কাজের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ ও পরিশ্রমই সফলতার চাবিকাঠি

ডেস্ক রিপোর্টার প্রকাশ: ২০১৯-১২-২৩ ০২:২৬:৩৩, আপডেট: ২০১৯-১২-৩০ ০৮:৫৪:২৬

মানুষের জীবনের সাথে সফলতা যেমনিভাবে জড়িত, ঠিক ব্যর্থতাও একইভাবে সম্পৃক্ত হয়। এমন কাউকেই খুঁজে পাওয়া যাবেনা যিনি সফলতা চান না! তারপরও ব্যর্থতা মানুষের জীবনে কেন আসে? কর্মের ফলই জীবনে ব্যর্থতা টেনে নিয়ে আসে। অধিকাংশ মানুষই সফল হতে যা দরকার তা করেন না । কেউ হয়তো জানেই না সফলতার গোপন সূত্র কি? একই কাজে একজন সফল হয় আবার অন্য জন সফলতার স্বাদ নিতে সুযোগই পান না। তেমনি একজন সফল মানুষ এবং প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী ড. যশেদা জীবন দেবনাথ সিআইপি। যিনি একান্ত নিজের চেষ্টায় উঠে এসেছেন সফলতার শিখরে। দেশের তরুণদের অনুপ্রেরণা দিতে সম্প্রতি অর্থসংবাদ– এর সাথে নিজের সফলতার অভিজ্ঞতার কথা শেয়ার করেছেন তিনি ।

দেশের ব্যাংকিং খাতের ডিজিটাইজেশনে তার অবদান অনেক। সম্প্রতি অনুমোদন পাওয়া দেশের নতুন প্রজন্মের বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংক এর উদ্যোক্তা পরিচালক এবং টেকনো মিডিয়া লিমিটেড, মানি প্ল্যান্ট লিংক প্রাইভেট লিমিটেড ও পে-ইউনিয়নের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তিনি।

আরও পড়ুন- ‘শিক্ষা ব্যবস্থার সাথে কর্পোরেট যোগসূত্র না থাকায় দক্ষ জনশক্তি কম’

এছাড়াও তিনি প্রোটেকশন ওয়ান প্রাইভেট লিমিটেডের চেয়ারম্যান এবং বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজ ও ধানমন্ডি ক্লাবের পরিচালক। একই সাথে রাজেন্দ্র ইকো রিসোর্টস, বাইব্রেন্ড সফটওয়্যার বিডি লিমিটেড, কার্ডস এন্ড পেমেন্ট সল্যুশনস লিমিটেডসহ প্রতিষ্ঠা করেছেন একাধিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। ঢাকা ইউনিভার্সিটির আইবিএ থেকে পড়াশুনা করেছেন এবং পিএইচডি সম্পন্ন করেন আমেরিকার ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া থেকে । আলোচনার চুম্বক অংশ তুলে ধরা হলো…

অর্থসংবাদ: আপনার সাফলতার গোপন রহস্য কি?
যশেদা জীবন দেবনাথ: মানুষের চেষ্টা থাকলে সব কিছু করা সম্ভব। সহনশীলতা এবং ধৈর্য আর সফলতার জন্য চেষ্টা করাই হলো গোপন রহস্য । আমি মনে প্রাণে বিশ্বাস করি, মানুষের চেষ্টার ফলে যদি এক ফোটা ঘামও ঝরে সে ঘাম বিফলে যায় না। সফল হওয়ার জন্য গুড নেটোয়ার্কিং বড় ভূমিকা রাখে। আমি সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্তের ফলেই আজ এপর্যায়ে এসেছি। উন্নত টেকলজির ফলে বংলাদেশ উন্নতির দিকে যাচ্ছে। আর এর অবদান মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের। টেকনোলজি হলো বংলাদেশের বুম্বিং প্লাটফর্ম। সঠিক সময়ে সঠিক কাজ করলে অগ্রগতি ভালো হয়। আমি ফিন্যন্সিয়াল সেক্টরে কাজ করি এবং এ সেক্টরে কাজ শুরু করে যে পদক্ষেপগুলো নিচ্ছি তা যুগ-উপযোগী বলেই বর্তমানে ব্যাংকিং সেক্টরে ডিজিটাইজেশনের আমুল পরিবর্তন এসেছে ।

আরও পড়ুন- ‘আমাদের লোকাল ব্রান্ডকে গ্লোবাল মার্কেটে পরিচিত করাতে চাই’

অর্থসংবাদ: নতুন ব্যাংক হিসেবে বেঙ্গল কমার্সিয়াল ব্যাংকের বিশেষত্ব কি

যশেদা জীবন দেবনাথ: সারা বিশ্বে প্রতিনিয়ত রিসার্চ হচ্ছে এবং নতুন নতুন কন্সেপ্ট তেরী হচ্ছে । আর আমরা সে রকম নতুন ধ্যণধারনা কাজে লাগিয়ে ব্যাংকিং সেক্টরে নতুনত্ব নিয়ে আসবো যা আগে কেউ আনতে পারেনি। আমাদের টোটাল ব্যাংকিংটাই পরিচালিত হবে হাতের মুঠোয়। এ্যাকাউন্ট ওপেন থেকে শুরু করে সব কিছু হবে মোবাইলের মাধ্যমে। আমরা নতুন প্রযুক্তির এটিএম মেশিন আনার চেষ্টা করছি, যার মাধ্যমে টাকা উত্তলোন ও জমা দুটিই করা যাবে একই মেশিনে। বাংলাদেশ ডিজিটাইজেশনে অনেকদুর এগিয়ে গেছে । আগে আমরা যে সফটওয়ারগুলো বিদেশ থেকে আনা হতো তা এখন আমাদের ছেলে মেয়েরা দেশেই তৈরী করবে।

অর্থসংবাদ: দেশে দক্ষ জনশক্তি তৈরী করতে কি কি পদক্ষেপ নেওয়ার প্রয়োজন ?

যশেদা জীবন দেবনাথ: আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থার সাথে বাস্তব কাজের কোনো মিল নেই। আমদের দেশে কারিগরি শিক্ষার উপর কোন গুরুত্ব দেওয়া হয়না। বাংলাদেশে কারিগরি শিক্ষার উপর গুরুত্বারোপ করা দরকার।

অর্থসংবাদ: সফলতার জন্য তরুনদেরকে কি উপদেশ দিবেন ?
যশেদা জীবন দেবনাথ: যেকোন কাজই হোকনা কেন, তার প্রতি শ্রদ্ধাবোধ থাকতে হবে। সফলতার জন্য চেষ্টা ও পরিশ্রম করতে হবে।

আমরা সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।