Connect with us

শিল্প-বাণিজ্য

দারাজের ‘ফ্রি ডেলিভারি ফেস্টিভ্যাল’ শুরু আগামীকাল

Published

on

ডিএসই

অনলাইন কেনাকাটায় ক্রেতাদের সম্পূর্ণ নতুন অভিজ্ঞতা দিতে প্রথমবারের মতো ‘ফ্রি ডেলিভারি ফেস্টিভ্যাল’ শুরু করতে যাচ্ছে দক্ষিণ এশিয়ার শীর্ষস্থানীয় ই-কমার্স মার্কেটপ্লেস দারাজ। আগামীকাল ২৫ জানুয়ারি থেকে শুরু হয়ে এ উৎসব চলবে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত। দেশজুড়ে অবিরাম এই ফ্রি ডেলিভারি নিশ্চিত করার জন্য দারাজ অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং সম্পূর্ণ আধুনিক পদ্ধতি অবলম্বন করেছে।

দারাজ ফ্রি ডেলিভারি ফেস্টিভ্যালে ক্রেতারা পাচ্ছেন ৭০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড়সহ আকর্ষণীয় সব অফার। তিনটি পণ্যের বান্ডেল পাচ্ছেন মাত্র ৪৯৯ টাকা থেকে, হট ডিলসে ৭০ শতাংশ এবং মেগা ডিলসে ৬০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড়, ব্র্যান্ড ওয়ারেন্টি এবং ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ভাউচার। এসব আকর্ষণীয় অফারের সঙ্গে থাকছে ফ্রি ডেলিভারি, যা ক্রেতাদের সর্বোচ্চ সঞ্চয়ের সুযোগ করে দেবে।

দারাজ ফ্রি ডেলিভারি ফেস্টিভ্যালের মূল উদ্দেশ্য হলো ক্রেতাদের নির্ধারিত ঠিকানায় সহজেই পণ্য পৌঁছানোর ব্যবস্থা করা। যেখানে তাদের কোনো ডেলিভারি খরচের চিন্তা করতে হবে না, পাশাপাশি পণ্য সংগ্রহ করার জন্য অতিরিক্ত ভাড়াও গুনতে হবে না। দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকেই ক্রেতারা উপভোগ করতে পারবেন এই আকর্ষণীয় অফার।

বিশেষ করে ঢাকার বাইরের (চট্টগ্রাম, খুলনা, রাজশাহী, সিলেট ইত্যাদি) ক্রেতাদের জন্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য আরও সহজলভ্য করে তোলাই এই ফেস্টিভ্যালের আরেকটি অন্যতম উদ্দেশ্য। উল্লেখ্য, ডিসেম্বর ২০২৩-এ দারাজের মোট ক্রেতার প্রায় অর্ধেক ফ্রি ডেলিভারি সুবিধা উপভোগ করেছেন, যা জানুয়ারি ২০২৩ এর তুলনায় ৫০০ শতাংশ বেশি।

দারাজ বাংলাদেশের প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা (সিওও) খন্দকার তাসফিন আলম বলেন, ‘ক্রেতাদের দুয়ারে সর্বোত্তম মূল্যে সর্বাধিক পণ্য পৌঁছে দেওয়ার সুবিধা তৈরি করাই আমাদের মূল লক্ষ্য। দারাজ ফ্রি ডেলিভারি ফেস্টিভ্যাল সে প্রতিশ্রুতিরই একটি প্রমাণ। আমরা শত শত যানবাহনের একটি বহর তৈরি করেছি, যা কৌশলগতভাবে দেশব্যাপী প্রতিটি অঞ্চলে অবস্থিত আমাদের ফুলফিলমেন্ট পয়েন্ট এবং সর্টিং সেন্টারগুলোকে সংযুক্ত করে। এখান থেকে হাজারো ডেলিভারি হিরো প্যাকেজগুলো সংগ্রহ করে ক্রেতাদের ঠিকানায় সরাসরি পৌঁছে দেয়। দেশব্যাপী অন্যতম এই লজিস্টিকস অবকাঠামো ভৌগোলিক অবস্থান নির্বিশেষে প্রত্যেকের কাছে তাদের পণ্য সবচেয়ে দ্রুত এবং সর্বনিম্ন খরচে পৌঁছে দিতে দারাজকে সাহায্য করে। এ অবকাঠামোর সঙ্গে আরও আছে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি, রিয়েল-টাইম ট্র্যাকিং এবং রুট অপ্টিমাইজেশন, যা এ লক্ষ্য পূরণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে।’

ক্রেতারা এখনই কেনাকাটা করতে পারবেন দারাজ ফ্রি ডেলিভারি ফেস্টিভ্যালে।

অর্থসংবাদ/এমআই

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

শিল্প-বাণিজ্য

বাংলাদেশে ৫০ হাজার টন পেঁয়াজ রফতানি করবে ভারত

Published

on

ডিএসই

বাংলাদেশে ৫০ হাজার টন পেঁয়াজ রফতানির অনুমতি দিয়েছে ভারত। রফতানিকারকরা ৩১ মার্চ পর্যন্ত এই পেঁয়াজ বাংলাদেশে রফতানি করতে পারবেন। অবিলম্বে রফতানি কার্যক্রম শুরু হবে।

বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) ভারতের ভোক্তা বিষয়ক অধিদফতরের সচিব রোহিত কুমার সিংয়ের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস।

রোহিত কুমার সিং জানিয়েছেন, বাংলাদেশে ৫০ হাজার টন পেঁয়াজ, মরিশাসে ১ হাজার ২০০ টন, বাহরাইনে ৩ হাজার টন এবং ভুটানে ৫৬০ টন পেঁয়াজ অবিলম্বে রফতানির অনুমতি দেয়া হয়েছে। ব্যবসায়ীদের ৩১ মার্চ পর্যন্ত এই পরিমাণ রফতানি করার অনুমতি দেয়া হয়েছে এবং এই লক্ষ্যে কাজ চলছে।

রোহিত কুমার সিং আরও বলেন, ‘পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুপারিশের ভিত্তিতে বাংলাদেশে রফতানির অনুমতি দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।’

ভারত অভ্যন্তরীণ সরবরাহ বাড়াতে এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে গত বছরের ডিসেম্বরে পেঁয়াজ রফতানির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে।

এদিকে, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ এ মাসের শুরুর দিকে ভারত সফরের সময় বাংলাদেশের বাজারে দ্রব্যমূল্যের দাম স্থিতিশীল রাখতে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য রফতানির ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে ভারত সরকারকে অনুরোধ জানিয়েছিলেন। ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এস. জয়শঙ্কর এবং বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী পীযূষ গোয়েলের সঙ্গে বৈঠকের সময় ড. হাছান ওই পণ্যগুলো বাংলাদেশে রফতানির জন্য আবেদন করেছিলেন।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

শিল্প-বাণিজ্য

চাল রপ্তানিতে ২০ শতাংশ শুল্ক তুলছে না ভারত

Published

on

ডিএসই

চলতি বছরের ৩১ মার্চ পর্যন্ত সেদ্ধ চাল রপ্তানিতে ২০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করে ভারত। কিন্তু নির্ধারিত সময়সীমার পরেও এই শুল্ক হার অব্যাহত থাকবে। দেশটির কেন্দ্রীয় সরকার জানিয়েছে, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই রপ্তানি শুল্ক হার বহাল থাকবে।

ভারত সরকার গত বছরের আগস্টে সেদ্ধ চালের রপ্তানির ওপর ২০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করে। অভ্যন্তরীণ মজুত বাড়ানো ও দাম নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্যই দেশটির সরকার ওই সিদ্ধান্ত নেয়, যা ২০২৪ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত কার্যকর করা হয়েছিল।

কিন্তু ভারতের অর্থমন্ত্রণালয় এক প্রজ্ঞাপনে জানিয়েছে, রপ্তানির ক্ষেত্রে ২০ শতাংশ শুল্ক হার অনির্দিষ্টকালের জন্য কার্যকর থাকবে।

ভারতের খুচরা মূলস্ফীতি কমে ৫ দশমিক ১০ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, যা ডিসেম্বরে ছিল চার মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ ৫ দশমিক ৬৯ শতাংশ।

ভারতের কৃষিমন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২২-২০২৩ শস্য বছরে চালের উৎপাদন বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩৫ দশমিক ৫৪ মিলিয়ন টনে, যা তার আগের বছরের ১২৯ দশমিক ৪৭ মিলিয়ন টনের চেয়ে বেশি।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

শিল্প-বাণিজ্য

ভোক্তা পর্যায়ে আমদানিকৃত পণ্যের দাম নির্ধারণ করা হবে: বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী

Published

on

ডিএসই

আগামীতে ভোক্তা পর্যায়ে আমদানিকৃত পণ্যের দাম নির্ধারণ করে দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু।

বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে ‘দ্রব্যমূল্যে অস্থিরতা: উত্তরণের উপায়’ শীর্ষক এক গোলটেবিল আলোচনায় এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, আমদানিকারক, ব্যবসায়ী ও ভোক্তা সকলেই আমাদের। ভোক্তা পর্যায়ে আমদানিকৃত পণ্যের দাম নির্ধারণ করে দেয়ার জন্য ট্যারিফ কমিশন, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্যরা কাজ করছে। ইতিমধ্যে চালের বস্তায় পণ্যের বিস্তারিত তথ্য উল্লেখ করার জন্য পরিপত্র জারি করা হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, রিজার্ভ নেই, এটা সত্য নয়। রিজার্ভ কিছুটা চাপে আছে। রিজার্ভের টাকা যদি আমরা জনগণের প্রয়োজনে খরচ করতে না পারি, তাহলে সে টাকা দিয়ে আমরা কী করব। আইএমএফের নীতি অনুযায়ী তিনমাসের পণ্য আমদানির জন্য আমাদের যথেষ্ট ডলার রয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী জানান, রিজার্ভের টাকা দিয়ে ইতিমধ্যে সাড়ে ১৩ লাখ মেট্রিক টন নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য আমদানি করা হয়েছে। রমজানে দ্রব্যমূল্যের দামে স্থিরতা থাকবে।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

শিল্প-বাণিজ্য

অগ্নি নিরাপত্তা নিশ্চিতে ১৩ প্রতিষ্ঠান ও ৫ ব্যক্তিকে সম্মাননা

Published

on

ডিএসই

আবাসিক ও বাণিজ্যিক ভবনে অগ্নি সুরক্ষা ব্যবস্থা নিশ্চিত করায় ১৩ টি প্রতিষ্ঠান ও অগ্নিনির্বাপণ ও দুর্ঘটনায় উদ্ধারকাজে সাহসী ভূমিকার জন্য পাঁচ ব্যক্তিকে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করে ইলেকট্রনিক্স সেফটি অ্যান্ড সিকিউরিটি অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইসাব)। সোমবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) রাতে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (বিআইসিসি) ‘৯ম আন্তর্জাতিক ফায়ার সেফটি অ্যান্ড সিকিউরিটি এক্সপো ২০২৪’ এর সমাপনী অনুষ্ঠানে এ পুরস্কার প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার ও স্মারক তুলে দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। তিনি বলেন, অগ্নি নিরাপত্তা সামগ্রী ও জনসচেতনতা বৃদ্ধি পাওয়ায় এত অগ্নিকাণ্ডের পরও দেশের শিল্পগুলো ঘুরে দাঁড়িয়েছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা ইতিমধ্যে ৪৪ হাজার স্বেচ্ছাসেবক তৈরি করেছি, যারা ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা দুর্ঘটনাস্থলে আসার আগেই আগুন নেভাতে ভূমিকা রাখতে পারবে। পূর্ব অভিজ্ঞতা নিয়ে এখনকার ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা আরো বেশি সতর্ক। আমাদের সরকারের চূড়ান্ত লক্ষ্য হলো ফায়ার সার্ভিস কর্মীদের প্রশিক্ষণ দেওয়া ও সিভিল ডিফেন্সের উন্নতি করা।’

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব তপন কান্তি ঘোষ বলেন, ফায়ার সেফটি নিশ্চিতে আমাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন। ভবন নির্মাণের সময় অবশ্যই বিল্ডিং কোড মানতে হবে। সরকারের পাশাপাশি উদ্যোক্তাদের এই বিষয়ে সচেতন হওয়ার জরুরী। এসময় মানুষের জীবনের মূল্যায়ন করার জন্য হলেও ফায়ার সেফটি নিয়ে সচেতন হতে সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

স্বাগত বক্তব্যে ইসাবের সভাপতি নিয়াজ আলী চিশতি বলেন, এই প্রদর্শনীতে ৩০টি দেশের শতাধিক প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণ, ৩ দিনে ১৫ হাজারেরও বেশি দেশি-বিদেশি দর্শনার্থীর আগমণ এবং আমাদের সেমিনারগুলোতে ৩ হাজারেরও বেশি মানুষের অংশগ্রহণ প্রমাণ করে অগ্নি নিরাপত্তা নিয়ে দেশের মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

জনসচেতনতা বৃদ্ধি ও আবাসিক ও বাণিজ্যিক ভবন গুলোতে অত্যাধুনিক অগ্নি সুরক্ষা সরঞ্জাম ব্যবহারে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করতে আয়োজিত এই প্রদর্শনী আয়োজনের উদ্দেশ্য সফল হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। এসময় বাংলাদেশে বিনিয়োগের নানা সুযোগের কথা তুলে ধরে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের এই দেশে বিনিয়োগের আহ্বান জানান তিনি।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোঃ মাইন উদ্দিন বলেন, দেশকে উন্নত করতে হলে আমাদের সকল নিয়ম-কানুন মেনে চলতে হবে। বাণিজ্যিক ও আবাসিক ভবনে অগ্নি-নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। এক্ষেত্রে অগ্নি-নিরাপত্তা নিশ্চিতে নির্মাণ ব্যয়ের ২ শতাংশ এ খাতে খরচ করতে হবে।

সার্ক চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি মো.জসিম উদ্দিন বলেন, উন্নত বাংলাদেশে গড়তে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জন করতে হলে অবশ্যই অগ্নি নিরাপত্তায় গুরুত্ব দিতে হবে। এইচএসবিসির ঘোষণা অনুযায়ী ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশ ৯ম ভোক্তা বাজারে পরিণত হবে। অন্যান্য খাতের মতো ফায়ার সেফটি খাতেও অনেক বড় ভোক্তা রয়েছে আমাদের। কাজেই এখন সময় এসেছে দেশেই ফায়ার সেফটি পণ্য উৎপাদন করার। শুধু বিদেশি পণ্যের উপর নির্ভরশীল না হয়ে দেশেই ফায়ার সেফটি পণ্য উৎপাদনের জন্য এ খাতের সংশ্লিষ্ট উদ্যোক্তাদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।

এফবিসিসিআই’র সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. আমিন হেলালী বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতি অনেক এগিয়েছে। অগ্নি নিরাপত্তা পণ্যের ক্ষেত্রে শুধু বিদেশী পণ্যের উপর নির্ভরশীল না হয়ে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে দেশেই পণ্য উৎপাদন করতে হবে।

ইসাবের সেক্রেটারি জেনারেল জাকির উদ্দিন আহমেদ বলেন, বাংলাদেশকে নিরাপদ ও সুরক্ষিত রাখতে পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপের ওপর গুরুত্ব অনেক। কারণ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা থেকে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার প্রচেষ্টা এককভাবে করা যাবে না।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে আরও বক্তব্য রাখেন ইসাবের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট এসএম শাহজাহান সাজু, প্রচার সম্পাদক মো. নজরুল ইসলাম প্রমুখ। এসময় উপস্থিত ছিলেন ইসাবের সহ-সভাপতি মোঃ মতিন খান, মোহাম্মদ ফয়সাল মাহমুদ, ইঞ্জি. মোঃ মনজুর আলম, এম মাহমুদুর রশিদ, যুগ্ম মহাসচিব মো. মাহমুদ-ই-খোদা, এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি ইঞ্জি মোঃ মাহাবুর রহমান, কোষাধ্যক্ষ মোঃ নূর-নবী, পরিচালক মো. ওয়াহিদ উদ্দিন, ইঞ্জি. মো. আল-ইমরান হোসেন, মেজর মোহাম্মদ আশিক কামাল, মো. রফিকুল ইসলাম প্রমুখ।

ইসাব সেফটি এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড পেলেন যারা

আবাসিক, শিল্প, বাণিজ্যিক ভবনে বিল্ডিং কোড মেনে চলা ও অগ্নি নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিতের জন্য ‘ইসাব সেফটি এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড পেয়েছে মোট ১৩টি প্রতিষ্ঠান। এর মধ্যে আবাসিক ভবন ক্যাটাগরিতে প্রথম হয়েছে র‌্যানকন আর্টিস্টি রেসিডেন্সেস, দ্বিতীয় হয়েছে শেলটেক রুবিনুর, এবং তৃতীয় হয়েছে কনকর্ড শাপলা। বাণিজ্যিক ভবন ক্যাটাগরিতে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় হয়েছে যথাক্রমে শান্তা ফোরাম, কনকর্ড এমকে হেরিটেজ এবং বিজিএমইএ। শিল্প ভবন (তৈরি পোশাক) ক্যাটাগরির ৩টি পর্যায়েই যৌথভাবে ৬টি প্রতিষ্ঠান বিজয়ী হয়েছে। এরমধ্যে যৌথভাবে প্রথম হয়েছে গ্ল্যামার ড্রেসেস লিমিটেড এবং ডিজাইনটেক্স নিটওয়্যার লিমিটেড, যৌথভাবে দ্বিতীয় হয়েছে তাসনিয়া ফ্রেব্রিক্স লিমিটেড ও এসকিউ বিরিচিনা লিমিটেড এবং যৌথভাবে তৃতীয় হয়েছে স্টারলিং ডেনিমস লিমিটেড, সিল্কেন সুইং লিমিটেড। এছাড়াও শিল্প ভবনের অন্যান্য ক্যাটাগরিতে সম্মাননা পেয়েছে বিএম কন্টেইনার ডিপোট লিমিটেড।

অগ্নি-নির্বাপন ও উদ্ধারকাজে সম্মাননা পেলেন যারা

এদিকে অগ্নি-নির্বাপন ও উদ্ধারকাজে সাহসী ভূমিকার জন্য ফায়ার সার্ভিসের ৫ ব্যক্তিকে বিশেষ সম্মাননা দিয়েছে ইসাব। অগ্নি-নির্বাপন ও উদ্ধারকাজে সাহসী ভূমিকার জন্য সম্মাননা পেয়েছেন ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের উপ-সহকারী পরিচালক মো. ফয়সালুর রহমান, মোহাম্মদ সফিকুল ইসলাম, সিনিয়র স্টেশন অফিসার মো. নাজিম উদ্দিন সরকার, ওয়্যারহাউজ ইন্সপেক্টর মো. জহিরুল ইসলাম এবং ফায়ার ফাইটার আলহাজ মিয়া।

উল্লেখ্য, গত ১৭ থেকে ১৯ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত এই প্রদর্শনীর কো-পার্টনার হিসেবে রয়েছে ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর, অ্যাসোসিয়েট পার্টনার হিসেবে রয়েছে এফইবিওএবি, বিজিএমইএ, বিকেএমইএ, বিটিএমএ, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়,স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এই প্রদর্শনীতে সার্বিকভাবে সহযোগিতা করেছে এফবিসিসিআই।

অর্থসংবাদ/এমআই

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

শিল্প-বাণিজ্য

রপ্তানি ১০০ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাবে: বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী

Published

on

ডিএসই

দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি অব্যাহত থাকলে শিগগিরই দেশের রপ্তানি ১০০ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক অতিক্রম করবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু।

মঙ্গলবার (২০ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে পূর্বাচলে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে ‘২৮তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলা-২০২৪’ এর সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। সমাপনী অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো।

তিনি বলেন, বিদেশে যদি একটি শপিং মল থাকে তাহলে সেখানে যেমন বাংলাদেশের পোশাক পণ্য থাকতে পারে তেমনিভাবে চামড়াজাত পণ্যসহ আমাদের তৈরি ফার্মাউসিটিক্যাল পণ্যও থাকতে পারে। বর্তমানে আমাদের দেশে সাপ্লাই চেইন ব্যবস্থা অনেক পরিণত। পোশাকের পাশাপাশি অন্য পণ্যগুলোকেও তুলে আনতে পারলে রফতানির ক্ষেত্রে আমাদের লক্ষ্যমাত্রা ১০০ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে।

ইপিবির ভাইস চেয়ারম্যান এ. এইচ. এম আহসান বলেন, মাসব্যাপী এ মেলায় লাখো দর্শনার্থীর পদচারণায় মুখরিত ছিল।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন এফবিসিসিআই সভাপতি মাহবুবুল আলম। অনুষ্ঠান শেষে আমন্ত্রিত অতিথি ও বাণিজ্য মেলায় অংশ নেয়া বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।

উল্লেখ্য, প্রতিবছর ১ জানুয়ারি থেকে বাণিজ্যমেলা শুরু হলেও এবার নির্বাচনের কারণে পিছিয়ে যায় মেলা। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও ইপিবি যৌথভাবে এই মেলার আয়োজন করে। ২০২২ সাল থেকে পূর্বাচলে স্থায়ী কেন্দ্রে বাণিজ্যমেলা আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়। আজ পর্দা নেমেছে মাসব্যাপী ২৮তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার (ডিআইটিএফ)।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন
ডিএসই
আন্তর্জাতিক8 mins ago

তিন গুণ বাড়তে পারে রাশিয়ার এলএনজি রফতানি

ডিএসই
জাতীয়15 mins ago

আর কোনো রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেয়া সম্ভব নয়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ডিএসই
জাতীয়30 mins ago

চালের বাজার ঠিক রাখতে জেলায় জেলায় বৈঠক করতে হয়েছে: খাদ্যমন্ত্রী

ডিএসই
সারাদেশ1 hour ago

নাটোরে বিয়ে করতে এসে ধরা দুই কিশোরী

ডিএসই
অর্থনীতি1 hour ago

বিনিয়োগে প্রযুক্তির সুবিধা নিতে হবে: বিডা চেয়ারম্যান

ডিএসই
আন্তর্জাতিক2 hours ago

অনুমতি ছাড়া হজ করলে কঠোর শাস্তির হুঁশিয়ারি সৌদির

ডিএসই
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার2 hours ago

ঢাবির ‌‘সি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা আগামীকাল

বিশ্ববাজারে তেলের দাম ফের বেড়েছে
আন্তর্জাতিক3 hours ago

বিশ্ব বাজারে আরও কমলো জ্বালানি তেলের দাম

ডিএসই
জাতীয়3 hours ago

ওআইসি সম্মেলনে যোগ দিতে তুরস্কে তথ্য প্রতিমন্ত্রী

ডিএসই
পুঁজিবাজার4 hours ago

সপ্তাহের ব্যবধানে ডিএসইর লেনদেন কমেছে ৫৫ শতাংশ

Advertisement
Advertisement

ফেসবুকে অর্থসংবাদ

২০১৮ সাল থেকে ২০২৩

অর্থসংবাদ আর্কাইভ

তারিখ অনুযায়ী সংবাদ

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯