বঙ্গবন্ধুর ভাষণে আছে রাজনীতি করার দিকনির্দেশনা

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশ: ২০২১-০১-১১ ০০:৩৬:১৭

১৯৭১ সালের ৭ মার্চ ও ’৭২ সালের ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুর দেয়া দুটি ভাষণ বার বার শুনতে দলীয় নেতাকর্মী ও নতুন প্রজন্মের প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, এ দুটি ভাষণ শুনলে রাজনীতি করার একটি প্রেরণা ও দিকনির্দেশনা সবাই পাবেন।

তিনি বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন পাকিস্তান কারাগারে বন্দি থেকে মুক্ত হওয়ার পর লন্ডন হয়ে ১০ জানুয়ারি দেশে ফিরে তিনি পরিবারের কাছে যাননি। তিনি সরাসরি রেসকোর্স ময়দানে ছুটে গিয়েছিলেন। জনগণের উদ্দেশ্যে বক্তৃতা করার সময় বঙ্গবন্ধুর হাতে কোনো লিখিত বক্তব্য না থাকলেও তিনি স্বতঃস্ফূর্তভাবে দেয়া ভাষণে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র পরিচালনার সব নির্দেশনা দিয়েছিলেন।’

রোববার (১০ জানুয়ারি) জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ আয়োজিত অনুষ্ঠানে গণভবন থেকে যুক্ত হয়ে সভাপতির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘একটা মানুষ; জাতির প্রতি, মানুষের প্রতি কতটা নিবেদিত হলে, মানুষকে কতটা ভালোবাসলে এভাবে আত্মত্যাগ করতে পারে, এভাবে মানুষের কথা বলতে পারে তার প্রমাণ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। এদেশকে তিনি চিনতেন জানতেন ভালোবাসতেন এবং দেশের কল্যাণের জন্য তিনি জীবন উৎসর্গ করেছিলেন।’

বঙ্গবন্ধুকন্যা বলেন, ‘জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসের হাত থেকে দেশকে মুক্ত রেখে ক্ষুধামুক্ত দারিদ্র্যমুক্ত অসাম্প্রদায়িক চেতনার উন্নত সমৃদ্ধ সোনার বাংলাদেশ গড়ে তুলবো জাতির পিতার প্রত্যাবর্তন দিবসে এটাই আমাদের প্রতিজ্ঞা।’

বাংলাদেশ বিশ্বে মাথা উঁচু করে চলবে মন্তব্য করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘স্বাধীনতাকে যারা ব্যর্থ করতে চেয়েছিল আজকে তারাই ব্যর্থ। আজকে বাংলাদেশ স্বাধীন দেশ হিসেবে সারাবিশ্বে যে মর্যাদা পেয়েছে, এ মর্যাদা ধরে রেখে বাংলাদেশকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাব; কারণ জাতির পিতার স্বপ্নের উন্নত-সমৃদ্ধ সোনার বাংলা আমরা গড়ে তুলবো।’

 

আমরা সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।