Connect with us

আন্তর্জাতিক

অক্টোবর পর্যন্ত ভ্যাকসিন রফতানি বন্ধ রাখবে ভারত: রয়টার্স

Published

on

ভারত অক্টোবরের আগে করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখতে পারে। দেশে ভ্যাকসিন স্বল্পতার কারণে নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ বাড়ানোর পথে হাঁটছে নয়া দিল্লি। ফলে প্রত্যাশার চেয়ে দীর্ঘ হতে যাচ্ছে ভ্যাকসিন রফতানিতে নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ। এতে বৈশ্বিক কোভ্যাক্স উদ্যোগ সরবরাহ স্বল্পতায় পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। ভারত সরকারের তিনটি সূত্রের বরাতে এ খবর জানিয়েছে ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

বাংলাদেশ, নেপাল, শ্রীলঙ্কাসহ বিভিন্ন দেশের কাছে বিক্রি ও উপহার হিসেবে ৬ কোটি ৬০ লাখ ডোজ টিকা সরবরাহ করেছে ভারত। কিন্তু এক মাস আগে সংক্রমণ বৃদ্ধির ফলে ভ্যাকসিন রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। এতে বিকল্প উৎস থেকে বিকল্প ভ্যাকসিন সংগ্রহ করতে বিপাকে পড়ছে সংশ্লিষ্ট দেশগুলো।

কোভ্যাক্স উদ্যোগে সহ-নেতৃত্ব বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) সোমবার ভারতের ভ্যাকসিন না পাওয়ায় সৃষ্ট ঘাটতি মেটাতে অন্যান্য দেশের উৎপাদনকারীদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সূত্র তিনটি জানায়, ভারতে টিকাদান এখন অগ্রাধিকার পাবে। কারণ, আক্রান্তের সংখ্যা আড়াই কোটি ছাড়িয়ে গেছে এবং মৃত্যুও হচ্ছে রেকর্ড সংখ্যায়।

Nogod-22-10-2022

রফতানি বন্ধ রাখার সিদ্ধান্তের সমর্থনে এক সূত্র বলেন, সব দেশকে সরকারিভাবে আমাদের জানানোর দরকার নেই। কারণ, এটি করতে আমরা বাধ্য নই। এটি আমাদের নিজেদের মধ্যে আলোচনা হয়েছে এবং কয়েকটি দেশকে বলে দেওয়া হয়েছে বর্তমান পরিস্থিতিতে রফতানির প্রতিশ্রুতি প্রত্যাশা না করার জন্য।

এই বিলম্বের বিষয়ে যেসব দেশকে অবহিত করা হয়েছে সেগুলোর নাম বলেননি ওই সূত্র।

অপর দুটি সূত্র জানায়, রফতানি পুনরায় শুরুর নির্দিষ্ট সময় ভারতের পরিস্থিতির কারণে বদলে যেতে পারে। এটি নির্ভর করছে কত দ্রুত ভারত দ্বিতীয় ঢেউ সামাল দিতে পারে।

ভারতের ভ্যাকসিন রফতানি তদারকির দায়িত্বে থাকা দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় রয়টার্সের মন্তব্যের অনুরোধে কোনও সাড়া দেয়নি।

ভ্যাকসিন উৎপাদনকারী ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটের এক মুখপাত্র জানান, এখন মূল মনোযোগ হলো দেশে ভ্যাকসিন সরবরাহ করা। এর আগে জুন মাস থেকে ভ্যাকসিন রফতানি পুনরায় শুরুর প্রত্যাশার কথা জানিয়েছিল কোম্পানিটি।

অক্টোবরে ভারতের রফতানি নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয়ে কোভ্যাক্সের সহ-নেতৃত্ব গ্যাভি জানায়, সেরামের কাছ থেকে মে মাসের শেষ দিকে অন্তত ১৪ কোটি ডোজ ভ্যাকসিন পাওয়ার প্রত্যাশা ছিল। কিন্তু এখন সেগুলো ভারতেই থাকবে।

শেয়ার করুন:
(অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনও তথ্য পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।)
Advertisement

আন্তর্জাতিক

রাশিয়ায় তেলের ট্যাংকে আগুন

Published

on

রাশিয়ার ব্রায়ানস্ক অঞ্চলে তেল সংরক্ষণের একটি বড় ট্যাংকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। 

বুধবার ভোরে ট্যাংকটিতে আগুন লাগে বলে নিশ্চিত করেছেন ব্রায়ানস্ক গভর্নর আলেকজান্ডার বোগোমাজ। খবর রয়টার্সের।

আলেকজান্ডার বোগোমাজ জানান, ব্রায়ানস্ক অঞ্চলটি রাশিয়ার ইউক্রেন সীমান্তসংলগ্ন এলাকায় অবস্থিত। সেখানকার উত্তরাঞ্চলীয় সুরাজ জেলায় এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থল থেকে আগুন ১৯ হাজার বর্গফুট এলাকাজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে।

তিনি জানান, অগ্নিনির্বাপণ ও উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে রয়েছে।

Nogod-22-10-2022

গভর্নর আলেকজান্ডার বোগোমাজ জানান, এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। তাৎক্ষণিকভাবে অগ্নিকাণ্ডের কারণ জানা যায়নি।

রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, তাদের পক্ষে তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

অর্থসংবাদ/কেএ

শেয়ার করুন:
(অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনও তথ্য পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।)
পুরো সংবাদটি পড়ুন

আন্তর্জাতিক

বেতন একই রেখে যুক্তরাজ্যের ১০০ প্রতিষ্ঠানে সপ্তাহে চার দিন অফিস চালু

Published

on

যুক্তরাজ্যের ১০০টি কোম্পানিতে সপ্তাহে তিন দিন ছুটি এবং চার দিনের কাজ চালু হচ্ছে। সপ্তাহে কাজের দিন কমলেও কর্মীদের বেতন কমবে না। যে ১০০টি কোম্পানি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে সেখানে ২৬০০শ কর্মী কাজ করে। যুক্তরাজ্যে এটা খুবই সামান্য সংখ্যা হলেও চারদিন কর্মদিবস ক্যাম্পেইনারদের দাবি, এই সিদ্ধান্ত ভ্যানগার্ড হিসেবে কাজ করবে।

চার দিনের অফিস চালু করা নিয়ে কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা বলছেন, পাঁচ দিন কাজ সেকেলে ধারণা। চার দিনের কাজ কর্মীদের কর্মদক্ষতা আরও বাড়াবে, কর্মীরা আরও উন্নতমানের কাজ করতে সক্ষম হবে।

কর্মীদের ভাষ্য, সপ্তাহে পাঁচ দিন অফিস থাকার কারণে কাজের প্রতি আগ্রহের ঘাটতি তৈরি হতো, ঠিকভাবে কাজ সম্পন্ন করতে পারতেন না। এখন তারা কোনো চাপ ছাড়াই আরও সুন্দরভাবে কাজ করতে পারবেন।
সপ্তাহে চার দিন কাজের নিয়ম চালু করছে যুক্তরাজ্যের অন্যতম বড় দুটি প্রতিষ্ঠান অ্যাটম ব্যাংক এবং গ্লোবাল মার্কেটিং সংস্থা অ্যাউইন। দুটি প্রতিষ্ঠানে ৪৫০ জন করে কর্মী আছেন। অ্যাউইনের প্রধান নির্বাহী অ্যাডাম রস বলেছেন, দেড় বছর পরীক্ষামূলকভাবে অ্যাউইনে চার দিন কাজ হয়েছে। এ সময়ে কর্মীদের মধ্য সুস্থ থাকার হার বাড়তে দেখেছি। একই সঙ্গে আমাদের গ্রাহক পরিষেবা এবং গ্রাহকদের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে আরও এগিয়েছি।

১০০ কোম্পানি সপ্তাহে চার দিনের কাজ চালুর আগে কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়, অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়, বোস্টন কলেজের মতো প্রতিষ্ঠানগুলো এ নিয়ে গবেষণা করে। বিশ্বের বিভিন্ন প্রকল্পের সঙ্গে জড়িত প্রায় ৭০টি সংস্থার সঙ্গে এ ব্যাপারে কথা বলা হয়েছে। তারাই চার দিনের কাজের বিষয়টি চালুর প্রস্তাব করেছে। ওই সব প্রতিষ্ঠানের সমীক্ষায় উঠে এসেছে, ৮৮ শতাংশ সংস্থা চার দিনের কাজের ব্যাপারে একমত। এ নিয়ম পরীক্ষামূলকভাবে চালু থাকা প্রতিষ্ঠানগুলো বলছে, এতে কর্মীরা আরও কর্মদক্ষ হয়ে উঠছেন। সূত্র: গার্ডিয়া

Nogod-22-10-2022
শেয়ার করুন:
(অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনও তথ্য পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।)
পুরো সংবাদটি পড়ুন

আন্তর্জাতিক

রাশিয়ায় জনপ্রিয় হচ্ছে ডলারের বিকল্প চীনের ইউয়ান

Published

on

ইউক্রেনে ‘বিশেষ সামরিক অভিযান’ শুরুর পর রাশিয়ার ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ডলার ও ইউরোতে লেনদেনের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়। ফলে কিছুটা বিপাকে পড়ে দেশটি। এরপর বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে দেশটিতে চীনের মুদ্রার ব্যবহার শুরু হয়। সময়ের সাথে যার গ্রহণযোগ্যতাও বাড়ছে। আজ মঙ্গলবার বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা যায়।

চীনের উদ্যোক্তা ওয়াং মিনের প্রতিষ্ঠান এলইডি বাতি নির্মাণ ও রপ্তানি করে। রুশ ক্রেতাদের সঙ্গে ইউয়ানে লেনদেন করতে পারার বিষয়টি তার জন্য বেশ সুবিধাজনক। আগে রাশিয়ায় চীনের রপ্তানির পরিমাণ কম হলেও এখন ইউয়ানের ব্যবহারে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্প্রসারিত হচ্ছে। ওয়াং মিন এখন রাশিয়ায় গুদাম তৈরির জন্য বিনিয়োগ করছেন। চীনের গুয়াংডং প্রদেশের এই ব্যবসায়ী গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আশা করছি আগামী বছর মোট বিক্রির ১০ থেকে ১৫ শতাংশ রাশিয়ায় হবে।’ এ মুহূর্তে ওয়াং মিনের প্রতিষ্ঠানের বার্ষিক আয় ২০ মিলিয়ন ডলার। এর বেশিরভাগ আসে আফ্রিকা ও দক্ষিণ আমেরিকা থেকে।

প্রতিবেদন অনুসারে, রুশ অর্থনীতিতে এ বছর ইউয়ান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। বৈশ্বিক অর্থ-ব্যবস্থা থেকে বিচ্ছিন্ন রাশিয়া আর্থিক নিরাপত্তার জন্য বিশ্বের দ্বিতীয় শক্তিধর অর্থনীতি চীনের দিকে ঝুঁকছে। ওয়াং মিন মনে করেন, এই পরিস্থিতি প্রতিবেশী রাশিয়া ও চীনের ব্যবসায়ীদের জন্য সুফল বয়ে আনবে। বেশ কয়েকবছর ধরে আরএম নামে পরিচিত ইউয়ান রাশিয়ায় জনপ্রিয় হচ্ছে। গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে হামলার পর গত ৯ মাসে এই মুদ্রা দেশটির অভ্যন্তরীণ বাজারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

রাশিয়ার ১০ শীর্ষ ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের তথ্য পর্যালোচনা ও কর্মীদের সাক্ষাৎকার নিয়ে রয়টার্স বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, চীনের মুদ্রার ওপর রাশিয়ার নির্ভরতা বাড়ার ফলে ডলারের আধিপত্য কমে আসতে পারে। এতে মস্কোকে অর্থনৈতিক চাপের রাখার পশ্চিমা কৌশল ব্যর্থ হতে পারে। গত মাসে একদিনে মস্কোর মুদ্রাবাজারে ইউয়ান-রুবল বিনিময়ের পরিমাণ গড়ে ছিল প্রায় ৯ বিলিয়ন ইউয়ান বা ১ দশমিক ২৫ বিলিয়ন ডলার। এর আগে পুরো সপ্তাহে এই পরিমাণ এক বিলিয়ন ইউয়ানে পৌঁছাত না।

Nogod-22-10-2022

মস্কোভিত্তিক বিনিয়োগ সংস্থা কাদেরুশ ক্যাপিটালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আন্দ্রেই আকোপিয়ান গণমাধ্যমকে বলেন, ‘রাশিয়ায় হঠাৎ ডলার, ইউরো ও ব্রিটিশ পাউন্ড হাতে রাখা খুবই ঝুঁকিপূর্ণ ও ব্যয়বহুল হয়ে পড়েছে।’ তিনি জানান, এসব মুদ্রার আমানত রাখা ব্যাংকগুলো বিধিনিষেধের আওতায় পড়ার ঝুঁকিতে ছিল। ‘এরপর, সবাই রুবল ও অন্যান্য মুদ্রার প্রতি আকৃষ্ট হতে লাগল, বিশেষ করে, ইউয়ানের প্রতি’, যোগ করেন তিনি।

অক্টোবরে ইউয়ান-রুবল বিনিময়ের পরিমাণ ছিল ১৮৫ বিলিয়ন ইউয়ান। এটি গত ফেব্রুয়ারির আগের হারের চেয়ে ৮০ গুণ বেশি। মস্কোর বৈদেশিক মুদ্রাবাজার বিভাগের আন্তর্জাতিক প্রকল্প প্রধান দিমিত্রি পিসকুলভ গণমাধ্যমকে বলেন, ‘বর্তমানে ইউয়ান বৈদেশিক মুদ্রা বাজারের ৪০ থেকে ৪৫ শতাংশ দখল করে নিয়েছে। এ বছরের শুরুর দিকে এই হার ১ শতাংশেরও কম ছিল।’

জানুয়ারিতে মোট মুদ্রার বিনিময়ের ৮০ শতাংশই ছিল ডলার-রুবল বিনিময়। অক্টোবরে এই হার কমে ৪০ শতাংশের কাছাকাছি পৌঁছেছে। আন্তর্জাতিক বাজারেও এর প্রভাব দেখা যাচ্ছে। গত এপ্রিল পর্যন্ত চীন ছাড়া অন্যান্য দেশের মধ্যে ইউয়ান ব্যবহারের দিক থেকে রাশিয়া প্রথম ১৫ দেশের তালিকায় ছিল না। বৈশ্বিক আর্থিক নেটওয়ার্কিং ব্যবস্থা সুইফট এই তথ্য প্রকাশ করেছে।

এ মুহূর্তে ইউয়ান ব্যবহারের দিক দিয়ে হংকংয়ের পরেই চতুর্থ স্থানে রাশিয়া। সার্বিকভাবে ডলার ও ইউরো বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় মুদ্রা। গত সেপ্টেম্বরের তথ্য অনুসারে, মোট মুদ্রা ব্যবহার হয়েছিল ডলার ৪২ শতাংশ ও ইউরো ৩৫ শতাংশ। তবে ইউয়ানের ব্যবহার ২ বছর আগে ২ শতাংশের কম থেকে এ বছর আড়াই শতাংশে উন্নীত হয়েছে। ওয়াং মিনের মতো চীনের অন্যান্য ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, প্রচুর সংখ্যক রুশ ক্রেতা প্রতিদিনই ইউয়ানের অ্যাকাউন্ট খুলছেন। সরাসরি চীনের মুদ্রায় লেনদেন করছেন। তারা একে বড় সুবিধা হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

ফুজিয়ান প্রদেশের এক ছোট বাণিজ্য সংস্থার প্রধান শেন মুহুই গণমাধ্যমকে বলেন, ‘রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাত চীনের ব্যবসায়ীদের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি করেছে।’ শুধু ছোট প্রতিষ্ঠান অন্য, বড় বড় রুশ প্রতিষ্ঠানও ইউয়ান ব্যবহার করছে। রাশিয়ার ৭ বড় প্রতিষ্ঠান রুশ বাজারে ৪২ বিলিয়ন ইউয়ানের বন্ড ছেড়েছে। দেশের শীর্ষ ব্যাংক সেবেরব্যাংক ও তেল প্রতিষ্ঠান গাজপ্রমনেফটও জানিয়েছে যে, তারা ইউয়ানে বন্ড ছাড়তে পারে।

রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন দীর্ঘদিন ধরে ডলারের ওপর নির্ভরতা কমানোর চেষ্টা করছেন। তবে ২০২২ সালে এ উদ্যোগে গতি আসে। ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে রাশিয়ার বিরুদ্ধে চীন কোনো অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা দেয়নি। পুতিন ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং গত ফেব্রুয়ারিতে যৌথ বক্তব্যে জানান, প্রতিবেশী ২ দেশের অংশীদারিত্বের কোনো ‘সীমা নেই’। এর পরপরই পুতিন ইউক্রেনের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু করেন।

অর্থসংবাদ/কেএ

শেয়ার করুন:
(অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনও তথ্য পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।)
পুরো সংবাদটি পড়ুন

আন্তর্জাতিক

ভারতের ওষুধ রফতানি ৪.২২% বেড়েছে

Published

on

গত মাসে নেতিবাচক প্রবণতা লক্ষ করা গেলেও চলতি বছরের এপ্রিল-অক্টোবর মেয়াদে ভারতের ওষুধ রফতানি বেড়েছে ৪ দশমিক ২২ শতাংশ। যা থেকে আয়ের পরিমাণ পৌঁছেছে ১ হাজার ৪৫৭ কোটি ডলারে। ভারত সরকারের রফতানি উন্নয়ন সংস্থার একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার বরাতে খবরটি প্রকাশ করেছে দ্য হিন্দু।

ভারতের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন সংস্থা ফার্মাসিউটিক্যালস এক্সপোর্ট প্রমোশন কাউন্সিল অব ইন্ডিয়ার (ফার্মেক্সিল) মহাপরিচালক উদয় ভাস্কর বলেন, গত অর্থবছরে আয় ছিল ২ হাজার ৪৬২ কোটি ডলার। সে তুলনায় চলতি অর্থবছরে আয়ের পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়ে ২ হাজার ৭০০ কোটি ডলারে পৌঁছবে বলে আশা করি।

তিনি আরো বলেন, জুলাইয়ে রফতানি কমেছে (মাইনাস শূন্য দশমিক ৩২ শতাংশ) এবং (মাইনাস ৫ দশমিক ৪৫ শতাংশ), তবে সেপ্টেম্বরে ৮ দশমিক ৪৭ শতাংশ ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি ঘটেছে। আমি আশাবাদী আগামী মাসগুলোয় রফতানি আরো পুনরুজ্জীবিত হবে এবং চলতি অর্থবছর শেষে তা ২ হাজার ৭০০ কোটি ডলারের ঘর ছুঁতে পারবে।

গত অর্থবছরের একই সময়ে এ বাবদ দেশটির রফতানি আয় হয়েছিল ১ হাজার ৩৯৮ কোটি ডলার। এর মধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, মেক্সিকো (নাফটা দেশগুলোসহ), ইউরোপ ও আফ্রিকায় মোট রফতানির ৬৭ দশমিক ৫ শতাংশ (প্রায় ৫০০ কোটি ডলার) অন্তর্ভুক্ত।

Nogod-22-10-2022

উদয় ভাস্কর এ সম্পর্কে বলেন, আমাদের ভ্যাকসিন জাতীয় ওষুধ রফতানি পরিস্থিতি বেশ খারাপ অবস্থায় আছে। তবে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাব সত্ত্বেও আমরা মোটামুটি সন্তোষজনক অবস্থায় রয়েছি। তবে অক্টোবরে রফতানি ৫ দশমিক ৪৫ শতাংশ কমে ১৯৫ কোটি ডলার হয়।

দেশটির বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্প্রতি প্রকাশিত তথ্য অনুসারে ভারতের সামগ্রিক রফতানি গত বছরের একই সময়ের তুলনায় চলতি বছরের অক্টোবরে ১৬ দশমিক ৬৫ শতাংশ কমে ২ হাজার ৯৭৮ কোটি ডলার হয়। তবে চলতি বছরের এপ্রিল থেকে অক্টোবর সময়কালে রফতানি ১২ দশমিক ৫৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ২৬ হাজার ৩৩৫ কোটি ডলার আয়ের রেকর্ড করে।

ভাস্কর বলেন, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ফলে নিষেধাজ্ঞার পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি দেশের মুদ্রার বিপরীতে ডলার শক্তিশালী হওয়ার ফলে অক্টোবরে রফতানি কমেছে।

উদাহরণস্বরূপ, ভারতের শীর্ষ পাঁচ ওষুধ রফতানি বাজারের একটি নাইজেরিয়া। কিন্তু মার্কিন ডলারের বিপরীতে নাইজেরিয়ান নাইরারের ক্রমাগত অবমূল্যায়ন দেশটিকে আমদানি কমাতে বাধ্য করে। স্বাভাবিকভাবেই দেশটিতে ভারতের ওষুধ রফতানি কার্যক্রম প্রভাবিত হয়েছে।

ভারতের কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনসুখ মান্ডাভিয়া সম্প্রতি তার এক টুইটে লিখেছেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির শাসনামলে ভারত বৈশ্বিক ফার্মা পাওয়ার হাউজ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।

মন্ত্রী একটি ইনফোগ্রাফিক ট্যাগ করে লেখেন, এপ্রিল থেকে অক্টোবর সময়কালে উৎপাদিত ওষুধের রফতানি থেকে আয় হয়েছে ৯০ লাখ ৩২ হাজার কোটি ডলারের বেশি অর্থ, যা ২০১৩ সালের ৩৮ হাজার কোটি রুপি আয়ের তুলনায় প্রায় ১৩৭ দশমিক ৭ শতাংশ বেশি।

অর্থসংবাদ/এনএন

শেয়ার করুন:
(অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনও তথ্য পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।)
পুরো সংবাদটি পড়ুন

আন্তর্জাতিক

সৌদি আরবের তেলবহির্ভূত রফতানি বেড়েছে ১৩ শতাংশ

Published

on

সৌদি আরবের জ্বালানি তেলবহির্ভূত রফতানি ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে। জুলাই-সেপ্টেম্বর সময়ে দেশটির রফতানি ১৩ দশমিক ১ শতাংশ বেড়ে ৭ হাজার ৮৪০ কোটি সৌদি রিয়ালে (২ হাজার ৮৬ কোটি ডলার) দাঁড়িয়েছে। গত বছরের একই সময়ে যা ছিল ৬ হাজার ৯৪০ কোটি সৌদি রিয়াল। জেনারেল অথরিটি ফর স্ট্যাটিস্টিকস (জিএএসটিএটি) সূত্রে এসব তথ্য জানা গিয়েছে।

তবে দ্বিতীয় প্রান্তিকের তুলনায় তৃতীয় প্রান্তিকে সৌদি আরবের এ রফতানি ৯ দশমিক ৬ শতাংশ অর্থাৎ ৮৪০ কোটি রিয়াল কম ছিল। তৃতীয় প্রান্তিকে সামগ্রিক পণ্য রফতানি ৪৬ দশমিক ১ শতাংশ বেড়ে ৩৯ হাজার ৯৭০ কোটি রিয়ালে দাঁড়িয়েছে। গত বছরের একই সময়ের চেয়ে যা ২৭ হাজার ৩৬০ কোটি রিয়াল বেশি।

জিএএসটিএটি জানিয়েছে, দ্বিতীয় প্রান্তিকে রফতানি হওয়া তেলবহির্ভূত শিল্পপণ্যের ৩৬ দশমিক ৮ শতাংশই ছিল কেমিক্যাল ও সহযোগী শিল্প খাতের।

এ সময়ে দেশটির পণ্য আমদানি বেড়ে ১৮ হাজার ১১০ কোটি রিয়ালে দাঁড়িয়েছে। নথিপত্রে দেখা গিয়েছে, এ পণ্য আমদানি বছরওয়ারি ২৫ দশমিক ১ শতাংশ হারে বেড়েছে। আগের প্রান্তিকের চেয়ে যা ৪ দশমিক ৮ শতাংশ বেশি। কেমিক্যাল ও সহযোগী শিল্প খাতের পণ্যগুলো কেন্দ্রীয়ভাবে জ্বালানি তেলবহির্ভূত শিল্পপণ্য হিসেবে গণ্য হয়। চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে এসব পণ্যের আমদানির পরিমাণ ছিল ৭৫০ কোটি রিয়াল, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৩৫ দশমিক ১ শতাংশ বেশি।

Nogod-22-10-2022

জিএএসটিএটি আরও জানায়, গত প্রান্তিকে শিল্পপণ্য আমদানিতে মেশিনারি যন্ত্রপাতি মুখ্য ভূমিকা পালন করেছে। মোট পণ্য আমদানিতে এ খাতের অংশ ছিল ১৮ দশমিক ৭ শতাংশ। তৃতীয় প্রান্তিকে জ্বালানি তেলবহির্ভূত পণ্য রফতানির তুলনায় আমদানি দ্রুত হারে বেড়েছে।

সৌদি আরবের মোট পণ্য রফতানির ১৬ দশমিক ৪ শতাংশই গিয়েছে প্রধান বাণিজ্য অংশীদার চীনে। এছাড়া দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানে রফতানির পরিমাণ ছিল যথাক্রমে ১০ শতাংশ ও ৯ দশমিক ৯ শতাংশ। অন্যদিকে একই সময়ে মোট পণ্য আমদানির ২০ দশমিক ৭ শতাংশ আসে চীন থেকে এবং ৮ দশমিক ৮ শতাংশ আসে যুক্তরাষ্ট্র থেকে। তৃতীয় প্রান্তিকে দেশটিতে আমদানির বেশির ভাগই সম্পন্ন হয় জেদ্দা ইসলামিক পোর্ট দিয়ে। এ সময়ে সৌদি আরবের পণ্য আমদানি ৫ হাজার কোটি রিয়াল ছাড়িয়ে গিয়েছে। এটি মোট আমদানির ২৭ শতাংশ।

অর্থসংবাদ/এনএন

শেয়ার করুন:
(অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনও তথ্য পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।)
পুরো সংবাদটি পড়ুন
Advertisement
December 2022
S M T W T F S
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031

কর্পোরেট সংবাদ

ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার

ফেসবুকে অর্থসংবাদ