Connect with us

আন্তর্জাতিক

অবিলম্বে রোজিনা ইসলামের মুক্তি চায় অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল

Published

on

সাংবাদিক রোজিনা ইসলামকে অবিলম্বে মুক্তি দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। রোজিনা ইসলামের বিরুদ্ধে অফিশিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্টে অভিযোগ আনাকে বাকস্বাধীনতা এবং বাংলাদেশের মানুষের তথ্য চাওয়া-পাওয়ার অধিকারের ওপর নির্মম আঘাত হিসেবে উল্লেখ করেছে তারা।

বুধবার (১৯ মে) অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সরকার কীভাবে কোভিড-১৯ টিকা কিনছে, সে-বিষয়ক তথ্য জনস্বার্থমূলক। এই তথ্য জাতীয় নিরাপত্তার মোড়কে গোপন করা উচিত নয়।

অ্যামনেস্টি বলেছে, ‘মহামারির সময়ে জনস্বাস্থ্য খাত কীভাবে কাজ করছে, সে বিষয় খুবই জনস্বার্থমূলক। রোজিনা ইসলাম কোভিড-১৯ মহামারির সময়ে গত কয়েক মাসে বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতের নানা অনিয়ম তুলে ধরেছেন। তাঁর গ্রেপ্তার ভিন্নমত বা সমালোচকদের মুখ বন্ধ করতে কালাকানুনের মাধ্যমে বাকস্বাধীনতার ওপর আরও বড় আঘাতের ক্রমবর্ধমান প্রবণতাকে ইঙ্গিত করে।’

অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, রোজিনা ইসলামকে যেভাবে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তাঁর বিরুদ্ধে আমলযোগ্য ফৌজদারি অপরাধের সুস্পষ্ট প্রমাণ উপস্থাপনে কর্তৃপক্ষের ব্যর্থতা এই শঙ্কা তৈরি করেছে যে অনিয়ম-দুর্নীতির প্রতিবেদন করার কারণেই তাঁকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। ওই ধরনের প্রমাণ না থাকায় কর্তৃপক্ষের উচিত হবে তাঁকে অবিলম্বে মুক্তি দেওয়া।

Nogod-22-10-2022

প্রথম আলোর জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক রোজিনা ইসলাম পেশাগত দায়িত্ব পালনে গত সোমবার বিকেলে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে গেলে তাঁকে সেখানে প্রায় ছয় ঘণ্টা আটকে রাখা হয়। পরে শাহবাগ থানায় এনে তাঁর বিরুদ্ধে অফিশিয়াল সিক্রেটস আইনে মামলা করা হয়। ওই মামলায় এখন কারাগারে আছেন রোজিনা ইসলাম।

বাংলাদেশে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতায় পরিচিত মুখ রোজিনা ইসলাম সাম্প্রতিক মাসগুলোতে বিভিন্ন প্রতিবেদনে স্বাস্থ্য খাতের নানা অনিয়ম-দুর্নীতি এবং কোভিড-১৯ মোকাবিলায় অব্যবস্থাপনার চিত্র তুলে ধরেছেন।

রোজিনা ইসলাম গ্রেপ্তার হওয়ার পর এক টুইটে এই ঘটনাকে সাংবাদিকতার স্বাধীনতার ওপর আঘাত হিসেবে বর্ণনা করেছিল অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল।

শেয়ার করুন:
বিজনেস নিউজ পোর্টাল অর্থসংবাদে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Advertisement

আন্তর্জাতিক

তেলের দাম বেঁধে দেওয়ায় মস্কোর হুঁশিয়ারি

Published

on

পশ্চিমাদের বেঁধে দেওয়া তেলের দাম মানতে নারাজ রাশিয়া। শুধু তাই নয়, কীভাবে এর জবাব দেওয়া যায় তার বিকল্প খুঁজছে মস্কো। এ বিষয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও শিল্পোন্নত দেশগুলোর জোট জি-সেভেনকে সতর্কও করেছে ক্রেমলিন। শনিবার (৩ নভেম্বর) এ সতর্কবার্তা দেওয়া হয়।

ইউক্রেন যুদ্ধের রসদ যোগাতে সস্তায় তেল বিক্রি করছে রাশিয়া, এমন অভিযোগ পশ্চিমাদের। সেকারণে বেঁধে দেওয়া দরে এবার তেল কিনবে ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত (ইইউ) দেশগুলো। ইইউ দেশগুলোর সরকার রাশিয়ার সমুদ্রজাত জ্বালানি তেল কেনার বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছায় বৃহস্পতিবার (১ ডিসেম্বর)। শুক্রবার জি-৭, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও অস্ট্রেলিয়া রাশিয়ার তেলের মূল্য ব্যারেলপ্রতি ৬০ ডলার নির্ধারণ করে দেয়। আগামী ৫ ডিসেম্বর থেকে সমুদ্রপথে রাশিয়ার অপরিশোধিত তেল সরবরাহে ইউরোপের নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে। এতেই ক্ষিপ্ত মস্কো।

ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বলেছেন, তেলের মূল্য নির্ধারণের জবাব দেওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছে মস্কো। রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা তাস শনিবার এমন তথ্য জানায়। পেসকভের বরাত দিয়ে আরও বলা হয়, রাশিয়া মূল্য নির্ধারণের বিষয়টি মেনে নেবে না।

পেসকভ বলেন, ‘রাশিয়া চুক্তিটি দ্রুত বিশ্লেষণ করে ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।’

Nogod-22-10-2022

ভিয়েনায় ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশনস-এ রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত মিখাইল উলিয়ানভ হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে শনিবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লেখেন, ‘এ বছরের (২০২৩) শুরু থেকে ইউরোপকে রাশিয়ার তেল ছাড়াই বাঁচতে হবে।’

ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলো রাশিয়ার তেলের মূল্যসীমা নির্ধারণ নিয়ে বেশ কয়েকদিন ধরেই তর্ক-বিতর্ক করছে। এর উদ্দেশ্য হচ্ছে রাশিয়ার তেল বিক্রি থেকে আয় হ্রাস করা। রাশিয়ার অপরিশোধিত তেলের ওপর ইউরোপীয় ইউনিয়নের নিষেধাজ্ঞা ৫ ডিসেম্বর থেকে কার্যকর হওয়ার পর বিশ্বব্যাপী তেলের দামের বৃদ্ধি রোধ করাও এর লক্ষ্য। এই চুক্তি, পশ্চিমা বীমা ও সামুদ্রিক পরিষেবা ব্যবহার করে রাশিয়ার অপরিশোধিত তেল আমদানি চালিয়ে যাওয়ার অনুমতি দেবে, নির্ধারিত দামের চেয়ে ব্যারেলপ্রতি বেশি অর্থ প্রদান না করলে।

যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী জেনেট ইয়েলেন বলেছেন, তেলের মূল্য নির্ধারণ করে দেওয়ায় নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলো বিশেষভাবে লাভবান হবে, যাদের জ্বালানি ও খাদ্য পণ্যের উচ্চমূল্যের বোঝা বহন করতে হচ্ছে।

এক বিবৃতিতে ইয়েলেন আরও বলেন, ‘রাশিয়ার অর্থনীতি সংকুচিত হতে শুরু করেছে। দেশটির বাজেটও ক্রমশ দুর্বল হয়ে পড়ছে। এখন তেলের মূল্য নির্ধারণ অবিলম্বে প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের রাজস্ব আয়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উৎসকে আঘাত করবে।’

এদিকে, শুক্রবারও রাশিয়া ব্যারেলপ্রতি ৬৭ ডলারে উরালস ক্রুড বিক্রি করেছে।

এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হলে চীন, ভারতসহ যেসব দেশ রাশিয়া থেকে তেল কিনছে, তারা বিপাকে পড়বে। কেননা, তেল পরিবহনের ক্ষেত্রে জাহাজের অধিকাংশ বিমাকারী ইউরোপ ও যুক্তরাজ্যভিত্তিক। শিপিং বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভারত ও চীনের কাছে আরো তেল রপ্তানির জন্য রাশিয়া একশটিরও বেশি জাহাজ ব্যবস্থা করে রেখেছে।

সূত্র: রয়টার্স, বিবিসি

অর্থসংবাদ/কেএ

শেয়ার করুন:
বিজনেস নিউজ পোর্টাল অর্থসংবাদে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

আন্তর্জাতিক

বিশ্ববাজারে বেড়েছে স্বর্ণের দাম

Published

on

গত সপ্তাহে বিশ্বাবাজারে স্বর্ণের দামে বড় উত্থান হয়েছে। এক সপ্তাহেই প্রতি আউন্স সোনার দাম ৪০ ডলারের ওপরে বেড়ে গেছে। স্বর্ণের পাশাপাশি বেড়েছে রুপা ও প্লাটিনামের দাম। এক সপ্তাহে রুপার দাম বেড়েছে ৭ দশমিক ১৭ শতাংশ। আর প্লাটিনামের দাম বেড়েছে প্রায় সাড়ে ৩ শতাংশ।

গত সপ্তাহের শুরুতে বিশ্ববাজারে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ছিল ১ হাজার ৭৫৫ দশমিক ১১ ডলার। সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবসের লেনদেনের এক পর্যায়ে স্বর্ণের দাম বেড়ে প্রতি আউন্স ১ হাজার ৮০৩ দশমিক ৯৬ ডলারে উঠে যায়। তবে শেষ কার্যদিবসে দাম কিছুটা কমেছে।

এতে সপ্তাহ শেষে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৭৯৭ দশমিক ৩৫ ডলার। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে স্বর্ণের দাম বেড়েছে ২ দশমিক ৩৫ শতাংশ বা ৪২ দশমিক ২৪ ডলার। আর মাসের ব্যবধানে বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম বেড়েছে ১০ দশমিক ৩২ ডলার।

এদিকে দেশের বাজারে সম্প্রতি দুই দফায় গত ১৩ ও ১৮ নভেম্বর স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়েছে। সর্বশেষ ১৮ নভেম্বর সব থেকে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেট প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৫৭০ টাকা বাড়িয়ে ৮৪ হাজার ২১৪ টাকা করা হয়েছে।

Nogod-22-10-2022

এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৬৩৩ টাকা বাড়িয়ে ৮০ হাজার ৩৬৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৪৫৮ টাকা বাড়িয়ে ৬৮ হাজার ৯৩৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ভরিতে ১ হাজার ১৬৬ টাকা বাড়িয়ে ৫৬ হাজার ৬৮৭ টাকা করা হয়েছে।

তার আগে ১৩ নভেম্বর সব থেকে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেট প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ হাজার ৩৩৩ টাকা বাড়িয়ে ৮২ হাজার ৪৬৪ টাকা, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়িয়ে ৭৮ হাজার ৭৩২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৯২৪ টাকা বাড়িয়ে ৬৭ হাজার ৪৭৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ১৬৭ টাকা বাড়িয়ে ৫৫ হাজার ৫২১ টাকা করা হয়।

এদিকে স্বর্ণের পাশাপাশি গত সপ্তাহে বিশ্ববাজারে রুপা ও প্লাটিনামের দামও বেড়েছে। গত এক সপ্তাহে রুপার দাম ৭ দশমিক ১৭ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ২৩ দশমিক ১৩ ডলারে দাঁড়িয়েছে। আর প্লাটিনামের দাম ৩ দশমিক ৪৫ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ১৪ দশমিক ৩২ ডলারে দাঁড়িয়েছে।

অর্থসংবাদ/এসএম

শেয়ার করুন:
বিজনেস নিউজ পোর্টাল অর্থসংবাদে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

আন্তর্জাতিক

রাশিয়ার জ্বালানি তেলের মূল্য নির্ধারণ করে দিল জি৭

Published

on

রাশিয়ার জ্বালানি তেলের মূল্য বেঁধে (প্রাইস ক্যাপ) দিয়েছে উন্নত দেশের জোট জি৭ ও এর মিত্ররা। প্রতি ব্যারেল জ্বালানি তেল কেউ ৬০ ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে। আগামী ৫ ডিসেম্বর বা ‘খুব শিগগিরই’ বেঁধে দেয়া মূল্য কার্যকর হবে বলে এক যৌথ বিবৃতিতে জানিয়েছে জি৭ ও অস্ট্রেলিয়া। খবর বিবিসি।

পোল্যান্ডকে এ সিদ্ধান্তে রাজি করানোর পর ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) মূল্যসীমা নির্ধারণে সম্মত হয়। পরিকল্পনায় সব ইইউ দেশগুলোকে চুক্তির আওতায় নিয়ে আসার প্রয়োজন ছিল। যাতে প্রতি ব্যারেল জ্বালানি তেল কেউ ৬০ ডলারের বেশি দামে ক্রয় না করে।

গতকাল শুক্রবার (২ ডিসেম্বর) পোল্যান্ড বাজার মূল্যের চেয়ে জ্বালানি তেলের ক্যাপ ৫ শতাংশ কম রাখার আশ্বাস পেয়ে তার সমর্থন ঘোষণা করে। গত সেপ্টেম্বরে জি৭- এর দেশগুলো জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি কমাতে এবং মস্কোর মুনাফা বন্ধ করতে মূল্য বেঁধে দেয়ার কথা জানায়।

ইইউ চেয়েছিল, জ্বালানি তেলের ক্যাপ ৬৫-৭০ ডলার নির্ধারণ করতে। কিন্তু পোল্যান্ড, লিথুনিয়া ও এস্তোনিয়া এতে রাজি ছিল না। তারা জানিয়েছিল, জ্বালানি তেলের এই ক্যাপ নির্ধারণ খুব বেশি হয়েছে। পোল্যান্ডের দাবি ছিল, বাজার মূল্যের চেয়ে জ্বালানি তেলের এই ক্যাপের হার কম থাকবে। গতকাল শুক্রবার রাশিয়ার উইরালস ক্রুড ডলার প্রতি ৬৪ ডলার ব্যবসা করেছে।

Nogod-22-10-2022

যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, ইউক্রেন যুদ্ধ এবং জ্বালানিতে রাশিয়ার মুনাফা বৃদ্ধি ঠেকাতে তেলের নতুন মূল্যসীমার সিদ্ধান্ত আরোপ করা হয়েছে। বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে স্থিতিশীলতা আনতে এবং নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোয় অর্থনৈতিক অস্থিরতা কমানোই এই সিদ্ধান্তের লক্ষ্য।

শেয়ার করুন:
বিজনেস নিউজ পোর্টাল অর্থসংবাদে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

আন্তর্জাতিক

ইউক্রেন নিয়ে এক শর্তে পুতিনের সঙ্গে আলোচনায় রাজি বাইডেন

Published

on

ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাখোঁর পাশে দাঁড়িয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেছেন, রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে আলোচনায় বসতে রাজি তিনি। তবে সে ক্ষেত্রে শর্ত দিয়েছেন বাইডেন।

নিউ ইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, জো বাইডেন বৃহস্পতিবার বলেছেন- রুশ প্রেসিডেন্ট সত্যিকারার্থে যুদ্ধের অবসান ঘটাতে চাইলে তাঁর সঙ্গে কথা বলতে রাজি হবেন।

ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাখোঁ এর আগে বলেছিলেন, ওয়াশিংটন সফরের পর পুতিনের সঙ্গে আবার কথা বলবেন।

ম্যাখোঁর সঙ্গে কয়েক ঘণ্টা ব্যক্তিগত আলোচনার পর হোয়াইট হাউসে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে বাইডেন বলেন, পুতিনের সঙ্গে এখনই যোগাযোগ করার তাঁর তাৎক্ষণিক কোনো পরিকল্পনা নেই। তবে পুতিনের সঙ্গে আলোচনার সম্ভাবনা উন্মুক্ত রয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

Nogod-22-10-2022

বাইডেন বলেছেন, প্রেসিডেন্ট পুতিনের সঙ্গে কথা বলার জন্য প্রস্তুত আছি; যদি বাস্তবে তার মধ্যে এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগ্রহ থাকে যে তিনি যুদ্ধ শেষ করার উপায় খুঁজছেন। কিন্তু তিনি এখনো তা করেননি।

বাইডেন আরো বলেছেন, যদি তা-ই হয়, তাহলে আমার ফরাসি এবং আমার ন্যাটো বন্ধুদের সঙ্গে পরামর্শ করে পুতিনের সঙ্গে বসে তাঁর মনে কী আছে, সেটা দেখতে পেরে খুশি হব। তবে তিনি এখনো এটি করেননি।

বাইডেন বলেন, এই যুদ্ধ শেষ করার একটা উপায় আছে। সেটা বেশ যুক্তিসঙ্গত উপায়; আর তা হচ্ছে- পুতিন ইউক্রেন থেকে বের হয়ে যাবেন। কিন্তু মনে হচ্ছে না তিনি সেটি করবেন।

তাঁর অভিযোগ, বিদ্যালয়, হাসপাতাল, বাড়িতে বোমা হামলা করা হচ্ছে। পুতিন যা করছেন তা অসুস্থ কাজ। ইউক্রেনকে পরাজিত করতে চাওয়ার বিষয়ে এই পরিকল্পনা পুতিনের বোধশক্তির বাইরে। তিনি প্রাথমিকভাবে যা কিছু হিসাব করেছেন তার পুরোটাই ভুল।

অর্থসংবাদ/কেএ

শেয়ার করুন:
বিজনেস নিউজ পোর্টাল অর্থসংবাদে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

আন্তর্জাতিক

বছর শেষে খাদ্য সংকটে পড়বে বিশ্বের ৫৩ দেশ

Published

on

বছর শেষে তীব্র খাদ্য সংকটে পড়বে বিশ্বের ৫৩টি দেশের ২২২ মিলিয়ন মানুষ। সেইসঙ্গে, আগামী বছর প্রায় ৭০টি দেশে বিশ্বের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ২৩ কোটি মানুষকে সাহায্য করার জন্য রেকর্ড ৫১ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন হবে। সে হিসাবে আগামী বছর চলতি বছরের চেয়ে ২০ শতাংশ বেশি সাহায্যের প্রয়োজন হবে। বৃহস্পতিবার জেনেভায় গ্লোবাল হিউম্যানিটারিয়ান ওভারভিউ রিপোর্ট ২০২৩ প্রকাশের সময় এ মন্তব্য করেন জাতিসংঘের শীর্ষ জরুরি ত্রাণ কর্মকর্তা মার্টিন গ্রিফিথ। এই আবেদনটিকে প্রান্তে থাকা মানুষের জন্য একটি ‘লাইফলাইন’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। এএফপি।

গ্রিফিথ বলেন , ২০২২ সালের তুলনায় ২০২৩ সালে মোট প্রয়োজনের সংখ্যা ৬৫ মিলিয়ন বেশি। প্রয়োজনগুলো ‘আশঙ্কাজনকভাবে বেশি’। তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, ‘খুব সম্ভবত এই বছরের জরুরি পরিস্থিতি ২০২৩ সাল পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে। ২০২৩ সংহতির বছর হবে, ঠিক যেমন ২০২২ দুঃখের বছর ছিল।’ তিনি আরও বলেন, ‘প্রয়োজন বাড়ছে কারণ আমরা ইউক্রেনের যুদ্ধে, কোভিড এবং জলবায়ু দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি।’ তিনি বলেছিলেন, ‘আমি ভয় করি যে ২০২৩ এসব প্রবণতার কারণ হতে চলেছে এবং সেই কারণেই আমরা আশা করি।

তিনি ব্যাখ্যা করেছিলেন যে পাকিস্তান থেকে আফ্রিকার হর্ন পর্যন্ত অসংখ্য দেশ প্রাণঘাতী খরা এবং বন্যার শিকার হয়েছে। উপরন্তু, ইউক্রেনের যুদ্ধ ইউরোপের একটি অংশকে যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত করেছিল। বিশ্বব্যাপী এখন ১০০ মিলিয়নেরও বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত। এই সবই বিশ্বের সবচেয়ে দরিদ্রদের মধ্যে মহামারির প্রভাবে ধ্বংসযজ্ঞের শীর্ষে। দুর্ভিক্ষের হুমকির দিকে ফিরে তিনি বলেছিলেন, পাঁচটি দেশ ‘ইতোমধ্যেই দুর্ভিক্ষের মতো পরিস্থিতির সম্মুখীন হচ্ছে। যেখানে আমরা আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে এবং অসুখীভাবে বলতে পারি যে, এর ফলে মানুষ মারা যাচ্ছে এবং এটি শিশুদের হতে পারে-বাস্তুচ্যুতি, খাদ্য, নিরাপত্তাহীনতা, খাদ্যের অভাব, অনাহার। জলবায়ু পরিবর্তন ঝুঁকি এবং দুর্বলতাও বাড়িয়ে তুলছে। মি. গ্রিফিথস বলেন, উদ্বেগের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে যে শতাব্দীর শেষ নাগাদ প্রচণ্ড তাপ ক্যানসারের মতো অনেক মানুষের জীবনহানি করতে পারে।

একই দিন নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দফতরে প্রকাশিত জলবায়ু ও জীববৈচিত্র্যবিষয়ক বৈঠকে ২০২৫ সালের মধ্যে প্রকৃতি রক্ষায় দ্বিগুণ অর্থায়নের কথা উঠে এসেছে। জাতিসংঘের ইউএন এনভায়রনমেন্ট প্রোগ্রাম (ইউএনইপি) প্রকাশিত দ্বিতীয় ‘স্টেট অব ফাইন্যান্স ফর নেচার’ প্রতিবেদনে এ চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। প্রায় ২০০টি দেশের প্রতিনিধিরা আগামী সপ্তাহে মন্ট্রিলে একটি নতুন বৈশ্বিক জীববৈচিত্র্য চুক্তির লক্ষ্যে সাক্ষাতের জন্য যখন প্রস্তুতি নিচ্ছেন ঠিক ওই সময় প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়।

Nogod-22-10-2022

রিপোর্টে বলা হয়েছে বিনিয়োগ অবশ্যই ২০২৫ সালের মধ্যে প্রতি বছর ৩৮৪ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হবে, যা প্রতি বছর ১৫৪ বিলিয়ন ডলারের বর্তমান হিসাবের দ্বিগুণেরও বেশি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০৩০ সালের মধ্যে বৈশ্বিক উষ্ণতার মাত্রা ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে সীমাবদ্ধ রাখা, জীববৈচিত্র্যের ক্ষতি বন্ধ করা, ভূমি অবক্ষয় নিরপেক্ষতা অর্জন এবং আরও অনেক কিছুর মতো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করার জন্য প্রকৃতিভিত্তিক সমাধানের জন্য বছরে ৪৮৪ বিলিয়ন ডলারের অর্থায়ন প্রয়োজন হবে।

অর্থসংবাদ/কেএ

শেয়ার করুন:
বিজনেস নিউজ পোর্টাল অর্থসংবাদে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন
Advertisement
December 2022
S M T W T F S
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031

কর্পোরেট সংবাদ

ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার

ফেসবুকে অর্থসংবাদ