পুঁজিবাজার
একত্রিতকরণের পর পেপার প্রসেসিংয়ের শেয়ারদর কমেছে ২৭ শতাংশ

পুঁজিবাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) নির্দেশনা অনুযায়ী পরিশোধিত মূলধন ন্যূনতম ৩০ কোটি টাকায় উন্নীত করতে উদ্যোগ নেয় পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি বাংলাদেশ পেপার প্রসেসিং অ্যান্ড প্যাকেজিং লিমিটেড। এজন্য কোম্পানিটি রাইট শেয়ার ইস্যু করার পাশাপাশি মাগুরা পেপার মিলস লিমিটেডের সঙ্গে একত্রিতকরণ করে। একই সঙ্গে পরিশোধিত মূলধন ন্যূনতম ৩০ কোটি টাকায় উন্নীত করেছে। তবে একীভূত হওয়ার পর থেকে কোম্পানিটির শেয়ারদর ক্রমান্বয়ে কমছেই। গত ৩১ জানুয়ারি একীভূত হওয়ার পর থেকে আজ সোমবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) পর্যন্ত ১৪ কার্যদিবসে কোম্পানিটির শেয়ারদর কমেছে ২৭ শতাংশের বেশি। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, কাগজ ও মুদ্রণ খাতের কোম্পানি পেপার প্রসেসিং মাগুরা পেপার মিলসের সঙ্গে একীভূতকরণের সিদ্ধান্তে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসির অনুমতি পান গত ৩১ জানুয়ারি। মাগুরা পেপার মিলসের সাথে একীভূত হতে শেয়ার ২:১ অনুপাতে বিনিময় করা হয়। অর্থাৎ মাগুরা পেপার মিলসের ২টি শেয়ারের বিপরীতে ১টি রাইট শেয়ার। দুই কোম্পানি একীভূত হওয়ার পর থেকেই কোম্পানির শেয়ারের দাম কমছে। গত ৩১ জানুয়ারি কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি দর ছিলো ১৮৩ টাকা ৯০ পয়সা। আর আজ সোমবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) শেয়ারটির দর কমে দাড়ায় ১৩২ টাকা ৬০ পয়সায়। অর্থাৎ মাত্র ১৪ কার্যদিবসে শেয়ারটির দর কমেছে ৫০ টাকা ৩০ পয়সা বা ২৭ দশমিক ৫০ শতাংশ।
জানা গেছে, গত বছরের ২৬ আগস্ট পেপার প্রসেসিংয়ের পরিচালনা পর্ষদ বিশেষ সাধারণ সভায় (ইজিএম) মাগুরা পেপার মিলসের একীভূতকরণের সিদ্ধান্ত অনুমোদিত হয়। একীভূতকরণে কোম্পানিটি বিএসইসি ও হাইকোর্ট বরাবর আবেদন করে। গত ৩১ জানুয়ারি উভয় প্রতিষ্ঠান এই আবেদনে সম্মতি দেয় বলে ঢাকা স্টক একচেঞ্জকে জানানো হয়।
ডিএসই সূত্র মতে, দুই কোম্পানির একীভূতকরণে ১৪ ও ১৫ ফেব্রুয়ারি স্পট মার্কেটে লেনদেন করে পেপার প্রসেসিং। এর জন্য গতকাল ১৮ ফেব্রুয়ারি কোম্পানিটির রেকর্ড ছিলো। রেকর্ড তারিখের পরেরদিনে একদিনেই কোম্পানিটির শেয়ারদর কমেছে ২১ শতাংশের বেশি। গতকাল রবিবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) কোম্পানিটির শেয়ারদর ছিলো ১৬৮ টাকা ৩০ পয়সা। আর আজ বাজার শেষে শেয়ারদর দাড়িয়েছে ১৩২ টাকা ৬০ পয়সায়। অর্থাৎ একদিনে শেয়ারটির দর কমেছে ৩৫ টাকা ৭০ পয়সা বা ২১ দশমিক ২১ শতাংশ।
উল্লেখ্য, পেপার প্রসেসিং অ্যান্ড প্যাকেজিং পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয় ১৯৯০ সালে। পরবর্তীতে ব্যবসায়িক পরিস্থিতি অবনতির কারণে কোম্পানিটি শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশ দিতে ব্যর্থ হয়। এর ফলে কোম্পানিটিকে মূল মার্কেট থেকে ওটিসি মার্কেটে স্থানান্তর করা হয়। প্রায় এক যুগ পর কোম্পানিটিকে মূল মার্কেটে ফেরানোর উদ্যোগ নেয় কোম্পানি কর্তৃপক্ষ। পরবর্তীতে বিএসইসির অনুমোদন সাপেক্ষে ২০২১ সালের ১৩ জুন কোম্পানিটি মূল মার্কেটে লেনদেন শুরু করে। পেপার প্রসেসিংয়ের ৮ শতাংশ বোনাস শেয়ার ইস্যু করায় কোম্পানিটির পরিশোধিত মূলধন দাঁড়ায় ২৯ কোটি ৬০ লাখ ৩৩ হাজার ৭৮০ টাকা। আর বিএসইসির অনুমোদিত ১ কোটি ৮৩ লাখ ১৭ হাজার ৮১০টি শেয়ার একীভূত করার ফলে কোম্পানিটির পরিশোধিত মূলধন দাঁড়ায় ২৯ কোটি ৬০ লাখ ৩৩ হাজার ৭৮ টাকায়। আর দুই কোম্পানির শেয়ার একত্রীকরণে পেপার প্রসেসিংয়ের মোট শেয়ার সংখ্যা ২ কোটি ৯৬ লাখ ০৩ হাজার ৩৭৮টি। মোট শেয়ারের মধ্যে ৩৫ শতাংশ উদ্যোক্তা ও পরিচালকের কাছে রয়েছে। প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের হাতে ৬ দশমিক ৩৫ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে ৫৮ দশমিক ৬৫ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।
এসএম
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

আন্তর্জাতিক
ট্রাম্পের পাল্টা শুল্কের ঘোষণায় বিশ্ব পুঁজিবাজারে ধস

২ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্রের ‘স্বাধীনতা দিবস’ হিসেবে আগেই ঘোষণা দিয়ে রেখেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। অর্থাৎ বিশ্বের সব দেশের পণ্যে পাল্টা শুল্ক আরোপ করেছেন তিনি।
স্বাভাবিকভাবেই পাল্টা শুল্ক আরোপের ঘোষণায় বিশ্বজুড়ে শোরগোল পড়ে গেছে। ধস নেমেছে এশিয়ার পুঁজিবাজারে। দেখা যাচ্ছে, প্রায় সব ধরনের বাজারেই প্রভাব পড়েছে। সোনার মূল্য বেড়েছে লাফিয়ে লাফিয়ে। যুক্তরাষ্ট্রসহ চীন, তাইওয়ান, দক্ষিণ কোরিয়া, অস্ট্রেলিয়া, ভিয়েতনামের মতো দেশের পুঁজিবাজারে বড়সড় ধাক্কা খেয়েছে। ট্রাম্পের ঘোষণার আগের দিন চাঙা ছিল এশিয়ার পুঁজিবাজারগুলো। লাভের মুখ দেখেছিল যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ার সূচক সেনসেক্স ও নিফটি। খবর দ্য গার্ডিয়ান ও রয়টার্স’র।
বৃহস্পতিবার বাজার খোলার সঙ্গে সঙ্গেই অস্ট্রেলিয়া, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার শেয়ার সূচক দ্রুত নামতে শুরু করে। যদিও ডলারের তুলনায় জাপানের মুদ্রা ইয়েনের দর বেড়েছে।
ট্রাম্পের শুল্ক ঘোষণার পর যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ার সূচক নাসডাক ফিউচার্সের পতন হয়েছে ৩ দশমিক ৩ শতাংশ। প্রযুক্তি খাতের বৃহৎ ৭টি প্রতিষ্ঠানের বাজার মূলধন কমেছে ৭৬০ বিলিয়ন বা ৭৬ হাজার কোটি ডলার। অ্যাপলের আইফোনের সিংহভাগ উৎপাদিত হয় চীনে। ফলে অ্যাপলের শেয়ারের দাম কমেছে সবচেয়ে বেশি বা ৭ শতাংশ।
এ ছাড়া এসঅ্যান্ডপি ৫০০ ফিউচার্স কমেছে ২ দশমিক ৭ শতাংশ; এফটিএসই ফিউচার্স কমেছে ১ দশমিক ৬ শতাংশ; ইউরোপিয়ান ফিউচার্স কমেছে প্রায় ২ শতাংশ।
সংবাদমাধ্যম সূত্রের খবর, ট্রাম্পের ঘোষণার জেরে টোকিওর নিক্কেই (টোকিও স্টক এক্সচেঞ্জের স্টক মার্কেট সূচক) প্রাথমিকভাবে ৩ দশমিক ৯ শতাংশ কমে যায়, যদিও পরে তা কিছুটা পুনরুদ্ধার হয়। পতনের হার শেষমেশ ২ দশমিক ৯ শতাংশে দাঁড়ায়। জাপানের পণ্যে ২৪ শতাংশ এবং আমেরিকার অন্যতম ‘বন্ধু’ দক্ষিণ কোরিয়ার পণ্যে ২৫ শতাংশ পাল্টা শুল্ক আরোপ করা হয়েছে, যার প্রভাব পড়েছে সে দেশের পুঁজিবাজারেও। হংকং ও সাংহাইয়ে একই প্রভাব পড়েছে। কোথাও পতনের হার ১ দশমিক ৫ শতাংশ, কোথাও আবার ১ দশমিক ৪ শতাংশ।
ট্রাম্পের ঘোষণায় বিশ্ববাজারে সোনার দামেও প্রভাব পড়েছে। সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, সোনার দাম আবারও নতুন রেকর্ড গড়েছে। আউন্স প্রতি ৩ হাজার ১৬০ ডলারে উঠে গেছে।
শুধু সোনা নয়, প্রভাব পড়েছে তেলের দামেও। অপরিশোধিত তেলের ব্র্যান্ড ব্রেন্ট ফিউচার্সের দাম ব্যারেলপ্রতি ৭২ দশমিক ৫৬ ডলারে পৌঁছেছে।
গতকাল বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় বিকেল চারটায় (বাংলাদেশের দিবাগত রাত দুইটা) ‘পাল্টা’ বা ‘পারস্পরিক শুল্ক’ নিয়ে বিস্তারিত ঘোষণা দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। বাংলাদেশের পণ্যে ৩৭ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন ট্রাম্প।
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুঁজিবাজার
কলম্বো ও পাকিস্তান স্টক এক্সচেঞ্জের সঙ্গে ডিএসইর সমঝোতা

দক্ষিণ এশিয়ার এক্সচেঞ্জগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদার করার জন্য একটি কার্যকরী পদক্ষেপ হিসেবে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই), কলম্বো স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) ও পাকিস্তান স্টক এক্সচেঞ্জের (পিএসএক্স) মধ্যে একটি ত্রিপক্ষীয় সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে।
গত ২৭ মার্চ শ্রীলঙ্কার কলম্বোতে এক অনুষ্ঠানে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ পিএলসির (ডিএসই) চেয়ারম্যান মমিনুল ইসলাম, কলম্বো স্টক এক্সচেঞ্জের চেয়ারম্যান দিলশান উইরসেকারা, সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন অব পাকিস্তানের চেয়ারম্যান আকিফ সাইদ সহ প্রতিষ্ঠানসমূহের পরিচালক ও উর্ধতন কর্মকর্তাবৃন্দ।
সমঝোতা স্মারকটিতে ৩টি দেশের স্টক এক্সচেঞ্জগুলোর ডিজিটাল রূপান্তরে যৌথ উদ্যোগ,নতুন আর্থিক পণ্য ও বাজার উন্নয়নে এক্সচেঞ্জগুলোর পারস্পরিক সহযোগিতা ও সমন্বয়, বাজার তদারকি এবং বিনিয়োগকারীদের সুরক্ষা কাঠামোর সমন্বয়,মানবসম্পদ উন্নয়নে যৌথ উদ্যোগ,ক্রস-এক্সচেঞ্জ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি এবং নলেজ শেয়ারিং উদ্যোগগুলো সংগঠিত করার বিষয়ে সহযোগিতার অঙ্গীকার প্রদান করা হয়। এই সমঝোতা স্যারকের দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্য হল বিনিয়োগকারীদের প্রবেশাধিকার সম্প্রসারণের জন্য আন্তঃসীমান্ত তালিকাভুক্তির সুযোগ অনুসন্ধান করা,ব্রোকার অংশীদারিত্ব এবং প্রাতিষ্ঠানিক সংযোগের সুবিধা প্রদান করা।
এই উদ্যোগ সম্পর্কে ডিএসই’র চেয়ারম্যান মমিনুল ইসলাম বলেন,আকারে ছোট হওয়ায় দক্ষিণ এশিয়ায় ভারত ব্যতীত অন্যান্য দেশের স্টক এক্সচেঞ্জগুলোর প্রযুক্তিগত এবং প্রক্রিয়াগত সীমাবদ্ধতা রয়েছে। সম্পদের সীমাবদ্ধতার কারণে এসকল অত্যন্ত সম্ভাবনাময় স্টক এক্সচেঞ্জগুলো কাক্ষিত সক্ষমতা অর্জনে ব্যর্থ হচ্ছে। সম্পদ ও অভিজ্ঞতার পারস্পরিক বিনিময় এবং প্রযুক্তিগত যৌথ বিনিয়োগের মাধ্যমে আমাদের স্টক এক্সচেঞ্জগুলো নিজ নিজ দেশে দক্ষ ও শক্তিশালী পুঁজিবাজার গঠনে কার্যকরী ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে। একত্রে কাজ করে,আমরা আমাদের আর্থিক ইকোসিস্টেমে সমৃদ্ধি ও উদ্ভাবনের সুযোগ উন্মুক্ত করতে পারব,যা বিনিয়োগকারী এবং অংশীদারদের জন্য সুফল বয়ে আনবে।
ডিএসই’র চেয়ারম্যান উক্ত প্রোগ্রামে ‘নাভিগেটিং ফ্রন্টিয়ার ক্যাপিটাল মার্কেটস: হাউ এভোল্ভিং মার্কেট রেগুলেশন এন্ড এক্সচেঞ্জেস ফস্টার এফিসিয়েন্ট ক্যাপিটাল মার্কেট ডেভেলপমেন্ট’ শীর্ষক প্যানেল আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন। তিনি তার বক্তব্যে ডিএসই, বাংলাদেশের পুঁজিবাজার এবং অর্থনীতির চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা, ডিএসই’র ডিমিউচুয়ালজেশন পরবর্তী অভিজ্ঞতা, পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির জন্য করণীয় বিষয়ে আলোকপাত করেন।
পরবর্তীতে ডিএসই’র প্রতিনিধিবৃন্দ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন অব পাকিস্তানের চেয়ারম্যান, কমিশনার, পাকিস্তান স্টক এক্সচেঞ্জের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি সিস্টেমের সিইও ও সেন্ট্রাল কাউন্টার পার্টির সিইও এবং কলম্বো স্টক এক্সচেঞ্জ এর সিইও, সিআরও ও উর্ধতন কর্মকর্তাদের সাথে পৃথকভাবে বৈঠক করেন। বৈঠকে ডিএসই’র চেয়ারম্যান বর্তমান কার্যক্রম, রিজিওনাল পণ্যের বাজার উন্নয়ন,প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি নিজস্বভাবে তৈরী,অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং মানবসম্পদ উন্নয়নে পারস্পরিক সহযোগিতার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন। উপস্থিত সকলে তার বক্তব্যের প্রতি সমর্থন করেন এবং একসাথে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন।
উল্লেখ্য, শ্রীলঙ্কার কলম্বোতে অনুষ্ঠিত রোড শোতে ডিএসই’র প্রতিনিধিদলের অন্যান্য সদস্যবৃন্দ হলেন পরিচালক মো. শাকিল রিজভী, মিনহাজ মান্নান ইমন, রিচার্ড ডি’রোজারিও এবং মহাব্যবস্থাপক এবং কোম্পানি সচিব মোহামাদ আসাদুর রহমান।
এসএম
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুঁজিবাজার
সাপ্তাহিক দরপতনের শীর্ষে ইবিএল ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড

বিদায়ী সপ্তাহে (২৩ মার্চ-২৮ মার্চ) দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে দরপতনের শীর্ষে উঠে এসেছে ইবিএল ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড।
ডিএসইর সাপ্তাহিক বাজার পর্যালোচনায় এ তথ্য উঠে এসেছে।
সূত্র মতে, সপ্তাহজুড়ে ইবিএল ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ডের শেয়ারদর কমেছে ১২ দশমিক ১২ শতাংশ। কোম্পানিটির শেয়ারের মূল্য কমেছে ৮০ পয়সা।
তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে থাকা ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক পিএলসির শেয়ারদর কমেছে ৯ দশমিক ০৯ শতাংশ। কোম্পানিটির শেয়ারের দাম কমেছে ১ টাকা ১০ পয়সা। আর তালিকায় তৃতীয় স্থানে থাকা ইন্দো বাংলা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের শেয়ারদর কমেছে ৭ দশমিক ৫২ শতাংশ। কোম্পানিটির শেয়ারের দাম কমেছে ১ টাকা।
তালিকায় উঠে আসা অন্যান্য কোম্পানিগুলোর মধ্যে- প্রাইম ফাইন্যান্স ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড,বেঙ্গল উইন্ডসর থার্মোপ্লাস্টিক, বিডি থাই ফুডস, এস আলম কোল্ড অ্যান্ড রোল্ড, আরএসআরএম স্টিল, বাংলাদেশ বিল্ডিং সিস্টেমস এবং উসমানীয়া গ্লাস।
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুঁজিবাজার
সাপ্তাহিক দরবৃদ্ধির শীর্ষে এবি ব্যাংক ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড

বিদায়ী সপ্তাহে (২৩ মার্চ-২৭ মার্চ) দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেনে অংশ নেয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে দরবৃদ্ধির শীর্ষে উঠে এসেছে এবি ব্যাংক ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড।
ডিএসইর সাপ্তাহিক বাজার পর্যালোচনায় এ তথ্য উঠে এসেছে।
সূত্র মতে, সমাপ্ত সপ্তাহে এবি ব্যাংক ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ডের শেয়ারদর আগের সপ্তাহের তুলনায় ৭০ পয়সা বা ১৮ দশমিক ৪২ শতাংশ বেড়েছে।
দরবৃদ্ধির তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে উঠে আসা ফার্স্ট ফাইন্যান্স লিমিটেডের শেয়ারদর বেড়েছে ৫০ পয়সা বা ১৪ দশমিক ৭১শতাংশ। আর ১৩ দশমিক ৬৫ শতাংশ শেয়ারদর বাড়ায় তালিকার তৃতীয়স্থানে অবস্থান করেছে বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড।
সাপ্তাহিক দর বৃদ্ধির শীর্ষ তালিকায় উঠে আসা অন্যান্য কোম্পানিগুলোর মধ্যে রয়েছে এক্সিম ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড, ইস্টার্ন ল্যাবরেটরিজ ব্যালেন্ডার্স, শ্যামপুর সুগার মিল, মাইডাস ফাইন্যান্স, ফার্স্ট জনতা ব্যাংক মিউচুয়াল ফান্ড, প্রোগ্রেস লাইফ ইন্স্যুরেন্স এবং সিভাও পেট্রোকেমিক্যাল।
কাফি
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুঁজিবাজার
সাপ্তাহিক লেনদেনের শীর্ষে ওরিয়ন ইনফিউশন

বিদায়ী সপ্তাহে (২৩ মার্চ থেকে ২৭ মার্চ) দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেনে অংশ নেওয়া ৩৯৬ কোম্পানির মাঝে লেনদেনর তালিকার শীর্ষে উঠে এসেছে ওরিয়ন ইনফিউশন লিমিটেড।
সপ্তাহজুড়ে কোম্পানটির প্রতিদিন গড় ২৭ কোটি ৬৬ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যা ছিল ডিএসইর মোট লেনদেনের ৬ দশমিক ৮০ শতাংশ।
ডিএসইর সাপ্তাহিক বাজার পর্যালোচনায় এই তথ্য জানা গেছে।
লেনদেনের তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে বেক্সিমকো ফার্মাসিটিক্যালস লিমিটেড। সপ্তাহজুড়ে কোম্পানটির প্রতিদিন গড়ে ২৩ কোটি ১০ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যা ছিল ডিএসইর মোট লেনদেনের ৫ দশমিক ৬৮ শতাংশ।
সাপ্তাহিক লেনদেনের তৃতীয় স্থানে থাকা শাইনপুকুর সিরামিকস লিমিটেড সপ্তাহজুড়ে প্রতিদিন গড়ে ১৩ কোটি ৯৩ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন করেছে। যা ডিএসইর মোট লেনদেনের ৩ দশমিক ৪৩ শতাংশ।
এছাড়াও, গড় লেনদেনে সাপ্তাহিক শীর্ষ তালিকায় থাকা অন্যান্য কোম্পানিগুলো হলো- ২০ওয়াই বিজিটিবি, বিচ হ্যাচারি, স্কয়ার ফার্মা, লাভেলো আইসক্রিম, সান লাইফ ইন্স্যুরেন্স, কেডিএস এ্যাসোসরিজ এবং বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন।
কাফি