Connect with us

আন্তর্জাতিক

মুখ্যমন্ত্রী পদে টানা তৃতীয় দফায় মমতার শপথগ্রহণ

Published

on

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে টানা তৃতীয়বারের মতো শপথ নিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার (৫ মে) স্থানীয় সময় সকাল পৌনে ১১টায় কলকাতার রাজভবনে শপথ নেন তিনি। রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় মমতাকে মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ পাঠ করান।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলো বলছে, বুধবার স্থানীয় সময় সকাল সোয়া দশটার দিকে তৃতীয় বারের জন্য মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিতে কলকাতায় নিজের কালীঘাটের বাড়ি থেকে বের হন মমতা। বরাবরের মতো এসময় তিনি সাদা শাড়ি এবং হাওয়াই চপল পরে ছিলেন। পরে সাড়ে ১০টার দিকে তিনি রাজভবনে পৌঁছে যান। সেখানেই মমতাকে শপথ বাক্য পাঠ করান রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়।

 

Nogod-22-10-2022

গত ২৭ মার্চ থেকে ২৯ এপ্রিল পর্যন্ত মোট আট দফায় পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে ২৯৪টি আসনের মধ্যে তৃণমূল জয়ী হয়েছে ২১৩টি আসনে। বিজেপি জয় পেয়েছে ৭৭টিতে।

করোনা পরিস্থিতির কারণে ২০১১ ও ২০১৬ সালের মতো এবার শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান বড় আয়োজন করা হয়নি। ২০১১ সালে প্রথমবার মুখ্যমন্ত্রীর শপথ গ্রহণের সময় এসেছিলেন তৎকালীন কংগ্রেস সরকারের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পি চিদম্বরম। রাজভবনের ভেতরে বিরাট মঞ্চ তৈরি করে বিশাল জনসমাগমের মাধ্যমে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান হয়েছিল।

দ্বিতীয়বার মমতার শপথ হয়েছিল রেড রোডে। সেবার আবার দেশের বিজেপি বিরোধী সব নেতাদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। কিন্তু কোভিড সংক্রমণের কারণে বিশাল জয়লাভের পরও বিশাল আয়োজনের ব্যাপারে সব পরিকল্পনা বাতিল করতে হয়েছে।

২০১১ সালের মতোই এবারও বিধায়ক না হয়েই মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিলেন মমতা। কারণ, নন্দীগ্রাম থেকে দাঁড়িয়ে শুভেন্দু অধিকারীর কাছে পরাজিত হয়েছেন তিনি। যদিও, সেই ফলাফল নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে তৃণমূল।

শেয়ার করুন:
(অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনও তথ্য পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।)
Advertisement

আন্তর্জাতিক

ইউক্রেন নিয়ে এক শর্তে পুতিনের সঙ্গে আলোচনায় রাজি বাইডেন

Published

on

ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাখোঁর পাশে দাঁড়িয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেছেন, রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে আলোচনায় বসতে রাজি তিনি। তবে সে ক্ষেত্রে শর্ত দিয়েছেন বাইডেন।

নিউ ইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, জো বাইডেন বৃহস্পতিবার বলেছেন- রুশ প্রেসিডেন্ট সত্যিকারার্থে যুদ্ধের অবসান ঘটাতে চাইলে তাঁর সঙ্গে কথা বলতে রাজি হবেন।

ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাখোঁ এর আগে বলেছিলেন, ওয়াশিংটন সফরের পর পুতিনের সঙ্গে আবার কথা বলবেন।

ম্যাখোঁর সঙ্গে কয়েক ঘণ্টা ব্যক্তিগত আলোচনার পর হোয়াইট হাউসে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে বাইডেন বলেন, পুতিনের সঙ্গে এখনই যোগাযোগ করার তাঁর তাৎক্ষণিক কোনো পরিকল্পনা নেই। তবে পুতিনের সঙ্গে আলোচনার সম্ভাবনা উন্মুক্ত রয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

Nogod-22-10-2022

বাইডেন বলেছেন, প্রেসিডেন্ট পুতিনের সঙ্গে কথা বলার জন্য প্রস্তুত আছি; যদি বাস্তবে তার মধ্যে এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগ্রহ থাকে যে তিনি যুদ্ধ শেষ করার উপায় খুঁজছেন। কিন্তু তিনি এখনো তা করেননি।

বাইডেন আরো বলেছেন, যদি তা-ই হয়, তাহলে আমার ফরাসি এবং আমার ন্যাটো বন্ধুদের সঙ্গে পরামর্শ করে পুতিনের সঙ্গে বসে তাঁর মনে কী আছে, সেটা দেখতে পেরে খুশি হব। তবে তিনি এখনো এটি করেননি।

বাইডেন বলেন, এই যুদ্ধ শেষ করার একটা উপায় আছে। সেটা বেশ যুক্তিসঙ্গত উপায়; আর তা হচ্ছে- পুতিন ইউক্রেন থেকে বের হয়ে যাবেন। কিন্তু মনে হচ্ছে না তিনি সেটি করবেন।

তাঁর অভিযোগ, বিদ্যালয়, হাসপাতাল, বাড়িতে বোমা হামলা করা হচ্ছে। পুতিন যা করছেন তা অসুস্থ কাজ। ইউক্রেনকে পরাজিত করতে চাওয়ার বিষয়ে এই পরিকল্পনা পুতিনের বোধশক্তির বাইরে। তিনি প্রাথমিকভাবে যা কিছু হিসাব করেছেন তার পুরোটাই ভুল।

অর্থসংবাদ/কেএ

শেয়ার করুন:
(অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনও তথ্য পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।)
পুরো সংবাদটি পড়ুন

আন্তর্জাতিক

বছর শেষে খাদ্য সংকটে পড়বে বিশ্বের ৫৩ দেশ

Published

on

বছর শেষে তীব্র খাদ্য সংকটে পড়বে বিশ্বের ৫৩টি দেশের ২২২ মিলিয়ন মানুষ। সেইসঙ্গে, আগামী বছর প্রায় ৭০টি দেশে বিশ্বের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ২৩ কোটি মানুষকে সাহায্য করার জন্য রেকর্ড ৫১ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন হবে। সে হিসাবে আগামী বছর চলতি বছরের চেয়ে ২০ শতাংশ বেশি সাহায্যের প্রয়োজন হবে। বৃহস্পতিবার জেনেভায় গ্লোবাল হিউম্যানিটারিয়ান ওভারভিউ রিপোর্ট ২০২৩ প্রকাশের সময় এ মন্তব্য করেন জাতিসংঘের শীর্ষ জরুরি ত্রাণ কর্মকর্তা মার্টিন গ্রিফিথ। এই আবেদনটিকে প্রান্তে থাকা মানুষের জন্য একটি ‘লাইফলাইন’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। এএফপি।

গ্রিফিথ বলেন , ২০২২ সালের তুলনায় ২০২৩ সালে মোট প্রয়োজনের সংখ্যা ৬৫ মিলিয়ন বেশি। প্রয়োজনগুলো ‘আশঙ্কাজনকভাবে বেশি’। তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, ‘খুব সম্ভবত এই বছরের জরুরি পরিস্থিতি ২০২৩ সাল পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে। ২০২৩ সংহতির বছর হবে, ঠিক যেমন ২০২২ দুঃখের বছর ছিল।’ তিনি আরও বলেন, ‘প্রয়োজন বাড়ছে কারণ আমরা ইউক্রেনের যুদ্ধে, কোভিড এবং জলবায়ু দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি।’ তিনি বলেছিলেন, ‘আমি ভয় করি যে ২০২৩ এসব প্রবণতার কারণ হতে চলেছে এবং সেই কারণেই আমরা আশা করি।

তিনি ব্যাখ্যা করেছিলেন যে পাকিস্তান থেকে আফ্রিকার হর্ন পর্যন্ত অসংখ্য দেশ প্রাণঘাতী খরা এবং বন্যার শিকার হয়েছে। উপরন্তু, ইউক্রেনের যুদ্ধ ইউরোপের একটি অংশকে যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত করেছিল। বিশ্বব্যাপী এখন ১০০ মিলিয়নেরও বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত। এই সবই বিশ্বের সবচেয়ে দরিদ্রদের মধ্যে মহামারির প্রভাবে ধ্বংসযজ্ঞের শীর্ষে। দুর্ভিক্ষের হুমকির দিকে ফিরে তিনি বলেছিলেন, পাঁচটি দেশ ‘ইতোমধ্যেই দুর্ভিক্ষের মতো পরিস্থিতির সম্মুখীন হচ্ছে। যেখানে আমরা আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে এবং অসুখীভাবে বলতে পারি যে, এর ফলে মানুষ মারা যাচ্ছে এবং এটি শিশুদের হতে পারে-বাস্তুচ্যুতি, খাদ্য, নিরাপত্তাহীনতা, খাদ্যের অভাব, অনাহার। জলবায়ু পরিবর্তন ঝুঁকি এবং দুর্বলতাও বাড়িয়ে তুলছে। মি. গ্রিফিথস বলেন, উদ্বেগের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে যে শতাব্দীর শেষ নাগাদ প্রচণ্ড তাপ ক্যানসারের মতো অনেক মানুষের জীবনহানি করতে পারে।

একই দিন নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দফতরে প্রকাশিত জলবায়ু ও জীববৈচিত্র্যবিষয়ক বৈঠকে ২০২৫ সালের মধ্যে প্রকৃতি রক্ষায় দ্বিগুণ অর্থায়নের কথা উঠে এসেছে। জাতিসংঘের ইউএন এনভায়রনমেন্ট প্রোগ্রাম (ইউএনইপি) প্রকাশিত দ্বিতীয় ‘স্টেট অব ফাইন্যান্স ফর নেচার’ প্রতিবেদনে এ চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। প্রায় ২০০টি দেশের প্রতিনিধিরা আগামী সপ্তাহে মন্ট্রিলে একটি নতুন বৈশ্বিক জীববৈচিত্র্য চুক্তির লক্ষ্যে সাক্ষাতের জন্য যখন প্রস্তুতি নিচ্ছেন ঠিক ওই সময় প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়।

Nogod-22-10-2022

রিপোর্টে বলা হয়েছে বিনিয়োগ অবশ্যই ২০২৫ সালের মধ্যে প্রতি বছর ৩৮৪ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হবে, যা প্রতি বছর ১৫৪ বিলিয়ন ডলারের বর্তমান হিসাবের দ্বিগুণেরও বেশি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০৩০ সালের মধ্যে বৈশ্বিক উষ্ণতার মাত্রা ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে সীমাবদ্ধ রাখা, জীববৈচিত্র্যের ক্ষতি বন্ধ করা, ভূমি অবক্ষয় নিরপেক্ষতা অর্জন এবং আরও অনেক কিছুর মতো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করার জন্য প্রকৃতিভিত্তিক সমাধানের জন্য বছরে ৪৮৪ বিলিয়ন ডলারের অর্থায়ন প্রয়োজন হবে।

অর্থসংবাদ/কেএ

শেয়ার করুন:
(অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনও তথ্য পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।)
পুরো সংবাদটি পড়ুন

আন্তর্জাতিক

করোনায় আরও হাজারের বেশি মৃত্যু, শনাক্ত ৪ লাখের নিচে

Published

on

চলমান করোনা মহামারিতে বিশ্বজুড়ে দৈনিক মৃত্যুর সংখ্যা আরও বেড়েছে। তবে আগের দিনের তুলনায় কমেছে নতুন শনাক্ত রোগীর সংখ্যা। গত ২৪ ঘণ্টায় সারা বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন এক হাজারের বেশি মানুষ। একই সময়ে ভাইরাসটিতে নতুন করে আক্রান্তের সংখ্যা নেমে এসেছে ৪ লাখের নিচে।

এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বজুড়ে সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ ও প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে জাপানে। অন্যদিকে দৈনিক প্রাণহানির তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। প্রাণহানির তালিকায় এরপরই রয়েছে ব্রাজিল, ফ্রান্স, দক্ষিণ কোরিয়া, চিলি ও ইন্দোনেশিয়া। এতে বিশ্বব্যাপী করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৬৪ কোটি ৮৩ লাখের ঘর। অন্যদিকে মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৬৬ লাখ ৪২ হাজার।

শুক্রবার (২ ডিসেম্বর) সকালে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত, মৃত্যু ও সুস্থতার হিসাব রাখা ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটারস থেকে পাওয়া সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় সারা বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ১ হাজার ২৬ জন। অর্থাৎ আগের দিনের তুলনায় মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েছে ৪৩ জন। এতে বিশ্বজুড়ে মৃতের সংখ্যা পৌঁছেছে ৬৬ লাখ ৪২ হাজার ৫১ জনে।

একই সময়ের মধ্যে ভাইরাসটিতে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৩ লাখ ৮৩ হাজার ৯৯৫ জন। অর্থাৎ আগের দিনের তুলনায় নতুন শনাক্ত রোগীর সংখ্যা কমেছে ৫০ হাজারের বেশি। এতে মহামারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত ভাইরাসে আক্রান্ত মোট রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬৪ কোটি ৮৩ লাখ ৮৮ হাজার ৭০ জনে।

Nogod-22-10-2022

এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বে করোনায় সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ ও প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে জাপানে। এই সময়ের মধ্যে দেশটিতে নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ১ লাখ ১৮ হাজার ২০১ জন এবং মারা গেছেন ১৮২ জন। করোনা মহামারির শুরু থেকে পূর্ব এশিয়ার এই দেশটিতে এখন পর্যন্ত ২ কোটি ৪৯ লাখ ১১ হাজার ৩৬৭ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন এবং ৪৯ হাজার ৮২৬ জন মারা গেছেন।

অন্যদিকে দৈনিক প্রাণহানির তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। গত ২৪ ঘণ্টায় এই দেশটিতে নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ২৮ হাজার ৭২০ জন এবং মারা গেছেন ১৬১ জন। করোনাভাইরাসে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এই দেশটিতে এখন পর্যন্ত ১০ কোটি ৭ লাখ ১৬ হাজার ৬৮৪ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন এবং ১১ লাখ ৬ হাজার ১১৮ জন মারা গেছেন।

ফ্রান্সে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৬৯ হাজার ২৫৩ জন এবং মারা গেছেন ৭৬ জন। করোনা মহামারির শুরু থেকে এই দেশটিতে এখন পর্যন্ত ৩ কোটি ৭৯ লাখ ১৬ হাজার ৫২ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন এবং ১ লাখ ৫৯ হাজার ২৬ জন মারা গেছেন। একইসময়ে দক্ষিণ কোরিয়ায় নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৫৭ হাজার ৭৯ জন এবং মারা গেছেন ৬২ জন।

রাশিয়ায় গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ভাইরাসে সংক্রমিত হয়েছেন ৬ হাজার ৭৮৫ জন এবং মারা গেছেন ৫৮ জন। এছাড়া মহামারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত দেশটিতে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ২ কোটি ১৫ লাখ ৯৭ হাজার ৬১৩ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ৩ লাখ ৯২ হাজার ৬০ জনের। একইসময়ে ইন্দোনেশিয়ায় নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৪ হাজার ৯৭৭ জন এবং মারা গেছেন ৫৪ জন।

তাইওয়ানে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ভাইরাসে সংক্রমিত হয়েছেন ১৫ হাজার ৬৫১ জন এবং মারা গেছেন ৫৩ জন। এছাড়া মহামারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত দেশটিতে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ৮৩ লাখ ২৯ হাজার ৮ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ১৪ হাজার ৩৮৭ জনের। একইসময়ে চিলিতে নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৫ হাজার ৪১ জন এবং মারা গেছেন ৬২ জন।

লাতিন আমেরিকার দেশ ব্রাজিল করোনায় আক্রান্তের দিক থেকে চতুর্থ ও মৃত্যুর সংখ্যায় তালিকার দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ১৪৫ জন এবং নতুন করে সংক্রমিত হয়েছেন ৩১ হাজার ৭৬৭ জন। অপরদিকে মহামারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত দেশটিতে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ৩ কোটি ৫৩ লাখ ৩৬ হাজার ৪৮২ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ৬ লাখ ৮৯ হাজার ৯৯৮ জনের।

উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের উহানে প্রথম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। এরপর ২০২০ সালের ১১ মার্চ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) করোনাকে ‘বৈশ্বিক মহামারি’ হিসেবে ঘোষণা করে। এর আগে একই বছরের ২০ জানুয়ারি বিশ্বজুড়ে জরুরি পরিস্থিতি ঘোষণা করে সংস্থাটি।

অর্থসংবাদ/কেএ

শেয়ার করুন:
(অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনও তথ্য পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।)
পুরো সংবাদটি পড়ুন

আন্তর্জাতিক

রাশিয়ায় তেলের ট্যাংকে আগুন

Published

on

রাশিয়ার ব্রায়ানস্ক অঞ্চলে তেল সংরক্ষণের একটি বড় ট্যাংকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। 

বুধবার ভোরে ট্যাংকটিতে আগুন লাগে বলে নিশ্চিত করেছেন ব্রায়ানস্ক গভর্নর আলেকজান্ডার বোগোমাজ। খবর রয়টার্সের।

আলেকজান্ডার বোগোমাজ জানান, ব্রায়ানস্ক অঞ্চলটি রাশিয়ার ইউক্রেন সীমান্তসংলগ্ন এলাকায় অবস্থিত। সেখানকার উত্তরাঞ্চলীয় সুরাজ জেলায় এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থল থেকে আগুন ১৯ হাজার বর্গফুট এলাকাজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে।

তিনি জানান, অগ্নিনির্বাপণ ও উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে রয়েছে।

Nogod-22-10-2022

গভর্নর আলেকজান্ডার বোগোমাজ জানান, এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। তাৎক্ষণিকভাবে অগ্নিকাণ্ডের কারণ জানা যায়নি।

রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, তাদের পক্ষে তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

অর্থসংবাদ/কেএ

শেয়ার করুন:
(অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনও তথ্য পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।)
পুরো সংবাদটি পড়ুন

আন্তর্জাতিক

বেতন একই রেখে যুক্তরাজ্যের ১০০ প্রতিষ্ঠানে সপ্তাহে চার দিন অফিস চালু

Published

on

যুক্তরাজ্যের ১০০টি কোম্পানিতে সপ্তাহে তিন দিন ছুটি এবং চার দিনের কাজ চালু হচ্ছে। সপ্তাহে কাজের দিন কমলেও কর্মীদের বেতন কমবে না। যে ১০০টি কোম্পানি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে সেখানে ২৬০০শ কর্মী কাজ করে। যুক্তরাজ্যে এটা খুবই সামান্য সংখ্যা হলেও চারদিন কর্মদিবস ক্যাম্পেইনারদের দাবি, এই সিদ্ধান্ত ভ্যানগার্ড হিসেবে কাজ করবে।

চার দিনের অফিস চালু করা নিয়ে কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা বলছেন, পাঁচ দিন কাজ সেকেলে ধারণা। চার দিনের কাজ কর্মীদের কর্মদক্ষতা আরও বাড়াবে, কর্মীরা আরও উন্নতমানের কাজ করতে সক্ষম হবে।

কর্মীদের ভাষ্য, সপ্তাহে পাঁচ দিন অফিস থাকার কারণে কাজের প্রতি আগ্রহের ঘাটতি তৈরি হতো, ঠিকভাবে কাজ সম্পন্ন করতে পারতেন না। এখন তারা কোনো চাপ ছাড়াই আরও সুন্দরভাবে কাজ করতে পারবেন।
সপ্তাহে চার দিন কাজের নিয়ম চালু করছে যুক্তরাজ্যের অন্যতম বড় দুটি প্রতিষ্ঠান অ্যাটম ব্যাংক এবং গ্লোবাল মার্কেটিং সংস্থা অ্যাউইন। দুটি প্রতিষ্ঠানে ৪৫০ জন করে কর্মী আছেন। অ্যাউইনের প্রধান নির্বাহী অ্যাডাম রস বলেছেন, দেড় বছর পরীক্ষামূলকভাবে অ্যাউইনে চার দিন কাজ হয়েছে। এ সময়ে কর্মীদের মধ্য সুস্থ থাকার হার বাড়তে দেখেছি। একই সঙ্গে আমাদের গ্রাহক পরিষেবা এবং গ্রাহকদের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে আরও এগিয়েছি।

১০০ কোম্পানি সপ্তাহে চার দিনের কাজ চালুর আগে কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়, অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়, বোস্টন কলেজের মতো প্রতিষ্ঠানগুলো এ নিয়ে গবেষণা করে। বিশ্বের বিভিন্ন প্রকল্পের সঙ্গে জড়িত প্রায় ৭০টি সংস্থার সঙ্গে এ ব্যাপারে কথা বলা হয়েছে। তারাই চার দিনের কাজের বিষয়টি চালুর প্রস্তাব করেছে। ওই সব প্রতিষ্ঠানের সমীক্ষায় উঠে এসেছে, ৮৮ শতাংশ সংস্থা চার দিনের কাজের ব্যাপারে একমত। এ নিয়ম পরীক্ষামূলকভাবে চালু থাকা প্রতিষ্ঠানগুলো বলছে, এতে কর্মীরা আরও কর্মদক্ষ হয়ে উঠছেন। সূত্র: গার্ডিয়া

Nogod-22-10-2022
শেয়ার করুন:
(অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনও তথ্য পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।)
পুরো সংবাদটি পড়ুন
Advertisement
December 2022
S M T W T F S
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031

কর্পোরেট সংবাদ

ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার

ফেসবুকে অর্থসংবাদ