বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম বলেছেন, কক্সবাজার বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করে অচিরেই আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালুর পরিকল্পনা করছে সরকার। এ লক্ষ্যে বিশ্বের বিভিন্ন শীর্ষ এয়ারলাইন্সের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রশ্নোত্তর পর্বে সরকারদলীয় সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমানের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।
মন্ত্রী বলেন, কক্সবাজারকে আন্তর্জাতিক এভিয়েশন হাব হিসেবে গড়ে তুলতে প্রয়োজনীয় অবকাঠামোগত উন্নয়ন ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। বড় আকারের উড়োজাহাজ অবতরণের সুবিধার্থে বিমানবন্দরের রানওয়ে ৯ হাজার ফুট থেকে বাড়িয়ে ১০ হাজার ৭০০ ফুটে উন্নীত করা হয়েছে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিচালনার জন্য প্রায় ১৭ হাজার ৯৫৫ বর্গমিটার আয়তনের আধুনিক টার্মিনাল ভবন নির্মাণ করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, আন্তর্জাতিক মানদণ্ড নিশ্চিত করতে ইন্টারন্যাশনাল সিভিল এভিয়েশন অর্গানাইজেশন (আইসিএও) থেকে প্রয়োজনীয় সনদপত্রও গ্রহণ করা হয়েছে। বর্তমানে বিমানবন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রম, টেস্টিং ও কমিশনিং চলছে। আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই এটি পূর্ণাঙ্গ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হিসেবে চালু হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
বিরোধী দলের সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরীর প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, সব প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে রয়েছে এবং দ্রুত আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালু করা সম্ভব হবে।
এদিকে সরকারদলীয় এমপি সরওয়ার জামাল নিজামের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স বর্তমানে একটি লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। বিদেশি এয়ারলাইন্সকে গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং সেবা প্রদানের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি উল্লেখযোগ্য রাজস্ব আয় করছে।
তবে উড়োজাহাজের স্বল্পতা রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বহরে নতুন উড়োজাহাজ যুক্ত করা এবং পুরোনোগুলো পর্যায়ক্রমে বাদ দেওয়ার কাজ চলছে। নতুন উড়োজাহাজ সংগ্রহ না হওয়া পর্যন্ত লিজের মাধ্যমে ফ্লাইট পরিচালনা অব্যাহত রাখা হচ্ছে। অনলাইন টিকিটিং ও নজরদারি জোরদার করায় বিমানের অনটাইম পারফরম্যান্স (ওটিপি) ৮০ শতাংশে উন্নীত হয়েছে বলেও জানান তিনি।
অন্যদিকে সংসদ সদস্য আবদুল হান্নান মাসউদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, বগুড়া, লালমনিরহাট ও ঠাকুরগাঁও স্টালপোর্ট থেকে অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট চালুর জন্য সম্ভাব্যতা সমীক্ষা গ্রহণ করা হয়েছে। এছাড়া নোয়াখালীতে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নির্মাণের বিষয়ে কমিটির প্রতিবেদন পাওয়ার পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, ২০২০ ও ২০২১ সালে কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্র থেকে কেনা উড়োজাহাজ ক্রয়ে কোনো ধরনের অনিয়ম বা দুর্নীতির তথ্য পাওয়া যায়নি। সব প্রক্রিয়া যথাযথ নিয়ম মেনেই সম্পন্ন হয়েছে।
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম বলেছেন, কক্সবাজার বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করে অচিরেই আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালুর পরিকল্পনা করছে সরকার। এ লক্ষ্যে বিশ্বের বিভিন্ন শীর্ষ এয়ারলাইন্সের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রশ্নোত্তর পর্বে সরকারদলীয় সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমানের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।
মন্ত্রী বলেন, কক্সবাজারকে আন্তর্জাতিক এভিয়েশন হাব হিসেবে গড়ে তুলতে প্রয়োজনীয় অবকাঠামোগত উন্নয়ন ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। বড় আকারের উড়োজাহাজ অবতরণের সুবিধার্থে বিমানবন্দরের রানওয়ে ৯ হাজার ফুট থেকে বাড়িয়ে ১০ হাজার ৭০০ ফুটে উন্নীত করা হয়েছে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিচালনার জন্য প্রায় ১৭ হাজার ৯৫৫ বর্গমিটার আয়তনের আধুনিক টার্মিনাল ভবন নির্মাণ করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, আন্তর্জাতিক মানদণ্ড নিশ্চিত করতে ইন্টারন্যাশনাল সিভিল এভিয়েশন অর্গানাইজেশন (আইসিএও) থেকে প্রয়োজনীয় সনদপত্রও গ্রহণ করা হয়েছে। বর্তমানে বিমানবন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রম, টেস্টিং ও কমিশনিং চলছে। আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই এটি পূর্ণাঙ্গ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হিসেবে চালু হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
বিরোধী দলের সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরীর প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, সব প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে রয়েছে এবং দ্রুত আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালু করা সম্ভব হবে।
এদিকে সরকারদলীয় এমপি সরওয়ার জামাল নিজামের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স বর্তমানে একটি লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। বিদেশি এয়ারলাইন্সকে গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং সেবা প্রদানের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি উল্লেখযোগ্য রাজস্ব আয় করছে।
তবে উড়োজাহাজের স্বল্পতা রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বহরে নতুন উড়োজাহাজ যুক্ত করা এবং পুরোনোগুলো পর্যায়ক্রমে বাদ দেওয়ার কাজ চলছে। নতুন উড়োজাহাজ সংগ্রহ না হওয়া পর্যন্ত লিজের মাধ্যমে ফ্লাইট পরিচালনা অব্যাহত রাখা হচ্ছে। অনলাইন টিকিটিং ও নজরদারি জোরদার করায় বিমানের অনটাইম পারফরম্যান্স (ওটিপি) ৮০ শতাংশে উন্নীত হয়েছে বলেও জানান তিনি।
অন্যদিকে সংসদ সদস্য আবদুল হান্নান মাসউদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, বগুড়া, লালমনিরহাট ও ঠাকুরগাঁও স্টালপোর্ট থেকে অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট চালুর জন্য সম্ভাব্যতা সমীক্ষা গ্রহণ করা হয়েছে। এছাড়া নোয়াখালীতে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নির্মাণের বিষয়ে কমিটির প্রতিবেদন পাওয়ার পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, ২০২০ ও ২০২১ সালে কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্র থেকে কেনা উড়োজাহাজ ক্রয়ে কোনো ধরনের অনিয়ম বা দুর্নীতির তথ্য পাওয়া যায়নি। সব প্রক্রিয়া যথাযথ নিয়ম মেনেই সম্পন্ন হয়েছে।