দেশের নারীদের জন্য শিক্ষা অবৈতনিক করার পদক্ষেপ নেবে সরকার বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী পত্নী ডাক্তার জুবাইদা রহমান।
রোববার (১৫ মার্চ) দুপুরে রাজধানীর মুক্তিযুদ্ধ যাদুঘরে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, “যে জাতির নারীরা এগিয়ে যায়, সেই জাতি এগিয়ে যায়। বর্তমান সরকার কন্যাশিশুর অধিকার বাস্তবায়নে বদ্ধপরিকর। নারীদের শিক্ষা অবৈতনিক করার পদক্ষেপও নেবে সরকার।”
তিনি আরও বলেন, দেশের প্রতিটি শিশুর উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে। এমন বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্য রয়েছে যেখানে নারী নেতৃত্ব গড়ে উঠবে ভবিষ্যত বাংলাদেশ।
অনুষ্ঠানে সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন বলেন, বাংলাদেশে নারী উন্নয়নের ভিত্তি গড়ে দিয়েছিলেন সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। তিনি নারী বিষয়ক অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠা করেন এবং আনসার-ভিডিপিতে নারীদের অন্তর্ভুক্ত করেন। এছাড়া নারীদের প্রথম কোটা দিয়েছিলেন ২০ শতাংশ। এর ফলেই বর্তমানে মেডিকেল কলেজে শিক্ষার্থীদের ৬২ শতাংশ নারী।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্নাতকোত্তর পর্যায়ে অবৈতনিক পড়াশোনা ও স্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করছেন জানিয়ে তিনি বলেন, ‘অধিকার সবার। গণতন্ত্রের লেবাসেও স্বৈরাচার হয়। যা আমরা বিগত সরকারের আমলে দেখেছি। আমরা এতদিন অধিকার হারা হয়েছিলাম। তাই এখনও কথা বলতে হয় নারী অধিকার নিয়ে।’
নরসিংদীর ধর্ষণের মতো ঘটনা নিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা যদি অন্যান্য দেশের দিকে তাকাই, সভ্য সমাজের কালো দিকটা আমরা দেখি না। গণমাধ্যমের কারণে সেগুলো আমাদের সামনে আসে। আমরা এমন একটি দেশ চাই যেখানে নারীর অধিকার নিয়ে আলাদা করে কথা বলতে হবে না।’
এমএন