দেশের প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স আরও দ্রুত ও সহজে প্রান্তিক মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে মোবাইল আর্থিক সেবা প্রতিষ্ঠান নগদ ও মিডল্যান্ড ব্যাংক পিএলসি। এখন থেকে বিশ্বের যেকোনো প্রান্ত থেকে মিডল্যান্ড ব্যাংকের মাধ্যমে পাঠানো রেমিট্যান্স সরাসরি গ্রাহকের নগদ ওয়ালেটে জমা হবে।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) রাজধানীর গুলশানে অবস্থিত মিডল্যান্ড ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে এ সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত হয়। চুক্তিতে মিডল্যান্ড ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইমতিয়াজ উদ্দিন আহমেদ এবং নগদের বাংলাদেশ ব্যাংক নিযুক্ত প্রশাসক মো. মোতাছিম বিল্লাহ স্বাক্ষর করেন।
চুক্তির আওতায় প্রবাসে কর্মরত বাংলাদেশিদের পাঠানো কষ্টার্জিত অর্থ মিডল্যান্ড ব্যাংকের মাধ্যমে সরাসরি নগদ গ্রাহকদের মোবাইল ওয়ালেটে পৌঁছে দেওয়া হবে। এর ফলে প্রবাসীরা আন্তর্জাতিক এক্সচেঞ্জ হাউস, মানি ট্রান্সফার অপারেটর (এমটিও) কিংবা ব্যাংকের মাধ্যমে বৈধ পথে দেশে অর্থ পাঠাতে পারবেন।
এই ব্যবস্থার মাধ্যমে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলসহ যেকোনো স্থান থেকে উপকারভোগীরা ২৪ ঘণ্টা নগদ ওয়ালেটের মাধ্যমে অর্থ গ্রহণ ও ব্যবহার করতে পারবেন।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে মিডল্যান্ড ব্যাংকের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন, ব্যাংকটির উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিআরও মো. জাহিদ হোসেন, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিটিও মো. নজমুল হুদা সরকার, সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ জাভেদ তারেক খান ও খন্দকার তৌফিক হোসেন খান প্রমুখ।
এছাড়া নগদের পক্ষ থেকে রেমিট্যান্স বিভাগের প্রধান মো. আহসানুল হক বাশারসহ প্রতিষ্ঠানটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে মিডল্যান্ড ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইমতিয়াজ উদ্দিন আহমেদ বলেন, মিডল্যান্ড ব্যাংক বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিস্তৃত অংশীদার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে রেমিট্যান্স সংগ্রহ করে থাকে। নগদের সঙ্গে এই চুক্তির ফলে প্রবাসী ও তাদের পরিবার আরও দ্রুত ও সহজে রেমিট্যান্স সেবা পাবেন।
এ সময় নগদের প্রশাসক মো. মোতাছিম বিল্লাহ বলেন, এই চুক্তির ফলে প্রবাসীদের পাঠানো অর্থ সর্বোচ্চ নিরাপত্তার সঙ্গে তৎক্ষণাৎ প্রাপকের নগদ ওয়ালেটে পৌঁছে যাবে। গ্রাহকরা চাইলে যেকোনো সময় এই অর্থ ব্যবহার করতে পারবেন কিংবা দেশের বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে থাকা নগদের তিন লক্ষাধিক উদ্যোক্তা পয়েন্ট থেকে সহজেই ক্যাশআউট করতে পারবেন।
তিনি আরও বলেন, এই উদ্যোগ দেশের রেমিট্যান্স ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক, গতিশীল ও কার্যকর করবে এবং বৈধ পথে রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।