Connect with us

আন্তর্জাতিক

ফিলিস্তিন-ইসরায়েল ইস্যু: জাতিসংঘের সভা ফের আটকে দিল যুক্তরাষ্ট্র

Avatar of অর্থসংবাদ ডেস্ক

Published

on

সাপ্তাহিক

ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনের মধ্যকার সংঘর্ষ নিরসনে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ শুক্রবার যে জরুরি বৈঠক ডেকেছিল, যুক্তরাষ্ট্রের অমতের কারণে তা আটকে গেছে।

এর আগে বুধবার ইসরায়েল-ফিলিস্তিন ইস্যুতে নিরাপত্তা পরিষদ বিবৃতি দিতে যে বৈঠক ডেকেছিল, সেটিও যুক্তরাষ্ট্র আটকে দেয়।

শুক্রবারের বৈঠকটি ভার্চুয়াল মাধ্যমে উন্মুক্ত পরিসরে হওয়ার কথা ছিল। চীন, তিউনিসিয়া ও নরওয়ে এই বৈঠকের জন্য অনুরোধ জানায়। কিন্তু বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে বলা হয়, ‘আগামীকাল যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা প্রশমনের এই প্রচেষ্টাকে সমর্থন জানাবে না।’ এর বদলে যুক্তরাষ্ট্র একটি উন্মুক্ত বিতর্কের আহ্বান জানিয়েছে।

এদিকে জাতিসংঘের ইসরায়েল-ফিলিস্তিন শান্তি প্রক্রিয়ার বিশেষ প্রতিনিধি টর ওয়েনেসল্যান্ড এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘জাতিসংঘ গাজার সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছে এবং অনতিবিলম্বে সহিংসতা বন্ধের আহ্বান জানাচ্ছে।’

তিনি আরও বলেন, জাতিসংঘ ‘পূর্ব জেরুজালেম, বিশেষ করে সেখানকার পবিত্র জায়গাগুলোকে ঘিরে উত্তেজনা ও সহিংসতার বিষয়েও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘পরিষদের সদস্যরা সকল ধরণের সহিংসতা, উস্কানি ও ধ্বংসাত্মক কার্যক্রম অনতিবিলম্বে বন্ধের দাবি জানাচ্ছে। তারা আন্তর্জাতিক মানবতা ও নাগরিক সুরক্ষা আইনসহ অন্যান্য আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে।’

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় হামলা অব্যাহত রেখেছে ইসরায়েলি দখলদার বাহিনী। গত সোমবার থেকে অব্যাহত ইসরায়েলের হামলায় এ পর্যন্ত ১০৯ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ২৮ জন শিশু ও ১১ জন নারীও রয়েছেন। এছাড়া আহত হয়েছেন আরও ৫৮০ জন। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এসব তথ্য জানিয়েছে।

এছাড়া হামাসের রকেট হামলায় ইসরায়েলে অন্তত সাতজন নিহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে একজন ভারতীয় নারী ও ইসরায়েলি এক সেনা রয়েছেন। এছাড়া আহত হয়েছেন শতাধিক ইসরায়েলি।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

আন্তর্জাতিক

৮৬ কোটি ডলার দান করলেন বাফেট

Published

on

সাপ্তাহিক

পারিবারিক দাতব্য সংস্থাগুলোয় ৮৬ কোটি ৬ লাখ ডলার দান করেছেন মার্কিন ধনকুবের ওয়ারেন বাফেট। সম্প্রতি বার্কশায়ার হ্যাথাওয়ের স্টক থেকে পারিবারিক চারটি সংস্থায় এ অর্থ দান করেন তিনি। দান করার ঘোষণা দিয়ে ওয়ারেন বাফেট বলেন, ‘‌আমি ভালো অনুভব করছি।’ খবর ফ্রি মালয়েশিয়া টুডে।

একটি বিবৃতিতে সংস্থাটি জানায়, সুসান থম্পসন বাফেট ফাউন্ডেশনকে বার্কশায়ারের ১৫ লাখ বি শ্রেণীর শেয়ার দান করেছেন ওয়ারেন বাফেট। এটি তার প্রয়াত প্রথম স্ত্রীর নামে প্রতিষ্ঠিত। সংস্থাটি প্রজনন স্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করে।

সংস্থাটি আরো ৯ লাখ বি শ্রেণীর শেয়ার হাওয়ার্ড জি বাফেট ফাউন্ডেশন, শেরউড ফাউন্ডেশন এবং নোভো ফাউন্ডেশনকে সমানভাবে দান করছে। দাতব্য এ সংস্থাগুলো পরিচালনা করেন ওয়ারেন বাফেটের তিন সন্তান হাওয়ার্ড বাফেট, সুসান বাফেট ও পিটার বাফেট।

ওয়ারেন বাফেট তার শেয়ারহোল্ডারদের কাছে সম্প্রতি এক বিরল বার্তা দিয়েছেন। তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, তার সম্পদের ৯৯ শতাংশের বেশি দাতব্য প্রতিষ্ঠানে যাবে। এক্ষেত্রে তার সন্তানরা ইচ্ছার বাস্তবায়নকারী হিসেবে কাজ করবে।

এর আগে তিনি বলেছিলেন, বার্কশায়ার স্থায়ী করার জন্য প্রতিষ্ঠা করা এবং এটি ভালো হাতে থাকবে। যদিও বছরের পর বছর ধরে বাফেট তার নন-বার্কশায়ার দায়িত্বগুলো কমিয়েছেন। ২০১২ সালে তার প্রোস্টেট ক্যান্সার ধরা পড়ার পরও তিনি প্রকাশ্যে পদত্যাগের ইচ্ছা প্রকাশ করেননি।

জাঙ্ক ফুড ও চিনিযুক্ত পানীয়ের প্রতি ব্যাপক দুর্বলতা থাকা সত্ত্বেও সুস্থ থাকার সাফল্যের কথা উল্লেখ করেন ওয়ারেন বাফেট।

তিনি বলেন, ‘‌আমি মনে করি, দীর্ঘ আয়ুর পরিপ্রেক্ষিতে সুখ একেক সময় একেক রকম। আমি যখন সুস্বাদু আইসক্রিম খাই বা কোক পান করি তখন আমি বেশ খুশি হই।’

৬১ বছর বয়সী গ্রেগ অ্যাবেল বর্তমানে বার্কশায়ারের ভাইস চেয়ারম্যান পদে আছেন। তিনি ওয়ারেন বাফেটের উত্তরসূরি হিসেবে বার্কশায়ারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) হতে যাচ্ছেন। একই সময় নন-এক্সিকিউটিভ চেয়ারম্যান হবেন হাওয়ার্ড বাফেট। বাফেট লিখেছেন, উত্তরাধিকারী হওয়ার জন্য আমাদের সঠিক সিইও এবং উপযুক্ত পরিচালনা পর্ষদ রয়েছে।

ফোর্বস ম্যাগাজিনের তথ্য মতে, ওয়ারেন বাফেট বিশ্বের পঞ্চম ধনী ব্যক্তি। তার সম্পদের পরিমাণ ১২ হাজার ৫০ কোটি ডলার। ২০০৬ সাল থেকে তিনি তার সম্পদের অর্ধেকেরও বেশি স্টক পারিবারিক দাতব্য সংস্থা এবং বিল ও মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশনে দান করেছেন। তার অনুদানের পরিমাণ ছিল প্রায় ৫ হাজার ২০০ কোটি ডলার। যার মধ্যে প্রায় ৩ হাজার ৯০০ কোটি ডলার দিয়েছেন গেটস ফাউন্ডেশনে। বাফেটের পারিবারিক দাতব্য সংস্থাগুলোর মধ্যে হাওয়ার্ড জি বাফেট ফাউন্ডেশন ক্ষুধা দূর, সংঘাত প্রশমিত, মানব পাচার প্রতিরোধ ও জননিরাপত্তার উন্নতিতে কাজ করে। শেরউড ফাউন্ডেশন নেব্রাস্কায় অলাভজনক সংস্থাগুলোকে সহায়তা এবং নোভো ফাউন্ডেশন তরুণী ও নারী স্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করে।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

আন্তর্জাতিক

তুরস্কে সুদহার বাড়িয়ে ৪০ শতাংশ নির্ধারণ

Published

on

সুদহার

ক্রমবর্ধমান মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে মূল সুদহার বাড়িয়ে ৪০ শতাংশ করেছে তুরস্ক। আগের ৩৫ শতাংশের সঙ্গে আরো ৫ শতাংশ বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক। যদিও আগের ৩৫ শতাংশকেই প্রত্যাশার চেয়ে অনেক বেশি সুদহার বলে মনে করছিলেন অর্থনীতিবিদরা। খবর বিবিসি।

মূল্যবৃদ্ধির হার অনুসারে আঙ্কারার মূল্যস্ফীতি গত অক্টোবরে ৬১ দশমিক ৩৬ শতাংশে পৌঁছেছে। আগামী বছরের মাঝামাঝিতে এটি আরো বাড়তে পারে বলে পূর্বাভাস রয়েছে। ২০২৪ সালের মে মাসে দেশটির মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৭০-৭৫ শতাংশ পর্যন্ত হতে পারে।

বিশ্বব্যাপী ক্রমবর্ধমান মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সুদহার বাড়িয়েছে বিভিন্ন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

যদিও তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান এর আগে বলেছিলেন, উচ্চ সুদহারের কারণে দ্রব্যমূল্য বাড়তে পারে। তবে চলতি বছরের মে মাসে পুনর্নির্বাচনের পর তিনি অবস্থান পাল্টিয়েছেন।

দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নতুন প্রধান হাফিজ গায়ে এরকানের অধীনে ঋণের খরচ বাড়াতে এবং মূল্য ৮ দশমিক ৫ থেকে ৪০ শতাংশ পর্যন্ত কমানোর লক্ষ্যে সুদহার বাড়ানোর অনুমতি দেয়া হয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানায়, আর্থিক কড়াকড়ির গতি শ্লথ হয়ে আসবে এবং কড়াকড়ির চক্রটি স্বল্প সময়ের মধ্যে সম্পন্ন হবে। তবে টেকসই মূল্য স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে যতদিন প্রয়োজন, সুদহার ততদিন পর্যন্ত উচ্চস্তরে রাখা হবে।

প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান তুরস্কের নেতৃত্ব গ্রহণের পর দেশটির অর্থনীতি নাটকীয়ভাবে বাড়তে শুরু করে। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোয় মূল্যস্ফীতি নিয়ে বেশ লড়াই করতে হচ্ছে দেশটিকে। উচ্চ মূল্যস্ফীতি সত্ত্বেও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সুদহার কমানোর পূর্ববর্তী নীতি ২০২১ সালে দেশটিতে মুদ্রা সংকটের সূত্রপাত করেছিল, যা সরকারকে মুদ্রার অবমূল্যায়ন থেকে আমানত রক্ষার্থে একটি স্কিম চালু করার জন্য বাধ্য করেছে।

বিনিয়োগকারী ও কর্মকর্তারা জানান, সুদহার বাড়ানোর পর তুরস্কের শেয়ার, ইউরোবন্ড ও সিডিএস বাজার চলতি ও আগামী বছরে বিনিয়োগের জন্য সবচেয়ে আকর্ষণীয় হয়ে উঠছে। উপসাগরীয় দেশগুলো থেকে বিনিয়োগ আসছে। ফলে দেশটির রিজার্ভে ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি দেখা যাচ্ছে।

অর্থসংবাদ/এমআই

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

আন্তর্জাতিক

তৃতীয় কারখানা নির্মাণে ৪০ কোটি ডলার বিনিয়োগ করবে টয়োটা

Published

on

সাপ্তাহিক

ভারতে টয়োটা মোটর তাদের কার্যক্রম সম্প্রসারণে কাজ করে যাচ্ছে। তৃতীয় কারখানা নির্মাণে প্রায় ৪০ কোটি ডলার বিনিয়োগ করবে কোম্পানিটি। ভারতের মতো দ্রুতবর্ধনশীল বাজারে ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। খবর নিক্কেই এশিয়া।

নতুন কারখানায় নতুন দুই হাজার কর্মসংস্থান তৈরি হবে। এছাড়া বছরে এক লাখ ইউনিটেরও বেশি গাড়ি নির্মাণ করা হবে। ভারতে নির্মিত টয়োটা গাড়ির সামগ্রিক বার্ষিক উৎপাদন ৪ লাখ ১০ হাজার ইউনিটে নিয়ে যাবে। নতুন কারখানাটি এক দশকেরও বেশি সময়ের মধ্যে ভারতে টয়োটার প্রথম সম্প্রসারণের উদ্যোগ। এর আগে গত সেপ্টেম্বরে রয়টার্সের প্রতিবেদনে প্রথম টয়োটার তৃতীয় কারখানা নির্মাণের পরিকল্পনার কথা জানা যায়। কারখানাটি তৈরি করা হবে ভারতের কর্ণাটক রাজ্যে, যেখানে টয়োটার আগে থেকে দুটি কারখানা রয়েছে।

টয়োটা কিরলোস্কার মোটরের এমডি ও সিইও মাসাকাজু ইয়োশিমুরা জানান, টয়োটা ভারতীয় বাজারে অত্যন্ত ইতিবাচক অবস্থানে রয়েছে। সাম্প্রতি সম্প্রসারণ কোম্পানির নেটওয়ার্ক আরো বড় করবে।

সুজুকি মোটরের সঙ্গে বৈশ্বিক অংশীদারত্বের ফলে ভারতে টয়োটার বিক্রি বেড়েছে। যার অধীনে জাপানি গাড়ি নির্মাতারা প্রাথমিকভাবে তাদের ভারতীয় অংশীদার মারুতির মাধ্যমে তৈরি কিছু গাড়ি তৈরি করে তাদের নিজস্ব ব্র্যান্ডের অধীনে বিক্রি করে।

বর্তমানে টয়োটার ভারতীয় উৎপাদনের ক্ষমতার প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ তাদের অংশীদারত্বের অধীনে সুজুকি গাড়ি তৈরিতে ব্যবহার হয়। উত্তর আমেরিকা ও ইউরোপে টয়োটা যখন ধীরগতির প্রবৃদ্ধির সম্মুখীন হয়েছে, তখন ভারতের এ সম্প্রসারণ উদ্যোগ নিয়েছে। ফলে চীনা গাড়ি নির্মাতারাও প্রতিযোগিতায় পড়বেন বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

আন্তর্জাতিক

ছয় দেশের জন্য ভিসা-ফ্রি প্রবেশ সুবিধা দিচ্ছে চীন

Published

on

সাপ্তাহিক

পরীক্ষামূলকভাবে ভিসা-ফ্রি ভ্রমণ চালু করতে যাচ্ছে চীন। শুরুতে এ সুবিধা পাচ্ছে ছয়টি দেশ। প্রাথমিকভাবে এ সুবিধা এক বছরের জন্য চালু থাকবে বলে আজ শুক্রবার (২৪ নভেম্বর) জানিয়েছে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

এ ছয়টি দেশের মধ্যে এশিয়া থেকে রয়েছে মালয়েশিয়া। বাকি দেশগুলো হলো ইউরোপের ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, নেদারল্যান্ডস ও স্পেন।

আগামী ডিসেম্বর থেকে ২০২৪ সালের ৩০ নভেম্বর মেয়াদে ওই দেশের সাধারণ পাসপোর্টধারীরা ভ্রমণ বা ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে চীনে ১৫ দিন অবস্থান করতে পারবেন।

মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র জানান, এ উদ্যোগ চীনের উন্নয়ন ও উন্মুক্ত পরিবেশের প্রচারে সাহায্য করবে।

বর্তমানে বেশিরভাগ ভ্রমণকারীকেই চীনে প্রবেশের ক্ষেত্রে ভিসা নিতে হয়। ব্যতিক্রমী হিসেবে সিঙ্গাপুর ও ব্রুনাইয়ের নাগরিকেরা ব্যবসা, পর্যটন, পারিবারিক ভ্রমণ ও ট্রানজিটের জন্য প্রবেশ করতে পারেন দেশটিতে। অবশ্য ১৫ দিনের বেশি অবস্থান করার সুযোগ নেই।

কভিড-১৯ মহামারীরর কারণে তিন বছরের বেশি সময় সীমানা বন্ধ রাখার পর গত মার্চে বিদেশীদের জন্য চীনের দরজা পুরোপুরি খুলেছে। এর আগে গত ডিসেম্বরে কিছু বিধি শিথিল করে।

মহামারীর আগে প্রতি বছর কোটি কোটি আন্তর্জাতিক ভ্রমণার্থী চীনে প্রবেশ করতেন। তবে জিরো-কভিড নীতি ভ্রমণের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বড়সড় প্রভাব ফেলে। এতে দেশটির অর্থনীতি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

আন্তর্জাতিক

ইসরায়েলে শ্রমিক পাঠাতে চায় শ্রীলঙ্কা

Published

on

সাপ্তাহিক

ইসরায়েলে শ্রমিক পাঠানোর আগ্রহ প্রকাশ করেছে দক্ষিন এশিয়ার দ্বীপরাষ্ট্র হিসেবে খ্যাত শ্রীলঙ্কা। ইতোমধ্যে উভয় দেশের মধ্যে এই সংক্রান্ত একটি সমঝোতাও হয়েছে বলে জানিয়েছেন ইসরায়েলের মন্ত্রিসভার মুখপাত্র ও পরিবহনমন্ত্রী বান্দুলা গুনাবর্ধনে।

তিনি বলেন, ইসরায়েলে শ্রমিক পাঠানোর জন্য একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে শ্রীলঙ্কা। মঙ্গলবার শ্রীলঙ্কার সংবাদমাধ্যম ডেইলি মিরর ও ইকোনোমি নেক্সেটের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদের মুখপাত্র বান্দুলা গুনাবর্ধনে গতকাল প্রেস ব্রিফিংয়ে বলেন, শ্রীলঙ্কার শ্রমিকদের সাময়িকভাবে ইসরায়েলের শ্রমবাজারের একটি নির্দিষ্ট বিভাগের অধীনে নিয়োগ করা হবে।

ডেইলি মিররের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি সপ্তাহে শ্রম ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রীর পেশ করা এ সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব মন্ত্রিসভা অনুমোদন করেছে।

ইসরায়েলের সরকারি তথ্য বিভাগের বরাত দিয়ে ডেইলি মিরর জানিয়েছে, ওই চুক্তি অনুযায়ী ইসরায়েল কৃষি কাজের জন্য শ্রীলঙ্কান শ্রমিক নিয়োগের আশা করছে।

ইকোনোমি নেক্সট তাদের প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ইসরায়েলে কৃষিকাজের জন্য শ্রমিক প্রয়োজন। সেখানে শ্রীলঙ্কার এক শ্রমিকের মৃত্যুতে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। তাই হামাসের সঙ্গে যুদ্ধ শুরুর দিকে বেশ কয়েকজন শ্রীলঙ্কানকেও সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল।

অর্থসংবাদ/এমআই

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন
Advertisement
Advertisement IBBL_AD_300 x 250

ফেসবুকে অর্থসংবাদ

তারিখ অনুযায়ী সংবাদ

November 2023
S M T W T F S
 1234
567891011
12131415161718
19202122232425
2627282930