Connect with us

আন্তর্জাতিক

ইন্দোনেশিয়ার নতুন প্রেসিডেন্ট প্রাবোও সুবিয়ান্তো

Published

on

বাজার মূলধন

ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে বেসরকারীভাবে জয়ী হয়েছেন দেশটির বর্তমান প্রতিরক্ষামন্ত্রী ও সাবেক জেনারেল প্রাবোও সুবিয়ান্তো। গণনাকৃত ভোটের ৫৫ শতাংশেরও বেশি জিতে নিয়েছেন সুবিয়ান্তো। ৭২ বছর বয়সী এই জেনারেল এর আগেও দুই বার প্রেসিডেন্ট নির্বাচন করে পরাজিত হয়েছিলেন।

ইন্দোনেশিয়ার নির্বাচনে কোনো প্রার্থী যদি ৫০ শতাংশের বেশি ভোট পান, তাহলে তাকে আর রান-অফ লড়তে হয় না। সুবিয়ান্তো যে পরিমাণ ভোট পেয়েছেন তাতে তিনি একবারেই প্রেসিডেন্ট হতে পারবেন। তবে সুবিয়ান্তো নিজেকে বিজয়ী ঘোষণা করলেও সমর্থকদের আরও ধৈর্য ধারণ করতে বলেছেন।

১৯৯৮ সালে সুহার্তোর একনায়কত্বের অবসানের পর দেশটিতে পঞ্চমবারের মতো প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এই নির্বাচনে প্রায় ২০ কোটি ৫০ লাখ মানুষ ভোট দেওয়ার যোগ্য।

ভোট উপলক্ষে ২৮ কোটি জনসংখ্যার দেশ ইন্দোনেশিয়ায় আজ সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। ৮ লাখের বেশি কেন্দ্রে আজ ভোট নেওয়া হচ্ছে। ভোটকেন্দ্রে ৫৭ লাখের বেশি ব্যক্তি নির্বাচনী দায়িত্ব পালন করছেন।

বিবিসির খবরে বলা হয়, দেশটির ভোটাররা আজ প্রেসিডেন্টের পাশাপাশি ভাইস প্রেসিডেন্ট, ৫৮০ জন পার্লামেন্ট সদস্য, ২০ হাজারের বেশি আঞ্চলিক আইনপ্রণেতাও নির্বাচন করবেন। এসব নির্বাচনে প্রায় ২ লাখ ৬০ হাজার প্রার্থী লড়ছেন।

অর্থসংবাদ/এমআই

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

আন্তর্জাতিক

চ্যালেঞ্জের মুখে ইন্দোনেশিয়ার পাম অয়েল উৎপাদন ও রফতানি

Published

on

বাজার মূলধন

প্রধান আমদানিকারক দেশগুলোয় অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে ধীরগতির কারণে বিপাকে পড়েছে ইন্দোনেশিয়ার পাম অয়েল খাত। এরই মধ্যে সেখানে পণ্যটির রফতানি কমতে শুরু করেছে। চাপের মুখে রয়েছে উৎপাদনও। নিক্কেই এশিয়ার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

প্রতিবেদনে উঠে আসা বিশ্লেষণ অনুযায়ী, চীনসহ শীর্ষ পাম অয়েল আমদানিকারক দেশগুলোর অর্থনীতি ধীর হয়ে পড়ায় পণ্যটির চাহিদা নিয়ে ব্যাপক উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তাছাড়া ঊর্ধ্বমুখী দামও চাহিদা কমার ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা পালন করছে।

ইন্দোনেশিয়া বিশ্বের শীর্ষ পাম অয়েল উৎপাদনকারী দেশ। সেখানে উৎপাদন কিংবা রফতানি বাধাগ্রস্ত হলে পণ্যটির বৈশ্বিক বাজার আরো ঊর্ধ্বমুখী হয়ে উঠতে পারে। ইন্দোনেশিয়ার পাম অয়েল অ্যাসোসিয়েশনের ফরেন অ্যাফেয়ার্স বিভাগের প্রধান ফাদিল হাসান বলেন, ‘‌ইন্দোনেশিয়ার শীর্ষ পাম অয়েল ক্রেতা দেশগুলোয় চলতি বছর চাহিদা নিম্নমুখী থাকবে বলেই ধারণা করা হচ্ছে। স্থানীয় উৎপাদনও কম থাকবে। এর প্রভাব পড়বে পাম অয়েল থেকে উৎপাদিত পণ্যের বাজারেও।’

ইন্দোনেশিয়ান পাম অয়েলের অন্যতম শীর্ষ ক্রেতা চীন। দেশটি চলতি বছর ৫ শতাংশ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে, গত বছর যা ছিল ৫ দশমিক ২ শতাংশ।

কুয়ালালামপুরভিত্তিক আর্থসামাজিক গবেষণা কেন্দ্রের নির্বাহী পরিচালক লি হেং গুই চীনের অর্থনৈতিক স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, ‘‌এ বছর দেশটির সরকার প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে পারবে না।’ প্রবৃদ্ধি ৪ দশমিক ৬ শতাংশে নামতে পারে বলে মনে করছেন তিনি।

ইন্দোনেশিয়ার পাম অয়েল অ্যাসোসিয়েশনের দেয়া তথ্যমতে, চলতি বছর সেখানে ৫ কোটি ৪৪ লাখ টন পাম অয়েল উৎপাদন হতে পারে, যা গত বছরের তুলনায় কিছুটা বেশি। তবে রফতানি কমে ২ কোটি ৯৫ লাখ টনে নেমে আসতে পারে, গত বছর যা ছিল ৩ কোটি ২২ লাখ টন।

ফাদিল হাসান জানান, ২০২৩ সালে ইন্দোনেশিয়ায় প্রতি টন পাম অয়েলের দাম ৯০০ থেকে ১ হাজার ডলারে ওঠানামা করেছে। ওই সময় সেখানে পণ্যটির গড় দাম ছিল টনপ্রতি ৯৬০ ডলার।

শিল্পসংশ্লিষ্টরা বলছেন, ইন্দোনেশিয়ায় চলতি বছর চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে পাম উৎপাদন। নতুন আবাদ কমে যাওয়া, ফলনে ধস, শ্রমিক ও সারের ব্যয় বেড়ে যাওয়াসহ বেশকিছু বিষয় উৎপাদন কমার পেছনে বড় ভূমিকা পালন করবে। ফলে বিশ্ববাজারে পণ্যটির দাম আকাশচুম্বী হয়ে ওঠার আশঙ্কা রয়েছে।

পূর্বাভাস দাতা প্রতিষ্ঠান অয়েল ওয়ার্ল্ডের নির্বাহী পরিচালক থমাস মাইক জানান, চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) পাম অয়েলের বৈশ্বিক উৎপাদন কমেছে। পাশাপাশি মজুদ কমেছে ১২ লাখ টন।

তিনি বলেন, ‌চলতি ও আগামী বছর মালয়েশিয়ান পাম অয়েলের দাম স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি থাকবে। দেশটি পাম অয়েল উৎপাদন ও রফতানিতে বিশ্বের দ্বিতীয় শীর্ষ দেশ। সেখানেও পণ্যটির সরবরাহ সংকোচনের মুখে পড়েছে। আগামী তিন মাসে বুরসা মালয়েশিয়া ডেরিভেটিভস এক্সচেঞ্জে পাম অয়েলের দাম ৩ হাজার ৮০০ থেকে ৪ হাজার ৩০০ রিঙ্গিতে ওঠানামা করতে পারে।

ইন্দোনেশিয়া গত বছর উৎপাদিত পাম অয়েলের ৫৮ শতাংশই রফতানি করেছে। তবে এটি বিগত বছরগুলোর তুলনায় অনেক কম। মূলত স্থানীয় পর্যায়ে ব্যবহার বেড়ে যাওয়ায় রফতানি প্রবৃদ্ধি ব্যাহত হয়েছে। এ বছরও রফতানি কমতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

আন্তর্জাতিক

এশিয়ার মুদ্রা শক্তিশালী করতে সমন্বিত পদক্ষেপের ইঙ্গিত

Published

on

বাজার মূলধন

ডলারের শক্তিশালী অবস্থানের বিপরীতে চলতি বছরে এশিয়ার বেশির ভাগ মুদ্রাই দুর্বল অবস্থানে রয়েছে। এরই মধ্যে একাধিক দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিয়ে ব্যর্থ হয়েছে। এ থেকে বোঝা যাচ্ছে, এভাবে পরিস্থিতির শিগগিরই উন্নতি হবে না। বরং পূর্বাভাস পরিস্থিতির আরো অবনতির ইঙ্গিত দিচ্ছে। এ অবস্থায় প্রধান অর্থনীতিগুলো সমন্বিতভাবে কাজ করতে পারে বলে সাম্প্রতিক এক বিবৃতি থেকে ধারণা করা হচ্ছে। তাদের সঙ্গে কাজ করতে পারে যুক্তরাষ্ট্র। খবর নিক্কেই এশিয়া।

বিরল এক সতর্ক বার্তায় গতকাল যুক্তরাষ্ট্র, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার মুদ্রা ব্যবস্থার নীতিনির্ধারকরা ইয়েন ও ওনের পতনের বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। যুক্তরাষ্ট্রে ওয়াশিংটনে ত্রিপক্ষীয় বৈঠকের পর এ যৌথ বিবৃতি প্রকাশ করা হয়।

সেখানে বলা হয়, বৈদেশিক মুদ্রার বাজারে জাপানের ইয়েন ও দক্ষিণ কোরিয়ার ওনের সাম্প্রতিক দ্রুত অবমূল্যায়নের বিষয়ে তারা উদ্বিগ্ন। বিদ্যমান জি-২০ প্রতিশ্রুতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে পরিস্থিতির উন্নয়নে দেশগুলো ঘনিষ্ঠভাবে আলোচনা চালিয়ে যাবে।

টোকিও ও সিউলের উদ্বেগের প্রতি ওয়াশিংটনের সম্মতি মুদ্রার বাজারে হস্তক্ষেপের কাছাকাছি একটি পদক্ষেপ হিসেবে ব্যাখ্যা করছেন কিছু বিশ্লেষক। ইউবিএস সুমি ট্রাস্ট ওয়েলথ ম্যানেজমেন্টের জাপান অংশের প্রধান বিনিয়োগ কর্মকর্তা দাইজু আওকি বলেন, ‘বিবৃতির ওপর ভিত্তি করে সরকারি হস্তক্ষেপের ঝুঁকি স্পষ্টতই বেড়েছে।’

বর্তমান অবস্থায় হস্তক্ষেপের পূর্বাভাস না দিয়ে তিনি বলেন, ‘শুধু জাপান সরকারের একক হস্তক্ষেপ ইয়েনের ওপর অর্থপূর্ণ প্রভাব ফেলবে না। তবে যদি দক্ষিণ কোরিয়ার সরকারের সঙ্গে কাজ করতে পারে, এ প্রভাব অনেক বড় হবে।’

এদিকে যৌথ বিবৃতি ও হস্তক্ষেপ বিষয়ে সতর্কতার পর গতকাল বিনিময় হারে উন্নতি লক্ষ্য করা যায়। এদিন বাজারে ১ ডলারের বিনিময়ে ১৫৩ ইয়েন পাওয়া যায়। এর আগে মঙ্গলবার ছিল ১৫৪ দশমিক ৭৮ ইয়েন, যা ৩৪ বছরের মধে সর্বনিম্ন বিনিময় হার। তার পরও ডলারের বিপরীতে বেশি প্রভাবিত এশিয়ান মুদ্রাগুলোর একটি ইয়েন। কুইক ফ্যাক্টসেট অনুসারে, বৃহস্পতিবার পর্যন্ত চলতি বছরে ডলারের কাছে ৮ শতাংশের বেশি বিনিময় হার হারিয়েছে ইয়েন। অন্যদিকে দক্ষিণ কোরিয়ার ওনের বিনিময় হার প্রায় ৬ শতাংশ এবং তাইওয়ান ডলার ও ইন্দোনেশীয় রুপিয়া উভয়ই প্রায় ৫ শতাংশ কমেছে।

তবে ডলারের বিপরীতে এশিয়ার মুদ্রার শক্তিশালী অবস্থানের ওপর দেশটির নীতি সুদহারবিষয়ক সিদ্ধান্ত প্রভাব রাখবে। সম্প্রতি মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভ চেয়ারম্যান জেরোম পাওয়েল সুদহার কমানোর ইঙ্গিত দিয়েছেন। এর অর্থ হলো এশিয়ার মুদ্রার তুলনায় ডলার আরো অনেক দিন শক্তিশালী অবস্থানে থাকবে। মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভ সম্প্রতি নীতি সুদহারের লক্ষ্যমাত্রা ৫ দশমিক ২৪ থেকে ৫ দশমিক ৫০ শতাংশ নির্ধারণ করেছে, যা জাপানের দশমিক ১ শতাংশ, থাইল্যান্ডের ২ দশমিক ৫ ও দক্ষিণ কোরিয়ার ৩ দশমিক ৫০ শতাংশ থেকে অনেক বেশি।

বিনিয়োগবিষয়ক প্রতিষ্ঠান ইনভেস্কোর এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের কর্মকর্তা ডেভিড চাও বলেন, ‘এখানে বড় বিষয় হলো যুক্তরাষ্ট্রে প্রবৃদ্ধি আবার ত্বরান্বিত হয়েছে। শ্রমবাজারের পুনরায় সংকোচন ও মূল্যসংকোচন কিছু ঝুঁকি নিয়ে স্থবির হয়ে পড়েছে বলে মনে হচ্ছে।’

১ ডলারের বিপরীতে ১৫৪ ইয়েনের বিনিময় হার সম্ভাব্য সরকারি হস্তক্ষেপের সম্ভাবনাকে সামনে নিয়ে আসছে। কারণ এটি গত বছরের প্রাথমিক পূর্বাভাসের চেয়ে অনেক দুর্বল অবস্থা দেখাচ্ছে।

মঙ্গলবার দক্ষিণ কোরিয়ার ওনের বিনিময় হার দেড় বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো মিডডে ট্রেডিংয়ে ১ ডলারের বিপরীতে ১ হাজার ৪০০ ওনে ছুঁয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়ার কর্মকর্তারা ওইদিন মৌখিক হস্তক্ষেপের মাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানান।

অর্থ মন্ত্রণালয় ও ব্যাংক অব কোরিয়ার যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘আমরা বৈদেশিক মুদ্রার হারের গতিবিধি এবং বৈদেশিক মুদ্রার সরবরাহ ও চাহিদার দিকে সতর্ক দৃষ্টি রাখছি। বৈদেশিক মুদ্রার বাজারে অতিরিক্ত অস্থিরতা আমাদের অর্থনীতির জন্য কাম্য নয়।’

এদিকে মঙ্গলবার চার বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন ১ ডলারের বিনিময়ে ইন্দোনেশিয়ার ১৬ হাজার ২০০ রুপিয়ার হওয়ার পর দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক স্থানীয় মুদ্রাকে সমর্থন করার পদক্ষেপ নেয়। প্রতিবেশী মালয়েশিয়ারও মুদ্রার বিনিময় হার পুনরুদ্ধারের জন্য লড়াই করছে। গত ফেব্রুয়ারিতে ১ ডলারের বিপরীতে ৪ দশমিক ৭৯৬৫ রিঙ্গিত বিনিময় হার ছিল ২৫ বছরের সর্বনিম্ন। মালয়েশিয়ার কর্মকর্তারা নিজস্ব মুদ্রার দুর্বলতা কাটানোর জন্য চেষ্টা করছেন। দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলেছে, আর্থিক বাজার সুশৃঙ্খল রাখতে পদক্ষেপ নিতে হবে। এদিকে গতকাল ভারতে ১ ডলারের বিপরীতে় ৮৩ দশমিক ৭৩৯ রুপি বিনিময় হার ছিল রেকর্ড সর্বনিম্ন। গত বছর ভারতের কেন্দ্রীয় ব্যাংক তার মুদ্রাকে শক্তিশালী করতে হস্তক্ষেপ করেছিল।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

আন্তর্জাতিক

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে পতন

Published

on

বাজার মূলধন

ফেডারেল রিজার্ভের সুদহার শিগগিরই না কমানোর ঘোষণা দিয়েছে মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের চেয়ারম্যান জেরোমি পাওয়েল। এর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে স্বর্ণের বিশ্ববাজারে। অর্থাৎ গত কয়েক মাস ধরে বাড়তে থাকা স্বর্ণের দাম কমতে শুরু করেছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ এপ্রিল) স্পট মার্কেটে সোনার আউন্স ২ হাজার ৩৭৭ দশমিক ৪০ ডলারে কেনাবেচা হয় সোনা। এর আগে প্রতি আউন্স সোনা ২ হাজার ৪০০ ডলারের মাইলফলক ছাড়িয়েছিল।

চলতি বছরের শেষের দিকে তিন দফায় সুদহার কমাতে পারে মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভ- এমনটাই আশা করছিলেন বিশ্লেষক ও বিনিয়োগকারীরা। তবে সুদহার কমানো নিয়ে কোনো তাড়াহুড়ো করতে চান না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন ফেড চেয়ার জেরোমি পাওয়েল।

চড়া মূল্যস্ফীতির কারণেই সহসা সুদহার কমানো হবে না বলে জোর দেন তিনি। অর্থাৎ ঋণ নেওয়ার ক্ষেত্রে উচ্চ সুদহার গুনতে হবে আরও কয়েক সপ্তাহ। বছরের শুরু থেকেই মূল্যস্ফীতি কমানোর দিকে নজর দিয়েছে ফেড।

সম্প্রতি মার্কিন ও কানাডিয়ান অর্থনীতিবিষয়ক এক প্যানেল আলোচনায় জেরোমি পাওয়েল মূল্যস্ফীতির বর্তমান চিত্রে নিয়ে আস্থাহীনতায় ভোগার কথা জানান। এক্ষেত্রে মূল্যস্ফীতি যতদিন পর্যন্ত চড়া থাকবে, ততদিন পর্যন্ত প্রয়োজনে বর্তমান সুদের হার ধরে রাখার কথাও জানান তিনি। সুদহার ৫ দশমিক ২৫ থেকে ৫ দশমিক ৫ শতাংশের মধ্যে স্থির আছে। যা বিগত ২৩ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ।

গত সপ্তাহের সরকারি তথ্য বলছে, বছর ব্যবধানে মার্চে যুক্তরাষ্ট্রের মূল্যস্ফীতি ছিল ৩ দশমিক ৫ শতাংশ। যা ফেব্রুয়ারিতে ছিল ৩ দশমিক ২ শতাংশ। এ হার ২ শতাংশে রাখার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে ফেডারেল রিজার্ভ।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

আন্তর্জাতিক

ইলন মাস্ককে ৫ হাজার ৬০০ কোটি ডলার পারিশ্রমিক দিতে চায় টেসলা

Published

on

বাজার মূলধন

বৈদ্যুতিক গাড়ি কোম্পানি টেসলার পরিচালনা পর্ষদ আবারও কোম্পানির প্রধান নির্বাহী ইলন মাস্কের বার্ষিক পারিশ্রমিক অনুমোদনে শেয়ারহোল্ডারদের অনুরোধ জানিয়েছে।

২০১৮ সালে ইলন মাস্কের পারিশ্রমিক নির্ধারণ করা হয় ৫৬ বিলিয়ন বা ৫ হাজার ৬০০ কোটি ডলার। কিন্তু চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে যুক্তরাষ্ট্রের অঙ্গরাজ্য ডেলাওয়ারের এক আদালত এই বেতন-ভাতা অতিরিক্ত বলে খারিজ করে দেন। আদালত বলেন, কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ মাস্কের এই বিপুল পরিমাণ অর্থের ন্যায্যতা নিশ্চিত করতে পারেনি।

ইলন মাস্কের এই বার্ষিক পারিশ্রমিকের মধ্যে বেতন বা নগদ বোনাস নেই; বরং টেসলার বাজারমূল্যের ভিত্তিতে এই প্রাপ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। টেসলার বর্তমান বাজারমূল্য ৫০০ বিলিয়ন বা ৫০ হাজার কোটি ডলার। আগামী ১০ বছরে এই মূল্য ৬০০ বিলিয়ন বা ৬০ হাজার কোটি ডলারে উন্নীত হতে পারে।

ডেলাওয়ারের আদালত রায়ে বলেছেন, মাস্কের এই বেতন–ভাতা কল্পনারও অসাধ্য; এবং শেয়ারহোল্ডারদের জন্য তা অন্যায্য।

এখন টেসলার পরিচালনা পর্ষদ নতুন করে ভোটাভুটির আহ্বান জানিয়েছে মূলত মাস্কের এই প্রাপ্যের বিষয়ে সমর্থন বাড়াতে, এবং আদালতের সিদ্ধান্তের সঙ্গে যে পর্ষদ একমত নয়, তা বোঝাতে। এটা যুক্তরাষ্ট্রের করপোরেট ইতিহাসে সর্বোচ্চ অঙ্কের পারিশ্রমিক। আদালত গত জানুয়ারি মাসে তা খারিজ করে দিলেও তার বিরুদ্ধে আপিল করার সুযোগ আছে।

সেই রায়ের পর নিউইয়র্কের শেয়ারবাজারে টেসলার শেয়ারের দাম প্রায় ৩ শতাংশ কমে যায়। সামগ্রিকভাবে টেসলার ব্যবসাও ভালো যাচ্ছে না। চীনের কোম্পানির সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে গাড়ির দাম কমাতে হয়েছে তাদের। গত বছরের চতুর্থ প্রান্তিকে তাদের মুনাফা হয়েছে ১৭ দশমিক ৬ শতাংশ; গত চার বছরের মধ্যে যা ছিল সবচেয়ে কম। এই পরিস্থিতিতে ইলন মাস্ককে বিপুল পরিমাণ পারিশ্রমিক দেওয়ার চেষ্টা করছে টেসলা।

টেসলার প্রধান নির্বাহী ও প্রধান শেয়ারহোল্ডার হওয়ার পাশাপাশি ইলন মাস্ক সাবেক টুইটার ও বর্তমান এক্সের মালিক। এ ছাড়া রকেট কোম্পানি স্পেসএক্স, ব্রেন চিপ ফার্ম নিউরালিংকসহ আরও বেশ কয়েকটি কোম্পানিরও মালিক তিনি। এক্স কেনার জন্য টেসলার শেয়ারের বড় একটি অংশ বিক্রি করে দিয়েছিলেন ইলন মাস্ক। বর্তমানে এক্সের প্রায় ১৩ শতাংশ শেয়ারের মালিক তিনি।

২০২২ সালে পারিশ্রমিক হিসেবে ২ হাজার ৩৫০ কোটি মার্কিন ডলার পেয়েছিলেন ইলন মাস্ক। এটা সুন্দর পিচাই, সত্য নাদেলা, টিম কুক, এন চন্দ্রশেখরনসহ বিশ্বের অন্যান্য শীর্ষ নির্বাহী কর্মকর্তার চেয়ে অনেক বেশি।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

আন্তর্জাতিক

নেসলের শিশুখাদ্য সেরেলাক নিয়ে ভয়ঙ্কর তথ্য

Published

on

বাজার মূলধন

ভারতে নেসলের জনপ্রিয় কিছু শিশুখাদ্যের ব্র্যান্ডে উচ্চমাত্রায় চিনির উপস্থিতি পাওয়া গেছে। যদিও যুক্তরাজ্য, জার্মানি, সুইজারল্যান্ডের মতো পশ্চিমা দেশগুলোতে একই ব্র্যান্ডের শিশুখাদ্য বিক্রি হচ্ছে চিনি ছাড়াই। সম্প্রতি সুইজারল্যান্ড-ভিত্তিক অলাভজনক বেসরকারি সংস্থা পাবলিক আই ও ইন্টারন্যাশনাল বেবি ফুড অ্যাকশন নেটওয়ার্কের নেসলের শিশুখাদ্য সেরেলাক ও নিডো নিয়ে করা গবেষণায় মিলেছে এসব চাঞ্চল্যকর তথ্য।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নেসলে আন্তর্জাতিক নির্দেশিকা লঙ্ঘন করে বিভিন্ন দেশে শিশুদের জন্য দুধ এবং সিরিয়াল পণ্যে চিনি ও মধু যোগ করে। কেবল এশিয়া, আফ্রিকা এবং লাতিন আমেরিকার দেশগুলোতেই তাদের এই প্রবণতা দেখা গেছে।

এনডিটিভি জানিয়েছে, পাবলিক আই’র প্রতিবেদনটি ভারত সরকার গুরুত্ব সহকারে নিয়েছে এবং পণ্যগুলোর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ যাচাই করছে।

ভারতীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সূত্র জানিয়েছে, গবেষণার ফলাফলগুলো একটি বৈজ্ঞানিক প্যানেলের সামনে উপস্থাপন করা হবে।

যদিও নেসলে ইন্ডিয়া লিমিটেডের এক মুখপাত্র এনডিটিভি’কে বলেছেন, সংস্থাটি গত পাঁচ বছরে তাদের সিরিয়াল পণ্যগুলোতে যোগ করা চিনির পরিমাণ ৩০ শতাংশের বেশি কমিয়েছে এবং সেটি আরও কমাতে পণ্যগুলোর ‘পর্যালোচনা’ ও ‘সংস্কার’ অব্যাহত রেখেছে।

বিবৃতিতে নেসলে বলেছে, আমরা শিশুদের জন্য আমাদের পণ্যগুলোর পুষ্টির গুণমানে বিশ্বাস করি এবং উচ্চমানের উপাদান ব্যবহারকে অগ্রাধিকার দেই।

অনুসন্ধানে দেখা গেছে, ভারতে ১৫টি সেরেলাক বেবি প্রোডাক্টের প্রতি পরিবেশনে গড়ে প্রায় তিন গ্রাম চিনি রয়েছে। আফ্রিকান দেশ ইথিওপিয়া এবং এশীয় দেশ থাইল্যান্ডে এর পরিমাণ মিলেছে প্রায় ছয় গ্রাম করে। অথচ, একই পণ্য জার্মানি এবং যুক্তরাজ্যে চিনি ছাড়াই বিক্রি করা হচ্ছে।

অনেক সময় এ ধরনের পণ্যগুলোর প্যাকেজিংয়ে যোগ করা চিনির পরিমাণ উল্লেখ করা হয় না।

পাবলিক আই’র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যদিও নেসলে তার পণ্যগুলোতে থাকা ভিটামিন, খনিজ এবং অন্যান্য পুষ্টি উপাদানগুলোকে আদর্শ চিত্র ব্যবহার করে হাইলাইট করে, তবে চিনি যুক্ত করার ক্ষেত্রে তারা স্বচ্ছ নয়।

নেসলে ২০২২ সালে ভারতে ২০ হাজার কোটি রুপির বেশি মূল্যের সেরেলাক পণ্য বিক্রি করেছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শিশুখাদ্যগুলোতে চিনি যোগ করা একটি বিপজ্জনক ও অপ্রয়োজনীয় অভ্যাস।

ব্রাজিলের ফেডারেল ইউনিভার্সিটি অব প্যারাইবার পুষ্টি বিভাগের অধ্যাপক রদ্রিগো ভিয়ানা বলেন, এটি একটি বড় উদ্বেগের বিষয়। শিশু এবং ছোট বাচ্চাদের দেওয়া খাবারে চিনি যোগ করা উচিত নয়। কারণ এটি অপ্রয়োজনীয় এবং অত্যন্ত আসক্তিকর।

তিনি বলেন, শিশুরা মিষ্টি স্বাদে অভ্যস্ত হয় এবং আরও চিনিযুক্ত খাবারের সন্ধান শুরু করে। এটি একটি নেতিবাচক চক্র শুরু করে, যা প্রাপ্তবয়স্কদের জীবনে পুষ্টিভিত্তিক রোগব্যাধির ঝুঁকি বাড়ায়। এর মধ্যে রয়েছে স্থূলতা এবং অন্যান্য দীর্ঘস্থায়ী অসংক্রামক রোগ, যেমন- ডায়াবেটিস বা উচ্চ রক্তচাপ।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন
বাজার মূলধন
আন্তর্জাতিক11 hours ago

চ্যালেঞ্জের মুখে ইন্দোনেশিয়ার পাম অয়েল উৎপাদন ও রফতানি

বাজার মূলধন
খেলাধুলা11 hours ago

আর্জেন্টাইন গোলরক্ষককে ১১ ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা

বাজার মূলধন
জাতীয়11 hours ago

পালিয়ে আসা ২৮৫ জনকে ফেরত নিচ্ছে মিয়ানমার

বাজার মূলধন
আবহাওয়া11 hours ago

দেশব্যাপী তিনদিনের হিট অ্যালার্ট জারি

বাজার মূলধন
পুঁজিবাজার11 hours ago

ডিএসইর বাজার মূলধন বাড়লো সাড়ে ২১ হাজার কোটি টাকা

বাজার মূলধন
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার11 hours ago

রোজা-ঈদের ছুটি শেষে রবিবার খুলছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

বাজার মূলধন
জাতীয়12 hours ago

শিশু হাসপাতালে আগুনের ঘটনায় ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি

বাজার মূলধন
আন্তর্জাতিক12 hours ago

এশিয়ার মুদ্রা শক্তিশালী করতে সমন্বিত পদক্ষেপের ইঙ্গিত

বাজার মূলধন
আবহাওয়া13 hours ago

দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা চুয়াডাঙ্গায়, হিট এলার্ট জারি 

বাজার মূলধন
জাতীয়13 hours ago

ভাষানটেক পুনর্বাসন প্রকল্পের কাজ দ্রুত শুরুর তাগিদ

ফেসবুকে অর্থসংবাদ

২০১৮ সাল থেকে ২০২৩

অর্থসংবাদ আর্কাইভ

তারিখ অনুযায়ী সংবাদ

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০