ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়-এর সমাজকল্যাণ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও বিভাগীয় সভাপতি আসমা সাদিয়া রুনা হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার নিশ্চিতসহ পাঁচ দফা দাবি জানিয়েছে বিভাগের সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
শনিবার (৭ মার্চ) দুপুর ১টার দিকে শিক্ষার্থীরা তাদের লিখিত দাবিগুলো বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ-এর কাছে স্মারকলিপি আকারে পেশ করেন।
শিক্ষার্থীদের দাবির মধ্যে রয়েছে— আগামী ১৫ দিনের মধ্যে রুনা ম্যামের হত্যাকারী এবং হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে জড়িত সকল ব্যক্তিকে চিহ্নিত করে দ্রুত আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা। এছাড়া ম্যামের পরিবারের অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ৩০ দিনের মধ্যে ৪ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ প্রদান এবং পরিবারের সদস্যদের বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাপ্য সকল সুযোগ-সুবিধার আওতায় আনার দাবি জানানো হয়েছে।
এছাড়াও শিক্ষার্থীরা বিভাগের একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম দ্রুত চালু করার দাবি জানান। একই সঙ্গে বিভাগ প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত সকল আর্থিক লেনদেন ও কার্যক্রমের পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করে তার প্রতিবেদন জনসম্মুখে প্রকাশ করার আহ্বান জানানো হয়। রুনা ম্যামের অবদান ও স্মৃতি চিরস্মরণীয় করে রাখতে বিশ্ববিদ্যালয়ের যেকোনো একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার নাম তাঁর নামে নামকরণের দাবি তোলা হয়েছে।
শিক্ষার্থীরা বলেন, এসব দাবি দ্রুত বাস্তবায়নের লক্ষ্যে তারা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের আন্তরিক ও কার্যকর পদক্ষেপ প্রত্যাশা করছেন। অন্যথায় তারা কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবেন বলেও জানান।
এসময় স্মারকলিপি গ্রহন শেষে উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ বলেন, দাবি সম্বলিত স্মারকলিপি গ্রহন করেছি। সবগুলো দাবি যৌক্তিক তবে রুনা ম্যামের পরিবারকে ৪ কোটি ক্ষতিপূরণের ব্যাপারে আমরা ইউজিসির সাথে আলোচনা করবো। কারণ বিশ্ববিদ্যালয় আইন অনুযায়ী সর্বোচ্চ পঁচিশ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ দেয়ার এখতিয়ার আছে প্রশাসনের।
এমএন