Connect with us

লাইফস্টাইল

শীতে খুশকির সমস্যা সমাধান করার ৭ উপায়

Published

on

খুশকি দূর করার সহজ উপায়

শীতকাল মানেই শুষ্ক ত্বকের সমস্যা। বাতাসে আর্দ্রতার অভাবে এই ঋতুতে শুধু হাত-পায়ের ত্বকই নয়, মাথার স্ক্যাল্পও (ত্বক) শুষ্ক হয়ে যায়। অতিরিক্ত শুষ্ক স্ক্যাল্পে ফাঙ্গাস দ্রুত বংশ বিস্তার করার ফলেই খুশকির সমস্যায় নাজেহাল হতে হয়। যার ফলে চুলকানি, চুল পড়া আরও বেড়ে যায়।

শুষ্ক মাথার ত্বকের সমাধান রয়েছে আপনার হাতের মুঠোয়। আমাদের ঘরেই এমন অনেক জিনিস রয়েছে, যেগুলো স্ক্যাল্পের শুষ্কভাব কমায় নিমেষেই।

ভারতীয় লাইফস্টাইল বিষয়ক সংবাদমাধ্যম বোল্ড স্কাইয়ের প্রতিবেদনে ঘরোয়া উপায়েই এ সমস্যার সমাধানের উপায় বলা হয়েছে-

টি ট্রি অয়েল

টি ট্রি অয়েলে রয়েছে অ্যান্টিসেপটিক এবং অ্যান্টি-ফাঙ্গাল গুণ। যে কারণে শুষ্ক স্ক্যাল্পের চিকিৎসায় অত্যন্ত কার্যকর এই তেল। নারকেল তেল বা জোজোবা বা অলিভ অয়েলের সঙ্গে কয়েক ফোঁটা টি ট্রি অয়েল মিশিয়ে স্ক্যাল্পে লাগান। খানিকক্ষণ ম্যাসাজ করুন। তারপর আরও ১০ মিনিট অপেক্ষা করে তেলের মিশ্রণটি লাগিয়ে রেখে শ্যাম্পু করে নিন।

ক্যাস্টর অয়েল

এই তেল স্ক্যাল্পের শুষ্কভাব এবং চুলকানি দূর করতে সাহায্য করে। অ্যালোভেরা জেলের সঙ্গে ক্যাস্টর অয়েল ভালো ভাবে মিশিয়ে স্ক্যাল্পে লাগান। আধা ঘণ্টা পর শ্যাম্পু করে ফেলুন।

অ্যালোভেরা

অ্যালোভেরায় রয়েছে অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি বৈশিষ্ট্য। এর পাশাপাশি স্ক্যাল্প ময়েশ্চারাইজ করে এই প্রাকৃতিক উপাদান। শ্যাম্পু করার আগে মাথার ত্বকে অ্যালোভেরা জেল লাগিয়ে রাখুন কিছুক্ষণ।

আপেল সাইডার ভিনেগার

পানির সঙ্গে আপেল সাইডার ভিনেগার মিশিয়ে নিন ভালো ভাবে। মাথার ত্বকে এই মিশ্রণটি লাগিয়ে মিনিট পাঁচেক অপেক্ষা করুন। তারপর ধুয়ে নিন।

নারকেল তেল

খুশকি এবং শুষ্ক স্ক্যাল্পের ক্ষেত্রে নারকেল তেল খুবই সহায়ক। চুলে ও স্ক্যাল্পে তেল ভালো ভাবে লাগিয়ে বেশ কিছুক্ষণ রেখে দিন। তারপর শ্যাম্পু করে কন্ডিশনার লাগিয়ে নিন।

কলা, মধু এবং অ্যাভোকাডো মাস্ক

সপ্তাহে একবার হেয়ার মাস্ক ব্যবহার করা চুল ও স্ক্যাল্পের জন্য খুবই উপকারী। হেয়ার মাস্ক স্ক্যাল্পকে ময়েশ্চারাইজ করে এবং শুষ্কভাব কমায়। পাকা কলা এবং অ্যাভোকাডো মিহি করে পেস্ট করে নিন। এর সঙ্গে এক চামচ মধু মিশিয়ে স্ক্যাল্পে ভালো করে লাগিয়ে নিন। আধা ঘণ্টা পর শ্যাম্পু করে ফেলুন।

নারকেল তেল, অলিভ অয়েল, মধু এবং টক দই

দুচামচ নারকেল তেলের সঙ্গে দুচামচ অলিভ অয়েল, দুচামচ মধু ও দুচামচ টক দই ভালো করে মিশিয়ে নিন। স্ক্যাল্পে ১০ মিনিট ম্যাসাজ করুন এই মিশ্রণ দিয়ে। আধা ঘণ্টা পর শ্যাম্পু করে নিন।

অর্থসংবাদ/এমআই

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

লাইফস্টাইল

পাইলসের লক্ষণ ও প্রতিরোধের উপায়

Published

on

স্পট

পাইলস এমন একটি সমস্যা, যা নিয়ে অনেকেই কথা বলতে লজ্জা পান। অথচ এই সমস্যার সঠিক সময়ে রেহাই না হলে পরিস্থিতি গুরুতর হয়। এমনকি অন্যান্য শারীরিক জটিলতাও দেখা দিতে পারে।

পাইলসের আরেক নাম হেমারয়েডস। তবে এই কঠিন রোগ হলে বোঝার উপায় কী, আর কী কী লক্ষণ দেখা যায়? কী করলে এই সমস্যা থেকে রেহাই পাওয়া যায়? এ বিষয়ে জানিয়েছেন ফর্টিস হাসপাতালের গ্যাস্ট্রো সার্জেন চিকিৎসক উদীপ্ত রায়।

পাইলসের লক্ষণ কী কী?
১. এক্সটারনাল অর্থাৎ বাইরের দিকে পাইলস হলে মলদ্বার অংশে প্রদাহ হয়।
২. মলদ্বার কিছু ক্ষেত্রে ফুলে যেতে পারে। ফুলে তা বাইরের দিকে বেরিয়ে আসে।
৩. আর্দ্রভাব থাকার কারণে চুলকানিও হয়।
৪. পাইলস যেমন বাইরে হয়। তেমনই ভেতরেও হতে পারে। একে ইন্টারনাল হেমারয়েড বলে।
৫. এছাড়া পাইলস আকারে বড় হলে মলদ্বারের প্রদাহ হয়।
৬. পাইলসে ব্যথা হয়না। একমাত্র জটিলতা সৃষ্টি হলেই ব্যথা হয়।

পাইলস কেন হয়?
১. দীর্ঘক্ষণ টয়লেটে বসে থাকলে এই সমস্যা হতে পারে।
২. নিয়মিত মলত্যাগের সময় বেশি শক্তি প্রয়োগ করতে হলে পাইলসের সমস্যা ধীরে ধীরে দেখা দেয়।
৩. অনেকের ক্রনিক কোষ্ঠকাঠিন্য বা ডায়রিয়া থাকে। তাদের পাইলসের ঝুঁকি বেশি।
৪. বেশি ওজন যাদের, তাদের এই সমস্যা দেখা যায়।
৫. কম ফাইবারযুক্ত খাবার খাওয়ার অভ্যাস অনেকের। এই অভ্যাস দীর্ঘদিন থাকলে পাইলস হতে পারে।

একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, পাইলসের সমস্যা পুরুষদের থেকে নারীদের মধ্যে বেশি দেখা যায়। তবে নারীদের সমস্যা প্রায়ই প্রকাশ্যে আসে না। হরমোনের ওঠানামা ও গর্ভাবস্থা পাইলসের কারণে দায়ী থাকে। হরমোনের ওঠানামায় বাওয়েল মুভমেন্ট ঠিকমতো হয় না।

কী করলে কমবে?

চিকিৎসক উদীপ্ত রায়ের কথায়, পাইলস মানেই সবসময় অস্ত্রোপচার করতে হয় না। বরং তাছাড়াও রোগটি সারিয়ে ফেলা সম্ভব। দৈনিক অভ্যাসে কিছু বদল আনলেই এই সমস্যা সামাল দেওয়া সম্ভব।

১. বেশি করে ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে।
২. নিয়মিত পানি পান করতে হবে। এতে মলত্যাগের সময় সমস্যা কমে।
৩. পাইলসের সমস্যা কমাতে ব্যায়াম বেশ কার্যকর। তাই রোজ শরীরচর্চা করা জরুরি।
৪. ধূমপান ও মদ্যপান পাইলসের সমস্যাকে বাড়িয়ে দেয়। এই দুই অভ্যাস ত্যাগ করা জরুরি।
৫. পাইলস সারাতে রেগুলার বাওয়েল এর অভ্যাস থাকা জরুরি। অর্থাৎ নিয়মিত পেট পরিষ্কার হওয়া দরকার।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

লাইফস্টাইল

ডায়াবেটিস থেকে দূরে রাখবে এই ফল

Published

on

স্পট

সুস্থতার পথ সুগমে প্রতিদিন আপেল খাওয়ার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। আপেলে আছে বিশেষ উপকারী যৌগ যা কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করে এবং হার্টের অসুখ থেকে দূরে রাখে। এতে থাকা ফাইবার কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে কাজ করে। আপেলে থাকা পলিফেনল নানাভাবে সুস্থ রাখতে ভূমিকা রাখে। পলিফেনলগুলোর মধ্যে একটি হলো অ্যাপেকটিন ফ্ল্যাভোনয়েড, এটি রক্তচাপ হ্রাস করতে পারে।

যারা ডায়াবেটিসে আক্রান্ত তারা নিয়মিত খাবারের তালিকায় রাখুন আপেল। এছাড়া যাদের ডায়াবেটিসের ঝুঁকি রয়েছে তারাও নিয়মিত আপেল খেতে পারেন। কারণ বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, আপেল খেলে তা ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমিয়ে দেয় অনেকটাই। আপেলে থাকা পলিফেনল শরীরে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে।

যারা নিয়মিত আপেল খান তাদের মধ্যে টাইপ-২ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা ২৮% কমে যায়, এমনটাই প্রমাণ মিলেছে গবেষণায়। তাই আপনার সুস্থতার জন্যও আপেল খাওয়া জরুরি। কারণ ডায়াবেটিস না থাকলে যে কখনো হবে না, তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। বরং বর্তমান বিশ্বে প্রতিদিনই বেড়ে চলেছে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। তাই আগেভাগে সতর্ক থাকার জন্য খাবারের তালিকায় নজর দিন।

আপেলের পলিফেনলগুলো বিটা কোষের ক্ষতি রোধ করতে সাহায্য করে। ইনসুলিন বিটা কোষ থেকে শরীরে উৎপাদিত হয় এবং বেশিরভাগ ক্ষেত্রে টাইপ ২ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত করে। এমনটাই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। তাই আপেল নিয়মিত খাওয়ার বিকল্প নেই। শুধু ডায়াবেটিস নয়, এটি অন্যান্য অনেক অসুখ থেকেই আপনাকে নিষ্কৃতি দেবে। এতে থাকা ফাইবার আপনার হজম ক্ষমতা বাড়িয়ে দেবে অনেকটাই।

যাদের ওজন বেশি, তাদের ক্ষেত্রে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার ভয়ও বেশি থাকে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, স্থুল ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে টাইপ ২ ডায়াবেটিসে আক্রান্তের ঝুঁকি বেড়ে যায়। নিয়মিত আপেল খেলে তা আপনার স্থুলত্ব ও হৃদরোগের বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষা গড়ে তুলবে। কারণ আপেলের পুরোটাই ফাইবার এবং পানি। যে কারণে আপেল খেলে পেট ভরে ঠিকই কিন্তু বাড়তি ওজনের ভয় থাকে না।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

লাইফস্টাইল

বদ হজম দূর করার ঘরোয়া উপায়

Published

on

স্পট

বদ হজম এমন এক সমস্যা যা দেখা দিলে কোনো খাবারই ঠিকভাবে হজম হতে চায় না। ফলস্বরূপ পেট ফাঁপা, পেটে সমস্যা, কোষ্ঠকাঠিন্য, পেট কামড়ানো, অ্যাসিডিটিসহ আরও অনেক সমস্যা দেখা দিতে পারে। শরীর বঞ্চিত হয় প্রয়োজনীয় পুষ্টি থেকে। এসব কারণে কমে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও। তাই শুরুতেই সচেতন হওয়া জরুরি। বদ হজম দেখা দিলে অবহেলা না করে তা সারানোর জন্য সচেষ্ট হোন।

চলুন জেনে নেওয়া যাক বদ হজম দূর করার কিছু ঘরোয়া উপায়-

১. মৌরি চিবিয়ে খান
বদ হজম দূর করার কাজে অন্যতম সহায়ক একটি মসলা হলো মৌরি। এর মাধ্যমে সহজেই বদ হজম সারিয়ে তোলা যায়। একটি কৌটায় করে সব সময় বাড়িতে মৌরি রাখুন। যখনই হজমের কোনো সমস্যা দেখা দেবে, দুই চা চামচ মৌরি নিয়ে ভালো করে চিবিয়ে পানি পান করবেন। এর কিছুক্ষণ পরই দেখবেন হালকা লাগতে শুরু করেছে।

২. জিরা ও লেবুর রস
জিরা দিয়ে তৈরি করতে পারেন হজমের এক ধরনের টোটকা। সেজন্য আপনাকে যা করতে হবে তা হলো, শুকনো খোলায় জিরা ভালো করে ভেজে তার সঙ্গে বিট লবণ মাখিয়ে রাখতে হবে। আপনি চাইলে এর সঙ্গে মেশাতে পারেন লেবুর রসও। যেকোনো ভারী খাবার খাওয়ার পর এই জিরা এক চা চামচ খেলে বদ হজম বিদায় নেবে দ্রুতই।

৩. আমলকি শুকিয়ে খান
বদ হজম দূর করতে আরেকটি কার্যকরী উপাদান হলো শুকনো আমলকি। সেজন্য আপনাকে আমলকি পাতলা করে কেটে রোদে শুকিয়ে নিতে হবে। তার আগে কাটা আমলকিতে ভালো করে লবণ মাখিয়ে নেবেন। কয়েকদিন এভাবে শুকিয়ে নেওয়ার পর আমলকির টুকরাগুলো একটি জারে ভরে রাখুন। খাওয়ার পরে মুকসুদ্ধির মতো এটি খেতে পারেন। এতে বদ হজম কাছে ঘেঁষতে পারবে না।

৪. খালি পেটে হালকা গরম পানি পান করুন
যারা বদ হজমের সমস্যায় ভুগছেন তারা নিয়মিত সকালবেলা উঠে হালকা গরম পানি পান করবেন। সম্ভব হলে এর সঙ্গে লেবুর রস মিশিয়ে খেতে পারেন। এতে বাড়বে মেটাবলিজম এবং পাচন ক্ষমতাও। নিয়মিত এই পানি পান করলে আপনাকে আর বদ হজমের সমস্যায় ভুগতে হবে না। কারণ এটি সহজেই এই সমস্যা দূর করে দেবে।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

লাইফস্টাইল

ফ্যাটি লিভার থেকে বাঁচতে যেসব খাবার খাবেন

Published

on

স্পট

অস্বাস্থ্যকর এবং বিশৃঙ্ক্ষল জীবনযাপনের কারণে আমাদের লিভার ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। আমরা বেশিরভাগই খাবারের কোনো নির্দিষ্ট সময় কিংবা রুটিন মেনে চলি না, শরীরচর্চার প্রসঙ্গ এলে নানা অজুহাতে এড়িয়ে যাই। ফলস্বরূপ লিভারে চর্বি জমতে থাকে। এই অতিরিক্ত চর্বি জমা হওয়াকে ফ্যাটি লিভার বলা হয়।

ফ্যাটি লিভার দুই ধরনের হয়। অ্যালকোহলযুক্ত ফ্যাটি লিভার, অন্যটি অ্যালকোহলমুক্ত ফ্যাটি লিভার। প্রচুর অ্যালকোহল পান করলে লিভারে চর্বি জমা হতে পারে। এটি হলো অ্যালকোহলযুক্ত ফ্যাটি লিভারের কারণ। অ্যালকোহলমুক্ত ফ্যাটি লিভার অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন, স্থূলতা বা টাইপ ২ ডায়াবেটিসের কারণে হয়। স্ট্রেস এখানে আরেকটি কারণ যা লিভারে চর্বি জমা হওয়ার সম্ভাবনা বাড়িয়ে তুলতে পারে।

জীবনযাপনে কিছু পরিবর্তন আনার মাধ্যমে ফ্যাটি লিভার রোধ করা সম্ভব। ভারতীয় পুষ্টিবিদ খুশবু জৈন তিব্রেওয়ালা সম্প্রতি ‘দ্য ফ্যাটি লিভার গাইড’ প্রকাশ করেছেন। এতে আছে লিভার ভালো রাখার জন্য সমস্ত তথ্য, যা ফ্যাটি লিভারকে প্রতিহত করতে সাহায্য করতে পারে। সেখান থেকে জেনে নিন ফ্যাটি লিভার থেকে বাঁচতে কোন খাবারগুলো খাবেন-

দুপুর ও রাতের খাবারে ৫০% শাক-সবজি থাকা উচিত

সকাল ও দুপুরের খাবারে ৫০% শাক-সবজি রাখার কথা বলছেন এই পুষ্টিবিদ। এতে থাকতে পারে বিভিন্ন ধরনের শাক-সবজি। সালাদ, তরকারি, ভাজা, স্যুপ, চাটনি, ল্যাকটো-ফার্মেন্টেড সবজি, ডাল এবং রুটিতে এসব শাক-সবজি রাখতে পারেন।

প্রতিদিন কিছু ফার্মেন্টেড ফুড

ফার্মেন্টেড ফুড বা গাঁজানো খাবার হজমের জন্য সহায়ক। এটি শরীরের পুষ্টি শোষণ করার ক্ষমতাও উন্নত করে। এ ধরনের খাবার অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখে। বার বার খাবারের ইচ্ছা কমিয়ে দেয়। তাই প্রতিদিনের খাবারের তালিকায় এ ধরনের একটি খাবার রাখুন।

হালকা গরম পানি ও লেবুর রস দিয়ে দিন শুরু করুন

লেবুতে এমন অ্যাসিড রয়েছে যা পাকস্থলীতে হজমের তরল নিঃসরণকে উদ্দীপিত করে। লেবুতে ফ্ল্যাভোনয়েড রয়েছে যা অক্সিডেটিভ ক্ষতি কমায়। এদিকে হালকা গরম পানি পান করলে তা খাবার দ্রুত ভাঙতে সাহায্য করে। এছাড়াও হালকা গরম পানি কোষ্ঠকাঠিন্য এবং টক্সিন দূর করতে সহায়তা করে।

বেশি ফাইবার খান

ফাইবার বেশি খেলে তা অন্ত্রের মাইক্রোবায়োটা উন্নত করে যা লিভারের ক্ষতি এবং প্রদাহ কমায়। এ জাতীয় খাবার নিয়মিত খাওয়ার ফলে লিভারের অতিরিক্ত চর্বি দ্রুত কমে আসে। তাই প্রতিদিনের খাবারের তালিকায় অবশ্যই ফাইবারযুক্ত খাবার রাখবেন।

বেকড খাবার বাদ দিন

বেকড খাবার যেমন ব্রেড, বিস্কুট, কেক ইত্যাদি প্রতিদিনের খাবারের তালিকা থেকে বাদ দিতে হবে। এ ধরনের খাবার রক্তে গ্লুকোজের মাত্রার বৃদ্ধি ঘটায়, যার ফলে লিভারে চর্বি জমা হয়।

কাঁচা রসুন খান

রসুনে অ্যালিসিন নামক একটি যৌগ থাকে যা লিভারের প্রদাহ কমায়। প্রতিদিন প্রায় ১-৩ গ্রাম কাঁচা রসুন খাওয়ার অভ্যাস করুন। এতে ফ্যাটি লিভার থেকে রক্ষা পাওয়ার পাশাপাশি আরও অনেক উপকার পাবেন।

ক্রুসিফেরাস সবজি খান

ফুলকপি, ব্রকলি, বাঁধাকপি, ব্রাসেল স্প্রাউট, বোকচয়, কলার্ড গ্রিনস, চাইনিজ বাঁধাকপির মতো ক্রুসিফেরাস সবজি রাখতে পারেন প্রতিদিনের খাবারে। এ ধরনের খাবারে সালফার যৌগ থাকে যা লিভারে ডিটক্সিফিকেশন প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এগুলিতে ‌‘ইন্ডোল’ নামক একটি যৌগ রয়েছে যা লিভারে প্রদাহ কমাতে পরিচিত।

২-৩ লিটার পানি পান করুন

পর্যাপ্ত পানি পান করার অভ্যাস টক্সিন দূর করতে সাহায্য করে। এটি হজম প্রক্রিয়া সহজ করে। সেইসঙ্গে লিভার ও কিডনির উপর থেকে বোঝা কমায়। আপনার যদি শুধু পানি খেতে ভালো না লাগে তবে এর পাশাপাশি কিছু তরলজাতীয় স্বাস্থ্যকর পানীয়ও যোগ করতে পারেন। যেমন বিভিন্ন ফলের রস, ডাবের পানি, ভেষজ চা ইত্যাদি।

ধনিয়া পাতার ব্যবহার বাড়ান

ধনিয়া পাতা হজমের রস নিঃসরণকে উদ্দীপিত করে এবং টক্সিন বের করে দিতে সাহায্য করে। ধনিয়া দীর্ঘকাল ধরে লিভারের স্বাস্থ্যের উন্নতিতে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।

বেশি করে মটরশুঁটি, সবুজ শাক, ফল এবং বাদাম খান

এ ধরনের খাবার ফাইবার সমৃদ্ধ। সেইসঙ্গে এতে আছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, খনিজ এবং ভিটামিন যা সামগ্রিক স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। তাই প্রতিদিনের খাবারের তালিকায় এ ধরনের খাবার যোগ করুন। এতে ফ্যাটি লিভার থেকে রক্ষা পাওয়া সহজ হবে।

কাফি

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

লাইফস্টাইল

যাদের জন্য অতিরিক্ত রসুন খাওয়া বিপজ্জনক

Published

on

স্পট

রসুন খাবারের স্বাদ বাড়ানোর পাশাপাশি স্বাস্থ্যের জন্যও অরেক উপকারী। আয়ুর্বেদেও রসুনকে স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী বলে বিবেচিত। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে দারুণ উপকারী রসুন। তবে কিছু কিছু মানুষের রসুন থেকে সম্পূর্ণ দূরে থাকা উচিত।

এ বিষয়ে ভারতের উত্তর প্রদেশের আলীগড় আয়ুর্বেদিক মেডিকেল কলেজের সহযোগী অধ্যাপক ডা. সরোজ গৌতম জানান, রসুনের অনেক ওষুধি গুণ আছে, যা স্বাস্থ্যের জন্য অনেকারী।

শীতকালে রসুন খুবই উপকারী, তবে গরমেও এটি খেতে পারেন। তবে পরিমাণ কমাতে হবে। আর যারা উচ্চ রক্তচাপ, গ্যাস্ট্রিক ও পেটে জ্বালার সমস্যায় ভুগছেন তাদের রসুন খাওয়া উচিত নয়।

এতে করে রক্তচাপ দ্রুত বৃদ্ধি পেতে পারে যা অনেক সময় হার্ট অ্যাটাকের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এছাড়া রসুন খেলে গ্যাস, অ্যাসিডিটি ও পেটে জ্বালাপোড়াও বাড়তে পারে।

আবার পাতলা পায়খানা হলেও রসুন খাওয়া এড়িয়ে চলতে হবে। এছাড়া উচ্চ কোলেস্টেরল রোগীদের জন্যও রসুনকে ক্ষতিকারক বলে মনে করা হয়। আপনি যদি এই সমস্যাগুলো থাকা সত্ত্বেও রসুন খেতে চান তাহলে পরিমাণের দিকে খেয়াল রাখুন।

কাফি

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন
স্পট
জাতীয়3 mins ago

মঙ্গলবার থেকে হাসপাতালগুলোতে অভিযান শুরু: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

স্পট
কর্পোরেট সংবাদ9 mins ago

মার্কেন্টাইল ব্যাংকের ডিরেক্ট সেলস টিমের প্রশিক্ষণ

স্পট
কর্পোরেট সংবাদ16 mins ago

রূপালী ব্যাংকের বরিশাল বিভাগীয় ব্যবসায়িক সম্মেলন

স্পট
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার19 mins ago

গুচ্ছের ২৪ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি আবেদনের সময় বাড়ল

স্পট
জাতীয়30 mins ago

এলপিজির দাম কমানোর সুযোগ নেই: প্রতিমন্ত্রী

স্পট
জাতীয়40 mins ago

রঙে নির্ধারিত পরিমাণের বেশি সিসা পেলে বিক্রি নিষিদ্ধ: সংসদে শিল্পমন্ত্রী

স্পট
আইন-আদালত55 mins ago

শবে বরাতে যেভাবে রোজা রাখবেন

স্পট
অন্যান্য1 hour ago

মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ বাংলাদেশের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ: বিশ্বব্যাংকের এমডি

স্পট
আইন-আদালত1 hour ago

গর্ভের সন্তানের লিঙ্গ প্রকাশ করা যাবে না: হাইকোর্ট

স্পট
জাতীয়1 hour ago

চাহিদার বিপরীতে গ্যাসের ঘাটতি প্রায় ১ হাজার মিলিয়ন ঘনফুট

Advertisement
Advertisement

ফেসবুকে অর্থসংবাদ

২০১৮ সাল থেকে ২০২৩

অর্থসংবাদ আর্কাইভ

তারিখ অনুযায়ী সংবাদ

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯