ক্যাটাগরি: পুঁজিবাজার

সূচকের উত্থানেও বাজার মূলধন কমেছে ৭৩৭ কোটি টাকা

দরপতনের মধ্যেই আরেকটি সপ্তাহ পার করেছে দেশের শেয়ারবাজার। বিদায়ী সপ্তাহে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ-এ লেনদেনে অংশ নেওয়া অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম কমেছে, যার প্রভাবে বাজার মূলধন কমেছে ৭৩৭ কোটি টাকা। তবে এর বিপরীতে সবকটি মূল্যসূচক ঊর্ধ্বমুখী ছিল এবং দৈনিক গড় লেনদেনেও সামান্য বৃদ্ধি লক্ষ্য করা গেছে।

সপ্তাহজুড়ে পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে তিন দিন সূচক বাড়লেও, মোট হিসাবে দর কমার হার ছিল বাড়ার তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ। তবে বড় মূলধনের কয়েকটি কোম্পানির শেয়ারের দাম বৃদ্ধির কারণে সূচকে ইতিবাচক প্রভাব পড়ে।

ডিএসইর তথ্য অনুযায়ী, সপ্তাহজুড়ে ১৩৮টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে, বিপরীতে কমেছে ২২০টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ২৯টির।

সপ্তাহ শেষে ডিএসইর বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ৮৮ হাজার ৬৬২ কোটি টাকা, যা আগের সপ্তাহে ছিল ৬ লাখ ৮৯ হাজার ৩৯৯ কোটি টাকা। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে বাজার মূলধন কমেছে ৭৩৭ কোটি টাকা। এর আগের সপ্তাহে বাজার মূলধন কমেছিল ১৭ হাজার ৫১৩ কোটি টাকা।

বাজার মূলধন কমলেও সূচকগুলো ছিল ঊর্ধ্বমুখী। ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স বেড়েছে ৩৭ দশমিক ৯৬ পয়েন্ট বা ০.৭৩ শতাংশ। আগের সপ্তাহে সূচকটি কমেছিল ১৪৮ দশমিক ৬৬ পয়েন্ট।

একইভাবে, বাছাই করা ভালো কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই–৩০ সূচক বেড়েছে ২১ দশমিক ৮৫ পয়েন্ট বা ১.১০ শতাংশ। অন্যদিকে শরিয়াহভিত্তিক কোম্পানির সূচকও বেড়েছে ৩ দশমিক ৬০ পয়েন্ট বা ০.৩৪ শতাংশ।

লেনদেনের গতি কিছুটা বেড়েছে। সপ্তাহজুড়ে প্রতিদিন গড়ে লেনদেন হয়েছে ৬৬৯ কোটি ৬৫ লাখ টাকা, যা আগের সপ্তাহের তুলনায় ১ কোটি ৩১ লাখ টাকা বেশি।

সপ্তাহজুড়ে লেনদেনের শীর্ষে ছিল খান ব্রাদার্স পিপি ওভেন ব্যাগ ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড। কোম্পানিটির প্রতিদিন গড়ে লেনদেন হয়েছে ২৬ কোটি ৯৬ লাখ টাকা, যা মোট লেনদেনের ৪.০৩ শতাংশ। দ্বিতীয় স্থানে ছিল একমি পেস্টিসাইডস লিমিটেড এবং তৃতীয় স্থানে লাভেলো আইসক্রিম।

লেনদেনের শীর্ষ দশে আরও রয়েছে সামিট অ্যালায়েন্স পোর্ট লিমিটেড, ডমিনেজ স্টিল বিল্ডিং সিস্টেমস লিমিটেড, টেকনো ড্রাগস লিমিটেড, সিটি ব্যাংক পিএলসি, ওরিয়ন ইনফিউশন লিমিটেড, এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজ লিমিটেড এবং জিকিউ বলপেন ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড।

শেয়ার করুন:-
শেয়ার