Connect with us

জাতীয়

ডিসেম্বরে আট মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন মূল্যস্ফীতি

Published

on

আইপিও

গত ডিসেম্বরে সার্বিক মূল্যস্ফীতি আগের মাসের তুলনায় সামান্য কমেছে। এ মাসে সার্বিক মূল্যস্ফীতি কমে হয়েছে ৯ দশমিক ৪১ শতাংশ, যা গত ৮ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন। একসঙ্গে ডিসেম্বরে গ্রাম-শহরনির্বিশেষে খাদ্য মূল্যস্ফীতি কমে ১০ শতাংশের নিচে নেমেছে, তবে খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি কিছুটা বেড়েছে।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সবশেষ পরিসংখ্যানে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।

বিবিএসের তথ্যে দেখা যায়, ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে সার্বিক খাদ্য মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৯ দশমিক ৫৮ শতাংশ। নভেম্বরে এই মূল্যস্ফীতি ছিল ১০ দশমিক ৭৬ শতাংশ। গত অক্টোবরে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ছিল ১২ দশমিক ৫৬ শতাংশ, যা গত প্রায় ১২ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ।

বিবিএসের তথ্যানুযায়ী, গত অক্টোবর ও নভেম্বরে দেশে সার্বিক মূল্যস্ফীতি ছিল যথাক্রমে ৯ দশমিক ৯৩ ও ৯ দশমিক ৪৯ শতাংশ। সে হিসাবে ডিসেম্বরে সার্বিক মূল্যস্ফীতি সামান্য কমেছে। তবে এখনো তা সাড়ে ৯ শতাংশের কাছাকাছিই রয়েছে। ডিসেম্বরে গ্রামে সার্বিক মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ৪৮ শতাংশ, আর শহরে এটি ৯ দশমিক ১৫ শতাংশ হয়েছে।

মূল্যস্ফীতি হলো একধরনের করের মতো, যা ধনী-গরিবনির্বিশেষে সবার ওপর চাপ বাড়ায়। খাদ্য মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমে যাওয়ার অর্থ গরিব ও মধ্যবিত্তের সংসার চালাতে ভোগান্তি সামান্য কমেছে। তবে বাজারে শীতের শাকসবজিসহ চাল, আটা, চিনি, ডাল, পেঁয়াজ, সয়াবিন তেল, আলুসহ বেশ কিছু নিত্যপণ্যের দাম এখনো বাড়তি।

পুরো বিষয়টি একটি উদাহরণ দিয়ে বোঝানো যেতে পারে। যেমন আপনি ২০২২ সালের ডিসেম্বরে ১০০ টাকায় যত জিনিসপত্র কিনেছেন, ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে ওই টাকা দিয়ে সেই জিনিসপত্র পাবেন না। জিনিসপত্রের দাম বেড়ে যাওয়ায় আপনাকে ১০৯ টাকা ৪১ পয়সা খরচ করতে হবে। এই ৯ টাকা ৪১ পয়সা হলো মূল্যস্ফীতি। গত ডিসেম্বরে মূল্যস্ফীতির হার ছিল এটাই।

বিবিএসের হিসাবে সবশেষ ডিসেম্বরে শহর-গ্রামনির্বিশেষে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ১০ শতাংশের নিচে নেমেছে। গত মাসে গ্রামে খাদ্য মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৯ দশমিক ৬৬ শতাংশ। তার বিপরীতে শহরে খাদ্য মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৯ দশমিক ৪৬ শতাংশ। অর্থাৎ শহরের তুলনায় গ্রামে খাদ্য মূল্যস্ফীতি বেশি।

অন্যদিকে গত মাসে দেশে সার্বিক খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি কিছুটা বেড়েছে। ডিসেম্বরে শহর-গ্রামনির্বিশেষে খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৮ দশমিক ৫২ শতাংশ; যা নভেম্বরে ছিল ৮ দশমিক ১৬ শতাংশ। বিবিএসের তথ্যানুযায়ী, ডিসেম্বরে শহর ও গ্রামে খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি প্রায় সমান ছিল। গত মাসে খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি গ্রামে ৮ দশমিক ৪১ শতাংশ ও শহরে ৮ দশমিক ৩৯ শতাংশ হয়েছে।

অর্থসংবাদ/এমআই

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

জাতীয়

প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন আজ

Published

on

আইপিও

দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের মধ্য দিয়ে টানা চতুর্থ মেয়াদে সরকার গঠনের পর প্রথমবারের মত সংবাদ সম্মেলনে আসছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সংবাদ সম্মেলনে ‘মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন’-এ যোগদান উপলক্ষে সম্প্রতি জার্মানি সফরের নানা দিক নিয়ে অভিজ্ঞতা জানাবেন প্রধানমন্ত্রী।

শুক্রবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টায় গণভবনে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।

এর আগে সোমবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) জার্মানিতে তিনদিনের সরকারি সফর শেষে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে দেশে ফেরেন প্রধানমন্ত্রী।

মিউনিখ সিকিউরিটি কনফারেন্সে যোগ দিতে গত ১৫ ফেব্রুয়ারি ঢাকা ছাড়েন তিনি। মিউনিখ সিকিউরিটি কনফারেন্সের সভাপতির আমন্ত্রণে সেখানে যান প্রধানমন্ত্রী। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়লাভের পর দেশের বাইরে এটিই তার প্রথম সরকারি সফর।

জার্মানিতে অবস্থানকালে মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেন শেখ হাসিনা। পাশাপাশি তিনি বেশ কয়েকজন বিশ্বনেতার সঙ্গে বৈঠক করেন।

তাদের মধ্যে ছিলেন জার্মান চ্যান্সেলর ওলাফ শোলৎজ, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি, নেদারল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী মার্ক রুটে, আজারবাইজানের প্রেসিডেন্ট ইলহাম আলিয়েভ, কাতারের প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন আবদুল রহমান আল-থানি এবং ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন।

এছাড়াও এ সফরে জার্মানিতে বসবাসকারী প্রবাসী বাংলাদেশিদের একটি নাগরিক সংবর্ধনায়ও অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

অর্থনীতি

চিনির দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার

Published

on

আইপিও

রমজানের আগে সরকারি চিনির দাম কেজিতে ২০ টাকা বাড়িয়ে বিজ্ঞপ্তি দিয়েছিল বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন (বিএসএফআইসি)। জনগণের দুর্ভোগের কথা চিন্তা করে চিনির দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে সরকার।

আজ বৃহস্পতিবার রাতে শিল্প মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে কেজিতে ২০ টাকা বাড়িয়ে সরকারি মিলের চিনির সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ১৬০ টাকা নির্ধারণ করে চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশন (বিএসএফআইসি)।

বিএসএফআইসির এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আন্তর্জাতিক ও দেশীয় চিনির বাজার মূল্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিএসএফআইসি উৎপাদিত চিনির বিক্রয়মূল্য পুনর্নির্ধারণ করেছে। বাজারে রোজা উপলক্ষ্যে চিনির বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারের সহযোগিতা প্রয়োজন।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী করপোরেশনের ৫০ কেজি বস্তাজাত চিনির মিলগেট বিক্রয়মূল্য ১৫০ টাকা (এক কেজি) ও ডিলার পর্যায়ে বিক্রয়মূল্য ১৫৭ টাকা (এক কেজি) নির্ধারণ করা হয়।

এ ছাড়া করপোরেশনের ১ কেজি প্যাকেটজাত চিনির মিলগেট বা করপোরেট সুপারশপ বিক্রয়মূল্য ১৫৫ টাকা ও বিভিন্ন সুপারশপ, চিনি শিল্প ভবনের বেজমেন্টে ও বাজারে সর্বোচ্চ খুচরা বিক্রয়মূল্য ১৬০ টাকা নির্ধারণ করা হয়।

বাজারে সরকারি চিনির নামে মোড়কজাত করে চড়া দামে বিক্রি করছে কিছু প্রতিষ্ঠান। সবশেষ কেজিপ্রতি ১৪০ টাকা চিনির মূল্য নির্ধারণ করে সংস্থাটি।

কাফি

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

জাতীয়

কাউন্সিলরদের সম্মানী ভাতা বাড়ল আড়াইগুণের বেশি

Published

on

আইপিও

দেশের বিভিন্ন সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলরদের সম্মানীভাতা আগের চেয়ে আড়াইগুণের বেশি বৃদ্ধি করা হয়েছে। সম্প্রতি এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, এখন থেকে কাউন্সিলররা প্রতিমাসে চল্লিশ হাজার টাকা হারে সম্মানী পাবেন। যা আগে ছিল ১৫ হাজার টাকা। এ ছাড়া কাউন্সিলররা প্রতি সভায় উপস্থিতির জন্য ৬০০ টাকা হারে ভাতা পাবেন। তবে এই ভাতা কোনো মাসে সর্বোচ্চ দুই হাজার চারশ’ টাকার বেশি হবে না।

প্রতি সভায় উপস্থিতির জন্য প্রাপ্য ভাতা আগে ছিল ৫০০ টাকা। তবে এবারের প্রজ্ঞাপনে শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়েছে। শর্তানুযায়ী সংশ্লিষ্ট করপোরেশনকে নিজস্ব তহবিল থেকে এই ভাতা দিতে হবে এবং এ জন্য অতিরিক্ত কোনো বরাদ্দ দাবি করা যাবে না।

এই ব্যয়ের জন্য সকল আর্থিক বিধিবিধান মেনে চলতে হবে। এ ক্ষেত্রে কোনো আর্থিক অনিয়ম হলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দায়ী থাকবে বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়।

কাফি

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

জাতীয়

কসমেটিকস যেভাবে নকল হচ্ছে, তা খুবই ভয়াবহ: ভোক্তার ডিজি

Published

on

আইপিও

কসমেটিকস প্রোডাক্ট যেভাবে নকল এবং ভেজাল হচ্ছে, তা খুবই ভয়াবহ বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) এ এইচ এম সফিকুজ্জামান।

আজ বৃহস্পতিবার প্রিন্ট, টেলিভিশন ও অনলাইনে কর্মরত সংবাদকর্মীদের মিডিয়া ফেলোশিপ প্রদানের বিষয়ে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও অ্যাসোসিয়েশন অব স্কিন কেয়ার অ্যান্ড বিউটি প্রোডাক্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্ট অব বাংলাদেশ (এএসবিএমইবি) এর মাঝে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

রাজধানীর কারওয়ান বাজারে অবস্থিত জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয়ের সভাকক্ষে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

ভোক্তার ডিজি বলেন, আমরা জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর বহুবার দেখেছি, কসমেটিকস প্রোডাক্ট যেভাবে নকল এবং ভেজাল হচ্ছে, তা খুবই ভয়াবহ। বাংলাদেশে এমন কোনো বিদেশি কসমেটিকস নেই, যেটি নকল হয় না। এটাই বাস্তবতা। এ বাস্তবতা থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে।

তিনি আরও বলেন, নকল বা ভেজাল কসমেটিকসে যে হেভি মেটাল বা রাসায়নিক ব্যবহার করা হয়, সেটা ত্বক তো নষ্ট করেই, সেই সঙ্গে ত্বকের ভেতরে এসে ক্যানসারসহ নানা রকম ব্যাধি সৃষ্টি করে। সৌন্দর্য্য চর্চার জন্য কসমেটিকস ব্যবহার করে যদি উল্টো ক্ষতি হয়, সেটি তো হতে পারে না। এটির জন্য কসমেটিক পণ্যের সঙ্গে জড়িত সবগুলো পক্ষই দায়ী। আর এতে করে যারা বৈধভাবে ব্যবসা করে তারাও টিকে থাকতে পারছে না। সবশেষে ভোক্তারা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

তিনি বলেন, আমরা নকল ও ভেজাল কসমেটিকস পণ্য বাংলাদেশ থেকে চিরতরে বিতাড়িত করতে চাই। তাই দেশীয়ভাবে প্রসাধনী প্রস্তুতকরণ ও বাজারজাতকরণের উদ্যোগকে আমরা স্বাগত জানাই। কেননা এর মাধ্যমে দেশের বিপুল সংখ্যক কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হচ্ছে।

স্কিন কেয়ার ও বিউটি প্রোডাক্টস (কসমেটিক) পণ্য ব্যবহারে জনগণের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে যৌথভাবে মিডিয়া ফেলোশিপ দেওয়ার আয়োজন করছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও অ্যাসোসিয়েশন অব স্কিন কেয়ার অ্যান্ড বিউটি প্রোডাক্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্ট অব বাংলাদেশ (এএসবিএমইবি)। অনুষ্ঠানে এ বিষয়ে দুই পক্ষের মাঝে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।

এ বিষয়ে এ এইচ এম সফিকুজ্জামান বলেন, গত ৩১ জানুয়ারি আমরা এই অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছিলাম। আমরা অনেকগুলো কার্যক্রমে একসঙ্গে সম্পৃক্ত হবে সে কথাই সমঝোতা স্মারকে বলা ছিল। তার পরিপ্রেক্ষিতে আজকে আমরা একটি মিডিয়া ফেলোশিপ কার্যক্রম যৌথভাবে করছি। এটি আমাদের উভয়পক্ষের জন্য অত্যান্ত আনন্দের।

কাফি

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

অর্থনীতি

রিটার্ন না দেওয়া বাড়িওয়ালাদের খুঁজতে বিশেষ অভিযান: এনবিআর চেয়ারম্যান

Published

on

আইপিও

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম বলেছেন, যেসব বাড়িওয়ালা আয়কর রিটার্ন দেননি তাদের খুঁজে বের করতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হবে।

বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে এনবিআরে অনুষ্ঠিত প্রাক-বাজেট আলোচনায় এ তথ্য জানান তিনি। অনুষ্ঠানে বাড়িওয়ালার আয়কর রিটার্নের দাখিল প্রমাণ সংগ্রহের প্রয়োজনীয়তা বাতিলের প্রস্তাব দেয় ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ই-ক্যাব)।

অনুষ্ঠানে ই-ক্যাবে প্রতিনিধি শাহিন হাসান, জাহাঙ্গীর আলম শোভন উপস্থিত ছিলেন। ই-ক্যাব জানায়, এটার জন্য আমরা বাড়িওয়ালাদের নোটিশ দিই। লেটার দিই। মাত্র ৩০ শতাংশের কাছ থেকে রিটার্ন জমার প্রমাণপত্র পাই। এর ফলে আমাদের ভাড়া বাবদ খরচের ওপর ৩০ শতাংশ কর দিতে হয়।

এমন প্রস্তাবে এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, রাজধানী ও চট্টগ্রামে বাড়ির মালিক, ফ্ল্যাটের মালিকদের রিটার্ন দিতে হবে। আয় কী, কতটুকু কর দিতে হবে সেটা এনবিআর দেখবে। তাদের রিটার্ন দিতেই হবে।

ই-ক্যাবের প্রতিনিধিদের প্রস্তাব শুনে এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, আপনারা দেশের উন্নতি চান, বড় বড় কথাও বলেন, ট্যাক্স নেট বাড়ে না এনবিআরকে দোষারোপও করেন। আবার সিটি করপোরেশনের বাড়িওয়ালার রিটার্ন অব্যাহতি দাবি করেন?। কোন বাড়িওয়ালা রিটার্ন জমা দেয় না। আপনারা বলার পরেও আপনাদের কাছে বাড়িভাড়া দেয় না তাদের ব্যাপারে আমার কাছে অভিযোগ দেন। আপনারা বাড়িওয়ালাদের রিটার্ন জমা দিতে উদ্বুদ্ধ করেন।

তিনি আরও বলেন, ধরে নেওয়া হয় একজন বাড়িওয়ালার কর দেওয়ার সক্ষমতা আছে। মহানগর এলাকায় বাড়ির মালিক এখনো রিটার্ন দিচ্ছে না। আমরা এতদিন তাদের কনভিন্স করার চেষ্টা করেছি, বলার চেষ্টা করেছি। মহানগরের বাড়ির মালিকদের তালিকা করেছি। ডেসকো মিটারের মালিক, ওয়াসার বিল কে দেয় এগুলা থেকে আমরা মালিকদের চিহ্নিত করেছি। আমরা এখন স্পেশাল ড্রাইভ দেবো।

তিনি বলেন, আমরা রিটার্ন দাখিল সহজ করে দিয়েছি। অনলাইনেই রিটার্ন দাখিল করা যায়। এত কিছুর পরেও রিটার্ন দাখিল না করার কোনো কারণ নেই। অচিরেই স্পেশাল ড্রাইভ দেবো।

কাফি

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন
আইপিও
পুঁজিবাজার8 mins ago

এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজের আইপিওর শেয়ার বরাদ্দ

আইপিও
পুঁজিবাজার19 mins ago

রাইট শেয়ার ইস্যু করবে জেমিনি সি ফুড

আইপিও
জাতীয়46 mins ago

প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন আজ

আইপিও
লাইফস্টাইল11 hours ago

ডায়াবেটিস থেকে দূরে রাখবে এই ফল

আইপিও
আন্তর্জাতিক11 hours ago

২৪০ কোটি ডলারের শেয়ার বিক্রি করেছেন বেজোস

আইপিও
অর্থনীতি11 hours ago

চিনির দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার

আইপিও
কর্পোরেট সংবাদ12 hours ago

ইসলামী ব্যাংক ফাউন্ডেশন ও আইসিএমএবির মধ্যে কর্পোরেট চুক্তি স্বাক্ষর

আইপিও
কর্পোরেট সংবাদ12 hours ago

আইসিএমএবি ও আইবিএফের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

আইপিও
কর্পোরেট সংবাদ13 hours ago

বাণিজ্য মেলায় গোল্ড ট্রফি পেলো ওয়ালটন

আইপিও
পুঁজিবাজার13 hours ago

র‌্যানকন মোটরবাইকের পনেরশো মিলিয়ন টাকার বন্ড অনুমোদন

Advertisement
Advertisement

ফেসবুকে অর্থসংবাদ

২০১৮ সাল থেকে ২০২৩

অর্থসংবাদ আর্কাইভ

তারিখ অনুযায়ী সংবাদ

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯