ক্যাটাগরি: কর্পোরেট সংবাদ

ইসলামী ব্যাংকের ডিজিটাল সেবায় সহজ হলো দান ও হজ্জ-উমরার প্রস্তুতি

প্রযুক্তির অগ্রগতির ফলে ইবাদত ও জনকল্যাণমূলক কাজে অংশগ্রহণ এখন আরও সহজ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় হয়েছে। ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি তাদের ডিজিটাল দান বক্স এবং হজ্জ-উমরা সেভিংস স্কিম চালুর মাধ্যমে গ্রাহকদের ঘরে বসেই নিরাপদে ধর্মীয় ও মানবিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত হওয়ার সুযোগ দিচ্ছে।

হজ্জ ও উমরাহ সেভিংস স্কিমে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা

হজ্জ ও উমরাহ পালনে আগ্রহীদের জন্য ব্যাংকটিতে রয়েছে ‘মুদারাবা হজ্জ সেভিংস অ্যাকাউন্ট’ ও ‘মুদারাবা উমরাহ সেভিংস স্কিম’। এসব স্কিমের মাধ্যমে গ্রাহকরা ধাপে ধাপে সঞ্চয় গড়ে তুলে পবিত্র হজ্জ ও উমরাহ পালনের আর্থিক প্রস্তুতি নিতে পারেন।

হজ্জ পালনে ইচ্ছুক ব্যক্তিরা এক থেকে ২৫ বছর মেয়াদে মুদারাবা হজ্জ সেভিংস অ্যাকাউন্ট খুলতে পারেন। গ্রাহক তার সামর্থ্য অনুযায়ী কিস্তির পরিমাণ নির্ধারণ করতে পারেন। নির্ধারিত মেয়াদের আগেই হজ্জে যেতে চাইলে জমাকৃত অর্থের সঙ্গে বাকি প্রয়োজনীয় অর্থ জমা দিয়ে হজ্জ পালন করা সম্ভব।

অন্যদিকে, উমরাহ পালনের জন্য এক থেকে ১২ বছর মেয়াদে মাসিক কিস্তির ভিত্তিতে সঞ্চয়ের সুযোগ রয়েছে। ১৮ বছর বা তদূর্ধ্ব ব্যক্তি নিজ নামে এবং অপ্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে পিতামাতা বা আইনগত অভিভাবক তাদের নামে হিসাব খুলতে পারেন। উভয় স্কিমেই মুদারাবা পদ্ধতিতে মুনাফা প্রদান করা হয়।

জাতীয় পরিচয়পত্র ও ছবি দিয়ে ব্যাংকের যেকোনো শাখা, উপ-শাখা, এজেন্ট আউটলেট কিংবা ‘সেলফিন’ অ্যাপের মাধ্যমে সহজেই এসব হিসাব খোলা যায়।

ডিজিটাল দান বক্সে সহজ অনুদান

ব্যাংকের ডিজিটাল দান বক্স সেবার মাধ্যমে দান করার প্রক্রিয়া হয়েছে আরও সহজ ও স্বচ্ছ। গ্রাহকরা নগদ অর্থ ছাড়াই সেলফিন বা যেকোনো ব্যাংকিং ও মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাপ ব্যবহার করে কিউআর কোড স্ক্যানের মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে সাদাকাহ বা অনুদান প্রদান করতে পারেন।

এই পদ্ধতিতে গোপনীয়তা বজায় থাকে এবং প্রতিটি লেনদেন তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব হয়। ফলে স্থানীয় মসজিদ, এতিমখানা, লিল্লাহ বোর্ডিং ও বিভিন্ন দাতব্য প্রতিষ্ঠানে দ্রুত অর্থ পৌঁছে দেওয়া যাচ্ছে।

এছাড়া সেলফিন, আই-ব্যাংকিং বা শাখা/এজেন্টে বিশেষ নির্দেশনা দিয়ে মাসিক কিস্তি ও অনুদানের অর্থ স্বয়ংক্রিয়ভাবে জমা দেওয়ার ব্যবস্থাও রয়েছে।

প্রযুক্তির উৎকর্ষ ও আমানতদারিতার সমন্বয়ে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি শুধু একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান নয়, বরং ধর্মীয় ও সামাজিক দায়বদ্ধতা পালনে গ্রাহকদের একটি বিশ্বস্ত ঠিকানায় পরিণত হয়েছে।

এমএন

শেয়ার করুন:-
শেয়ার