Connect with us

অর্থনীতি

২০২৬ সালে ই-কর্মাসের বাজার হবে দেড় লাখ কোটি টাকার

Published

on

পুঁজিবাজার

আগামী ২০২৬ সালে বাংলাদেশে ই-কর্মাসের বাজার ১ লাখ ৫০ হাজার কোটি টাকার হবে বলে ধারণা করছে ই-কর্মাস খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সংগঠন বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশন। সংগঠনটির পক্ষ থেকে বলা হয়, বর্তমানে দেশে ই-কর্মাসের বাজার ৩০০ কোটি মার্কিন ডলার। দেশীয় টাকায় প্রায় ২৫ হাজার কোটি টাকা।

মঙ্গলবার (১৬ জানুয়ারি) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য তুলে ধরেন সংগঠনটির বাজার বিশ্লেষক কাজী আব্দুল হান্নান। ই-কর্মাস ও ই-সেবা খাতে ভোক্তার অধিকার-আমাদের করণীয় শীর্ষক সভায় আয়োজন করে বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশন।

সংগঠনটির পক্ষ থেকে বলা হয়, বর্তমানে বাংলাদেশে ৩২টি ই-কর্মাস প্রতিষ্ঠানের কাছে গ্রাহকের পাওনা ৫৩১ কোটি টাকা। তারমধ্যে ১৮টি প্রতিষ্ঠান গ্রাহকের টাকা ফেরত দেয়নি। গ্রাহকরা টাকা ফেরত পেয়েছে ৩৮৭ কোটি টাকা। আর ১৪৪ কোটি টাকা ফেরতের আসায় ধারে-ধারে ঘুরছে ভুক্তভোগী গ্রাহকরা। গ্রাহকের অর্থ কেলেঙ্কারিতে ইভ্যালির নাম আলোচনা থাকলেও আর অনেক প্রতিষ্ঠান টাকা মেরে দিয়েছে।

বাংলাদেশে ই-কর্মাস নিয়ে আইন তৈরি তো দূরে থাক তার স্পষ্ট কোনো সংজ্ঞাও নেই বলে উল্লেখ করে বক্তরা বলেন, যার ফলে প্রতিষ্ঠানগুলো গ্রাহকদের টাকা মেরে দিচ্ছে। আইন না থাকায় প্রতারকদের যথাযথ শান্তির আওতায় আনা যাচ্ছে না।

বাংলাদেশে ৫০ হাজারের বেশি ফেসবুক পেজ থেকে ই-কর্মাস ব্যবসা পরিচালিত হয়, অর্থাৎ পণ্য বিক্রি হয় বলে উল্লেখ করে বক্তরা আরও বলেন, এসব পেজে প্রতিদিন একটি অর্ডার পেলেও তা ৫০ হাজার ছাড়ায়। বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান রির্চাস অ্যান্ড মার্কেট ডট কমের মতো ২০২৬ সালের দেশে ই-কর্মাসের বাজার হবে ১ লাখ ৫০ হাজার কোটি টাকা। এটি আরও বাড়তে পারে। কারণ দেশের মাত্র ১.৩ শতাংশ ই-কর্মাস থেকে পণ্য ক্রয় করেন। অথচ দেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারী সংখ্যা ১৩ কোটি।

দেশের বিপুল জনগোষ্ঠীকে অনলাইনে কেনাকাটা অভ্যস্ত করতে পারলে এবং ভোক্তার স্বার্থ রক্ষা করা গেলে ভবিষ্যৎতে ই-কর্মাস বড় বাণিজ্যক খাত হবে বলেও উল্লেখ করা হয় অনুষ্ঠানে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর মহাপরিচালক এ এইচ এম সফিকুজ্জামান, বাংলাদেশে প্রতিযোগিতা কমিশনের পরিচালক গাজী গোলাম তৌসিফ, ই-ক্যাবের সেক্রেটারি আব্দুল ওয়াহেদ তামাল, ইভ্যালির সিইও মো. রাসেল ও আয়োজক সংগঠনের সভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদ।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

অর্থনীতি

হিলিতে পাঁচ বছরে ৮৫ লাখ টন পণ্য আমদানি

Published

on

পুঁজিবাজার

গত পাঁচ বছরে হিলি স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানির পরিমাণ ৮৫ লাখ ৯০ হাজার ৪০০ মেট্রিক টন। এর মধ্যে আমদানির পরিমাণ ৮৪ লাখ ৮১ হাজার মেট্রিক টন এবং রপ্তানির পরিমাণ ১ লাখ ৯ হাজার ৪০০ মেট্রিক টন।

হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে ডুপ্লেক্স বোর্ড, নিউজপ্রিন্ট, পেপার বোর্ড, পেপার, সুতা, গুঁড়া দুধ ও জুসসহ বিভিন্ন পণ্য আমদানি করা হয়।

এছাড়া এ স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশের বিভিন্ন পণ্য ভারতে রপ্তানি করা হয়। গত পাঁচ বছরে হিলি স্থলবন্দর থেকে আয় হয়েছে ৩৯ কোটি টাকা।

উল্লেখ্য, হিলি স্থলবন্দর দিনাজপুর জেলার হাকিমপুর উপেজলার বাংলা হিলি সীমান্তে অবস্থিত। এ স্থলবন্দরের পাশে রয়েছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা। ২০০২ সালে হিলি শুল্ক স্টেশনকে স্থলবন্দর ঘোষণা করা হয়।

অর্থসংবাদ/এমআই

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

অর্থনীতি

জার্মানির মৎস্য মেলায় বাংলাদেশের ৩ প্রতিষ্ঠান

Published

on

পুঁজিবাজার

জার্মানির ব্রেমেনে অনুষ্ঠিত মৎস্যশিল্পের আন্তর্জাতিক বাজার, বিপণন ও সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের আন্তর্জাতিক মিলনমেলা ‘ফিশ ইন্টারন্যাশনাল ফেয়ার ব্রেমেন ২০২৪’ এ অংশ নিয়েছে বাংলাদেশের ৩ প্রতিষ্ঠান। গতকাল রোববার বাংলাদেশের প্যাভিলিয়ন উদ্বোধন হওয়া এই মেলা আগামীকাল মঙ্গলবার পর্যন্ত এ মেলা চলবে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ দূতাবাসের মিনিস্টার (কমার্শিয়াল) মো. সাইফুল ইসলাম।

বাংলাদেশ প্যাভিলিয়নের উদ্বোধন করেন জার্মানিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া। এ সময় তিনি বলেন, ‘ফিশ ইন্টারন্যাশনালে বাংলাদেশের উপস্থিতি বৈশ্বিক সমুদ্রে আমাদের পদচিহ্ন প্রসারিত করার প্রতিশ্রুতিকে নির্দেশ করে। শিল্প, আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের কাছে আমাদের উচ্চমানের পণ্য প্রদর্শন করছে।’

সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, জার্মানির ব্রেমেনে আয়োজিত আন্তর্জাতিক মৎস্য মেলায় বিশ্বের ২৭টি দেশের ৩২০ জন প্রদর্শক অংশ নেয়। ১০ হাজার ৩০০ বর্গ মিটার প্রদর্শনী স্থান নিয়ে মেলাটি আবারও বিশ্বব্যাপী এ শিল্পের পেশাদারদের জন্য প্রধান মিটিং পয়েন্ট হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে। আগামীকাল মঙ্গলবার পর্যন্ত এ মেলা চলবে। বিশ্বব্যাপী মৎস্য শিল্পের নেটওয়ার্কিং এবং সহযোগিতার ক্ষেত্রে এটি একটি অতুলনীয় সুযোগে পরিণত হয়েছে।

বাংলাদেশ দূতাবাসের মিনিস্টার মো. সাইফুল ইসলাম বাংলাদেশের মেলায় অংশগ্রহণের বিষয়টি সমন্বয় করছেন। তিনি জানান, মেলায় বাংলাদেশের তিনটি কোম্পানিকে অংশগ্রহণ করেছে। কোম্পানিগুলো হলো—ডিপ সি ফিশার্স লি, এম. ইউ. সী ফুডস লিমিটেড এবং ক্যাটেলিয়া এ সীফুড টেল। বার্লিনে বাংলাদেশ দূতাবাসের তত্ত্বাবধানে এই কোম্পানিগুলো বিশ্ব সামুদ্রিক মাছের বাজারে দেশের ক্রমবর্ধমান উপস্থিতি তুলে ধরতে প্রস্তুত।

সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘ফিশ ইন্টারন্যাশনালে আমাদের উপস্থিতি বিশ্ব সামুদ্রিক খাবারের বাজারে বাংলাদেশের সম্ভাবনার ইঙ্গিত দেয়, এই ধরনের অংশগ্রহণ ব্যবসায়িক যোগাযোগ এবং বাণিজ্যের সুযোগ বৃদ্ধি করে।’

ডিপ সি ফিশার্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এনাম চৌধুরী বলেন, ‘আমাদের ১ দশমিক ৭ লাখ বর্গকিলোমিটার সমুদ্রসীমা রয়েছে। যার মাধ্যমে আমরা ৪৬০ নটিক্যাল মাইল এলাকায় সামুদ্রিক মাছ সংগ্রহ করতে পারি। এই সুযোগ সঠিকভাবে কাজে লাগাতে পারলে, আগামী পাঁচ বছরে সামুদ্রিক খাবার রপ্তানি করে ৫ বিলিয়ন ডলার আয় করা সম্ভব।’

উল্লেখ্য ২০২২ সালে এই মেলায় বাংলাদেশ প্রথম অংশগ্রহণ করে। সেবার মৎস্য অধিদপ্তর, সলিডারিডাড নেটওয়ার্ক এশিয়া এবং বার্লিনে বাংলাদেশ দূতাবাসের সহযোগিতায় এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। পূর্ববর্তী অংশগ্রহণের সাফল্য, এই বছর এই তিনটি কোম্পানিকে ফিশ ইন্টারন্যাশনাল ২০২৪ এ বাংলাদেশের অংশগ্রহণকে মেলায় অব্যাহত রাখতে প্রভাবিত করে।

অর্থসংবাদ/এমআই

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

অর্থনীতি

ভারত থেকে ২৮৫ টন শজনে ডাটা আমদানি

Published

on

পুঁজিবাজার

দেশের অনিয়ন্ত্রিত সবজির বাজারে ভারত থেকে গ্রীষ্মকালীন সবজি আমদানি বৃদ্ধি পেয়েছে। গত ১৩ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলার হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ২৭ ট্রাকে শজনে ডাটা এসেছে ২৮৫ টন। যা থেকে রাজস্ব আহরণ হয়েছে ৫২ লাখ টাকা।

হিলি স্থলবন্দর আমদানি-রপ্তানিকারক গ্রুপের সভাপতি হারুন উর রশীদ হারুন এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, দেশীয় শজনে ডাটা এখনো বাজারে আসেনি। ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন বাজারে শজনে ডাটার চাহিদা থাকায় ভারত থেকে আমদানি করা হচ্ছে।

আমদানি করা এ সবজিটি বগুড়া, ঢাকা, কুমিল্লা, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ হচ্ছে। আসন্ন পবিত্র রমজান মাসে এর চাহিদা আরও বাড়বে বলে জানিয়েছেন আমদানিকারকেরা। প্রতি মেট্রিকটন আমদানিতে ১৫০ মার্কিন ডলার এবং কেজিতে ২০ টাকা হারে শুল্ক পরিশোধ করতে হচ্ছে। বন্দরের পাইকারি পর্যায়ে বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ৯০ টাকায়।

পাইকার আব্দুল মমিন বলেন, ভারত থেকে আমদানি হওয়া শজনে ডাটার মান ভালো হওয়ায় এর চাহিদা বাড়ছে। আমি বন্দর থেকে ৮০ থেকে ৯০ টাকা কেজি দরে কিনে ১০০ থেকে ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করে থাকি।

অর্থসংবাদ/এমআই

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

অর্থনীতি

আলুর দাম কমলেও ঝাঁজ কমেনি পেঁয়াজ, আদা ও রসুনের

Published

on

পুঁজিবাজার

শীত শেষ হলেও রাজধানীর বাজারগুলোতে বেশি দরে বিক্রি হচ্ছে শীতকালীন সবজি। আগাম গ্রীষ্মকালীন সবজি পাওয়া গেলেও দাম আকাশচুম্বী। তবে দাম কমেছে আলুর। কেজিতে ৫ টাকা কমে ২৬ থেকে ৩০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

আলুর দাম কমলেও ঝাঁজ কমেনি পেঁয়াজ, আদা ও রসুনের।

আজ সোমবার রাজধানীর শ্যামবাজার, সূত্রাপুর, রায়সাহেব বাজার, ধূপখোলা মাঠ বাজার ঘুরে ক্রেতা ও বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে এ তথ্য জানা গেছে।

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, পবিত্র শবে বরাতের ছুটির জন্য বাজারগুলোয় ক্রেতাদের উপস্থিতি কম দেখা গেছে। ক্রেতা কম থাকলেও কমেনি কোনো সবজির দাম৷ বরং শীতকালীন প্রতিটি সবজির দাম কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা বেড়েছে। এছাড়া গ্রীষ্মকালীন সবজিগুলো ১০০ টাকার নিচে কিনতে পারছেন না ভোক্তারা।

বাজারগুলোতে প্রতি কেজি মুলা বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকা, শিম ৫০ থেকে ৮০ টাকা, ফুলকপি-বাঁধাকপি প্রতিটি ৪০ থেকে ৫০ টাকা, ব্রকলি ৫০ টাকা, পাকা টমেটো প্রকারভেদে ৪০ টাকা, লাউ ৬০ থেকে ১০০ টাকা, বেগুন ৮০ থেকে ১০০ টাকা, করলা ১৪০ টাকা, ঢেঁড়স ১২০ টাকা, বরবটি ১৪০ টাকায়, কাঁচা টমেটো ৩০ টাকা, পেঁপে প্রতি কেজি ৫০ টাকা, খিরাই ৬০ থেকে ৮০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া কেজি ৪০ থেকে ৫০ টাকা, ধনে পাতা কেজি ১০০ থেকে ১২০ টাকা, পেঁয়াজের কলি ৫০ টাকা এবং গাজর ৩০ থেকে ৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়া গ্রীষ্মকালীন সবজির মধ্যে কচুরমুখী ১০০ টাকা, শসা ১০০ টাকা, ধুন্দুল ১০০ টাকা, জালি কুমড়া ৬০ টাকা, চিচিঙ্গা ৮০ টাকা, ঝিঙা ১০০ টাকা, পটল ১৪০ টাকা এবং সজনে ডাটা ২৪০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। লেবুর হালি ৪০ থেকে ৫০ টাকা, কলা হালি বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায়, কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১২০ টাকা কেজি দরে।

এছাড়া বাজারগুলোয় লাল শাক ১৫ টাকা আঁটি, লাউ শাক ৪০ টাকা, মুলা শাক ১৫ টাকা, পালং শাক ১০ থেকে ১৫ টাকা, কলমি শাক ১০ টাকা আঁটি দরে বিক্রি করতে দেখা গেছে।

এদিকে পেঁয়াজের মৌসুম শুরু হয়েছে। তারপরও সংকট দেখিয়ে বাজারে দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১৩০ টাকা কেজি। আর আমদানি করা ইন্ডিয়ান পেঁয়াজ ৯০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া প্রতিকেজি চায়না আদা ১৮০ টাকা ও ইন্ডিয়ান আদা ২০০ টাকা কেজি। প্রতিকেজি চায়না রসুন ১৮০ টাকা ও দেশি রসুন ১৪০ টাকা দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে।

কাফি

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

অর্থনীতি

রোজার আগেই আসছে ৫০ হাজার টন ভারতীয় পেঁয়াজ

Published

on

পুঁজিবাজার

পবিত্র রমজান মাসকে কেন্দ্র করে প্রতিবছরের মতো এবারও দেশের বাজারে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে পেঁয়াজ। এ সময় পেঁয়াজের চাহিদা অন্য যে কোনো সময়ের তুলনায় অনেক বেশি। ফলে আসন্ন রমজানে পেঁয়াজের দাম আরও বাড়ার আশঙ্কা করছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা। এ অবস্থায় বাজারে সরবরাহ ও দাম স্বাভাবিক রাখতে রোজার আগেই ভারত থেকে ৫০ হাজার টন পেঁয়াজ আমদানি করতে চায় সরকার।

রবিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্র জানায়, চলতি সপ্তাহেই ৫০ হাজার টন পেঁয়াজ আমদানি-রপ্তানি সংক্রান্ত অফিসিয়াল কাগজ পাওয়া যেতে পারে। অফিসিয়াল কাগজ পাওয়ার ৩ দিনের মধ্যে ভারত থেকে বাংলাদেশে পেঁয়াজ আনতে চায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। সেই হিসেবে মার্চের প্রথম সপ্তাহেই দেশের বাজারে মিলবে ভারতীয় পেঁয়াজ।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, ভারতের পেঁয়াজ পাওয়া নিয়ে আমাদের মধ্যে কোনো প্রকার সন্দেহ নেই। আমরা সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছি। রোজার আগেই ভারত থেকে পেঁয়াজ আসবে। আশা করছি সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে মার্চের প্রথম সপ্তাহেই ভারত থেকে পেঁয়াজ চলে আসবে।

এ বিষয়ে বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু গণমাধ্যমকে বলেন, ভারতের পেঁয়াজ বাংলাদেশে আসবে শতভাগ নিশ্চিত। দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে ডকুমেন্টেশন শেষ হয়ে যাবে। রোজার আগেই ইনশাআল্লাহ আমরা ভারত থেকে পেঁয়াজ আনতে পারব।

এর আগে, গত বছরের ডিসেম্বরে ভারত অভ্যন্তরীণ সরবরাহ বাড়াতে এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে পেঁয়াজ রপ্তানির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে। ভারতের এই নিষেধাজ্ঞার পর বাংলাদেশের বাজারে হু হু করে বাড়ে পেঁয়াজের দাম। পরে বাংলাদেশের বাণিজ্যমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু ভারতের বাণিজ্যমন্ত্রীকে এক লাখ টন চিনি ও ৫০ হাজার টন পেঁয়াজ সরবরাহের পদক্ষেপ নিতে অনুরোধ জানান।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন
পুঁজিবাজার
ধর্ম ও জীবন6 hours ago

এক বৈঠকে পুরো কোরআন মুখস্ত শোনালো রাহাতুল ইসলাম

পুঁজিবাজার
সারাদেশ6 hours ago

সুন্দরবনে পথ হারানো ৩১ পর্যটককে উদ্ধার

বিআইসিএমে চাকরির সুযোগ, বেতন প্রায় দুই লাখ
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার6 hours ago

ইউনিয়ন পরিষদ সচিব পদে চাকরির সুযোগ

গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার সূচিতে ফের পরিবর্তন
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার6 hours ago

আগামীকাল শেষ হচ্ছে গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার আবেদন

পুঁজিবাজার
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার6 hours ago

জনবল নিয়োগ দেবে মেঘনা গ্রুপ

পুঁজিবাজার
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার6 hours ago

ভিকারুননিসার গণিত শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত

পুঁজিবাজার
জাতীয়7 hours ago

বাংলাদেশকে সমৃদ্ধ ও নিরাপদে রাখতে পুলিশ সচেষ্ট থাকবে: রাষ্ট্রপতি

পুঁজিবাজার
অর্থনীতি7 hours ago

হিলিতে পাঁচ বছরে ৮৫ লাখ টন পণ্য আমদানি

পুঁজিবাজার
জাতীয়7 hours ago

সুগন্ধা সৈকতের নাম ‘বঙ্গবন্ধু বিচ’ করার প্রস্তাব বাতিল

পুঁজিবাজার
খেলাধুলা7 hours ago

ফের সাকিব-তামিম মহারণ, ফাইনালে কুমিল্লা

Advertisement
Advertisement

ফেসবুকে অর্থসংবাদ

২০১৮ সাল থেকে ২০২৩

অর্থসংবাদ আর্কাইভ

তারিখ অনুযায়ী সংবাদ

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯