Connect with us

জাতীয়

৮০ শতাংশ জনসংখ্যাকে কীভাবে টিকার আওতায় আনা হবে জানতে চায় টিআইবি

Published

on

দেশের ৮০ শতাংশ জনসংখ্যাকে কীভাবে, কত সময়ের মধ্যে টিকার আওতায় নিয়ে আসা হবে সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা জানতে চেয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। এছাড়া সম্ভাব্য সব উৎস থেকে টিকা প্রাপ্তির জন্য জোর কূটনৈতিক তৎপরতা অব্যাহত রাখারও সুপারিশ করেছে প্রতিষ্ঠানটি। আর উন্মুক্ত প্রতিযোগিতার মাধ্যমে সক্ষমতাসম্পন্ন কোম্পানিগুলোকে নিজ উদ্যোগে স্থানীয়ভাবে টিকা উৎপাদনের সুযোগ দেয়ারও সুপারিশ করা হয়।

মঙ্গলবার (৮ জুন) ‘করোনাভাইরাস সঙ্কট মোকাবিলা: কোভিড-১৯ টিকা ব্যবস্থাপনায় সুশাসনের চ্যালেঞ্জ শীর্ষক’এক গবেষণাপত্র প্রকাশ অনুষ্ঠানে এসব সুপারিশ করা হয়। অনলাইনে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান, নির্বাহী ব্যবস্থাপনা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. সুমাইয়া খায়ের, রিসার্চ অ্যান্ড পলিসির পরিচালক মোহাম্মদ রফিকুল হাসান প্রমুখ।

গবেষণাপত্রে বলা হয়, বিজ্ঞানভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ না করে অপরিকল্পিত ‘লকডাউন’ আরোপ করা হয়েছে। টিকার লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে দেশের মোট জনসংখ্যার ৮০ শতাংশ বা ১৩.৮ কোটি, যার জন্য প্রায় ২৮ কোটি ডোজ টিকার প্রয়োজন। সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে পরিকল্পিত উদ্যোগের ঘাটতির কারণে করোনার সংক্রমণ পুনরায় বৃদ্ধি পেয়েছে। এন্ট্রি পয়েন্টগুলোতে (বিমান ও স্থলবন্দর) সংক্রমিত ব্যক্তি চিহ্নিতকরণ এবং কোয়ারেন্টাইন করার উদ্যোগের ঘাটতির কারণে নেগেটিভ সনদ ছাড়া যাত্রী পরিবহন, কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে সিট সঙ্কট, স্বল্প সময় কোয়ারেন্টাইনে থাকা ও পরীক্ষার ব্যবস্থা না থাকায় কোভিড-১৯ এর নতুন ধরনের অনুপ্রবেশ ঘটেছে।

স্বাস্থ্যবিধি বাস্তবায়নে সমন্বিত ‘আচরণ পরিবর্তনের’ উদ্যোগ নেয়া হয়নি। স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার নির্দেশনার কঠোর বাস্তবায়নেও ঘাটতি লক্ষ করা যায়। এছাড়া পৌরসভা নির্বাচন, রাষ্ট্রীয়, রাজনৈতিক ও সামাজিক অনুষ্ঠান আয়োজন, এবং পর্যটন কেন্দ্র খোলা রাখা হয়। উচ্চ নীতি নির্ধারণী পর্যায়ের ব্যক্তিদের করোনা নিয়ন্ত্রণের প্রচার ছিল উল্লেখযোগ্য।

Nogod-22-10-2022

র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন ও জিন এক্সপার্ট টেস্টের সম্প্রসারণ হলেও আরটি-পিসিআর পরীক্ষাগার এখনো ৩০টি জেলার মধ্যে সীমিত, এবং অধিকাংশ পরীক্ষাগার বেসরকারি। বাংলাদেশের বিদ্যমান আরটি-পিসিআর পরীক্ষায় কিছু নতুন স্ট্রেইন শনাক্তে সক্ষমতার ঘাটতি রয়েছে। অনেক কোভিড-ডেডিকেটেড হাসপাতাল বন্ধ করার ফলে আইসিইউসহ চিকিৎসা সঙ্কট ছিল।

বিভিন্ন হাসপাতালের কোভিড মোকাবিলায় বরাদ্দ ব্যয়ে দুর্নীতি অব্যাহত ছিল বলে লক্ষ করা গেছে। যেমন পাঁচটি হাসপাতালে ক্রয়, শ্রমিক নিয়োগ ও কোয়ারেন্টাইন বাবদ ৬২.৩ কোটি টাকা ব্যয়ে ৫ কোটি টাকার দুর্নীতি; ক্রয় বিধি লঙ্ঘন করে এক লাখ কিট ক্রয়; দর প্রস্তাব মূল্যায়ন, আনুষ্ঠানিক দর-কষাকষি, কার্য সম্পাদন চুক্তি, কার্যাদেশ প্রদানের ক্ষেত্রে বিধি লঙ্ঘন ও অনভিজ্ঞ প্রতিষ্ঠানকে ক্রয়াদেশ প্রদানের ঘটনা উদঘাটিত হয়েছে। করোনাকালে কারিগরি জনবলের ঘাটতি মেটাতে স্বাস্থ্য অধিদফতরের নিয়োগে জনপ্রতি ১৫-২০ লাখ টাকা ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। টিকার আনুষঙ্গিক উপকরণ ক্রয়ে দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত একটি প্রতিষ্ঠানকে ক্রয়াদেশ প্রদান করা হয়েছে বলে জানা যায়। কোনো হাসপাতালে শয্যা খালি নেই আবার কোনো হাসপাতালে রোগী নেই এমন পরিস্থিতি দেখা গেছে। উপযোগিতা যাচাই না করে হাসপাতাল নির্মাণ এবং তার যথাযথ ব্যবহার না করে হঠাৎ বন্ধ করে দেয়ায় ৩১ কোটি টাকার অপচয় হয়েছে।

এতে বলা হয় বাংলাদেশে টিকা প্রদানের প্রাথমিক লক্ষ্য ছিল ৩.৯৫ কোটি। এর মধ্যে রেজিস্ট্রেশন করেছে ৭১.৫ লাখ, প্রথম ডোজ টিকা পেয়েছে ৫৮.২ লাখ, এবং দ্বিতীয় ডোজ টিকা পেয়েছে ৩২.১ লাখ।

যৌক্তিক কারণ না দেখিয়ে টিকা আমদানিতে তৃতীয় পক্ষকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যার ফলে ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশ (২.১৯ ডলার), ভারত (২.৮ ডলার), আফ্রিকান ইউনিয়ন (৩ ডলার) এবং নেপালের (৪ ডলার) চেয়ে বেশি মূল্যে টিকা ক্রয় (৫ ডলার) করা হয়েছে। খরচ বাদে তৃতীয় পক্ষের প্রতি ডোজ টিকায় প্রায় ৭৭ টাকা করে মুনাফা হিসেবে প্রথম ৫০ লাখ ডোজ টিকা সরবরাহে ৩৮.৩৭ কোটি টাকা মুনাফা করেছে। এভাবে তিন কোটি ডোজে তাদের মোট লাভ হবে ২৩১ কোটি টাকা। সরকার সরাসরি সিরাম ইনস্টিটিউটের কাছ থেকে টিকা আনলে প্রতি ডোজে যে টাকা বাঁচতো তা দিয়ে ৬৮ লাখ বেশি টিকা ক্রয়ের চুক্তি করা যেত। অন্যদিকে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশ যেমন নেপালে সরাসরি এবং শ্রীলংকায় সরকারি ফার্মাসিউটিক্যাল করপোরেশনের মাধ্যমে সিরাম ইনস্টিটিউট থেকে টিকা ক্রয় করা হচ্ছে। তবে চীনের সঙ্গে সরকার সরাসরি ক্রয়-চুক্তি করেছে, এই চুক্তি অনুযায়ী চীনের টিকা বাংলাদেশ ১০ ডলার দিয়ে কিনছে যা বিশ্ব বাজারদরের (১০-১৯ ডলার) সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

এসব উত্তরণে আরও কিছু সুপারিশ করেছে টিআইবি। সেগুলো হলো:
সরকারি ক্রয় বিধি অনুসরণ করে সরকারি-বেসরকারি খাতের সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে সরাসরি আমদানির অনুমতি প্রদান করতে হবে। রাষ্ট্রীয় গোপন তথ্য ব্যতীত টিকা ক্রয় চুক্তি সম্পর্কিত সব তথ্য সবার জন্য উন্মুক্ত করতে হবে। পেশা, জনগোষ্ঠী ও এলাকাভিত্তিক সংক্রমণের ঝুঁকি, আক্রান্ত ও মৃত্যুর হার সমভাবে বিবেচনা করে অগ্রাধিকার তালিকা থেকে যারা বাদ পড়ে যাচ্ছে তাদের অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। সুবিধাবঞ্চিত ও প্রত্যন্ত এলাকা বিবেচনা করে টিকার নিবন্ধন প্রক্রিয়া ও টিকাদান কার্যক্রম সংস্কার করতে হবে; ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারের মাধ্যমে নিবন্ধন ও তৃণমূল পর্যায়ে টিকা কেন্দ্র স্থাপন করতে হবে।

সব কারিগরি ত্রুটি দূর করাসহ সবার জন্য বিভিন্ন উপায়ে নিবন্ধন প্রক্রিয়ার উদ্যোগ নিতে হবে (যেমন এসএমএসের মাধ্যমে, ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারের মাধ্যমে); সবার জন্য বাধ্যতামূলকভাবে নিবন্ধন কার্ড প্রিন্ট করার নিয়ম বাতিল করতে হবে। এলাকাভিত্তিক চাহিদা যাচাই করে টিকা সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে। টিকা প্রদান কার্যক্রমে টিকা কর্মীদের দক্ষতা বৃদ্ধি করতে হবে। টিকা কেন্দ্রে অভিযোগ নিরসন ব্যবস্থা প্রবর্তন করতে হবে; অভিযোগের ভিত্তিতে বিদ্যমান সমস্যা দূর করতে হবে ও অনিয়ম-দুর্নীতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

করোনাভাইরাস মোকাবিলার অন্যান্য কার্যক্রম সম্পর্কিত সুপারিশের মধ্যে রয়েছে-

কোভিড-১৯ মোকাবিলা কার্যক্রমে সংঘটিত অনিয়ম-দুর্নীতির ক্ষেত্রে দ্রুততার সঙ্গে তদন্ত ও দুর্নীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

কোভিড-১৯ মোকাবিলা কার্যক্রমের জন্য নির্ধারিত প্রকল্পসমূহ দ্রুততার সঙ্গে বাস্তবায়ন করতে হবে এবং এর অগ্রগতির চিত্র প্রকাশ করতে হবে।

স্টোরে ফেলে রাখা আইসিইউ, ভেন্টিলেটরসহ অন্যান্য যন্ত্রপাতি অতি দ্রুততার সঙ্গে ব্যবহারযোগ্য করতে হবে এবং সংক্রমণ হার বিবেচনা করে বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করতে হবে। সব জেলায় আরটি-পিসিআর পরীক্ষাগার স্থাপন করতে হবে।

বেসরকারি হাসপাতালের আইসিইউসহ কোভিড-১৯ চিকিৎসার খরচ সর্বসাধারণের আয়ত্তের মধ্যে রাখতে চিকিৎসা ফি’র সীমা নির্ধারণ করতে হবে।

শেয়ার করুন:
বিজনেস নিউজ পোর্টাল অর্থসংবাদে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Advertisement

জাতীয়

করোনা টিকার চতুর্থ ডোজ শুরু ২০ ডিসেম্বর

Published

on

দেশে করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) টিকার চতুর্থ ডোজ ২০ ডিসেম্বর থেকে দেওয়া শুরু হবে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

মঙ্গলবার (৬ ডিসেম্বর) দুপুরে মহাখালীতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কনফারেন্স রুমে অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আহমেদুল কবীর সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান।

ডা. আহমেদুল কবীর জানান, আগামী ২০ ডিসেম্বর রাজধানীর সাতটি হাসপাতালে পরীক্ষামূলকভাবে করোনা টিকার চতুর্থ ডোজ দেওয়া হবে। গর্ভবতী নারী, বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি এবং ফ্রন্ট লাইনারদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক আরও জানান, প্রতি কেন্দ্রে ন্যূনতম একশ জনকে টিকা দেওয়া হবে। এর পর দুই সপ্তাহ তাদের পর্যবেক্ষণে রাখা হবে। ১ জানুয়ারি থেকে সারা দেশে স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে থাকা ষাটোর্ধ্ব নাগরিকদের টিকা দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

Nogod-22-10-2022

অর্থসংবাদ/এসএম

শেয়ার করুন:
বিজনেস নিউজ পোর্টাল অর্থসংবাদে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

অর্থনীতি

এডিবি থেকে ২ হাজার কোটি টাকা পেল বাংলাদেশ

Published

on

এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) বাংলাদেশকে ২০ কোটি মার্কিন ডলার ঋণ দিয়েছে। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ ২ হাজার ৭৩ কোটি ৮০ লাখ টাকা।

মঙ্গলবার (৬ ডিসেম্বর) নগরীরর শেরে বাংলানগর এনইসি সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ সরকার এবং এডিবির মধ্যে এ ঋণচুক্তি সই হয়েছে।

মাইক্রো এন্টারপ্রাইজ ফাইন্যান্সিং অ্যান্ড ক্রেডিট অ্যানহ্যান্সমেন্ট প্রকল্পের আওতায় ২০ কোটি ডলারের ঋণচুক্তি ও প্রকল্পচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে ঋণচুক্তিতে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব শরিফা খান এবং এডিবির পক্ষে প্রতিষ্ঠানটির কান্ট্রি ডিরেক্টর এডিমন গিনটিং চুক্তিতে সই করেন।

Nogod-22-10-2022

বাংলাদেশ আবাসিক মিশন প্রকল্পচুক্তিতে সরকার কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত শীর্ষ আর্থিক প্রতিষ্ঠান পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনের (পিকেএসএফ) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. নমিতা হালদার এবং এডিবির কান্ট্রি ডিরেক্টর এডিমন গিন্টিং স্বাক্ষর করেন।

এ প্রকল্পের মাধ্যমে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা বিশেষ করে নারী উদ্যোক্তাদের ঋণ দেওয়া হবে। এ প্রকল্প ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের কাছে ঋণ সহজলভ্য করা এবং নারী উদ্যোক্তাদের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এ প্রকল্পের কার্যক্রম ৩১ ডিসেম্বর ২০২৭ সালে শেষ হবে।

১৯৭৩ সাল থেকে এডিবি বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান উন্নয়ন সহযোগী। এডিবি এ পর্যন্ত বাংলাদেশকে ২৭ দশমিক ২২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণ সহায়তা এবং শূন্য দশমিক ৫৩৭ বিলিয়ন ডলারের অনুদান সহায়তা দিয়েছে।

শেয়ার করুন:
বিজনেস নিউজ পোর্টাল অর্থসংবাদে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

জাতীয়

৩’শ কোটি মানুষের বাজার ধরতে বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান

Published

on

বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমাদের ভৌগলিক অবস্থানের কারণে বাংলাদেশ ৩০০ কোটিরও বেশি মানুষের বাজার হতে পারে। দেশের প্রায় ১৭ কোটি মানুষ তো আছেই।

মঙ্গলবার (৬ ডিসেম্বর) সকালে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) আওতাধীন জাপানিজ অর্থনৈতিক অঞ্চল আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।

এসময় নারায়ণগঞ্জ প্রান্তে উপস্থিত ছিলেন আড়াইহাজারের এমপি নজরুল ইসলাম বাবু, বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান শেখ ইউসুফ হারুন, জাপানের রাষ্ট্রদূত ইতো নওকি, জাপানের সুমিতুমো কর্পোরেশনের সভাপতি ও সিইও মাসা উকি হিউদো প্রমুখ।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোতে বিদেশি বিনিয়োগ আসছে। জাপানের পাশাপাশি ভারত, চীন, সৌদি আরবসহ আরও অনেকগুলো দেশ আগ্রহ প্রকাশ করেছে। যারা আসবে তারা যেভাবে চায় সেভাবেই অর্থনৈতিক অঞ্চলে সুযোগ দেবো। তারা যেভাবে উন্নয়ন করতে চায়, করতে পারবে।

Nogod-22-10-2022

বাংলাদেশ বিনিয়োগের সবচেয়ে আকর্ষণীয় জায়গা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, চমৎকার পরিবেশ আছে বাংলাদেশে। কারণ আমরা সব সুযোগ-সুবিধা দিচ্ছি। অবকাঠামো উন্নয়ন ও বিনিয়োগবান্ধব আইন করে দিয়েছি। বিনিয়োগকারীদের বিভিন্ন সেবা ও পরিসেবা অনুমোদনে ওয়ান স্টপ সার্ভিস চালু করা হয়েছে। কিছু জটিলতা থাকলেও আমরা সেটা নিরসন করছি। সবচেয়ে বড় বিষয়, বাংলাদেশের অবস্থান; বাংলাদেশ প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের মেলবন্ধন। এখান থেকে ভালো যোগাযোগ ব্যবস্থা রয়েছে। বাংলাদেশে বিনিয়োগ করলে সমুদ্রপথ, আকাশ ও রেলপথ ব্যবহার করে পণ্য পরিবহনের সুযোগ আছে।

শেখ হাসিনা জানান, নিজস্ব মার্কেটের পাশাপাশি দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে বড় বাজার রয়েছে। পাশাপাশি দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার সঙ্গেও আমাদের যোগাযোগ উন্নত করে দিয়েছি, তাদের সঙ্গে আমাদের সুসম্পর্ক রয়েছে, সেখানেও আমাদের বাজার আছে। কাজেই বিনিয়োগের সব থেকে উত্তম জায়গা বাংলাদেশ। ভৌগলিক অবস্থানের কারণে বাংলাদেশ ৩০০ কোটির বেশি মানুষের বাজার হতে পারে। প্রায় ১৭ কোটি মানুষ আমাদের নিজেদেরই। আর পূর্ব দিকে ৫০ কোটি, উত্তর দিকে ১৫০ কোটি, পশ্চিমে ১০০ কোটি মানুষের বাজার বিদ্যমান। যোগাযোগ অবকামো বৃদ্ধির ফলে বাংলাদেশ থেকে পণ্য পরিবহনের বিরাট সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। এই অর্থনৈতিক অঞ্চলে যারা এখানে বিনিয়োগ করবেন, নিজেরা সমৃদ্ধ হবেন, আমাদের দেশেরও উন্নতি হবে।

শেখ হাসিনা আরও বলেন, আমি আশা করি জাপানের এই উদ্যোগ অন্যদেরও আগ্রহী করবে। জাপানকে ধন্যবাদ জানাই, তারা আমাদের অনেক গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প করে দিচ্ছে। আমাদের ৫০ বছরের বন্ধুত্বের নিদর্শন। তাদের সঙ্গে আমাদের অংশীদারত্বে অনেক প্রকল্প আছে। ব্যবসাবান্ধব আরও অনেক প্রকল্প হবে আশা করি।

নারী উদ্যোক্তাদেরও বিশেষ সুবিধার কথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ কৃষিপ্রধান দেশ। কৃষিজমি যাতে নষ্ট না হয়। যত্রতত্র যেন শিল্প কলকারখানা না হয়। সেজন্য (কলকারখানার কারণে) যেখানে ফসল হয় না, সে জমিতে আমরা ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলার উদ্যোগ নিই। পরিবেশবান্ধব যাতে হয়, সে বিষয়টি বিশেষভাবে দৃষ্টি দিচ্ছি। এসব অর্থনৈতিক অঞ্চলে আমাদের প্রজন্মের পর প্রজন্ম নিজেদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলবে। নারী উদ্যোক্তাদেরও বিশেষভাবে আলাদা প্লট দেওয়া হবে। এরই মধ্যে ১০টি অর্থনৈতিক উৎপাদন শুরু করেছে। তাতে ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার উপার্জন করতে পারছি। ৫০ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে। এগুলোর সবই করছি- একদিকে পরিবেশ, অপরদিকে ভূমি রক্ষা করে।

অনুষ্ঠানে গণভবন প্রান্তে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যসচিব ড. আহমদ কায়কাউস ও প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের সিনিয়র সচিব তোফাজ্জল হোসেন মিয়া।

অর্থসংবাদ/এসএম

শেয়ার করুন:
বিজনেস নিউজ পোর্টাল অর্থসংবাদে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

অর্থনীতি

স্মারক স্বর্ণমুদ্রার দাম বাড়ালো কেন্দ্রীয় ব্যাংক

Published

on

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে কেন্দ্রীয় ব্যাংক মুদ্রিত স্মারক স্বর্ণমুদ্রার দাম প্রতিটি মুদ্রায় ৪ হাজার টাকা বাড়িয়ে পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছর তৃতীয় দফায় স্মারক স্বর্ণমুদ্রার দাম বাড়ানো হলো। যা মঙ্গলবার (৬ ডিসেম্বর) থেকে কার্যকর হবে।

সোমবার (৫ ডিসেম্বর) কেন্দ্রীয় ব্যাংক এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কেন্দ্রীয় ব্যাংক কর্তৃক মুদ্রিত ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস-২০০০’, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জন্মশতবর্ষ ১৯২০-২০২০’ এবং ‘স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ১৯৭১-২০২১’ শীর্ষক স্মারক স্বর্ণমুদ্রার মূল্য পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরোও বলা হয়, ২২ ক্যারেট স্বর্ণ দিয়ে প্রস্তুত করা ১০ গ্রাম ওজনের ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস-২০০০’, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জন্মশতবর্ষ ১৯২০-২০২০’ এবং ‘স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ১৯৭১-২০২১’ শীর্ষক স্মারক স্বর্ণমুদ্রা (বাক্সসহ) প্রতিটির বিক্রয়মূল্য ৭৫ হাজার টাকা পুনর্নির্ধারণ করা হলো।

Nogod-22-10-2022

আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় বাজারে স্বর্ণের দরবৃদ্ধির কারণে স্মারক স্বর্ণমুদ্রার দরবৃদ্ধি করা হয়েছে। যা মঙ্গলবার (৬ ডিসেম্বর) থেকে কার্যকর হবে।

প্রতিটি স্মারক মুদ্রা ২২ ক্যারেট মানের ১০ গ্রাম ওজনের স্বর্ণ দিয়ে প্রস্তুত করা। প্রতিটি মুদ্রায় গত ৮ মার্চ দুই হাজার টাকা বাড়িয়ে ৬৮ হাজার এবং ২৪ মে চার হাজার টাকা বাড়িয়ে ৭২ হাজার করা হয়। এবার একই বছরে তৃতীয় দফায় ৪ হাজার টাকা দাম বাড়ানো হয়েছে।

অর্থসংবাদ/এসএম

শেয়ার করুন:
বিজনেস নিউজ পোর্টাল অর্থসংবাদে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

জাতীয়

গুজবে কান দেবেন না, দেশের অর্থনীতি স্থিতিশীল: প্রধানমন্ত্রী

Published

on

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ এবং ব্যাংকের তারল্য নিয়ে কোনো অপপ্রচারে কর্ণপাত না করতে দেশবাসীকে আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সোমবার (৫ ডিসেম্বর) মিরপুর সেনানিবাসের ডিফেন্স সার্ভিসেস কমান্ড অ্যান্ড স্টাফ কলেজের (ডিএসসিএসসি) শেখ হাসিনা কমপ্লেক্সে ‘ন্যাশনাল ডিফেন্স কোর্স-২০২২’ ও ‘আমর্ড ফোর্সেস ওয়ার কোর্স’-এর গ্র্যাজুয়েশন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এ আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিকভাবে মূল্যস্ফীতি বেড়েছে। অনেক উন্নত দেশ অর্থনৈতিকভাবে বিপদে এবং সমস্যার সম্মুখীন। তাদের রিজার্ভ কমছে। সে অবস্থায় আমরা বলতে পারি, বাংলাদেশকে স্থিতিশীল অবস্থায় রাখতে পেরেছি।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন,জাতির পিতা একটি যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ গড়ে তুলে প্রবৃদ্ধি ৯ ভাগে তুলতে সক্ষম হয়েছিলেন। আর কোভিডের আগে আওয়ামী লীগ তুলেছিল ৮ শতাংশের ওপরে। কিন্তু কোভিড-১৯ ও এর পরবর্তী রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ এবং একে কেন্দ্র করে স্যাংশনে অনেক উন্নত দেশের অর্থনৈতিক অবস্থাও বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। তাদের খাদ্যপণ্যের দাম বেড়ে যাচ্ছে, রিজার্ভ কমে যাচ্ছে। এই অবস্থায়ও বাংলাদেশকে এখনো আমরা স্থিতিশীল অবস্থায় রাখতে সক্ষম হয়েছি। তবে বাংলাদেশের দুর্ভাগ্য হচ্ছে যখনই দেশ একটা শান্তিপূর্ণ অবস্থার মধ্যে অর্থনৈতিক অগ্রগতির দিকে এগিয়ে যায়, তখন সবার কাছে (স্বার্থান্বেষী মহল) এটা পছন্দ হয় না, এটা হলো বাস্তবতা।

Nogod-22-10-2022

অপচেষ্টায় কান না দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যুদ্ধকালীন এই সংকটে অনেক ধনী দেশ জ্বালানি সাশ্রয়ে ব্যবস্থা নিচ্ছে। আমরাও নানা পদক্ষেপ নিই। অথচ জ্বালানি নিয়ে নানা ভয়ভীতি দেখিয়ে মানুষকে পক্ষে টানা হচ্ছে।

তিনি জানান, করোনার সময় যাতায়াত ও আমদানি বন্ধ ছিল। এজন্য রিজার্ভ জমে যায়। পরে সব চ্যানেল খুলে গেলে আমাদের আমাদানিতে রিজার্ভ ব্যয় করতে হয়েছে। ভ্যাকসিন কেনা, টিকা গবেষণায় অর্থ দেওয়াসহ করোনা চিকিৎসা সরঞ্জাম ক্রয় করতে আমাদের অনেক টাকা লেগেছে। এগুলোর জন্য আমাদের ডলার খরচ হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, যখন কেবল ভ্যাকসিন নিয়ে গবেষণা চলছে, তখন তার সরকার ১২শ কোটি টাকা খরচ করে ভ্যাকসিন আনার জন্য বুকিং দেয় এবং দেশের মানুষের জন্য ঝুঁকি নেয়। অথচ অনেক উন্নত দেশও বিনামূল্যে ভ্যাকসিন দেয়নি। সেসময় দেশের ব্যবসায়ীসহ সব শ্রেণিকে তার সরকার যে আর্থিক প্রণোদনা দেয়, তাতেও অর্থব্যয় হয় এবং তৃণমূল পর্যায়ে অর্থসরবরাহ ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি করে। ফলে করোনা মোকাবিলার পাশাপাশি অর্থনীতিও ধরে রাখতে সক্ষম হয়।

প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, যুদ্ধ এবং স্যাংশনের কারণে ইতোমধ্যে আমদানি ব্যয় বহুলাংশে বৃদ্ধি পেয়েছে। তিনি উদাহরণ দিয়ে বলেন, যে গম একসময় ২শ ডলারে পাওয়া যেত, তা এখন ৬শ ডলারে কিনতে হচ্ছে। যে পরিবহণ ব্যয় ৮শ ডলার ছিল, তা ৩ হাজার ৮শ ডলারে গিয়ে ঠেকেছে। কিন্তু এখানে রিজার্ভ খরচ করতে হলেও তার সরকার দেশের জনগণের কথা বিবেচনা করে কোনো কার্পণ্য করেনি।

তিনি বলেন, আমাদের দেশ ও সম্পদ আমাদেরই রক্ষা করতে হবে। আমরা কারও কাছে হাত পেতে চলব না, নিজেরা ফসল উৎপাদন করব এবং নিজেদের দেশকে গড়ে তুলব। এই আত্মমর্যাদাবোধ নিয়ে চলতে পারলেই ইনশাআল্লাহ বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে, কেউ রুখতে পারবে না।

গ্র্যাজুয়েশন অনুষ্ঠানে সনদপ্রাপ্তদের আন্তরিক অভিনন্দন জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি কোর্স পরিচালনাকারী সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজের সর্বাঙ্গীণ সাফল্য কামনা করেন।

প্রধানমন্ত্রী পরে মিরপুর সেনানিবাসের শেখ হাসিনা কমপ্লেক্স, ডিএসসিএসসিতে অনুষ্ঠিত ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজ (এনডিসি) এবং ডিফেন্স সার্ভিসেস কমান্ড অ্যান্ড স্টাফ কলেজের (ডিএসসিএসসি) গভর্নিং বডির ১৯তম যৌথ সভায় যোগ দেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন এনডিসি ও ডিএসসিএসসির চেয়ারপারসন শেখ হাসিনা।

অর্থসংবাদ/এসএম

শেয়ার করুন:
বিজনেস নিউজ পোর্টাল অর্থসংবাদে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন
Advertisement
December 2022
S M T W T F S
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031

কর্পোরেট সংবাদ

ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার

ফেসবুকে অর্থসংবাদ