Connect with us

অন্যান্য

লভ্যাংশের অর্থ পায়নি এমারেল্ড অয়েলের বিনিয়োগকারীরা

Published

on

পরিশোধিত মূলধন যেসব খাতে ব্যয় করবে এমারেল্ড অয়েল

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি এমারেল্ড অয়েল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের লভ্যাংশের অর্থ না পাওয়ার অভিযোগ করছেন বিনিয়োগকারীরা। সর্বশেষ বছরে কোম্পানিটি বিনিয়োগকারীদের জন্য ৫ শতাংশ অন্তর্বর্তীকালীনসহ মোট ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশের ঘোষণা দেয়। একই সঙ্গে শেয়ারহোল্ডারদের দিয়ে এ লভ্যাংশ অনুমোদনও করিয়ে নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। অথচ লভ্যাংশের সেই অর্থ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পরিশোধই করা হয়নি। নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করে তা না দেওয়াকে মহাপ্রতারণা বলছেন বিনিয়োগকারীরা। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) নির্দেশনা অনুযায়ী, কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের ঘোষণা করা লভ্যাংশ বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম) শেয়ারহোল্ডদের অনুমোদনের ৩০দিনের মধ্যে বিতরণ সম্পন্ন করতে হবে। এ বিষয়ে ২০২১ সালের ১৪ জানুয়ারি বিএসইসির জারি করা আদেশে বলা হয়, অনুমোদনের ৩০ দিনের মধ্যেই বিনিয়োগকারীদের বিও হিসাবে লভ্যাংশ জমা করতে হবে। অন্যথায় জরিমানাসহ শাস্তির আওতায় আসবে কোম্পানিটি।

সূত্র মতে, নিয়ন্ত্রক সংস্থার এমন নির্দেশনা থাকলেও ঘোষিত লভ্যাংশ অনুমোদনের পর প্রায় দেড় মাস পেরিয়ে গেলেও সেই লভ্যাংশের অর্থ এখনো বিনিয়োগকারীদের বিও হিসাবে পাঠায়নি খাদ্য ও আনুষঙ্গিক খাতে তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠানটি। কোম্পানিটির লভ্যাংশের এ অর্থ পাঠানোর শেষ সময় ছিল চলতি বছরের ২৫ জানুয়ারি।

এদিকে গত ৩০ জুন,২০২৩ তারিখে সমাপ্ত হিসাববছরের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে এমারেল্ড অয়েল কর্তৃপক্ষ ৫ শতাংশ অন্তর্বর্তীকালীনসহ মোট ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করে। যার রেকর্ড ডেট ছিলো একই বছরের ২৯ নভেম্বর। আর এজিএম ছিলো ২৭ ডিসেম্বর। কোম্পানিটির এজিএমে পূর্ববতী উদ্যোক্তা ও পরিচালকগণ যাদের শেয়ার ৩০ দশমিক ৪৫ শতাংশ ব্যতীত সকলের জন্য এ লভ্যাংশ অনুমোদিত হয়। নির্ধারিত সময় পার হয়ে গেলেও কোম্পানিটি লভ্যাংশের এ টাকা বিনিয়োগকারীদের বুঝিয়ে দেয়নি।

নির্ধারিত সময় শেষ হলেও লভ্যাংশের অর্থ বিতরণ না করায় কোম্পানিটি বিনিয়োগকারীদের আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন করেছে বলে মনে করছে বাজার সংশ্লিষ্টরা। লভ্যাংশ নিয়ে কোম্পানিটির এ ধরনের প্রতারণার আইনি ব্যবস্থা ও কঠিন শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তারা।

এ অবস্থায় লভ্যাংশ না পাওয়ায় আর্থিক ক্ষতিপূরণ ও নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসির হস্তক্ষেপ কামনা করছে কোম্পানিটির বিনিয়োগকারীরা। এছাড়াও কোম্পানিটির শেয়ারদর নিয়ে কারসাজির অভিযোগ দীর্ঘদিনের।

এ বিষয়ে জানতে এমারেল্ড অয়েলের কোম্পানি সচিব মো. ইমরান হোসাইনকে একাদিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তা সম্ভব হয়নি। পরবর্তিতে অর্থসংবাদের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে জানতে ক্ষুদে বার্তা পাঠালেও কোনো সাড়া দেননি তিনি।

এমারেল্ড অয়েলের শেয়ার নিয়ে গেম্বলিংয়ের অভিযোগ উঠেছে কোম্পানিটির একজন পরিচালকের বিরুদ্ধে। জাপান প্রবাসী মিয়া মামুন নামের এক ব্যক্তি এ কোম্পানিটির শেয়ার দর নিয়ে কারসাজি করার অভিযোগ রয়েছে। বিভিন্ন গল্প ছড়িয়ে ৮ টাকা দরের শেয়ার বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে ১৮৮ টাকা ৮০ পয়সা পর্যন্ত ধরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। যা বর্তমানে ৭০-৮০ টাকার মধ্যে দর উঠা-নামা করে। সেই হিসাবে বড় ধরনের ক্ষতির মধ্যে রয়েছে বিনিয়োগকারীরা।

এ বিষয়ে জানতে মিয়া মামুনকে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তা সম্ভব হয়নি। পরবর্তীতে মন্তব্য জানতে অর্থসংবাদের পক্ষ থেকে ক্ষুদে বার্তা পাঠালেও সাড়া দেননি তিনি।

জানা গেছ,  দেশের শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত দুটি কোম্পানির মালিকানায় এসেছে কথিত জাপানি একটি প্রতিষ্ঠান। কোম্পানিগুলোর শেয়ার ক্রয়ের মাধ্যমে মিনোরি বাংলাদেশ নামের প্রতিষ্ঠানটি দুই কোম্পানির মালিকানায় আসে। এ খবরসহ বিভিন্ন গুজব ছড়িয়ে মিয়া মামুন সিন্ডিকেট দুটি কোম্পানির শেয়ারদর বৃদ্ধিতে কারসাজি করেই যাচ্ছে। একটি কোম্পানির শেয়ার ৮ টাকা থেকে বেড়েছে ১৮৮ টাকা পর্যন্ত। এখন অপর একটি কোম্পানির শেয়ারদর নিয়ে একই রকম ফাঁদ পেতেছে এই চক্রটি। ২৩ টাকা দরের শেয়ারটি ৪৩ টাকায় সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ধরিয়ে দিয়ে ফের ২৫ টাকা করে কিনছে চক্রটি যার দর ৩০ টাকার উপরে। আবারও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মাঝে বিভিন্ন মুখরোচক গালগল্প সাজিয়ে গুজব ছড়ানো হচ্ছে অভিযোগ উঠেছে। মিনোরি বাংলাদেশের মালিকানায় রয়েছেন জাপান প্রবাসী বাংলাদেশি মিয়া মামুন। তাঁর বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে একাধিক কোম্পানির শেয়ার নিয়ে কারসাজি করার অভিযোগ উঠেছে। প্রতিনিয়ত নতুন নতুন গুজব ছড়িয়ে কোম্পানিগুলোর শেয়ারদর আকাশচুম্বী করা হয়েছে বলে অভিযোগ তুলছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা।

সূত্র মতে, পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি এমারেল্ড অয়েল ইন্ডাস্ট্রিজ এবং ফু-ওয়াং ফুড লিমিটেডের মালিকানায় যুক্ত হয়েছে মিনোরি বাংলাদেশ লিমিটেড। দুই কোম্পানির মালিকানায় মিনোরির যুক্ত হওয়ার খবরে প্রতিষ্ঠানগুলোর শেয়ারদর লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়লেও শেয়ারহোল্ডাররা এখনো লভ্যাংশ পাননি। এর মধ্যে এমারেল্ড অয়েলের কারখানাসহ সব সম্পত্তি রাষ্ট্রায়ত্ত্ব বেসিক ব্যাংক নিলামে তুলেছে। ফলে সম্পদবিহীন কাগুজে কোম্পানিতে পরিণত হতে যাচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি। তবুও নিত্যনতুন গুজব ছড়িয়ে শেয়ারটির দর বাড়ানো হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। একইভাবে খাদ্য ও আনুষাঙ্গিক খাতের কোম্পানি ফু-ওয়াং ফুডস নিয়েও কারসাজি করে যাচ্ছে মিয়া মামুন চক্র।

জানা গেছে, ২০১৪ সালে দেশের শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হয় এমারেল্ড অয়েল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড। ওই বছর পুঁজিবাজারে ২ কোটি শেয়ার ইস্যু করে ২০ কোটি টাকা উত্তোলন করে প্রতিষ্ঠানটি। ধানের কুঁড়া থেকে তেল উৎপাদন ও বাজারজাত করে এমারেল্ডের স্পন্দন ব্র্যান্ড সাড়া জাগাতে সক্ষম হয়। তবে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্তির মাত্র দুই বছর পরেই বেসিক ব্যাংকের ঋণ কেলেঙ্কারি মামলার কারণে ২০১৬ সালের ২৭ জুন থেকে উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। এ মামলার আসামি হয়ে পালিয়ে যায় এমারেল্ডের মালিকপক্ষ।

সূত্র জানায়, এমারেল্ড অয়েলের উৎপাদন বন্ধ হয়ে যাওয়া এবং মালিকপক্ষের পালিয়ে যাওয়ার খবরের সুযোগ নিতে মরিয়া হয়ে উঠে মিনোরি বাংলাদেশের মালিক মিয়া মামুন। ২০১৮ সাল থেকে শুরু হয় তাঁর এমারেল্ড অয়েলের শেয়ার নিয়ে কারসাজির পরিকল্পনা। তখন থেকেই কম মূল্যে কিনতে থাকে এমারেল্ড অয়েলের শেয়ার। এক্ষেত্রে নিজের ঘনিষ্ঠজনদের ব্যবহার করেন মিয়া মামুন। বিভিন্ন নামে-বেনামে এমারেল্ড অয়েলের শেয়ার কেনা সম্পন্ন হলে শুরু করে কারসাজির দ্বিতীয় ধাপ।

দ্বিতীয় ধাপে কৌশলে জাপানের কোম্পানি মিনোরিকে যুক্ত করা হয় এমারেল্ড অয়েলের মালিকানায়। শেয়ারবাজারে এই তথ্যটি ছড়িয়ে কৃত্রিমভাবে বাড়ানো হয় কোম্পানিটির শেয়ারদর। কয়েক মাসের ব্যবধানে কোম্পানিটির শেয়ারদর প্রায় ২০০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে। বাজার সংশ্লিষ্টদের মতে- মূলত শেয়ার কারসাজি করতেই এমারেল্ড অয়েল ইন্ডাস্ট্রিজের মালিকানায় এসেছে মিয়া মামুন।

জানা গেছে, এমারেল্ড অয়েলের সম্পদ নিলামে বিক্রি করতে বেসিক ব্যাংককে নির্দেশ দিয়েছে অর্থঋণ আদালত। এর প্রেক্ষিতে একবার নিলামও করে রাষ্ট্রায়ত্ত্ব ব্যাংকটি। তবে কেউ নিলামে অংশ নেয়নি। ফলে আইন অনুযায়ী পুণরায় নিলাম করার প্রস্তুতি নিচ্ছে বেসিক ব্যাংক। এরপরও এমারেল্ডের সম্পদ বিক্রি না করতে পারলে তা ভোগদখল করবে ব্যাংকটি।

বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, একটি কোম্পানির কোন সম্পদ নেই জানা সত্ত্বেও কোম্পানিটি কেনার একমাত্র উদ্দেশ্য হতে পারে শেয়ারদর নিয়ে কারসাজি করা। তাঁরা বলছেন, মিনোরি নিয়ে বিভিন্ন তথ্য ছড়িয়ে ইতিমধ্যেই কোম্পানিটির শেয়ারদর আকাশচুম্বী করা হয়েছে। এর মাধ্যমে মিয়া মামুন কোটি কোটি টাকা হাঁতিয়ে নিয়েছে। ফলে ঝুঁকিতে রয়েছে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা। এদিকে এমারেল্ড অয়েলের ৩৮ শতাংশের বেশি শেয়ারের মালিক হলেও কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদে নাম নেই মিয়া মামুনের।

বেসিক ব্যাংক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে অর্থসংবাদকে বলেন, এমারেল্ড অয়েলের নতুন পরিচালনা পর্ষদকে ঋণ পরিশোধে অগ্রসর হওয়ার জন্য বারবার অনুরোধ করা হয়। বর্তমান পর্ষদ শর্ত দিয়েছে সুদ মওকুফ ও পুনঃতফসিলের আবেদন নিষ্পত্তি করতে। এমন অবস্থায় ব্যাংকের নিয়মাচার অনুযায়ী দলিলাদি সম্পাদন এবং সোলেনামার মাধ্যমে মামলা স্থগিতের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এক্ষেত্রে আইনি জটিলতা নিরসনের জন্য ব্যাংকের পক্ষ থেকে একাধিকবার প্রতিষ্ঠানটির বর্তমান পর্ষদ ও ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে একাধিক চিঠি এবং আলোচনার প্রস্তাব দেয়া হয়। কিন্তু এসব সমস্যা সমাধানের ব্যাপারে বর্তমান পর্ষদ প্রয়োজনীয় সহায়তা না করায় এবং আইনী জটিলতা থাকায় ঋণটি পুনঃতফসিল করা সম্ভব হয়নি।

এদিকে এমারেল্ড অয়েলের শেয়ার নিয়ে কারসাজি করার পর নতুন করে ফু-ওয়াং ফুড নিয়ে খেলছে মিয়া মামুন চক্র। এক্ষেত্রেও জাপানি প্রতিষ্ঠান মিনোরি বাংলাদেশের বিনিয়োগের বিষয়টি সামনে আনা হয়েছে। সম্প্রতি ফু-ওয়াং ফুডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক পদেও যোগ দিয়েছেন আলোচিত মিয়া মামুন।

মিয়া মামুনের জন্ম চট্টগ্রামের নাসিরাবাদে। ১৯৯৬ সালে চট্টগ্রামের আগ্রাবাদ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি এবং ১৯৯৮ সালে সিটি কলেজ থেকে এইচএসসি পাশ করেন তিনি। পরবর্তীতে ২০০০ সালে জাপানে পাঁড়ি জমান মিনোরির এই উদ্যোক্তা। ২০০৮ সালে পড়াশোনা শেষ করে তিন বছর চাকরি করেন। পরবর্তীতে জাপানে গড়ে তোলেন মিনোরি নামের কোম্পানি।

এসএম

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

অন্যান্য

কৃষকরাই অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি: স্পিকার

Published

on

ক্রাফটসম্যান

জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ। কৃষকদের অক্লান্ত প্রচেষ্টায় বাংলাদেশের অর্থনীতি শক্ত ভিতের ওপর দাঁড়িয়ে আছে।

বুধবার (১৭ এপ্রিল) নিজ নির্বাচনী এলাকা ২৪ রংপুর-৬ এর অন্তর্গত পীরগঞ্জ উপজেলার ৯ নম্বর পীরগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদ আয়োজিত ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ইউনিয়ন পরিষদ উন্নয়ন সহায়তা তহবিলের অর্থায়নে এ ইউনিয়নের প্রান্তিক কৃষকদের জন্য স্প্রে মেশিন বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্পিকার এ কথা বলেন।

জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

নয় নম্বর পীরগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. নূরুল ইসলামের সভাপতিত্বে পীরগঞ্জের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইকবাল হাসান বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন।

স্পিকার বলেন, আধুনিক কৃষির বিস্তারে কৃষকদের মাঝে সঠিক পরামর্শ প্রদানে উপজেলা কৃষি অফিস সর্বদা নিয়োজিত আছে।

এ সময় তিনি নিয়মিত প্রোগ্রামের অংশ হিসেবে কৃষকদের মাঝে ১৫০টি স্প্রে মেশিন বিতরণ করেন।

এরপর তিনি পীরগঞ্জ উপজেলা মডেল মসজিদ এবং লালদিঘী হাবিবিয়া কাদেরীয়া সিদ্দিকিয়া দারুল উলুম মাদ্রাসা ও এতিমখানা পরিদর্শন করেন।

তিনি মডেল মসজিদের সামনে একটি দৃষ্টিনন্দন বাগান স্থাপনের জন্য পরামর্শ প্রদান করেন এবং প্রয়োজনীয় অর্থ প্রদানে ব্যবস্থা নিতে আহ্বান জানান।

পরে তিনি জয় সদন সংলগ্ন ফতেপুর মিয়াপাড়ার রাস্তাটি পরিদর্শন করেন। এসময় তিনি বিশিষ্ট পরমাণু বিজ্ঞানী ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়ার কবরে শ্রদ্ধাঞ্জলি প্রদান করেন এবং তার রূহের মাগফেরাত কামনা করে মোনাজাত করেন।

এরপর স্পিকার বিখ্যাত পরমাণু বিজ্ঞানী ড. ওয়াজেদ মিয়ার বাড়ি জয় সদনে পীরগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগ কর্তৃক আয়োজিত ১৭ এপ্রিল ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস-২০২৪ উদযাপন উপলক্ষ্যে আলোচনা সভায় অংশগ্রহণ করেন।

এ অনুষ্ঠানে পীরগঞ্জ উপজেলা পরিষদের মেয়র ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এ এস এম তাজিমুল ইসলাম শামীম, পীরগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নুরুল আমিন রাজা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

অন্যান্য

বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিয়ে যা বললেন মুশফিক

Published

on

ক্রাফটসম্যান

চলতি বছরের জুনে মাঠে গড়াবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। আর এবারের বিশ্বকাপ খেলা অনুষ্ঠিত হবে আমেরিকা এবং ওয়েস্ট-ইন্ডিজে। আসন্ন সেই বিশ্বকাপকে সামনে রেখে আগেভাগেই নিজেদের প্রস্তুত করছে টাইগাররা। মাঠের ক্রিকেটে সর্বোচ্চ দেওয়ায় থাকবে নাজমুল হোসেন শান্তর দলের প্রধান লক্ষ্য।

বাংলাদেশ দলের অভিজ্ঞ ক্রিকেটার মুশফিকুর রহিম আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি থেকে অবসর নিয়েছেন অনেক আগে। তবে তিনি আশা করছেন বাংলাদেশ এবার বিশ্বকাপে ভালো কিছু করবে। গতকাল ঈদের দিনে নিজ শহর বগুড়ায় গণমাধ্যমে মুখোমুখি হন তিনি।

সেখানে মুশফিক বলেন, ইনশাআল্লাহ চেষ্টা করছে সবাই যার যার দিক থেকে। আশা করছি, সবাই সেভাবেই প্রস্তুতি নিবে। এবং ইনশাআল্লাহ আশা করি, সামনে যে বিশ্বকাপ আছে সেখানে বাংলাদেশ দল ভালো করবে।

মুশফিক সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা জানানোর পাশাপাশি গরিব অসহায়দের খোঁজ নেওয়ার তাগিদ দিয়েছেন, ‘আশা করব, সবাই যার যার পরিবার, আত্মীয়স্বজন নিয়ে ঈদ করবেন। সবাই যেন নিরাপদে ঈদ উদযাপন করেন ও গরীব-অসহায় মানুষ আছেন যারা, তাদের সবার দিকে খেয়াল রাখবেন। এবং সবার সুখ ও সমৃদ্ধি কামনা করে আমি দোয়া করি, আমাদের জন্যও দোয়া করবেন।’

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

অন্যান্য

মার্চে মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৯.৮১ শতাংশ

Published

on

ক্রাফটসম্যান

মার্চ মাসে দেশের সার্বিক মূল্যস্ফীতি বেড়েছে ০.১৪ শতাংশ। এর ফলে মাসটিতে মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৯.৮১ শতাংশ। যা ফেব্রুয়ারি মাসে ছিল ৯.৬৭ শতাংশ।

মঙ্গলবার (০৯ এপ্রিল) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) মূল্যস্ফীতির প্রতিবেদন প্রকাশ করে।

বিবিএস জানায়, বছরের শুরুতে দেশে হঠাৎ বেড়ে যাওয়া খাদ্য মূল্যস্ফীতি গত ফেব্রুয়ারিতে কিছুটা কমলেও মার্চে আবার বেড়েছে। এ মাসে সার্বিক খাদ্য মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৯.৮৭ শতাংশ। ফেব্রুয়ারিতে যেটি ছিল ৯.৪৪ শতাংশ। এদিকে ফেব্রুয়ারিতে সার্বিক খাদ্য-বহির্ভূত মূল্যস্ফীতি ছিল ৯.৩৩ শতাংশ, যা মার্চে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯.৬৪ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।

এছাড়া মার্চে গ্রামাঞ্চলে সার্বিক মূল্যস্ফীতি ০.২০ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯.৬৮ শতাংশে। এর মধ্যে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ৯.৮৬ শতাংশ ও খাদ্য-বহির্ভূত মূল্যস্ফীতি ৯.৪১ শতাংশ।

আর শহরে সার্বিক মূল্যস্ফীতি ০.৬ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯.৯৪ শতাংশে। এর মধ্যে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ৯.৯৮ শতাংশ ও খাদ্য-বহির্ভূত মূল্যস্ফীতি ৯.৭১ শতাংশ।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

অন্যান্য

ফোর্বসের বিলিয়নিয়ার তালিকায় বাংলাদেশের আজিজ খান

Published

on

ক্রাফটসম্যান

২০২৪ সালের বার্ষিক বিলিয়নিয়ারের তালিকা প্রকাশ করেছে ফোর্বস ম্যাগাজিন। শীর্ষ দশে কিছুটা রদবদল হলেও ঘুরেফিরে কার্যত একই ব্যক্তিদের নাম এসেছে। তবে এই তালিকায় কিছু চমকও রয়েছে।

ফোর্বসের বিলিয়নিয়ারের তালিকায় একমাত্র বাংলাদেশি হিসেবে জায়গা করে নিয়েছেন সামিট গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আজিজ খান। সম্পদের হিসাবে বৈশ্বিক তালিকায় অবশ্য অনেক পেছনে রয়েছেন তিনি। ফোর্বসের বিলিয়নিয়ার তালিকায় ৬৯ বছর বয়সী এ ব্যবসায়ী রয়েছেন ২ হাজার ৫৪৫তম স্থানে।

আজিজ খানের মোট সম্পদের পরিমাণ বলা হয়েছে ১১০ কোটি মার্কিন ডলার, বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ১২ হাজার ১০০ কোটি টাকা।

জ্বালানি, বন্দর, ফাইবার অপটিকস এবং রিয়েল এস্টেটসের ব্যবসা রয়েছে তার মালিকানাধীন সামিট গ্রুপের। আজিজ খান বর্তমানে সিঙ্গাপুরে বসবাস করেন। ছোট্ট দেশটির শীর্ষ ৫০ ধনীর তালিকায় তার নাম রয়েছে।

ফোর্বসের হিসাবে, বিশ্বে মোট বিলিয়নিয়ারের সংখ্যা ২ হাজার ৭৮১ জন, যা গত বছরের তুলনায় ১৪১ জন বেশি। তাদের মোট সম্পত্তির পরিমাণ ১৪ দশমিক ২ ট্রিলিয়ন ডলার, যা ২০২৩ সালের তুলনায় দুই ট্রিলিয়ন ডলার বেশি।

তবে অধিকাংশ সম্পদই শীর্ষ ২০ জনের দখলে। ২০২৩ সালের পর তারা সমন্বিতভাবে ৭০০ বিলিয়ন ডলার যোগ করেছেন।

বিলিয়নিয়ারের তালিকায় যুক্তরাষ্ট্রের ৮১৩ জন স্থান পেয়েছেন, তাদের সমন্বিত সম্পত্তির পরিমাণ ৬ দশমিক ৭ ট্রিলিয়ন ডলার।

৪৭৩ জন নিয়ে তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে চীন। দেশটির বিলিয়নিয়ারদের মোট সম্পত্তির পরিমাণ ১ দশমিক ৭ ট্রিলিয়ন ডলার।

২০০ জন বিলিয়নিয়ার নিয়ে তালিকায় তৃতীয় স্থানে রয়েছে ভারত। তাদের সমন্বিত সম্পত্তির পরিমাণ ৯৫৪ বিলিয়ন ডলার।

এককভাবে ২৩৩ বিলিয়ন ডলারের সম্পত্তি নিয়ে ধনীদের তালিকায় শীর্ষস্থানে রয়েছেন ফরাসি ব্যবসায়ী ও এলভিএমএইচের সিইও বার্নার্ড আর্নল্ট। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের বৈদ্যুতিক গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টেসলার প্রধান নির্বাহী ইলন মাস্ক। তার সম্পত্তির পরিমাণ ১৯৫ বিলিয়ন ডলার।

তৃতীয় হয়েছেন অ্যামাজন প্রধান জেফ বেজোস, চতুর্থ মেটা সিইও মার্ক জুকারবার্গ, পঞ্চম ওরাকলের ল্যারি এলিসন, ষষ্ঠ বার্কশায়ার হাথওয়ের ওয়ারেন বাফেট, সপ্তম মাইক্রোসফটের বিল গেটস, অষ্টম মাইক্রোসফটের স্টিভ বালমার, নবম রিলায়েন্স গ্রুপের মুকেশ আম্বানি এবং ১০ম স্থানে রয়েছেন গুগলের সাবেক সিইও ল্যারি পেজ।

প্রথমবারের মতো বিলিয়নিয়ারের তালিকায় নাম লিখিয়েছেন মার্কিন সংগীতশিল্পী টেইলর সুইফট। এক ট্যুরেই তিনি মিউজিক ইন্ডাস্ট্রির ইতিহাস ভেঙে কামিয়েছেন প্রায় ১০০ কোটি ডলার। পোলস্টারের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বজুড়ে চলা এরাস ট্যুরের প্রথম ৬০টি শো থেকেই আয় হয়েছে ১০৪ কোটি ডলার। এই ট্যুরের ইউরোপ এবং উত্তর আমেরিকা মহাদেশের শো এখনো বাকি।

এশিয়ার প্রথম ব্যবসায়ী হিসেবে ১০ হাজার কোটি ডলারের ক্লাবে নাম লিখিয়েছেন ভারতের মুকেশ আম্বানি। রিলায়েন্স গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের আওতায় নানা ধরনের ব্যবসা থেকে এই অর্থ উপার্জন করেছেন তিনি। আম্বানির সম্পদের পরিমাণ উল্লেখ করা হয়েছে ১১ হাজার ৬০০ মার্কিন ডলার।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

অন্যান্য

চক্রের মাধ্যমে নয়, দাপ্তরিক প্রয়োজনে পরিচালকের দপ্তরে সার্ভেইল্যান্স সংযোগ: বিএসইসি

Published

on

ক্রাফটসম্যান

বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) সার্ভেইল্যান্স বিভাগের পরিচালকের দপ্তরে বিদ্যমান সংযোগ কোনো চক্রের মাধ্যমে নয়, বরং দাপ্তরিক প্রয়োজনেই দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে কমিশন। এ বিষয়ে বিভ্রান্ত না হতে সবার প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে বিএসইসি। সেই সঙ্গে জাতীয় দৈনিক যুগান্তরে এ সংক্রান্ত সংবাদ প্রতিবেদনে তথ্য পাচারের যে অভিযোগ করা হয়েছে, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট প্রমাণসহ বিএসইসিকে অবহিত করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

আজ সোমবার (১ এপ্রিল) বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মোহাম্মদ রেজাউল করিম স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ৩১ মার্চ দৈনিক যুগান্তর পত্রিকায় প্রকাশিত ‘পুঁজিবাজারে নজরদারি সফটওয়্যার: গোপন তথ্যভাণ্ডারে অবৈধ সংযোগ’ শীর্ষক শিরোনামের প্রতিবেদন এবং ১ এপ্রিল ‘সাভিইল্যান্স অনিরাপদ হলে আস্থা হারাবে শেয়ারবাজার’ শিরোনামের প্রতিবেদনের বিষয়ে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের বক্তব্য রয়েছে। কমিশনের সার্ভেইল্যান্স ডিপার্টমেন্ট পুঁজিবাজারে প্রতিদিনের লেনদেন পর্যবেক্ষণ অথবা নজরদারি করে থাকে। দাপ্তরিক প্রয়োজনে অর্পিত দায়িত্বের কারণে বিএসইসির পরিচালক (সার্ভেইল্যান্স) কমিশনের সার্ভেইল্যান্স সংক্রান্ত ডাটা অথবা তথ্য পর্যালোচনাপূর্বক কমিশনে বিভিন্ন ধরনের প্রয়োজনীয় রিপোর্ট উপস্থাপন কাজে নেতৃত্ব দেন। পুঁজিবাজার সংক্রান্ত সব তথ্য স্পর্শকাতর হওয়ায় অন্যান্য বিষয়ের মতো সার্ভেইল্যান্স ডিপার্টমেন্টের সব ডাটা অথবা তথ্যের নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা কমিশন কর্তৃক সার্বক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করা হয়। বিএসইসির পরিচালকের (সার্ভেইল্যান্স) বিদ্যমান সংযোগটি কোনো চক্রের মাধ্যমে নয়, বরং দাপ্তরিক প্রয়োজনেই দেওয়া হয়েছে। এটা সুদীর্ঘকাল ধরে বলবৎ রয়েছে। তাই, সংশ্লিষ্ট সবাইকে উল্লিখিত সংবাদে বিভ্রান্ত না হওয়ার অনুরোধ করা হচ্ছে।

এতে আরও বলা হয়, প্রকাশিত সংবাদে তথ্য পাচার সংক্রান্ত যে বিষয়টি এসেছে, তা রহিত করার নিমিত্তে কোনো সুনিদিষ্ট তথ্য থাকলে প্রমাণসহ কমিশনকে অবহিত করতে অনুরোধ করা হচ্ছে।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন
ক্রাফটসম্যান
অর্থনীতি5 hours ago

রমজানে কমলেও ঈদের পর বাড়ল ডিমের দাম

ক্রাফটসম্যান
জাতীয়5 hours ago

প্রাণিসম্পদ সেবা সপ্তাহ শুরু বৃহস্পতিবার

ক্রাফটসম্যান
খেলাধুলা6 hours ago

বঙ্গবন্ধু-বঙ্গমাতা ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল শনিবার

ক্রাফটসম্যান
পুঁজিবাজার6 hours ago

বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়াতে ৫০ লাখ শেয়ার ছাড়বে ক্রাফটসম্যান ফুটওয়্যার

মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের শেয়ার ক্রয়-বিক্রয় সম্পন্ন
পুঁজিবাজার6 hours ago

মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের লভ্যাংশ ঘোষণা

ক্রাফটসম্যান
জাতীয়6 hours ago

চিকিৎসায় অবহেলা মেনে নেয়া হবে না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

ক্রাফটসম্যান
জাতীয়7 hours ago

জিম্মিদশার ৩১ দিনের লোমহর্ষক বর্ণনা দিলেন জাহাজের ক্যাপ্টেন

ক্রাফটসম্যান
আন্তর্জাতিক7 hours ago

জাপানে শক্তিশালী ভূমিকম্পের আঘাত

ক্রাফটসম্যান
জাতীয়7 hours ago

টেকসই সমুদ্র ব্যবস্থাপনায় সম্মিলিত প্রয়াসের আহ্বান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর

ক্রাফটসম্যান
পুঁজিবাজার8 hours ago

অগ্নি সিস্টেমসের তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ

ফেসবুকে অর্থসংবাদ

২০১৮ সাল থেকে ২০২৩

অর্থসংবাদ আর্কাইভ

তারিখ অনুযায়ী সংবাদ

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০