Connect with us

আন্তর্জাতিক

ডোজকয়েন নিয়ে চন্দ্রাভিযানে নামছেন ইলন

Published

on

আগামী বছর ইলেকট্রিক গাড়ি প্রস্তুতকারী সংস্থা টেসলারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইলন মাস্ক ডিজিটাল মুদ্রা ডোজকয়েন নিয়ে চন্দ্রাভিযানে নামছেন। এক টুইটে ইলন মাস্ক বলেন, স্পেসএক্স আগামী বছরের শুরুতে ‘চাঁদে ডোজকয়েন-১ মিশন’ শুরু করবে। ওই টুইটে তিনি আরও বলেন যে তাঁর রকেট সংস্থা স্পেসএক্স এখন থেকে পেমেন্ট হিসেবে ডোজকয়েন গ্রহণ করবে। বিবিসি অনলাইনের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে আসে।

ক্রিপ্টোকারেন্সির জগতে বিটকয়েনের পরই এখন জনপ্রিয় ডোজকয়েন। আর এই জনপ্রিয়তার মূলে রয়েছেন ইলন মাস্ক। এর আগে গত মাসে এক টুইটে ইলন বলেন, স্পেসএক্স চাঁদে ডোজকয়েন রেখে আসতে যাচ্ছে।

আসলে প্রায়ই ক্রিপ্টোকারেন্সি বা ভার্চ্যুয়াল মুদ্রা নিয়ে টুইটারে লেখেন ইলন মাস্ক। বিটকয়েন ও ডোজকয়েনের মতো ক্রিপ্টোকারেন্সির সাম্প্রতিক অত্যধিক মূল্যবৃদ্ধির সেটি একটি কারণ বলে বিশ্লেষকেরা মনে করেন। গত দুই মাসে ইলন মাস্কের টুইটের পরই সবার নজরে আসে ডোজকয়েন। এরপরই টেক দুনিয়ার অন্যতম জনপ্রিয় ক্রিপ্টোকারেন্সি হয়ে ওঠে ডোজকয়েন। গত ৪ ফেব্রুয়ারি প্রথম এটি নিয়ে টুইট করেছিলেন ইলন। ওই এক টুইটেই ডোজকয়েনের দাম ৭৫ শতাংশ বেড়ে যায়। পরে ইলন মাস্ক ঘোষণা দেন, ডোজকয়েন ব্যবহার করে টেসলার যেকোনো গাড়ি কেনা যাবে।

২০১৩ সালের ডিসেম্বরে ক্রিপ্টোকারেন্সি ডোজকয়েন নিয়ে আসে সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার বিলি মার্কস ও জ্যাকসন পালমার। তাদের লক্ষ্য ছিল বিনা মূল্যের পেমেন্ট সিস্টেম তৈরি করা। যেখানে প্রথাগত ব্যাংকের লেনদেনের মতো ঝামেলা থাকবে না। ডোজকয়েনের নামকরণ ঘটনাটা বেশ মজার। ওই সময় ইন্টারনেটে শিবা ইনু নামের একটি কুকুরের মুখের মিম জনপ্রিয় হয়েছিল। আর সেই কুকুরের মুখকেই কয়েনের লোগো হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

Nogod-22-10-2022

একবার গণমাধ্যম টিএমজিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে একবার ইলন মাস্ক বলেন, ‘ক্রিপ্টোকারেন্সি নিয়ে মজা করার জন্য অনেকটা কৌতুক করে ডোজকয়েন উদ্ভাবন করা হয়। তবে ভাগ্য বিদ্রূপ ভালোবাসে। আর সবচেয়ে বিদ্রূপাত্মক ফল কী হতে পারে? যে মুদ্রা মজা করার জন্য শুরু হয়েছে, তা এখন কাজের মুদ্রায় পরিণত হয়েছে, আকাশছোঁয়া মূল্য এখন এই ডোজকয়েনের।

এর আগে গত জানুয়ারিতে বিটকয়েনে দেড় শ কোটি ডলার বিনিয়োগ করেন ইলন মাস্ক। সে সময় কোম্পানির একটি আর্থিক নথিতে দেখা যায়, কোম্পানিটি বিনিয়োগের নীতিমালা হালনাগাদ করেছে। আর এর অংশ হিসেবেই বিটকয়েনে এই বিপুল বিনিয়োগ।

শেয়ার করুন:
বিজনেস নিউজ পোর্টাল অর্থসংবাদে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Advertisement

আন্তর্জাতিক

বিশ্ববাজারে গমের দাম ৩ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন

Published

on

বিশ্ববাজারে আবারও নিম্নমুখী হয়ে উঠেছে গমের দাম। গেল শুক্রবার শিকাগো বোর্ড অব ট্রেডে (সিবিওটি) শস্যটির দাম কমে তিন মাসের সর্বনিম্নে নেমেছে। খবর বিজনেস রেকর্ডার।

জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রের সাপ্তাহিক গম রফতানি বেড়েছে। ফলে ব্যবসায়ীদের মাঝে প্রতিযোগিতা আরো জোরদার হয়েছে। বিশেষ করে কৃষ্ণ সাগরীয় বন্দর থেকে স্বল্পমূল্যের গমের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে রফতানি বাড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের রফতানিকারকরা। এছাড়া স্থিতিশীল সরবরাহ ও দুর্বল চাহিদা তো রয়েছেই।

এদিকে ভুট্টার দামও কমেছে। তবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে সয়াবিনের বাজার। শিকাগো বোর্ড অব ট্রেডে শুক্রবার গমের দাম আগের কার্যদিবসের তুলনায় ২ দশমিক ৮ শতাংশ কমেছে। প্রতি বুশেলের মূল্য দাঁড়িয়েছে ৭ ডলার ৬১ সেন্টে। ১৯ আগস্টের পর এটিই সর্বনিম্ন দাম।

বৈরী আবহাওয়ার কারণে অন্য শীর্ষ উৎপাদক দেশগুলো উৎপাদন নিয়ে দুশ্চিন্তা তাবে রাশিয়ার আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় চলতি বছর রেকর্ড পরিমাণ গম উৎপাদনের প্রত্যাশা করছে দেশটি। ফলে রফতানিতেও প্রবৃদ্ধির প্রত্যাশা তাদের। সব ঠিক থাকলে ২০২৩ বাণিজ্যবর্ষে ৫ কোটি ৩০ লাখ থেকে ৫ কোটি ৪০ লাখ টন গম রফতানি করা হবে। অন্যদিকে চুক্তি সম্প্রসারণ হওয়ায় ইউক্রেনের রফতানিও বাড়ার প্রত্যাশা রয়েছে।

Nogod-22-10-2022

মার্কিন কৃষি বিভাগ বলছে, ২৪ নভেম্বর শেষ হওয়া সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র ১ লাখ ৬২ হাজার টন গম রফতানি করেছে। এর পরের সপ্তাহগুলোয়ও রফতানি বেড়েছে লক্ষণীয় মাত্রায়। তবে পার্শ্ববর্তী দেশ কানাডায় উৎপাদন কমে যাওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। এদিকে ফ্রান্সের উৎপাদন নিয়ে আশাবাদী বাজারসংশ্লিষ্টরা।

উল্লেখ্য, জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) প্রকাশিত প্রতিবেদনে দেখা গেছে, গত মাসে খাদ্যশস্যের মূল্যসূচক এক মাসের ব্যবধানে ১ দশমিক ৩ শতাংশ কমেছে। যদিও এটি গত বছরের তুলনায় ৬ দশমিক ৩ শতাংশ বেশি। গত মাসে বিশ্ববাজারে গমের দাম আগের মাসের তুলনায় ২ দশমিক ৮ শতাংশ এবং ভুট্টার দাম ১ দশমিক ৭ শতাংশ কমেছে। কৃষ্ণসাগরীয় খাদ্যশস্য রফতানি চুক্তি সম্প্রসারণই দাম কমিয়েছে। তবে চালের দাম আগের মাসের তুলনায় ২ দশমিক ৩ শতাংশ বেড়েছে।

অর্থসংবাদ/এসএম

শেয়ার করুন:
বিজনেস নিউজ পোর্টাল অর্থসংবাদে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

আন্তর্জাতিক

তেলের দাম বেঁধে দেওয়ায় মস্কোর হুঁশিয়ারি

Published

on

পশ্চিমাদের বেঁধে দেওয়া তেলের দাম মানতে নারাজ রাশিয়া। শুধু তাই নয়, কীভাবে এর জবাব দেওয়া যায় তার বিকল্প খুঁজছে মস্কো। এ বিষয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও শিল্পোন্নত দেশগুলোর জোট জি-সেভেনকে সতর্কও করেছে ক্রেমলিন। শনিবার (৩ নভেম্বর) এ সতর্কবার্তা দেওয়া হয়।

ইউক্রেন যুদ্ধের রসদ যোগাতে সস্তায় তেল বিক্রি করছে রাশিয়া, এমন অভিযোগ পশ্চিমাদের। সেকারণে বেঁধে দেওয়া দরে এবার তেল কিনবে ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত (ইইউ) দেশগুলো। ইইউ দেশগুলোর সরকার রাশিয়ার সমুদ্রজাত জ্বালানি তেল কেনার বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছায় বৃহস্পতিবার (১ ডিসেম্বর)। শুক্রবার জি-৭, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও অস্ট্রেলিয়া রাশিয়ার তেলের মূল্য ব্যারেলপ্রতি ৬০ ডলার নির্ধারণ করে দেয়। আগামী ৫ ডিসেম্বর থেকে সমুদ্রপথে রাশিয়ার অপরিশোধিত তেল সরবরাহে ইউরোপের নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে। এতেই ক্ষিপ্ত মস্কো।

ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বলেছেন, তেলের মূল্য নির্ধারণের জবাব দেওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছে মস্কো। রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা তাস শনিবার এমন তথ্য জানায়। পেসকভের বরাত দিয়ে আরও বলা হয়, রাশিয়া মূল্য নির্ধারণের বিষয়টি মেনে নেবে না।

পেসকভ বলেন, ‘রাশিয়া চুক্তিটি দ্রুত বিশ্লেষণ করে ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।’

Nogod-22-10-2022

ভিয়েনায় ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশনস-এ রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত মিখাইল উলিয়ানভ হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে শনিবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লেখেন, ‘এ বছরের (২০২৩) শুরু থেকে ইউরোপকে রাশিয়ার তেল ছাড়াই বাঁচতে হবে।’

ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলো রাশিয়ার তেলের মূল্যসীমা নির্ধারণ নিয়ে বেশ কয়েকদিন ধরেই তর্ক-বিতর্ক করছে। এর উদ্দেশ্য হচ্ছে রাশিয়ার তেল বিক্রি থেকে আয় হ্রাস করা। রাশিয়ার অপরিশোধিত তেলের ওপর ইউরোপীয় ইউনিয়নের নিষেধাজ্ঞা ৫ ডিসেম্বর থেকে কার্যকর হওয়ার পর বিশ্বব্যাপী তেলের দামের বৃদ্ধি রোধ করাও এর লক্ষ্য। এই চুক্তি, পশ্চিমা বীমা ও সামুদ্রিক পরিষেবা ব্যবহার করে রাশিয়ার অপরিশোধিত তেল আমদানি চালিয়ে যাওয়ার অনুমতি দেবে, নির্ধারিত দামের চেয়ে ব্যারেলপ্রতি বেশি অর্থ প্রদান না করলে।

যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী জেনেট ইয়েলেন বলেছেন, তেলের মূল্য নির্ধারণ করে দেওয়ায় নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলো বিশেষভাবে লাভবান হবে, যাদের জ্বালানি ও খাদ্য পণ্যের উচ্চমূল্যের বোঝা বহন করতে হচ্ছে।

এক বিবৃতিতে ইয়েলেন আরও বলেন, ‘রাশিয়ার অর্থনীতি সংকুচিত হতে শুরু করেছে। দেশটির বাজেটও ক্রমশ দুর্বল হয়ে পড়ছে। এখন তেলের মূল্য নির্ধারণ অবিলম্বে প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের রাজস্ব আয়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উৎসকে আঘাত করবে।’

এদিকে, শুক্রবারও রাশিয়া ব্যারেলপ্রতি ৬৭ ডলারে উরালস ক্রুড বিক্রি করেছে।

এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হলে চীন, ভারতসহ যেসব দেশ রাশিয়া থেকে তেল কিনছে, তারা বিপাকে পড়বে। কেননা, তেল পরিবহনের ক্ষেত্রে জাহাজের অধিকাংশ বিমাকারী ইউরোপ ও যুক্তরাজ্যভিত্তিক। শিপিং বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভারত ও চীনের কাছে আরো তেল রপ্তানির জন্য রাশিয়া একশটিরও বেশি জাহাজ ব্যবস্থা করে রেখেছে।

সূত্র: রয়টার্স, বিবিসি

অর্থসংবাদ/কেএ

শেয়ার করুন:
বিজনেস নিউজ পোর্টাল অর্থসংবাদে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

আন্তর্জাতিক

বিশ্ববাজারে বেড়েছে স্বর্ণের দাম

Published

on

গত সপ্তাহে বিশ্বাবাজারে স্বর্ণের দামে বড় উত্থান হয়েছে। এক সপ্তাহেই প্রতি আউন্স সোনার দাম ৪০ ডলারের ওপরে বেড়ে গেছে। স্বর্ণের পাশাপাশি বেড়েছে রুপা ও প্লাটিনামের দাম। এক সপ্তাহে রুপার দাম বেড়েছে ৭ দশমিক ১৭ শতাংশ। আর প্লাটিনামের দাম বেড়েছে প্রায় সাড়ে ৩ শতাংশ।

গত সপ্তাহের শুরুতে বিশ্ববাজারে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ছিল ১ হাজার ৭৫৫ দশমিক ১১ ডলার। সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবসের লেনদেনের এক পর্যায়ে স্বর্ণের দাম বেড়ে প্রতি আউন্স ১ হাজার ৮০৩ দশমিক ৯৬ ডলারে উঠে যায়। তবে শেষ কার্যদিবসে দাম কিছুটা কমেছে।

এতে সপ্তাহ শেষে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৭৯৭ দশমিক ৩৫ ডলার। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে স্বর্ণের দাম বেড়েছে ২ দশমিক ৩৫ শতাংশ বা ৪২ দশমিক ২৪ ডলার। আর মাসের ব্যবধানে বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম বেড়েছে ১০ দশমিক ৩২ ডলার।

এদিকে দেশের বাজারে সম্প্রতি দুই দফায় গত ১৩ ও ১৮ নভেম্বর স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়েছে। সর্বশেষ ১৮ নভেম্বর সব থেকে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেট প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৫৭০ টাকা বাড়িয়ে ৮৪ হাজার ২১৪ টাকা করা হয়েছে।

Nogod-22-10-2022

এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৬৩৩ টাকা বাড়িয়ে ৮০ হাজার ৩৬৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৪৫৮ টাকা বাড়িয়ে ৬৮ হাজার ৯৩৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ভরিতে ১ হাজার ১৬৬ টাকা বাড়িয়ে ৫৬ হাজার ৬৮৭ টাকা করা হয়েছে।

তার আগে ১৩ নভেম্বর সব থেকে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেট প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ হাজার ৩৩৩ টাকা বাড়িয়ে ৮২ হাজার ৪৬৪ টাকা, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়িয়ে ৭৮ হাজার ৭৩২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৯২৪ টাকা বাড়িয়ে ৬৭ হাজার ৪৭৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ১৬৭ টাকা বাড়িয়ে ৫৫ হাজার ৫২১ টাকা করা হয়।

এদিকে স্বর্ণের পাশাপাশি গত সপ্তাহে বিশ্ববাজারে রুপা ও প্লাটিনামের দামও বেড়েছে। গত এক সপ্তাহে রুপার দাম ৭ দশমিক ১৭ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ২৩ দশমিক ১৩ ডলারে দাঁড়িয়েছে। আর প্লাটিনামের দাম ৩ দশমিক ৪৫ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ১৪ দশমিক ৩২ ডলারে দাঁড়িয়েছে।

অর্থসংবাদ/এসএম

শেয়ার করুন:
বিজনেস নিউজ পোর্টাল অর্থসংবাদে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

আন্তর্জাতিক

রাশিয়ার জ্বালানি তেলের মূল্য নির্ধারণ করে দিল জি৭

Published

on

রাশিয়ার জ্বালানি তেলের মূল্য বেঁধে (প্রাইস ক্যাপ) দিয়েছে উন্নত দেশের জোট জি৭ ও এর মিত্ররা। প্রতি ব্যারেল জ্বালানি তেল কেউ ৬০ ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে। আগামী ৫ ডিসেম্বর বা ‘খুব শিগগিরই’ বেঁধে দেয়া মূল্য কার্যকর হবে বলে এক যৌথ বিবৃতিতে জানিয়েছে জি৭ ও অস্ট্রেলিয়া। খবর বিবিসি।

পোল্যান্ডকে এ সিদ্ধান্তে রাজি করানোর পর ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) মূল্যসীমা নির্ধারণে সম্মত হয়। পরিকল্পনায় সব ইইউ দেশগুলোকে চুক্তির আওতায় নিয়ে আসার প্রয়োজন ছিল। যাতে প্রতি ব্যারেল জ্বালানি তেল কেউ ৬০ ডলারের বেশি দামে ক্রয় না করে।

গতকাল শুক্রবার (২ ডিসেম্বর) পোল্যান্ড বাজার মূল্যের চেয়ে জ্বালানি তেলের ক্যাপ ৫ শতাংশ কম রাখার আশ্বাস পেয়ে তার সমর্থন ঘোষণা করে। গত সেপ্টেম্বরে জি৭- এর দেশগুলো জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি কমাতে এবং মস্কোর মুনাফা বন্ধ করতে মূল্য বেঁধে দেয়ার কথা জানায়।

ইইউ চেয়েছিল, জ্বালানি তেলের ক্যাপ ৬৫-৭০ ডলার নির্ধারণ করতে। কিন্তু পোল্যান্ড, লিথুনিয়া ও এস্তোনিয়া এতে রাজি ছিল না। তারা জানিয়েছিল, জ্বালানি তেলের এই ক্যাপ নির্ধারণ খুব বেশি হয়েছে। পোল্যান্ডের দাবি ছিল, বাজার মূল্যের চেয়ে জ্বালানি তেলের এই ক্যাপের হার কম থাকবে। গতকাল শুক্রবার রাশিয়ার উইরালস ক্রুড ডলার প্রতি ৬৪ ডলার ব্যবসা করেছে।

Nogod-22-10-2022

যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, ইউক্রেন যুদ্ধ এবং জ্বালানিতে রাশিয়ার মুনাফা বৃদ্ধি ঠেকাতে তেলের নতুন মূল্যসীমার সিদ্ধান্ত আরোপ করা হয়েছে। বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে স্থিতিশীলতা আনতে এবং নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোয় অর্থনৈতিক অস্থিরতা কমানোই এই সিদ্ধান্তের লক্ষ্য।

শেয়ার করুন:
বিজনেস নিউজ পোর্টাল অর্থসংবাদে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

আন্তর্জাতিক

ইউক্রেন নিয়ে এক শর্তে পুতিনের সঙ্গে আলোচনায় রাজি বাইডেন

Published

on

ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাখোঁর পাশে দাঁড়িয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেছেন, রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে আলোচনায় বসতে রাজি তিনি। তবে সে ক্ষেত্রে শর্ত দিয়েছেন বাইডেন।

নিউ ইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, জো বাইডেন বৃহস্পতিবার বলেছেন- রুশ প্রেসিডেন্ট সত্যিকারার্থে যুদ্ধের অবসান ঘটাতে চাইলে তাঁর সঙ্গে কথা বলতে রাজি হবেন।

ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাখোঁ এর আগে বলেছিলেন, ওয়াশিংটন সফরের পর পুতিনের সঙ্গে আবার কথা বলবেন।

ম্যাখোঁর সঙ্গে কয়েক ঘণ্টা ব্যক্তিগত আলোচনার পর হোয়াইট হাউসে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে বাইডেন বলেন, পুতিনের সঙ্গে এখনই যোগাযোগ করার তাঁর তাৎক্ষণিক কোনো পরিকল্পনা নেই। তবে পুতিনের সঙ্গে আলোচনার সম্ভাবনা উন্মুক্ত রয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

Nogod-22-10-2022

বাইডেন বলেছেন, প্রেসিডেন্ট পুতিনের সঙ্গে কথা বলার জন্য প্রস্তুত আছি; যদি বাস্তবে তার মধ্যে এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগ্রহ থাকে যে তিনি যুদ্ধ শেষ করার উপায় খুঁজছেন। কিন্তু তিনি এখনো তা করেননি।

বাইডেন আরো বলেছেন, যদি তা-ই হয়, তাহলে আমার ফরাসি এবং আমার ন্যাটো বন্ধুদের সঙ্গে পরামর্শ করে পুতিনের সঙ্গে বসে তাঁর মনে কী আছে, সেটা দেখতে পেরে খুশি হব। তবে তিনি এখনো এটি করেননি।

বাইডেন বলেন, এই যুদ্ধ শেষ করার একটা উপায় আছে। সেটা বেশ যুক্তিসঙ্গত উপায়; আর তা হচ্ছে- পুতিন ইউক্রেন থেকে বের হয়ে যাবেন। কিন্তু মনে হচ্ছে না তিনি সেটি করবেন।

তাঁর অভিযোগ, বিদ্যালয়, হাসপাতাল, বাড়িতে বোমা হামলা করা হচ্ছে। পুতিন যা করছেন তা অসুস্থ কাজ। ইউক্রেনকে পরাজিত করতে চাওয়ার বিষয়ে এই পরিকল্পনা পুতিনের বোধশক্তির বাইরে। তিনি প্রাথমিকভাবে যা কিছু হিসাব করেছেন তার পুরোটাই ভুল।

অর্থসংবাদ/কেএ

শেয়ার করুন:
বিজনেস নিউজ পোর্টাল অর্থসংবাদে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন
Advertisement
December 2022
S M T W T F S
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031

কর্পোরেট সংবাদ

ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার

ফেসবুকে অর্থসংবাদ