কংগ্রেসের ২০২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাবে প্রতিরক্ষা খাতে প্রায় ১ দশমিক ৫ ট্রিলিয়ন ডলার বরাদ্দ চেয়েছে হোয়াইট হাউস। এটি গত বছরের তুলনায় ৪২ শতাংশ বেশি। এই প্রস্তাব গৃহীত হলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ব্যয় সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাবে এবং এটি হবে আধুনিক মার্কিন ইতিহাসের সর্বোচ্চ প্রতিরক্ষা বাজেট। ইরান যুদ্ধ চলাকালেই এমন উচ্চাভিলাষী প্রতিরক্ষা বাজেট প্রস্তাব করল ট্রাম্প প্রশাসন।
প্রস্তাবিত বাজেটে এতে গোলাবারুদের মজুত শক্তিশালী করা, যুক্তরাষ্ট্রের নৌবহর সম্প্রসারণ এবং প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পরিকল্পিত ‘গোল্ডেন ডোম’ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা নির্মাণের কাজ শুরু করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি সেনাবাহিনীতে নিয়োগ ও কর্মী ধরে রাখতে সব সামরিক সদস্যদের জন্য ৫ থেকে ৭ শতাংশ পর্যন্ত বেতন বৃদ্ধির প্রস্তাব করা হয়েছে।
প্রতিরক্ষা বাজেটে অতিরিক্ত ৪৪৫ বিলিয়ন ডলারের মধ্যে ৩৫০ বিলিয়ন ডলার নতুন একটি আইনের মাধ্যমে পাস করাতে চায় ট্রাম্প প্রশাসন। এই আইনের ফলে রিপাবলিকানরা সিনেটে কেবল সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটের মাধ্যমে ৩৫০ বিলিয়ন ডলার বরাদ্দের অনুমোদন দিতে পারবে। এতে ডেমোক্র্যাটদের সমর্থন প্রয়োজন হবে না।
অন্যান্য সংস্থার জন্য প্রস্তাবিত বাজেটেও প্রতিরক্ষাব্যবস্থা জোরদারের ওপর প্রশাসনের গুরুত্ব প্রতিফলিত হয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, জ্বালানি বিভাগ তাদের বাজেটে ন্যাশনাল নিউক্লিয়ার সিকিউরিটি অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের জন্য ৩ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি অতিরিক্ত তহবিল প্রস্তাব করেছে।
নতুন পারমাণবিক ওয়ারহেড তৈরি, বিদ্যমানগুলোর আধুনিকায়ন এবং ভবিষ্যৎ মার্কিন নৌবাহিনীর জন্য নতুন প্রযুক্তি উন্নয়নে এই অতিরিক্ত অর্থ ব্যবহৃত হবে।