Connect with us

পুঁজিবাজার

নির্বাচনের পর পুঁজিবাজারে বড় পরিবর্তনের আশা বিএসইসি চেয়ারম্যানের

Published

on

পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম বলেছেন, আমাদের ক্যাপিটাল মার্কেট নিয়ে কোনো সমস্যা নেই। সমস্যা হচ্ছে আন্তর্জাতিক। সেসব সমস্যা অভ্যন্তরীণ সমস্যায় পরিণত হয়েছে। বাইরের বিভিন্ন সমস্যা আমাদের উপর এসে পরেছে। কিন্তু নির্বাচন পরর্তী সময়ে বড় ধরনের ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। কারণ মানুষের মানসিকতা পরিবর্তন হবে। পরবর্তী পাঁচ বছরের জন্য ব্যবসায়ী, ব্যাংক এবং অন্য প্রতিষ্ঠান তৈরি হবে। আর বিদেশিদের বিনিয়োগ নির্বাচনের পর আসা শুরু হবে। পুঁজিবাজারের জন্য কি প্রত্যাশা ছিলো এবং কি পেয়েছেন? অর্থসংবাদের একান্ত সাক্ষৎকারে এসব বিষয় জানতে চাইলে বিএসইসি চেয়ারম্যান এমন মন্তব্য করেন। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন অর্থসংবাদের নিজস্ব প্রতিবেদক কাফিল আহমেদ।

এসময় তিনি বলেন, ক্যাপিটাল মার্কেট বলতে সবাই সেকেন্ডারি মার্কেটকেই মনে করেন। অথচ পুঁজিবাজারে অনেক ধরণের প্রোডাক্ট রয়েছে। যেমন গত একবছরে বন্ড মার্কেট সাংঘাতিকভাবে উন্নতি হয়েছে। ট্রেজারি বন্ড, ট্রেজারি বিল ইতিমধ্যেই চলে এসেছে, ট্রেড শরু হয়ে গেছে। বিভিন্ন রকমের সুকুক এবং অনান্য বন্ড আমারা নিয়ে আসছি। সামনে অরেঞ্জ বন্ড, পিংক বন্ড আসবে। ডেরিভেটিবস নিয়ে কাজ হচ্ছে এবং আসা শুরু হয়ে গেছে। সেন্ট্রাল কাউন্টারপার্টি বাংলাদেশ লিমিটেড (সিসিবিএল) একটিভ হয়ে যাচ্ছে। আমাদের কমোডিটি এক্সচেঞ্জ চলে আসবে।

বিএসইসি চেয়ারম্যান বলেন, আমাদের কাছে সেকেন্ডারি মার্কেট ক্যাপিটাল মার্কেট না, আমাদের আগের কমিশনগুলো সেকেন্ডারি মার্কেটকে ক্যাপিটাল মার্কেট মনে করতো। ক্যাপিটাল মার্কেটের সব অঙ্গগুলোই ছিলো না। আপনারা সেকেন্ডারি মার্কেটকে ভাবতেন ক্যাপিটাল মার্কেট, এটা ভুল ধারণা। আমাদের পূর্ববর্তী যারা ছিলেন কেউ কেউ পত্রিকাতে শুনি আমাদের সমোচলনা করে। ওনারা যখন দায়িত্বে ছিলেন তখন ক্যাপিটাল মার্কেটের উপাদান নিয়েও চিন্তা করেনি। ওনারা কেন করেননি সেটা আমার প্রশ্ন। যেই উপাদানগুলো অনুপস্থিত ছিলো, সেগুলো নিয়ে আমরা কাজ করছি। সেগুলো যদি বিশ বছর আগে আসতো আজকে বাংলাদেশের ক্যাপিটাল মার্কেটের চেহারা সম্পূর্ণ আলাদা থাকতো। আমরা এখন কাজ করছি, রেজাল্ট হয়তো দু-চার-পাঁচ বছর পর আপনারা পাবেন। আমরা করোনা যুদ্ধ সবকিছুর মধ্যে ক্যাপিটাল মার্কেটের মিসিং উপাদানগুলো নিয়ে আসছি। এখন সেগুলো আসতে আসতে বড় হয়ে ঠিক হওয়ার পর আপনারা একটা সঠিক ক্যাপিটাল মার্কেট পাবেন। আর যেটা সেকেন্ডারি মার্কেট সেটা আন্তর্জাতিক কারণে ফ্লোর প্রাইসের মতো বিভিন্ন পরিকল্পনা করতে হয়েছে। পুঁজিবাজারের পুঁজি চলে যাওয়ার কারণে আমাদের সরকারের বার বার বদনাম হয়। এটার কারণ কখনো সরকার না, এটার কারণ কিছু গ্রুপ, কিছু ব্যক্তি। যারা ৮০ শতাংশ রিটেইলার যে মার্কেটে তাদের কথা চিন্তা না করে বিভিন্ন এ্যাকশন নেয়। আর আমরা যেটা করছি তাতে সমালোচনা হয়, হোক। আমরা আগে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের পুঁজি নিরাপত্তা দিচ্ছি। কারণ তারা ৮০ শতাংশ এই মার্কেটের। অথচ যেই মার্কেটে ইনস্টিটিউশনাল ইনভেস্টর ৮০ শতাংশ তাদের সাথে আমাদের তুলনা করা হচ্ছে। তাদের মতো সিদ্ধান্ত নিলে আজকে আমাদের দেশের মানুষ নিঃস্ব হয়ে চলে যাবে।

‘আমরা যেভাবে কাজ করছি তাতে মার্কেটের ক্যারেক্টার পরিবর্তন হলে আস্তে আস্তে ইনস্টিটিউশনাল ইনভেস্টর বাড়বে। যেভাবে আমরা লাইসেন্স দিচ্ছি, অনুমোদন দিচ্ছি, বড় বড় গ্রুপগুলোকে বাজারে নিয়ে আসছি। এটা হয়ে গেলে তখন আমরা বিদেশের সাথে অনেক কিছু একসাথে রাখতে পারবো। ইতিমধ্যে দেশে-বিদেশের বড় বড় ইনভেস্টর আসা শুরু হয়েছে। সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ক্ষতি করে পুঁজি নষ্ট হওয়ার সুযোগ আমরা কখনো হতে দেবো না। পুঁজিকে নিরাপদ করে তারপর লাভ-লোকসান যা হওয়ার হবে। ’

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর উদ্যোক্তা পরিচালক বা শেয়ারহোল্ডার পরিচালকদের সমন্বিত শেয়ার ধারণ পরিশোধিত মূলধনের ন্যূনতম ৩০ শতাংশ থাকার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আগেতো এসব নিয়ে কেউ খেয়াল করেনি। এখন এই দিকে খেয়াল করে এটার সংখ্যা ১৩-১৪ টায় নিয়ে আসছি। এই কোম্পানিগুলো যারা ৩০ শতাংশ শেয়ার ধারন করতে এখনো ব্যথ হয়েছে, এর মধ্যে ৭-৮টা কোম্পানির অবস্থা বেশি দুর্বল। আর যেগুলো আছে তাদেরকে আমরা খুব চাপে রেখেছি। যেভাবে ঠিক করার কথা ছিলো আর্থিক অবস্থার কারণে সেটা তারা পারছে না। সেটার জন্য বোর্ডে হাত দিলে সেটা নিয়েও সমলোচনা হবে। তাদেরকে সময় দিয়েছি কিন্তু চাপে রেখেছি, তাদের কিন্তু ৩০ শতাংশ শেয়ার ধারন করতেই হবে।

বিএসইসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম বলেন, অনেক ভালো বড় বড় কোম্পানি ছিলো যারা এখন রাইট বোনাস শেয়ার নিয়ে আসছে। তাদেরও কিন্তু ফ্লোটিং কম ছিলো। তাদেরও কিন্তু ১০ শতাংশ বাজারে ছিলো না। সেসব কোম্পানিগুলো এখন রাইট বোনাস নিয়ে আসছে আইনকে প্রতিপালন করার জন্য। বড় বড় কোম্পানির ফ্লোটিং না থাকার কারণে একটা শেয়ারের দাম হাজার হাজার টাকা হয়ে আছে। কেন হবে এরকম? কারণ ফ্লোটিং নাই। এসব কোম্পানির শেয়ার বাজারের মানুষের কাছে তেমন নেই, সব কোম্পানি বা তাদের নিজস্ব লোকজনের কাছে। এগুলো সব এখন ঠিক করা হচ্ছে।

আমরা সব দিক দিয়ে এগিয়ে যাচ্ছি জানিয়ে বিএসইসি চেয়ারম্যান বলেন, আমাদের স্থির অবস্থা বা পিছন দিকে পাবেন না। আগাতে গিয়ে আমাদের বাস্তবতাকেও গুরুত্ব দিতে হয়। অর্থনৈতিক অবস্থা সবারই ভালো না। ব্যবসা-বাণিজ্য সবারই ভালো যায় না। এগুলোও বিবেচনা করতে হয়। মানুষকে শাস্তি দিলেই হবে না বাস্তবতা বুঝতে হবে, মানুষের উপর অশান্তি তৈরি করে কখনো ভালো কিছু হবে না।

ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প নিয়ে গঠিত (এসএমই) মার্কেটে অনেক কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন ৩০ থেকে ৪৫ কোটি টাকা কিন্তু মূল মার্কেটে দেড় বা দুই কোটি টাকা পেইডআপ, সেসব কোম্পানি সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এরকম কোম্পানির সংখ্যা এখন কমে গেছে। এটা ৫০টিরও বেশি ছিলো। এখন সম্ভবত এর সংখ্যা ১২ বা ১৩টা। তার মধ্যে ৬-৭ টা তো নাই। যেগুলো আছে সেগুলো এখন ঠিক করা হচ্ছে।

সরকারি কোম্পানিগুলোর বিষয়ে তিনি বলেন, কোম্পানিগুলোর বোর্ড এবং গভর্নিং বডি তারা আমাদের কর্পোরেট গভর্নেন্স রেগুলেটরি এজিএমের মধ্যে আসতে নিরুৎসাহিত। ভালো ভালো প্রতিষ্ঠানগুলো যদি আসতো সরকারের রাজস্ব খাতে অনেক সুবিধা হতো এবং সরকার তার ইক্যুইটি বা ইনভেস্টমেন্ট ফেরৎ পেয়ে শক্তিশালী হয়ে যেতো। কোম্পানিগুলো উৎসাহ না থাকার পিছনে কারণ তাদের বোর্ডগুলো। কোনো রকম গভর্নেন্সের আওতায় তারা ইচ্ছা করে আসতে চায় না। এর বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানে গভর্নেন্সে সমস্যা আছে এবং লস করছে। আমার মনে হয় তাদের মধ্যে ভালো কোনো বোর্ড আসবে। তারা তখন তাদের ভালোর জন্য চ্যালেঞ্জ নিয়ে আন্তর্জাতিক মানে যাওয়ার জন্য কর্পোরেট গভর্নেন্স কোড ফলো করে সব মেনে চলবে।

পুঁজিবাজার নিয়ে মিথ্যা তথ্য ও গুজব ছড়ালে আপনাদের পদক্ষেপ কি জানতে চাইলে চেয়ারম্যান বলেন, গুজব বা সোশ্যাল মিডিয়ায় মিথ্যা তথ্য দেওয়ার কারণে অনেক লোক গ্রেফতার হয়েছে এবং জেলেও গেছে। যারা গুজব ছাড়ায় তাদের বিরুদ্ধে সাথে সাথে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। যেটা আমরা পাবলিকলি প্রকাশ করি না। ফলে অনেকে না জেনে গুজবে লিপ্ত হয়ে নিজের এবং পারিবারিক জীবনে অশান্তি ভোগ করছেন।

অর্থসংবাদ/কাফি

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পুঁজিবাজার

সপ্তাহের ব্যবধানে ডিএসইর লেনদেন কমেছে ৫৫ শতাংশ

Published

on

ডিএসই

বিদায়ী সপ্তাহে (১৮ ফেব্রুয়ারি-২২ ফেব্রুয়ারি) দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সব মূল্য সূচকের পতন হয়েছে। সেই সঙ্গে লেনদেন ও বাজার মূলধন কমেছে। আলোচ্য সপ্তাহে ডিএসইর লেনদেন কমেছে ৫৪ দশমিক ৭০ শতাংশ।

ডিএসইর সাপ্তাহিক বাজার পর্যালোচনায় এ তথ্য জানা গেছে।

আলোচিত সপ্তাহে ডিএসইতে ৩ হাজার ৩৭০ কোটি ১৪ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। আগের সপ্তাহে লেনদেন হয়েছিল ৭ হাজার ৪৪০ কোটি ৩৯ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট। এক সপ্তাহে ডিএসইতে লেনদেন কমেছে ৪ হাজার ৭০ কোটি ২৫ লাখ টাকা বা ৫৪ দশমিক ৭০ শতাংশ।

গত সপ্তাহের শুরুতে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের বাজার মূলধন ছিল ৭ লাখ ৬৬ হাজার ৪৬৬ কোটি ৮৬ লাখ ৮০ হাজার ৫৩৮ টাকা। সপ্তাহ শেষে বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ৭ লাখ ৬২ হাজার ১৪ কোটি ৭৪ লাখ ৫৬ হাজার ৮০১ টাকায়। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের বাজার মূলধন কমেছে ৪ হাজার ৪৫২ কোটি ১২ লাখ ২৩ হাজার ৭৩৭ টাকা বা ০ দশমিক ৫৮ শতাংশ।

সপ্তাহ শেষে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের প্রধান সূচক ‘ডিএসইএক্স’ ৬২ দশমিক ৩০ পয়েন্ট কমেছে। বর্তমানে সূচকটি অবস্থান করছে ৬ হাজার ২৭৩ পয়েন্টে। সপ্তাহের শুরুতে সূচকটি ছিল ৬ হাজার ৩৩৬ পয়েন্টে।

প্রধান সূচকের সঙ্গে ‘ডিএসই এস’ সূচক ২১ দশমিক ৬৯ পয়েন্ট কমেছে। আর ‘ডিএস-৩০’ সূচক কমেছে ১৭ দশমিক ৪৯ পয়েন্ট।

আলোচিত সপ্তাহে ডিএসইতে ৪০৯টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দাম বেড়েছে ১২১টির। আর ২৪৭টি কোম্পানির শেয়ারের দাম কমেছে। এসময়ে ৩০টি কোম্পানির শেয়ারের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।

এসএম

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

পুঁজিবাজার

এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজের আইপিওর শেয়ার বরাদ্দ

Published

on

ডিএসই

স্টক এক্সচেঞ্জ ইলেক্ট্রনিক সাবস্ক্রিপশন সিস্টেমের (ইএসএস) মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে প্রো-রাটা ভিত্তিতে এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজ লিমিটেডের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) শেয়ার বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর নিকুঞ্জে ডিএসই টাওয়ারে অবস্থিত লিস্টিং হলরুমে এ বরাদ্দ দেওয়া হয়। ডিএসই থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- ডিএসইর প্রধান আর্থিক কর্মকর্তা ও প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা (ইনচার্জ) এজিএম সাত্বিক আহমেদ শাহ, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের প্রতিনিধি তানিয়া বেগম, এশিয়া ল্যাবরেটরিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মনির আহমেদ, নির্বাহী পরিচালক মাকসুদ আহমেদসহ কোম্পানিটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

পরবর্তীতে ডিএসই’র লিস্টিং অ্যাফেয়ার্স সিনিয়র ম্যানেজার স্নেহাশীষ চক্রবর্তী প্রো-রাটা ভিত্তিতে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে শেয়ার বরাদ্দের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

কোম্পানিটির বিনিয়োগকারীদের জন্য মোট ৯৫ কোটি টাকার বিপরীতে ৩৯৪ কোটি ৭১ লাখ ৪ হাজার ৭০০ টাকার আবেদন জমা পড়ে, যা প্রতিটি শেয়ারের বিপরীতে ৪.১৬ গুণ বেশি।

ফলে, প্রতি ১০ হাজার টাকা আবেদনের বিপরীতে নিবাসী বাংলাদেশি বিনিয়োগকারীরা ৮৬টি শেয়ার এবং অনিবাসী বাংলাদেশি বিনিয়োগকারীরা ১৪৩টি শেয়ার বরাদ্দ পেয়েছেন।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

পুঁজিবাজার

রাইট শেয়ার ইস্যু করবে জেমিনি সি ফুড

Published

on

ডিএসই

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত জেমিনি সি ফুড পিএলসির পরিচালনা পর্ষদ রাইট শেয়ার ইস্যুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কোম্পানির পর্ষদ সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কোম্পানি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্র মতে, কোম্পানিটি ২:১ অনুপাতে (বিদ্যমান ১টি শেয়ারের বিপরীতে ২টি রাইট) রাইট শেয়ার ইস্যু করবে। এ জন্য কোম্পানিটি ৫০ টাকা প্রিমিয়ামসহ রাইট শেয়ারের ইস্যু মূল্য নির্ধারণ করেছে ৬০ টাকা।

জেমিনি সি ফুড রাইটের মাধ্যমে উত্তেলিত অর্থ দিয়ে ঋণ পরিশোধ, ব্যবসা সম্প্রসারণ এবং ইস্যু ম্যানেজারের ফি পরিশোধ করবে।

কোম্পানিটি রাইট শেয়ারে সম্মতির জন্য আগামী ১৮ মার্চ ১১টায় ডিজিটাল প্লাটফর্মের মাধ্যমে বিশেষ সাধারণ সভা (ইজিএম) করবে।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

পুঁজিবাজার

র‌্যানকন মোটরবাইকের পনেরশো মিলিয়ন টাকার বন্ড অনুমোদন

Published

on

ডিএসই

বন্ড ছেড়ে পুঁজিবাজার থেকে এক হাজার ৫০০ (পনেরশো) মিলিয়ন টাকা উত্তোলনের অনুমোদন পেয়েছে র‍্যানকন মোটরবাইক লিমিটেড। বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জে কমিশন (বিএসইসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ৯০১তম কমিশন সভায় এ অনুমোদন দেয়া হয়।

কমিশন সভা শেষে বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মোহাম্মদ রেজাউল করিম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, র‍্যানকন মোটরবাইকের এক হাজার ৫০০ মিলিয়ন টাকার বন্ডটি হবে আনসিকিউরড, নন-কনভার্টিবল, ফুল্লি রিডিমেবল জিরো কুপন বন্ড।

বন্ডটি প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ও উচ্চ সম্পদশালী একক বিনিয়োগকারীদের নিকট ইস্যু করা হবে। যার অভিহিত মূল্য ২০৮১.৭১ মিলিয়ন টাকা। এই বন্ডের প্রতি ইউনিটের অভিহিত মূল্য ১ লক্ষ টাকা। এটি ১২ থেকে ১১ শতাংশ ডিসকাউন্টে বিক্রি করা হবে।

এই বন্ড ইস্যুর মাধ্যমে অর্থ উত্তোলন করে কোম্পানিটি ব্যাংক ঋণের কিছু অংশ পুনঃঅর্থায়ন করার পরিকল্পনা করছে।

বন্ডটির ট্রাস্টি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে কমিউনিটি ব্যাংক ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড এবং অ্যারেঞ্জারের দ্বায়িত্বে থাকবে সিটি ব্যাংক ক্যাপিটাল রিসোর্সেস লিমিটেড। এছাড়াও উক্ত বন্ডটি অলটারনেটিভ ট্রেডিং বোর্ডে তালিকাভুক্ত হবে।

এসএম

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

পুঁজিবাজার

প্যারামাউন্ট টেক্সটাইলের বন্ড অনুমোদন

Published

on

ডিএসই

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বস্ত্র খাতের কোম্পানি প্যারামাউন্ট টেক্সটাইল পিএলসির ২৫০ কোটি টাকার বন্ড অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জে কমিশন (বিএসইসি)।

বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) বিএসইসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ৯০১তম কমিশন সভায় এ অনুমোদন দেয়া হয়। কমিশন সভা শেষে বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মোহাম্মদ রেজাউল করিম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, প্যারামাউন্ট টেক্সটাইলের ২৫০ কোটি টাকার বন্ডটি হবে আনসিকিউরড, নন-কনভার্টিবল, ফুল্লি রিডিমেবল জিরো কুপন বন্ড।

বন্ডটি প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ও উচ্চ সম্পদশালী একক বিনিয়োগকারীদের নিকট ইস্যু করা হবে। এই বন্ডের প্রতি ইউনিটের অভিহিত মূল্য ১০ লক্ষ টাকা।  এটি ৯ থেকে ১২ শতাংশ ডিসকাউন্টে বিক্রি করা হবে।

এই বন্ড ইস্যুর মাধ্যমে অর্থ উত্তোলন করে কোম্পানিটি আর্থিক খরচ ন্যূনতমকরণ এবং ব্যবসায় সম্প্রসারণে ব্যবহার করবে।

বন্ডটির ট্রাস্টি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে সেনা কল্যান ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড এবং অ্যারেঞ্জারের দ্বায়িত্বে থাকবে এনডিবি ক্যাপিটাল লিমিটেড। এছাড়াও উক্ত বন্ডটি অলটারনেটিভ ট্রেডিং বোর্ডে তালিকাভুক্ত হবে।

এসএম

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন
ডিএসই
সারাদেশ19 mins ago

নাটোরে বিয়ে করতে এসে ধরা দুই কিশোরী

ডিএসই
অর্থনীতি42 mins ago

বিনিয়োগে প্রযুক্তির সুবিধা নিতে হবে: বিডা চেয়ারম্যান

ডিএসই
আন্তর্জাতিক59 mins ago

অনুমতি ছাড়া হজ করলে কঠোর শাস্তির হুঁশিয়ারি সৌদির

ডিএসই
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার1 hour ago

ঢাবির ‌‘সি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা আগামীকাল

বিশ্ববাজারে তেলের দাম ফের বেড়েছে
আন্তর্জাতিক2 hours ago

বিশ্ব বাজারে আরও কমলো জ্বালানি তেলের দাম

ডিএসই
জাতীয়2 hours ago

ওআইসি সম্মেলনে যোগ দিতে তুরস্কে তথ্য প্রতিমন্ত্রী

ডিএসই
পুঁজিবাজার3 hours ago

সপ্তাহের ব্যবধানে ডিএসইর লেনদেন কমেছে ৫৫ শতাংশ

ডিএসই
আন্তর্জাতিক3 hours ago

শিশুর সামনে ধূমপান করলে দেড় লাখ টাকা জরিমানা

ডিএসই
শিল্প-বাণিজ্য5 hours ago

বাংলাদেশে ৫০ হাজার টন পেঁয়াজ রফতানি করবে ভারত

ডিএসই
অর্থনীতি7 hours ago

দেশে ডলার সংকট নেই: সালমান এফ রহমান

Advertisement
Advertisement

ফেসবুকে অর্থসংবাদ

২০১৮ সাল থেকে ২০২৩

অর্থসংবাদ আর্কাইভ

তারিখ অনুযায়ী সংবাদ

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯