Connect with us

ধর্ম ও জীবন

শতভাগ ভিসা ইস্যু, সৌদি আরবে পৌঁছেছেন ৪৩ হাজার ১৯ হজযাত্রী

Published

on

ব্লক

চলতি বছরে পবিত্র হজ পালনের উদ্দেশে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ থেকে ১০৮টি ফ্লাইটে মোট ৪৩ হাজার ১৯ জন হজযাত্রী সৌদি আরবে পৌঁছেছেন। ভিসা ইস্যু শতভাগ সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

রোববার (৩ মে) সকালে হজ কার্যক্রম-সংক্রান্ত সর্বশেষ বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়। এ তথ্য হেল্প ডেস্কের মাধ্যমে এয়ারলাইন্স, সিভিল এভিয়েশন অথরিটি অব বাংলাদেশ, বাংলাদেশ হজ অফিস ঢাকা এবং সৌদি আরবের সংশ্লিষ্ট সূত্রে তথ্যটি নিশ্চিত করা হয়েছে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

হজ বুলেটিন অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত ৭ জন হজযাত্রীর স্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ৫ জন মক্কায় এবং ২ জন মদিনায় মারা যান।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

এতে আরও বলা হয়, সৌদি মেডিকেল টিম ৯ হাজার ১৭৫ জন হজযাত্রীকে সরাসরি চিকিৎসাসেবা দিয়েছে। এছাড়া আইটি হেল্পডেস্কের মাধ্যমে ৯ হাজার ৭৩০ জন স্বাস্থ্যসেবা পেয়েছেন।

চলতি বছর বাংলাদেশ থেকে মোট ৭৮ হাজার ৫০০ জন হজ পালনের অনুমতি পেয়েছেন। মোট ৬৬০টি এজেন্সি এ কার্যক্রম পরিচালনা করছে, যার মধ্যে ৩০টি প্রধান এবং ৬৩০টি সমন্বয়কারী এজেন্সি রয়েছে।

বিমান সংস্থাভিত্তিক তথ্যে বলা হয়, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ৫০টি ফ্লাইটে ২০ হাজার ৪৮৩ জন, সৌদি এয়ারলাইন্সের ৩৯টি ফ্লাইটে ১৪ হাজার ৬৪৬ জন এবং ফ্লাইনাসের ১৯টি ফ্লাইটে ৭ হাজার ৮৯০ জন যাত্রী সৌদি আরবে গেছেন।

গত ১৭ এপ্রিল রাত ১১টা ৫৭ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ৪১৯ জন হজযাত্রী নিয়ে প্রথম হজ ফ্লাইট (বিজি৩০০১) জেদ্দার কিং আব্দুল আজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্দেশে ছেড়ে যায়। ফ্লাইটটির উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

হজ অফিসের তথ্য অনুযায়ী, মোট হজযাত্রীর মধ্যে ৪ হাজার ৫৬৫ জন সরকারি এবং ৭৩ হাজার ৯৩৫ জন বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ পালন করবেন।

ঢাকাস্থ সৌদি দূতাবাস শতভাগ ভিসা মোট ৭৮ হাজার ৫০০টি ভিসা ইস্যু করেছে। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪,৪৪৩টি এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭৩,৯০৩টি ভিসা রয়েছে।

চাঁদ দেখা সাপেক্ষে, আগামী ২৬ মে সৌদি আরবে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

হজ পালন শেষে আগামী ৩০ মে জেদ্দা থেকে ফিরতি ফ্লাইট শুরু হবে। আগামী ৩০ জুন শেষ ফ্লাইটটি ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হবে।

শেয়ার করুন:-

জাতীয়

বিশ্বব্যাপী একই দিনে ঈদ পালনের দাবি দলীলভিত্তিক নয়: বায়তুল মোকাররমের খতিব

Published

on

ব্লক

বিশ্বব্যাপী একই তারিখে রোজা ও ঈদ পালনের দাবি দলীলভিত্তিক নয় এবং কার্যক্ষেত্রে এর বাস্তবায়নও অসম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব মুফতি মুহাম্মদ আবদুল মালেক। শনিবার (৯ মে) রাজধানীর রমনায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ মিলনায়তনে দাওয়াতুস সুন্নাহ বাংলাদেশ আয়োজিত জাতীয় সেমিনারে প্রবন্ধ উপস্থাপনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

মুফতি আবদুল মালেক বলেন, ইসলামি শরিয়তে চন্দ্রমাস শুরুর মানদণ্ড হলো হেলাল দেখা বা হেলালের সাক্ষ্য, অন্যথায় মাস ত্রিশ দিন পূর্ণ করা। এ মানদণ্ড বাদ দিয়ে অমাবস্যা থেকে মাস শুরু করা শরিয়ত পরিবর্তনের শামিল। একইভাবে জ্যোতির্বিজ্ঞানভিত্তিক আগাম প্রস্তুতকৃত ক্যালেন্ডারকে মানদণ্ড বানানোও স্পষ্ট নাজায়েজ।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

তিনি বলেন, মুসলমানদের ঈদ নিছক আনন্দ-উৎসব নয়, বরং এটি ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। তাই একে অন্যদের উৎসবের আদলে উদযাপনের চিন্তা সম্পূর্ণ ভ্রান্ত। হেলাল দেখাকে একমাত্র ভিত্তি ধরে পুরো বিশ্বে একই সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়া উম্মতের ইজমা পরিপন্থী এবং নির্দিষ্ট কোনো শহরের চাঁদ দেখার ভিত্তিতে অন্য অঞ্চলের সিদ্ধান্ত নেওয়াও শরিয়তসম্মত নয়।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

খতিব আরও বলেন, বাংলাদেশে দীর্ঘদিন ধরে যে পদ্ধতিতে রোজা ও ঈদ পালিত হয়ে আসছে, দেশের অধিকাংশ আলেম-মাশায়েখ সে বিষয়ে একমত। তাই এই ধারা পরিবর্তনের কোনো শরয়ি কারণ নেই, বরং পরিবর্তন করলে সমাজে বিভ্রান্তি ও অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি হতে পারে। শরিয়তের দৃষ্টিতে কোনো আপত্তি না থাকলে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সিদ্ধান্ত মেনে চলা মুসলিম নাগরিকদের দায়িত্ব বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন মুফতি মাহমুদুল হাসান। দেশের শীর্ষস্থানীয় আলেম ও ইসলামি চিন্তাবিদরা এতে উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

ধর্ম ও জীবন

বদনজর থেকে সাবধান, এটি কোনো কুসংস্কার নয়

Published

on

ব্লক

বদনজর কোনো কুসংস্কার নয়, বরং এটি একটি বাস্তব সত্য। পবিত্র কোরআন ও হাদিসে এ বিষয়ে স্পষ্ট দিকনির্দেশনা রয়েছে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

পবিত্র কোরআনে সুরা ইউসুফের ৬৭ নম্বর আয়াতে দেখা যায়, হজরত ইয়াকুব (আ.) তাঁর সুদর্শন পুত্রদের বদনজর থেকে রক্ষা করতে মিসরে প্রবেশের সময় ভিন্ন ভিন্ন দরজা ব্যবহার করতে বলেছিলেন।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

হাদিস শরিফেও বদনজরের ভয়াবহতা সম্পর্কে সতর্ক করা হয়েছে। মহানবী (সা.) বলেছেন, ‘অশুভ দৃষ্টির প্রভাব সত্য। যদি কোনো কিছু ভাগ্যের লিখনকে অতিক্রম করত, তাহলে অশুভ দৃষ্টিই তা করতে পারত।’ (মুসলিম শরিফ)

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

তাই কারো সম্পদ বা সৌন্দর্য দেখলে ‘মাশাআল্লাহ’ বা ‘বারাকাল্লাহ’ বলা উচিত। আর নিজেকে ও পরিবারকে বদনজর থেকে রক্ষা করতে সর্বদা মহান আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করা কর্তব্য।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

ধর্ম ও জীবন

আকিকার পরিবর্তে টাকা দান করলে কি আকিকা আদায় হবে?

Published

on

ব্লক

সন্তান জন্ম নেওয়ার পর আল্লাহর শুকরিয়া আদায় ও সন্তানের কল্যাণ কামনায় ইসলাম যে সুন্দর আমলগুলোর শিক্ষা দিয়েছে, তার অন্যতম হলো আকিকা। এটি মুসলিম সমাজে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ একটি সুন্নত আমল। তবে বর্তমান সময়ে অনেকের মনে প্রশ্ন জাগে- আকিকার জন্য পশু জবাই না করে যদি সেই অর্থ কোনো দরিদ্র ব্যক্তি, মাদরাসা বা জনকল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠানে দান করে দেওয়া হয়, তাহলে কি আকিকার সওয়াব পাওয়া যাবে?

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

এ বিষয়ে ইসলামি শরিয়তের দৃষ্টিভঙ্গি হলো— আকিকা কোনো ফরজ বা ওয়াজিব ইবাদত নয়; বরং এটি মুস্তাহাব বা অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ একটি আমল। তবে এই ইবাদতের নির্ধারিত পদ্ধতি রয়েছে, আর সেই পদ্ধতি অনুসরণ করেই আকিকার পূর্ণ সওয়াব অর্জিত হয়।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

আলেমদের মতে, আকিকার মূল উদ্দেশ্য হলো আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য পশু জবাই করা এবং তার রক্ত প্রবাহিত করা। তাই পশু কুরবানি না করে সমপরিমাণ অর্থ দান করে দিলে সাধারণ সদকা বা দানের সওয়াব পাওয়া যাবে বটে, কিন্তু তা আকিকা হিসেবে গণ্য হবে না। অর্থাৎ, আকিকার বিশেষ ফজিলত ও বরকত কেবল শরিয়ত নির্ধারিত পদ্ধতিতে পশু জবাই করার মাধ্যমেই অর্জিত হয়।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

বিশেষজ্ঞ আলেমরা আরও বলেন, ইবাদতের ধরন মানুষের ইচ্ছামতো পরিবর্তন করার সুযোগ নেই। ইসলামে যে ইবাদত যেভাবে আদায়ের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, তা সেভাবেই পালন করতে হয়। তাই সন্তানের কল্যাণ ও আকিকার সুন্নত আদায়ের উদ্দেশ্যে পশু জবাই করাকেই অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত। আর দান-সদকা চাইলে অতিরিক্ত নেক আমল হিসেবে আলাদাভাবে করা যেতে পারে।

আকিকা করার উত্তম সময়

সন্তান জন্মের সপ্তম দিনে আকিকা করা উত্তম। এ বিষয়ে একাধিক হাদিসে নির্দেশনা এসেছে।

রাসুলুল্লাহ (সা.) তার দৌহিত্রদ্বয় হাসান ও হুসাইন (রা.)-এর আকিকা সপ্তম দিনে করেছেন। হাদিসে এসেছে—

عَقَّ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ عَنِ الْحَسَنِ وَالْحُسَيْنِ يَوْمَ السَّابِعِ

‘রাসুলুল্লাহ (সা.) হাসান ও হুসাইন (রা.)-এর পক্ষ থেকে সপ্তম দিনে আকিকা করেছেন।’ (আবু দাউদ ২৮৩৪)

তাই সম্ভব হলে সন্তানের জন্মের সপ্তম দিনেই আকিকা করা উত্তম। তবে কোনো কারণে সপ্তম দিনে সম্ভব না হলে ১৪তম দিন বা ২১তম দিনে করাও ভালো। হাদিসে হজরত আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত—

الْعَقِيقَةُ تُذْبَحُ لِسَبْعٍ أَوْ لِأَرْبَعَ عَشْرَةَ أَوْ لِإِحْدَى وَعِشْرِينَ

‘আকিকা সপ্তম দিনে করা হবে। তা সম্ভব না হলে চৌদ্দতম দিনে, আর তাও সম্ভব না হলে একুশতম দিনে।’ (মুসতাদরাকে হাকেম ৭৬৬৯)

আকিকা ইসলামের একটি গুরুত্বপূর্ণ সুন্নত ও ফজিলতপূর্ণ আমল, যার মাধ্যমে সন্তানের জন্য দোয়া, কল্যাণ ও আল্লাহর সন্তুষ্টি কামনা করা হয়। যদিও দান-সদকা অত্যন্ত মহৎ কাজ, তবুও তা আকিকার বিকল্প হতে পারে না। কারণ শরিয়তে আকিকার জন্য নির্ধারিত পদ্ধতি হলো পশু জবাই করা। তাই সামর্থ্য থাকলে সন্তানের জন্মের পর সুন্নত অনুযায়ী আকিকা আদায় করা উচিত। পাশাপাশি দরিদ্রদের সহযোগিতা ও দান-সদকার আমলও অব্যাহত রাখা একজন মুমিনের উত্তম গুণ।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

ধর্ম ও জীবন

কী পরিমাণ সম্পদ থাকলে কোরবানি ওয়াজিব

Published

on

ব্লক

ইসলামে কোরবানি একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। হাদিস শরিফে এ ইবাদতের প্রতি উদ্বুদ্ধ করা হয়েছে। রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হজরত ফাতেমা (রা.)-কে তাঁর কোরবানির নিকট উপস্থিত থাকতে বলেন এবং ইরশাদ করেন, এই কোরবানির প্রথম রক্তবিন্দু প্রবাহিত হওয়ার সাথে সাথে আল্লাহ তায়ালা তোমার গোনাহসমূহ ক্ষমা করে দেবেন। তিনি জিজ্ঞাসা করলেন, ইয়া রাসুল (সা.)! এটা কি শুধু আহলে বায়তের জন্য, নাকি সকল মুসলিমের জন্য? উত্তরে রাসুল (সা.) বললেন, এই ফজিলত সকল মুসলিমের জন্য।’ (মুসনাদে বাজযার-আত্তারগীব ওয়াত্তারহীব: ২/১৫৪)

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ বলেন,‘অতএব তুমি তোমার রবের উদ্দেশে নামাজ আদায় করো এবং কোরবানি করো।’ (সুরা কাওসার: ২)

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

এদিকে সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও যারা কোরবানি দেয় না, তাদের ব্যাপারে হাদিস শরিফে কঠোর বার্তা এসেছে। হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘যার কোরবানির সামর্থ্য আছে তবুও সে কোরবানি করল না, সে যেন আমাদের ঈদগাহে না আসে।’ (মুসনাদে আহমদ: ২/৩২১, মুস্তাদরাকে হাকেম: ৭৬৩৯, আত্তারগীব ওয়াত্তারহীব: ২/১৫৫)

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

কোরবানি কখন, কার ওপর ওয়াজিব?

জনপ্রিয় ইসলামি স্কলার মুফতি রেজাউল করীম আবরার বলেন, প্রাপ্তবয়স্ক, সুস্থমস্তিষ্ক সম্পন্ন প্রত্যেক মুসলিম নর-নারী, যে ১০ জিলহজ ফজর থেকে ১২ জিলহজ সূর্যাস্ত পর্যন্ত সময়ের মধ্যে প্রয়োজন-অতিরিক্ত নেসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক হবে, তার ওপর কোরবানি ওয়াজিব। টাকা-পয়সা, সোনা-রূপা, অলঙ্কার, বর্তমানে বসবাস ও খোরাকির প্রয়োজন আসে না এমন জমি, প্রয়োজন অতিরিক্ত বাড়ি, ব্যবসায়িক পণ্য ও অপ্রয়োজনীয় সকল আসবাবপত্র কোরবানির নেসাবের ক্ষেত্রে হিসাবযোগ্য।

কোরবানির জন্য নেসাব পরিমাণ সম্পদ কতটুকু?

ইসলামি গবেষণা পত্রিকা মাসিক আল কাউসারে বলা হয়েছে, নেসাব হলো স্বর্ণের ক্ষেত্রে সাড়ে সাত (৭.৫) ভরি, রুপার ক্ষেত্রে সাড়ে বায়ান্ন (৫২.৫) ভরি। টাকা-পয়সা ও অন্যান্য বস্তুর ক্ষেত্রে নিসাব হলো, এর মূল্য সাড়ে বায়ান্ন তোলা রুপার মূল্যের সমপরিমাণ হওয়া। আর সোনা বা রূপা কিংবা টাকা-পয়সা এগুলোর কোনো একটি যদি পৃথকভাবে নেসাব পরিমাণ না থাকে কিন্তু প্রয়োজন অতিরিক্ত একাধিক বস্তু মিলে সাড়ে বায়ান্ন তোলা রুপার মূল্যের সমপরিমাণ হয়ে যায়, তাহলেও তার ওপর কোরবানি করা ওয়াজিব। (আলমুহীতুল বুরহানী: ৮/৪৫৫, ফাতাওয়া তাতারখানিয়া: ১৭/৪০৫)

নেসাবের মেয়াদ

কোরবানির নেসাব পুরো বছর থাকা জরুরি নয়; বরং কোরবানির দিনগুলোতে থাকলেই কোরবানি ওয়াজিব হবে। (বাদায়েউস সানায়ে: ৪/১৯৬, রদ্দুল মুহতার: ৬/৩১২)

উল্লেখ্য, কেউ যদি কোরবানির দিনগুলোতে ওয়াজিব কোরবানি দিতে না পারে তাহলে কোরবানির পশু ক্রয় না করে থাকলে তার ওপর কোরবানির উপযুক্ত একটি ছাগলের মূল্য সদকা করা ওয়াজিব। আর যদি পশু ক্রয় করে থাকে কিন্তু কোনো কারণে কোরবানি দেওয়া হয়নি, তাহলে ওই পশু জীবিত সদকা করে দেবে। (বাদায়েউস সানায়ে: ৪/২০৪, ফাতাওয়া কাযীখান: ৩/৩৪৫)

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

ধর্ম ও জীবন

হিজরি প্রথম শতকের দুর্লভ ইসলামী শিলালিপির সন্ধান

Published

on

ব্লক

সৌদি আরবের হাইল অঞ্চলে প্রাচীন হজ রুটের পাশে হিজরি প্রথম শতকের একটি বিরল ইসলামী শিলালিপির সন্ধান পেয়েছেন প্রত্নতাত্ত্বিকরা। এই আবিষ্কার ইসলামের সূচনালগ্নে হজযাত্রা ও তীর্থপথের ইতিহাস সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ নতুন তথ্য দিচ্ছে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

বুধবার (৬ মে) সৌদি হেরিটেজ কমিশন এই ঐতিহাসিক আবিষ্কারের তথ্য নিশ্চিত করেছে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

কমিশন জানায়, হাইল অঞ্চলের সামিরা গভর্নরেটের দক্ষিণে জালি আল-নিস এলাকায় শিলালিপিটি পাওয়া গেছে। স্থানটি ঐতিহাসিক দরবে জুবাইদা হজ রুটের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা প্রাচীনকালে কুফা থেকে মক্কা যাওয়ার পথে তীর্থযাত্রীদের প্রধান যাতায়াতপথ হিসেবে ব্যবহৃত হতো।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

একটি সমতল গ্রানাইট পাথরের ওপর খোদাই করা এই শিলালিপিতে ইব্রাহিম ইবনে জিয়াদ নামের এক ব্যক্তির জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করে দোয়ার কথা লেখা রয়েছে। পাশাপাশি পবিত্র কোরআনের সূরা বাকারার শেষ অংশের একটি আয়াতের উদ্ধৃতিও সেখানে পাওয়া গেছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কোয়ার্টজ শিরাযুক্ত পাথরের ওপর চমৎকারভাবে খোদাই করা এই লিপিটি সে সময়ের মানুষের গভীর ধর্মীয় বিশ্বাস ও আধ্যাত্মিক চেতনার বহিঃপ্রকাশ। এই আবিষ্কার প্রমাণ করে যে, ইসলামের প্রাথমিক যুগে হজ রুটগুলো শুধুমাত্র যাতায়াতের পথ ছিল না, বরং এগুলো ছিল তৎকালীন সংস্কৃতির এক অনন্য মাধ্যম।

হেরিটেজ কমিশন জানিয়েছে, সৌদি আরবজুড়ে ছড়িয়ে থাকা প্রত্নতাত্ত্বিক স্থানগুলো নথিভুক্ত ও সংরক্ষণের যে বিশাল কর্মযজ্ঞ চলছে, এই আবিষ্কার তারই অংশ। দেশটির সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে বিশ্বদরবারে তুলে ধরতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সৌদি আরবের ঐতিহাসিক স্থানগুলো রক্ষায় কমিশন ভবিষ্যতে আরও বিস্তারিত জরিপ ও গবেষণার পরিকল্পনা করছে। মূলত মানব সভ্যতার জীবন্ত দলিল হিসেবে এসব প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন সংরক্ষণে কঠোর জোর দিচ্ছে দেশটির সরকার।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

পুঁজিবাজারের সর্বশেষ

ব্লক ব্লক
পুঁজিবাজার16 hours ago

ব্লক মার্কেটে লেনদেন ৩৫ কোটি টাকার

সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ব্লক মার্কেটে মোট ৪৪টি কোম্পানির শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এদিন ব্লক মার্কেটে ৩৫ কোটি...

ব্লক ব্লক
পুঁজিবাজার16 hours ago

দরপতনের শীর্ষে সায়হাম কটন মিলস

সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শেষে দরপতনের তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে সায়হাম কটন মিলস...

ব্লক ব্লক
পুঁজিবাজার16 hours ago

দর বৃদ্ধি শীর্ষে এ বি ব্যাংক ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড

সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেনে অংশ নেওয়া ৩৯৪টি কোম্পানির মধ্যে ১৬১টির শেয়ারদর বৃদ্ধি পেয়েছে।...

ব্লক ব্লক
পুঁজিবাজার16 hours ago

লেনদেনের শীর্ষে মুন্নু সিরামিক

সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শেষে তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে মুন্নু সিরামিক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড। ...

ব্লক ব্লক
পুঁজিবাজার17 hours ago

সূচকের পতনে লেনদেন ছাড়ালো ৭২৭ কোটি টাকা

সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মূল্য সূচকের পতনে লেনদেন শেষে হয়েছে। একই সঙ্গে লেনদেনে অংশ...

ব্লক ব্লক
পুঁজিবাজার18 hours ago

আরএকে সিরামিকসের লভ্যাংশ বিতরণ

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি আরএকে সিরামিকস (বাংলাদেশ) লিমিটেডের গত ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫ সমাপ্ত হিসাববছরে জন্য ঘোষিত লভ্যাংশ বিনিয়োগকারীদের কাছে পাঠিয়েছে। ...

ব্লক ব্লক
পুঁজিবাজার19 hours ago

সমন্বয়হীনতায় দেশে কমোডিটি এক্সচেঞ্জ চালুতে দেরি হচ্ছে: সিএসই এমডি

নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) সঙ্গে সমন্বয়হীনতাসহ বিভিন্ন কারণে দেশে কমোডিটি এক্সচেঞ্জ চালু হতে দেরি হচ্ছে বলে...

সোশ্যাল মিডিয়া

তারিখ অনুযায়ী সংবাদ

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০১১১৩১৫১৬
১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭৩০
৩১  
ব্লক
অর্থনীতি12 hours ago

গরুর মাংস আমদানির অনুমতি চায় রেস্তোরাঁ মালিকরা

ব্লক
অর্থনীতি12 hours ago

লজিস্টিকস খাত সংস্কার না হলে রপ্তানি প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়বে বাংলাদেশ: ডিসিসিআই গোলটেবিল

ব্লক
জাতীয়12 hours ago

নির্বাচন পর্যবেক্ষণে দক্ষিণ কোরিয়ায় যাচ্ছেন ইসির ৩ কর্মকর্তা

ব্লক
অর্থনীতি12 hours ago

বিনিয়োগ আকর্ষণে কর্পোরেট কর ২০ শতাংশে কমানোর দাবি

ব্লক
জাতীয়13 hours ago

বাংলাদেশে তুর্কি বিনিয়োগ বাড়াতে বিডা–তুরস্কের বৈঠক

ব্লক
সারাদেশ13 hours ago

রাজশাহীর আম বাজারে আসবে ধাপে ধাপে, প্রকাশ হলো ‘ম্যাংগো ক্যালেন্ডার’

ব্লক
জাতীয়13 hours ago

বাংলাদেশ থেকে পোশাক-চামড়াজাত পণ্য নিতে আগ্রহী ইতালি

ব্লক
আন্তর্জাতিক13 hours ago

শত্রুকে রুখতে হরমুজ প্রণালীতে নামল ইরানি সাবমেরিন

ব্লক
জাতীয়13 hours ago

মেগা প্রকল্পের বদলে সামাজিক সুরক্ষায় অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার : অর্থমন্ত্রী

ব্লক
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার14 hours ago

ঢাবির ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর হলেন ইসরাফিল রতন

ব্লক
অর্থনীতি12 hours ago

গরুর মাংস আমদানির অনুমতি চায় রেস্তোরাঁ মালিকরা

ব্লক
অর্থনীতি12 hours ago

লজিস্টিকস খাত সংস্কার না হলে রপ্তানি প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়বে বাংলাদেশ: ডিসিসিআই গোলটেবিল

ব্লক
জাতীয়12 hours ago

নির্বাচন পর্যবেক্ষণে দক্ষিণ কোরিয়ায় যাচ্ছেন ইসির ৩ কর্মকর্তা

ব্লক
অর্থনীতি12 hours ago

বিনিয়োগ আকর্ষণে কর্পোরেট কর ২০ শতাংশে কমানোর দাবি

ব্লক
জাতীয়13 hours ago

বাংলাদেশে তুর্কি বিনিয়োগ বাড়াতে বিডা–তুরস্কের বৈঠক

ব্লক
সারাদেশ13 hours ago

রাজশাহীর আম বাজারে আসবে ধাপে ধাপে, প্রকাশ হলো ‘ম্যাংগো ক্যালেন্ডার’

ব্লক
জাতীয়13 hours ago

বাংলাদেশ থেকে পোশাক-চামড়াজাত পণ্য নিতে আগ্রহী ইতালি

ব্লক
আন্তর্জাতিক13 hours ago

শত্রুকে রুখতে হরমুজ প্রণালীতে নামল ইরানি সাবমেরিন

ব্লক
জাতীয়13 hours ago

মেগা প্রকল্পের বদলে সামাজিক সুরক্ষায় অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার : অর্থমন্ত্রী

ব্লক
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার14 hours ago

ঢাবির ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর হলেন ইসরাফিল রতন

ব্লক
অর্থনীতি12 hours ago

গরুর মাংস আমদানির অনুমতি চায় রেস্তোরাঁ মালিকরা

ব্লক
অর্থনীতি12 hours ago

লজিস্টিকস খাত সংস্কার না হলে রপ্তানি প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়বে বাংলাদেশ: ডিসিসিআই গোলটেবিল

ব্লক
জাতীয়12 hours ago

নির্বাচন পর্যবেক্ষণে দক্ষিণ কোরিয়ায় যাচ্ছেন ইসির ৩ কর্মকর্তা

ব্লক
অর্থনীতি12 hours ago

বিনিয়োগ আকর্ষণে কর্পোরেট কর ২০ শতাংশে কমানোর দাবি

ব্লক
জাতীয়13 hours ago

বাংলাদেশে তুর্কি বিনিয়োগ বাড়াতে বিডা–তুরস্কের বৈঠক

ব্লক
সারাদেশ13 hours ago

রাজশাহীর আম বাজারে আসবে ধাপে ধাপে, প্রকাশ হলো ‘ম্যাংগো ক্যালেন্ডার’

ব্লক
জাতীয়13 hours ago

বাংলাদেশ থেকে পোশাক-চামড়াজাত পণ্য নিতে আগ্রহী ইতালি

ব্লক
আন্তর্জাতিক13 hours ago

শত্রুকে রুখতে হরমুজ প্রণালীতে নামল ইরানি সাবমেরিন

ব্লক
জাতীয়13 hours ago

মেগা প্রকল্পের বদলে সামাজিক সুরক্ষায় অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার : অর্থমন্ত্রী

ব্লক
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার14 hours ago

ঢাবির ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর হলেন ইসরাফিল রতন