ক্যাটাগরি: অর্থনীতি

গরুর মাংস আমদানির অনুমতি চায় রেস্তোরাঁ মালিকরা

দেশের বাজারে গরুর মাংসের দাম সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে গেছে। সরবরাহ কমেছে, পশুখাদ্যের মূল্যবৃদ্ধিতে কমেছে গবাদিপশু পালনও। এই পরিস্থিতিতে বিদেশ থেকে নিজেরাই সরাসরি গরুর মাংস আমদানির সুযোগ দেওয়ার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতি।

রবিবার (১০ মে) রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির শফিকুল কবির মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে আসন্ন বাজেটকে সামনে রেখে রেস্তোরাঁ খাতের সংকট ও ১১ দফা দাবি তুলে ধরেন সংগঠনের নেতারা। লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন সমিতির মহাসচিব ইমরান হাসান। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সহসভাপতি শাহ সুলতান খোকন, যুগ্ম মহাসচিব ফিরোজ আলম, কোষাধ্যক্ষ মিজানুর রহমান, যুগ্ম সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুল হাসান চৌধুরী ও দপ্তর সম্পাদক আমির হোসেনসহ নেতারা।

সমিতি জানায়, বর্তমানে বাজারে গরুর মাংসের কেজি ৮০০ থেকে ১০০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সিন্ডিকেটের কারণে পশুখাদ্যের দাম বাড়ায় অনেক এলাকায় গবাদিপশু পালন কমে গেছে এবং সরবরাহ সংকট তীব্র হয়েছে। এতে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে দেশের রেস্তোরাঁ খাতে।
মহাসচিব ইমরান হাসান বলেন, রেস্তোরাঁ খাতে ভ্যাট ১৫ থেকে ৫ শতাংশে নামানো হলেও ১০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক ও উৎসে করসহ অন্যান্য করের ভার সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। তাই আগামী বাজেটে কর সহনীয় রাখা, উৎসে কর প্রত্যাহার এবং শ্রমিক-কর্মচারীদের ক্যানটিন ও ক্যাটারিং সেবায় ভ্যাট ৫ শতাংশ নির্ধারণের দাবি জানান তিনি।

এলপিজি গ্যাস সংকটকে আরেকটি গুরুতর সমস্যা হিসেবে তুলে ধরে তিনি বলেন, অনেক নতুন ও ছোট রেস্তোরাঁ গ্যাস সংযোগের অভাবে পূর্ণ সক্ষমতায় ব্যবসা পরিচালনা করতে পারছে না। পরিকল্পিতভাবে নতুন সংযোগ দেওয়া হলে এলপিজির ওপর নির্ভরতা ও ব্যয় দুটোই কমবে। এছাড়া কিছু অসাধু গোষ্ঠী ট্রেড ইউনিয়নের নাম ব্যবহার করে রেস্তোরাঁ মালিকদের হয়রানি ও চাঁদাবাজি করছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

১১ দফা দাবির মধ্যে আরও রয়েছে— রেস্তোরাঁ পরিচালনায় ওয়ান স্টপ সার্ভিস চালু, রেস্তোরাঁ খাতকে আনুষ্ঠানিকভাবে শিল্প হিসেবে ঘোষণা এবং ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন প্রক্রিয়া সহজীকরণ।

শেয়ার করুন:-
শেয়ার