বেগম জিয়ার দেখানো পথই বাংলাদেশের গণতন্ত্রের পথ: ইবি উপাচার্য

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ বলেছেন, বেগম খালেদা জিয়ার দেখানো পথই বাংলাদেশের রাজনীতি ও গণতন্ত্রের পথ। তিনি বলেন, দেশের গণতন্ত্রের এই নেত্রী মৃত্যুর শেষ দিন পর্যন্ত জনগণের পক্ষে কথা বলেছেন।

বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে শহীদ জিয়াউর রহমান কর্তৃক স্থাপিত ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তরে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

উপাচার্য বলেন, “আমরা যেন ন্যায়বিচার ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় বর্তমান সরকারের আহ্বানে এক হয়ে কাজ করি। বেগম জিয়া তাঁর স্বামীর উত্তরসূরি হিসেবে যে পথ দেখিয়েছেন, সেটিই বাংলাদেশের রাজনীতি ও গণতন্ত্রের পথ।” তিনি তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনাও করেন।

তিনি আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার সবসময় স্বাধীনতার চেতনাকে ধারণ করে। স্বাধীনতার চেতনা সাম্য, মৈত্রী, সুবিচার ও ন্যায়বিচারের মধ্যে নিহিত। বর্তমান পরিস্থিতিতে গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত রাখতে তারেক রহমানের নেতৃত্বে পরিচালিত সরকারকে যথাযথ সাহায্য করব। মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

এর আগে সকাল ১০টায় প্রশাসন ভবন চত্বরে জাতীয় পতাকা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে দিবসের কর্মসূচি শুরু হয়। পরে বেলুন উড়িয়ে কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়।

উদ্বোধনের পর উপাচার্যের নেতৃত্বে একটি আনন্দ শোভাযাত্রা বের হয়, যা ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে শহীদ স্মৃতিসৌধে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়।

পরবর্তীতে মহান শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে শহীদ স্মৃতিসৌধের বেদিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন শেষে একে একে বিভিন্ন সমিতি, পরিষদ/ফোরাম, অনুষদ, হল, বিভাগ, ছাত্র সংগঠন এবং সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনসমূহ শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করে। শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন শেষে শহীদদের স্মরণে ১মিনিট নিরবতা পালন ও তাদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

এরপর সাবেক রাষ্ট্রপতি ও ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ জিয়াউর রহমানের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তাঁর স্থাপিত ভিত্তিপ্রস্তরে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেন উপাচার্য। এ সময় কোষাধ্যক্ষ ও রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) তাঁর সাথে ছিলেন। পরে জিয়া পরিষদ, ইউট্যাব, জাতীয়তাবাদী কর্মকর্তা-কর্মচারী ফোরাম, শাখা ছাত্রদল পুষ্পস্তবক অর্পণ করে।

এছাড়া দিবসটি উপলক্ষে যোহর নামাজ শেষে কেন্দ্রীয় মসজিদে মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস উপলক্ষে আগের রাতে ক্যাম্পাসে এক মিনিটের প্রতীকী ব্ল্যাকআউট পালন করা হয় এবং শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনায় পবিত্র কুরআনখানি আয়োজন করা হয়।

এমএন/সাকিব

শেয়ার করুন:-
শেয়ার