Connect with us

অর্থনীতি

পুলিশের হয়রানি বন্ধের দাবি বাজুসের

Published

on

লাফার্জ

স্বর্ণালংকার পরিবহনের সময় প্রতিষ্ঠানের চালানের কপি, বহনকারীর জাতীয় পরিচয়পত্র ও বাজুসের পরিচয়পত্র প্রদর্শন করার পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যেন কোনো ধরনের হয়রানি না করে সেজন্য যথাযথ ব্যবস্থা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। একইসঙ্গে বাজুসের পক্ষ থেকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে ছয়টি প্রস্তাবনাও দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৬ জানুয়ারি) দুপুরে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানের সঙ্গে বাজুস প্রতিনিধি দলের বৈঠকে এ দাবি জানানো হয়।

বৈঠক শেষে বাজুসের সাবেক সভাপতি ও বর্তমান কার্যনির্বাহী সদস্য ডা. দিলীপ কুমার রায় বলেন, বাজুসের কিছু সমস্যা নিয়ে আমরা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেছি। মন্ত্রী অতীতেও সুন্দর ভূমিকা রেখেছেন, আগামীতেও তিনি আমাদের সমস্যাগুলো সমাধান করবেন বলে প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছেন।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী স্মার্ট বাংলাদেশের ঘোষণা দিয়েছেন। আমরা স্মার্ট জুয়েলারি ব্যবসায়ী হতে চাই। এ জন্য আমাদের প্রধানমন্ত্রী একটি নতুন নীতিমালা দিয়েছেন। সেই নীতিমালা অনুযায়ী আমরা স্বর্ণ রপ্তানি করতে পারব, আমদানি করতে পারব। এই আমাদানি-রপ্তানির ক্ষেত্রে কিছু আইনগত প্রতিবন্ধকতা আছে। যার কারণে আন্তর্জাতিক বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে আমরা স্বর্ণের মূল্যটা নির্ধারণ করতে পারি না।

ডা. দিলীপ কুমার আরও বলেন, বাজুস যেভাবে কাজ করছে তাতে আগামী দিনে ভ্যাট-ট্যাক্সসহ যে সমস্যাগুলো আছে, সেগুলো আমরা নিরসন করতে পারব। আমাদের মূল সমস্যা ছিল স্বর্ণ পরিবহনের ক্ষেত্রে অনেক জায়গায় পুলিশি হয়রানি হয়, তাঁতীবাজারে আমাদের একটি ছোট, বড়, মাঝারি শিল্প কারখানায় অর্নামেন্টস তৈরি হয়। সেখানে পুরাতন স্বর্ণ নিয়ে নতুন স্বর্ণ তৈরি হয়ে আসে, আসা-যাওয়ার সময় আমাদের কিছুটা হয়রানি হতে হয়। যে বিষয়ে আমরা মতবিনিময় করেছি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রত্যক্ষ নির্দেশনায় জুয়েলারি শিল্পের অনেক সমস্যার তাৎক্ষণিক সমাধান হওয়ার বাজুসের পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। ভবিষ্যতেও বাজুসের যেকোনো সমস্যা সমাধানে তার আন্তরিক সহযোগিতা প্রত্যাশা করছি। বৈঠকে বাজুসের পক্ষ থেকে ছয়টি প্রস্তাবনা দেওয়া হয়। প্রস্তাবনাগুলো হলো, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের চোরাচালান বিরোধী টাস্কফোর্সে বাজুসের প্রতিনিধি অন্তর্ভুক্ত করা, বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ে চোরাচালান বিরোধী কার্যক্রমে বাজুসের বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ের প্রতিনিধি অন্তর্ভুক্ত করা, জেলা আইন শৃঙ্খলা কমিটিতে বাজুসের জেলা শাখার সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে অন্তর্ভুক্ত করা।

এছাড়া সারা দেশে জুয়েলারি দোকানে এ যাবৎকাল অনেক চুরি ডাকাতির ঘটনা সংঘটিত হয়েছে। এসব ঘটনায় বর্তমান আইন অনুযায়ী সাধারণ চুরির মামলা হিসেবে থানা গ্রহণ করে। স্বর্ণ একটি মূল্যবান ধাতু। তাই আইন পরিবর্তন করার জন্য প্রস্তাবনা পেশ করে বাজুস। অতীতে সংঘটিত অপরাধ তদন্তে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধও জানানো হয়। এক স্থান থেকে অন্য স্থানে স্বর্ণ পরিবহনের ক্ষেত্রে জুয়েলারি ব্যবসায়ীরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দ্বারা প্রায়ই হয়রানির শিকার হয়। এ ক্ষেত্রে স্বর্ণালংকার পরিবহনের সময় প্রতিষ্ঠানের চালানের কপি, বহনকারীর জাতীয় পরিচয়পত্র ও বাজুসের পরিচয়পত্র প্রদর্শন করলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যাতে কোনো হয়রানি না করে, তার যথাযথ ব্যবস্থা নিশ্চিত করার দাবিও জানিয়েছে বাজুস।

বৈঠকে বাজুসের সহ-সভাপতি গুলজার আহমেদ, মো. রিপনুল হাসান, মাসুদুর রহমান, মো. জয়নাল আবেদীন, সমিত ঘোষ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান কার্যনির্বাহী সদস্য ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীন, উপদেষ্টা রুহুল আমিন রাসেল, সাবেক কোষাধ্যক্ষ ও বর্তমান কার্যনির্বাহী সদস্য পবিত্র চন্দ্র ঘোষ ও কার্যনির্বাহী সদস্য ইকবাল উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

অর্থনীতি

পাবনায় কমেছে রসুনের দাম

Published

on

লাফার্জ

পাবনায় কমতে শুরু করেছে রসুনের দাম। এর কারণ হিসেবে ব্যবসায়ীরা জানান, নতুন রসুন বাজারে আসায় সরবরাহ বেড়েছে। পাশাপাশি জেলায় মসলাপণ্যটির উৎপাদনও ভালো হয়েছে। অল্প কিছুদিনের ব্যবধানে প্রতি কেজিতে দাম কমে প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে।

জেলার বিভিন্ন বাজারের তথ্য অনুযায়ী, কিছুদিন আগেও প্রতি কেজি রসুনের দাম ছিল ৩০০ টাকা। বর্তমানে দাম কমে ১৫০-২০০ টাকায় নেমেছে। আগামী দিনগুলোয় সরবরাহ বাড়লে দাম আরো কমে আসবে বলে জানান ব্যবসায়ীরা। বাজারে দেশী রসুনের সরবরাহ বাড়ায় আমদানীকৃত রসুনের চাহিদা কমেছে বলেও জানান তারা।

পাবনা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, জেলার নয় উপজেলায় চলতি রবি মৌসুমে সাড়ে নয় হাজার হেক্টর জমিতে রসুন আবাদ হয়েছে। এসব জমি থেকে ৯২ হাজার ১৫০ টন উৎপাদনের প্রত্যাশা রয়েছে। এবার ফলন ভালো হয়েছে।

পাবনা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপপরিচালক (শস্য) কৃষিবিদ রোকনুজ্জামান জানান, উৎপাদন ভালো হওয়ায় রসুনের দাম কমেছে। জমি থেকে রসুন ওঠানো পুরোপুরি শেষ হলে দাম আরো কিছুটা কমার সম্ভাবনা রয়েছে।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

অর্থনীতি

আর্থিক প্রতিষ্ঠানে ১৫ পরিচালকের বেশি নয়

Published

on

দেশে মূল্যস্ফীতি কমাতে নীতি সুদহার বৃদ্ধি

দেশের ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর পরিচালনা পর্ষদে সর্বোচ্চ ১৫ জনকে নিয়োগ দেওয়া যাবে। এর মধ্যে অন্তত ২ জন স্বতন্ত্র পরিচালক রাখতে হবে। তবে এসব পরিচালকের বয়স হবে সর্বনিম্ন ৩০ বছর।

বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও বাজার বিভাগ থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। ১৮ পৃষ্ঠার এই নীতিমালায় পরিচালকদের দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কে বিশদ বিবরণ দেওয়া হয়েছে।

নীতিমালায় বলা হয়, কোনো আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিচালক পদে নিয়োগ পেতে হলে অন্যূন ১০ (দশ) বছরের ব্যবস্থাপনা বা ব্যবসায়িক বা পেশাগত অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। কোনো ব্যক্তির বয়স ১৮ (আঠারো) বছর পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত তার কোনো কাজের অভিজ্ঞতা বিবেচনায় নেওয়া হবে না।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ফৌজদারি অপরাধে দণ্ডিত হতে পারবেন না কিংবা কোনো জাল-জালিয়াতি, আর্থিক অপরাধ বা অন্য অবৈধ কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিলেন না বা জড়িত নন, এমন নিশ্চয়তা থাকতে হবে। তার সম্পর্কে কোনো দেওয়ানি বা ফৌজদারি মামলায় আদালতের রায়ে বিরূপ পর্যবেক্ষণ বা মন্তব্য থাকতে পারবে না। আর্থিক খাতসংশ্লিষ্ট কোনো নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের বিধিমালা, প্রবিধান, নীতিমালা বা নিয়মাচার লঙ্ঘনের কারণে দণ্ডিত হওয়া যাবে না।

আর্থিক প্রতিষ্ঠানের পরিচালক হতে আগ্রহী ব্যক্তি এমন কোনো কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না, যার নিবন্ধন বা লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে বা প্রতিষ্ঠানটি অবসায়িত হয়েছে। তার নিজের কিংবা স্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নামে কোনো ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে নেওয়া ঋণের জন্য খেলাপি নন।

পরিচালক হতে গেলে অন্য কোনো ব্যাংক-কোম্পানি, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বিমা কোম্পানি বা তেমন কোম্পানিগুলোর কোনো সাবসিডিয়ারি কোম্পানির পরিচালক বা উপদেষ্টা বা পরামর্শক বা অন্যকোনোভাবে লাভজনক পদে নিয়োজিত থাকা যাবে না। এ ছাড়া তিনি একই কোম্পানির বহিঃহিসাব নিরীক্ষক, আইন উপদেষ্টা, উপদেষ্টা, পরামর্শক বা অন্যকোনো লাভজনক পদে থাকতে পারবেন না।

পরিচালকের যোগ্যতা সম্পর্কে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতিমালায় আরও বলা হয়েছে, তিনি কোনো সময়ে আদালত কর্তৃক দেউলিয়া ঘোষিত হননি। তিনি ব্যক্তিগতভাবে অথবা তার ব্যক্তিমালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান বা অংশীদারী প্রতিষ্ঠানের জন্য কর খেলাপি হতে পারবেন না।

এ ছাড়া আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কোনো পদে চাকরিরত থাকলে চাকরি অবসায়নের পাঁচ বছর অতিক্রম না হলে সেই ব্যক্তি কোম্পানির পরিচালক হতে পারবেন না। কোনো কোম্পানি কর্তৃক বা ফাইন্যান্স কোম্পানি আইন, ২০২৩-এর আওতায় প্রতিষ্ঠিত কোনো আর্থিক প্রতিষ্ঠান কর্তৃক ইচ্ছাকৃত খেলাপি ঋণগ্রহীতা হিসেবে তালিকাভুক্ত হলে সেই তালিকা থেকে অব্যাহতি পাওয়ার পর পাঁচ বছর না পেরোলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি পরিচালক হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করবেন না।

স্বতন্ত্র পরিচালকদের সম্পর্কে বলা হয়েছে, স্বতন্ত্র পরিচালক হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার ক্ষেত্রে এসব শর্ত ছাড়াও স্বতন্ত্র পরিচালক নিয়োগসংক্রান্ত নীতিমালা পরিপালিত হবে বলে পরিপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।

অর্থসংবাদ/এমআই

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

অর্থনীতি

মার্চে জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয় করা হবে: নসরুল হামিদ

Published

on

লাফার্জ

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেছেন, মার্চ থেকে জ্বালানি তেলের মূল্য সমন্বয় করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। প্রতি মাসেই আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে দাম সমন্বয় করা হবে। বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এসব কথা জানান তিনি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন কয়লা, তেল ও গ্যাসসহ জ্বালানি আমরা যে দামে কিনতাম, সেখানে একটা ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে। গত বছরে মারাত্মকভাবে এই পরিবর্তন এসেছে। যে কারণে ডলারের সঙ্গে জ্বালানির দাম সমন্বয় করার চিন্তাভাবনা করছিলাম। জ্বালানির বিষয়ে একটি ডায়নামিক প্রাইসের দিকে যাচ্ছি। এই কার্যক্রম ১ মার্চ থেকে শুরু হবে। কাল-পরশুর মধ্যে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।

তিনি বলেন, আমরা বিদ্যুতে জ্বালানির দাম সমন্বয় করেছি। বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো যে দামে গ্যাস নিত, সেখানে আমরা ৭০ পয়সার মতো সমন্বয় করেছি। তেলের দামও ডায়নামিক প্রাইসে নির্ধারণ করা হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ডায়নামিক প্রাইস বলতে, বিশ্বে যদি জ্বালানির দাম বাড়ে, তাহলে আমাদের দেশেও সেটি সঙ্গে সঙ্গে সমন্বয় করে বাড়বে। বিশ্বে যদি কমে, আমাদের দেশেও কমবে। এটি প্রতি মাসের প্রথম সপ্তাহে করা হবে। আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ এটি প্রতিদিন করে। যেমন : কলকাতার কথা যদি বলি, সেখানে এক লিটার ডিজেলের দাম ১৩৩ টাকা। আমাদের দেশে ডিজেলের দাম ১০৯ টাকা।

অর্থসংবাদ/এমআই

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

অর্থনীতি

এলপি গ্যাসের নতুন দাম নির্ধারণ ৩ মার্চ

Published

on

লাফার্জ

মার্চ মাসের জন্য তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) নতুন দাম ঘোষণা করা হবে। রোববার (৩ মার্চ) বিকেলে এ নতুন দাম ঘোষণা করা হবে।

বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) সচিব ব্যারিস্টার মো. খলিলুর রহমান খান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানা যায়।

তিনি বলেন, চলতি বছরের মার্চ মাসের জন্য ভোক্তাপর্যায়ে বেসরকারি এলপিজির মূল্য রোববার (৩ মার্চ) বিকেল ৩টায় বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন নতুন দাম ঘোষণা করা হবে।

বিইআরসির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সৌদি আরামকো কর্তৃক ঘোষিত মার্চ ২০২৪ মাসের সৌদি কন্টাক্ট্র প্রাই অনুযায়ী ভোক্তাপর্যায়ে বেসরকারি এলপিজির মূল্য নির্ধারণ করা হবে। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরী কমিশনের আদেশে ৩ মার্চ ২০২৪ তারিখ রোববার দুপুর আড়াই ঘটিকায় কারওয়ান বাজারস্থ কমিশন কার্যালয়ের শুনানি কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিং এর মাধ্যমে ঘোষণা করবে।

একইসঙ্গে, মার্চ ২০২৪ মাসের ভোক্তাপর্যায়ে বেসরকারি এলপিজির মূল্যহার সংক্রান্ত আদেশ কমিশনের ওয়েবসাইট www.berc.org.bd এ আপলোড করা হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

এর আগে, গত ৪ ফেব্রুয়ারি ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৪৩৩ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ হাজার ৪৭৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়।

তারও আগে, ২ জানুয়ারি টানা ৬ষ্ঠ মাসের মতো ভোক্তা পর্যায়ে বাড়ানো হয় এলপিজির দাম। ডিসেম্বরের তুলনায় জানুয়ারি মাসে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ২৯ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৪৩৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়। একইসঙ্গে অটোগ্যাসের দামও বাড়ায় বিইআরসি। জানুয়ারি মাসে ভোক্তা পর্যায়ে অটোগ্যাসের মূসকসহ দাম প্রতি লিটার নির্ধারণ করা হয় ৬৫ টাকা ৬৭ পয়সা।

২০২৩ সালে ৫ দফা কমেছিল এলপিজি ও অটোগ্যাসের দাম, আর বেড়েছে ৭ দফা। গত বছরের জানুয়ারি, মার্চ, এপ্রিল, জুন ও জুলাই মাসে কমেছিল এলপিজির ও অটোগ্যাসের দাম। আর দাম বেড়েছিল ফেব্রুয়ারি, মে, আগস্ট, সেপ্টেম্বর, অক্টোবর, নভেম্বর ও ডিসেম্বর মাসে।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

অর্থনীতি

বাড়তি দামে ডলার বেচায় দুই মানি চেঞ্জার বন্ধের নির্দেশ

Published

on

প্রবাসী আয়

বে‌শি দামে ডলার বিক্রিসহ নানা অনিয়মের অপরাধে রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের দুই মানি চেঞ্জারের সব ধরনের কার্যক্রম বন্ধ করতে নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। মানি চেঞ্জার দুটি হল, এভিয়া মানি চেঞ্জার এবং ইম্পেরিয়াল মানি এক্সচেঞ্জ।

আগামী ৯ মার্চের আগে মানি চেঞ্জার দু‌টি বিমানবন্দর থেকে তাদের কার্যক্রম প্রত্যাহার না করলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক তাদের লাইসেন্স বাতিল করবে বলে জা‌নিয়ে দিয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. মেজবাউল হক এসব তথ্য নি‌শ্চিত করেছেন।

এর আগে কেন্দ্রীয় ব্যাংক প‌রিদর্শন করে ঢাকার বিমানবন্দরের দুই মানি চেঞ্জারের অনিয়ম খুঁজে পায়। প্রতিষ্ঠান দু‌টি বে‌শি দামে গ্রাহকদের কাছে ডলার বিক্রি করেছে। তাদের ডলার ক্রয় ও বিক্রয়ের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের স্বচ্ছতা ছিল না। ডলার কেনার সময় গ্রাহকদের ভুয়া রসিদ দিচ্ছিল তারা।

দীর্ঘদিন ধরে দেশে চলছে ডলার সংকট। ব্যাংক ও মানি চেঞ্জারগু‌লোর অনিয়ম ডলার সংকটের অন্যতম কারণ বলছেন খাত সং‌শ্লিষ্টরা। এমন পরিস্থিতিতে গত দুই বছরে ডলার নিয়ে অ‌নিয়মের অ‌ভিযোগে বেশ কিছু মানি চেঞ্জারের লাইসেন্স স্থগিত ও অনেক ব্যাংককে জরিমানা করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

এদিকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর ২০২২ সালের মার্চ থেকে দেশে ডলার-সংকট প্রকট আকার ধারণ করে। এ সংকট মোকাবিলায় শুরুতে ডলারের দাম বেঁধে দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। কিন্তু এতে সংকট আরও বেড়ে যায়। পরে ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশ ব্যাংক ডলারের দাম নির্ধারণের দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ায়। এ দায়িত্ব দেওয়া হয় এবিবি ও বাফেদার ওপর। এর পর থেকে এই দুই সংগঠন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরোক্ষ নির্দেশনায় রপ্তানি ও প্রবাসী আয় এবং আমদানি দায় পরিশোধের ক্ষেত্রে ডলারের দাম নির্ধারণ করে আসছে।

সবশেষ ব্যাংকগুলোর ঘোষণা অনুযায়ী, আমদানি দায় পরিশোধে ডলারের দাম ১১০ টাকা ৫০ পয়সা। আর প্রবাসী ও রপ্তানি আয় কেনার ডলার দাম ১১০ টাকা।

আন্তঃব্যাংকে ডলার লেনদেন হয়েছে ১১০ টাকায়। ব্যাংকগু‌লো নগদ ডলার বি‌ক্রি করছে ১১৫ থেকে ১১৬ টাকা। তবে কার্ব মার্কেট বা খোলা বাজারে নগদ এক ডলার কিনতে গ্রাহকদের গুণতে হচ্ছে ১২৪ টাকা। চিকিৎসা, শিক্ষা বা ভ্রমণের জন্য যারা বিদেশে যাচ্ছেন তাদের নগদ প্রতি ডলার কিনতে খরচ করতে হচ্ছে ১২৪ টাকা পর্যন্ত।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন
লাফার্জ
অর্থনীতি2 hours ago

পাবনায় কমেছে রসুনের দাম

সৌরবিদ্যুৎ
আন্তর্জাতিক2 hours ago

সৌরবিদ্যুৎ প্যানেল বসাতে লাখ টাকা প্রণোদনা দিবে ভারত

লাফার্জ
শিল্প-বাণিজ্য2 hours ago

স্থলবন্দর ও শুল্ক স্টেশনের চার্জ সহনীয় করার দাবি ব্যবসায়ীদের

লাফার্জ
টেলিকম ও প্রযুক্তি3 hours ago

রক্ষণাবেক্ষণের কাজ স্থগিত, স্বাভাবিক থাকবে ইন্টারনেট পরিষেবা

দেশে মূল্যস্ফীতি কমাতে নীতি সুদহার বৃদ্ধি
অর্থনীতি3 hours ago

আর্থিক প্রতিষ্ঠানে ১৫ পরিচালকের বেশি নয়

লাফার্জ
রাজধানী3 hours ago

বেইলি রোডের কাচ্চি ভাই রেস্তোরাঁর ভবনে আগুন

লাফার্জ
কর্পোরেট সংবাদ3 hours ago

ব্র্যাক ব্যাংক ও জেপি মরগান চেজ ব্যাংকের মধ্যে চুক্তি

লাফার্জ
আবহাওয়া3 hours ago

আগামী সপ্তাহে বৃষ্টিপাতের আভাস দিলো আবহাওয়া অফিস

লাফার্জ
জাতীয়4 hours ago

মন্ত্রিসভায় শিগগিরই আসতে পারে নতুন মুখ

লাফার্জ
জাতীয়4 hours ago

রাষ্ট্রপতি পুলিশ পদক পেলেন হামিদা পারভীন

Advertisement
Advertisement

ফেসবুকে অর্থসংবাদ

২০১৮ সাল থেকে ২০২৩

অর্থসংবাদ আর্কাইভ

তারিখ অনুযায়ী সংবাদ

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১