Connect with us

শিল্প-বাণিজ্য

অগ্নি নিরাপত্তা নিশ্চিতে ১৩ প্রতিষ্ঠান ও ৫ ব্যক্তিকে সম্মাননা

Published

on

শেয়ারবাজার

আবাসিক ও বাণিজ্যিক ভবনে অগ্নি সুরক্ষা ব্যবস্থা নিশ্চিত করায় ১৩ টি প্রতিষ্ঠান ও অগ্নিনির্বাপণ ও দুর্ঘটনায় উদ্ধারকাজে সাহসী ভূমিকার জন্য পাঁচ ব্যক্তিকে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করে ইলেকট্রনিক্স সেফটি অ্যান্ড সিকিউরিটি অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইসাব)। সোমবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) রাতে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (বিআইসিসি) ‘৯ম আন্তর্জাতিক ফায়ার সেফটি অ্যান্ড সিকিউরিটি এক্সপো ২০২৪’ এর সমাপনী অনুষ্ঠানে এ পুরস্কার প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার ও স্মারক তুলে দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। তিনি বলেন, অগ্নি নিরাপত্তা সামগ্রী ও জনসচেতনতা বৃদ্ধি পাওয়ায় এত অগ্নিকাণ্ডের পরও দেশের শিল্পগুলো ঘুরে দাঁড়িয়েছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা ইতিমধ্যে ৪৪ হাজার স্বেচ্ছাসেবক তৈরি করেছি, যারা ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা দুর্ঘটনাস্থলে আসার আগেই আগুন নেভাতে ভূমিকা রাখতে পারবে। পূর্ব অভিজ্ঞতা নিয়ে এখনকার ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা আরো বেশি সতর্ক। আমাদের সরকারের চূড়ান্ত লক্ষ্য হলো ফায়ার সার্ভিস কর্মীদের প্রশিক্ষণ দেওয়া ও সিভিল ডিফেন্সের উন্নতি করা।’

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব তপন কান্তি ঘোষ বলেন, ফায়ার সেফটি নিশ্চিতে আমাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন। ভবন নির্মাণের সময় অবশ্যই বিল্ডিং কোড মানতে হবে। সরকারের পাশাপাশি উদ্যোক্তাদের এই বিষয়ে সচেতন হওয়ার জরুরী। এসময় মানুষের জীবনের মূল্যায়ন করার জন্য হলেও ফায়ার সেফটি নিয়ে সচেতন হতে সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

স্বাগত বক্তব্যে ইসাবের সভাপতি নিয়াজ আলী চিশতি বলেন, এই প্রদর্শনীতে ৩০টি দেশের শতাধিক প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণ, ৩ দিনে ১৫ হাজারেরও বেশি দেশি-বিদেশি দর্শনার্থীর আগমণ এবং আমাদের সেমিনারগুলোতে ৩ হাজারেরও বেশি মানুষের অংশগ্রহণ প্রমাণ করে অগ্নি নিরাপত্তা নিয়ে দেশের মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

জনসচেতনতা বৃদ্ধি ও আবাসিক ও বাণিজ্যিক ভবন গুলোতে অত্যাধুনিক অগ্নি সুরক্ষা সরঞ্জাম ব্যবহারে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করতে আয়োজিত এই প্রদর্শনী আয়োজনের উদ্দেশ্য সফল হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। এসময় বাংলাদেশে বিনিয়োগের নানা সুযোগের কথা তুলে ধরে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের এই দেশে বিনিয়োগের আহ্বান জানান তিনি।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোঃ মাইন উদ্দিন বলেন, দেশকে উন্নত করতে হলে আমাদের সকল নিয়ম-কানুন মেনে চলতে হবে। বাণিজ্যিক ও আবাসিক ভবনে অগ্নি-নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। এক্ষেত্রে অগ্নি-নিরাপত্তা নিশ্চিতে নির্মাণ ব্যয়ের ২ শতাংশ এ খাতে খরচ করতে হবে।

সার্ক চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি মো.জসিম উদ্দিন বলেন, উন্নত বাংলাদেশে গড়তে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জন করতে হলে অবশ্যই অগ্নি নিরাপত্তায় গুরুত্ব দিতে হবে। এইচএসবিসির ঘোষণা অনুযায়ী ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশ ৯ম ভোক্তা বাজারে পরিণত হবে। অন্যান্য খাতের মতো ফায়ার সেফটি খাতেও অনেক বড় ভোক্তা রয়েছে আমাদের। কাজেই এখন সময় এসেছে দেশেই ফায়ার সেফটি পণ্য উৎপাদন করার। শুধু বিদেশি পণ্যের উপর নির্ভরশীল না হয়ে দেশেই ফায়ার সেফটি পণ্য উৎপাদনের জন্য এ খাতের সংশ্লিষ্ট উদ্যোক্তাদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।

এফবিসিসিআই’র সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. আমিন হেলালী বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতি অনেক এগিয়েছে। অগ্নি নিরাপত্তা পণ্যের ক্ষেত্রে শুধু বিদেশী পণ্যের উপর নির্ভরশীল না হয়ে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে দেশেই পণ্য উৎপাদন করতে হবে।

ইসাবের সেক্রেটারি জেনারেল জাকির উদ্দিন আহমেদ বলেন, বাংলাদেশকে নিরাপদ ও সুরক্ষিত রাখতে পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপের ওপর গুরুত্ব অনেক। কারণ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা থেকে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার প্রচেষ্টা এককভাবে করা যাবে না।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে আরও বক্তব্য রাখেন ইসাবের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট এসএম শাহজাহান সাজু, প্রচার সম্পাদক মো. নজরুল ইসলাম প্রমুখ। এসময় উপস্থিত ছিলেন ইসাবের সহ-সভাপতি মোঃ মতিন খান, মোহাম্মদ ফয়সাল মাহমুদ, ইঞ্জি. মোঃ মনজুর আলম, এম মাহমুদুর রশিদ, যুগ্ম মহাসচিব মো. মাহমুদ-ই-খোদা, এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি ইঞ্জি মোঃ মাহাবুর রহমান, কোষাধ্যক্ষ মোঃ নূর-নবী, পরিচালক মো. ওয়াহিদ উদ্দিন, ইঞ্জি. মো. আল-ইমরান হোসেন, মেজর মোহাম্মদ আশিক কামাল, মো. রফিকুল ইসলাম প্রমুখ।

ইসাব সেফটি এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড পেলেন যারা

আবাসিক, শিল্প, বাণিজ্যিক ভবনে বিল্ডিং কোড মেনে চলা ও অগ্নি নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিতের জন্য ‘ইসাব সেফটি এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড পেয়েছে মোট ১৩টি প্রতিষ্ঠান। এর মধ্যে আবাসিক ভবন ক্যাটাগরিতে প্রথম হয়েছে র‌্যানকন আর্টিস্টি রেসিডেন্সেস, দ্বিতীয় হয়েছে শেলটেক রুবিনুর, এবং তৃতীয় হয়েছে কনকর্ড শাপলা। বাণিজ্যিক ভবন ক্যাটাগরিতে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় হয়েছে যথাক্রমে শান্তা ফোরাম, কনকর্ড এমকে হেরিটেজ এবং বিজিএমইএ। শিল্প ভবন (তৈরি পোশাক) ক্যাটাগরির ৩টি পর্যায়েই যৌথভাবে ৬টি প্রতিষ্ঠান বিজয়ী হয়েছে। এরমধ্যে যৌথভাবে প্রথম হয়েছে গ্ল্যামার ড্রেসেস লিমিটেড এবং ডিজাইনটেক্স নিটওয়্যার লিমিটেড, যৌথভাবে দ্বিতীয় হয়েছে তাসনিয়া ফ্রেব্রিক্স লিমিটেড ও এসকিউ বিরিচিনা লিমিটেড এবং যৌথভাবে তৃতীয় হয়েছে স্টারলিং ডেনিমস লিমিটেড, সিল্কেন সুইং লিমিটেড। এছাড়াও শিল্প ভবনের অন্যান্য ক্যাটাগরিতে সম্মাননা পেয়েছে বিএম কন্টেইনার ডিপোট লিমিটেড।

অগ্নি-নির্বাপন ও উদ্ধারকাজে সম্মাননা পেলেন যারা

এদিকে অগ্নি-নির্বাপন ও উদ্ধারকাজে সাহসী ভূমিকার জন্য ফায়ার সার্ভিসের ৫ ব্যক্তিকে বিশেষ সম্মাননা দিয়েছে ইসাব। অগ্নি-নির্বাপন ও উদ্ধারকাজে সাহসী ভূমিকার জন্য সম্মাননা পেয়েছেন ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের উপ-সহকারী পরিচালক মো. ফয়সালুর রহমান, মোহাম্মদ সফিকুল ইসলাম, সিনিয়র স্টেশন অফিসার মো. নাজিম উদ্দিন সরকার, ওয়্যারহাউজ ইন্সপেক্টর মো. জহিরুল ইসলাম এবং ফায়ার ফাইটার আলহাজ মিয়া।

উল্লেখ্য, গত ১৭ থেকে ১৯ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত এই প্রদর্শনীর কো-পার্টনার হিসেবে রয়েছে ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর, অ্যাসোসিয়েট পার্টনার হিসেবে রয়েছে এফইবিওএবি, বিজিএমইএ, বিকেএমইএ, বিটিএমএ, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়,স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এই প্রদর্শনীতে সার্বিকভাবে সহযোগিতা করেছে এফবিসিসিআই।

অর্থসংবাদ/এমআই

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

শিল্প-বাণিজ্য

পোশাকপণ্য রফতানি লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১.৮ বিলিয়ন ডলার কম

Published

on

শেয়ারবাজার

চলতি অর্থবছরের প্রথম নয় মাসে (জুলাই-মার্চ) পোশাকপণ্য রফতানি হয়েছে লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় ১ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলার কম। বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রফতানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) পক্ষ থেকে বুধবার এ তথ্য জানানো হয়।

বিজিএমইএ জানায়, চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরের জুলাই-মার্চ সময়সীমায় বাংলাদেশ থেকে পোশাক রফতানি হয়েছে ৩৭ দশমিক ২০ বিলিয়ন ডলারের। যদিও এ সময়ের মধ্যে রফতানির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ৩৯ বিলিয়ন ডলার। সে অনুযায়ী, অর্থবছরের প্রথম নয় মাসে পোশাকপণ্য রফতানি হয়েছে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলার কম।

এর আগে গত অর্থবছরের একই সময়সীমায় বাংলাদেশ থেকে পোশাক রফতানি হয়েছিল ৩৫ দশমিক ২৫ বিলিয়ন ডলারের। সে অনুযায়ী অর্থবছরের প্রথম নয় মাসে পোশাক রফতানিতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৫ দশমিক ৫৩ শতাংশ।

বিশেষ করে জানুয়ারি-মার্চ প্রান্তিকের বিক্রি এ প্রবৃদ্ধিতে বড় ভূমিকা রেখেছে বলে বিজিএমইএর দেয়া পরিসংখ্যানে উঠে এসেছে। এতে দেখা যায়, জানুয়ারি-মার্চ প্রান্তিকে পোশাক পণ্য রফতানিতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১২ দশমিক ৬৯ শতাংশ। বিশ্বব্যাপী মূল্যস্ফীতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসার পাশাপাশি খুচরা বিক্রি বাড়ায় এ পোশাকপণ্য রফতানিতে এ প্রবৃদ্ধি অর্জন হয়েছে বলে জানিয়েছে বিজিএমইএ।

তবে পোশাক শিল্প মালিকরা মনে করছেন, রফতানিতে প্রবৃদ্ধি অর্জন হলেও এতে আত্মতুষ্টির সুযোগ নেই। গত সাত মাসে বাংলাদেশের প্রধান তিনটি রফতানি পণ্যের দাম কমেছে। এর মধ্যে টি-শার্টের দাম কমেছে ১২ থেকে ১৭ শতাংশ। ট্রাউজারের দাম কমেছে সাড়ে ৭ শতাংশ পর্যন্ত। আর সোয়েটারের মূল্য কমেছে ১০ থেকে ১৪ শতাংশ পর্যন্ত।

পোশাক শিল্প মালিকরা বলছেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি খাতটিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। গত পাঁচ বছরে পোশাকপণ্যের উৎপাদন খরচ বেড়েছে ৫০ শতাংশ। একই সময়ে গ্যাসের মূল্য ২৮৬ দশমিক ৫ ও বিদ্যুতের মূল্য ২১ দশমিক ৪৭ বেড়েছে। ডিজেলের মূল্য বেড়েছে ৬৮ শতাংশ। এর সঙ্গে সঙ্গে পরিবহন খরচও। গত জানুয়ারি থেকে ন্যূনতম মজুরি বেড়েছে ৫৬ শতাংশ।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

শিল্প-বাণিজ্য

আখাউড়া স্থলবন্দরে পাঁচ দিন আমদানি-রপ্তানি বন্ধ

Published

on

শেয়ারবাজার

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে আজ ১০ এপ্রিল থেকে ১৪ এপ্রিল পাঁচদিনের ছুটি শুরু হয়েছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া স্থলবন্দরে।

ফলে বুধবার (১০ এপ্রিল) সকাল থেকে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের আগরতলার সঙ্গে পণ্য আমদানি-রপ্তানি বন্ধ রয়েছে। তবে উভয়দেশের বৈধ পাসপোর্টধারী যাত্রীরা স্বাভাবিকভাবে পারাপার করছেন।

এসব তথ্য জানিয়েছেন আখাউড়া স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানিকারক অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, দুদেশের ব্যবসায়ীদের সিদ্ধান্তে ঈদুল ফিতর উপলক্ষে আজ ১০ এপ্রিল থেকে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত পাঁচদিন এ স্থলবন্দর দিয়ে ভারতের সঙ্গে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকবে।

প্রসঙ্গত, দেশের অন্যতম বৃহৎ ও রপ্তানিমুখী আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে প্রতিদিন হিমায়িত মাছ, প্লাস্টিক, রড, সিমেন্ট ও বিভিন্ন খাদ্যসামগ্রী রপ্তানি হয়।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

শিল্প-বাণিজ্য

বেনাপোল বন্দরে পাঁচ দিন আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য বন্ধ

Published

on

শেয়ারবাজার

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বেনাপোল-পেট্রোপোল বন্দরের মধ্যে পাঁচদিন আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য বন্ধ থাকবে। তবে এ সময় দুদেশের মধ্যে পাসপোর্টধারী যাত্রীদের যাতায়াত স্বাভাবিক থাকবে।

মঙ্গলবার (৯ এপ্রিল) রাতে বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সাজেদুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, মুসলিম সম্প্রদায়ের বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতর উপলক্ষে আগামী বুধবার (১০ এপ্রিল) থেকে রোববার (১৪ এপ্রিল) পর্যন্ত সরকারি ছুটি থাকায় দুদেশের মধ্যে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য বন্ধ থাকবে। আগামী সোমবার (১৫ এপ্রিল) থেকে পুনরায় বেনাপোল-পেট্রোপোল বন্দরের মধ্যে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য সচল হবে।

বেনাপোল বন্দরের পরিচালক করিম জানান, এ সময় বন্দরের মধ্যে যাতে কোনো প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে সেজন্য নিরাপত্তা জোর দার করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

শিল্প-বাণিজ্য

চট্টগ্রামে বেড়েছে পাম অয়েলের দাম

Published

on

শেয়ারবাজার

চট্টগ্রামে পাইকারি পর্যায়ে পাম অয়েলের দাম বেড়েছে মণে ৫০০ টাকা। গ্রীষ্ম মৌসুমে ভোজ্যতেলের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় দামে প্রভাব পড়েছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। দেশে ভোগ্যপণ্যের সবচেয়ে বড় পাইকারি বাজার খাতুনগঞ্জের বিভিন্ন আড়তে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রোজার আগেও মণপ্রতি (৩৭ দশমিক ৩২ কেজি) পাম অয়েল লেনদেন হয়েছে ৫ হাজার টাকার মধ্যে। রোজার শুরুতে খুচরা ও পাইকারি বাজারে চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় দাম বাড়তে থাকে।

বাজারসংশ্লিষ্টরা বলছেন, দুই সপ্তাহ আগে আন্তর্জাতিক বাজারে পাম অয়েলের বুকিং দর কিছুটা বেড়ে যাওয়ায় দেশের বাজারে হঠাৎ উল্লম্ফন দেখা দিয়েছে। গত দুই সপ্তাহে এরই মধ্যে পণ্যটির মণপ্রতি দাম বেড়েছে প্রায় ২৫০ টাকা। তবে পাম অয়েলের দাম বাড়লেও সয়াবিনের দাম আগের মতোই মণপ্রতি ৬ হাজার থেকে ৬ হাজার ২০০ টাকার মধ্যে লেনদেন হচ্ছে।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, দেশে সয়াবিনের তুলনায় পাম অয়েলের চাহিদা বেশি থাকে। শীত মৌসুমে পাম অয়েল জমে যাওয়ায় সয়াবিনের চাহিদা বাড়ে। তবে গ্রীষ্মকালে পাম অয়েল দেখতে অনেকটা সয়াবিনের মতো হয়ে যাওয়ায় খুচরা খোলা ভোজ্যতেল বিক্রির ক্ষেত্রে পাম অয়েলের ব্যবহার বেশি হয়। অনেক ক্ষেত্রে প্রত্যন্ত এলাকাগুলোয় পাম অয়েল কিংবা অধিক পরিশোধিত পাম অয়েলকে সয়াবিন নাম দিয়ে বিক্রির প্রবণতা বেশি। এ কারণে বাড়তি চাহিদাকে পুঁজি করে বাজারে পাম অয়েলের দাম বাড়ছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, বর্তমানে ব্যাংকগুলোয় এলসি (ঋণপত্র) খুলতে সমস্যা নেই। ডলারের দাম কমে ব্যাংকের প্রকৃত দরের কাছাকাছি পর্যায়ে এলসি খোলার সুযোগ পাচ্ছেন আমদানিকারকরা। এর পরও দর বৃদ্ধির অযুহাত দেখিয়ে পাম অয়েলের দাম বাড়িয়ে অতিরিক্ত মুনাফা করতে চাইছে মিল মালিকরা।

দেশে ভোজ্যতেলের বার্ষিক চাহিদা ২৪ লাখ টনের কাছাকাছি। এর মধ্যে প্রায় ৩ লাখ টন পাওয়া যায় দেশীয় উৎস থেকে। আমদানি হওয়া ২০-২১ লাখ টন ভোজ্য তেলের দুই-তৃতীয়াংশ পাম অয়েল মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়া থেকে আমদানি হয়। অন্যদিকে আমদানি চাহিদার এক-তৃতীয়াংশ সয়াবিন আসে আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল থেকে। বাসা-বাড়িতে রান্নার কাজে সয়াবিনের চাহিদা থাকলেও দেশে খাদ্যপণ্য তৈরিতে হোটেল-রেস্তোরাঁয় পাম অয়েলের ব্যবহার বেশি হয়।

ইনডেক্সমুন্ডি ডটকমের তথ্যমতে, জানুয়ারিতে অপরিশোধিত পাম অয়েলের টনপ্রতি বুকিং দর ছিল ৮৪৫ ডলার। ফেব্রুয়ারিতে দাম আরো কিছুটা বেড়ে গড়ে লেনদেন হয়েছে ৮৫৭ ডলারে। যদিও মার্চে এসে দাম এক লাফে ৯০ ডলারের মতো বেড়ে ৯৪৩ ডলার হয়ে যায়। বিশ্ববাজারে পাম অয়েলের এ দাম বাড়ার ঘটনায় দেশের বাজারেও এর প্রভাব পড়ছে বলে জানিয়েছেন পাইকারি ব্যবসায়ীরা।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

শিল্প-বাণিজ্য

অধিকাংশ প্লাস্টিক কারখানা বেতন-বোনাস দিয়েছে: বিপিজিএমইএ

Published

on

শেয়ারবাজার

আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে অধিকাংশ প্লাস্টিক কারখানা তাদের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন ও বোনাস পরিশোধ করেছে বলে দাবি করেছে বাংলাদেশ প্লাস্টিক দ্রব্য প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক এসোসিয়েশন (বিপিজিএমইএ)।

মঙ্গলবার (৯ এপ্রিল) সংগঠনের পক্ষ থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

বিপিজিএমইএ’র সভাপতি সামিম আহমেদ এবং পরিচালনা পরিষদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বিপিজিএমইএ’র সদস্য অধিকাংশ প্লাস্টিক শিল্প প্রতিষ্ঠান আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে তাদের কর্মকর্তা কর্মচারীদের বেতন ও বোনাস ইতোমধ্যে পরিশোধ করেছেন।

এর আগের বছরগুলোতে ঈদের আগে সংশ্লিষ্ট সব কারখানার মালিকরা বেতন বোনাস নিয়মিত পরিশোধ করেছিল বলেও দাবি করে সংগঠনটি।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

ফেসবুকে অর্থসংবাদ

২০১৮ সাল থেকে ২০২৩

অর্থসংবাদ আর্কাইভ

তারিখ অনুযায়ী সংবাদ

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০