রপ্তানি বাজার সম্প্রসারণ, বৈদেশিক বিনিয়োগ বৃদ্ধি তথা অর্থনৈতিক কূটনীতির সফল প্রয়োগের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক সম্পর্কোন্নয়নে সরকার সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণ করছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান।
সোমবার (৩০ মার্চ) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে সংসদ সদস্য এ ই সুলতান মাহমুদ বাবুর এক প্রশ্নের লিখিত জবাবে তিনি এ কথা জানান। পররাষ্ট্রমন্ত্রীর পক্ষে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম প্রশ্নের জবাব দেন। এসময় অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
খলিলুর রহমান বলেন, বর্তমান সরকার বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে টেকসই ও বহুমাত্রিক করে অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রাকে বেগবান করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকারের আলোকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দেশের রপ্তানি বাজার সম্প্রসারণ, বৈদেশিক বিনিয়োগ বৃদ্ধি তথা অর্থনৈতিক কূটনীতির সফল প্রয়োগের মাধ্যমে জাতীয় স্বার্থ রক্ষা করে আন্তর্জাতিক সম্পর্কোন্নয়নে সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণ করছে।
তিনি বলেন, ইউরোপ, আমেরিকার মতো প্রচলিত বাজারের পাশাপাশি দেশি পণ্যের নতুন নতুন বাজার অনুসন্ধানে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কাজ করছে। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্য, আফ্রিকা, দক্ষিণ আমেরিকা, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এবং পূর্ব ইউরোপের উদীয়মান অর্থনীতির সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদার করা হচ্ছে।
সম্ভাবনাময় দেশগুলোর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তি, অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য সুবিধা (পিটিএ) এবং মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) স্বাক্ষরের সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা চলমান রয়েছে, যা বাস্তবায়িত হলে আমাদের রপ্তানি বাজার সম্প্রসারণে সহায়ক হবে এবং সংশ্লিষ্ট দেশের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কও জোরদার হবে। এ প্রসঙ্গে আমরা পুনরায় মহান সংসদ ও দেশবাসীকে আশ্বস্ত করতে চাই যে, ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ এই দর্শনকে ধারণ করেই বর্তমান সরকার এসব চুক্তি সম্পন্ন করতে বদ্ধপরিকর।