Connect with us

লাইফস্টাইল

মেট্রোরেলে নিয়ম ভাঙলে যেসব শাস্তি পেতে হবে

Published

on

মেট্রোরেল

মেট্রোরেল পরিচালনার সার্বিক বিষয়গুলোকে সুশৃঙ্খল করতে ২০১৫ সালেই পাস হয়েছে মেট্রোরেল আইন। বিনা টিকেটে ভ্রমণসহ কোন অপরাধে কী শাস্তি হবে, সেগুলোর বিবরণ দেওয়া হয়েছে সেখানে।

টিকেট বা বৈধ পাস ছাড়া ভ্রমণ করলে বা ভাড়া এড়ানোর জন্য অন্য কোনো কৌশল অবলম্বন করলে নির্ধারিত ভাড়ার ১০ গুণ পর্যন্ত অর্থদণ্ড হবে। আর জরিমানার টাকা না দিলে সর্বোচ্চ ছয় মাসের কারাদণ্ড হবে।

কোনো ব্যক্তি অননুমোদিতভাবে মেট্রোরেলের টিকেট বা পাস বিক্রি বা জাল করলে ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা এক কোটি টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড হতে পারে।

মেট্রোরেলে পরিদর্শককে দায়িত্ব পালনে বাধা দিলে বা মিথ্যা তথ্য দিলে সেটাও হবে শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এরকম ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ দুই বছরের কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড হতে পারে।

ট্রেন বা স্টেশনের কিছু এলাকায় প্রবেশাধিকার সংরক্ষিত। সেসব স্থানে অনুমতি ছাড়া প্রবেশ করলে তা অপরাধ বলে গণ্য হবে। প্রবেশের পর দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তির অনুরোধেও ওই এলাকা ত্যাগ না করলে শাস্তির মুখে পড়তে হবে। সেজন্য সর্বোচ্চ এক বছরের কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ পাঁচ লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড হতে পারে।

কোনো ব্যক্তির কারণে যদি মেট্রোরেল বা যাত্রীদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হয় বা বিঘ্নিত হওয়ার ঝুঁকি দেখা দেয়, তাহলে তাকে সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ড বা ৫০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড দেওয়া হতে পারে।

কেউ যদি মেট্রোরেল আইনে উল্লিখিত কোনো অপরাধের জন্য দণ্ডিত হন এবং দণ্ড ভোগের পর যদি আবারও একই অপরাধ করেন, তাহলে সেই অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ যে দণ্ড, তার দ্বিগুণ শাস্তি হবে।

এছাড়া অনুমতি ছাড়া লাইসেন্স হস্তান্তর করলে ১০ বছর কারাদণ্ড ও এক কোটি টাকা জরিমানা, পরিচালনায় বাধা সৃষ্টি করলে দুই বছর জেল ও ২ লাখ টাকা জরিমানার বিধান আছে আইনে।

মেট্রোরেল নির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করলে এক বছরের কারাদণ্ড ও ৫ লাখ টাকা জরিমানা, সংরক্ষিত স্থানে কেউ বিনা অনুমতিতে প্রবেশ করলে এক বছরের কারাদণ্ড ও ৫ লাখ টাকা জরিমানা, মেট্রোরেলের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করলে ৫ বছরের কারাদণ্ড ও ৫০ লাখ টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে।

কারিগরি মান অনুসরণ না করে মেট্রোরেল নির্মাণ ও রোলিং স্টক স্থাপন, পরিচালনা, রক্ষাবেক্ষণ এবং নিরাপত্তার ব্যবস্থাপনা সম্পাদনা করলে পাঁচ বছরের বা অনধিক ৫০ লাখ টাকা অর্থদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

অর্থসংবাদ/এমআই

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

লাইফস্টাইল

সজনে ডাটা খাওয়ার ৫ উপকারিতা

Published

on

লাফার্জ

বসন্ত শুরু হতেই বাজারে দেখা মিলছে সজনে ডাঁটার। স্বাস্থ্যগুণে ভরপুর এই সবজি বিভিন্নভাবে রান্না করা যায়। সজনে ডাঁটায় প্রোটিন, ফ্যাট, ভিটামিন, ক্যালশিয়াম, কার্বোহাইড্রেট, আয়রন, কপার এবং ফসফরাসের মতো উপাদান রয়েছে। আবহাওয়ার পরিবর্তনে এই সময়ে সংক্রমণজনিত নানা রোগ দেখা যায়। সেই প্রকোপ থেকে বাঁচতে নিয়মিত ডাঁটা খাওয়ার পরামর্শ দেন পুষ্টিবিদরা।

এই সময় খাদ্যতালিকায় সজনে ডাঁটা রাখলে যেসব উপকারিতা পাওয়া যায়-

আর্দ্রতা বজায় রাখে: সজনে ডাঁটায় পানির পরিমাণ বেশি। এ কারণে শরীরে পানির ঘাটতি দূর করতে পারে এই সবজি। গরমে শরীর ঠান্ডা রাখতে ডাঁটার জুড়ি নেই। কোনও কারণে পানি কম খাওয়া হলেও শরীর ডিহাইড্রেটেড রাখতে ভূমিকা রাখে সজনে ডাঁটা।

পুষ্টিগুণে ভরা: শরীরে বিভিন্ন ভিটামিন এবং খনিজের চাহিদা পূরণ করতে কার্যকর সজনে ডাঁটা। এতে রয়েছে ভিটামিন এ, সি, ই-য়ের পাশাপশি, ক্যালশিয়াম, পটাশিয়াম আয়রন রয়েছে। এসব উপাদান হাড় ভালো রাখতে এবং বিপাকহার উন্নত করতে সাহায্য করে।

শরীর ঠান্ডা রাখে:প্রাকৃতিকভাবেই সজনে ডাঁটা ঠান্ডা। এ কারণে অতিরিক্ত গরম পড়লেও শরীরকে ভেতর থেকে ঠান্ডা করতে পারে এই সবজি। শরীর গরম হয়ে গেলে অতিরিক্ত ঘাম হয়, ক্লান্ত লাগে। হিটস্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিও বাড়তে পারে। এ কারণে গরম কালে নিয়মিত ডাঁটা খাওয়ার পরামর্শ দেন পুষ্টিবিদরা।

হজমে সহায়ক: গ্যাস, অম্বল, পেটফাঁপা এবং কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর করতে নিয়মিত খেতে পারেন সজনে ডাঁটা। অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখতেও সাহায্য করে এই সবজি।

রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়িয়ে তোলে: ডাঁটায় থাকা ভিটামিন সি রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। এ ছাড়াও ডাঁটায় থাকা অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট ফ্রি র‌্যাডিক্যালের হাত থেকে ত্বককে রক্ষা করে।

অর্থসংবাদ/এমআই

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

লাইফস্টাইল

নাক বন্ধের ঘরোয়া সমাধান

Published

on

লাফার্জ

শীত এলেই আমাদের শরীরে কিছু সমস্যাও দেখা দিতে শুরু করে। ঠাণ্ডা লেগে নাক বন্ধ হয়ে যাওয়ার সমস্যায় কম-বেশি সবারই ভুগতে হয়। বন্ধ নাকে কোনো কাজেই মন বসে না। নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে আসে, অস্বস্তি বোধ হয়। এই সমস্যার সঙ্গে সর্দি দেখা দিতে পারে, নাও পারে।

বাড়িতেই হাতের কাছে থাকা কিছু উপাদান দিয়ে বন্ধ নাকের সহজ চিকিৎসা হতে পারে। আসুন দেখে নেই কয়েকটি ঘরোয়া সমাধান:

লবণ-পানি

কুসুম গরম পানিতে কয়েক চামচ লবণ গুলিয়ে নিন। কয়েক ফোঁটা পানি ড্রপার দিয়ে নাকে ঢুকান। এতে জমে থাকা ধূলিকণা দূর হবে, কফ তরল হয়ে শ্বাসকষ্ট কমবে।

রসুন

রসুনের ওষুধি গুণ সম্পর্কে বলার অপেক্ষা রাখে না। এর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বন্ধ নাকের জন্যেও কার্যকরী। রসুনের স্যুপ বা একটি কোয়াই বন্ধ নাকের সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে পারে।

পেঁয়াজ

পেঁয়াজের ঝাঁঝালো গন্ধে থাকা উপাদান নাক ও চোখের পানি বের করে দেয়। হ্যাঁ, এতেই কাজ হবে। ৫ মিনিট পেঁয়াজের গন্ধ নিন। বন্ধ নাক খুলে যাবে।

লেবু

লেবু ভিটামিন ‘সি’, অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর। দু’চামচ লেবুর রসের সঙ্গে এক চিমটি গোলমরিচ ও লবণের মিশ্রণ নাকে দিয়ে কয়েক মিনিট রাখুন। তারপর দেখুন যাদু।

তুলসী

চিকিৎসা শাস্ত্রে তুলসী পাতার কদর বহুগুণ। কয়েকটি তাজা পাতা সকালের নাস্তার আগে চিবোলে বন্ধ নাক খুলে যাবে। সকালে তুলসী চাও সমাধান হতে পারে।

আদা

প্রদাহবিরোধী উপাদান থাকায় আদা সর্দি কমাতে পারে। ভালো ফল পেতে আদা চা বা আদার টুকরা চিবানো যেতে পারে। বন্ধ নাকের চিকিৎসায় আদার ব্যবহার সব থেকে কার্যকরী।

তবে সমস্যা তীব্র হলে অ্যালার্জির ওষুধ ও চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নাকের স্প্রে ব্যবহার করতে পারেন।

অর্থসংবাদ/এমআই

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

লাইফস্টাইল

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে উপকারী চার ফল

Published

on

লাফার্জ

বিশ্বব্যাপী অনেক মানুষেরই ডায়াবেটিস রয়েছে। পারিবারিক ইতিহাস বা অস্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রা- যে কারণেই হোক না কেন, এটি নিয়ন্ত্রণ করা বেশ চ্যালেঞ্জিং হতে পারে। ডায়াবেটিস কখনো দূর হয় না, তবে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার মাধ্যমে এটি নিয়ন্ত্রণ করা যেতে পারে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলেন, ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে আমাদের খাদ্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। প্রতিদিন আমাদের খাদ্যতালিকায় কোন ধরনের খাবার যোগ করতে হবে বা বাদ দিতে হবে সে বিষয়ে অবশ্যই জানতে হবে। ডায়াবেটিসের জন্য উপকারী ৪টি ফল সম্পর্কে চলুন জেনে নেওয়া যাক-

১. আপেল

প্রতিদিন একটি আপেল যেমন ডায়াবেটিসকে দূরে রাখে তেমনি ডাক্তারকেও দূরে রাখে। এটি ডায়েটারি ফাইবার সমৃদ্ধ, ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য একটি উপযুক্ত ফল। আপেল খেলে তা রক্তে শর্করার মাত্রায় কোনো আকস্মিক স্পাইক সৃষ্টি করে না। তবে প্রতিদিন একটি আপেল খাওয়াই যথেষ্ট, এর বেশি প্রয়োজন নেই।
২. পেয়ারা

আপনার ডায়াবেটিস ডায়েটে পেয়ারা অন্তর্ভুক্ত করতে পারেন। এটি একটি কম গ্লাইসেমিক ইনডেক্স (GI), যার মানে এটি রক্তে শর্করার মাত্রা ধীরে ধীরে বৃদ্ধির দিকে নিয়ে যায়। ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ হেলথ (এনআইএইচ) অনুসারে, খোসা ছাড়া পেয়ারা ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে আরও কার্যকরী।

৩. কমলা

ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য কমলা একটি নিরাপদ ফল। এটি ফাইবার সমৃদ্ধ এবং এতে কম জিআই রয়েছে, যা আপনার ডায়েটে একটি দুর্দান্ত সংযোজন হতে পারে। এগুলো উপভোগ করার সবচেয়ে ভালো উপায় হলো বাড়িতে তাজা জুস তৈরি করে খাওয়া।

৪. কিউই

একটি ফল যা আপনি কোনো চিন্তা ছাড়াই খেতে পারেন তা হলো কিউই। এটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে সমৃদ্ধ এবং এই ফল খেলে গ্লুকোজ ধীরে ধীরে রক্ত ​​প্রবাহে মেশে। আপনি এটি সালাদে যোগ করতে পারেন, স্মুদি তৈরি করে খেতে পারেন বা এটি কাঁচাই খেতে পারেন।

খেয়াল রাখুন

যারা ডায়াবেটিসে আক্রান্ত বা যাদের ক্ষেত্রে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি রয়েছে তারা নিয়মিত এই ফলগুলো খেতে পারেন। তবে ভরা পেটে মানে খাওয়ার পরপরই কোনো ফল খাবেন না। কারণ ফল হজম হতে কম সময় লাগে অপরদিকে প্রোটিন বা কার্বোহাইড্রেট হজমে তার চেয়ে বেশি সময় নেয়। তাই অন্যান্য খাবারের সঙ্গে ফল খেলে তখন হজমে সমস্যা হতে পারে। এতে শরীর পুষ্টি থেকেও বঞ্চিত হয়। তাই মূল খাবারের অন্তত আধা ঘণ্টা আগে বা পরে ফল খাবেন।

কাফি

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

লাইফস্টাইল

বাতের ব্যথা বাড়িয়ে দেয় যেসব খাবার

Published

on

লাফার্জ

বাতের ব্যথার যন্ত্রণা ভুক্তভোগী মাত্রই জানেন। এই সমস্যার কারণে আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল হয়ে যেতে পারে। হাড়ের ভেতরে ব্যথা এবং ফোলাভাব বাড়তে শুরু করে বাতের সমস্যার কারণে। শুরুতেই এই সমস্যার দিকে মনোযোগী না হলে পরবর্তীতে ভুগতে হতে পারে। নিয়মিত যত্ন না নিলে সমস্যা পুরো শরীরে ছড়িয়ে পড়ে।

উদ্ভিজ্জ তেল
যারা বাতের সমস্যায় ভুগছেন তারা খাবার তৈরির ক্ষেত্রে ডায়েটে উদ্ভিজ্জ তেল ব্যবহার করবেন না। এ ধরনের তেলে উচ্চ ওমেগা এবং ফ্যাটি উপাদান থাকায় তা শরীরের পেশীগুলোর প্রদাহকে আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে। তাই বাতের সমস্যা থাকলে এ ধরনের তেল ব্যবহারের ক্ষেত্রে সতর্ক হোন।

কমলা
কমলা একটি উপকারী ফল, সন্দেহ নেই। কিন্তু আপনার যদি বাতের সমস্যা থাকে তাহলে কমলার মতো সাইট্রাস ফল খাওয়া এড়িয়ে চলুন। কারণ এই ফল ভিটামিন সি সমৃদ্ধ, তাই এটি হাড়ের উপরে জমে থাকা ক্যালসিয়ামের স্তরকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। যে কারণে কমলা বা লেবু জাতীয় ফল খেলে বাড়ে বাতের সমস্যা।

বেগুন
বেগুন ভাজা অনেকেরই পছন্দের খাবার। কিন্তু এই বেগুন বাতের রোগীদের জন্য উপকারী নয়। কারণ এতে সোলানাইন নামে একটি যৌগ বেশি থাকে, যা বাতের সমস্যার ক্ষেত্রে ক্ষতিকর। তাই বাতের ব্যথায় ভুগলে বেগুন খাওয়া বাদ দিন। কারণ এমন অবস্থায় বেগুন খেলে হাড় দুর্বল হয়ে পড়ে।

কফি
কফি পান করতে পছন্দ করেন? কিন্তু আপনার যদি বাতের সমস্যা থাকে তাহলে কফি পান করা বাদ দিতে হবে। কারণ এতে থাকে উচ্চ মাত্রার ক্যাফেইন। এটি হাড় দুর্বল করে জয়েন্টের ব্যথা বাড়িয়ে দেয়। তাই যাদের বাতের সমস্যা আছে তারা এ ধরনের পানীয় পান থেকে বিরত থাকুন।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

লাইফস্টাইল

কেউ বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হলে তৎক্ষণাৎ কী করবেন

Published

on

লাফার্জ

প্রত্যেকের বাড়িই নানা ধরনের যন্ত্রে ভর্তি। তার বেশির ভাগই বিদ্যুৎচালিত। এর যে কোনোটি থেকেই আচমকা কেউ কখনও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হতে পারেন। এমন ঘটনা যদি ঘটে, তাহলে কী করবেন, তা আগে থেকে জেনে রাখা দরকার।

• প্রথমেই মনে রাখতে হবে- কেউ বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হলে, সেই অবস্থায় তার গায়ে হাত দেওয়া যাবে না। তাহলে যিনি হাত দেবেন বা আক্রান্তকে বিদ্যুৎ থেকে মুক্ত করতে যাবেন তিনিও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হবেন।

• কেউ বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হলে সঙ্গে সঙ্গে বাড়ির মেইন সুইচ-টি বন্ধ করে দিতে হবে।

• কাঠের বা প্লাস্টিকের লাঠি দিয়ে ধাক্কা দিয়ে আক্রান্তকে বিদ্যুতের উৎস থেকে আলাদা করতে হবে। কোনো ধাতব লাঠি ব্যবহার করা যাবে না।

• যদি লাঠি না থাকে, তাহলে একেবারে শুকনো কাপড় দিয়ে ধরে তাকে বিদ্যুতের উৎস থেকে আলাদা করতে হবে।

• এবার দেখতে হবে আক্রান্ত ব্যক্তির শ্বাস চলাচল স্বাভাবিক কিনা। যদি তা না হয়, যদি শ্বাস বন্ধ হয়ে যায়, তাহলে কৃত্রিমভাবে তার শ্বাস চালু করার চেষ্টা করতে হবে। পরিসংখ্যান বলছে, তিন মিনিটের ভেতরে শ্বাস চালু করা গেলে বেশির ভাগ আক্রান্তই বেঁচে যান।

আক্রান্তের যত্ন নেবেন যেভাবে

• আক্রান্ত মানুষটির শ্বাস স্বাভাবিক থাকলে তাকে চিৎ করে শুইয়ে দিন। কোমর থেকে পা একটু উঁচু জায়গায় রাখুন। এতে শ্বাস নিতে সুবিধা হবে।

• আক্রান্তের গলা শুকিয়ে গেলে অল্প পানি খেতে দিন। গায়ে বা মাথায় পানি লাগতে দেবেন না।

• আক্রান্ত মানুষটি যদি কিছু খেতে পারেন, তাহলে তাকে গরম দুধ বা চা দিন।

মনে রাখবেন, এ সবের পরেও চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। এমন দুর্ঘটনা ঘটলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। আর বিদ্যুতের যে উৎস থেকে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে, কোনো পেশাদারকে ডেকে সেই জায়গাটির মেরামত করিয়ে নিন।

কাফি

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন
লাফার্জ
অর্থনীতি1 hour ago

পাবনায় কমেছে রসুনের দাম

সৌরবিদ্যুৎ
আন্তর্জাতিক2 hours ago

সৌরবিদ্যুৎ প্যানেল বসাতে লাখ টাকা প্রণোদনা দিবে ভারত

লাফার্জ
শিল্প-বাণিজ্য2 hours ago

স্থলবন্দর ও শুল্ক স্টেশনের চার্জ সহনীয় করার দাবি ব্যবসায়ীদের

লাফার্জ
টেলিকম ও প্রযুক্তি2 hours ago

রক্ষণাবেক্ষণের কাজ স্থগিত, স্বাভাবিক থাকবে ইন্টারনেট পরিষেবা

দেশে মূল্যস্ফীতি কমাতে নীতি সুদহার বৃদ্ধি
অর্থনীতি2 hours ago

আর্থিক প্রতিষ্ঠানে ১৫ পরিচালকের বেশি নয়

লাফার্জ
রাজধানী2 hours ago

বেইলি রোডের কাচ্চি ভাই রেস্তোরাঁর ভবনে আগুন

লাফার্জ
কর্পোরেট সংবাদ3 hours ago

ব্র্যাক ব্যাংক ও জেপি মরগান চেজ ব্যাংকের মধ্যে চুক্তি

লাফার্জ
আবহাওয়া3 hours ago

আগামী সপ্তাহে বৃষ্টিপাতের আভাস দিলো আবহাওয়া অফিস

লাফার্জ
জাতীয়3 hours ago

মন্ত্রিসভায় শিগগিরই আসতে পারে নতুন মুখ

লাফার্জ
জাতীয়3 hours ago

রাষ্ট্রপতি পুলিশ পদক পেলেন হামিদা পারভীন

Advertisement
Advertisement

ফেসবুকে অর্থসংবাদ

২০১৮ সাল থেকে ২০২৩

অর্থসংবাদ আর্কাইভ

তারিখ অনুযায়ী সংবাদ

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১