Connect with us

লাইফস্টাইল

ফ্যাটি লিভার থেকে বাঁচতে যেসব খাবার খাবেন

Published

on

মার্কেন্টাইল

অস্বাস্থ্যকর এবং বিশৃঙ্ক্ষল জীবনযাপনের কারণে আমাদের লিভার ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। আমরা বেশিরভাগই খাবারের কোনো নির্দিষ্ট সময় কিংবা রুটিন মেনে চলি না, শরীরচর্চার প্রসঙ্গ এলে নানা অজুহাতে এড়িয়ে যাই। ফলস্বরূপ লিভারে চর্বি জমতে থাকে। এই অতিরিক্ত চর্বি জমা হওয়াকে ফ্যাটি লিভার বলা হয়।

ফ্যাটি লিভার দুই ধরনের হয়। অ্যালকোহলযুক্ত ফ্যাটি লিভার, অন্যটি অ্যালকোহলমুক্ত ফ্যাটি লিভার। প্রচুর অ্যালকোহল পান করলে লিভারে চর্বি জমা হতে পারে। এটি হলো অ্যালকোহলযুক্ত ফ্যাটি লিভারের কারণ। অ্যালকোহলমুক্ত ফ্যাটি লিভার অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন, স্থূলতা বা টাইপ ২ ডায়াবেটিসের কারণে হয়। স্ট্রেস এখানে আরেকটি কারণ যা লিভারে চর্বি জমা হওয়ার সম্ভাবনা বাড়িয়ে তুলতে পারে।

জীবনযাপনে কিছু পরিবর্তন আনার মাধ্যমে ফ্যাটি লিভার রোধ করা সম্ভব। ভারতীয় পুষ্টিবিদ খুশবু জৈন তিব্রেওয়ালা সম্প্রতি ‘দ্য ফ্যাটি লিভার গাইড’ প্রকাশ করেছেন। এতে আছে লিভার ভালো রাখার জন্য সমস্ত তথ্য, যা ফ্যাটি লিভারকে প্রতিহত করতে সাহায্য করতে পারে। সেখান থেকে জেনে নিন ফ্যাটি লিভার থেকে বাঁচতে কোন খাবারগুলো খাবেন-

দুপুর ও রাতের খাবারে ৫০% শাক-সবজি থাকা উচিত

সকাল ও দুপুরের খাবারে ৫০% শাক-সবজি রাখার কথা বলছেন এই পুষ্টিবিদ। এতে থাকতে পারে বিভিন্ন ধরনের শাক-সবজি। সালাদ, তরকারি, ভাজা, স্যুপ, চাটনি, ল্যাকটো-ফার্মেন্টেড সবজি, ডাল এবং রুটিতে এসব শাক-সবজি রাখতে পারেন।

প্রতিদিন কিছু ফার্মেন্টেড ফুড

ফার্মেন্টেড ফুড বা গাঁজানো খাবার হজমের জন্য সহায়ক। এটি শরীরের পুষ্টি শোষণ করার ক্ষমতাও উন্নত করে। এ ধরনের খাবার অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখে। বার বার খাবারের ইচ্ছা কমিয়ে দেয়। তাই প্রতিদিনের খাবারের তালিকায় এ ধরনের একটি খাবার রাখুন।

হালকা গরম পানি ও লেবুর রস দিয়ে দিন শুরু করুন

লেবুতে এমন অ্যাসিড রয়েছে যা পাকস্থলীতে হজমের তরল নিঃসরণকে উদ্দীপিত করে। লেবুতে ফ্ল্যাভোনয়েড রয়েছে যা অক্সিডেটিভ ক্ষতি কমায়। এদিকে হালকা গরম পানি পান করলে তা খাবার দ্রুত ভাঙতে সাহায্য করে। এছাড়াও হালকা গরম পানি কোষ্ঠকাঠিন্য এবং টক্সিন দূর করতে সহায়তা করে।

বেশি ফাইবার খান

ফাইবার বেশি খেলে তা অন্ত্রের মাইক্রোবায়োটা উন্নত করে যা লিভারের ক্ষতি এবং প্রদাহ কমায়। এ জাতীয় খাবার নিয়মিত খাওয়ার ফলে লিভারের অতিরিক্ত চর্বি দ্রুত কমে আসে। তাই প্রতিদিনের খাবারের তালিকায় অবশ্যই ফাইবারযুক্ত খাবার রাখবেন।

বেকড খাবার বাদ দিন

বেকড খাবার যেমন ব্রেড, বিস্কুট, কেক ইত্যাদি প্রতিদিনের খাবারের তালিকা থেকে বাদ দিতে হবে। এ ধরনের খাবার রক্তে গ্লুকোজের মাত্রার বৃদ্ধি ঘটায়, যার ফলে লিভারে চর্বি জমা হয়।

কাঁচা রসুন খান

রসুনে অ্যালিসিন নামক একটি যৌগ থাকে যা লিভারের প্রদাহ কমায়। প্রতিদিন প্রায় ১-৩ গ্রাম কাঁচা রসুন খাওয়ার অভ্যাস করুন। এতে ফ্যাটি লিভার থেকে রক্ষা পাওয়ার পাশাপাশি আরও অনেক উপকার পাবেন।

ক্রুসিফেরাস সবজি খান

ফুলকপি, ব্রকলি, বাঁধাকপি, ব্রাসেল স্প্রাউট, বোকচয়, কলার্ড গ্রিনস, চাইনিজ বাঁধাকপির মতো ক্রুসিফেরাস সবজি রাখতে পারেন প্রতিদিনের খাবারে। এ ধরনের খাবারে সালফার যৌগ থাকে যা লিভারে ডিটক্সিফিকেশন প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এগুলিতে ‌‘ইন্ডোল’ নামক একটি যৌগ রয়েছে যা লিভারে প্রদাহ কমাতে পরিচিত।

২-৩ লিটার পানি পান করুন

পর্যাপ্ত পানি পান করার অভ্যাস টক্সিন দূর করতে সাহায্য করে। এটি হজম প্রক্রিয়া সহজ করে। সেইসঙ্গে লিভার ও কিডনির উপর থেকে বোঝা কমায়। আপনার যদি শুধু পানি খেতে ভালো না লাগে তবে এর পাশাপাশি কিছু তরলজাতীয় স্বাস্থ্যকর পানীয়ও যোগ করতে পারেন। যেমন বিভিন্ন ফলের রস, ডাবের পানি, ভেষজ চা ইত্যাদি।

ধনিয়া পাতার ব্যবহার বাড়ান

ধনিয়া পাতা হজমের রস নিঃসরণকে উদ্দীপিত করে এবং টক্সিন বের করে দিতে সাহায্য করে। ধনিয়া দীর্ঘকাল ধরে লিভারের স্বাস্থ্যের উন্নতিতে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।

বেশি করে মটরশুঁটি, সবুজ শাক, ফল এবং বাদাম খান

এ ধরনের খাবার ফাইবার সমৃদ্ধ। সেইসঙ্গে এতে আছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, খনিজ এবং ভিটামিন যা সামগ্রিক স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। তাই প্রতিদিনের খাবারের তালিকায় এ ধরনের খাবার যোগ করুন। এতে ফ্যাটি লিভার থেকে রক্ষা পাওয়া সহজ হবে।

কাফি

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

লাইফস্টাইল

হার্ট ভালো রাখতে খাবেন যেসব মসলা

Published

on

মার্কেন্টাইল

সুস্থ থাকার জন্য হার্ট ভালো রাখার বিকল্প নেই। সেজন্য নিজের প্রতি হতে হবে বাড়তি যত্নশীল। নয়তো হার্টের অসুখ একবার দেখা দিলে তা মারাত্মক আকার ধারন করতে পারে। ঠিক কোন নিয়মগুলো মেনে চললে হার্ট ভালো রাখা সহজ হবে সেকথা অনেকেই বুঝতে পারেন না। এক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ থাকে প্রথমেই তেলযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলার। এর বদলে খেতে হবে পর্যাপ্ত সবুজ শাক ও সবজি। সেইসঙ্গে প্রতিদিনের খাবারের সঙ্গে যুক্ত করতে হবে একটি বিশেষ মসলা। নাম তার মৌরি। এতে উপকার পাওয়া যাবে দ্রুতই।

ছোট্ট একটি মসলা মৌরি। এটি সুগন্ধযুক্ত মসলা। তবে এর গন্ধ কেউ পছন্দ করেন, কেউ করেন না। তাতে অবশ্য এই মসলার গুণ একটুও কমে না। বরং আপনার হার্ট ভালো রাখার ক্ষেত্রে এটি কাজ করে দুর্দান্তভাবে। তাই হার্ট ভালো রাখতে এর উপকারিতা ও কার্যকারিতা আগে জেনে নিয়ে এরপর প্রতিদিনের খাবারে যোগ করতে হবে উপকারী মসলা মৌরি। তাই হার্টের অসুখ তো দূরে থাকবেই সেইসঙ্গে আরও অনেক অসুখ কাছে ঘেঁষতে পারবে না।

কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করে
আমাদের রক্তে জমা থাকে কোলেস্টেরল নামক মোম জাতীয় একটি উপাদান। কিন্তু কোনো কারণে যদি রক্তে এই মোম জাতীয় উপাদান স্বাভাবিক মাত্রা ছাড়িয়ে যায় তাহলে তা হার্টের রক্তনালীর ভেতরে জমে যেতে পারে। যেখান থেকে ঘটতে পারে হার্ট অ্যাটাকের মতো প্রাণঘাতী সমস্যা। তাই যেভাবেই হোক সবার আগে কোলেস্টেলরকে নিয়ন্ত্রণে আনা জরুরি। বাড়তি কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে আনতে আপনাকে সাহায্য করবে ফাইবার সমৃদ্ধ মৌরি। বিশেষজ্ঞরা হাইপারলিপিডিমিয়ায় আক্রান্তদের নিয়মিত মৌরি খাওয়ার পরামর্শ দেন।

হার্ট ভালো রাখে
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মৌরিতে থাকে পর্যাপ্ত ম্যাগনেশিয়াম, পটাশিয়াম এবং ক্যালসিয়াম। আমাদের হার্টকে ভালো রাখতে বেশ কার্যকরী এসব উপাদান। যে কারণে নিয়মিত মৌরি খেলে তা হার্টের বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে কাজ করবে। যাদের উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা রয়েছে তারাও নিয়মিত মৌরি খেতে পারেন। কারণ এটি উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণেও মূখ্য ভূমিকা রাখে। নিয়মিত এই মসলা খাবারের পাতে রাখলে দূরে থাকতে পারবেন অনেক রোগ থেকেই। হার্ট ভালো রাখা ছাড়াও এটি পেটের সমস্যা দূর করা, ক্যান্সার দূরে রাখাসহ আরও অনেক কাজ করে। বুঝতেই পারছেন, কেন প্রতিদিন মৌরি খাওয়া জরুরি?

যেভাবে খাবেন
এখন নিশ্চয়ই আপনার মনে প্রশ্ন এসেছে যে, হার্ট ভালো রাখা এবং সুস্থ থাকার জন্য মৌরি কীভাবে খাবেন? এক্ষেত্রে সবচেয়ে সহজ উপায় হলো প্রতিবেলার মূল খাবার খাওয়ার পর এক চা চামচ মুখে পুরে খেয়ে নেওয়া। এর পাশাপাশি আরেকটি উপায় হলো মৌরি ভেজানো পানি পান করা। সেজন্য প্রতি রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে মনে করে এক গ্লাস পরিষ্কার পানিতে এক চা চামচ মৌরি মিশিয়ে ভিজতে দিন। গ্লাসটি ঢেকে রাখুন। সকালে উঠে পানিটুকু ছেঁকে খেয়ে নিন। এভাবে নিয়মিত খেলেই উপকার পাবেন।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

লাইফস্টাইল

হার্ট ভালো রাখতে যে মসলা খাবেন

Published

on

মার্কেন্টাইল

সুস্থ থাকার জন্য হার্ট ভালো রাখার বিকল্প নেই। সেজন্য নিজের প্রতি হতে হবে বাড়তি যত্নশীল। নয়তো হার্টের অসুখ একবার দেখা দিলে তা মারাত্মক আকার ধারন করতে পারে। ঠিক কোন নিয়মগুলো মেনে চললে হার্ট ভালো রাখা সহজ হবে সেকথা অনেকেই বুঝতে পারেন না। এক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ থাকে প্রথমেই তেলযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলার। এর বদলে খেতে হবে পর্যাপ্ত সবুজ শাক ও সবজি। সেইসঙ্গে প্রতিদিনের খাবারের সঙ্গে যুক্ত করতে হবে একটি বিশেষ মসলা। নাম তার মৌরি। এতে উপকার পাওয়া যাবে দ্রুতই।

ছোট্ট একটি মসলা মৌরি। এটি সুগন্ধযুক্ত মসলা। তবে এর গন্ধ কেউ পছন্দ করেন, কেউ করেন না। তাতে অবশ্য এই মসলার গুণ একটুও কমে না। বরং আপনার হার্ট ভালো রাখার ক্ষেত্রে এটি কাজ করে দুর্দান্তভাবে। তাই হার্ট ভালো রাখতে এর উপকারিতা ও কার্যকারিতা আগে জেনে নিয়ে এরপর প্রতিদিনের খাবারে যোগ করতে হবে উপকারী মসলা মৌরি। তাই হার্টের অসুখ তো দূরে থাকবেই সেইসঙ্গে আরও অনেক অসুখ কাছে ঘেঁষতে পারবে না।

কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করে
আমাদের রক্তে জমা থাকে কোলেস্টেরল নামক মোম জাতীয় একটি উপাদান। কিন্তু কোনো কারণে যদি রক্তে এই মোম জাতীয় উপাদান স্বাভাবিক মাত্রা ছাড়িয়ে যায় তাহলে তা হার্টের রক্তনালীর ভেতরে জমে যেতে পারে। যেখান থেকে ঘটতে পারে হার্ট অ্যাটাকের মতো প্রাণঘাতী সমস্যা। তাই যেভাবেই হোক সবার আগে কোলেস্টেলরকে নিয়ন্ত্রণে আনা জরুরি। বাড়তি কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে আনতে আপনাকে সাহায্য করবে ফাইবার সমৃদ্ধ মৌরি। বিশেষজ্ঞরা হাইপারলিপিডিমিয়ায় আক্রান্তদের নিয়মিত মৌরি খাওয়ার পরামর্শ দেন।

হার্ট ভালো রাখে
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মৌরিতে থাকে পর্যাপ্ত ম্যাগনেশিয়াম, পটাশিয়াম এবং ক্যালসিয়াম। আমাদের হার্টকে ভালো রাখতে বেশ কার্যকরী এসব উপাদান। যে কারণে নিয়মিত মৌরি খেলে তা হার্টের বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে কাজ করবে। যাদের উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা রয়েছে তারাও নিয়মিত মৌরি খেতে পারেন। কারণ এটি উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণেও মূখ্য ভূমিকা রাখে। নিয়মিত এই মসলা খাবারের পাতে রাখলে দূরে থাকতে পারবেন অনেক রোগ থেকেই। হার্ট ভালো রাখা ছাড়াও এটি পেটের সমস্যা দূর করা, ক্যান্সার দূরে রাখাসহ আরও অনেক কাজ করে। বুঝতেই পারছেন, কেন প্রতিদিন মৌরি খাওয়া জরুরি?

যেভাবে খাবেন
এখন নিশ্চয়ই আপনার মনে প্রশ্ন এসেছে যে, হার্ট ভালো রাখা এবং সুস্থ থাকার জন্য মৌরি কীভাবে খাবেন? এক্ষেত্রে সবচেয়ে সহজ উপায় হলো প্রতিবেলার মূল খাবার খাওয়ার পর এক চা চামচ মুখে পুরে খেয়ে নেওয়া। এর পাশাপাশি আরেকটি উপায় হলো মৌরি ভেজানো পানি পান করা। সেজন্য প্রতি রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে মনে করে এক গ্লাস পরিষ্কার পানিতে এক চা চামচ মৌরি মিশিয়ে ভিজতে দিন। গ্লাসটি ঢেকে রাখুন। সকালে উঠে পানিটুকু ছেঁকে খেয়ে নিন। এভাবে নিয়মিত খেলেই উপকার পাবেন।

কাফি

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

লাইফস্টাইল

গরমে হতে পারে যেসব চর্মরোগ

Published

on

মার্কেন্টাইল

বাড়তে শুরু করেছে গরম। আর গরম পড়তেই ত্বকের সমস্যা বেড়ে যায়। এই সময় ত্বকের বেশ কিছু চর্মরোগের সমস্যা দেখা দেয় যেমন- ঘামাচি, ব্রণ, একজিমা ইত্যাদি। তাই এ সময় সাবধান থাকা জরুরি। চলুন জেনে নেওয়া যাক গরমে কোন কোন চর্মরোগ বাড়ে-

ঘামাচি

গরমে ঘামাচির সমস্যা বাড়ে। এমনিতে সবারই ঘামাচি হতে পারে। তবে সবার সামনে এটি অস্বস্তিদায়কই বটে।

ব্রণ

ব্রণের সমস্যায় অনেকেই ভোগেন। তবে গরমে এই সমস্যা বাড়ে। কারণ ঘাম ও ধুলো মিলেমিশে ত্বকের ছিদ্রে জমতে থাকে।

একজিমা

তাপমাত্রার পারদ যত বাড়তে থাকে, ততই একজিমার সমস্যা বেড়ে যায়। একজিমা এই সময় নতুন করে বাড়তে পারে।

শুষ্ক ত্বকের সমস্যা

গরমে ডিহাইড্রেশন বেশি হয়। তাই যাদের ত্বক শুষ্ক, তাদের ত্বক আরও শুকিয়ে যাওয়ার ভয় থাকে। এজন্য এ সময় পর্যাপ্ত পানি পান করতে হবে।

সান এলার্জি-সানবার্ন

অনেকেরই এই সমস্যা রয়েছে। গ্রীষ্মের সূর্যের তাপে তা আরও বেড়ে যায়। আবার সানবার্ন হলে ত্বকে ট্য়ান পড়ে। এক্ষেত্রে ত্বকের খোলা অংশ কালচে হয়ে পড়ে। তাই রেদে যাওয়ার আগে সান স্ক্রিন ব্যবহার করা মাস্ট।

ত্বকের ক্যানসার

শুনতে অবাক লাগলেও এটি সত্যি। কারণ ক্রান্তীয় অঞ্চলে রোদের তীব্রতা অনেকটাই। যে কারণে অবিরত গায়ে রোদ লাগলে স্কিন ক্যানসারের ভয় আছে।

কাফি

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

লাইফস্টাইল

গরমে ঠাণ্ডা পানি খেলে যেসব ঝুঁকি থাকে

Published

on

মার্কেন্টাইল

গরম থেকে প্রশান্তি পেতে অনেকেই একটু পর পর ফ্রিজ খুলে ঠান্ডা পানি খান। এতে সাময়িক স্বস্তি মিললেও দীর্ঘমেয়াদে স্বাস্থ্যহানীর কারণ হতে পারে। আয়ুর্বেদশাস্ত্রে গরমের সময় ঠান্ডা পানি খাওয়ার বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে।

জানুন গরমের নিয়মিত ঠান্ডা পানি পান করার কয়েকটি ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে।

হজমের সমস্যা হয়

আমাদের মধ্যে অনেকেই খাবার খাওয়ার সময় ঢক ঢক করে ঠান্ডা পানি পান করেন। আর এই ভুলটা করেন বলেই তাদের হজমক্রিয়া ব্যাহত হয়। শুধু তাই নয়, নিয়মিত ঠান্ডা পানিতে চুমুক দিলে খাবারে থাকা নানা পুষ্টিগুণও গ্রহণ করতে পারে না শরীর। তাই এইসব সমস্যার থেকে দূরত্ব বজায় রাখতে চাইলে আজ থেকেই ঠান্ডা পানি খাওয়ার ভুলটা শুধরে নিন। আশা করছি, এই নিয়মটা মেনে চললেই আপনাকে আর বিপদের ফাঁদে পড়ে কষ্ট পেতে হবে না।

গলা ব্যথা হয়

তীব্র গরম থেকে ঘরে ফিরেই ফ্রিজের ঠান্ডা পানিতে চুমুক দেন নাকি? এই প্রশ্নের উত্তর যদি হ্যা হয়, তাহলে যে দ্রুত নিজেকে শুধরে নিতে হবে। কেননা, এভাবে ঠান্ডা পানিতে চুমুক দিলে গলায় ব্যথা হওয়ার আশঙ্কা বাড়ে। এমনকি বুকে এবং মাথায় জমে যেতে পারে কফ। সেই সঙ্গে পিছু নিতে পারে নাছোড়বান্দা কাশি। তাই এই সময় কথায় কথায় ঠান্ডা পানি খেতে বারণ করেন বিশেষজ্ঞরা।

ফ্যাট বাড়ে

ওজন বেশি থাকলে তা কমাতে হবে। নইলে যে সঙ্গী হবে একাধিক জটিল-কুটিল অসুখ। কিন্তু মুশকিল হল, নিয়মিত ঠান্ডা পানি খেলে কিন্তু শরীর থেকে মেদের বহর কমাতে পারবেন না। কারণ গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে, ঠান্ডা পানির কারসাজিতে শরীরের ফ্যাট মেটাবোলিজম ধীর হয়ে যায়। ফলে বাড়তে শুরু করে ওজন। তাই ঝটপট ওজন কমানোর ইচ্ছে থাকলে আজ থেকেই ঠান্ডা পানি খাওয়ার লোভ সামলে নিন।

​বদলে যাবে হার্টরেট​

হার্ট হল আমাদের শরীরের রক্ত পাম্প করার যন্ত্র। তাই এই অঙ্গটির স্বাস্থ্যের দিকে বিশেষ নজর দিতেই হবে। তবে দুর্ভাগ্যের বিষয় হল, নিয়মিত ঠান্ডা পানি পান করলে কিন্তু হৃদগতি যেতে পারে কমে। আর সেই সুবাদে পিছু নিতে পারে একাধিক প্রাণঘাতী সমস্যা। তাই যতই গরম পড়ুক না কেন, কথায় কথায় ঠান্ডা পানি খাওয়ার ভুলটা কিন্তু শুধরে নিতে হবে। নইলে যে সমস্যার শেষ থাকবে না।

​শরীরের লাগবে ‘শক’​

আজকাল অনেকেই শরীরচর্চা করার পর হুট করে ঠান্ডা পানি খেয়ে নেন। আর এই কাজটা করেন বলেই দেহের তাপমাত্রা হুট করে বদলে যায়। আর তাপমাত্রাজনিত এমন তারতম্যের সঙ্গে শরীর ঠিক মানিয়ে নিতে পারে না। আর সেই কারণেই পেটের সমস্যা থেকে শুরু করে ক্রনিক ব্যথা সহ একাধিক রোগের ফাঁদে পড়ার আশঙ্কা বাড়ে। তাই সুস্থ থাকতে আজ থেকেই নিজের ভুল শুধরে নিন।

কাফি

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

লাইফস্টাইল

গরমে সুস্থ থাকতে খেতে পারেন যে ৫ খাবার

Published

on

মার্কেন্টাইল

গরমের সময় শুরু হয়েছে। এখন সময় এসেছে আমাদের খাবারের তালিকা ও জীবনযাপনের ধরনে পরিবর্তন আনার। তাপমাত্রা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে আমাদের এমন খাবার খাওয়া উচিত যেগুলো শরীরকে ঠান্ডা এবং হাইড্রেটেড রাখে। প্রতিদিন পর্যাপ্ত পানি পান করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এসময় আমাদের ঘাম এবং প্রস্রাবের মাধ্যমে অনেকটা পানি বের হয়ে যায়। যে কারণে শরীরে পানির ঘাটতি তৈরি হতে পারে।

গরমের সময়ে আমরা অন্যান্য সময়ের চেয়ে বেশি তৃষ্ণার্ত থাকি। তাই এসময় এমন খাবার খেতে হবে যাতে পানির পরিমাণ থাকে বেশি। এই গরমে আপনাকে নিজের প্রতি আরেকটু বেশি যত্নশীল হতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে খাবারের তালিকার প্রতি। চলুন জেনে নেওয়া যাক এমন খাবার সম্পর্কে যেগুলো আমাদের এই গরমেও সুস্থ রাখতে সাহায্য করবে।

গরমে সুস্থ থাকতে যেসব খাবার খাবেন

শশা

গরমের সময়ে একটি উপকারী খাবার হলো শশা। এতে ক্যালোরি থাকে কম এবং এটি হাইড্রেটিং একটি খাবার। আপনার প্রতিদিনের সালাদ, স্মুদি কিংবা অন্যান্য ডিশ তৈরিতে রাখতে পারেন শশা। এতে পানির পরিমাণ বেশি থাকার কারণে তা আপনাকে গরমেও হাইড্রেটেড থাকতে সাহায্য করবে। তাই গরমের সময়ে শশা থাকুক আপনার খাবারের তালিকায়।

তরমুজ

গ্রীষ্মকালীন একটি সুস্বাদু ফল হলো তরমুজ। মিষ্টি স্বাদের এই ফল সবার কাছেই একটি পছন্দের খাবার। এটি গরমের সময়ের জন্য বেশ উপযুক্ত। কারণ এই ফলের প্রায় নব্বই শতাংশই পানি। এতে থাকে ইলেক্ট্রোলাইট, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, প্রয়োজনীয় ভিটামিন এবং খনিজ। যে কারণে তরমুজ খেলে তা শরীরের অনেক ঘাটতি পূরণে কাজ করে। তাই খাবারের তালিকায় প্রতিদিন তরমুজ রাখুন।

ফুটি

গরমের আরেকটি সুস্বাদু ফল হলো ফুটি। এটে যেমন মিষ্টি তেমনই হাইড্রেটিং। ফুটি খেলে তা আপনাকে দিনভর সতেজ রাখতে কাজ করবে। সেইসঙ্গে বাড়বে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও। হার্ট ভালো রাখতে, দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে, ওজন কমাতে এবং পেটের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে ফুটির জুড়ি মেলা ভার। তাই গরমের সময়ে খাবারের তালিকায় যোগ করে নিন সুস্বাদু ও স্বাস্থ্যকর ফুটি।

টমেটো

গরমের সময়ে একটি উপকারী সবজি হলো টমেটো। লাল টুকটুকে টমটো দিয়ে তৈরি করা যায় নানা পদের খাবার। এটি লাইকোপেন সমৃদ্ধ। লাইকোপেন হলো একটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা শরীরকে ফ্রি র‌্যাডিক্যাল ক্ষতির বিরুদ্ধে লড়াই করতে সাহায্য করে। টমেটোতে প্রচুর পানি থাকে। সেইসঙ্গে থাকে ভিটামিন এ এবং সি। তাই গরমের সময়ে নিয়মিত টমেটো খেতে হবে।

দই

গরমে সুস্থ থাকতে চাইলে নিয়মিত পাতে রাখুন দই। এটি এক ধরনের প্রয়োবায়োটিক যা এই গরমে আপনাকে সতেজ রাখতে কাজ করবে। সেইসঙ্গে পেটের স্বাস্থ্য ঠিক রাখতেও কাজ করবে এটি। দই খেলে তা শরীর ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে। তাই গরমের সময়ে প্রতিদিন এক বাটি দই খাওয়ার অভ্যাস করুন।

এমআই

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন
মার্কেন্টাইল
টেলিকম ও প্রযুক্তি6 hours ago

বাংলাদেশে প্রায় সাত লাখ আইটি ফ্রিল্যান্সার রয়েছে: পলক

মার্কেন্টাইল
লাইফস্টাইল6 hours ago

হার্ট ভালো রাখতে খাবেন যেসব মসলা

মার্কেন্টাইল
জাতীয়7 hours ago

বজ্রপাতে তিন জেলায় ৪ জনের মৃত্যু

মার্কেন্টাইল
ধর্ম ও জীবন7 hours ago

শাওয়ালের ছয় রোজা কি ধারাবাহিকভাবে রাখা জরুরি?

মার্কেন্টাইল
অর্থনীতি7 hours ago

সাত ধরনের মোটরযানের কর মওকুফ

মার্কেন্টাইল
আন্তর্জাতিক7 hours ago

পাকিস্তান-আফগানিস্তানে ঝড়ের আঘাতে শতাধিক প্রাণহানি

মার্কেন্টাইল
বিনোদন8 hours ago

বর্ষবরণ দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে সোলসের কনসার্ট শুরু

মার্কেন্টাইল
পুঁজিবাজার8 hours ago

নগদ লভ্যাংশ দেবে মার্কেন্টাইল ব্যাংক

মার্কেন্টাইল
জাতীয়8 hours ago

থাইল্যান্ড, সৌদি ও গাম্বিয়া সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

মার্কেন্টাইল
জাতীয়8 hours ago

কৃতি শিক্ষার্থীরাই স্মার্ট বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ: স্পিকার

ফেসবুকে অর্থসংবাদ

২০১৮ সাল থেকে ২০২৩

অর্থসংবাদ আর্কাইভ

তারিখ অনুযায়ী সংবাদ

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০