7 hours ago

নগদ লভ্যাংশ দেবে মার্কেন্টাইল ব্যাংক

মার্কেন্টাইল
জাতীয়7 hours ago

থাইল্যান্ড, সৌদি ও গাম্বিয়া সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

মার্কেন্টাইল
জাতীয়7 hours ago

কৃতি শিক্ষার্থীরাই স্মার্ট বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ: স্পিকার

ফেসবুকে অর্থসংবাদ

২০১৮ সাল থেকে ২০২৩

অর্থসংবাদ আর্কাইভ

তারিখ অনুযায়ী সংবাদ

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০