Connect with us

স্বাস্থ্য

বেসরকারি হাসপাতাল-ক্লিনিকের জন্য নতুন ১০ নির্দেশনা

Published

on

শেয়ারবাজার

দেশের সব বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়গনস্টিক সেন্টারের লাইসেন্স প্রবেশপথে টানানো, তথ্য কর্মকর্তা নিয়োগ বাধ্যবাধকতাসহ ১০ দফা নতুন নির্দেশনা দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সেইসাথে এসব নির্দেশনা আবশ্যিকভাবে পালন করতে হবে বলেও জানিয়েছে নিয়ন্ত্রক প্রতিষ্ঠানটি।

আজ বৃহস্পতিবার অধিদপ্তরের হাসপাতাল ও ক্লিনিক শাখার পরিচালক ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এতে জানানো হয়, সংশ্লিষ্ট সকলের অবগতি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জানানো যাচ্ছে যে, বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোর পরিচালনার ক্ষেত্রে বর্ণিত শর্তাবলী আবশ্যিকভাবে প্রতিপালন করার জন্য নির্দেশ দেওয়া হলো।

নির্দেশনাগুলো হলো-

১. বেসরকারি ক্লিনিক হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিকের লাইসেন্সের কপি প্রতিষ্ঠানের মূল প্রবেশ পথের সামনে দৃশ্যমান স্থানে অবশ্যই স্থায়ীভাবে প্রদর্শন করতে হবে।

২. সব বেসরকারি স্বাস্থ্য সেবা প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানের যাবতীয় তথ্যাদি সংরক্ষণ ও সরবরাহের জন্য একজন নির্ধারিত দায়িত্বপ্রাপ্ত তথ্য কর্মকর্তা-কর্মচারী থাকতে হবে। একইসঙ্গে তার ছবি ও মোবাইল নম্বর দৃশ্যমান স্থানে প্রদর্শন করতে হবে।

৩. যে সব প্রতিষ্ঠানের নাম ডায়াগনস্টিক ও হাসপাতাল হিসেবে আছে, কিন্তু শুধুমাত্র ডায়াগনস্টিক অথবা হাসপাতালের লাইসেন্স রয়েছে, তারা লাইসেন্স পাওয়া ছাড়া কোনেভাবেই নামে উল্লেখিত সেবা প্রদান করতে পারবে না।

৪. ডায়াগনষ্টিক সেন্টার, প্যাথলজিক্যাল ল্যাবরেটরির ক্ষেত্রে যে ক্যাটারগরিতে লাইসেন্সপ্রাপ্ত, শুধুমাত্র সে ক্যাটাগরিতে নির্ধারিত পরীক্ষা-নিরীক্ষা ছাড়া কোনভাবেই অন্যান্য পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা যাবে না। ক্যাটারগরি অনুযায়ী প্যাথলজি বা মাইক্রোবায়োলজি, বায়োকেমিস্ট্রি ও রেডিওলজি বিশেষজ্ঞ নিয়োগ করতে হবে।

৫. বেসরকারি ক্লিনিক, হাসপাতালের ক্ষেত্রে লাইসেন্সের প্রকারভেদ ও শয্যা সংখ্যা অনুযায়ী সব শর্তাবলী বাধ্যতামূলকভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে।

৬. হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়োজিত সব চিকিৎসকের পেশাগত ডিগ্রির সনদ, বিএমডিসির হালনাগাদ নিবন্ধন ও নিয়োগপত্রের কপি অবশ্যই সংরক্ষণ করতে হবে।

৭. হাসপাতাল, ক্লিনিকের ক্ষেত্রে যে কোনো ধরনের অপারেশন বা প্রসিডিউরের জন্য অবশ্যই রেজিস্ট্রার্ড চিকিৎসককে সার্জনের সহকারী হিসেবে রাখতে হবে।

৮. কোনো অবস্থাতেই লাইসেন্সপ্রাপ্ত বা নিবন্ধিত হাসপাতাল ও ক্লিনিক ব্যতীত চেম্বারে অথবা ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অ্যানেস্থেসিয়া দেওয়া যাবে না। বিএমডিসি স্বীকৃত বিশেষজ্ঞ ছাড়া যে কোনো ধরনের অপারেশন/সার্জারি/ ইন্টারভেনশনাল প্রসেডিউর করা যাবে না।

৯. সব বেসরকারি নিবন্ধিত লাইসেন্সপ্রাপ্ত হাসপাতাল, ক্লিনিকে লেবার রুম প্রটোকল অবশ্যই মেনে চলতে হবে।

১০. নিবন্ধিত বা লাইসেন্সপ্রাপ্ত হাসপাতাল, ক্লিনিকে অপারেশন থিয়েটারে অবশাই ‘Operation Theatre Etiquette’ মেনে চলতে হবে।

এ নির্দেশনায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরেরের মহাপরিচালকের অনুমোদন রয়েছে বলে আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

জাতীয়

ইন্টার্ন চিকিৎসকদের ভাতা বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন

Published

on

শেয়ারবাজার

ইন্টার্ন চিকিৎসকদের ভাতা ৫ হাজার টাকা বাড়িয়ে ২০ হাজার করেছে সরকার। এতদিন তাদের মাসিক ১৫ হাজার টাকা ভাতা দেয়া হতো। বর্ধিত এ ভাতা চলতি এপ্রিলের ১ তারিখ থেকে কার্যকর হবে এবং এ তারিখের আগের বকেয়া ভাতা নির্ধারিত হারে প্রাপ্য হবেন ইন্টার্ন চিকিৎসকরা।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সেবা বিভাগের বাজেট-১ শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব সুশীল কুমার পাল স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে সোমবার (৮ এপ্রিল) এ কথা জানানো হয়।

এতে বলা হয়েছে, উপরিউক্ত বিষয় ও সূত্রের পরিপ্রেক্ষিতে চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ সচিবালয় অংশে সাধারণ থোক বরাদ্দ খাতে বরাদ্দকৃত ৯৬ কোটি ২১ লাখ ১ হাজার টাকার অব্যয়িত অর্থ থেকে ভর্তীকৃত ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা বিবেচনায় সর্বশেষ ইন্টার্ন চিকিৎসকের সংখ্যা ৪ হাজার ৭০০ জন হিসাবে মাসিক ভাতা ৫ হাজার টাকা বৃদ্ধি করে ২০ হাজার টাকায় উন্নীতকরণের ফলে অতিরিক্ত ৩১ কোটি ৮০ লাখ টাকা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অনুকূলে নির্দেশক্রমে বরাদ্দ প্রদান করা হলো।

এসএম

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

জাতীয়

ঈদের ছুটিতে কোনো হাসপাতালে স্বাস্থ্যসেবায় ব্যাঘাত ঘটেনি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

Published

on

শেয়ারবাজার

এ বছর ঈদের ছুটিতেও দেশে স্বাস্থ্যসেবায় কোনো ব্যাঘাত ঘটেনি বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন। তিনি বলেছেন, মন্ত্রী হিসেবে এটা আমার প্রথম ঈদ। আমি আশা করছি দেশের মানুষ খুব সুন্দরভাবে ঈদ উদযাপন করছেন। ঈদে লম্বা ছুটির কবলে দেশ। এর মধ্যেও দেশের কোনো হাসপাতালে স্বাস্থ্যসেবার ব্যাঘাত ঘটেনি।

বৃহস্পতিবার (১১ এপ্রিল) সকালে গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে আকস্মিকভাবে রাজধানীর মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউট পরিদর্শন করেন। ঈদের ছুটিতে স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতেই মূলত তিনি হাসপাতালগুলো পরিদর্শন করছেন।

দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিদর্শনকালে ডা. স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আমি গতকালও (বুধবার) কয়েকটা হাসপাতালে গিয়েছিলাম। আজকে আরও কয়েকটি হাসপাতালে যাবো। গতকাল দুটি হাসপাতালে গিয়েছি, দুই জায়গাতেই আমি পর্যাপ্ত ডাক্তার, নার্স পেয়েছি। আমি সন্তুষ্ট।

তিনি বলেন, রোগীদের সঙ্গেও আমি কথা বলেছি। কেউ কোনো অভিযোগ করেননি। সকালে দেশের সব হাসপাতালের পরিচালকদের মেসেজ পাঠিয়েছি৷ আমি এখন পর্যন্ত যতটুকু জানি, সব জায়গায় চিকিৎসাসেবা নিরবচ্ছিন্নভাবে চলছে। কোথাও ব্যত্যয় ঘটেনি।

মন্ত্রীর এ আকস্মিক পরিদর্শনের সময় স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. জাহাঙ্গীর আলম, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম, স্বাস্থ্যমন্ত্রীর একান্ত সচিব কমল কুমার ঘোষসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

জাতীয়

ঈদের ছুটিতে হাসপাতাল পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী

Published

on

শেয়ারবাজার

ঈদের ছুটিতে হাসপাতালে স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম সঠিকভাবে পরিচালনা হচ্ছে কি না, তা দেখতে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে হঠাৎ পরিদর্শনে যান স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন।

বুধবার (১০ এপ্রিল) সকালে ঈদ ছুটিকে কেন্দ্র করে দেশের স্বাস্থ্যসেবা যাতে বিঘ্নিত না হয়, সেজন্য অপ্রত্যাশিতভাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী হাসপাতাল দুটি পরিদর্শন করেন।

এ সময় ডা. সামন্ত লাল সেন সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি সেবা বিভাগ, বিভিন্ন ওয়ার্ড এবং কিচেনসহ জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের সিসিইউ (করোনারি কেয়ার ইউনিট) পরিদর্শন করেন। পাশাপাশি হাসপাতালে সেবা নিতে আসা ও চিকিৎসারত রোগী এবং তাদের আপনজনদের সঙ্গে কথা বলেন। তাদের চিকিৎসা পেতে কোন প্রকারের অসুবিধা হচ্ছে কি না জানতে চান। কোন অভিযোগ থাকলে নির্ভয়ে জানাতে বলেন। স্বাস্থ্যসেবা নিতে আসা রোগীরা হাসপাতাল দুটির চিকিৎসা সেবা নিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন।

সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট পরিদর্শনকালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী হাসপাতাল দুটিতে দায়িত্বরত চিকিৎসক, নার্স এবং স্বাস্থ্যসেবার সঙ্গে জড়িত কর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন।

তাদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, প্রতি ঈদের ছুটিতে একটা অভিযোগ প্রায়ই শোনা যায় যে, হাসপাতালে ডাক্তার থাকে না, নার্স থাকে না। সেবা নিতে আসা রোগীরা চিকিৎসা পায় না৷ এবার এটা হতে দেওয়া যাবে না৷ গতকাল সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সময়ও আমি নিশ্চিত করে বলেছি, এই ঈদ ছুটিতে স্বাস্থ্য সেবার কোন ব্যত্যয় ঘটবে না। আপনাদের দায়িত্বশীল হয়ে কাজ করতে হবে। চিকিৎসক রোগীদের মধ্যে সম্পর্ক মজবুত করতে হবে। আপনারা নিষ্ঠার সঙ্গে সেবা দিয়ে যান, আপনাদের বিষয়গুলোও আমি দেখবো।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

স্বাস্থ্য

ক্যানসারের টিকা সম্ভব করতে পারে নতুন প্রযুক্তি

Published

on

শেয়ারবাজার

বায়োনটেকের মতো কোম্পানির টিকা কোভিড মহামারির মোকাবিলা করতে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছে৷ সেই প্রযুক্তির আরো উন্নতি ঘটিয়ে নানা ধরনের ক্যানসার নিরাময়ের চেষ্টা চলছে।

কোভিড-১৯ ভাইরাস প্রতিরোধ করতে প্রথমবার মেসেঞ্জার আরএনএ টিকা অনুমোদন পেয়েছিল। গোটা বিশ্বে এই রোগ ছড়িয়ে পড়ার পর এক বছরেরও কম সময়ের মধ্যে করোনার টিকা আবিষ্কার করা হয়েছিল। আসলে সেই অণু নিয়ে বেশ কয়েক দশকের কাজের দৌলতেই সেটা সম্ভব হয়েছিল। তবে সেই গবেষণার ক্ষেত্র ছিল ক্যানসার নিরাময়৷ কোভিডের দৌলতে এমআরএনএ প্রযুক্তি লোকচক্ষুর আড়াল থেকে জনসমক্ষে এসেছে।

এমআরএনএ-কে প্রায়ই মেডিকাল সফ্টওয়্যার হিসেবে বর্ণনা করা হয়৷ কারণ, সেটি সরাসরি শরীরের উপর কোনো প্রভাব ফেলে না। বরং এমন নির্দেশ বহন করে, যা পালন করলে তবেই সেই প্রভাব দেখা যায়।

এমআরএনএ টিকা শরীরের ইমিউন সিস্টেমকে সম্ভাব্য বিপদ সম্পর্কে আগেভাগেই প্রশিক্ষণ দেয়৷ সেগুলির মধ্যে সুনির্দিষ্ট জেনেটিক তথ্যের স্ট্র্যান্ডের অনেক কপি থাকে, যা হলো মেসেঞ্জার আরএনএ৷ সেগুলি এমনভাবে প্রোগ্রাম করা থাকে, যার মাধ্যমে কোষগুলিকে সুনির্দিষ্ট প্রোটিন সৃষ্টি করতে উৎসাহ দেয়া হয়। যেমন টিউমার সেলে পাওয়া অস্বাভাবিক প্রোটিন, যা শরীরের ইমিউন সিস্টেমের চোখ এড়িয়ে গেছে।

জার্মান ক্যানসার গবেষণা কেন্দ্রের নিল্স হালামা বলেন,এই নজরদারির প্রণালী ভিতরে থেকেই আমাদের সুরক্ষা দেয়৷ কিন্তু কিছু ত্রুটি থাকে এবং নির্দিষ্ট পরিবেশে প্রদাহ দেখা দিতে পারে। যেমন ক্রনিক ইনফ্লেমাশন শরীরের কাঠামোয় পরিবর্তন আনতে পারে এবং তখন টিউমার ইমিউন সিস্টেমের নজর এড়িয়ে যেতে পারে।

এমন অদৃশ্য’ ক্যানসারের কোষ ধ্বংস করতে হলে ইমিউন সিস্টেমকে সবার আগে সেটি দেখার ক্ষমতা আয়ত্ত করতে হবে। মেসেঞ্জার আরএনএ সেই কোষ দৃশ্যমান করে তোলে।

কিন্তু সমস্যা হলো, সব রোগীর ক্যানসারের ধরন ভিন্ন৷ ফলে সবার জন্য একই এমআরএনএ থেরাপির কোনো সুযোগ নেই। কিন্তু ইনফরমেশন মলিকিউল নতুন করে লেখা সম্ভব, যাতে প্রয়োজনীয় প্রোটিন উৎপাদন করা যায়৷ বড় আকারে এমন ব্যক্তিগত চিকিৎসার যুগ ধীরে ধীরে বাস্তব হয়ে উঠছে।

নিল্স হালামা বলেন,আগামী ১২, ২৪ বা ৩৬ মাসের মধ্যেই এমন ক্যানসার চিকিৎসা অনুমোদন পাবে বলে আমাদের প্রত্যাশা রয়েছে৷ কিন্তু বড় আকারে এমন চিকিৎসা প্রয়োগ করতে অনেক সময় লাগবে। এমন অণু উৎপাদনের ক্ষমতা এবং তার মূল্যের উপরেও বিষয়টি অবশ্যই নির্ভর করবে।

এখনো পর্যন্ত সামান্য কয়েকটি ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ অনুমোদন পেলেও গোটা বিশ্ব জুড়ে নানা ধরনের ক্যানসারের চিকিৎসার জন্য বেশ কিছু এমআরএনএ প্রযুক্তি-ভিত্তিক চিকিৎসা পদ্ধতি নিয়ে পরীক্ষা চলছে।

চিকিৎসার ধারাবাহিক উন্নতি ঘটে চলেছে৷ তবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সূত্র অনুযায়ী কোনো না কোনো ধরনের ক্যানসার বছরে প্রায় এক কোটি মানুষের মৃত্যুর কারণ হয়ে রয়েছে।

মহামারির সময় খ্যাতি অর্জন করা প্রযু্ক্তি এবার ক্যানসারের চিকিৎসার ক্ষেত্রেও প্রয়োগের প্রস্তুতি চলছে।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

স্বাস্থ্য

বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস আজ

Published

on

শেয়ারবাজার

আজ ৭ এপ্রিল; বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্ধারিত প্রতিপাদ্যের আলোকে দিবসটি উদযাপন করছে বাংলাদেশও। এবারের প্রতিপাদ্য ‘স্বাস্থ্যের অধিকার নিশ্চিতে: কাজ করি একসাথে’।

দিবসটি উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য অধিদফতর এবং স্বাস্থ্য বিষয়ে কাজ করে এমন বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থাগুলো।

এ বছর দিবসটি উদযাপন উপলক্ষে গৃহীত কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে সেমিনার আয়োজন, স্যুভেনির প্রকাশ, স্বাস্থ্য শিক্ষা প্রদর্শনী, জাতীয় পত্রিকায় ক্রোড়পত্র প্রকাশ, সড়কদ্বীপ সজ্জিতকরণ, চলচ্চিত্র প্রদর্শনী, সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার উদ্যোগে স্বাস্থ্য সমস্যা নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠানসহ অন্যান্য কার্যক্রম।

১৯৪৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে সম্মেলন ডাকার সিদ্ধান্ত নেয় জাতিসংঘ অর্থনীতি ও সমাজ পরিষদ। একই বছরের জুন ও জুলাই মাসে অনুষ্ঠিত হয় আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য সম্মেলন। সেইসঙ্গে গৃহীত হয় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সাংগঠনিক আইন। ১৯৪৮ সালের ৭ এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হয় এই আইন। একইসঙ্গে বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস হিসেবে নির্ধারিত হয় দিনটি।

দিবসটি ঘিরে প্রতিবছর সংস্থাটি এমন একটি স্বাস্থ্য ইস্যু বেছে নেয়, যা বিশেষ করে সারা পৃথিবীর জন্যই গুরুত্বপূর্ণ। এ দিন স্থানীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে পালিত হয় এ দিবসটি।

দিবসটি উপলক্ষে পৃথক বাণী দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

কাফি

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন
শেয়ারবাজার
জাতীয়8 hours ago

রেলে স্বস্তির ঈদযাত্রা, টিকিট কালোবাজারি হয়নি: মন্ত্রী

শেয়ারবাজার
অর্থনীতি9 hours ago

শিক্ষার্থীদের ব্যাংক হিসাবে বেড়েছে আমানত

শেয়ারবাজার
জাতীয়9 hours ago

ঈদের ছুটি শেষে মেট্রোরেল চালু আগামীকাল

শেয়ারবাজার
জাতীয়10 hours ago

ঢাকা ওয়াসার সেবা সহজীকরণের নির্দেশ

শেয়ারবাজার
আন্তর্জাতিক11 hours ago

ভূমধ্যসাগরে নৌকাডুবি, নিহত ৯

শেয়ারবাজার
আন্তর্জাতিক11 hours ago

কলম্বিয়ায় সাধারণ মানুষকে গোসল না করার আহ্বান

মূল্যস্ফীতি
জাতীয়11 hours ago

আসুন সুন্দর ভবিষ্যৎ বিনির্মাণে একযোগে কাজ করি: প্রধানমন্ত্রী

শেয়ারবাজার
রাজনীতি11 hours ago

ফেসবুকে ভালোবাসার বার্তা দিলেন ওবায়দুল কাদের

শেয়ারবাজার
অর্থনীতি11 hours ago

ক্রেডিট কার্ডে বাংলাদেশিদের বেশি খরচ ভারত ও থাইল্যান্ডে

শেয়ারবাজার
জাতীয়12 hours ago

বান্দরবানে পর্যটক ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা

ফেসবুকে অর্থসংবাদ

২০১৮ সাল থেকে ২০২৩

অর্থসংবাদ আর্কাইভ

তারিখ অনুযায়ী সংবাদ

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০