Connect with us

লাইফস্টাইল

শীতে বন্ধ নাক খোলার ঘরোয়া ৬ উপায়

Published

on

পিপলস লিজিং

শীতকালে জ্বর ও সর্দি-কাশির মতো ঠান্ডাজনিত অনেক রেগের প্রকোপ বাড়ে। এ সময়ে মানুষ সবচেয়ে বেশি অস্বস্তিতে ভোগেন নাক বন্ধের সমস্যা নিয়ে। এটার কারণে কোনো কাজেই মন বসে না। শ্বাস নিতে সমস্যা হয়। ঘুম হয় না। মাথা ধরে থাকে সারাক্ষণ। চিকিৎসকরা বলছেন, প্রতিদিন নাকের ড্রপ ব্যবহার করলে তা অভ্যাসে পরিণত হয়ে যায়। তখন ড্রপ না নিলে ঘুম আসতে চায় না। তার চেয়ে বন্ধ নাক খোলার জন্য ঘরোয়া উপায় প্রয়োগ করা যেতে পারে।

চলুন জেনে নিই কয়েকটি ঘরোয়া উপায়, যেগুলো করলে বন্ধ নাক খোলার ক্ষেত্রে কার্যকর হতে পারে—

জোয়ান
মাঝারি আঁচে ফ্রাইং প্যান গরম করুন। এক মুঠো জোয়ান শুকনো প্যানে ভাজতে থাকুন। জোয়ানোর রং গাঢ় হলে এবং সুগন্ধ বেরোলে নামিয়ে নিন। একটি পরিষ্কার কাপড়ে এই ভাজা জোয়ান বেঁধে নাকের কাছে ধরে রাখুন। ধীরে ধীরে শ্বাস নিন, যাতে এর গরম ভাপটা নাকের ভেতরে পৌঁছায়।

ইউক্যালিপটাস তেল
বন্ধ নাক খুলতে কাজে লাগাতে পারেন ইউক্যালিপটাস অয়েল। একটা বড় পাত্রে জল ফুটিয়ে নিন ভালোভাবে। তারপর গরম পানিতে কয়েক ফোঁটা ইউক্যালিপটাস তেল মিশিয়ে সেই ভাপটা নিন। মাথার ওপর থেকে টাওয়েল ঢাকা দিয়ে গরম পানি থেকে উঠতে থাকা বাষ্প নাক-মুখ দিয়ে টানতে থাকুন। নাক দিয়ে শ্বাস নিন এবং মুখ দিয়ে শ্বাস ছাড়ুন। ভাপ নেওয়ার সময় চোখ অবশ্যই বন্ধ রাখুন।

আদা পুদিনার চা
এক কাপ পানিতে আদা থেঁতো করে দিয়ে ফুটিয়ে নিন মিনিট পাঁচেক। চা ছেঁকে নিয়ে তাতে কয়েকটা তাজা পুদিনা পাতা দিন। ঈষদুষ্ণ অবস্থায় পান করুন। এতে আরাম পাবেন।

রসুন মিশ্রিত পানি
এক কাপ পানিতে ২-৩ কোয়া রসুন আর আধ চামচ হলুদের গুঁড়া দিয়ে ভালো করে ফুটিয়ে নিন। এই পানি ছেঁকে পান করলে নাক পরিষ্কার হয়ে যাবে। সকালে খালি পেটে কাঁচা রসুন চিবিয়ে খেলেও উপকার পাওয়া যাবে।

গোলমরিচ
হাতের তালুতে অল্প একটু গোলমরিচ গুঁড়া এবং সামান্য সরিষার তেল দিন। আঙুলে এই মিশ্রণটি লাগিয়ে নাকের কাছে ধরুন। হাঁচি হবে। সেই সঙ্গে নাক পরিষ্কার হয়ে যাবে। সরিষার তেল নাকে দিয়ে টানলেও বন্ধ নাক খুলে যায় এবং নাক পরিষ্কার হয়।

গরম পানিতে গোসল
নিয়মিত গরম পানিতে গোসল করতে পারেন। গরম পানি দিয়ে গোসল করলে বন্ধ নাক খুলে যায়। এর পাশাপাশি, যতটা সম্ভব গরম পানীয় খেতে পারেন।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

লাইফস্টাইল

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে উপকারী চার ফল

Published

on

পিপলস লিজিং

বিশ্বব্যাপী অনেক মানুষেরই ডায়াবেটিস রয়েছে। পারিবারিক ইতিহাস বা অস্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রা- যে কারণেই হোক না কেন, এটি নিয়ন্ত্রণ করা বেশ চ্যালেঞ্জিং হতে পারে। ডায়াবেটিস কখনো দূর হয় না, তবে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার মাধ্যমে এটি নিয়ন্ত্রণ করা যেতে পারে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলেন, ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে আমাদের খাদ্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। প্রতিদিন আমাদের খাদ্যতালিকায় কোন ধরনের খাবার যোগ করতে হবে বা বাদ দিতে হবে সে বিষয়ে অবশ্যই জানতে হবে। ডায়াবেটিসের জন্য উপকারী ৪টি ফল সম্পর্কে চলুন জেনে নেওয়া যাক-

১. আপেল

প্রতিদিন একটি আপেল যেমন ডায়াবেটিসকে দূরে রাখে তেমনি ডাক্তারকেও দূরে রাখে। এটি ডায়েটারি ফাইবার সমৃদ্ধ, ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য একটি উপযুক্ত ফল। আপেল খেলে তা রক্তে শর্করার মাত্রায় কোনো আকস্মিক স্পাইক সৃষ্টি করে না। তবে প্রতিদিন একটি আপেল খাওয়াই যথেষ্ট, এর বেশি প্রয়োজন নেই।
২. পেয়ারা

আপনার ডায়াবেটিস ডায়েটে পেয়ারা অন্তর্ভুক্ত করতে পারেন। এটি একটি কম গ্লাইসেমিক ইনডেক্স (GI), যার মানে এটি রক্তে শর্করার মাত্রা ধীরে ধীরে বৃদ্ধির দিকে নিয়ে যায়। ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ হেলথ (এনআইএইচ) অনুসারে, খোসা ছাড়া পেয়ারা ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে আরও কার্যকরী।

৩. কমলা

ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য কমলা একটি নিরাপদ ফল। এটি ফাইবার সমৃদ্ধ এবং এতে কম জিআই রয়েছে, যা আপনার ডায়েটে একটি দুর্দান্ত সংযোজন হতে পারে। এগুলো উপভোগ করার সবচেয়ে ভালো উপায় হলো বাড়িতে তাজা জুস তৈরি করে খাওয়া।

৪. কিউই

একটি ফল যা আপনি কোনো চিন্তা ছাড়াই খেতে পারেন তা হলো কিউই। এটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে সমৃদ্ধ এবং এই ফল খেলে গ্লুকোজ ধীরে ধীরে রক্ত ​​প্রবাহে মেশে। আপনি এটি সালাদে যোগ করতে পারেন, স্মুদি তৈরি করে খেতে পারেন বা এটি কাঁচাই খেতে পারেন।

খেয়াল রাখুন

যারা ডায়াবেটিসে আক্রান্ত বা যাদের ক্ষেত্রে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি রয়েছে তারা নিয়মিত এই ফলগুলো খেতে পারেন। তবে ভরা পেটে মানে খাওয়ার পরপরই কোনো ফল খাবেন না। কারণ ফল হজম হতে কম সময় লাগে অপরদিকে প্রোটিন বা কার্বোহাইড্রেট হজমে তার চেয়ে বেশি সময় নেয়। তাই অন্যান্য খাবারের সঙ্গে ফল খেলে তখন হজমে সমস্যা হতে পারে। এতে শরীর পুষ্টি থেকেও বঞ্চিত হয়। তাই মূল খাবারের অন্তত আধা ঘণ্টা আগে বা পরে ফল খাবেন।

কাফি

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

লাইফস্টাইল

বাতের ব্যথা বাড়িয়ে দেয় যেসব খাবার

Published

on

পিপলস লিজিং

বাতের ব্যথার যন্ত্রণা ভুক্তভোগী মাত্রই জানেন। এই সমস্যার কারণে আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল হয়ে যেতে পারে। হাড়ের ভেতরে ব্যথা এবং ফোলাভাব বাড়তে শুরু করে বাতের সমস্যার কারণে। শুরুতেই এই সমস্যার দিকে মনোযোগী না হলে পরবর্তীতে ভুগতে হতে পারে। নিয়মিত যত্ন না নিলে সমস্যা পুরো শরীরে ছড়িয়ে পড়ে।

উদ্ভিজ্জ তেল
যারা বাতের সমস্যায় ভুগছেন তারা খাবার তৈরির ক্ষেত্রে ডায়েটে উদ্ভিজ্জ তেল ব্যবহার করবেন না। এ ধরনের তেলে উচ্চ ওমেগা এবং ফ্যাটি উপাদান থাকায় তা শরীরের পেশীগুলোর প্রদাহকে আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে। তাই বাতের সমস্যা থাকলে এ ধরনের তেল ব্যবহারের ক্ষেত্রে সতর্ক হোন।

কমলা
কমলা একটি উপকারী ফল, সন্দেহ নেই। কিন্তু আপনার যদি বাতের সমস্যা থাকে তাহলে কমলার মতো সাইট্রাস ফল খাওয়া এড়িয়ে চলুন। কারণ এই ফল ভিটামিন সি সমৃদ্ধ, তাই এটি হাড়ের উপরে জমে থাকা ক্যালসিয়ামের স্তরকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। যে কারণে কমলা বা লেবু জাতীয় ফল খেলে বাড়ে বাতের সমস্যা।

বেগুন
বেগুন ভাজা অনেকেরই পছন্দের খাবার। কিন্তু এই বেগুন বাতের রোগীদের জন্য উপকারী নয়। কারণ এতে সোলানাইন নামে একটি যৌগ বেশি থাকে, যা বাতের সমস্যার ক্ষেত্রে ক্ষতিকর। তাই বাতের ব্যথায় ভুগলে বেগুন খাওয়া বাদ দিন। কারণ এমন অবস্থায় বেগুন খেলে হাড় দুর্বল হয়ে পড়ে।

কফি
কফি পান করতে পছন্দ করেন? কিন্তু আপনার যদি বাতের সমস্যা থাকে তাহলে কফি পান করা বাদ দিতে হবে। কারণ এতে থাকে উচ্চ মাত্রার ক্যাফেইন। এটি হাড় দুর্বল করে জয়েন্টের ব্যথা বাড়িয়ে দেয়। তাই যাদের বাতের সমস্যা আছে তারা এ ধরনের পানীয় পান থেকে বিরত থাকুন।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

লাইফস্টাইল

কেউ বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হলে তৎক্ষণাৎ কী করবেন

Published

on

পিপলস লিজিং

প্রত্যেকের বাড়িই নানা ধরনের যন্ত্রে ভর্তি। তার বেশির ভাগই বিদ্যুৎচালিত। এর যে কোনোটি থেকেই আচমকা কেউ কখনও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হতে পারেন। এমন ঘটনা যদি ঘটে, তাহলে কী করবেন, তা আগে থেকে জেনে রাখা দরকার।

• প্রথমেই মনে রাখতে হবে- কেউ বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হলে, সেই অবস্থায় তার গায়ে হাত দেওয়া যাবে না। তাহলে যিনি হাত দেবেন বা আক্রান্তকে বিদ্যুৎ থেকে মুক্ত করতে যাবেন তিনিও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হবেন।

• কেউ বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হলে সঙ্গে সঙ্গে বাড়ির মেইন সুইচ-টি বন্ধ করে দিতে হবে।

• কাঠের বা প্লাস্টিকের লাঠি দিয়ে ধাক্কা দিয়ে আক্রান্তকে বিদ্যুতের উৎস থেকে আলাদা করতে হবে। কোনো ধাতব লাঠি ব্যবহার করা যাবে না।

• যদি লাঠি না থাকে, তাহলে একেবারে শুকনো কাপড় দিয়ে ধরে তাকে বিদ্যুতের উৎস থেকে আলাদা করতে হবে।

• এবার দেখতে হবে আক্রান্ত ব্যক্তির শ্বাস চলাচল স্বাভাবিক কিনা। যদি তা না হয়, যদি শ্বাস বন্ধ হয়ে যায়, তাহলে কৃত্রিমভাবে তার শ্বাস চালু করার চেষ্টা করতে হবে। পরিসংখ্যান বলছে, তিন মিনিটের ভেতরে শ্বাস চালু করা গেলে বেশির ভাগ আক্রান্তই বেঁচে যান।

আক্রান্তের যত্ন নেবেন যেভাবে

• আক্রান্ত মানুষটির শ্বাস স্বাভাবিক থাকলে তাকে চিৎ করে শুইয়ে দিন। কোমর থেকে পা একটু উঁচু জায়গায় রাখুন। এতে শ্বাস নিতে সুবিধা হবে।

• আক্রান্তের গলা শুকিয়ে গেলে অল্প পানি খেতে দিন। গায়ে বা মাথায় পানি লাগতে দেবেন না।

• আক্রান্ত মানুষটি যদি কিছু খেতে পারেন, তাহলে তাকে গরম দুধ বা চা দিন।

মনে রাখবেন, এ সবের পরেও চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। এমন দুর্ঘটনা ঘটলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। আর বিদ্যুতের যে উৎস থেকে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে, কোনো পেশাদারকে ডেকে সেই জায়গাটির মেরামত করিয়ে নিন।

কাফি

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

লাইফস্টাইল

যেসব নিয়ম মানতেই হবে মুখ পরিষ্কারের সময়

Published

on

পিপলস লিজিং

নিয়মিত মুখ পরিষ্কার করা জরুরি। বাইরে বের হলে দূষণ, রোদ, ধুলোবালি আমাদের ত্বকে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। তাই ত্বক পরিষ্কার করার জন্য নিতে হয় বাড়তি যত্ন। সেইসঙ্গে পরিষ্কার পানি দিয়ে মুখ ধোয়ার অভ্যাসও রাখতে হবে। তবে সেই মুখ পরিষ্কারেরও রয়েছে কিছু নিয়ম। সেগুলো মেনে চললে ত্বক ভালো রাখা সহজ হবে।

চলুন তবে জেনে নেওয়া যাক মুখ পরিষ্কারের সময় কোন নিয়মগুলো মেনে চলবেন-

গরম পানি ব্যবহার করবেন না
অনেকে মুখ পরিষ্কার করার জন্য গরম পানি বেছে নেন। এই কাজ কখনোই করবেন না। মুখ পরিষ্কার করার জন্য কখনো গরম পানি ব্যবহার করবেন না। কারণ এতে উপকারের বদলে ক্ষতি হতে পারে বেশি। মুখ পরিষ্কার করার জন্য ঠান্ডা, স্বাভাবিক তাপমাত্রা কিংবা হালকা গরম পানি ব্যবহার করতে পারেন। এগুলোই উপকারী। সেইসঙ্গে মুখ ধোয়ার সময় অবশ্যই আপনার ত্বকের জন্য সঠিক ক্লিনজার বেছে নিতে হবে।

ক্লিনজার ব্যবহার
মুখে ক্লিনজার ব্যবহারেরও রয়েছে কিছু নিয়ম। ক্লিনজার হাতে নিয়েই মুখে মেখে নেবেন না। বরং শুরুতে পানি দিয়ে মুখ ভিজিয়ে নিতে হবে। তারপর সার্কুলার মোশনে অর্থাৎ আঙুলগুলো গোল করে ঘুরিয়ে ক্লিনজারটি মুখের টি-জোন ও জো-লাইন-সহ পুরো মুখে ঘষে নিতে হবে। এভাবে ব্যবহার করলে ত্বকের গভীরে লুকিয়ে থাকা ময়লা সহজেই বের হয়ে আসবে।

কতক্ষণ ব্যবহার করবেন?
মুখ পরিষ্কারের জন্য ক্লিনজার বা ফেসওয়াশ কি অনেক সময় ধরে মুখে মাখতে হয়? নাকি অল্প সময়ই যথেষ্ট। অনেকেই এর সময়ের দৈর্ঘ্য সম্পর্কে জানেন না। খুব বেশিক্ষণ প্রয়োজন নেই, ক্লিনজার বা ফেসওয়াশ মুখে ঘষতে পারেন প্রায় ৩০ সেকেন্ড। এরপর পুরো মুখ পানি দিয়ে ধুয়ে পরিষ্কার করে নিতে হবে। এরপর তোয়ালে দিয়ে মুখ না মুছে বরং হালকা ও পরিষ্কার সুতির কাপড় দিয়ে আলতো হাতে মুখ মুছে নিন।

কাঁচা দুধ দিয়ে মুখ পরিষ্কার
অনেকেই আছেন যাদের ত্বক অনেক বেশি তৈলাক্ত। এ ধরনের ত্বক নিয়ে সমস্যায় পড়তে হয়। এ ধরনের সমস্যায় যারা ভুগছেন তারা নিয়মিত কাঁচা দুধ দিয়ে মুখ পরিষ্কার করে নিতে পারেন। সেজন্য যা করতে হবে তা হলো, একটি পাত্রে কাঁচা দুধ নিয়ে তাতে এক টুকরো তুলা ডুবিয়ে তা দিয়ে মুখ পরিষ্কার করে নেওয়া। এতে আপনার ত্বকের তৈলাক্ত ভাব দূর হবে, বাড়বে উজ্জ্বলতাও।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

লাইফস্টাইল

পাইলসের লক্ষণ ও প্রতিরোধের উপায়

Published

on

পিপলস লিজিং

পাইলস এমন একটি সমস্যা, যা নিয়ে অনেকেই কথা বলতে লজ্জা পান। অথচ এই সমস্যার সঠিক সময়ে রেহাই না হলে পরিস্থিতি গুরুতর হয়। এমনকি অন্যান্য শারীরিক জটিলতাও দেখা দিতে পারে।

পাইলসের আরেক নাম হেমারয়েডস। তবে এই কঠিন রোগ হলে বোঝার উপায় কী, আর কী কী লক্ষণ দেখা যায়? কী করলে এই সমস্যা থেকে রেহাই পাওয়া যায়? এ বিষয়ে জানিয়েছেন ফর্টিস হাসপাতালের গ্যাস্ট্রো সার্জেন চিকিৎসক উদীপ্ত রায়।

পাইলসের লক্ষণ কী কী?
১. এক্সটারনাল অর্থাৎ বাইরের দিকে পাইলস হলে মলদ্বার অংশে প্রদাহ হয়।
২. মলদ্বার কিছু ক্ষেত্রে ফুলে যেতে পারে। ফুলে তা বাইরের দিকে বেরিয়ে আসে।
৩. আর্দ্রভাব থাকার কারণে চুলকানিও হয়।
৪. পাইলস যেমন বাইরে হয়। তেমনই ভেতরেও হতে পারে। একে ইন্টারনাল হেমারয়েড বলে।
৫. এছাড়া পাইলস আকারে বড় হলে মলদ্বারের প্রদাহ হয়।
৬. পাইলসে ব্যথা হয়না। একমাত্র জটিলতা সৃষ্টি হলেই ব্যথা হয়।

পাইলস কেন হয়?
১. দীর্ঘক্ষণ টয়লেটে বসে থাকলে এই সমস্যা হতে পারে।
২. নিয়মিত মলত্যাগের সময় বেশি শক্তি প্রয়োগ করতে হলে পাইলসের সমস্যা ধীরে ধীরে দেখা দেয়।
৩. অনেকের ক্রনিক কোষ্ঠকাঠিন্য বা ডায়রিয়া থাকে। তাদের পাইলসের ঝুঁকি বেশি।
৪. বেশি ওজন যাদের, তাদের এই সমস্যা দেখা যায়।
৫. কম ফাইবারযুক্ত খাবার খাওয়ার অভ্যাস অনেকের। এই অভ্যাস দীর্ঘদিন থাকলে পাইলস হতে পারে।

একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, পাইলসের সমস্যা পুরুষদের থেকে নারীদের মধ্যে বেশি দেখা যায়। তবে নারীদের সমস্যা প্রায়ই প্রকাশ্যে আসে না। হরমোনের ওঠানামা ও গর্ভাবস্থা পাইলসের কারণে দায়ী থাকে। হরমোনের ওঠানামায় বাওয়েল মুভমেন্ট ঠিকমতো হয় না।

কী করলে কমবে?

চিকিৎসক উদীপ্ত রায়ের কথায়, পাইলস মানেই সবসময় অস্ত্রোপচার করতে হয় না। বরং তাছাড়াও রোগটি সারিয়ে ফেলা সম্ভব। দৈনিক অভ্যাসে কিছু বদল আনলেই এই সমস্যা সামাল দেওয়া সম্ভব।

১. বেশি করে ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে।
২. নিয়মিত পানি পান করতে হবে। এতে মলত্যাগের সময় সমস্যা কমে।
৩. পাইলসের সমস্যা কমাতে ব্যায়াম বেশ কার্যকর। তাই রোজ শরীরচর্চা করা জরুরি।
৪. ধূমপান ও মদ্যপান পাইলসের সমস্যাকে বাড়িয়ে দেয়। এই দুই অভ্যাস ত্যাগ করা জরুরি।
৫. পাইলস সারাতে রেগুলার বাওয়েল এর অভ্যাস থাকা জরুরি। অর্থাৎ নিয়মিত পেট পরিষ্কার হওয়া দরকার।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন
এসএসসির কেন্দ্র পরিদর্শনে যাবেন না শিক্ষামন্ত্রী
জাতীয়7 mins ago

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডি ডিগ্রির অনুমতি দেওয়া হবে: শিক্ষামন্ত্রী

পিপলস লিজিং
ব্যাংক20 mins ago

বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন ডেপুটি গভর্নর হাবিবুর রহমান ও খুরশীদ আলম

পিপলস লিজিং
কর্পোরেট সংবাদ29 mins ago

ইসলামী ব্যাংকের এক্সিকিউটিভ ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত

পিপলস লিজিং
পুঁজিবাজার40 mins ago

পিপলস লিজিংয়ের লেনদেন বন্ধের মেয়াদ আরও বাড়লো

পিপলস লিজিং
আন্তর্জাতিক1 hour ago

অস্ত্রসরঞ্জাম উৎপাদনে নাম লেখাল আদানি গ্রুপ

পিপলস লিজিং
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার1 hour ago

চবি’র ভর্তি পরীক্ষা শুরু ২ মার্চ

পিপলস লিজিং
স্বাস্থ্য1 hour ago

করোনায় নতুন শনাক্ত ৪৭ জন

পিপলস লিজিং
আন্তর্জাতিক2 hours ago

বিটকয়েনের বিনিময় হার দুই বছরের সর্বোচ্চে

পিপলস লিজিং
পুঁজিবাজার2 hours ago

দরপতনে লেনদেন কমেছে এসএমই মার্কেটে

পিপলস লিজিং
লাইফস্টাইল2 hours ago

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে উপকারী চার ফল

Advertisement
Advertisement

ফেসবুকে অর্থসংবাদ

২০১৮ সাল থেকে ২০২৩

অর্থসংবাদ আর্কাইভ

তারিখ অনুযায়ী সংবাদ

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯